Prof. Dr. Haradhan Deb Nath

Prof. Dr. Haradhan Deb Nath MBBS, MS (Neuro Surgery) Stroke Specialist, Neuro & Spinal Surgeon.
(5)

ব্রেইন অ্যানিউরিজম এমন একটি অবস্থা যেখানে আপনার মস্তিষ্কের রক্তনালীর যে বেলুনিং বা বুলিং (ballooning or bulging) রয়েছে ...
23/08/2026

ব্রেইন অ্যানিউরিজম এমন একটি অবস্থা যেখানে আপনার মস্তিষ্কের রক্তনালীর যে বেলুনিং বা বুলিং (ballooning or bulging) রয়েছে তা ফেটে গিয়ে মস্তিষ্কে হঠাৎ রক্তক্ষরণ হওয়া। এটিকে হেমোরজিক স্ট্রোক(hemorrhagic stroke) বলা হয়।

ব্রেন অ্যানিউরিজমের কারণগুলি
• বংশগত সম্পর্ক ।
• উচ্চ রক্তচাপ।
• মাথার গুরুতর আঘাত।
• ধূমপান।

ব্রেন অ্যানিউরিজমের লক্ষণ :-
বেশিরভাগ মস্তিষ্কের অ্যানিউরিজমগুলি ফাটে না এবং লক্ষণগুলি বোঝা যায় না। অতএব, এই লক্ষণগুললি সহজ সনাক্তকরণ নয়। এই বিঘ্নিত অ্যানিউরিজমগুলি অন্যান্য অবস্থার জন্য প্রায়শই পরীক্ষার সময় সনাক্ত করা হয়।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মস্তিষ্কের অ্যানিউরিজমগুলি ফেটে গেলেই তার লক্ষণ প্রকাশ পায়। এর মধ্যে রয়েছে:
• হঠাৎ তীব্র মাথাব্যথা
• ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া ।
• বমি বমি ভাব।
• চোখের কাছে বা পেছনে ব্যথা।
• অস্পষ্ট দৃষ্টি / দ্বিগুণ দৃষ্টি
• মুখের একপাশ অবশ হওয়া বা অসাড়তা।

মস্তিষ্কের অ্যানিউরিজমের ফলে সাবআরকনয়েড হেমোরেজ বা রক্তক্ষরণ হতে পারে এবং এই রোগীদের ভেতর প্রতি ৫ জনের মধ্যে প্রায় ৩ জন রোগীই ২ সপ্তাহের মধ্যেই মারা যায়।

রোগ নির্ণয় :
অ্যাঞ্জিওগ্রাম হ’ল অ্যানিউরিজম সনাক্তকরণের জন্য সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পরীক্ষা। এটি আপনার রক্তনালীগুলির দুর্বল দাগগুলি চিত্রিত করে। আপনার চিকিৎসক আপনার পায়ের রক্তনালীগুলির মাধ্যমে একটি ক্যাথেটার নামক একটি ছোট নমনীয় নল প্রবেশ করিয়ে দেবেন। তিনি বা তিনি আপনার ঘাড়ের রক্তনালীগুলিতে মস্তিষ্ক পর্যন্ত প্রসারিত ক্যাথেটারকে গাইড করবেন। আপনার মস্তিষ্কের সমস্ত রক্তনালীগুলি দেখতে কনট্রাস্ট ডাই ইনজেকশনের পরে তিনি এক্স-রে নেবেন। এটি চিকিৎসককে সহজেই মস্তিষ্ক অ্যানিউরিজমের অবস্থান নির্ণয় করতে সহায়তা করে।
এছাড়াও ব্রেন অ্যানিউরিজম সনাক্তের জন্য এমআরআই,
সিটি স্ক্যা্ন,
সিএসএফ পরীক্ষা করা হয়ে থাকে।

চিকিৎসা:
মাথায় রক্তক্ষরণের বিপদ শুধুমাত্র অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে দূর করা সম্ভব৷ একটি পন্থা হল পেশেন্টের কুঁচকি দিয়ে ক্যাথিটার ঢুকিয়ে মগজের সংশ্লিষ্ট ধমনি পর্যন্ত চলে যাওয়া৷
ওই ক্যাথিটার দিয়েই অ্যানিউরিজমে প্ল্যাটিনামের অতি সূক্ষ্ম প্যাঁচানো তার ঢোকানো হয়, যার ফলে ফোলা জায়গাটাতে আর কোনো রক্ত ঢুকতে পারে না৷ অ্যানিউরিজমটিকে মস্তিষ্কের রক্তচলাচল থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়, তার ভেতরের রক্তও আর জমাট থাকে না, বরং তরল হয়ে আসে৷
অন্য উপায়টি হল সরাসরি মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার৷ সেজন্য সবচেয়ে কাছ দিয়ে অ্যানিউরিজম অবধি পৌঁছানো দরকার৷ অতি সাবধানে কাজ করতে হয় – অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে অ্যানিউরিজমটায় টাইটানের তৈরি ক্লিপ লাগাতে হয়৷
চাপ বাঁধা জায়গাটার ঠিক তলায় ক্লিপ বসিয়ে ফোলা জায়গাটাতে আর যাতে রক্ত না ঢোকে, তার ব্যবস্থা করা হয়।

#ব্রেন_অ্যানিউরিজম



#অধ্যাপক_ডা_হারাধন_দেব_নাথ

22/08/2026

এই নারী ট্রাইজেমিনাল নিউরালজিয়া সমস্যায় আমাদের কাছে এসেছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি তীব্র মুখ ও মাথার ব্যথায় ভুগছিলেন। ব্যথার তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, স্বাভাবিক জীবনযাপন করাও তার জন্য অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে উঠেছিল।
রোগীর অবস্থা ও সমস্যার বিস্তারিত মূল্যায়নের পর আমরা দ্রুত অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নিই। পরবর্তীতে তার মাইক্রোভাসকুলার ডিকম্প্রেশন (Microvascular Decompression—MVD) সার্জারি সম্পন্ন করা হয়।
অপারেশনের পরদিন থেকেই তার সেই তীব্র ব্যথা আর ছিল না। ধীরে ধীরে তিনি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসেন।
আজ প্রায় ৩ বছর হয়ে গেছে। দীর্ঘদিনের সেই অসহ্য ব্যথা থেকে তিনি এখন সম্পূর্ণ মুক্ত এবং স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন।
একজন রোগীর দীর্ঘদিনের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি আমাদের জন্য এটাই সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

22/08/2026
আমাদের মস্তিষ্কে অসংখ্য রক্তনালি জালের মতো বিস্তৃত হয়ে রক্ত সরবরাহ করে। অ্যানিউরিজম হলো মস্তিষ্কের এসব রক্তনালির ফোলা ব...
21/08/2026

আমাদের মস্তিষ্কে অসংখ্য রক্তনালি জালের মতো বিস্তৃত হয়ে রক্ত সরবরাহ করে। অ্যানিউরিজম হলো মস্তিষ্কের এসব রক্তনালির ফোলা বেলুনের মতো অংশ।
অ্যানিউরিজম হলে রক্তনালির ফোলা অংশ হঠাৎ ফেটে গিয়ে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়। ফলে হেমোরেজিক স্ট্রোক হয়। এ রোগ প্রাণঘাতী। আক্রান্ত ব্যক্তিদের ১০ থেকে ২০ শতাংশ মারা যান হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই। তাই দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে।

বিস্তারিত নিউজ লিঙ্কেঃ https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/qeytxf7pbr

20/08/2026

Endoscopic endonasal pituitary tumor surgery

17/08/2026

সৌদি প্রবাসী এই রোগী দীর্ঘদিন ধরে PLID (Pr*****ed Lumbar Intervertebral Disc)-এর সমস্যায় ভুগছিলেন। একপর্যায়ে তার হাঁটা-চলার ক্ষমতা প্রায় হারিয়ে যায়। তিনি নিজে উঠে দাঁড়াতে পারতেন না, হাঁটতে পারতেন না হুইলচেয়ারে করে তাকে আমাদের কাছে নিয়ে আসা হয়।
পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসা মূল্যায়নের পর আমরা তার সার্জারি সম্পন্ন করি।
বর্তমানে তিনি অনেক ভালো আছেন। সার্জারির পর তার শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে এবং তিনি এখন স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা করতে পারছেন ও দৈনন্দিন জীবনযাপনে ফিরে এসেছেন।
সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সার্জারি অনেক রোগীর জীবনকে আবার স্বাভাবিক পথে ফিরিয়ে দিতে পারে।

মানবদেহের মেরুদণ্ডের ভেতর দিয়ে চলে গেছে স্নায়ুরজ্জু বা স্পাইনাল কর্ড। মস্তিষ্ক থেকে প্রান্তিক স্নায়ু পর্যন্ত আমাদের শরীর...
14/08/2026

মানবদেহের মেরুদণ্ডের ভেতর দিয়ে চলে গেছে স্নায়ুরজ্জু বা স্পাইনাল কর্ড। মস্তিষ্ক থেকে প্রান্তিক স্নায়ু পর্যন্ত আমাদের শরীরের সব সংকেত এই স্পাইনাল কর্ড হয়ে প্রবাহিত হয়। স্পাইনাল কর্ডের ভেতরে ও এর আশপাশে অস্বাভাবিকভাবে টিস্যু বা কোষ বেড়ে যেতে পারে। এমনকি ছোট ছোট পিণ্ড তৈরি হতে পারে। আকস্মিকভাবে কোষ বেড়ে যাওয়া কিংবা আগে কখনোই ছিল না, এমন পিণ্ড তৈরি হওয়াকে স্পাইনাল কর্ডের টিউমার বা মেরুদণ্ডের টিউমার বলা হয়ে থাকে।

মেরুদণ্ডের টিউমারের কারণঃ-
বেশির ভাগ সময় মেরুদণ্ডের টিউমার কেন হয়, তা স্পষ্ট করে বলা মুশকিল। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা মেরুদণ্ডের কর্ডে টিউমারের পেছনে ত্রুটিযুক্ত জিনকে দায়ী করেন। তবে এসব জিনগত ত্রুটি মানুষ জন্মগত বা উত্তরাধিকার সূত্রে পায় নাকি সময় ও বয়সের সঙ্গে সঙ্গে শরীরে বিকশিত হয়, সেই সম্পর্কে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যায় না। তবে অনেক সময় ক্ষতিকর পরিবেশে দীর্ঘদিন বসবাস, নির্দিষ্ট ক্ষতিকারক রাসায়নিকের সংস্পর্শে আসার কারণে মেরুদণ্ডে টিউমার হতে পারে।

যেভাবে বুঝবেন-
মেরুদণ্ডের টিউমার হলে মানবদেহে এর কিছু উপসর্গ দেখা দিতে পারে। আসুন জেনে নিই সেসব উপসর্গ:
■ মেরুদণ্ডের কোনো একটি নির্দিষ্ট জায়গায় (টিউমারটি যেখানে রয়েছে) তীব্র ব্যথা হতে পারে।
■ সার্বক্ষণিক পিঠে ব্যথা অনুভব করা। ব্যথা পিঠের ওপরের ও নিচের অংশে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
■ পিঠের ব্যথা দিন দিন বাড়তেই থাকে। কোনোভাবেই কমতে চায় না।
■ অনুভূতিহীনতা, অসাড় বোধ করা। তাপ ও শীতের মতো অনুভূতি বুঝতে না পারা।
■ অন্ত্র ও মূত্রাশয়ের কার্যকারিতা হ্রাস পেতে পারে।
■ চলাফেরা করতে অসুবিধা বোধ করা। অনেক সময় রোগী বাহ্যিক কোনো কারণ ছাড়াই পড়ে যেতে পারে।
■ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলে ব্যথা বেশি অনুভব হতে পারে।
■ পক্ষাঘাত, অর্থাৎ হঠাৎ করে পা বা হাত অবশ হয়ে যেতে পারে, কিংবা এমন অনুভূতি হতে পারে।

অনেক সময় মানবদেহের অন্য কোনো অঙ্গের টিউমার ও ক্যানসার মেরুদণ্ডে ছড়িয়ে পড়তে পারে। বিশেষ করে প্রোস্টেট ও কিডনির ক্যানসার মেরুদণ্ডে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। আবার কখনো কখনো টিউমার মেরুরজ্জুর আবরণীতে হতে পারে। পরবর্তী সময়ে যা ক্যানসারে রূপ নিতে পারে। তাই উপসর্গ দেখা দিলে কিংবা সন্দেহ হলে সময় নষ্ট না করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। চিকিৎসা শুরু করতে হবে।


#মেরুদণ্ডের_টিউমার


#অধ্যাপক_ডা_হারাধন_দেব_নাথ

দীর্ঘস্থায়ী কোমর ব্যথা, পায়ে ঝিনঝিন বা চলাফেরায় অসুবিধা অনেক সময় PLID (ডিস্ক সমস্যা)-এর সাথে সম্পর্কিত হতে পারে। একইভাবে...
13/08/2026

দীর্ঘস্থায়ী কোমর ব্যথা, পায়ে ঝিনঝিন বা চলাফেরায় অসুবিধা অনেক সময় PLID (ডিস্ক সমস্যা)-এর সাথে সম্পর্কিত হতে পারে। একইভাবে, দীর্ঘদিনের মাথাব্যথা বা নিউরোলজিক্যাল উপসর্গ থাকলে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ প্রয়োজন হতে পারে।
পিএলাইডি, ব্রেন টিউমার, পিটুইটারি টিউমার, মেরুদন্ডের ঢিবি, স্ট্রোক ইত্যাদি নিউরো ও স্পাইনাল সমস্যায় বিশেষজ্ঞ আধুনিক এন্ডোস্কোপিক ও মাইক্রোস্কোপিক সার্জারিতে দক্ষ ২২ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন প্রফেসর ডা. হারাধন দেব নাথ এখন রোগী দেখছেন নিয়মিত।

প্রফেসর ডাঃ হারাধন দেব নাথ
এমবিবিএস, এমএস. (নিউরো সার্জারি)
(সদস্য AO স্পাইন অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেস, নিউ দিল্লি ভারত)
অধ্যাপক, নিউরো সার্জারি বিভাগ।
বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল)

সেবা সমুহঃ
• ব্রেইন টিউমার অপারেশন
• এন্ডোস্কপিক পিটুইটারি টিউমার অপারেশন
• হাইড্রোসেফালাস (বড় মাথার শিশু) চিকিৎসা।
• PLID জনিত কোমর ব্যাথার চিকিৎসা
• মাইক্রোস্কোপিক PLID সার্জারি।
• মেমেরুদণ্ডের টিউমার অপারেশন ।
• শিশুদের মেরুদন্ডের জন্মগত ক্রটির অপারেশন।
• ব্রেইন স্ট্রোক, ব্রেইন অ্যানিউরিজম
• ঘাড়ব্যথা বা সার্ভিকাল স্পন্ডাইলোসিস ট্রিটমেন্ট
• মৃগী ও স্নায়ুতন্ত্রের জটিলতাজনিত সমস্যা।
• স্পাইন ইনজুরি রোগীদের সাভাইকেল ও স্পাইনাল ও থোরাকোলাম্বার স্পাইনাল ফিক্সোশাস অপারেশন ইত্যাদি।

👨‍⚕️ রোগী দেখেনঃ
⏰ প্রতিদিন বিকাল ৩.৩০ থেকে সন্ধ্যা ৭.৩০ পর্যন্ত
🏥 চেম্বারঃ ল্যাবএইড স্পেশালাইজড হাসপাতাল।
📍 হাউজ নং-০১-০৬, রোড নং -০৪, ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৫
☎️ এপয়েন্টমেন্ট নিতে ফোন করুনঃ 01711-354120

⏰ শনি, রবি, সোম, বুধবার রাত ৮.৩০ থেকে রাত ৯.৩০ পর্যন্ত!
🏥 চেম্বার : পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার,শান্তিনগর শাখা!
📍 বাড়ি নং ১১, শান্তিনগর, মতিঝিল, ঢাকা।
☎️এপয়েন্টমেন্ট নিতে ফোন করুনঃ 01345843808

⏰ প্রতিদিন রাত ১০ টা থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত (শুক্রবার ব্যাতীত)
🏥 চেম্বার : পদ্মা ডায়াগনেস্টিক সেন্টার।
📍 ২৪৫/২ নিউ সার্কুলার রোড মালিবাগ, ঢাকা।
☎️এপয়েন্টমেন্ট নিতে ফোন করুনঃ 01345843808

⏰ প্রতি শুক্রবার সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত
🏥 চেম্বারঃ পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার (ময়মনসিংহ শাখা)
📍 ১৭১, চরপাড়া, ময়মনসিংহ
☎️এপয়েন্টমেন্ট নিতে ফোন করুনঃ ০১৭১১৩৫৪১২০

প্রচণ্ড গরম ও দীর্ঘসময় তীব্র রোদের মধ্যে অবস্থান করলে শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা ব্যাহত হতে পারে। এর ...
11/08/2026

প্রচণ্ড গরম ও দীর্ঘসময় তীব্র রোদের মধ্যে অবস্থান করলে শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা ব্যাহত হতে পারে। এর ফলে প্রথমে পানিশূন্যতা ও হিট এক্সহস্টশন এবং গুরুতর অবস্থায় হিট স্ট্রোক হতে পারে। হিট স্ট্রোক একটি জীবন-ঝুঁকিপূর্ণ জরুরি অবস্থা, তাই প্রতিরোধের পাশাপাশি এর লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন থাকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

🌤️ হিট স্ট্রোক থেকে বাঁচতে করণীয়
১. বাইরে বা রোদে গেলে ছাতা ব্যবহার করুন
প্রচণ্ড রোদে সরাসরি অবস্থান না করে সম্ভব হলে ছায়াযুক্ত স্থানে থাকুন। বাইরে যাওয়ার সময় ছাতা, টুপি বা ক্যাপ ব্যবহার করুন। দিনের সবচেয়ে গরম সময়ে অপ্রয়োজনে বাইরে বের হওয়া এড়িয়ে চলুন।
২. বেশি করে পানি ও খাবার স্যালাইন পান করুন
গরমে অতিরিক্ত ঘামের কারণে শরীর থেকে পানি ও লবণ বের হয়ে পানিশূন্যতা তৈরি হতে পারে। তাই নিয়মিত পানি পান করুন। অতিরিক্ত ঘাম, দুর্বলতা বা পেশিতে টান ধরার মতো সমস্যা হলে প্রয়োজন অনুযায়ী খাবার স্যালাইন বা ইলেক্ট্রোলাইটযুক্ত তরল গ্রহণ করা যেতে পারে।
৩. হালকা রঙের ঢিলেঢালা পোশাক পরিধান করুন
পাতলা, হালকা রঙের ও বাতাস চলাচল করতে পারে এমন ঢিলেঢালা পোশাক পরুন। এতে শরীরের অতিরিক্ত তাপ বের হতে সাহায্য করে এবং গরমের অস্বস্তি কমে।
৪. তীব্র গরমে ভারী পরিশ্রম করা থেকে বিরত থাকুন
প্রচণ্ড গরমের সময় ভারী শারীরিক পরিশ্রম, দৌড়ঝাঁপ বা দীর্ঘসময় রোদে কাজ করা এড়িয়ে চলুন। কাজ করতেই হলে তুলনামূলক ঠান্ডা সময়ে কাজ করুন এবং মাঝেমধ্যে ছায়াযুক্ত বা ঠান্ডা জায়গায় বিশ্রাম নিন।

⚠️ হিট স্ট্রোক হলে কী করবেন?
হিট স্ট্রোকের ক্ষেত্রে সময় নষ্ট না করে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। আক্রান্ত ব্যক্তির শরীর খুব গরম হয়ে যাওয়া, মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব, বিভ্রান্তি, অস্বাভাবিক আচরণ, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা খিঁচুনি হতে পারে। কখনো ত্বক গরম ও শুষ্কও থাকতে পারে, আবার ঘামও থাকতে পারে।
১. দ্রুত জরুরি চিকিৎসা সহায়তা নিন
হিট স্ট্রোক সন্দেহ হলে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করুন। এটি ঘরে বসে চিকিৎসা করার মতো সাধারণ অসুস্থতা নয়।
২. আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত ঠান্ডা জায়গায় নিন
তাকে সরাসরি রোদ থেকে সরিয়ে ছায়াযুক্ত, ঠান্ডা বা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত স্থানে নিয়ে যান এবং অতিরিক্ত পোশাক খুলে বা ঢিলা করে দিন।
৩. শরীর দ্রুত ঠান্ডা করার চেষ্টা করুন
ঠান্ডা পানিতে ভেজানো কাপড় শরীরে দিন, বরফের প্যাক ব্যবহার করুন এবং সম্ভব হলে ঠান্ডা পানিতে গোসল করান। চিকিৎসা সহায়তা আসা পর্যন্ত শরীরের তাপমাত্রা কমানোর চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।
৪. অচেতন ব্যক্তিকে মুখে কিছু খাওয়াবেন বা পান করাবেন না
অচেতন, বিভ্রান্ত বা গিলতে অসুবিধা হচ্ছে এমন ব্যক্তিকে জোর করে পানি, স্যালাইন বা কোনো খাবার দেবেন না। এতে শ্বাসনালিতে খাবার বা তরল ঢুকে যাওয়ার ঝুঁকি থাকতে পারে। অচেতন ব্যক্তিকে কাত করে নিরাপদ অবস্থায় রাখুন এবং দ্রুত চিকিৎসা নিন।

হিট স্ট্রোকের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো দ্রুত শনাক্ত করা, দ্রুত শরীর ঠান্ডা করা এবং দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করা। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি, বাইরে কাজ করা শ্রমিক এবং দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের গরমের সময় বাড়তি সতর্ক থাকতে হবে।

মনে রাখবেন হিট স্ট্রোক কোনো সাধারণ গরমজনিত অসুস্থতা নয়; এটি জীবনহানিকর জরুরি অবস্থা। সচেতনতাই পারে ঝুঁকি অনেকাংশে কমাতে।

Address

House-1-6, Road No 4
Dhaka
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Prof. Dr. Haradhan Deb Nath posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Prof. Dr. Haradhan Deb Nath:

Shortcuts

Share

Category