ইসলাম হোমিও হল - Islam Homeo Hall

ইসলাম হোমিও হল - Islam Homeo Hall সবার কাছে নির্ভরযোগ্য ও বিজ্ঞানসম্মত আধুনিক হোমিও চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়া আমাদের অঙ্গীকার।

07/07/2021

হোমিওপ্যাথিক ঔষধ মানবদেহের জন্য কতটা #নিরাপদ_এবং_পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া_মুক্ত ❤ তা হোমিওপ্যাথি সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান না থাকলে উপলব্ধি করা যায় না।
জ্ঞান বিজ্ঞানের সাথে হোমিওপ্যাথির জনপ্রিয়তা এখন আকাশচুম্বী যার করনেই আজ হোমিওপ্যাথি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম চিকিৎসা পদ্ধতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।
সত্যি কথা বলতে হোমিওপ্যাথি সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদ স্বরূপ। এগিয়ে যাক হোমিওপ্যাথি এবং
জয় হোক হোমিওপ্যাথির । ❤

-Collected

17/04/2021
অক্সিজেন সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছেঃ১.৪ কিউবিক মিটার মেডিকেল অক্সিজেন সিলিন্ডার (মিটার,টিউব সবসহ) ক্রয়ঃ ২২,০০০ টাকাভাড়াঃ প্র...
07/04/2021

অক্সিজেন সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছেঃ
১.৪ কিউবিক মিটার মেডিকেল অক্সিজেন সিলিন্ডার (মিটার,টিউব সবসহ)
ক্রয়ঃ ২২,০০০ টাকা
ভাড়াঃ প্রতিদিন ৭০ টাকা (২০,০০০ টাকা সিকিউরিটি ডিপোজিট,সিলিন্ডার ফেরতের সময় ১০,০০০ টাকা ফেরত)
যোগাযোগঃ ০১৯১১১১০১৫১

রোগমুক্তিতে হোমিওপ্যাথিঃ----------------------------বিভিন্ন প্রতিকূল পরিস্থিতিতে জীবনযাপন করা সত্ত্বেও কোনো মানুষ যার বদ...
05/04/2021

রোগমুক্তিতে হোমিওপ্যাথিঃ
----------------------------

বিভিন্ন প্রতিকূল পরিস্থিতিতে জীবনযাপন করা সত্ত্বেও কোনো মানুষ যার বদান্যতায় সুস্থ থাকে তার নাম Vital Force. অশরীরী,গতিশীল,স্বয়ংক্রিয় (Self-acting) এই সত্ত্বা দেহযন্ত্রকে বাঁচিয়ে রাখে এবং সকল প্রকার অপশক্তির বিরুদ্ধে স্বতঃস্ফুর্তভাবে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে। এই Vital Force দেহযন্ত্রের প্রতিটি কোষে, প্রতিটি অণু-পরমাণুতে সমানভাবে প্রভাব বিস্তার করে।এই গতিশীল সত্ত্বাই দেহযন্ত্রকে বিভিন্ন রোগযন্ত্রণার হাত থেকে রক্ষা করে সদাসর্বদা প্রাণবন্ত রাখে। তার মানে Vital Force সুস্থ থাকলে মানবদেহ প্রতিকূল পরিস্থিতিকে জয় করতে সক্ষম হবে যার ফলে ঐ মানুষটি স্বাচ্ছন্দ্যে জীবনোপভোগ করে।

আর Vital Force দূর্বল হলেই সবকিছু এলোমেলো,বিশৃংখল হয়ে যায় এবং আমরা রোগগ্রস্থ হই। অনাকাংখিত এই রোগগ্রস্থ হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার একটাই মাত্র উপায় আছে,সেটি হল “GO-BACK” Procedure of Real Homoeopathic Therapeutic System (Fruit-Tree-Earth) এর রীতিনীতি যথাযথভাবে মেনে চিকিৎসা নেওয়া বা দেওয়া। আধুনিক এই পদ্ধতিতে চিকিৎসা করলে রোগগ্রস্থ হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়,আর রোগগ্রস্থ অবস্থার কোনো রোগীকে চিকিৎসা করলে মানুষটি সার্বিকভাবে সুস্থ হয়ে ওঠে যে কোনো নামের রোগেই সে আক্রান্ত হোক না কেনো- হোক না সেটি ক্যান্সার, Kidney disease, Heart complaint, Liver problem, Autism বা অন্য কিছু। কারণ সকল ক্ষেত্রেই আধুনিক এই চিকিৎসা পদ্ধতি মানব শরীরে Immune System- কে বৃদ্ধি করে।

***Covid-19 প্রতিরোধে ও চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথির ভূমিকাঃ
---------------------------------------------------------------

বর্তমান বিশ্বে কোভিড-১৯ এক আতংকের নাম। এ ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হওয়া ও এর ছোবলে মৃত্যুর মিছিলে শামিল হওয়া অতি স্বাভাবিক ঘটনা। এ ভাইরাসের ভয়াল আক্রমণ থেকে বাঁচতে বর্তমান বিশ্বজগতের বিজ্ঞানী গবেষকসহ সচেতনমহল আধুনিক বিশ্ব সকল উপায়-উপকরণ,কলাকৌশল ব্যবহার করে এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আপ্রাণ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু কিছুতেই যেন কিছুই হচ্ছে না।প্রকৃতপক্ষে শক্তিশালী ও বহুরূপী এ ভাইরাস থেকে বাঁচার আসল রহস্য লুকিয়ে আছে আমাদের দেহের অভ্যন্তরে বিদ্যমান সেই জীবনীশক্তি ও রোগশক্তির ক্রিয়াকলাপের মধ্যে। দৃশ্যতঃ শরীর সুস্থ রাখতে দেহে পর্যাপ্তমাত্রায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উপস্থিতি অপরিহার্য। আর Immunity বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে আধুনিক হোমিও চিকিৎসার অবদান অনস্বীকার্য। কোভিড-১৯ ভাইরাস যখন মানব জমিনকে আক্রমণ করার মত উপযুক্ত পরিবেশ পায়,কেবল তখনই আমরা এই ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হই। ভয়ানক এই ভাইরাস থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হল মানব জমিনকে তার আক্রমণের জন্যে অনুর্বর বা অনুপযুক্ত রাখা। আধুনিক হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা ব্যবস্থায় Immune System- কে বৃদ্ধির মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত এই পরিবেশ সৃষ্টি করা সম্ভব।

অনুরূপভাবে এই চিকিৎসা ব্যবস্থা কোভিড-১৯ আক্রান্ত ব্যক্তির নিরাময়ে অনন্য ভূমিকা পালন করতে পারে বলে ইতোমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে।

27/03/2021
প্রতি শুক্রবার সকাল ৯ঃ০০ টা থেকে দুপুর ১২ঃ০০ টা এবং বিকাল ৪ঃ০০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ঃ০০ টা পর্যন্ত ফ্রি চিকিৎসা দেওয়া হয়।**ক...
17/09/2020

প্রতি শুক্রবার সকাল ৯ঃ০০ টা থেকে দুপুর ১২ঃ০০ টা এবং বিকাল ৪ঃ০০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ঃ০০ টা পর্যন্ত ফ্রি চিকিৎসা দেওয়া হয়।
**কল করে আপনার সমস্যার বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে ঔষধের নাম জেনে নিতে পারেন।
ফোন নম্বরঃ ০১৯১১১১০১৫১
***অফারটি সীমিত সময়ের জন্য

বন্ধ্যত্বের চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথিস্ত্রী লোকের সন্তান উৎপাদনের ক্ষমতার অভাবকে বন্ধাত্ব বলে এবং দুই বৎসর বা তার থেকে বেশি স...
17/09/2020

বন্ধ্যত্বের চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি

স্ত্রী লোকের সন্তান উৎপাদনের ক্ষমতার অভাবকে বন্ধাত্ব বলে এবং দুই বৎসর বা তার থেকে বেশি সময় চেষ্টা করার পড়েও গর্ভধারণে ব্যার্থ হলে তাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় বন্ধ্যত্ব বলে।

৮% দম্পতি বন্ধ্যত্বের শিকার হন। বন্ধ্যত্ব স্বামী বা স্ত্রী উভয়ের কারণে হতে পারে।

বন্ধ্যত্ব দু ধরনের যথা:
প্রাথমিক বন্ধ্যত্ব, বিবাহের পর সকল সুবিধা থাকা সত্ত্বেও কখনই গর্ভধারণ না হওয়াকে প্রাথমিক বন্ধ্যত্ব বলে,পরবর্তী বা দ্বিতীয় পর্যায়ের বন্ধ্যত্ব ( কোন মহিলা প্রথম বার গর্ভধারণের পর দ্বিতীয় বার আর যদি গর্ভধারণ করতে না পারে তবে তাকে পরবর্তী বা দ্বিতীয় পর্যায়ের বন্ধ্যত্ব বলে।

কারণ: বন্ধ্যত্ব স্বামী বা স্ত্রী যে কোন একজনের কারণে হতে পারে। কিন্তু আমাদের সমাজে অন্যায় ভাবে শুধুমাত্র স্ত্রীদেরকে দোষারোপ করা হয় এমন কি কোন কোন ক্ষেত্রে স্বামীকে দ্বিতীয় বা তৃতীয় বিয়েতে উৎসাহিত করা হয়।

১)স্বামীর কারণে বন্ধ্যত্ব:

* স্বামীর বীর্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শুক্রাণু না থাকলে।

*মৃত শুক্রাণু বা শুক্রাণু বিহীন বীর্যের কারণে একটি অণ্ডকোষ/লুপ্ত প্রায় অণ্ডকোষ/অণ্ডকোষ জন্মগত ভাবে না থাকলে।

* অণ্ডকোষের প্রদাহ, মাম্পস বা গলা ফুলা রোগের প্রদাহের কারণে।

* বিকৃত শুক্রাণু থাকলে।

*যৌন ক্রিয়ায় অক্ষম হলে।

* শুক্রাণু বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় তাপ ও পরিবেষ অণ্ড কোষে না থাকলে।

* যৌনাঙ্গে যক্ষ্মা, গনোরিয়া প্রভৃতি রোগ থাকলে।

২)স্ত্রীর কারণে বন্ধ্যত্ব:

* যদি জরায়ুর আকার ছোট হয়। ডিম্বাশয় যদি সঠিক ভাবে কাজ না করে। মাসিকের গণ্ডগোল থাকলে।

* বস্তি কোটরের প্রদাহ হলে। *বংশগত*জরায়ুতে টিউমার হলে।*যক্ষ্মা গনোরিয়া ইত্যাদি রোগ হলে.

উল্লেখিত কারণগুলো ছাড়াও স্ত্রীর ডিম্ব ক্ষরণের সময় যৌনমিলন না হলে গর্ভধারণ হয় না।

রোগ নির্ণয়ে পরীক্ষা:

বন্ধ্যত্বের কারণ নির্ণয়ে প্রথমে স্বামীর বীর্য পরীক্ষা করে দেখতে হবে। এবং স্বামীর শারীরিক পরীক্ষা করে দেখতে হবে। যদি কোন অসুবিধা ধরা না পড়ে তখন স্ত্রীকে পরীক্ষা করতে হবে। স্ত্রীর পরীক্ষাগুলো ব্যয়বহুল বিধায় প্রথমে স্বামীকে পরীক্ষা করা উচিত।

পরামর্শ:

যদি কোন দম্পতির একবারেই সন্তান না হয় অথবা সন্তান হওয়ার পর দ্বিতীয় সন্তান কাঙ্ক্ষিত সময়ে না হয় তবে তাদেরকে নিন্মলিখিত পরামর্শ দেয়া উচিত:

স্বামী ও স্ত্রীকে আশ্বস্ত করে দুশ্চিন্তা কমাতে হবে (সব ঠিক থাকার পরেও শতকরা ২০ ভাগ দম্পতির ১ বছরে বাচ্চা নাও হতে পারে, শতকরা ১০ ভাগ দম্পতির ২ বছরে বাচ্চা নাও হতে পারে)।

স্ত্রীর ডিম্বক্ষরনের সময় অর্থাৎ মাসিক শুরুর ১১ তম দিন থেকে ১৮ তম দিন পর্যন্ত প্রতিদিন সম্ভব না হলে ১ দিন পরে পরে স্বামীর সাথে মিলনের পরামর্শ দিতে হবে।

স্বামীর বা স্ত্রীর কোন জটিল রোগ বা যৌন রোগ থাকলে তার চিকিৎসা করাতে হবে। স্বামী বা স্ত্রীর ধূমপান, মদ্যপান, যে কোন নেশা গ্রহণ, একনাগাড়ে দীর্ঘদিন এন্টিহিস্টামিন খাওয়া বর্জন করতে হবে। অতিরিক্ত পরিশ্রম, দুশ্চিন্তা, ওজন থাকলে কমাতে হবে।

হোমিও প্রতিবিধান, রোগ নয় রোগীকে চিকিৎসা করা হয়,এই জন্য অভিজ্ঞ হোমিওচিকিৎসক রোগীর পুরা লক্ষণ মিলিয়ে বন্ধ্যত্বের রোগীর চিকিৎসা দিতে পারলে তাহলে আল্লাহর রহমতে হোমিও তে বন্ধ্যত্বের চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব।

হোমিওচিকিৎসাঃপ্রাথমিক ভাবে লক্ষণের উপর যেই সব মেডিসিন আসতে পারে,অরাম- মিউর ন্যাট,বোরাক্স,হেলোনিয়াস,নেট্রাম মিউর, কোনিয়াম, থুজা, সালফার,নাক্স,পালছেটিলা,সিপিয়া,লাইকোপোডিয়াম,সিলিনিয়াম সহ আরো অনেক ঔষধ লক্ষণের উপর আসতে পারে, তাই অভিজ্ঞ চিকিৎসক ছাড়া মেডিসিন নিজে নিজে ব্যবহার করলে রোগ আরো জটিল আকারে পৌঁছতে পারে।

চর্মরোগে হোমিওপ্যাথিঃমানব দেহের ত্বকের উপরিভাগে ব্রণ, ফুসকুড়ি, অ্যালার্জি, একজিমা বা চুলকানি ইত্যাদি নানান ধরনের চর্মরোগ...
08/09/2020

চর্মরোগে হোমিওপ্যাথিঃ

মানব দেহের ত্বকের উপরিভাগে ব্রণ, ফুসকুড়ি, অ্যালার্জি, একজিমা বা চুলকানি ইত্যাদি নানান ধরনের চর্মরোগে হরহামেশাই বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষকে আক্রান্ত হতে দেখা যায়। কখনো কখনো এটি দীর্ঘমেয়াদি আকার ধারণ করে। বছরের সবসময়ই এই রোগ হতে পারে। শীতকালে এই রোগ বেশি দেখা যায়। এ সময় শুষ্ক ত্বক ফেটে যায়, আকান্ত স্থান পুরু হয়ে ওঠে, চুলকানির সৃষ্টি হয় এবং ফুসকুড়ি হতে পারে। শরীরের যে কোনো স্থানেই চর্ম রোগ দেখা দিতে পারে। তবে হাত-পা মুখে বা পেটের ত্বকে এ রোগ বেশি দেখা যায়।
চর্মরোগ অপরিষ্কার অপরিচ্ছন্নতার একটি অন্যতম প্রধান কারণ। কম-বেশি ভুগতে হয় সবাইকে। আর অনেক সময়ই কী করতে হবে সেটা না জানার কারণে দীর্ঘদিন এই সমস্যায় ভুগতে হয়।
মাঝে মাঝে ত্বকে মাকড়সার জালের মতো কৈশিক নালী ফুটে ওঠতে দেখা যায়। বিশেষ করে পা, মুখের ত্বক ইত্যাদি সংবেদনশীল ত্বকে এই সমস্যা দেখা যায়। মূলত ত্বক শুষ্ক হয়ে গেলে স্পাইডার ভেইনস বা অ্যাজমাজনিত চর্মরোগ সমস্যা দেখা দেয়। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা উচিত। এছাড়াও সবজি ও ফল-মূলজাতীয় খাবার খেলে ত্বকের এ সমস্যা কমানো যায়। ত্বক ফেটে গেলে হোমিও ওষুধ পেট্রোলিয়াম সেবন করবেন। আর যদি ফেটে পানি বের হয় তবে হোমিও ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে পারেন।
যাদের লিভার বা যকৃতে সমস্যা থাকে তাদের ত্বকে এই ধরনের চর্মরোগ বেশি দেখা যায়। তাই ত্বকে যদি অতিরিক্ত স্পাইডার ভেইনসের সমস্যা হয় তাহলে দেরি না করে একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।
আমাদের মুখের ত্বকে অনেক তৈল গ্রন্থি রয়েছে। আর বয়ঃসন্ধির সময়ে ত্বকে তেলের পরিমাণ বেড়ে যায়। আর সেখান থেকে হয় ব্রণ। লোমক‚পে তেল বেড়ে গেলে সেখানে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ফলে প্রদাহের সৃষ্টি হয়। ত্বকে ছোট ছোট লালচে গোটা বা ব্রণ হয়। লোমক‚প বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে ত্বকে ব্রণ হতে পারে।
অনেকে ব্রণ হলে সেটি নিয়ে বেশি চাপাচাপি করে থাকেন। ফলে ত্বকে বা চর্মে প্রদাহের সৃষ্টি হয়। তাই ব্রণ হলে হাত না লাগানোই ভালো। তাছাড়া অতিরিক্ত সাবান ব্যবহার থেকেও বিরত থাকতে হবে। দিনে দুইবার ত্বক পরিষ্কারের জন্য হালকা ফেসওয়াশ ব্যবহার করা যেতে পারে।
চর্মরোগ ব্রণের সমস্যা কমাতে সঠিক খাদ্যাভ্যাসও প্রয়োজন। বাদাম ও শস্যজাতীয় খাবার, ফলমূল, মাছ, সবজি ইত্যাদি খাবার ত্বকের জন্য উপকারি। তাছাড়া ত্বক সুস্থ রাখতে প্রচুর পানি পান করাও জরুরি।
চুলকানিও এক ধরনের চর্মরোগ। একজিমার কারণেও ত্বক লাল হয়ে যায় এবং চুলকানি হয়। শরীরের বিভিন্ন সন্ধিস্থলে মূলত একজিমা বেশি হতে পারে। একজিমা শরীরের ভেতরে ও বাইরে, দুই কারণে হতে পারে। পোকার কামড়, হেয়ার ডাই ব্যবহার বা বিভিন্ন ধরনের প্রসাধনী ব্যবহারের কারণে একজিমা হতে পারে। আবার খুশকি বা এ ধরনের একজিমা হতে পারে অভ্যন্তরীণ কারণে।
শিশুদের ক্ষেত্রে জন্মগতভাবেই একজিমা হতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে ত্বক শুষ্ক হয়ে গেলে জন্মের সময়ই একজিমা দেখা যায়। এতে করে বাচ্চাদের গাল লাল হয়ে যায় এবং ত্বকে ফুসকুড়ি দেখা দেয়। এদের গোসল করানোর সময় সাবান ব্যবহার করা উচিত নয়। আর তাদের ত্বকে আর্দ্রতা বজায় রাখতে প্রচুর পরিমাণে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে।
অনেক সময় পোকার কামড় বা একজিমার প্রদাহ হলে জীবাণুনাশক তরল বা ক্রিম ব্যবহার করা হয়। তবে এটি করা উচিত নয়। বরং লাল হয়ে যাওয়া স্থানে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।
ছত্রাকজনিত চর্মরোগে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে বসবাসকারীরাই বেশি ভোগেন। তবে ইদানীং অনেকইকে ভুগতে দেখা যায়। শুকনো চুলকানিতে হোমিও ওষুধ আর্সেনিক আয়োড সেবন করে উপকার পাবেন। আর যদি আক্রান্ত স্থান হতে পানি বের হয় তবে ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে পারেন।
পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা, নিয়মিত গোসল করা, আক্রান্ত স্থানকে ধুলাবালি ও জীবাণুমুক্ত রাখা, গমর ও ধুলোবালি এড়িয়ে, চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চললে এ রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। যারা দ্রুত অরোগ্য লাভ করতে চান তারা চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ সেবন করবেন। ইনশাল্লাহ চর্মরোগ সেরে যাবে। বেশি সমস্যা মনে হলে আজই অভিজ্ঞ ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে পারেন। চর্মরোগ হোমিও চিকিৎসায় সহজেই নিরাময়যোগ্য।

Address

Dhaka
1209

Telephone

+8801911110151

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইসলাম হোমিও হল - Islam Homeo Hall posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category