Dr Saifullah Rasel

Dr Saifullah Rasel Assistant Professor
Department of Paediatrics

10/09/2026

# #
কখনো কি চিন্তা করেছেন, আল্লাহ তাআলা কেন একথা বললেন না যে "প্রতিটি প্রাণীই মারা যাবে"? বরং তিনি বলেছেন, ”প্রতিটি প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করতে হবে”।

মৃত্যু কি কোনো খাবার বা পানীয় যে, আমাদের তার স্বাদ নিতে হবে?

আমরা কোরআনের এই আয়াতটি প্রায়ই পড়ি। কিন্তু খুব কম মানুষই (ذَائِقَةُ) বা 'স্বাদ গ্রহণ' শব্দটিতে থেমে একটু গভীরভাবে চিন্তা করেন। আল্লাহ কেন সাধারণ ভাষায় 'আমরা মরে যাব' বা 'ধ্বংস হয়ে যাব' না বলে 'স্বাদ নেওয়া' শব্দটি বেছে নিলেন?

এর পেছনে এমন এক গভীর মনস্তাত্ত্বিক ও আত্মিক রহস্য লুকিয়ে আছে, যা নিয়ে ভাবলে বাস্তবেই কলিজা কেঁপে ওঠে!

আপনি যখন কোনো খাবার মুখে দেন, তার স্বাদ কিন্তু এক সেকেন্ডেই গায়েব হয়ে যায় না। বরং তা আপনার পুরো অনুভূতিতে ছড়িয়ে পড়ে এবং আপনি তা অনুভব করতে থাকেন।

আল্লাহ তাআলা এই শব্দটি ব্যবহার করেছেন এটা বোঝানোর জন্য যে, মৃত্যু হঠাৎ করে নিভে যাওয়া বা 'সুইচ অফ' হয়ে যাওয়ার মতো কিছু নয়! এটি একটি পূর্ণাঙ্গ প্রক্রিয়া। ধীরে ধীরে রূহ টানা হতে থাকে এবং মানুষ তার প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দিয়ে মৃত্যুর প্রতিটি মুহূর্তকে সজ্ঞানে 'উপলব্ধি' করে।

মানুষ তখন ফেরেশতা এবং অদৃশ্যের ওই জগত দেখতে শুরু করে, যা সে দুনিয়াতে ভুলে ছিল।

আল্লাহ বলেন,"আমি তোমার ওপর থেকে পর্দা সরিয়ে দিয়েছি, আজ তোমার দৃষ্টি বড়ই প্রখর!" (সূরা ক্বাফ: ২২)

রূহ একবারে বের হয় না; বরং পায়ের আঙুল থেকে বের হতে শুরু করে ধীরে ধীরে কণ্ঠনালিতে এসে পৌঁছায়।

কোরআনে বলা হয়েছে,

"কখনো নয়! যখন প্রাণবায়ু কণ্ঠনালিতে পৌঁছাবে... আর সে বুঝতে পারবে যে, এটাই বিদায়বেলা!"(সূরা কিয়ামাহ: ২৬-২৮)

যে মুহূর্তে রূহ শরীর ছেড়ে যায়, মানুষের চোখ তখন আসমানের দিকে সেটার পিছু নেয়।

যেমনটা নবীজি (সা.) বলেছেন: "নিশ্চয়ই রূহ যখন কবজ করা হয়, দৃষ্টি তখন তার পিছু নেয় (তাকিয়ে থাকে)।" (সহিহ মুসলিম)

কেন 'স্বাদ' শব্দটিই বেছে নেওয়া হলো?

আল্লাহ কেন বললেন না যে, প্রতিটি প্রাণী মৃত্যুকে 'দেখবে' বা 'শুনবে'?

আপনি কোনো ভয়ংকর দৃশ্য দেখলে চোখ বন্ধ করতে পারেন, কটু শব্দ শুনলে কানে আঙুল দিতে পারেন, গরম কিছু ছুঁয়ে ফেললে হাত সরিয়ে নিতে পারেন।

কিন্তু 'স্বাদ'? মুখে কোনো কিছু চলে গেলে আর জিভে লাগলে, আপনি কিছুতেই তার স্বাদ থেকে পালাতে পারবেন না! সেই অভিজ্ঞতা আপনার 'ভেতরে' প্রবেশ করে এবং আপনার অস্তিত্বের অংশ হয়ে যায়।

মৃত্যু এমন কোনো ঘটনা নয় যা আপনি দূর থেকে দাঁড়িয়ে দেখবেন। বরং মৃত্যু আপনার শিরা-উপশিরায়, কোষের ভেতরে ঢুকে যাবে। আপনি চান বা না চান, এর স্বাদ আপনাকে পেতেই হবে।

যেহেতু মৃত্যুকে 'আস্বাদন' করতে হবে, তাই নিশ্চিতভাবেই এর একটা স্বাদ আছে। খাবারের যেমন আলাদা স্বাদ থাকে, তেমনি আল্লাহর সাথে বান্দার সম্পর্ক আর আমলের ওপর ভিত্তি করে মৃত্যুর স্বাদও একেকজনের জন্য একেক রকম হবে।

নবীজি (সা.) বলেছেন: "পানির পাত্র থেকে যেভাবে সহজে পানি গড়িয়ে পড়ে, মুমিনের রূহ ঠিক সেভাবেই সহজে বেরিয়ে আসে।" (মুসনাদে আহমাদ)

এটি এমন এক স্বাদ, যা প্রশান্তি আর জান্নাতের সুসংবাদে ভরপুর।

নবীজি (সা.) বলেছেন, "ভেজা পশমের ভেতর থেকে কাঁটাযুক্ত লোহার শিঁক যেভাবে টেনে বের করা হয়, (পাপীর) রূহকে ঠিক সেভাবেই টেনে-হিঁচড়ে বের করা হয়।" (মুসনাদে আহমাদ)

সারকথা হলো, মৃত্যু এমন এক পেয়ালা, যা সব মানুষের হাতে হাতে ঘুরছে। আমরা সবাই এই পেয়ালার পানীয় পান করব। তবে কেউ এর স্বাদ পাবে প্রশান্তি আর জান্নাতের সুবাসে, আর কেউ পাবে চরম ভয় আর আক্ষেপের তিক্ততায়।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সুন্দর মৃত্যু নসিব করুন। মৃত্যুকে আমাদের জন্য সমস্ত অকল্যাণ থেকে মুক্তির উপায় বানিয়ে দিন। আমিন।

Salman farsi
- উর্দূ থেকে অনূদিত

06/09/2026
প্রস্রাবে সামান্য জ্বালাপোড়া। এইটুকু থেকেই শুরু হয়েছিল সব।একজন ৪৫ বছর বয়সী গৃহিণী। হালকা ডায়াবেটিস ছিল তার, কিন্তু নি...
31/07/2026

প্রস্রাবে সামান্য জ্বালাপোড়া। এইটুকু থেকেই শুরু হয়েছিল সব।

একজন ৪৫ বছর বয়সী গৃহিণী। হালকা ডায়াবেটিস ছিল তার, কিন্তু নিয়মিত চেকআপ করাতেন না, ওষুধও মাঝেমধ্যে বাদ দিতেন। একদিন প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া শুরু হলো, বারবার প্রস্রাবের বেগও হচ্ছিল। তেমন পাত্তা দেননি "এইটুকু সমস্যা তো এমনিতেই সেরে যাবে।"

তিনদিন পর তলপেটে ব্যথা শুরু হলো, সাথে হালকা জ্বর। পাশের ফার্মেসিতে গিয়ে সমস্যাটা বললেন। দোকানদার প্রেসক্রিপশন ছাড়াই একটা এন্টিবায়োটিক ধরিয়ে দিলেন - "পাঁচ দিন খান, সেরে যাবেন।"

দুদিন খাওয়ার পরই ব্যথা কমে এলো। রেহেনা বেগম ভাবলেন, সেরে গেছে। বাকি ওষুধ আর খেলেন না - কষ্টের টাকা বাঁচলো, মনে হলো তার।

কিন্তু আসল বিপদ তখনই শুরু হলো।

যে ব্যাকটেরিয়াগুলো দুর্বল ছিল, ওষুধে সেগুলো মরে গিয়েছিল। কিন্তু যেগুলো একটু বেশি শক্তিশালী, একটু resistant - সেগুলো বেঁচে গেল। আর বেঁচে থাকা এই ব্যাকটেরিয়াগুলোই এখন নির্বিঘ্নে বংশবিস্তার করতে লাগলো।

এক সপ্তাহ পর কাঁপুনি দিয়ে জ্বর উঠলো। কোমরের দুপাশে, পিঠের দিকে তীব্র ব্যথা শুরু হলো - জীবাণু দিয়ে ইনফেকশন ততক্ষণে কিডনি পর্যন্ত পৌঁছে গেছে।

স্থানীয় সরকারি হাসপাতালের আউটডোরে ডাক্তার দেখালেন এবার। আরেকটা এন্টিবায়োটিক দেওয়া হলো। কিন্তু জ্বর কমলো না, বরং বাড়তে লাগলো। রক্তচাপ কমে যেতে লাগলো।

ইনফেকশনের জীবাণু ততক্ষণে রক্তে মিশে গেছে - ডাক্তাররা যাকে বলেন সেপসিস। ব্যাকটেরিয়া এখন শুধু কিডনিতে না, পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়েছে।

হাসপাতালে ভর্তি করা হলো। কালচার রিপোর্ট এলো তিনদিন পর - লেখা ছিল, ব্যাকটেরিয়াটি প্রায় সব সাধারণ এন্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধী হয়ে গেছে। ডাক্তাররা একের পর এক শক্তিশালী এন্টিবায়োটিক দিতে লাগলেন - কোনোটাই কাজ করলো না।

রক্তচাপ ধরে রাখা যাচ্ছিল না, কমে যাচ্ছিলো। কিডনি বিকল হতে শুরু করলো। শ্বাসকষ্ট বাড়লো, ফুসফুসও আর ঠিকমতো কাজ করছিল না।

আইসিইউতে নেওয়া হলো। ভেন্টিলেটর লাগানো হলো, ডায়ালাইসিস শুরু হলো। পরিবার জমি বিক্রি করে, ধারদেনা করে টাকা জোগাড় করছিল - শুধু একটা আশায়, "মানুষটা ফিরে আসুক।"

শেষ চেষ্টা হিসেবে ডাক্তাররা সবচেয়ে শক্তিশালী এন্টিবায়োটিক, কলিস্টিন দিলেন - যেটাকে বলা হয় চিকিৎসার "শেষ অস্ত্র"। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল। একে একে অঙ্গগুলো বিকল হতে লাগলো - হৃদপিণ্ড, কিডনি, ফুসফুস, সব একসাথে।

দশ দিনের আইসিইউ যুদ্ধের পর, আর ফেরা হলো না।

প্রস্রাবের সামান্য জ্বালাপোড়া থেকে শুরু হওয়া যাত্রাটা শেষ হলো একটা পরিবারের কান্নায়। ঘরে রেখে যাওয়া তার সন্তানেরা মা'কে হারালো।

ডাক্তার তখন পরিবারকে যা বললেন, সেটাই সবচেয়ে কষ্টের কথা - "আমরা প্রায় সব ধরনের এন্টিবায়োটিক ট্রাই করেছি, কিন্তু ব্যাকটেরিয়াটা এতটাই রেজিস্ট্যান্স হয়ে গিয়েছিল যে কোনো ওষুধই আর কাজ করছিল না।"

এটা গল্প মনে হচ্ছে তাই না? বাংলাদেশের আইসিইউতে এরকম হাজারো রোগী প্রতিনিয়ত লড়াই করছেন, শুধু একটা কারণে - এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স।

আর এই রেজিস্ট্যান্স তৈরি হয় আমাদের নিজেদের হাত দিয়েই -
- প্রেসক্রিপশন ছাড়া ফার্মেসি থেকে এন্টিবায়োটিক কেনা।
- কোর্স শেষ না করে মাঝপথে বন্ধ করে দেওয়া।
- সর্দি-কাশি-জ্বরের মতো ভাইরাস দিয়ে হওয়া সাধারণ অসুখেও এন্টিবায়োটিক খাওয়া, যেখানে এন্টিবায়োটিকের আসলে কোনো কাজই নেই।
- আগের কেনা ওষুধ রেখে দিয়ে নিজে নিজে আবার খাওয়া।

প্রতিবার এভাবে এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করলে দুর্বল ব্যাকটেরিয়া মরে যায় ঠিকই, কিন্তু শক্তিশালী প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া টিকে থেকে বংশবিস্তার করে। একসময় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়, যেখানে কোনো এন্টিবায়োটিকই আর কাজ করে না।

এটা দূরের কোনো গল্প না। যেকোনো দিন, যেকোনো পরিবারে এটা ঘটতে পারে।

তাই, এন্টিবায়োটিক শুরু করার আগে অবশ্যই ডাক্তার দেখান। আর একবার শুরু করলে পুরো কোর্স শেষ করুন - এক দিনও বাদ না দিয়ে।

আল্লাহ আমাদের এবং আমাদের প্রিয়জনদের হেফাজত করুন। সবাই সচেতন হোন, সুস্থ থাকুন।

(Collected)

 # #নবজাতকদের যে সকল সমস্যা নিয়ে অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন থাকেন তার মধ্যে নাভির সমস্যাগুলো অন্যতম। এনবজাতকদের যে সকল সমস্যা ন...
04/06/2026

# #
নবজাতকদের যে সকল সমস্যা নিয়ে অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন থাকেন তার মধ্যে নাভির সমস্যাগুলো অন্যতম। এনবজাতকদের যে সকল সমস্যা নিয়ে অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন থাকেন তার মধ্যে নাভির সমস্যাগুলো অন্যতম। এক্ষেত্রে অনেক কুসংস্কারও কাজ করে। নাভিতে ছ্যাক দেওয়া, সিঁদুর বা পোড়ামাটি দেওয়া, ডেলিভারির সময় অপরিষ্কার সুতা দিয়ে বাঁধ দেওয়া, অপ্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে viola দেয়া ,ইত্যাদি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নাভির এই সমস্যাগুলো সামান্য এবং ঠিকমতো যত্ন নিলে নিজে থেকেই সেরে যায়, তবে কিছু ক্ষেত্রে চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।
প্রধানতম নাভির সমস্যা গুলো হচ্ছে
1. নাভি সংক্রমণ (Omphalitis)ঃ
লক্ষণ:
নাভির চারপাশে লালচে ভাব, ফুলে যাওয়া পুঁজ বা দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব,জ্বর, খাওয়া কমে যাওয়া
করণীয় ঃ
এটি জরুরি অবস্থা হতে পারে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে
দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করে IV অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োজন।

2. নাভির গ্রানুলোমা (Umbilical Granuloma)
লক্ষণ:
নাভি পড়ে যাওয়ার পর ছোট লাল/গোলাপি ভেজা টিস্যু ,সামান্য স্রাব হতে পারে, রক্ত যেতে পারে।
করণীয়ঃ
সাধারণত Normal saline /silver nitrate/copper sulphate(তুত) cauterization,পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা।

3. নাভি হার্নিয়া (Umbilical Hernia)
লক্ষণ:
কাঁদলে বা চাপ দিলে নাভি ফুলে ওঠে,সাধারণত ব্যথা থাকে না
করণীয় ঃ
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ২–৩ বছরে নিজে নিজে ঠিক হয়,(তবে বাচ্চার কাশি, পায়খানা কষা ,প্রস্রাবের কোন সমস্যায় যদি পেটে চাপ পড়ে সেক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা করাতে হবে যাতে খাদ্যনালী এখানে এসে আটকে না যায়),জটিল হলে সার্জারি দরকার।

4. বিলম্বিত নাভি পড়া (Delayed cord separation)
কারণ:
সংক্রমণ
ইমিউন ডিফিসিয়েন্সি (যেমন Leukocyte adhesion defect)
করণীয় ঃ
কারণ অনুসন্ধান
প্রয়োজনে পরীক্ষা

5. নাভি থেকে প্রস্রাব/মল বের হওয়া (Urachal anomaly / Patent vitellointestinal duct)
লক্ষণ:
নাভি দিয়ে প্রস্রাব বা মল বের হওয়া
ব্যবস্থা:
সার্জিক্যাল সমস্যা → দ্রুত রেফার

6.Omphalocoeleঃ এটা সাধারণত একটি সার্জিক্যাল সমস্যা Umbilical Cord দিয়ে খাদ্যনালী বের হয়ে আসা
করণীয় ঃ
দ্রুততম সময়ের মধ্যে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে পরামর্শ নেয়া এবং অপারেশন করানো।
জন্মের সাথে সাথে Umbilical Cord কাটার সময় Stump-এ ১০ ফোঁটা 7.1% Chlorhexidine দেয়াটা বাধ্যতামূলক।

🔹 নাভির যত্ন (Umbilical Care)
নাভি সবসময় শুকনো ও পরিষ্কার রাখতে হবে,
এছাড়া অ্যালকোহল/অ্যান্টিসেপটিক রুটিনভাবে লাগানোর দরকার নেই (WHO dry cord care),
ডায়াপার নাভির নিচে রাখতে হবে
নাভি পড়ে যাওয়ার আগে পানি লাগানো এড়ানো ভালো
🚨 কখন জরুরি চিকিৎসা নিবেন
লালচে ভাব দ্রুত ছড়াচ্ছে
পুঁজ/দুর্গন্ধ
জ্বর বা শিশুর খাওয়া কমে গেছে
নাভি দিয়ে অস্বাভাবিক কিছু বের হচ্ছে।ক্ষেত্রে অনেক কুসংস্কারও কাজ করে। নাভিতে ছ্যাক দেওয়া, সিঁদুর বা পোড়ামাটি দেওয়া, ডেলিভারির সময় অপরিষ্কার সুতা দিয়ে বাঁধ দেওয়া, অপ্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে viola দেয়া ,ইত্যাদি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নাভির এই সমস্যাগুলো সামান্য এবং ঠিকমতো যত্ন নিলে নিজে থেকেই সেরে যায়, তবে কিছু ক্ষেত্রে চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।
প্রধানতম নাভির সমস্যা গুলো হচ্ছে
1. নাভি সংক্রমণ (Omphalitis)ঃ
লক্ষণ:
নাভির চারপাশে লালচে ভাব, ফুলে যাওয়া পুঁজ বা দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব,জ্বর, খাওয়া কমে যাওয়া
করণীয় ঃ
এটি জরুরি অবস্থা হতে পারে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে
দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করে IV অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োজন।

2. নাভির গ্রানুলোমা (Umbilical Granuloma)
লক্ষণ:
নাভি পড়ে যাওয়ার পর ছোট লাল/গোলাপি ভেজা টিস্যু ,সামান্য স্রাব হতে পারে, রক্ত যেতে পারে।
করণীয়ঃ
সাধারণত Normal saline /silver nitrate/copper sulphate(তুত) cauterization,পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা।

3. নাভি হার্নিয়া (Umbilical Hernia)
লক্ষণ:
কাঁদলে বা চাপ দিলে নাভি ফুলে ওঠে,সাধারণত ব্যথা থাকে না
করণীয় ঃ
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ২–৩ বছরে নিজে নিজে ঠিক হয়,(তবে বাচ্চার কাশি, পায়খানা কষা ,প্রস্রাবের কোন সমস্যায় যদি পেটে চাপ পড়ে সেক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা করাতে হবে যাতে খাদ্যনালী এখানে এসে আটকে না যায়),জটিল হলে সার্জারি দরকার।

4. বিলম্বিত নাভি পড়া (Delayed cord separation)
কারণ:
সংক্রমণ
ইমিউন ডিফিসিয়েন্সি (যেমন Leukocyte adhesion defect)
করণীয় ঃ
কারণ অনুসন্ধান
প্রয়োজনে পরীক্ষা

5. নাভি থেকে প্রস্রাব/মল বের হওয়া (Urachal anomaly / Patent vitellointestinal duct)
লক্ষণ:
নাভি দিয়ে প্রস্রাব বা মল বের হওয়া
ব্যবস্থা:
সার্জিক্যাল সমস্যা → দ্রুত রেফার

6.Omphalocoeleঃ এটা সাধারণত একটি সার্জিক্যাল সমস্যা Umbilical Cord দিয়ে খাদ্যনালী বের হয়ে আসা
করণীয় ঃ
দ্রুততম সময়ের মধ্যে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে পরামর্শ নেয়া এবং অপারেশন করানো।
জন্মের সাথে সাথে Umbilical Cord কাটার সময় Stump-এ ১০ ফোঁটা 7.1% Chlorhexidine দেয়াটা বাধ্যতামূলক।

🔹 নাভির যত্ন (Umbilical Care)
নাভি সবসময় শুকনো ও পরিষ্কার রাখতে হবে,
এছাড়া অ্যালকোহল/অ্যান্টিসেপটিক রুটিনভাবে লাগানোর দরকার নেই (WHO dry cord care),
ডায়াপার নাভির নিচে রাখতে হবে
নাভি পড়ে যাওয়ার আগে পানি লাগানো এড়ানো ভালো
🚨 কখন জরুরি চিকিৎসা নিবেন
লালচে ভাব দ্রুত ছড়াচ্ছে
পুঁজ/দুর্গন্ধ
জ্বর বা শিশুর খাওয়া কমে গেছে
নাভি দিয়ে অস্বাভাবিক কিছু বের হচ্ছে।

(Collected)

 # #আগামী কয়েকদিন সারাদেশে তীব্র তাপদাহ বয়ে যেতে পারে। এই সময়ে শিশুদের প্রতি বিশেষ যত্ন নেওয়া খুবই জরুরি। শিশুদের শরীরের...
01/06/2026

# #
আগামী কয়েকদিন সারাদেশে তীব্র তাপদাহ বয়ে যেতে পারে। এই সময়ে শিশুদের প্রতি বিশেষ যত্ন নেওয়া খুবই জরুরি।

শিশুদের শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা বড়দের তুলনায় কম হওয়ায় তারা খুব দ্রুত পানিশূন্যতা ও গরমজনিত বিভিন্ন সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারে। তাই যতটা সম্ভব শিশুদের ঘরের ভেতরে, বাতাস চলাচল করে এমন ঠান্ডা পরিবেশে রাখার চেষ্টা করুন।

সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রোদের তীব্রতা বেশি থাকে, তাই এই সময়ে অপ্রয়োজনে বাইরে নিয়ে যাওয়া থেকে বিরত থাকুন। বাইরে যেতে হলে হালকা রঙের ঢিলেঢালা সুতি কাপড় পরান এবং সরাসরি রোদ থেকে আড়াল করে রাখুন।

৬ মাস বয়সের কম শিশুদের জন্য শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধই যথেষ্ট। এই বয়সে অতিরিক্ত পানি বা অন্য কোনো তরল দেওয়ার প্রয়োজন নেই। গরমের সময় শিশুকে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বার বুকের দুধ খেতে দিন।

৬ মাসের বেশি বয়সী শিশুদের বুকের দুধের পাশাপাশি পর্যাপ্ত নিরাপদ পানি, তরল খাবার, ফলমূল এবং বয়স উপযোগী খাবার দিন। অতিরিক্ত ঘাম হলে শরীর থেকে পানি ও লবণ বের হয়ে যায়, তাই পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি।

তাপদাহের কারণে শিশুর প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া, মুখ ও ঠোঁট শুকিয়ে যাওয়া, অতিরিক্ত তৃষ্ণা, চোখ বসে যাওয়া, অস্বাভাবিক কান্নাকাটি, বিরক্তিভাব, অবসন্নতা বা ঝিমিয়ে পড়া পানিশূন্যতার লক্ষণ হতে পারে। আবার শরীর অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়া, জ্বরের মতো অনুভূতি, বমি, মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গও দেখা দিতে পারে। এমন কোনো লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

(Collected)

Today's ward round(Measles, হাম)250 Bed General Hospital,Noakhali
25/05/2026

Today's ward round(Measles, হাম)
250 Bed General Hospital,Noakhali

হাম (Measles) জয়ী  বাবু.....
17/05/2026

হাম (Measles) জয়ী বাবু.....

My cute patient, today in my chamber...Now she is 5 kg in 5 month..She was under my treatment  in Nicu when she was 1.3 ...
06/05/2026

My cute patient, today in my chamber...
Now she is 5 kg in 5 month..
She was under my treatment in Nicu when she was 1.3 kg birth weight...

TodayMeasles isolation Ward with Prof Wali Ullah Sir
20/04/2026

Today
Measles isolation Ward with Prof Wali Ullah Sir

Address

Institute Of Child And Mother Health
Dhaka
1362

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr Saifullah Rasel posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr Saifullah Rasel:

Shortcuts

Share

Category