SUO XI Healthcare Diagnostic Lab

Call Directions Website Contact the practice

SUO XI Healthcare Diagnostic Lab SUO XI Healthcare Diagnostic Lab is an advanced Centre for diagnostic and medical services in BD.
(4482)

শশী হেলথকেয়ার ডায়াগনস্টিক ল্যাব

শশী হাসপাতাল বাংলাদেশের চিকিৎসা ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের ভোর আলোকিত করেছে । আমাদের লক্ষ্য জনগনের স্বাস্থ্যকরভাবে বেঁচে থাকার নতুন প্রচেষ্টাকে অনুপ্রাণিত করা। আমাদের যত্ন এবং পরিষেবার উচ্চ মান যা আপনাকে প্রাথমিকভাবে আমাদের কাছে আকর্ষণ করে। চাইনিজ মেডিসিন, আকুপাংচার, ফিজিওথেরাপি, অকুপেশনাল থেরাপি এবং চীনা প্রাচীন চিকিৎসা সবই শশী হাসপাতালে সম্মিলিতভাবে অনুশীলন করা হয়। শশী হাসপাতাল এই চাইনিজ আকুপাংচার পদ্ধতিটি বাংলাদেশের সহ সারা বিশ্বের মানুষের ব্যবহারের জন্য তৈরি করেছে। জানুয়ারী ২০১৯ সালে, শশী হাসপাতাল তার দুঃসাহসিক কাজ শুরু করে। বর্তমান সময়ে এটি বাংলাদেশের একটি উচ্চ মানের হাসপাতালে মর্যাদা অর্জনে সমর্থ হয়েছে।

শশী হাসপাতাল আকুপাংচারের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা গুলির দিকে নজর দিতে শুরু করেছে। বিভিন্ন দেশ থেকে মানুষ শশী হাসপাতালে আকুপাংচার চিকিৎসা নিতে আসে। তাদের অধিকাংশই কাঙ্খিত ফলাফল পেতে সফল হয় এবং প্রফুল্লভাবে বাড়ি ফিরে যায়। আমরা আমাদের মূল্যবান রোগীদের প্রত্যেককে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে সন্তুষ্ট করার চেষ্টা করি। হাসপাতালের ভর্তি রোগীদের জন্য আকুপাংচার থেরাপি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অবশ্যই এই পরিষেবা প্রদানের সময় আকুপাংচার থেরাপি, সম্ভাব্য হাসপাতালের আকুপাংচার আবেদন এবং অনুমানযোগ্য ফলাফলগুলিকে প্রভাবিত করে। এর পাশাপাশি রোগীর শারীরিক অবস্থা, বর্তমান অবস্থা এবং চিকিৎসা প্রদানের পর অবস্থা সম্পর্কে গবেষণার পর একটি সিদ্ধান্তে আসি এবং সে অনুযায়ী আমরা রোগীদের চিকিৎসা প্রদানের চেষ্টা করি।

সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে শশী হাসপাতাল নিয়ে এসেছে ১ম শ্রেণীর সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় ল্যাব ব্যবস্থা। যা শশী হেলথকেয়ার ডায়াগনস্টিক ল্যাব নামে পরিচিত। ডায়াগনস্টিক ল্যাবগুলি হল এমন সুবিধা যেখানে রোগ নির্ণয়, নিরীক্ষণ এবং প্রতিরোধের জন্য চিকিৎসা পরীক্ষা এবং বিশ্লেষণ করা হয়। এই ল্যাবগুলি রোগীর যত্ন এবং চিকিৎসার সিদ্ধান্তে সহায়তা করার জন্য সঠিক এবং সময়োপযোগী ফলাফল প্রদান করে স্বাস্থ্যসেবায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এখানে শশী হেলথকেয়ার ডায়াগনস্টিক ল্যাব সম্পর্কিত কিছু সাধারণ বিবরণ এবং দিক রয়েছে যেগুলো রোগীদের কঠিন রোগ নির্ণয় এবং প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে চলেছে।

পরিষেবাসমূহঃ

শশী হেলথকেয়ার ডায়াগনস্টিক ল্যাবে যে সমস্ত পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়েছে তার তালিকা সমূহঃ

● রক্ত পরীক্ষা (RBS Test),
● প্রস্রাব পরীক্ষা (Urine Test)
● ইমেজিং পরীক্ষা (Imaging Test)
● হেমাটোলজির বিভিন্ন পরীক্ষা (CBC/HB Test)
● প্যাথলজি পরীক্ষা (Pathologycal Test)
● জেনেটিক পরীক্ষা (GeneticTest)
● কিডনি পরীক্ষা (Kritinin Urea Test)
● লিভার পরীক্ষা (ALT,AST Test)
● কোলেস্টেরল পরীক্ষা (Chol. Test)
● মাংসপেশির বিভিন্ন রোগ পরীক্ষা (CK2 Test)
● ট্রাই গ্লিসারিড পরীক্ষা (Trigly Test)
● বাত ব্যথা সম্পর্কিত পরীক্ষা (RF2 Test)
● ডায়াবেটিক রোগীদের সুগার পরীক্ষা (Gluc GP Test)
● জন্ডিস পরীক্ষা (T-bil Test)
● ক্যালসিয়াম পরীক্ষা (Calcium Test)
● ইউরিক অ্যাসিড পরীক্ষা (Uric Acid Test)
● মাইক্রোবায়োলজির বিভিন্ন পরীক্ষা (Microbiologycal Tests)
● থাইরয়েড পরীক্ষা (Thyroid Test)
● ভিটামিন ডি পরীক্ষা (Vitamin D)

এছাড়া আরও অনেক কিছু সহ বিস্তৃত পরিসরে শশী হেলথকেয়ার ডায়াগনস্টিক ল্যাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। এছাড়া এখানে অত্যাধুনিক যন্ত্রাদি ধারা ইলেক্ট্রোলাইট পরীক্ষা করা হয়। এটা শরীরে লবণের পরিমাণ নিশ্চিত করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

এছাড়া এখানে সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় মেশিনের মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন রোগের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয় এবং সেই অনুযায়ী চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। উন্নত বিশ্বে মানবদেহের পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য যেই উন্নত যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয় সেগুলো রয়েছে এই শশী হেলথকেয়ার ডায়াগনস্টিক ল্যাবে। বাংলাদেশের আরো বিভিন্ন হাসপাতালে এরকম ল্যাব ব্যবস্থা রয়েছে কিন্তু প্রথম শ্রেণীর স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা এই প্রথম। এখানে দক্ষ টেকনিশিয়ান দ্বারা মানব দেহের বিভিন্ন রোগের পরীক্ষা নিরীক্ষা গুলি সম্পন্ন করা হয়। এক্ষেত্রে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একটি টিম রয়েছে যারা এই পরীক্ষাগুলি নিশ্চিত করেন। বর্তমানে মানুষের কথা চিন্তা করে শশী হাসপাতাল এই সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় ল্যাব ব্যবস্থা নিয়ে এসেছে। এখানে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি এবং দক্ষ কারিগর দ্বারা বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করা হচ্ছে। আকুপাংচার এর পাশাপাশি শশী হাসপাতাল এখন বিভিন্ন রোগ নির্মূলে সর্বদা স্বয়ংক্রিয় এবং সম্পূর্ন।

নমুনা সংগ্রহঃ

শশী হেলথকেয়ার ডায়াগনস্টিক ল্যাবে প্রশিক্ষিত ফ্লেবোটোমিস্ট বা টেকনিশিয়ান রয়েছে, যারা রোগীদের কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে। রক্তের নমুনা, প্রস্রাবের নমুনা, টিস্যুর নমুনা বা অন্যান্য শারীরিক তরল পরীক্ষার জন্য সংগ্রহ করা হয়।





পরীক্ষার পদ্ধতিঃ

শশী হেলথকেয়ার ডায়াগনস্টিক ল্যাবে সঠিকভাবে নমুনা বিশ্লেষণ করতে বিভিন্ন কৌশল এবং যন্ত্র ব্যবহার করা। এর মধ্যে রয়েছে,

● স্বয়ংক্রিয় বিশ্লেষক
● মাইক্রোস্কোপ
● PCR Machine
● Sysmex Machine, Japan
● Thermo Fisher Scientific Machine, Finland
● Automated ESR Machine
● Fully Automated Cell Counter Machine
● Biochemistry automated analyzer Machine

এবং নির্দিষ্ট পরীক্ষার জন্য বিশেষ সরঞ্জাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

গুণমানের নিশ্চয়তাঃ

নির্ভুল এবং নির্ভরযোগ্য পরীক্ষার ফলাফল নিশ্চিত করতে শশী হেলথকেয়ার ডায়াগনস্টিক ল্যাবে সর্বদা কঠোর মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা অনুসরণ করে। তারা মানসম্মত প্রোটোকল মেনে চলে, দক্ষতার সাথে পরীক্ষা-নিরীক্ষা গুলো করা হয়, যথাযথ ডকুমেন্টেশন বজায় রাখে এবং নিয়মিত পরিদর্শন ও সার্টিফিকেশনের মধ্য দিয়ে যায়। তাই পরীক্ষা-নিরীক্ষার গুণগত মান বজায় রাখার জন্য শশী হেলথ কেয়ার ডায়াগনস্টিক ল্যাব সর্বদা দৃঢ় প্রত্যয়ী।

টার্ন অ্যারাউন্ড টাইমঃ

পরীক্ষার ফলাফল প্রক্রিয়াকরণ এবং সরবরাহ করতে যে সময় লাগে তা পরীক্ষার জটিলতা এবং ল্যাবের কাজের চাপের উপর নির্ভর করে। এক্ষেত্রে শশী হেলথকেয়ার ডায়াগনস্টিক ল্যাব সর্বদা সচেতন এবং নির্দিষ্ট সময়ে তারা কাজ সম্পন্ন করতে সর্বদা সচেষ্ট থাকেন। জরুরী পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় পরিবর্তন হতে পারে এবং তা রোগীর রোগের উপর নির্ভর করে। কোন কোন বিশেষ ক্ষেত্রে সময় এর পরিবর্তিত হতে পারে।

স্বীকৃতি এবং শংসাপত্রঃ

স্বনামধন্য ডায়াগনস্টিক ল্যাবগুলি প্রায়শই কলেজ অফ আমেরিকান প্যাথলজিস্টস (সিএপি), ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরি ইমপ্রুভমেন্ট অ্যামেন্ডমেন্টস (সিএলআইএ), বা ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর স্ট্যান্ডার্ডাইজেশন (আইএসও) এর মতো স্বীকৃত সংস্থাগুলির কাছ থেকে স্বীকৃতি চায়। এই স্বীকৃতিগুলি গুণমান এবং কর্মক্ষমতার উচ্চ মানের আনুগত্য নিশ্চিত করে। শশী হেলথকেয়ার ডায়াগনস্টিক ল্যাব তাদের গুণগত মানের জন্য বিভিন্ন সংস্থা কর্তৃক প্রদত্ত স্বীকৃতি অর্জন করতে সক্ষম। অদূর ভবিষ্যতে তারা তাদের এই লক্ষ্য পূরণে সফল হবে।
গোপনীয়তাঃ

শশী হেলথকেয়ার ডায়াগনস্টিক ল্যাব রোগীর গোপনীয়তাকে অগ্রাধিকার দেয় এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হেলথ ইন্স্যুরেন্স পোর্টেবিলিটি অ্যান্ড অ্যাকাউন্টেবিলিটি অ্যাক্ট (HIPAA) এর মতো কঠোর গোপনীয়তা বিধি মেনে চলে। রোগীর তথ্য এবং পরীক্ষার ফলাফল অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে পরিচালনা করা হয় এবং প্রতিটি রোগীর পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পূর্ণ নির্ভুল এবং সঠিক সময়ে প্রদানের জন্য তাদের রয়েছে বিশেষ সুনাম।

শেষ কথা

এটা মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে ডায়াগনস্টিক ল্যাব সম্পর্কে নির্দিষ্ট বিবরণ দেশ, অঞ্চল এবং পৃথক ল্যাবের উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হতে পারে। আপনি যদি বিশেষভাবে একটি অত্যাধুনিক ও স্বয়ংক্রিয় ডায়াগনস্টিক ল্যাব খুঁজছেন, তবে এটি মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে শশী হেলথকেয়ার ডায়াগনস্টিক ল্যাব সর্বদা আপনার পাশেই রয়েছে। যেকোনো সময়ে রোগীরা আমাদের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। এছাড়া আমাদের পরিষেবা, চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে সঠিক এবং আপ-টু-ডেট তথ্য পেতে আমাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং ওয়েবসাইট ভিজিট করুন। সুস্বাস্থ্য ও মানবতার সেবায় শশী হেলথ কেয়ার ডায়াগনস্টিক ল্যাব সর্বদা দৃঢ় প্রত্যয়ী।

দীর্ঘদিন হাঁটু ব্যথা? হাঁটু ব্যথার সঠিক কারণ জানতে প্রয়োজনে X-ray, MRI, আল্ট্রাসোনোগ্রাম বা CT Scan করান।
27/09/2026

দীর্ঘদিন হাঁটু ব্যথা?
হাঁটু ব্যথার সঠিক কারণ জানতে প্রয়োজনে
X-ray, MRI, আল্ট্রাসোনোগ্রাম বা CT Scan করান।

থাইরয়েডের সমস্যা শনাক্তে যেসব পরীক্ষা করা হয়...
26/09/2026

থাইরয়েডের সমস্যা শনাক্তে
যেসব পরীক্ষা করা হয়...

হাঁটু ব্যথা কি বারবার ফিরে আসছে?শুধু ব্যথার ওষুধ নয়, সঠিক কারণ জানতে প্রয়োজন হতে পারে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা! হাঁটু ব...
25/09/2026

হাঁটু ব্যথা কি বারবার ফিরে আসছে?
শুধু ব্যথার ওষুধ নয়, সঠিক কারণ জানতে প্রয়োজন হতে পারে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা!

হাঁটু ব্যথার কারণ নির্ণয়ে চিকিৎসক প্রয়োজন অনুযায়ী X-Ray, MRI বা অন্যান্য পরীক্ষা করার পরামর্শ দিতে পারেন। এসব পরীক্ষার মাধ্যমে অস্টিওআর্থ্রাইটিস, লিগামেন্ট বা কার্টিলেজের ক্ষতি শনাক্ত করা সহজ হয় এবং সঠিক চিকিৎসা পরিকল্পনা করা সম্ভব।

✅ হাঁটুর প্রকৃত সমস্যা নির্ণয়
✅ ব্যথার সঠিক কারণ নিশ্চিতকরণ
✅ উপযুক্ত চিকিৎসা নির্বাচন

💬 আপনি বা আপনার পরিবারের কেউ কি দীর্ঘদিন ধরে হাঁটু ব্যথায় ভুগছেন?
কমেন্টে "হ্যাঁ" অথবা "না" লিখে জানান...

হিমোগ্লোবিন কমে গেলে শরীরে কী কী লক্ষণ দেখা দিতে পারে?রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে গেলে শরীরের বিভিন্ন অংশে পর্যাপ্ত অ...
24/09/2026

হিমোগ্লোবিন কমে গেলে শরীরে কী কী লক্ষণ দেখা দিতে পারে?

রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে গেলে শরীরের বিভিন্ন অংশে পর্যাপ্ত অক্সিজেন পৌঁছাতে সমস্যা হতে পারে। এর ফলে দৈনন্দিন কাজেও দুর্বলতা ও অতিরিক্ত ক্লান্তি অনুভূত হতে পারে।

সম্ভাব্য কিছু লক্ষণ—
• অতিরিক্ত দুর্বলতা ও ক্লান্তি
• মাথা ঘোরা
• শ্বাসকষ্ট
• বুক ধড়ফড় করা
• হাত-পা ঠান্ডা লাগা
• ত্বক বা মুখ ফ্যাকাশে দেখানো

তবে এসব লক্ষণ শুধু হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়ার কারণেই হয় না। আয়রনের ঘাটতি, ভিটামিন B12 বা ফলেটের অভাব, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, দীর্ঘমেয়াদি রোগসহ বিভিন্ন কারণে হিমোগ্লোবিন কমতে পারে।

আয়রন ও প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানসমৃদ্ধ খাবার খাদ্যতালিকায় রাখা উপকারী। তবে হিমোগ্লোবিন কম থাকলেই নিজের ইচ্ছায় আয়রন ট্যাবলেট বা সাপ্লিমেন্ট শুরু করা উচিত নয়।

দীর্ঘদিন দুর্বলতা, মাথা ঘোরা, শ্বাসকষ্ট বা বুক ধড়ফড়ের মতো সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। প্রয়োজন অনুযায়ী CBCসহ অন্যান্য পরীক্ষা করে সমস্যার প্রকৃত কারণ নির্ণয় করা যেতে পারে।

সঠিক কারণ জানা গেলে সঠিক চিকিৎসা ও পুষ্টিগত ব্যবস্থাপনাও সহজ হয়।

বারবার নাক বন্ধ, মাথাব্যথা বা চোখের চারপাশে চাপ অনুভব করছেন?সবসময় এটাকে সাধারণ ঠান্ডা ভেবে এড়িয়ে যাচ্ছেন?দীর্ঘদিন বা ঘন ...
23/09/2026

বারবার নাক বন্ধ, মাথাব্যথা বা চোখের চারপাশে চাপ অনুভব করছেন?
সবসময় এটাকে সাধারণ ঠান্ডা ভেবে এড়িয়ে যাচ্ছেন?

দীর্ঘদিন বা ঘন ঘন এমন সমস্যা হলে এর পেছনে সাইনাসের প্রদাহ, অ্যালার্জি বা নাক-সাইনাসের অন্য কোনো সমস্যা থাকতে পারে।

কারা বেশি ঝুঁকিতে থাকে?

🔹 নিয়মিত অ্যালার্জিতে ভোগেন
🔹 নাকের ভেতরের পর্দা বাঁকা
🔹 নাকে পলিপ রয়েছে
🔹 ধূমপান করেন
🔹 ধুলাবালি ও বায়ুদূষণের মধ্যে বেশি সময় থাকেন
🔹 রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম

যে লক্ষণগুলো খেয়াল রাখবেন

• নাক বন্ধ থাকা বা ঘন সর্দি
• কপাল, গাল বা চোখের চারপাশে চাপ/ব্যথা
• গন্ধ কম পাওয়া
• মাথা ভার লাগা
• গলায় কফ নামা বা কাশি
• ঘুমের সমস্যা

প্রয়োজনে চিকিৎসক নাক-কান-গলা পরীক্ষা, Nasal Endoscopy, Allergy Evaluation বা CT Scan of PNS করার পরামর্শ দিতে পারেন। তবে সবার জন্য সব পরীক্ষা প্রয়োজন হয় না।

❌ নিজে থেকে দীর্ঘদিন নাকের ড্রপ বা অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করবেন না।
👉 বারবার সমস্যা হলে সঠিক কারণ জানতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সায়াটিকার রোগের লক্ষণ ও পরীক্ষা...
22/09/2026

সায়াটিকার রোগের লক্ষণ ও পরীক্ষা...

ভাতের সঙ্গে বাড়তি লবণ খান? আজ থেকেই বদলান এই অভ্যাস!ভাতের সঙ্গে আলাদা করে কাঁচা লবণ মিশিয়ে খাওয়ার অভ্যাস আমাদের অনেকেরই ...
21/09/2026

ভাতের সঙ্গে বাড়তি লবণ খান? আজ থেকেই বদলান এই অভ্যাস!

ভাতের সঙ্গে আলাদা করে কাঁচা লবণ মিশিয়ে খাওয়ার অভ্যাস আমাদের অনেকেরই রয়েছে। খাবারের স্বাদ বাড়াতে এটি সামান্য মনে হলেও নিয়মিত প্রয়োজনের চেয়ে বেশি লবণ খেলে শরীরে সোডিয়ামের পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে। দীর্ঘদিন অতিরিক্ত সোডিয়াম গ্রহণ উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি বাড়াতে পারে এবং এর সঙ্গে হৃদ্‌রোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকিও সম্পর্কিত।

অতিরিক্ত লবণ খেলে কী সমস্যা হতে পারে?

* শরীরে সোডিয়ামের পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে
* রক্তচাপ বাড়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে
* শরীরে পানি ধরে রাখার প্রবণতা বাড়তে পারে
* হাত-পা বা শরীরের বিভিন্ন অংশে ফোলাভাব দেখা দিতে পারে
* হৃদ্‌রোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়তে পারে
* কিডনি সমস্যায় থাকা ব্যক্তিদের জন্য অতিরিক্ত লবণ বিশেষভাবে ক্ষতিকর হতে পারে

শুধু ভাতের সঙ্গে যোগ করা কাঁচা লবণই নয়, প্রতিদিনের অন্যান্য খাবার থেকেও শরীরে অতিরিক্ত সোডিয়াম প্রবেশ করতে পারে।

যেসব খাবারে লবণ বেশি থাকতে পারে

* আচার ও চাটনি
* চিপস ও চানাচুর
* ফাস্টফুড
* সস ও বিভিন্ন ড্রেসিং
* ইনস্ট্যান্ট নুডলস
* প্রক্রিয়াজাত ও প্যাকেটজাত খাবার

অভ্যাস পরিবর্তন করবেন কীভাবে?

হঠাৎ করে সব লবণ বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। ধীরে ধীরে খাবারে বাড়তি লবণ যোগ করার অভ্যাস কমান। স্বাদ বাড়াতে ব্যবহার করতে পারেন লেবু, ধনেপাতা, কাঁচামরিচ, আদা, রসুন ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক মসলা।বিশেষ করে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদ্‌রোগ বা কিডনির সমস্যা থাকলে নিজের ইচ্ছামতো লবণের পরিমাণ পরিবর্তন না করে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিন।

সুস্থ থাকার জন্য বড় পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই—প্রতিদিনের ছোট একটি ভালো অভ্যাসই হতে পারে ভবিষ্যতের সুস্থতার ভিত্তি।

কিডনিতে পাথর হওয়ার কারণ ও কিডনিতে পাথরের লক্ষণকিডনিতে পাথর (Kidney Stone) এমন একটি সমস্যা, যা শুরুতে ছোট হলেও অবহেলা কর...
20/09/2026

কিডনিতে পাথর হওয়ার কারণ ও কিডনিতে পাথরের লক্ষণ

কিডনিতে পাথর (Kidney Stone) এমন একটি সমস্যা, যা শুরুতে ছোট হলেও অবহেলা করলে তীব্র ব্যথা, প্রস্রাবে সংক্রমণ, এমনকি কিডনির কার্যকারিতার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। তাই রিপোর্টে কিডনিতে পাথর ধরা পড়লে দেরি না করে সঠিক পরীক্ষা ও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

কিডনিতে পাথর হওয়ার সাধারণ কারণ

🔹 পর্যাপ্ত পানি না পান করা
🔹 অতিরিক্ত লবণ ও প্রাণিজ প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া
🔹 বংশগত কারণ
🔹 বারবার প্রস্রাবের সংক্রমণ (UTI)
🔹 স্থূলতা বা অতিরিক্ত ওজন
🔹 কিছু ওষুধ বা বিপাকজনিত (Metabolic) সমস্যা

কিডনিতে পাথরের লক্ষণ

✔️ কোমর বা পিঠের এক পাশে তীব্র ব্যথা
✔️ ব্যথা তলপেট বা কুঁচকিতে ছড়িয়ে পড়া
✔️ প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া বা ব্যথা
✔️ প্রস্রাবে রক্ত দেখা যেতে পারে
✔️ বারবার প্রস্রাবের বেগ হওয়া
✔️ বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া
✔️ জ্বর ও কাঁপুনি (সংক্রমণ থাকলে)

কিডনিতে পাথর ধরা পড়লে কী করবেন?

১. পর্যাপ্ত পানি পান করুন (চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী)
২. দ্রুত ইউরোলজি বা মেডিসিন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন
৩. নিজে থেকে কোনো ওষুধ সেবন করবেন না
৪. অতিরিক্ত লবণ ও অস্বাস্থ্যকর খাবার কম খান
৫. তীব্র ব্যথা, জ্বর বা প্রস্রাব বন্ধ হয়ে গেলে দ্রুত হাসপাতালে যান

কিডনিতে পাথর নির্ণয়ে যেসব পরীক্ষা করা হয়

✅ USG KUB (Ultrasonography)
✅ CT Scan KUB
✅ প্রস্রাব পরীক্ষা
✅ রক্ত পরীক্ষা

সময়মতো পরীক্ষা করলে পাথরের আকার, অবস্থান এবং উপযুক্ত চিকিৎসা নির্ধারণ করা সহজ হয়।

বাত জ্বর হলে বুঝবেন কিভাবে?
19/09/2026

বাত জ্বর হলে বুঝবেন কিভাবে?

নাক থেকে রক্ত পড়লে করণীয়...
18/09/2026

নাক থেকে রক্ত পড়লে করণীয়...

Address

SUO XI Hospital (Acupuncture), 24/1 Shaan Tower, Chamelibag, Shantinagar
Dhaka
1217

Opening Hours

Monday 08:00 - 20:00
Tuesday 08:00 - 20:00
Wednesday 08:00 - 20:00
Thursday 08:00 - 20:00
Friday 08:00 - 20:00
Saturday 08:00 - 20:00
Sunday 08:00 - 20:00

Telephone

+8809613100600

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SUO XI Healthcare Diagnostic Lab posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to SUO XI Healthcare Diagnostic Lab:

Shortcuts

Share