Dr Saifullah Rasel

Dr Saifullah Rasel Assistant Professor
Department of Paediatrics

হাম (Measles) জয়ী  বাবু.....
17/05/2026

হাম (Measles) জয়ী বাবু.....

My cute patient, today in my chamber...Now she is 5 kg in 5 month..She was under my treatment  in Nicu when she was 1.3 ...
06/05/2026

My cute patient, today in my chamber...
Now she is 5 kg in 5 month..
She was under my treatment in Nicu when she was 1.3 kg birth weight...

TodayMeasles isolation Ward with Prof Wali Ullah Sir
20/04/2026

Today
Measles isolation Ward with Prof Wali Ullah Sir

11/04/2026

Measles (হাম)....

দেশব্যাপী হামের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় আগামী ৫ এপ্রিল ২০২৬, রবিবার সকাল ৯টা থেকে সরকারি উদ্যোগে প্রথম ধাপে ১৮টি জেলার ৩০ট...
04/04/2026

দেশব্যাপী হামের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় আগামী ৫ এপ্রিল ২০২৬, রবিবার সকাল ৯টা থেকে সরকারি উদ্যোগে প্রথম ধাপে ১৮টি জেলার ৩০টি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলায় জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হচ্ছে।

এই বিশেষ কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী (সর্বোচ্চ ৪ বছর ১১ মাস ২৯ দিন পর্যন্ত) সকল শিশুকে ১ ডোজ হাম-রুবেলা টিকা প্রদান করা হবে।

পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে দেশের অবশিষ্ট জেলা এবং সিটি কর্পোরেশন এলাকাগুলোতেও এই টিকা প্রদান করা হবে।

তালিকা অনুসারে আপনার নিকটবর্তী ইপিআই টিকাদান কেন্দ্রে যোগাযোগ করে শিশুর ১ ডোজ হামের টিকা নিশ্চিত করুন।

(Collected)

১৮ টি জেলার অধীন ৩০ টি উপজেলার তালিকা-

 সাম্প্রতিক সময়ে হাম (Measles) সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে - বিশেষ করে শিশুদের মধ্যেকোন শিশুরা বেশি ঝুঁকিতে?- খিঁচুনি (Epileps...
02/04/2026


সাম্প্রতিক সময়ে হাম (Measles) সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে - বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে
কোন শিশুরা বেশি ঝুঁকিতে?

- খিঁচুনি (Epilepsy) আছে
- স্টেরয়েড বা ইমিউনোথেরাপি নিচ্ছে
- নিউরোডিজেনারেটিভ / মেটাবলিক রোগ আছে
- অপুষ্টিতে ভুগছে

# সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ-টিকা

অবশ্যই ২ ডোজ MR/ MMR vaccine নিশ্চিত করতে হবে (MR/ MMR যেহেতু Live vaccine- স্টেরয়েড জাতীয় ঔষধ চলাকালীন বা কোর্স শেষ করার ১থেকে ২ মাসের মধ্যে টিকা দেওয়া যাবে না- সেক্ষেত্রে লক্ষণ থাকলে প্রয়োজনে immunoglobulin দিতে হবে।)
# প্রাদুর্ভাব চলাকালে ৬ মাস বয়সেও অতিরিক্ত ডোজ দেওয়া যেতে পারে - যে বিষয়ে আশা করি সরকারি নির্দেশনা আসবে

# হাসপাতাল, চেম্বারে, থেরাপি সেন্টারে সতর্কতা:

-জ্বর + র‍্যাশ রোগী আলাদা রাখতে হবে
-ভিড় এড়িয়ে চলা
-মাস্ক ব্যবহার ও বাতাস চলাচল নিশ্চিত করা

# বাড়িতে করণীয়:

-ভিড়, স্কুল, জমায়েত এড়িয়ে চলা
-অসুস্থ শিশুর সংস্পর্শ এড়ানো
-হাত ধোয়ার অভ্যাস

# এক্সপোজার হলে কী করবেন?
৭২ ঘণ্টার মধ্যে MR/MMR দেওয়া যেতে পারে
৬ দিনের মধ্যে প্রয়োজনে Immunoglobulin

# খেয়াল রাখবেন:
- খিঁচুনি বেড়ে গেলে
- অস্বাভাবিক আচরণ বা অজ্ঞান হলে
- জ্বরের সাথে অবনতি হলে
দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন
# Vitamin A খুব গুরুত্বপূর্ণ - এটি জটিলতা কমাতে সাহায্য করে।

সচেতনতা, প্রতিরোধ আর দ্রুত ব্যবস্থা; এই তিনটাই আমাদের শিশুদের সুরক্ষার চাবিকাঠি।

Courtesy by

ডা. শাওলী সরকার
সহযোগী অধ্যাপক

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইন্সটিটিউট।

Measles outbreaks are putting children at risk
31/03/2026

Measles outbreaks are putting children at risk

 # #ঘরে ঘরে বেড়েছে জ্বর শিশুকে দিন এক্সট্রা কেয়ার!  # #১. যেকোনো ভাইরাস জ্বর ৩ থেকে ৫দিন টানা ১০২/১০৩°f আসতে পারে এবং কম...
14/02/2026

# #
ঘরে ঘরে বেড়েছে জ্বর
শিশুকে দিন এক্সট্রা কেয়ার!

# #

১. যেকোনো ভাইরাস জ্বর ৩ থেকে ৫দিন টানা ১০২/১০৩°f আসতে পারে এবং কমলে, ১০১ এর নিচে নাও নামতে পারে। কাজেই জ্বর শুরু হওয়ার পরের বেলাতেই বা পরের দিন জ্বর কেনো কমছে না, অস্থির হওয়া যাবে না।

২. একদিনে জ্বর কমিয়ে দেয়ার কোনো মেডিসিন বা ম্যাজিক ডাক্তারদের জানা নাই। ভাইরাস জ্বরে এন্টিবায়োটিক কোনো কাজে লাগে না যদি না কোন ইনফেকশনের সোর্স পাওয়া যায় যা অনেকসময় প্রকাশ পেতে ৩দিনও লেগে যায়।

৩. জ্বর হলে বাচ্চা খাওয়াদাওয়া ছেড়ে দিবে, বড়রাও দেয়। এই অরুচির প্রাথমিক কোনো চিকিৎসা নাই। সবার মতো আপনাকেও বুঝিয়ে শুনিয়ে অল্প অল্প করে পানি তরল জাউ স্যুপ শরবত বা বাচ্চা যেটা খেতে চায় ( এমন কিছু দিবেন না যা আবার বমি, পাতলা পায়খানা ঘটায়) তাই খাওয়াবেন। পেশাব যেন অন্তত ৪ বার হয়। মুখে একদমই খেতে না পারলে, পেশাব কমে গেলে, বমি বন্ধ না হলে বা খিচুনি হলে বাচ্চাকে হাসপাতালে নিয়ে যাবেন।

৪. হালকা জ্বরে ( ১০০ থেকে ১০২°) গা মুছে দিবেন, মুখে ঔষধ খাওয়াবেন। একবার ঔষধ খাওয়ানোর পর আবার সিরাপ দিতে অন্তত ৪/৬ ঘন্টা অপেক্ষা করতে হবে। আর সাপোসিটারী দিতে হলে অন্তত ৪ ঘন্টা অপেক্ষা করতে হবে।

৫. বেশী জ্বরে ( ১০২° F এর উপরে গেলে) তাড়াতাড়ি জ্বর কমানোর জন্য অযথা সাপোসিটার ব্যবহার করবেন না ( এটা বাচ্চাদের জন্য অস্বস্তিকর), এতে জ্বর সাময়িকভাবে হয়তো ১০২ এর নিচে নামতে পারে তবে পুরোপুরি কমে যাওয়ার সম্ভাবনা কমই ১ম তিনদিনে। আর যদি দেনও , একটা সাপোসিটারী দেয়ার ৮ ঘন্টার মধ্যে আরেকটা সাপোসিটারী দিতে পারবেন না। তবে ৪/৬ ঘন্টা পর সিরাপ দিতে পারেন।

৫. জ্বরের ঔষধ ডাবল ডোজে বা ঘন ঘন খাওয়ালে, এন্টিবায়োটিক দিলেই জ্বর ভালো হয়ে যাবে এমন না। ভাইরাসের পরিমানের উপর, কতদিন এরা এক্টিভ থাকে তার উপর জ্বরের স্থায়ীত্ব নির্ভর করে।

৬. জ্বরের ঔষধ খাওয়ানোর পাশাপাশি বাচ্চার যত্ন নিন, ভিজা গামছা বা সুতি কাপড় দিয়ে গা মুছে দিন, গরম ও নরম খাবার খাওয়ানোর চেষ্টা করুন, সবচেয়ে বড় কথা বাচ্চাকে বিশ্রাম নিতে দিন। ভালো ঘুমাতে দিন, ঘুমের মধ্যে জ্বর থাকলেও তাকে ঘুম ভাঙিয়ে জ্বরের ঔষধ খাওয়ানোর দরকার নাই।

৭. থার্মোমিটার দিয়ে মেপে জ্বর ১০০ বা বেশী পেলেই জ্বরের ঔষধ খাওয়াবেন। গায়ে হাত দিয়ে গরম লাগা, জ্বর ৯৮, ৯৯° ; জ্বরের আগে শীত শীতভাব, অস্থির করা জ্বরের ঔষধ খাওয়ানোর কোন কারণ হতে পারে না।

৮. বাচ্চাদের এসিডিটি কম হয়, তাই একদম সম্ভব না হলে, খালিপেটে জ্বরের ঔষধ দিতে পারবেন।

৯. জ্বর হলে বাচ্চা এক আধটু বমি হতে পারে, কিছু জ্বরের ঔষধেও বাচ্চাদের বমি হয়। এসব ক্ষেত্রে বমির ঔষধ লাগে না, প্রয়োজনে জ্বরের ঔষধ পাল্টান। ঔষধ খাওয়ার ১০/১৫ মিনিটের মধ্যে বমি করলে ১৫/২০ মিনিট পর আবার ঔষধটটুকু খাওয়াতে হবে।

ডেঙ্গু সিজন এখনো শুরু হয়নি। । তবুও সমস্যা মনে হলে আশেপাশে শিশু বিশেষজ্ঞ দেখিয়ে টেস্ট করে নিবেন। আপনার শিশুকে সাবধানে রাখুন ও সবাই সুস্থ থাকুন। ধন্যবাদ!

ডাঃ লুনা পারভীন

বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইন্সটিটিউট

04/02/2026

ইসলামের যে বার্তাটা মক্কাকে হাঁটু গেড়ে বসতে বাধ্য করেছিল, কুরাইশদের যেটা একদমই সহ্য হচ্ছিল না—সেটা ছিল পরিবর্তনের বার্তা। আজও মুসলিমদের মধ্যে আমরা ঠিক সেই জায়গায় এসে দুইটা চরম অবস্থা দেখি। একদল আছে যারা শুধু নিয়ম নিয়েই পড়ে থাকে—দাড়ি কত লম্বা হবে, প্যান্ট কতটা উপরে থাকবে, কোন হেয়ারকাট জায়েয আর কোনটা না—এই খুঁটিনাটি তারা শেষহীনভাবে আলোচনা করতে পারে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, ন্যায়বিচার, চরিত্র, সততা, মানুষের হক—এই মৌলিক বিষয়গুলোর কোনো গুরুত্ব নেই। আরেকদল আছে ঠিক তার উল্টো, যারা বলে ইসলাম মানে শুধু নীতি আর মূল্যবোধ, নিয়মগুলোর কোনো দরকার নেই। অথচ কুরআন আমাদের এই দুই চরমতার কোনোটাই শেখায়নি।

আল্লাহ তাআলা কুরআন নাযিল করেছেন ২৩ বছরে। এর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ নাযিল হয়েছে মক্কায়, আর বাকি এক-তৃতীয়াংশ মদিনায়। মক্কার ইসলামের বার্তা আর মদিনার ইসলামের বার্তা বাস্তব প্রয়োগে একরকম ছিল না। মক্কায় ইসলাম মানে ছিল না কীভাবে পশু জবাই করতে হবে, হজ কীভাবে করতে হবে, রমজানে রোজা, পোশাকের নিয়ম বা উত্তরাধিকার আইন। টানা ১৩ বছর ধরে এই বিষয়গুলো ছিলই না। যদি কেউ মক্কায় ইসলাম গ্রহণ করে হিজরার আগেই মারা যেত, তাহলে তার ইসলাম আজকের আমাদের চেনা ইসলামের মতো হতো না।

কুরআনের প্রতিটি সূরা আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি পূর্ণ বার্তা—এর শুরু আছে, মাঝখান আছে, শেষ আছে, আর একটা সম্পূর্ণ ধারণা আছে। ধরুন সূরা আর-রহমান। এতে আল্লাহর নেয়ামত, কিয়ামত, জাহান্নাম, জান্নাত—সবকিছুর কথা আছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই সূরা শুনে আল্লাহ মানুষকে কী পরিবর্তন করতে বলছেন? উত্তর একটাই—মীযান। ন্যায়বিচার। ওজনে কম দিও না, ন্যায়ের পাল্লা ঠিক রাখো, মানুষের হক নষ্ট করো না। এটা শুধু দোকানের ওজনের কথা না। কারো টাকা পাওনা থাকলে শোধ করা, কারো সম্পদ নষ্ট করলে ক্ষতিপূরণ দেওয়া, অপরাধ হলে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা—সবই মীযানের অংশ। মীযান মানে জীবনের ভারসাম্য।

এই ন্যায়বিচারই মক্কাকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল। দাড়ি, পোশাক, নামাজ—এসব কারণে নয়। কুরাইশরা সহ্য করতে পারেনি এই ন্যায়বোধকে। কারণ এটা কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম না, এটা একটা সার্বজনীন নীতি। তুমি ডাক্তার হও, ব্যবসায়ী হও, ছাত্র হও, শাসক হও—এই নীতি সবার জন্য। নিয়ম সব সময় সবার জন্য প্রযোজ্য হয় না, কিন্তু নীতি সব সময়, সবার জন্য প্রযোজ্য।

এই নীতিগুলো মেনে চলা মানুষদের আল্লাহ কুরআনে বলেছেন ‘সাবিকুন’—আল্লাহর সবচেয়ে নিকটবর্তী মানুষ। ভাবুন, তারা তখনো রোজা রাখে না, হজ করেনি, অনেক খাদ্য আইন জানে না, এমনকি তখনো মদ হারাম হয়নি—তবু তারা আল্লাহর সবচেয়ে কাছের বান্দা। আজ আমরা দেখি, ইউরোপ বা আমেরিকায় কেউ নামাজ পড়লে মানুষ বিরক্ত হয়। কিন্তু মক্কায় মানুষ কী দেখে ক্ষেপে গিয়েছিল? না দাড়ি, না পোশাক—সবাই একই রকম ছিল। তারা ক্ষেপেছিল ন্যায়ের কারণে।

এরপর মদিনায় এসে আল্লাহ নিয়ম নাযিল করলেন—ওজু, উত্তরাধিকার, তালাক, জাকাত, যুদ্ধের বিধান—সবকিছু স্পষ্ট করে দেওয়া হলো। কারণ তখন ভিত্তির ওপর ঘর তোলা হচ্ছিল। বিদায় হজে নবী ﷺ বললেন, “যে এখানে আছে, সে যেন যে নেই তাকে পৌঁছে দেয়—একটা আয়াত হলেও।” সেই বিশাল জনতার ৯৯ শতাংশই ছিল নতুন মুসলিম—কারো ইসলাম একদিনের, কারো এক সপ্তাহের। তারা কী প্রচার করবে? নিয়ম নয়—নীতি। কারণ কুরআনের এমন কোনো আয়াত নেই যেখানে নীতি নেই, কিন্তু অনেক আয়াত আছে যেখানে নিয়ম নেই।

নীতি হলো ভিত্তি, আর নিয়ম হলো তার ওপর দাঁড়ানো ঘর। ভিত্তি দুর্বল হলে তুমি যতই রং করো, জানালা লাগাও—সব ভেঙে পড়বে। আজ আমরা আবার সেই দুই চরমতায় ফিরে গেছি। একদল শুধু নিয়ম নিয়ে পড়ে থাকে, নীতি ভুলে যায়। আরেকদল নীতি নিয়ে কথা বলে, নিয়ম বাতিল করে দেয়। কুরআন বলছে—দুটোই দরকার, কিন্তু আগে ভিত্তি।

আজকের তরুণরা বলে, “সবকিছু হারাম, সব নিয়ম—আমি মুক্তি চাই।” ঠিকই তো। যদি শুরুতেই শুধু নিয়ম চাপানো হতো, কেউই মানত না। নীতি মানুষকে বিশ্বাস করায়, আর বিশ্বাস এলে নিয়ম আপনাতেই আসে। দাওয়াহ মানে নিয়ম নিয়ে তর্ক না, দাওয়াহ মানে নীতিগুলো মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। কারণ নীতি ছাড়া নিয়ম মানে ভিত্তি ছাড়া ঘর। আল্লাহ আমাদের এমন একটি প্রজন্ম বানান, যারা মানুষকে আবার ইসলামের সেই মূল ভিত্তিতে ফিরিয়ে আনে—যার ওপর এই সুন্দর দ্বীন দাঁড়িয়ে আছে।

(C)
নোমান আলী খান

 # #আমরা অনেকেই মনে করি, বাচ্চাকে বেশি শাসন না করলে সে “বিগড়ে যাবে”। তাই ছোট ভুলেও রাগ, বকা, চিৎকার—এটাই যেন আমাদের স্ব...
15/01/2026

# #
আমরা অনেকেই মনে করি, বাচ্চাকে বেশি শাসন না করলে সে “বিগড়ে যাবে”। তাই ছোট ভুলেও রাগ, বকা, চিৎকার—এটাই যেন আমাদের স্বাভাবিক অভ্যাস।
কিন্তু আপনি কি জানেন, এই বারবার বকা খাওয়ানো শিশুর মস্তিষ্কের গঠনে স্থায়ী পরিবর্তন ঘটাতে পারে?

এটা শুধু মানসিক কষ্ট নয়—এটা সরাসরি শিশুর ব্রেইন ডেভেলপমেন্টে আঘাত করে।
---

🧠 ১. শিশুর মস্তিষ্কে ‘ভয়’ এর হরমোন বেড়ে যায়

বারবার বকা, চিৎকার ও অপমানের ফলে শিশুর শরীরে বেড়ে যায় কর্টিসল (Stress Hormone)। এই হরমোন দীর্ঘদিন বেশি থাকলে—

শিশুর স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে যায়

শেখার আগ্রহ কমে যায়

সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে

অর্থাৎ, শিশুটি ধীরে ধীরে মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে।
---

💔 ২. শিশুর আত্মবিশ্বাস ধ্বংস হয়ে যায়

যে শিশুকে প্রতিদিন বলা হয়—

“তুই কিছু পারবি না”

“তুই ভালো না”

“তোর দ্বারা কিছু হবে না”

সে ধীরে ধীরে এগুলোই নিজের পরিচয় হিসেবে বিশ্বাস করতে শুরু করে।
ফলাফল—

শিশু নিজেকে তুচ্ছ মনে করে

নতুন কিছু চেষ্টা করতে ভয় পায়

বড় হয়েও সিদ্ধান্ত নিতে ভয় পায়

এই ভয় তাকে সারাজীবন পিছু তাড়া করে।
---

😞 ৩. উদ্বেগ ও বিষণ্ণতায় (Anxiety & Depression) ভোগে

গবেষণায় দেখা গেছে—
যেসব শিশু নিয়মিত বকা ও মানসিক চাপের মধ্যে বড় হয়, তাদের ভেতরে—

ডিপ্রেশন

অতিরিক্ত ভয়

ঘুমের সমস্যা

অকারণ রাগ
এই সমস্যাগুলো অনেক বেশি দেখা যায়।

অনেক সময় তারা নিজের কষ্ট কাউকে বলতেও পারে না—ভেতরে ভেতরে ভেঙে পড়ে।
---

🗣️ ৪. শিশু সত্য বলা বন্ধ করে দেয়

বারবার বকা খাওয়া শিশুরা ধীরে ধীরে শেখে— “সত্য বললে শাস্তি, মিথ্যা বললে বাঁচা।”

ফলে তারা—

মিথ্যা বলা শিখে যায়

বাবা–মার সাথে দূরত্ব তৈরি করে

নিজের অনুভূতি গোপন রাখতে শেখে

একসময় বাবা–মা আর সন্তানের মধ্যে বিশ্বাসটাই হারিয়ে যায়।
---

🌱 ৫. শিশু ভয়ে নয়, ভালোবাসায় বদলায়

শিশুর সবচেয়ে বড় চাহিদা হলো— ✅ নিরাপত্তা
✅ ভালোবাসা
✅ বোঝাপড়া

যে শিশু ভালোবাসা ও উৎসাহ পায়, সে ভুল করলেও শেখে, সামনে এগোতে পারে।
কিন্তু যে শিশু শুধু ভয় পায়, সে শুধু ভুল লুকাতে শেখে—ভালো মানুষ হতে শেখে না।
---

✅ তাহলে একজন সচেতন অভিভাবক হিসেবে আমরা কী করবো?

চিৎকার নয়, শান্তভাবে বোঝাবো

ভুলে শাস্তি নয়, শিক্ষা দেবো

তুলনা নয়, উৎসাহ দেবো

অপমান নয়, আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলবো

একটা কথা মনে রাখবেন—
“আজকের শিশুই আগামীর বাংলাদেশ।”

আপনার একটি কথাই আপনার সন্তানের পুরো জীবন বদলে দিতে পারে—ভালো দিকেও, খারাপ দিকেও।
---

❤️ শেষ কথা

একটি শিশুর কাছে বাবা–মাই তার পুরো পৃথিবী।
আপনার মুখের একটি কঠিন কথা তার মনে গভীর ক্ষত তৈরি করতে পারে, আবার একটি মমতার কথা তার ভেতরে পাহাড়সম আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলতে পারে।

আজ যে শিশুটি বারবার বকা খাচ্ছে, অপমান সহ্য করছে—
সে শুধু আজ কাঁদছে না, সে কাঁদছে তার ভবিষ্যৎ নিয়েও।

আমরা যেন এমন বাবা–মা না হই,
যাদের কারণে সন্তানের মনে এই প্রশ্ন জন্মায়—
“আমাকে বকা ছাড়া ভালোবাসা কি কেউ করবে না?”

আসুন, ভয় দিয়ে নয় — ভালোবাসা দিয়ে মানুষ গড়ি।
চিৎকার দিয়ে নয় — সময় দিয়ে সন্তান গড়ি।
শাস্তি দিয়ে নয় — বিশ্বাস দিয়ে ভবিষ্যৎ গড়ি।

কারণ, একটি সুন্দর আগামী শুরু হয়—
একটি নিরাপদ শৈশব থেকে।

(Collected)

বেশিরভাগ মানুষ মনে করে বড় কোনো অসুখ হলে শরীর আগে থেকেই ভয় দেখাবে।কোলন ক্যান্সার ঠিক উল্টো।এটা নীরবে শুরু হয়।আর আমরা একে ...
08/01/2026

বেশিরভাগ মানুষ মনে করে বড় কোনো অসুখ হলে শরীর আগে থেকেই ভয় দেখাবে।
কোলন ক্যান্সার ঠিক উল্টো।
এটা নীরবে শুরু হয়।
আর আমরা একে গ্যাস, পাইলস, অ্যাসিডিটি বা আইবিএস ভেবে এড়িয়ে যাই।
এই লেখাটা ভয় দেখানোর জন্য না।
চোখ খুলে দেওয়ার জন্য।
কোলন ক্যান্সার কী
বড় অন্ত্রের ভেতরে ছোট একটা মাংসপিণ্ড দিয়ে শুরু হয়। একে পলিপ বলা হয়। শুরুতে কোনো ব্যথা নেই। কোনো নাটকীয় উপসর্গ নেই। ধীরে ধীরে বড় হয়। সমস্যা হয় তখনই, যখন অনেক দেরি হয়ে যায়।
যে লক্ষণগুলো আমরা সবচেয়ে বেশি অবহেলা করি
পায়খানার অভ্যাস বদলে যাওয়া
হঠাৎ কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া শুরু হলো
দু–তিন সপ্তাহেও ঠিক হলো না
আগে নিয়মিত ছিল, এখন আর নেই
কখনো শক্ত, কখনো পাতলা পায়খানা
এটা যদি নতুন হয় এবং লেগেই থাকে, তাহলে গুরুত্ব দিতে হবে
পায়খানার আকার বদলে যাওয়া
আগের মতো না, খুব চিকন হয়ে গেছে
বারবার অল্প অল্প পায়খানা হচ্ছে
মনে হয় পুরোটা বের হয়নি
এগুলো অন্ত্রের ভেতরে কিছু বাধা থাকার ইঙ্গিত হতে পারে
পায়খানায় রক্ত
লাল রক্ত দেখলে আমরা বলি পাইলস
কালচে বা গাঢ় হলে ভাবি খাবারের সমস্যা
অনেক সময় চোখে দেখা যায় না, কিন্তু শরীরের ভেতরে ধীরে ধীরে রক্ত ঝরে
এর ফল আয়রন কমে যাওয়া, হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়া
বিশেষ করে ৪৫ বছরের পর হলে এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ সংকেত
পেটের ব্যথা ও অস্বস্তি
বারবার পেট মোচড়ানো
খাওয়ার পর ব্যথা বাড়ে
নিচের পেটে ভারি ভারি লাগে
গ্যাস জমে থাকে, ফাঁপা ভাব যায় না
নতুন করে শুরু হওয়া এই উপসর্গগুলো অবহেলা করা ঠিক না
পায়খানা শেষে তৃপ্তি না পাওয়া
মনে হয় এখনও কিছু রয়ে গেছে
বারবার বাথরুমে যাওয়ার তাগিদ
বিশেষ করে রক্ত বা শ্লেষ্মার সাথে হলে সতর্ক হতে হবে
কারণ ছাড়াই ওজন কমে যাওয়া
ডায়েট করছেন না
ব্যায়াম বাড়াননি
তবুও ওজন কমছে
খেতে ইচ্ছা কমে যাচ্ছে
এটা শরীরের ভেতরের বড় সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে
অস্বাভাবিক ক্লান্তি
অল্প কাজেই হাঁপিয়ে যাওয়া
সবসময় দুর্বল লাগা
মাথা ঘোরা
চেহারা ফ্যাকাশে
অনেক সময় এটা নীরব রক্তক্ষরণের ফল
যাদের ক্ষেত্রে আরও বেশি সতর্ক থাকা দরকার
বয়স ৪৫ বছরের বেশি
পরিবারে কোলন ক্যান্সার বা পলিপের ইতিহাস
আগে নিজে পলিপে ভুগেছেন
দীর্ঘদিন আলসারেটিভ কোলাইটিস বা ক্রনের রোগ
অতিরিক্ত ওজন, ধূমপান, নিয়মিত মদ্যপান
লাল মাংস বেশি, আঁশযুক্ত খাবার কম
কখন আর দেরি করা যাবে না
বারবার রক্ত গেলে
পায়খানার অভ্যাস দুই তিন সপ্তাহেও ঠিক না হলে
পেট ব্যথা ও ফাঁপা ভাবের সাথে ওজন কমলে
কারণ ছাড়া আয়রন বা হিমোগ্লোবিন কমে গেলে
পরিবারে ইতিহাস থাকলে
মনে রাখবেন
কোলন ক্যান্সার প্রথমে সাধারণ পেটের সমস্যার মতোই লাগে
যেটা বারবার হয়, সেটাই বিপজ্জনক
আগে ধরা পড়লে এই ক্যান্সার পুরোপুরি নিরাময়যোগ্য

কারণ হয়তো আপনার একটুখানি সচেতনতা কারও জীবন বাঁচাতে পারে

Courtesy by

ডা.আব্দুর রহমান

Address

Institute Of Child And Mother Health
Dhaka
1362

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr Saifullah Rasel posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr Saifullah Rasel:

Share

Category