28/12/2025
ভেরিকোসিলের রোগীদের সমস্যাগুলো তিনটা স্টেজে তিন ধরনের হয়, প্রতিটা স্টেজে শারীরিক এবং মানসিক দিক থেকে লক্ষনগুলো আলাদা আলাদা হয়ে থাকে, যদি রোগীদের প্রতিটা স্টেজে একই সাথে শারীরিক এবং মানসিক সমস্যাগুলো বিবেচনা না করে গভীর কার্যকরী ঔষধ না দেওয়া হয়, তাহলে রোগীদের বছরের পর বছর এলোপ্যাথিক ঔষধ খেয়ে যেতে হয়। এলোপ্যাথিক ঔষধ খেলে সাময়িক সময় ভালো থাকে, খাওয়া ছেড়ে দিলে সমস্যাগুলো আবারো ফিরে আসে।
একজন রোগী দীর্ঘদিন এলোপ্যাথিক চিকিৎসা নেওয়ার পর একসময় নিজেই এটা উপলব্ধী করতে পারে, ভেরিকোসিলের তিনটা স্টেজের মধ্যে সে যতোই জটিল দিকে যাচ্ছে ততোই মানসিক দিক থেকে সবকিছু আরো জটিল হয়ে যাচ্ছে। তাই মানসিক এবং শারীরিকভাবে দুইটা লক্ষনকে গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসা দিলে তবেই প্রকৃত সমাধান সম্ভব।
গ্রেড ১, এই গ্রেডে, রোগী যখন শ্বাস আটকে চাপ দেন তখন ভেরিকোসিল অনুভব করা যায়। তখন মানসিক ভাবে রোগীর আত্মবিশ্বাস কমতে থাকে।
গ্রেড ২, এই অবস্থায় রোগী দাঁড়ালেই ভেরিকোসিল অনুভব করতে পারেন। তখন আত্মবিশ্বাস কমে যাওয়ার পাশাপাশি রোগীর ভেতরে ভয় কাজ করা শুরু হয়।
গ্রেড ৩, এটি সবচেয়ে পরিচিত এবং গুরুতর গ্রেডগুলোর একটি। এই গ্রেডে ভেরিকোসিল চামড়ার ভেতর দিয়ে সরাসরি চোখে দেখা যায়, কোনো চাপ বা স্পর্শের প্রয়োজন হয় না। তখন ব্যাথা বেড়ে যাওয়া, যৌ-ন শক্তি কমে যাওয়া, এবং অন্ড-কোষের আকার ছোট হয়ে যাওয়া সহ বন্ধ্যাত্বের ঝুঁকি বাড়তে থাকে। তখন রোগীরা মানসিকভাবে অজানা উদ্বেগ আশঙ্কায় ভুগে, অল্পতেই নার্ভাস, সকল কাজে তাড়াহুড়োসহ মানসিকভাবে একদম ভেঙ্গে পড়ে, অনেকের মনে সন্দেহ বাড়তে থাকে।
আমি একজন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার হিসেবে এটা আপনাকে নিশ্চিত করে বলতে পারি, এই সমস্যায় ভুগতে থাকা রোগীদের সঠিক চিকিৎসা করাতে হলে রোগীর শুধুমাত্র শারীরিক লক্ষণগুলো বুঝলেই হবে না, ভেরিকোসিলের রোগী বর্তমানে রোগের কোন স্টেজে আছে, এবং সেই স্টেজে থাকা মানসিক বর্তমান লক্ষণগুলো অবশ্যই মূল্যায়ন করতে হবে। এভাবে সকল লক্ষনকে মূল্যায়ন করে তবেই হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা দিয়ে ইনশাআল্লাহ কয়েক হাজার মানুষের স্থায়ী সমাধান দেওয়া সম্ভব হয়েছে।
যে কোন পরামর্শ কিংবা চিকিৎসা নেওয়ার জন্য মেসেজ কিংবা ফোন দিতে পারেন।
ডাঃ মতিউর মিয়াজী
ফোন - 01853226950
ডিএইচএমএস ( কুমিল্লা )
টি আই আর এস ( ইন্ডিয়া )
BOHF - সদস্য
গভঃ রেজিঃ নংঃ- 33736