Diet Counseling

Diet Counseling সার্টিফাইড নিউট্রিশনিস্ট দ্বারা পরিচালিত একটি পেইজ।
যেকোন ধরনের কাস্টমাইজ ডায়েট চার্ট এর জন্য ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।

16/07/2026

সবার শরীর স্বাস্থ্য যেমন আলাদা, ঠিক তেমনিভাবে সবার pcos ও কিন্তু আলাদা।

📌 কারো বডি তে ইনফ্লামেশন বেশি
📌 কারো বডি তে অ্যান্ড্রোজেন বা male hormone বেশি
📌 আবার কারো হয়তো ইনসুলিন রেজিস্টেন্স আছে

২ জন ব্যক্তির একই ওজন, একই বয়স এবং শারীরিক সমস্যাগুলো প্রায় এক রকম হলেও শরীরের ভেতরের সমস্যাগুলো সম্পূর্ণ ভিন্ন হতে পারে।
শরীর আলাদা, pcos এর ধরণ আলাদা, তাই একজন থেকে অন্যজনের ডায়েট ও হবে সম্পূর্ণ আলাদা।

একজনের শরীরে যেই ডায়েট উপকার করছে অন্যজনের শরীরে সেই ডায়েট কোন কাজে নাও আসতে পারে। তাই শরীরের কন্ডিশন বুঝে পুষ্টিবিদের কাছ থেকে যথাযথ ডায়েট চার্ট গ্রহণ করে সেই অনুযায়ী ডায়েট ফলো করা উচিৎ।

যেকোন প্রকারের কাস্টমাইজ ডায়েট চার্ট এর জন্য ইনবক্সে যোগাযোগ করুন৷ ধন্যবাদ।

13/07/2026

আমরা অনেকেই প্রতিদিন নতুন নতুন ডায়েট চার্ট খুঁজে থাকি, ইউটিউবে ওজন কমানোর ভিডিও দেখি, ফিটনেস টিপস সেভ করে রাখি। কিন্তু বাস্তবে যখন সেগুলো মেনে চলার সময় আসে.. দেখা যায় নিয়ম মেনে চলছেন ২ থেকে ৩ দিন।

​একটু কষ্ট হলেই ডায়েট অফ করে দিচ্ছেন। কিছুদিন পর গুগলে গিয়ে সার্চ করছেন কীভাবে ৭ দিনে ৫ কেজি ওজন কমানো যায়?

মনে রাখতে হবে ওজন কমানোর কোনো শর্টকাট নেই। এটা কোন ম্যাজিক না।
ওজন যেমন ৭ দিনে বাড়েনি, ঠিক তেমনি ৭ দিনে কমে যাবে না। ডায়েট করতে হলে অবশ্যই ধৈর্য থাকতে হবে।

​ফিট হওয়ার জন্য অলৌকিক কোনো গোপন সূত্র নেই। আছে অত্যন্ত সহজ এবং সাধারণ কিছু নিয়ম।

-- প্লেটে পরিমিত ও পুষ্টিকর রাখা
-- প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমান প্রোটিন ও ফাইবার যুক্ত খাবার গ্রহণ করা।
-- সারাদিনে ৩০/৪০ মিনিট হাঁটা
-- পর্যাপ্ত পানি পান করা
-- রাতে ৭-৮ ঘণ্টার ভালো ঘুম নিশ্চিত করা

সর্বপরি প্রতিদিন এই নিয়মগুলোর মধ্যে ধারাবাহিকতা রাখা।

স্বাস্থ্যকরভাবে ওজন কমানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়---- - প্রতিদিন প্রোটিন গ্রহণ।- পর্যাপ্ত শাকসবজি।- ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার ...
08/07/2026

স্বাস্থ্যকরভাবে ওজন কমানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়----

- প্রতিদিন প্রোটিন গ্রহণ।
- পর্যাপ্ত শাকসবজি।
- ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার বেশি খান।
- চিনি ও প্রক্রিয়াজাত খাবার বাদ দিতে হবে।
- প্রতিদিন ৩০/৪০ মিনিট হাঁটুন।
- প্রতিদিন ৭/৮ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন।
- যত জলদি সম্ভব রাতের খাবার খেয়ে নিন।
- প্রতিদিন একই সময়ে খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
- ওজনের পাশাপাশি কোমরের মাপ, পেটের মাপ, শরীরের অন্যান্য পরিবর্তনগুলো লক্ষ্য করুন।

08/07/2026

অনেকেই প্রশ্ন করে দ্রুত ওজন কমানোর জন্য কোন ডায়েট সবচেয়ে ভালো....??

ওজন কমানো কোন ম্যাজিক না। স্বাস্থ্যকরভাবে ওজন কমানোর কোনো শর্টকাট নেই।

১০ দিনে ৫ কেজি, ১ মাসে ১০ কেজি কমানো চাইলেই সম্ভব। কিন্তু এর ফলে হিতে বিপরীত হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন।

একটি ভালো ডায়েটে যা রাখা উচিত---

১) পর্যাপ্ত প্রোটিন (চিকেন, মাছ, ডিম, ডাল)
২) পরিমিত কার্বোহাইড্রেট (লাল চাল/কালো চাল, ওটস, মিষ্টি আলু)
৩) স্বাস্থ্যকর ফ্যাট (বাদাম, বীজ, অলিভ অয়েল)
৪) প্রচুর শাকসবজি
৫) পরিমিত ফল
৬) পর্যাপ্ত পানি

ডায়েট এর ক্ষেত্রে কিছু জিনিস মাথায় রাখতে হবে --

- সব ধরনের পুষ্টি সঠিক অনুপাতে আছে।

- পর্যাপ্ত প্রোটিন। প্রোটিন দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে এবং ফ্যাট কমানোর সময় মাসল ধরে রাখতে সাহায্য করে।

- প্রয়োজনের তুলনায় কিছুটা কম ক্যালোরি গ্রহণ করে ধীরে ধীরে ওজন কমানো।

- কার্বোহাইড্রেট কিছুটা কমিয়ে প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট বাড়ানো।

মনে রাখবেন সব ডায়েট সবার জন্য না।
একটা ডায়েট একজনের জন্য কাজ করেছে তাই আপনিও একই ফলাফল পাবেন সেটা আশা করা ভুল।
তাই স্রোতের সাথে গা ভাসিয়ে কোন ডায়েট শুরু করা একদম ভুল।

যেকোনো ধরনের কাস্টমাইজ ডায়েট চার্ট এর জন্য ইনবক্সে যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

অনেকেই চায় শুধু পেট বা ভূড়ি কমাতে। ফ্যাট লস হয় ফুল বডি থেকে। স্পেসিফিক কোন জায়গাকে টার্গেট করা ডায়েট এর মাধ্যমে সম্ভব না...
07/07/2026

অনেকেই চায় শুধু পেট বা ভূড়ি কমাতে। ফ্যাট লস হয় ফুল বডি থেকে। স্পেসিফিক কোন জায়গাকে টার্গেট করা ডায়েট এর মাধ্যমে সম্ভব না।

শুরুতেই আমাদের বুঝতে হবে subcutaneous fat & visceral fat এর মধ্যে পার্থক্য। দুটো জিনিস এক না।

বাইরে থেকে স্বাভাবিক দেখালেও অনেক সময় শরীরের ভেতরে Visceral Fat জমতে পারে, যা নীরবে বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াতে পারে।

তাই শুধু ওজন কমানো নয়, লক্ষ্য হওয়া উচিত সুস্থ শরীর এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন।

✨ শুরুতেই জেনে নেই visceral fat বেশি হলে কি কি হতে পারে.....
- হার্টের বিভিন্ন রোগ হবার ঝুঁকি
- ডায়াবেটিস এর সম্ভাবনা বাড়ে
- হাই ব্লাড প্রেসার
- ফ্যাটি লিভার হতে পারে

✨ visceral fat কমানোর জন্য যা করা উচিৎ....
- প্রতিদিন ৩০/৪০ মিনিট হাঁটাহাটি বা ওয়ার্ক আউট করুন।
- প্রোটিন বেশি খেতে হবে। (উদ্ভিজ্জ বা প্রাণীজ)
- ভাজাপোড়া এবং প্রোসেসড ফুড বাদ দিতে হবে।
- চিনি, মিষ্টি, ময়দা জাতীয় খাবার পরিহার করতে হবে।
- পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে।
- ৭/৮ ঘন্টা ঘুমাতে হবে।
- স্ট্রেস কন্ট্রোল করতে হবে।

সঠিক পুষ্টি, নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত পানি পান, পর্যাপ্ত ঘুম.... এরকম স্বাস্থ্যকর অভ্যাসই দীর্ঘমেয়াদে বড় পার্থক্য গড়ে তুলতে পারে।

আপনার যদি healthy lifestyle journey শুরু করার ইচ্ছা থাকে, তাহলে perfect moment এর অপেক্ষা করবেন না। অপেক্ষা করলে সেই per...
07/07/2026

আপনার যদি healthy lifestyle journey শুরু করার ইচ্ছা থাকে, তাহলে perfect moment এর অপেক্ষা করবেন না। অপেক্ষা করলে সেই perfect moment আসতে অনেক সময় নিয়ে ফেলবে। জাস্ট শুরু করে ফেলেন।

ছোট ছোট পরিবর্তন দিয়ে শুরু করুন। এবং সেটা ঘুম থেকে উঠার পরপরই।

- একটু বেশি করে পানি পান করুন। সকালে ঘুম থেকে উঠে একগ্লাস পানি খেয়ে নিন। আপনার বডি, অর্গান এতে কর্মক্ষম হবার সিগনাল পায়।
সারাদিন কমপক্ষে ৩ লিটার পানি পান করার চেষ্টা করুন।

- সকালে খালিপেটে একগ্লাস কুসুম গরম পানিতে লেবুর রস, বা চিয়াসিড অথবা জিরাপানি পান করবেন৷

- শুরুতে ২০/৩০ মিনিট হাঁটার বা exercise এর চেষ্টা করুন। হাঁটলে ওজন কমে, আর exercise বডিকে একটা সুন্দর shape দেয়৷ তাই দুটোই খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

- নাস্তা কখনোই বাদ দিবেন না। প্রোটিনযুক্ত নাস্তা করতে হবে।

- কাজের ফাঁকে ক্ষুধা লাগলে সামান্য কিছু বাদাম বা সিড বা ফল খেয়ে নিতে পারেন৷

- ভাজাপোড়া সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলুন৷

- ক্যালরির দিকে নজর দিন।

সবচেয়ে important, consistency maintain করুন।
ওজন একদিনে বাড়েনি, তাই একদিনে কমবেও না।
ছোট ছোট অভ্যাসগুলো দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তন আনা সম্ভব।



Healthy lifestyle এর জন্য কিছু ছোট ছোট জিনিস এর ক্ষেত্রে নজর রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ৷ তারমধ্যে প্রথমেই হলো তেল। যা আমরা অ...
07/07/2026

Healthy lifestyle এর জন্য কিছু ছোট ছোট জিনিস এর ক্ষেত্রে নজর রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ৷ তারমধ্যে প্রথমেই হলো তেল। যা আমরা অনেক সময় খেয়াল করি না। অনেকেই বলে আপু আমি ডায়েট করছি, প্রোটিন ইনটেক করছি, কার্ব কম নিচ্ছি কিন্তু ওজন কমছে না৷
তার কারণ হলো হিডেন ক্যালরি।
১ গ্রাম ভাত থেকে আমরা পাই ৪ ক্যালরি। ঠিক সেখানে ১ গ্রাম তেল থেকে পাই ৯ ক্যালরি।
অনেকে আবার মনে করে তেল কম দিলে খাবার সুস্বাদু হয় না। তেল এর সাথে খাবার সুস্বাদু হবার কোন সম্পর্ক নেই।
খাবারে টেস্ট আসে মূলত মসলা এবং রান্নার ধরনের কারণে।
ডায়েট এ থাকা কালীন খাবার হোক বা হেলনী লাইফস্টাইলের জন্য হোক তেল যতটা সম্ভব কম ব্যবহার করা উত্তম।
একটা সময় গিয়ে এই তেল আমাদের শরীরে নানা রকম রোগ তৈরি করে।
তেল বলতে শুধু রান্নার তেল না। কেক, পেস্ট্রি, রেডমিট, প্রসেসড ফুড সবটাইপ খাবার বোঝানো হয়ে থাকে।
সুস্থ থাকার জন্য বা সঠিক ওজনে থাকার জন্য এই জিনিসগুলো অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে।

06/07/2026

আমাদের যেকোন সমস্যা, হোক সেটা পিসিওডি,পিসিওএস, থাইরয়েড, ডায়াবেটিস, হার্টের সমস্যা, কোমর ব্যাথা, হাঁটু ব্যথা, পায়ের তালু ব্যথা.....
সবার আগে চিন্তা করুন ওজনটা সঠিক আছে কিনা। BMI কত থাকা উচিৎ এবং কত আছে।

যেকোন সমস্যার মূলে থাকে এই অতিরিক্ত ওজন।
ওজনটা যেমন একদিনে বাড়েনি, ঠিক সেইভাবে একদিনে কমে যাবে না।
এটি একটি সময় সাপেক্ষ ব্যাপার।
ধৈর্য থাকতে হবে। ধৈর্য ধরে ডায়েট করতে হবে।
সঠিক ওজনে অবশ্যই আসতে পারবেন। শারীরিক সমস্যাগুলোও কমে যাবে।
ডায়েট একদিনের জিনিস না, এটা একটা লাইফস্টাইল।

তাই এখনই অতিরিক্ত ওজন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করুন।
সুস্থ থাকুন।

যেকোন প্রকার এর ডায়েট চার্ট এর জন্য ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।

06/07/2026

বর্তমান সময়ে pcos, pcod, pmos খুবই কমন একটি সমস্যা।
চিকিৎসার পাশাপাশি সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে লাইফস্টাইল এবং ডায়েট-এর পরিবর্তন।
শুধু ওষুধ দিয়ে অনেক ক্ষেত্রেই pcos ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন।

Pcos এর ক্ষেত্রে কিছু জিনিস অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে। লাইফস্টাইল পরিবর্তন এবং ফিজিক্যাল এক্টিভিটি।

ডায়েট থেকে অ্যাডেড সুগার কমিয়ে দিন।
চিনি, মিষ্টি জাতীয় খাবার তো বাদ দিতেই হবে, পাশাপাশি হিডেন সুগার যেমন প্যাকেটজাত খাবার, সফট ড্রিংকস, বেকারি ফুড এগুলো ও সম্পূর্ণ বাদ দিতে হবে। চেষ্টা করতে হবে প্যাকেট এর খাবার বাসায় না আনতে। বাসায় সবজি, বাদাম, সীড এসব রাখতে হবে বেশি করে।

নিয়মিত এক্সারসাইজ করতেন হবে৷ যদি জীমে যেয়ে ওয়ার্ক আউট এর সময় না থাকে তবে চেষ্টা করবেন নিয়মিত ৩০/৪০ মিনিট হাঁটাহাঁটি করার৷
নিজের কাজ নিজে করে বা বাসার কাজ নিজে করে এক্টিভ থাকতে।

আপনি যদি পিসিওএস/ পিএমওএস নিয়ে স্ট্রাগল করে থাকেন, লাইফ স্টাইল এবং ডায়েট এর জন্য জেনারেল গাইডলাইন দরকার থাকে তবে অবশ্যই ইনবক্সে যোগাযোগ করবেন।

05/07/2026

ওয়েট লস জার্নিতে মানুষ সবচাইতে বড় যে ভুলটা প্রথমেই করে তা হলো ক্যালরি ডেফিসিটে না থাকা।

ফ্যাট লসের প্রথম শর্ত হলো ক্যালরি ডেফিসিট। পৃথিবীর সব থেকে হেলদি খাবারও যদি অতিরিক্ত খেয়ে ফেলেন তাহলে সেটাও আপনার ওজন বাড়িয়ে দিবে।
কোন খাবারকে পুরপুরি বাদ না দিয়ে, পরিমিত খাওয়ার চেষ্টা করুন।

অনেকের ধারণা ডায়েট এ থাকাকালীন সময় ভাত সম্পূর্ণ বাদ দিতে হবে। ভাত বাদ দেয়ার কোন মানে নেই। বরং পরিমিত পরিমাণে ভাত খেয়ে সহজেই ওজন কমানো সম্ভব। সাদা চালের ভাত না খেয়ে কালো চাল এর ভাত খাওয়া শুরু করতে পারেন।

প্রতি বেলার খাবারে পর্যাপ্ত পরিমাণ প্রোটিন, ফাইবার রাখতে হবে।

আপনি যদি ফ্যাট লস ডায়েট প্ল্যান চান তাহলে আমাদেরকে ইনবক্স করুন।

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 10:00 - 23:00
Tuesday 10:00 - 23:00
Wednesday 10:00 - 23:00
Thursday 10:00 - 23:00
Friday 10:00 - 23:00
Saturday 10:00 - 23:00
Sunday 10:00 - 23:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Diet Counseling posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category