Dr. Taiyeb Ibna Zahangir

Dr. Taiyeb Ibna Zahangir MBBS (DMC), BCS, MD (Psychiatry)
Assistant Professor (Psychiatry)
National Institute of Mental Health

"ঘটনাটা তো অনেক দিন আগের... তাহলে এখনও কেন আমি সেটা ভুলতে পারছি না?"রাস্তায় একটা দুর্ঘটনা দেখেছিলেন তিনি।সেদিনের পর কয়েক...
13/08/2026

"ঘটনাটা তো অনেক দিন আগের... তাহলে এখনও কেন আমি সেটা ভুলতে পারছি না?"
রাস্তায় একটা দুর্ঘটনা দেখেছিলেন তিনি।
সেদিনের পর কয়েক সপ্তাহ কেটে গেছে।
সবাই স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেছে।
কিন্তু তিনি পারেননি।

রাস্তায় বের হলেই বুক ধড়ফড় করে।
হঠাৎ কোনো গাড়ির ব্রেকের শব্দ শুনলে চমকে ওঠেন।
সেই জায়গাটার কাছাকাছি গেলেই মনে হয়—
"আবার যদি এমন কিছু ঘটে?"
কখনও কখনও সেই দুর্ঘটনার দৃশ্যটা হঠাৎ চোখের সামনে ভেসে ওঠে।
রাতে ঘুমাতে গেলেও ঘটনাটা মনে পড়ে যায়।
পরিবারের মানুষ বলেন,
"এতদিন হয়ে গেছে, এখনও এসব ভাবছ কেন?"
কিন্তু তিনি চাইলেও যেন ঘটনাটা মাথা থেকে সরাতে পারছেন না।

আমরা সবাই জীবনে কোনো না কোনো সময় Stress বা মানসিক চাপের মধ্য দিয়ে যাই।
কঠিন কোনো ঘটনা, দুর্ঘটনা, অসুস্থতা, প্রিয়জনকে হারানো বা ভয়ংকর অভিজ্ঞতার পর কিছুদিন অস্থিরতা, ভয়, ঘুমের সমস্যা বা মন খারাপ থাকা অস্বাভাবিক নয়।

কিন্তু কোনো ভয়ংকর বা ট্রমাটিক ঘটনার পর যদি দীর্ঘদিন ধরে সেই ঘটনার স্মৃতি, ভয় ও এড়িয়ে চলার প্রবণতা আপনার জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করে, তখন বিষয়টি শুধু সাধারণ Stress হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
এ ধরনের সমস্যার ক্ষেত্রে PTSD (Post-Traumatic Stress Disorder)-এর মতো মানসিক সমস্যার মূল্যায়ন প্রয়োজন হতে পারে।

তখন দেখা যেতে পারে—
🔹 বারবার ঘটনাটির স্মৃতি বা দুঃস্বপ্ন ফিরে আসা
🔹 একই ধরনের পরিস্থিতি বা জায়গা এড়িয়ে চলা
🔹 সামান্য শব্দেও অতিরিক্ত চমকে ওঠা
🔹 সবসময় বিপদ আসছে মনে হওয়া
🔹 ঘুম ও মনোযোগের সমস্যা
🔹 ঘটনা নিয়ে তীব্র ভয়, অপরাধবোধ বা অসহায়ত্ব
🔹 স্বাভাবিক জীবন, কাজ বা সম্পর্কের ওপর প্রভাব পড়া

ট্রমার পর কষ্ট পাওয়া দুর্বলতার লক্ষণ নয়।
মস্তিষ্ক কখনও কখনও ভয়ংকর অভিজ্ঞতার পর সেই ঘটনাকে এমনভাবে ধরে রাখে, যেন বিপদটা এখনও ঘটছে।

যদি কোনো ভয়ংকর ঘটনার পর আপনার কষ্ট দীর্ঘদিন ধরে থাকে, দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত হয় বা আপনি ধীরে ধীরে মানুষ, জায়গা কিংবা পরিস্থিতি এড়িয়ে চলতে শুরু করেন, তাহলে একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
সঠিক মূল্যায়ন ও চিকিৎসার মাধ্যমে অনেক মানুষই ট্রমার পর আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন।

"ভুলে যাও" বলা সবসময় সমাধান নয়। কখনও কখনও মনকে সুস্থ হওয়ার জন্য সাহায্যের প্রয়োজন হয়।

— ডা. তাইয়েব ইবনে জাহাঙ্গীর
📞 অ্যাপয়েন্টমেন্ট: ০১৭৫৩৮৬৮৬১৬

#মানসিক_স্বাস্থ্য #মানসিক_চাপ #ট্রমা #পিটিএসডি #মনোরোগ_বিশেষজ্ঞ

"চকলেটটা না দেওয়ায় মেঝেতে শুয়ে চিৎকার শুরু করল!"মা বললেন,"আজ আর চকলেট নয়।"ব্যস!মুহূর্তের মধ্যে কান্না।চিৎকার।মেঝেতে শুয়ে...
13/08/2026

"চকলেটটা না দেওয়ায় মেঝেতে শুয়ে চিৎকার শুরু করল!"
মা বললেন,
"আজ আর চকলেট নয়।"
ব্যস!
মুহূর্তের মধ্যে কান্না।
চিৎকার।
মেঝেতে শুয়ে পড়া।
কিছুক্ষণ পর মা চকলেট দিয়ে দিলেন।
শিশু শান্ত হয়ে গেল।

অনেক বাবা-মা এই ধরনের ঘটনা দেখে চিন্তা করেন—
"আমার সন্তান কি খুব জেদি হয়ে যাচ্ছে?"
শিশুদের মাঝে মাঝে এমন রাগ, কান্না বা জেদ দেখা দেওয়া অস্বাভাবিক নয়।
এগুলোকে অনেক সময় Temper Tantrum বলা হয়।

ক্ষুধা, ক্লান্তি, হতাশা, কোনো কিছু না পাওয়া বা নিজের ইচ্ছা প্রকাশ করতে না পারার কারণে শিশুর এমন আচরণ হতে পারে।
কিন্তু সমস্যা তখনই, যখন—
একই ধরনের আচরণ খুব ঘন ঘন হয়,
অতিরিক্ত তীব্র হয়,
বয়সের তুলনায় অস্বাভাবিক মনে হয়,
এবং শুধু বাড়িতে নয়—স্কুল, পরিবার ও অন্যান্য সম্পর্কেও সমস্যা তৈরি করতে থাকে।

কিছু শিশুর ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে দেখা যেতে পারে—
🔹 বারবার বড়দের সঙ্গে তর্ক করা
🔹 ইচ্ছাকৃতভাবে নিয়ম অমান্য করা
🔹 খুব সহজেই বিরক্ত বা রেগে যাওয়া
🔹 অন্যকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিরক্ত করা
🔹 নিজের ভুলের জন্য অন্যকে দোষ দেওয়া
🔹 প্রতিশোধপরায়ণ আচরণ

এ ধরনের দীর্ঘস্থায়ী আচরণগত সমস্যার ক্ষেত্রে Oppositional Defiant Disorder (ODD)-এর মতো বিষয় মূল্যায়নের প্রয়োজন হতে পারে।
তবে একটি-দুটি রাগের ঘটনা দেখে শিশুকে ODD বলা ঠিক নয়।
শিশুর বয়স, আচরণের স্থায়িত্ব, কোথায় কোথায় সমস্যা হচ্ছে এবং পরিবার ও স্কুলে এর প্রভাব—সবকিছু বিবেচনা করে বিশেষজ্ঞ মূল্যায়ন প্রয়োজন।

তাই শিশুকে শুধু "খারাপ", "জেদি" বা "অবাধ্য" বলে শাস্তি দেওয়ার আগে বুঝতে চেষ্টা করুন—তার আচরণের পেছনে কোনো মানসিক বা আচরণগত সমস্যা আছে কি না।

যদি শিশুর রাগ ও অবাধ্যতা দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে এবং পরিবার, পড়াশোনা বা সামাজিক জীবনে সমস্যা তৈরি করে, তাহলে একজন শিশু-কিশোর মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

প্রতিটি জেদ রোগ নয়। কিন্তু আচরণের পরিবর্তন যদি শিশুর জীবনকে কঠিন করে তোলে, তখন সাহায্য নেওয়া জরুরি।

— ডা. তাইয়েব ইবনে জাহাঙ্গীর
📞 অ্যাপয়েন্টমেন্ট: ০১৭৫৩৮৬৮৬১৬

#শিশুর_মানসিক_স্বাস্থ্য #শিশুর_আচরণ #জেদ #অবাধ্যতা #মনোরোগ_বিশেষজ্ঞ #ডা_তাইয়েব_ইবনে_জাহাঙ্গীর

সকাল থেকে কয়েকবার ফোন করেছেন।কোনো উত্তর নেই।প্রথমে ভাবলেন, হয়তো কাজে ব্যস্ত।কিছুক্ষণ পর আবার কল।তারপর মেসেজ—"কোথায়?""আমা...
12/08/2026

সকাল থেকে কয়েকবার ফোন করেছেন।
কোনো উত্তর নেই।
প্রথমে ভাবলেন, হয়তো কাজে ব্যস্ত।
কিছুক্ষণ পর আবার কল।
তারপর মেসেজ—
"কোথায়?"
"আমার ওপর কি রাগ করেছ?"
"আমাকে এড়িয়ে যাচ্ছ কেন?"
এক ঘণ্টা পরও উত্তর নেই।
এবার মাথায় একের পর এক চিন্তা—
"ও কি আমাকে আর ভালোবাসে না?"
"অন্য কারও সঙ্গে কথা বলছে?"
"আমাকে ছেড়ে চলে যাবে না তো?"
শেষ পর্যন্ত ফোন এলো।
জানলেন, মানুষটি মিটিংয়ে ছিলেন।
কিন্তু আপনার মন তখনও শান্ত হতে পারছে না।

সম্পর্কে ভালোবাসা, যত্ন ও কাছের মানুষকে হারানোর ভয়—এসব স্বাভাবিক অনুভূতি।
কিন্তু যখন নিজের আত্মবিশ্বাস, ভালো থাকা এবং মানসিক শান্তি পুরোপুরি অন্য একজনের আচরণের ওপর নির্ভর করতে শুরু করে, তখন বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।

যেমন—
🔹 সারাক্ষণ সঙ্গীর মনোযোগ পাওয়ার প্রয়োজন অনুভব করা
🔹 উত্তর না পেলে তীব্র অস্থিরতা তৈরি হওয়া
🔹 একা থাকতে ভয় পাওয়া
🔹 সম্পর্ক হারানোর ভয়ে নিজের প্রয়োজন ও সীমা বিসর্জন দেওয়া
🔹 বারবার আশ্বস্ত হতে চাওয়া
🔹 সম্পর্কের কারণে নিজের পড়াশোনা, কাজ বা সামাজিক জীবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া
এটি সবসময় "অতিরিক্ত ভালোবাসা" নয়।
কখনও এর পেছনে থাকতে পারে অতিরিক্ত অনিরাপত্তা, Anxiety বা Emotional Dependency।

যদি সম্পর্কের কারণে আপনার মানসিক শান্তি, আত্মসম্মান বা দৈনন্দিন জীবন দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে বিষয়টিকে অবহেলা করবেন না। প্রয়োজনে একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

ভালোবাসা এমন হওয়া উচিত, যেখানে দুজন মানুষ একে অপরের পাশে থাকে—কিন্তু কেউই নিজের অস্তিত্ব হারিয়ে ফেলে না।

— ডা. তাইয়েব ইবনে জাহাঙ্গীর
📞 অ্যাপয়েন্টমেন্ট: ০১৭৫৩৮৬৮৬১৬

#মানসিক_স্বাস্থ্য #সম্পর্ক #মানসিক_নির্ভরতা #সম্পর্কের_সমস্যা #মনোরোগ_বিশেষজ্ঞ #ডা_তাইয়েব_ইবনে_জাহাঙ্গীর

"দাওয়াতে যাওয়ার কথা শুনেই মনটা খারাপ হয়ে গেল..."বাড়িতে আত্মীয়ের দাওয়াত।সবাই খুশি।কিন্তু তার মাথায় তখন অন্য চিন্তা—"ওখানে...
11/08/2026

"দাওয়াতে যাওয়ার কথা শুনেই মনটা খারাপ হয়ে গেল..."
বাড়িতে আত্মীয়ের দাওয়াত।
সবাই খুশি।
কিন্তু তার মাথায় তখন অন্য চিন্তা—
"ওখানে গিয়ে কার সঙ্গে কথা বলব?"
"কেউ যদি আমাকে নিয়ে কিছু বলে?"
"আমি যদি অদ্ভুত কিছু বলে ফেলি?"
"সবাই যদি বুঝতে পারে আমি নার্ভাস?"
শেষ পর্যন্ত অনেক ভেবে দাওয়াতে গেলেন।

কিছুক্ষণ পর একজন জিজ্ঞেস করলেন,
"কী খবর? কেমন আছো?"
সাধারণ একটা প্রশ্ন।
তবুও উত্তর দেওয়ার পর সারাক্ষণ মনে হতে লাগল— "আমি কি ঠিকভাবে উত্তর দিয়েছি?"
বাড়ি ফিরে ঘটনাটা শেষ হয়ে গেল।
কিন্তু তার মাথায় শেষ হলো না।
কে কী বলল, আমি কী বললাম, আমার আচরণ কেমন ছিল—
সবকিছু বারবার মনে করতে থাকলেন।

এমনকি পরদিনও মনে হলো,
"ওরা হয়তো আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করেছে..."
এভাবে সামাজিক পরিস্থিতির আগে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, পরিস্থিতির সময় তীব্র অস্বস্তি এবং পরে নিজের আচরণ নিয়ে দীর্ঘসময় ধরে ভাবতে থাকা—কিছু মানুষের ক্ষেত্রে Social Anxiety Disorder-এর অংশ হতে পারে। এটি শুধু লাজুক স্বভাব নয়।

এর কারণে একজন মানুষ ধীরে ধীরে—
🔹 দাওয়াত বা সামাজিক অনুষ্ঠান এড়িয়ে যেতে পারেন
🔹 নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়া এড়িয়ে চলতে পারেন
🔹 আত্মীয়-স্বজন বা বন্ধুদের সঙ্গে মেলামেশা কমিয়ে দিতে পারেন
🔹 নিজের কথা বা আচরণ নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করতে পারেন
🔹 পড়াশোনা, চাকরি বা সম্পর্কের ক্ষেত্রেও পিছিয়ে যেতে পারেন

সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো—
অনেক সময় মানুষটি বাইরে থেকে স্বাভাবিকই দেখান। অথচ ভেতরে ভেতরে প্রতিটি সামাজিক পরিস্থিতি তার জন্য প্রচণ্ড মানসিক চাপের হয়ে ওঠে।

যদি মানুষের সঙ্গে মেলামেশা বা সামাজিক পরিস্থিতির ভয় আপনার জীবনকে সীমাবদ্ধ করে দেয়, বারবার গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ এড়িয়ে যেতে হয়, অথবা এই ভয় ও দুশ্চিন্তা দীর্ঘদিন ধরে আপনাকে কষ্ট দেয়—তাহলে একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

সবাইকে এড়িয়ে চললেই ভয় কমে যায় না। কখনও কখনও ভয়কে বুঝতে এবং মোকাবিলা করতে পেশাদার সাহায্যের প্রয়োজন হয়।

— ডা. তাইয়েব ইবনে জাহাঙ্গীর
📞 অ্যাপয়েন্টমেন্ট: ০১৭৫৩৮৬৮৬১৬

#মানসিক_স্বাস্থ্য #সামাজিক_উদ্বেগ #উদ্বেগ #মনোরোগ_বিশেষজ্ঞ #ডা_তাইয়েব_ইবনে_জাহাঙ্গীর

রাত ১১টা।বিছানায় শুয়ে ফোন হাতে নিলেন।একটা ভিডিও।তারপর আরেকটা।একটা রিল শেষ হতেই আরেকটা চলে এলো।হঠাৎ ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখল...
11/08/2026

রাত ১১টা।
বিছানায় শুয়ে ফোন হাতে নিলেন।
একটা ভিডিও।
তারপর আরেকটা।
একটা রিল শেষ হতেই আরেকটা চলে এলো।
হঠাৎ ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখলেন—
রাত ২টা!

নিজেকেই বললেন,
"কাল থেকে আর এত ফোন ব্যবহার করব না।"
কিন্তু পরদিন আবার একই ঘটনা।
সকালে ঘুম থেকে উঠেই ফোন।
খাওয়ার সময় ফোন।
কাজের ফাঁকে ফোন।
মন খারাপ হলে ফোন।
এমনকি কারও সঙ্গে কথা বলার সময়ও বারবার স্ক্রিনে চোখ চলে যাচ্ছে।

ধীরে ধীরে নিজের অজান্তেই—
ঘুম কমে যাচ্ছে।
কাজে মন বসছে না।
পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো কমে যাচ্ছে।
ফোন কাছে না থাকলে অস্থির লাগছে।
তবুও মনে হচ্ছে,
"আমি তো শুধু একটু ফোনই ব্যবহার করছি!"
অতিরিক্ত smartphone/internet use অনেক সময় ঘুম, মনোযোগ, কাজ, পড়াশোনা ও সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশেষ করে যদি—
🔹 ফোন ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে বারবার ব্যর্থ হন
🔹 প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি সময় ফোনে কাটে
🔹 ফোন না থাকলে অস্থিরতা বা বিরক্তি হয়
🔹 ঘুম ও দৈনন্দিন কাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়
🔹 পরিবার বা কাছের মানুষের সঙ্গে সময় কমে যায়
🔹 সমস্যা বুঝেও ব্যবহার কমাতে না পারেন
তাহলে বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার।

প্রযুক্তি আমাদের জীবনের প্রয়োজনীয় অংশ। সমস্যা প্রযুক্তি ব্যবহারে নয়—সমস্যা তখনই, যখন ব্যবহার আমাদের জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করে।

নিজে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করেও যদি না পারেন এবং এটি আপনার দৈনন্দিন জীবন বা মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলতে থাকে, তাহলে একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

ফোনটা আপনার হাতে থাকবে, নাকি ধীরে ধীরে ফোনটাই আপনার সময় ও জীবন নিয়ন্ত্রণ করবে—সিদ্ধান্তটা এখন থেকেই নেওয়া দরকার।

— ডা. তাইয়েব ইবনে জাহাঙ্গীর
📞 অ্যাপয়েন্টমেন্ট: ০১৭৫৩৮৬৮৬১৬

#স্মার্টফোন_আসক্তি #স্ক্রিন_টাইম #মানসিক_স্বাস্থ্য #ঘুমের_সমস্যা #মনোরোগ_বিশেষজ্ঞ #ডা_তাইয়েব_ইবনে_জাহাঙ্গীর

"ও তো আমার আপনজন... তাই ওর জন্য শক্ত থাকতে হবে।"এই কথাটা হয়তো একজন caregiver প্রতিদিন নিজেকে বলেন।বাবা দীর্ঘদিন অসুস্থ।স...
10/08/2026

"ও তো আমার আপনজন... তাই ওর জন্য শক্ত থাকতে হবে।"
এই কথাটা হয়তো একজন caregiver প্রতিদিন নিজেকে বলেন।
বাবা দীর্ঘদিন অসুস্থ।
স্ত্রী কোনো মানসিক সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন।
সন্তানের বিশেষ যত্ন প্রয়োজন।
অথবা পরিবারের কেউ দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক বা মানসিক কোনো রোগে ভুগছেন।
প্রতিদিন ওষুধের খোঁজ রাখা...
ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট...
খাওয়ানো...
ঘুমের সময় পাশে থাকা...
হঠাৎ সমস্যা হলে সামলানো...
সবকিছুর মাঝেও নিজের কাজ, সংসার, সন্তান—সব সামলাতে হয়।

শুরুতে হয়তো মনে হয়,
"আমি পারব। এটা তো আমার দায়িত্ব।"
কিন্তু দিনের পর দিন এভাবে চলতে চলতে একসময় নিজের মধ্যেই পরিবর্তন আসতে শুরু করে।
ছোট কথাতেই রেগে যাচ্ছেন।
সবসময় ক্লান্ত লাগছে।
ঠিকমতো ঘুম হচ্ছে না।
কারও সঙ্গে কথা বলতে ইচ্ছা করছে না।
মাঝে মাঝে মনে হচ্ছে,
"আমি আর পারছি না..."
তারপর আবার নিজের ওপরই অপরাধবোধ—
"আমি তো ওর আপনজন, তাহলে বিরক্ত লাগছে কেন?"
এই অনুভূতিগুলো আপনাকে খারাপ মানুষ বা খারাপ caregiver বানায় না।

দীর্ঘদিন একজন অসুস্থ মানুষের যত্ন নিতে গিয়ে যে মানসিক চাপ তৈরি হয়, তাকে বলা হয় Caregiver Stress।
এটি যেকোনো দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক বা মানসিক রোগের ক্ষেত্রে দেখা দিতে পারে।

দীর্ঘদিনের caregiver stress-এর কারণে হতে পারে—
🔹 অতিরিক্ত ক্লান্তি ও মানসিক অবসাদ
🔹 ঘুমের সমস্যা
🔹 অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা
🔹 মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়া
🔹 নিজের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলা
🔹 অসহায়ত্ব বা অপরাধবোধ
🔹 বিষণ্নতা বা Anxiety-এর মতো সমস্যা

তাই রোগীর যত্ন নেওয়ার পাশাপাশি নিজের মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়াও জরুরি।
পরিবারের অন্য সদস্যদের সাহায্য নিন।
সম্ভব হলে নিজের জন্য কিছুটা সময় রাখুন।

আর যদি দীর্ঘদিন ধরে মানসিক চাপ, ঘুমের সমস্যা, অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা বা মন খারাপ আপনার স্বাভাবিক জীবনকে ব্যাহত করে, তাহলে একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

মনে রাখবেন—যে মানুষটি অন্যের যত্ন নিচ্ছেন, তারও যত্ন প্রয়োজন। কারণ নিজের যত্ন নেওয়া স্বার্থপরতা নয়; এটি দীর্ঘদিন ভালোভাবে পাশে থাকারই একটি অংশ।

— ডা. তাইয়েব ইবনে জাহাঙ্গীর
📞 অ্যাপয়েন্টমেন্ট: ০১৭৫৩৮৬৮৬১৬

#মানসিক_স্বাস্থ্য #কেয়ারগিভার_স্ট্রেস #মানসিক_চাপ #মনোরোগ_বিশেষজ্ঞ #ডা_তাইয়েব_ইবনে_জাহাঙ্গীর

"ছেলেটা খুব বুদ্ধিমান... কিন্তু পড়তে বসলে ১০ মিনিটও এক জায়গায় থাকতে পারে না!"বই খুলে বসে।দুই মিনিট পর কলম নিয়ে খেলছে।তার...
10/08/2026

"ছেলেটা খুব বুদ্ধিমান... কিন্তু পড়তে বসলে ১০ মিনিটও এক জায়গায় থাকতে পারে না!"
বই খুলে বসে।
দুই মিনিট পর কলম নিয়ে খেলছে।
তারপর জানালার বাইরে তাকাচ্ছে।
মা বলছেন,
"মন দিয়ে পড়ো!"
সে আবার বইয়ের দিকে তাকায়।
কিছুক্ষণ পর হঠাৎ উঠে অন্য ঘরে চলে যায়।
কাজটা শেষ করতে যতটা সময় লাগার কথা, তার তিনগুণ সময় লাগে।

কিন্তু মজার বিষয় হলো—
যে বিষয়টা তার খুব পছন্দ, সেটাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ডুবে থাকতে পারে।
তাই পরিবার ভাবে,
"ইচ্ছা করলেই তো মনোযোগ দিতে পারে। তাহলে পড়াশোনার সময় পারে না কেন?"

সবসময় এটি অলসতা বা ইচ্ছার অভাব নয়।
কিছু মানুষের ক্ষেত্রে এর পেছনে থাকতে পারে ADHD (Attention-Deficit/Hyperactivity Disorder)।
ADHD শুধু "দুষ্টুমি করা" বা "মনোযোগ কম থাকা" নয়।

এর সঙ্গে থাকতে পারে—
🔹 মনোযোগ ধরে রাখতে অসুবিধা
🔹 কাজ শুরু করে শেষ করতে সমস্যা
🔹 গুরুত্বপূর্ণ জিনিস বারবার ভুলে যাওয়া
🔹 সময় ও কাজের পরিকল্পনা করতে সমস্যা
🔹 অতিরিক্ত অস্থিরতা বা impulsivity
🔹 এক কাজ করতে গিয়ে বারবার অন্য কাজে চলে যাওয়া

শিশুদের পাশাপাশি বয়স্কদেরও ADHD থাকতে পারে।
তাই কাউকে শুধু "অমনোযোগী", "অগোছালো" বা "অলস" বলে বিচার করার আগে সমস্যাটার কারণ বোঝা জরুরি।

যদি এসব সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে থাকে এবং পড়াশোনা, কাজ, সম্পর্ক বা দৈনন্দিন জীবনে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে, তাহলে একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

সব অমনোযোগিতা অলসতা নয়। কখনও কখনও এর পেছনে এমন একটি সমস্যা থাকতে পারে, যার চিকিৎসা সম্ভব।

— ডা. তাইয়েব ইবনে জাহাঙ্গীর
📞 অ্যাপয়েন্টমেন্ট: ০১৭৫৩৮৬৮৬১৬

#মানসিক_স্বাস্থ্য #এডিএইচডি #শিশুর_মানসিক_স্বাস্থ্য #মনোরোগ_বিশেষজ্ঞ #ডা_তাইয়েব_ইবনে_জাহাঙ্গীর

"ওজনটা একটু কমলেই হয়তো আমি সুন্দর হয়ে যাব..."প্রথমে শুধু খাবার একটু কমিয়ে দিয়েছিল।বন্ধুরা বলল,"ভালোই তো, ওজন কমছে!"এ...
09/08/2026

"ওজনটা একটু কমলেই হয়তো আমি সুন্দর হয়ে যাব..."
প্রথমে শুধু খাবার একটু কমিয়ে দিয়েছিল।
বন্ধুরা বলল,
"ভালোই তো, ওজন কমছে!"
এই কথাটাই যেন তাকে আরও উৎসাহ দিল।
ধীরে ধীরে খাবারের পরিমাণ আরও কমতে থাকল।
ভাত খেতে ভয়।
মিষ্টি মানেই অপরাধবোধ।
আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে মনে হয়—
"আমি এখনও অনেক মোটা।"
অথচ পরিবারের সবাই দেখছে, সে দিন দিন শুকিয়ে যাচ্ছে।
মা জোর করে খেতে দিলে কান্না করে।
খাবার নিয়ে সারাক্ষণ হিসাব।
কী খেলাম, কত ক্যালরি, কত ওজন...
একসময় খাবার আর খাবার থাকে না—
এটি হয়ে ওঠে ভয়ের বিষয়।
এ ধরনের আচরণ Eating Disorder-এর লক্ষণ হতে পারে।

Eating Disorder শুধু "কম খাওয়া" বা "বেশি খাওয়া" নয়। খাবার, শরীরের ওজন ও নিজের শরীরের আকৃতি নিয়ে অস্বাভাবিক চিন্তা ও আচরণ এর সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।

এর ফলে শারীরিক ও মানসিক—দুই ধরনের জটিলতাই তৈরি হতে পারে।
🔹 অতিরিক্ত ওজন কমে যাওয়া
🔹 দুর্বলতা ও ক্লান্তি
🔹 খাবার নিয়ে অতিরিক্ত ভয় বা অপরাধবোধ
🔹 নিজের শরীর সম্পর্কে বিকৃত ধারণা
🔹 অতিরিক্ত খাওয়া এবং পরে বমি অথবা ব্যায়াম করে তা পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা

"সে শুধু একটু ডায়েট করছে"—বলে বিষয়টি এড়িয়ে যাবেন না।
যদি খাবার ও শরীরের ওজন নিয়ে চিন্তা তার স্বাভাবিক জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করে, তাহলে একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ (Psychiatrist)-এর পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

সুস্থ মানে শুধু রোগা হওয়া নয়—নিজের শরীরের সঙ্গে একটি সুস্থ সম্পর্ক গড়ে তোলাও জরুরি।”

— ডা. তাইয়েব ইবনে জাহাঙ্গীর
📞 অ্যাপয়েন্টমেন্ট: ০১৭৫৩৮৬৮৬১৬

#মানসিক_স্বাস্থ্য #খাদ্যাভ্যাস #ইটিং_ডিসঅর্ডার #শরীর_নিয়ে_দুশ্চিন্তা #মনোরোগ_বিশেষজ্ঞ #ডা_তাইয়েব_ইবনে_জাহাঙ্গীর

ঘড়িতে রাত ৩টা বাজে... কিন্তু ঘুম যেন কিছুতেই আসছে না।সকাল ৮টায় অফিস।তবুও চোখে ঘুম নেই।বিছানায় শুয়ে বারবার ঘড়ি দেখছে...
09/08/2026

ঘড়িতে রাত ৩টা বাজে... কিন্তু ঘুম যেন কিছুতেই আসছে না।

সকাল ৮টায় অফিস।
তবুও চোখে ঘুম নেই।
বিছানায় শুয়ে বারবার ঘড়ি দেখছেন।
"আর মাত্র ৫ ঘণ্টা পর উঠতে হবে..."
এই চিন্তাটাই যেন ঘুম আরও দূরে ঠেলে দিচ্ছে।
চোখ বন্ধ করলেন।
কাজের কথা মনে পড়ল।
তারপর আগামীকালের চিন্তা।
তারপর পুরোনো একটা ঘটনা।

একসময় মনে হলো—
"আজও বুঝি ঘুম হবে না।"
পরদিন সকালে শরীর ভারী।
মাথা ঝিমঝিম করছে।
কাজে মন বসছে না।
সারাদিন ক্লান্ত লাগছে।
রাতে আবার একই গল্প।

অনেকে বলেন—
"আমার ঘুমের সমস্যা আছে, কিন্তু এটা তো বড় কোনো রোগ নয়।"

কিন্তু দীর্ঘদিনের ঘুমের সমস্যা আপনার—
🔹 মনোযোগ
🔹 স্মৃতিশক্তি
🔹 মেজাজ
🔹 কর্মক্ষমতা
🔹 মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর
প্রভাব ফেলতে পারে।

কখনও কখনও এর পেছনে থাকতে পারে Stress, Anxiety, Depression বা অন্য কোনো মানসিক/শারীরিক সমস্যা।

যদি দীর্ঘদিন ধরে ঘুমাতে সমস্যা হয়, বারবার ঘুম ভেঙে যায় বা পর্যাপ্ত সময় ঘুমানোর পরও সারাদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগে, তাহলে বিষয়টিকে অবহেলা করবেন না।
প্রয়োজনে একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন এবং ঘুমের সমস্যার মূল কারণ খুঁজে বের করুন।

ঘুম শুধু বিশ্রাম নয়—সুস্থ শরীর ও সুস্থ মনের জন্য এটি অপরিহার্য।

— ডা. তাইয়েব ইবনে জাহাঙ্গীর
📞 অ্যাপয়েন্টমেন্ট: ০১৭৫৩৮৬৮৬১৬

#ঘুমের_সমস্যা #অনিদ্রা #মানসিক_স্বাস্থ্য #মনোরোগ_বিশেষজ্ঞ #ডা_তাইয়েব_ইবনে_জাহাঙ্গীর

সেদিন হঠাৎ বুকের ভেতর একটু ব্যথা হলো।প্রথমে গুরুত্ব দেননি।কিন্তু রাতে মনে হলো—"এটা কি হার্টের সমস্যা?"গুগলে সার্চ করলেন।...
08/08/2026

সেদিন হঠাৎ বুকের ভেতর একটু ব্যথা হলো।
প্রথমে গুরুত্ব দেননি।
কিন্তু রাতে মনে হলো—
"এটা কি হার্টের সমস্যা?"
গুগলে সার্চ করলেন।
একটা লক্ষণ মিলল।
তারপর আরেকটা।
কিছুক্ষণ পর মনে হলো—
"আমার তো ভয়ংকর কোনো রোগ হয়েছে!"
পরদিন ডাক্তার দেখালেন।
পরীক্ষা হলো।
সব রিপোর্ট স্বাভাবিক।
কিছুদিন শান্তি পেলেন।

তারপর মাথা ঘুরল।
আবার নতুন করে চিন্তা শুরু—
"এবার কি ব্রেনের কোনো সমস্যা?"
এভাবেই দিনের পর দিন নিজের শরীরের ছোট ছোট পরিবর্তন নিয়ে উদ্বেগ।
বারবার শরীর পরীক্ষা করা।
ইন্টারনেটে রোগের লক্ষণ খোঁজা।
বারবার আশ্বস্ত হতে চাওয়া।
এমনকি স্বাভাবিক রিপোর্ট পাওয়ার পরও মনে শান্তি না পাওয়া।
এটি শুধু স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা নয়।
অনেক সময় এটি Health Anxiety এর অংশ হতে পারে।

এই সমস্যায় মানুষ নিজের স্বাস্থ্য নিয়ে অতিরিক্ত ভয় ও দুশ্চিন্তায় ভুগতে পারেন, এমনকি চিকিৎসা পরীক্ষায় গুরুতর কোনো সমস্যা না পাওয়া
গেলেও।

এর ফলে—
🔹 বারবার ডাক্তার বা পরীক্ষা করার প্রবণতা তৈরি হতে পারে
🔹 ইন্টারনেটে রোগের লক্ষণ খোঁজা বাড়তে পারে
🔹 স্বাভাবিক শারীরিক অনুভূতিকেও ভয়ংকর মনে হতে পারে
🔹 দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপ আরও বেড়ে যেতে পারে

তবে মনে রাখবেন—কোনো শারীরিক উপসর্গকে শুধু "মানসিক সমস্যা" ধরে নেওয়া ঠিক নয়। প্রথমে প্রয়োজনীয় শারীরিক কারণগুলো চিকিৎসকের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা জরুরি।

যদি বারবার পরীক্ষা স্বাভাবিক আসার পরও স্বাস্থ্য নিয়ে অতিরিক্ত ভয় আপনার জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করে, তাহলে একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

শরীরের যত্ন নেওয়া জরুরি। কিন্তু প্রতিটি অনুভূতিকে ভয় পাওয়া নয়—প্রয়োজনে সেই ভয়েরও চিকিৎসা দরকার।

— ডা. তাইয়েব ইবনে জাহাঙ্গীর
📞 অ্যাপয়েন্টমেন্ট: ০১৭৫৩৮৬৮৬১৬

#মানসিক_স্বাস্থ্য #স্বাস্থ্য_উদ্বেগ #অতিরিক্ত_দুশ্চিন্তা #মনোরোগ_বিশেষজ্ঞ #ডা_তাইয়েব_ইবনে_জাহাঙ্গীর

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 18:00 - 21:00
Tuesday 18:00 - 21:00
Wednesday 18:00 - 21:00
Thursday 18:00 - 21:00
Saturday 18:00 - 21:00
Sunday 18:00 - 21:00

Telephone

+8801722868616

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Taiyeb Ibna Zahangir posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Taiyeb Ibna Zahangir:

Shortcuts

Share

Category