Night king

Call Directions Website Contact the practice

Night king Night king is medicine. যা মানুষের যৌন সমস্যার সমাধানে দীর্ঘস্থায়ী কাজ করে।

হাকীম মিজানুর রহমান (ডিইউএমএস)
ইবনে সীনা হেলথ কেয়ার
হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।
মুঠোফোন : 01762240650 (সকাল দশটা থেকে রাত ১০টা)

Night king syp, Night king Tablet, Night king special capsule, Night king Gold Tablet*এই ঔষধের কার্যকারিতা* : শুক্রাণু, ...
03/09/2026

Night king syp, Night king Tablet, Night king special capsule, Night king Gold Tablet

*এই ঔষধের কার্যকারিতা* : শুক্রাণু, বীর্য বা স্পার্ম সংখ্যা বাড়াবে। এজাস্পার্মিয়া রোগের কাজ করবে।
ইরেকটাইল ডিজফাংশন বা লিঙ্গ উত্থানজনিত সমস্যা সমাধান করবে, লিঙ্গ মোটা ও শক্ত হবে।
অসময়ে বীর্যপাত বা দ্রুত বীর্যপাত রোধ করবে। ধ্বজভঙ্গ রোগ ভালো হবে।
সহবাসের সময় পেনিস বড় ও মোটা হবে।
পেনিস নিস্তেজ হওয়া দূর করবে, যৌন মিলন করার ইচ্ছা জাগ্রত করবে। এটা সম্পূর্ণ স্থায়ী চিকিৎসা।
সহবাসের সময় পেনিস লম্বা ও মোটা হবে।
* যৌন সমস্যার স্থায়ী সমাধানের ঔষধ নাইট কিং। *এটা testastoren (টেস্টাস্টেরন হরমোন)-এর মাত্রা বাড়ায়। Semen (বীর্য সংখ্যা) বাড়ায়।
* এতে সন্তান ধারণের ক্ষমতা বাড়ে।যাদের সন্তান হয় না এটা তাদের জন্য খুবই কার্যকর।*
*এছাড়াও সহবাসে অক্ষমতা, দুর্বলতা দূর করে। ঢিলা রগ মেরামত করে।
* সহবাসে ব্যর্থতা বা পেনিসের উত্থানজনিত সমস্যা দূর করে। দ্রুত বীর্যপাত রোধ করে সহবাসের সময় ৪০ মিনিট পর্যন্ত বাড়ায়।
* এ ঔষধ সেবনে আপনার বীর্য ঘন হবে, শুক্রাণু বৃদ্ধি পাবে, যৌন দুর্বলতা দূর হবে।
* দীর্ঘক্ষণ সহবাস করতে পারবেন।
* বন্ধ্যাত্ব দূর করে।
*ঝুলে থাকা অণ্ডকোষ স্বাভাবিক হবে।
* এই ঔষধ দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত, স্থায়ীভাবে কার্যকর ও একশত ভাগ অরিজিনাল।* এটা সম্পূর্ণ ন্যাচারাল মেডিসিন। এতে কোনো প্রকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।

চিকিৎসা কেন্দ্রের ঠিকানা
📍 সততা প্লাজা,
🏢 ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার
📌 প্লট নং ২৬, গাউছিয়া মডেল টাউন
🛣️ রামপুর বাজার (বলাখাল থেকে উত্তর দিকে),
হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর
ইমো-হোয়াটস অ্যাপ নাম্বার : 01762240650
*চেম্বার ও যোগাযোগ*
হাকীম মো. মিজানুর রহমান
(ডিইউএমএস, বিএসএস)
চিকিৎসক সরকারি রেজি. নং : 3546/A
ড্রাগ লাইসেন্স নাম্বার : CHA-3435 A/B.

চিকিৎসা কেন্দ্রের ঠিকানা
📍 সততা প্লাজা,
🏢 ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার
📌 প্লট নং ২৬, গাউছিয়া মডেল টাউন
🛣️ রামপুর বাজার (বলাখাল থেকে উত্তর দিকে),
হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর
@ফলোয়ার

ধ্বজভঙ্গের কারণ ও প্রতিকার কি?ধ্বজভঙ্গ বা পুরুষত্বহীনতা মূলত যৌন অক্ষমতার একটি রূপ, যেখানে পুরুষ যৌন মিলনের সময় যথাযথ দৃ...
14/05/2026

ধ্বজভঙ্গের কারণ ও প্রতিকার কি?
ধ্বজভঙ্গ বা পুরুষত্বহীনতা মূলত যৌন অক্ষমতার একটি রূপ, যেখানে পুরুষ যৌন মিলনের সময় যথাযথ দৃঢ়তা বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়। এর কারণ হতে পারে শারীরিক অসুস্থতা, মানসিক চাপ, জীবনযাত্রার সমস্যা কিংবা হরমোনজনিত জটিলতা। প্রতিকার হিসেবে রয়েছে জীবনধারার পরিবর্তন, সঠিক খাদ্যাভ্যাস, মানসিক প্রশান্তি, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ বা থেরাপি।

বাংলা সাহিত্যে ধ্বজভঙ্গ শব্দটি বহুদিন ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় এটি মূলত পুরুষের যৌন অক্ষমতা বা Erectile Dysfunction বোঝায়। সমাজে এ বিষয়টি নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা হয় না, ফলে অনেকেই সমস্যায় ভুগলেও চিকিৎসা নিতে দ্বিধা করেন। অথচ এটি একটি সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা, যার প্রতিকার সম্ভব। এই ফিচারে আমরা ধ্বজভঙ্গের কারণ, লক্ষণ, সামাজিক প্রভাব এবং প্রতিকার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।

ধ্বজভঙ্গ বলতে বোঝায় পুরুষের যৌন মিলনের সময় লিঙ্গে পর্যাপ্ত দৃঢ়তা না আসা বা আসলেও তা বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়া। এটি সাময়িক বা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। সাময়িক ধ্বজভঙ্গ সাধারণত মানসিক চাপ বা শারীরিক ক্লান্তির কারণে হয়, আর দীর্ঘস্থায়ী ধ্বজভঙ্গের পেছনে থাকে জটিল শারীরিক বা মানসিক কারণ।

ধ্বজভঙ্গের কারণসমূহ

আরও পড়ুন
স্ত্রীকে কেন ভালো লাগে না, অন্য নারীকে কেন ভালো লাগে?
স্ত্রীকে কেন ভালো লাগে না, অন্য নারীকে কেন ভালো লাগে?
০৭ মে ২০২৬
ইউনানী-আয়ুর্বেদিক-হোমিও চিকিৎসা ব্যবস্থা আধুনিকায়নে ৬ দফা সুপারিশ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের
ইউনানী-আয়ুর্বেদিক-হোমিও চিকিৎসা ব্যবস্থা আধুনিকায়নে ৬ দফা সুপারিশ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের
০৭ মে ২০২৬
অ্যালার্জির চুলকানির কারণ ও প্রতিকার জেনে নিন
অ্যালার্জির চুলকানির কারণ ও প্রতিকার জেনে নিন
০৪ এপ্রিল ২০২৬
১. শারীরিক কারণ
– ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ
– হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, বিশেষত টেস্টোস্টেরনের ঘাটতি
– স্নায়ুর ক্ষতি বা নিউরোপ্যাথি
– স্থূলতা ও অতিরিক্ত কোলেস্টেরল
– দীর্ঘস্থায়ী কিডনি বা লিভারের রোগ

২. মানসিক কারণ
– অতিরিক্ত মানসিক চাপ
– উদ্বেগ ও বিষণ্নতা
– আত্মবিশ্বাসের অভাব
– দাম্পত্য জীবনে অশান্তি

৩. জীবনযাত্রাজনিত কারণ
– ধূমপান ও মাদকাসক্তি
– অতিরিক্ত মদ্যপান
– অনিয়মিত ঘুম
– শারীরিক পরিশ্রমের অভাব

৪. ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
– কিছু অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট ওষুধ
– উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের ওষুধ
– কেমোথেরাপি বা অন্যান্য জটিল চিকিৎসা

ধ্বজভঙ্গের লক্ষণ
– যৌন মিলনের সময় লিঙ্গে দৃঢ়তা না আসা
– দৃঢ়তা আসলেও তা বজায় রাখতে না পারা
– যৌন ইচ্ছা কমে যাওয়া
– আত্মবিশ্বাসের অভাব
– দাম্পত্য জীবনে অশান্তি

সামাজিক ও মানসিক প্রভাব
ধ্বজভঙ্গ শুধু শারীরিক সমস্যা নয়, এটি মানসিক ও সামাজিক জীবনে গভীর প্রভাব ফেলে। অনেক পুরুষ আত্মসম্মান হারান, দাম্পত্য জীবনে অশান্তি দেখা দেয়, এমনকি বিচ্ছেদের কারণও হতে পারে। সমাজে এ বিষয়ে খোলাখুলি আলোচনা না হওয়ায় রোগীরা একাকিত্বে ভোগেন।

প্রতিকার ও চিকিৎসা

১. **জীবনধারার পরিবর্তন**
– নিয়মিত ব্যায়াম
– সুষম খাদ্যাভ্যাস
– ধূমপান ও মদ্যপান পরিহার
– পর্যাপ্ত ঘুম

২. মানসিক প্রশান্তি
– মেডিটেশন ও যোগব্যায়াম
– কাউন্সেলিং
– দাম্পত্য জীবনে খোলামেলা আলোচনা

৩. চিকিৎসা
– চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ
– হরমোন থেরাপি
– ভ্যাকুয়াম ডিভাইস
– সার্জারি (জটিল ক্ষেত্রে)

৪. প্রাকৃতিক প্রতিকার
– আদা, রসুন, মধু, কালোজিরা
– ভেষজ চিকিৎসা
– হোমিওপ্যাথি ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা

প্রতিরোধ
ধ্বজভঙ্গ প্রতিরোধে প্রয়োজন সচেতনতা। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, সুষম খাদ্যাভ্যাস, মানসিক প্রশান্তি এবং সুস্থ জীবনযাপনই এর মূল চাবিকাঠি।

ধ্বজভঙ্গ একটি সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা হলেও এর সামাজিক প্রভাব গভীর। সময়মতো চিকিৎসা ও সচেতনতা থাকলে এটি প্রতিরোধ ও প্রতিকার সম্ভব। পুরুষদের উচিত এ বিষয়ে খোলাখুলি আলোচনা করা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া।

দীর্ঘ সময় মিলন করার ৩০টি পদ্ধতি জেনে নিন
যৌন মিলন মানে দীর্ঘ সময় মিলন করতে সব পুরুষই ও মহিলা উভয়ই চায়। প্রত্যেকটি পুরুষ চায় পরিপূর্ণ ভাবে যৌন মিলন করতে। তবে নানান রকম কারণে মানুষের যৌনস্বাস্থ্য এবং যৌন মিলন করার ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। তাই আজ আমরা দীর্ঘ সময় মিলন করার ৩০টি পদ্ধতি সম্পকের্ আলোচনা করব দীর্ঘ সময় মিলন করার পদ্ধতি সমূহ।

অনেকে আবার এই সব বিষয় নিয়েও খুজে থাকেন। দীর্ঘ সময় মিলন করার ঔষধ, দীর্ঘ সময় মিলনের ট্যাবলেট, দীর্ঘ সময় সহবাস করার পদ্ধতি, দীর্ঘ সময় সহবাস করার হোমিও ঔষধ, দীর্ঘ সময় মিলনের জন্য ঔষধ, শারীরিক মিলন পদ্ধতি, দীর্ঘ সময় মিলন করার ট্যাবলেট, বেশি সময় মিলন করার ট্যাবলেট তাই সব সমাধান এক সাথে দেওয়া হলো।

পৃথীবিতে অধিকাংশ দম্পতিই কোনও না কোনও এক সময় এই অভিযোগটা করেন, যে বিয়ের কিছু বছর পরেই পরস্পরের প্রতি আকর্ষণ হারিয়ে যায়। একদিনে নিঃশেষ হয়ে যায় না; নিঃশেষ হতে থাকে ধীরে ধীরে এবং ক্রমশ। বিশেষ করে স্বামীরা আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন স্ত্রীদের প্রতি। আবার স্ত্রীরাও আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন স্বামীর প্রতি।

আর ফলাফল হয় পরকীয়া ! সংসার ভাঙুক বা না ভাঙুক, সম্পর্ক ঠিকই ভাঙে। কিন্তু কখনো কি ভেবেছেন এমন কেন হয়? দুটো মানুষ পরস্পরকে খুব ভালোবেসে বিয়ে করলেও কেন হারিয়ে যায় আকর্ষণ? কেন হারিয়ে যায় স্বাভাবিক মিলন করার মন মানসিকতা আর কিভাবেই তা ফিরে পাওয়া যায়?

দীর্ঘ সময় মিলন করার পদ্ধতি

সাধারনত অধিক সময় নিয়ে যৌন মিলন করাটা পুরুষের সক্ষমতার উপরই নির্ভর করে। তথাপি কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করে পুরুষরা তাদের মিলন কাল দীর্ঘায়িত করতে পারেন।

তবে কে কতটা দীর্ঘ সময় নিয়ে যৌন মিলন করবে এটা অনেকটাই তাদের চর্চার উপর নির্ভর করে থাকে। আসুন জেনে নিই মিলন দীর্ঘায়িত করার কিছু পদ্ধতি সম্পর্কে।



দীর্ঘ সময় মিলন করার পদ্ধতি
এই পদ্ধতিটি আবিষ্কার করেছেন মাষ্টার এবং জনসন নামের দুই ব্যক্তি। চেপে ধরা পদ্ধতি আসলে নাম থেকেই অনুমান করা যায় কিভাবে করতে হয়।

যখন কোন পুরুষ মনে করেন তার বীর্য প্রায় স্থলনের পথে, তখন সে অথবা তার সঙ্গী লিঙ্গের ঠিক গোড়ার দিকে অন্ডকোষের কাছাকাছি লিঙ্গের নিচের দিকে যে রাস্তা দিয়ে মুত্র/বীর্য বহিঃর্গামী হয় সে শিরা/মুত্রনালী কয়েক সেকেন্ডর জন্য চেপে ধরবেন।

(লিঙ্গের পাশ থেকে দুই আঙ্গুল দিয়ে ক্লিপের মত আটকে ধরতে হবে।)।

চাপ ছেড়ে দেবার পর ৩০ থেকে ৪৫ সেকেন্ডের মত সময় বিরতী নিন। এই সময় লিঙ্গ সঞ্চালন বা কোন প্রকার যৌন কর্যক্রম করা থেকে বিরত থাকুন।

এ পদ্ধতির ফলে হয়তো পুরুষ কিছুক্ষনের জন্য লিঙ্গের দৃঢ়তা হারাবেন। কিন্তু ৪৫ সেকেন্ড পুর পুনরায় কার্যক্রম চালু করলে লিঙ্গ আবার আগের দৃঢ়তা ফিরে পাবে। স্কুইজ পদ্ধতি একবার মিলন করার সময় আপনি যতবার খুশি ততবার করতে পারেন।

যৌনমিলন কোন বয়সে হওয়া খুব বেশি জরুরী?
মনে রাখবেন সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করা বোকামী হবে।

সংকোচন (টেনসিং)
এ পদ্ধতি সম্পর্কে বলার আগে আমি আপনাদের কিছু বেসিক ধারনা দেই। আমরা প্রস্রাব করার সময় প্রসাব পুরোপুরি নিঃস্বরনের জন্য অন্ডকোষের নিচ থেকে পায়ুপথ পর্যন্ত অঞ্চলে যে এক প্রকার খিচুনী দিয়ে পুনরায় তলপেট দিয়ে চাপ দেই এখানে বর্নিত সংকোচন বা টেনসিং পদ্ধতিটি অনেকটা সে রকম।

তবে পার্থক্য হল এখানে আমরা খিচুনী প্রয়োগ করবো – চাপ নয়।

মিলন কালে যখন অনুমান করবেন বীর্য প্রায় স্থলনের পথে, তখন আপনার সকল যৌন কার্যক্রম বন্ধ রেখে অন্ডকোষের তলা থেকে পায়ুপথ পর্যন্ত অঞ্চল কয়েক সেকেন্ডের জন্য প্রচন্ড শক্তিতে খিচে ধরুন। এবার ছেড়ে দিন।

পুনরায় কয়েক সেকেন্ডের জন্য খিচুনী দিন। এভাবে ২/১ বার করার পর যখন দেখবেন বীর্য স্থলনেরে চাপ/অনুভব চলে গেছে তখন পুনরায় আপনার যৌন কর্ম শুরু করুন। সংকোচন পদ্ধতি আপনার যৌন মিলনকে দীর্ঘায়িত করবে।

আবারো বলি, সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করা বোকামী হবে।

বিরাম (টিজিং / পজ এন্ড প্লে)
এ পদ্ধতিটি বহুল ব্যবহৃত। সাধারনত সব যুগল এ পদ্ধতির সহায়তা নিয়ে থাকেন। এ পদ্ধতিতে মিলন কালে বীর্য স্থলনের অবস্থানে পৌছালে লিঙ্গকে বাহির করে ফেলুন অথবা ভিতরে থাকলেও কার্যকলাপে বিরাম দিন।

এই সময় আপনি আপনাকে অন্যমনস্ক করে রাখতে পারেন। অর্থ্যত্‍ সুখ অনুভুতি থেকে মনকে ঘুরিয়ে নিন। যখন অনুভব করবেন বীর্যের চাপ কমে গেছে তখন পুনরায় শুরু করতে পারেন।

বিরাম পদ্ধতির সফলতা সম্পুর্ন নির্ভর করে আপনার অভ্যাসের উপর। প্রথমদিকে এ পদ্ধতির সফলতা না পাওয়া গেলেও যারা যৌন কার্যে নিয়মিত তারা এই পদ্ধতির গুনাগুন জানেন।

মনে রাখবেন সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। একটা বিষয় প্রতিটা পুরুষেরই জেনে রাখা দরকার – বিষয়গুলি নিয়ে অবশ্যই আপনার স্ত্রীর সাথে আলোচনা করবেন।

তাতে আপনারা দু’জনেই লাভবান হবেন। আপনি আপনার স্ত্রীকে পদ্ধতিগুলো বুঝিয়ে বলুন। দেখবেন সেই আপনাকে সাহায্য করছে।

আরো পড়ুন: যৌন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের গুরুত্বপূর্ণ ২০১টি প্রশ্ন উত্তর!

কারন সে জানে আপনি বেশি সময় নেয়া মানে তার নিজেরই লাভবান হওয়া। মিলন অধিক সময় স্থায়ী করার মানসিক এবং শারিরীক পদ্ধতি সবচাইতে বড় যে ভুলটি করেন বেশিরভাগ মানুষ, সেটা হলো বিয়ের পর নিজেকে আর আগের মত যত্ন না করা।

নিজেকে সাজানো, নিজের সৌন্দর্য রক্ষা করা, শরীর সুগঠিত রাখা ইত্যাদি কাজগুলো করেন না। সময়ের সাথে সাথে জীবন থেকে হারিয়ে যায় নিজেকে সুন্দর দেখাবার প্রয়াস। স্বভাবতই সঙ্গীর চোখেও আপনি হয়ে পড়তে থাকেন সাদামাটা। অনেক ক্ষেত্রে কুত্‍সিতও!

বিয়ে হয়ে গেলো মানেই ফুরিয়ে গেছে সব? বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তাই হয়। কেবল দুজনে কোথাও বেড়াতে যাওয়া, একটা রোম্যান্টিক ডেট, রোম্যান্টিক মেসেজ চালাচালি এসব যেন কোথায় হারিয়ে যায়। এমনকি যৌন জীবনটাও হয়ে পড়ে একদম একঘেয়ে।

অনেকেই মনে করেন, বিয়ে তো হয়েই গেছে! এখন আর এসব করে কী লাভ? আরে, বিয়ের পরই তো এসবের বেশী প্রয়োজন। রোমান্টিকতার চর্চা করুন মানসিক ও শারীরিক ভাবে। প্রেম ও যৌনতার দুনিয়া, দুটোকেই ভরিয়ে রাখুন নতুনত্বে। এবার এক নজরে দেখে নিন যৌন মিলন দীর্ঘস্থায়ী করার আরো কিছু কার্যকারী উপায় সম্পর্কে।

মাঝে মাঝে একটু দুরত্ব বজায় রাখুন – একটি খাবার যদি আপনি প্রতিদিন খান, কেমন লাগবে আপনার? কিংবা এক সিনেমা যদি রোজ দেখেন? সারাক্ষণ পরস্পরের সঙ্গে থাকলেও তাই হয়। কখনো তাঁকে ছাড়াই বেড়াতে যান। বন্ধুদের সঙ্গে মিশুন, নিজেকেও সময় দিন। একটু দূরত্ব সম্পর্কের জন্য ভালো।

সবসময় আগোছালো থাকা
আচ্ছা, প্রতিদিন আপনার ঘরে পরার পোশাকটি কি খেয়াল করে দেখেছেন কখনও? বেশির ভাগ মানুষই ঘরের মাঝে নিজেকে গুছিয়ে রাখেন না।

ভুলে যান যে প্রিয় মানুষটি আপনাকে এই ঘরের মাঝেই দেখছে। তাই নিজেকে একটু গুছিয়ে রাখুন। একটা বিচ্ছিরি পোশাকের চাইতে একটু টিপটপ পোশাক পরুন, চুলটা আঁচড়ে রাখুন। দেখতে সুন্দর দেখালে আকর্ষণটা অটুট থাকবে চিরকাল।

খিটখিটে হয়ে যাওয়া
একটা জিনিষ সব সময় মনে রাখবেন যে, তিনি আপনার স্ত্রী বা স্বামী হলেই তার সাথে খারাপ ব্যবহার করার অধিকার আপনি রাখেন না। বরং তার সঙ্গেই করতে হবে সবচেয়ে ভালো ব্যবহার। কী বা যাবে আসবে, বিয়েই তো করেছি। এই ভাবনা অবিলম্বে ত্যাগ করুন।

মনের যৌন উত্তেজনা কম করুণ
প্রত্যেক যুবক যৌবনবতী নারীর দিকে তাকাতে বা তাঁর সঙ্গে মিশতে ভালবাসে। এই তাকানোর মধ্যে একপ্রকার যৌনোত্তেজনা মনে জাগে যদি কোন সুন্দরী নারীর দেহের কিছুটা অংশ দৃষ্টিগোচর হয়, তাহলে উত্তেজনার পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।

আধুনিককালে মেয়েরা, যুবতীরা যে ভাবে দেহের বিশেষ বিশেষ অঙ্গ অনাবৃত রেখে জামাকাপড় পরে তাতে পুরুষের যৌন উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পায়।

এছাড়া সিনেমায়, সিনেমার বিজ্ঞাপনে, টেলিভিশনে, স্নানের ঘাটে অথবা সমুদ্রতীরে, বিজ্ঞাপনে অর্ধ নগ্ন নারীদেহ নিয়তই পুরুষের মনে উত্তেজনার সৃষ্টি করে। এই উত্তেজনার ক্রমাগত আঘাত পুরুষের স্নায়ুচক্রের অনুভূতিকে ভোঁতা করে দেয়।

তাই, পুরুষ যখন কোন জীবন্ত নারীর নগ্নদেহের প্রত্যক্ষ সংস্পর্শে আসে বা খারাপ ছবি দেখে কিংবা চটি গল্প পড়ে-তখন তাঁর মধ্যে যে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়, সেই উত্তেজনাই তাঁর স্নায়ুদের বিকল এবং অনুভূতিহীন করে দেয়। একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ উত্তেজনা অবশ্যই প্রয়োজনীয়।

কিন্তু পুরুষ মাত্রকেই ‘চরম উত্তেজনা’ এবং ‘মাত্রামতো উত্তেজনা’ এর মাঝে সীমারেখা টানতে শিখতে হবে। মনে উত্তেজনার শিহরণ যত কম হবে পুরুষের যৌন মিলন করার ক্ষমতা তত বেশী শক্তিশালী হবে।

এমন অনেক অবিবাহিত বা সদ্যবিবাহিত যুবক আছেন-যারা যৌন জীবনের সঙ্গিনীর কাছে গেলেই লিঙ্গ থেকে কামরস ক্ষরণ হতে শুরু করে-তারপর সঙ্গিনী যখন মিলন কামনা করে তখন লিঙ্গে উত্তেজনা হয় না।

বাইরের টেনশন ঘরে নয়
আপনার আর্থিক দুঃশ্চিন্তা, চাকুরী বা ব্যবসা ক্ষেত্রের উদ্বিগ্ন মনোভাব, সংসারের অন্যত্র সংঘটিত কোন কলহজনিত অশান্তি, আপনার দাম্পত্যশয্যায় বয়ে নিয়ে যাবেন না। ঐ দ্বন্দ্ব কহলজাত যে উদ্বিগ্ন মনোভাব, তা পুরুষের যৌন মিলন করার ক্ষমতা স্তিমিত করে দেয়, পুরুষকে উত্তেজনাহীন করে দেয়।

আজকের পৃথিবীতে এত বেশী ব্লাডপ্রেসারের আমদানীর মূলও মানসিক উদ্বেগ। মানসিক উদ্বেগ দেহের স্বাভাবিক কর্মপদ্ধতিতে বাঁধা সৃষ্টি করে। দেহের প্রত্যেক বিভাগ এই উদ্বেগের জন্য আহত হয়।

পাকস্থলী এবং সংশ্লিষ্ট যন্ত্রাংশকে ক্ষতিগ্রস্থ করে, আর যেসব স্নায়ু যৌনাঙ্গকে পরিচালনা করে তারা এর প্রভাবে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বহু মধ্যবয়সী পুরুষ এই জাতের মানসিক উদ্বেগের জন্য যৌনজীবনে নিরুত্‍সাহ হয়ে পড়েন-শেষে একেবারে যৌন মিলন করতে অক্ষম হয়ে পড়েন।

ধরুন, আপনি যদি কোন রাত্রিতে শুনতে পান যে, আপনার এক ঘনিষ্ঠ আত্মীয় বা বন্ধু মারা গেছে, কি আপনারা এক নিদারুণ আর্থিক ক্ষতি হয়েছে, সেদিন কি আপনার যৌন মিলন করার প্রবৃত্ত হতে প্রেরণা জাগে? নিশ্চয়ই না।

যেদিন আপনার স্ত্রীর সঙ্গে কোন কারণে ভীষণ মনোমালিন্য হয়-সেদিন কি আপনার রতিমিলনে প্রবৃত্ত হতে ইচ্ছা হয়? নিশ্চয়ই না। অতএব মানসিক উদ্বেগকে যথাসম্ভব আপনার দাম্পত্যশয্যা থেকে দূরে রাখুন।

যৌন মিলনে ধূমপান মদ্যপান বাদ দিন
যারা ধূমপান করেন, তাঁরা বোধ হয় লক্ষ্য করেছেন, যে মানসিক অশান্তি বা উদ্বেগের সময় মানুষ খুব বেশী ধূমপান করে। ধূমপান করলে শরীরে যে নিকোটিনজাত উত্তেজনা সৃষ্টি হয় তা স্নায়ুর উপরে যে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে তাতে সাময়িক উদ্বেগ বাড়ে এবং স্নায়ুবিক দৌর্বল্য আধিক্য লাভ করে।

তামাকের নিকোটিন মানুষের রক্তকোষের উপরে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। রক্তের কোষগুলি এর প্রভাবে একটার গায়ে আর একটা আটকে যায় এবং রক্ত চলাচলে বাঁধা সৃষ্টি হয়। যৌন মিলন করার জন্য অবশ্যই রক্ত প্রবাহের সঠিক গতি এবং চলাচল ক্রিয়া অত্যন্ত দরকারী।

আবার মাত্রাতিরিক্ত মদ্যমান মানুষের স্নায়ু এবং অনুভূতি শক্তিকে ভোঁতা করে দেয়। মানুষ যখন মদের প্রভাবে থাকে, তখন তাঁর পক্ষে যা কিছু করা সম্ভব এবং তা সে নিজের অবচেতন মনের ইচ্ছার দ্বারা করে। তখন মনের যেমন কোন শক্তি থাকে না, দেহেরও তেমনি শক্তি থাকে না। মদ মানুষের অনুভূতিশক্তি এবং মিলন করার শক্তিকে এইভাবে ধ্বংস করে দেয়।

যৌন মিলন স্বাস্থ্যকর খাদ্য খেতে হবে
সাধারণ ভাবে শরীরকে সুস্থ এবং কর্মঠ রাখার জন্য প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও প্রোটিন যুক্ত খাদ্য খেতে হবে। দেহের স্নায়ুচক্রের স্বাস্থ্যরক্ষার জন্য ভিটামিন অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, বিশেষ করে ভিটামিন বি-১, ভিটামিন ই ।

কারণ, পুরুষের মিলন অক্ষমতার মূলে থাকে স্নায়ুতন্ত্রের অসাড়তা বা অসুস্থতা। প্রোটিন খাদ্য দেহকে শক্তিশালী এবং মজবুত করে রাখবে। যৌনমিলনে দৈহিক শক্তিরও বেশ একটা প্রয়োজনীয় স্থান আছে।

খাদ্যের অভাবে, পুষ্টির অভাবে দেহ দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে। গ্রন্থিরা ঠিকমতো পুষ্টি পায় না-ফলে যৌনমিলনে যেসব জিনিস দেহের দরকার তারা নিস্তেজ থাকায় কাজ করে না বলেই যৌন অক্ষমতা দেখা দেয়।

ডায়াবেটিস প্রতিকার ও প্রতিরোধে শক্তিশালী ঔষধ

পর্যাপ্ত মুক্ত বাতাসে ব্যায়ম করা দরকার
যৌনক্ষমতা বজায় রাখার জন্য দেহের মাংসপেশীর স্বাস্থ্য যেমন দরকারী, তেমনি দরকার দেহের মধ্যে রক্তের সঠিক সঞ্চালন। আর এই দুইটির একটির জন্য দরকার নিয়মিত ব্যায়াম-অন্যটির জন্য মুক্ত বাতাস।

ব্যায়াম করলে দেহের মাংসপেশীরা উপকৃত হবে, ঠিকমতো গড়ে উঠবে এবং বৃদ্ধি পাবে। আর মুক্ত বাতাস থেকে অক্সিজেন পেলে রক্ত চলাচল সঠিক হবে। যৌন উত্তেজনা হলে দেহের পেশীগুলি যেমন স্ক্রিয় হয়, তেমন রক্ত চলাচলের গতিও বৃদ্ধি পায়। চাইলে যোগ ব্যায়াম ও করতে পারেন।

প্রয়জন সহযোগিতার
পুরুষের যৌন মিলন করার অক্ষমতা নারীর সহযোগিতা পেলে অনেকাংশে দূর হয়। যৌন জীবনের সঙ্গিনী যদি পুরুষকে সাহায্যে করে তাহলে যৌন মিলন অক্ষম পুরুষও দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠে।

যৌন মিলন যে সঙ্গীর সঙ্গেই হোক না কেন, মনকে দৃঢ় রাখতে হবে, কোন প্রকার ভীতি সংশয় বা সন্দেহ মনে দেখা দিলে যৌন অক্ষমতা অনিবার্য হয়ে আত্মপ্রকাশ করে।

অনেক সময় দেখা যায় যে, অনেক পুরুষ স্বল্প সময়ের মধ্যেই বীর্যপাত করেন, যার ফলে নারী অতৃপ্ত থেকে যায়। তাই মিলন করার সময় নারীর চাওয়া পাওয়াকে বেশি প্রাধান্য দেয়া উচিত। যৌন মিলন বা দীর্ঘ সময় মিলন করার সম্পকের্ পদ্ধতি আরো যা খেয়াল রাখবেন –

নিজেকে অযথা উত্তেজিত হতে দিবেন না, ধৈর্য ধরুন। উত্তেজিত হলে দীর্ঘক্ষণ সঙ্গম করা সম্ভব নয়।
সঙ্গিনীর গায়ে হাত দেয়ার আগে তাকে ভালোবাসুন।
চুম্বন দিয়ে শুরু করুন এবং তা দীর্ঘায়িত করুন।
স্পর্শ কাতর অংশে প্রথমেই হাত দিবেন না।
সঙ্গিনী পুরোপুরি উত্তেজিত হবার ১-২ মিনিট পর মিলন করার প্রস্তুতি নিন।
কখনোই জোর করে কিছু করবেন না অথবা জোর করে দীর্ঘায়িত করবেন না।
সঙ্গীনির পছন্দ অনুযায়ী আসন পরিবর্তন করুন। কারণ আসন পরিবর্তনে মিলনের ইচ্ছা পুনরায় বেড়ে যায় যার কারণে দীর্ঘসময় মিলন করা সম্ভব।
একজনের আমন্ত্রনের জন্য অন্যজন বসে থাকবেন না।
কারো আগে পরে বীর্যপাত হলে কিংবা শক্ত না হলে সঙ্গীকে দোষারোপ করবেন না। মাঝে মাঝে এরকম হতেই পারে।

যদি কেউ যৌন অক্ষমতার দরুণ যৌনজীবনে বিপর্যস্ত হতে বসেন, তবে তাঁর উচিত্‍ কোন ভাল চিকিত্‍সককে দিয়ে তাঁর যৌনাঙ্গ ও প্রষ্টেট সংক্রান্ত অঙ্গগুলি পরীক্ষা করা এবং মানসিক কারণটি খুঁজে বের করা।

রতিবিরতিতে ব্রহ্মচর্য লাভ হতে পারে কিন্তু যৌন জীবন দুর্বল হয়ে পড়ে। যাদের যৌন জীবন যৌবনের যত প্রথমে শুরু হয় তারা তত বেশি দিন যৌন জীবনে সক্রিয় থাকেন। অবশ্য এর জন্য দেহ এবং মনের যত্ম নিতে হবে, পরিত্যাগ করতে হবে অসুস্থ এবং অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা।

উপরের সবকয়টি পদ্ধতি আপনার সঙ্গীর তৃপ্তির উদ্দেশ্যে। অনেকের ধারনা নারী এ ট্রিকস্ গুলো অনুমান বা জানতে পারলে পুরুষত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলবে। ধারনাটি সম্পুর্ন ভুল। আপনি আপনার স্ত্রীকে পদ্ধতিগুলো বুঝিয়ে বলুন। দেখবেন সেই আপনাকে সাহায্য করছে। কারন সে জানে আপনি বেশি সময় নেয়া মানে সে লাভবান হওয়া।

মানুষের জীবনের অনেক ঘটনাই ঘটে। কারণ ‍যুবকটি যখন বিয়ে করে তখন সে দু’চার বছর ধরে স্ত্রীর সাথে অনায়াসেই সহবাস চালিয়ে যেতে পারে। কিন্তু পরবর্তীতে মানসিক, দৈনিক ও পরিবেশগত কারণে শরীরে Body Fluid বা ধাতুরস ধীরে ধীরে ক্ষয়প্রাপ্ত হতে থাকলে তখন এটা ধরে রাখা আর সম্ভব হয় না।

নাইট কিং ব্যবহারে যৌন সমস্যার সমাধান করে। যেমন অল্পক্ষণেই বীর্যপাত হয়ে যাওয়া, বেশিক্ষণ সহবাস করতে না পারা, সন্তান না হওয়া, প্রস্রাবের আগে পরে বীর্যপাত, সামান্য চাপেই বীর্যপাত, অসময়ে বীর্যপাত, পেনিসে ব্যথা-বেদনা ইত্যাদি সমস্যার জন্য একশত ভাগ কার্যকরী ও পরীক্ষিত।

যাদের লিঙ্গ সহবাসের সময় নরম হয়ে যায়, বেশিক্ষণ সহবাস করতে পারেন না, নাইট কিং তাদের জন্য আদর্শ। সারাদেশে হাজার হাজার মানুষ এটি ব্যবহার করে উপকৃত হচ্ছে। এটি ভেষজ মেডিসিন।এতে কোনো প্রকার রাসায়নিক ব্যবহার হয়নি বলে এটি ব্যবহারে কোনোপ্রকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।

নাইট কিং ও নাইট কিং গোল্ড সেবনে দেহে সিমেন সংখ্যা বাড়ে। ফলে হারানো যৌন আকাঙ্ক্ষা বৃদ্ধি পায় ঠিক যেনো যৌবনকালের মতোই।

হাকীম মো. মিজানুর রহমান সবসময় অর্ডার ও রোগীর বিষয়টি সার্বক্ষণিক নজর রাখেন। অত্যন্ত সুনাম ও বিশ্বস্ততার সাথে সারাদেশে কুরিয়ার সার্ভিসযোগে ডেলিভারী করে থাকি। হাকীম মিজানুর রহমানের তত্ত্বাবধানে ঔষধ ডেলিভারী প্রদান করা হয় বলে প্রতারিত হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।তিনি দীর্ঘ ছয় বছর যাবত দেশের ও বিদেশের এ সমস্ত রোগীদেরকে সরাসরি ব্যবস্থাপত্র ও ঔষধ ডেলিভারী প্রদান করেন।

আপনার প্রয়োজন হলে সরাসরি তাঁর সাথে আপনার সমস্যার কথা বলে পরিপূর্ণ কোর্স গ্রহণ করতে পারেন।

কুরিয়ার সার্ভিসে পেতে হলে কুরিয়ার সার্ভিস ফি-১৫০/- টাকা অগ্রিম প্রদান করে অর্ডার কনফার্ম করতে হবে।

ঔষধ নিতে হলে আপনাকে কুরিয়ার সার্ভিস খরচ ১৫০/- টাকা বিকাশ করে কনফার্ম করলে সুন্দরবন পরিবহনে কন্ডিশনে আপনার জেলায় ঔষধ পাঠিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

ঔষধের মূল্য কুরিয়ার সার্ভিস থেকে পরিশোধ করে সেখান থেকে ঔষধ নিতে পারবেন। ভেতরে বিস্তারিত সব ব্যবহার বিধি লিখে দেয়া হবে।

ঔষধ পেতে নিম্নে বর্ণিত ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করে আপনি সরাসরি অথবা কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বাংলাদেশের যে কোনো জেলায় ঔষধ গ্রহণ করতে পারবেন।

রোগীর অবস্থা শুনে ও দেখে সারাদেশের যে কোনো জেলায় বিশ্বস্ততার সাথে কুরিয়ার সার্ভিসে ঔষধ পাঠানো হয়।
ঔষধ পেতে যোগাযোগ করুন :

হাকীম ডা. মিজানুর রহমান
(বিএসএস, ডিইউএমএস)
হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর।
ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার
একটি বিশ্বস্ত অনলাইন স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান।
চিকিৎসকের মুঠোফোন :
01762240650
( ইমো, হোয়াটস অ্যাপ)

ই-মেইল : [email protected]

সারাদেশে কুরিয়ার সার্ভিসে ঔষধ পাঠানো হয়।

@ফলোয়ার

14/05/2026

শ্বেতী রোগের জন্য নতুন কার্যকরী ওষুধ
শ্বেতী বা ভিটিলিগো রোগে অনেকেই ভুগে থাকেন। যা ধবল রোগ নামেও পরিচিত। ত্বকের বিভিন্ন স্থান থেকে ছড়িয়ে পড়ে এই রোগটি। শ্বেতী বা ত্বকের সাদা ধবধবে দাগ এক ধরনের অটো ইমিউন ডিজিজ। শ্বেতী মূলত মেলানিনের ক্রিয়াকলাপে বাঁধা সৃষ্টি হলে বা ভারসাম্য নষ্ট হলে দেখা দেয়।

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি ১০০ জন শ্বেতী রোগীর মধ্যে ৩০ জনের ক্ষেত্রেই শ্বেতী বংশগত ধারায় হয়ে থাকে। যদিও শ্বেতী ছোঁয়াচে বা প্রাণঘাতী রোগ নয়। তবে শ্বেতী কেন হয়? ত্বকের একটি অদ্ভুত রোগ হলো শ্বেতী। ত্বকের মধ্যে উপস্থিত মেলানোসাইট কোষে থাকা মেলানিন, প্রধানত ত্বকের স্বাভাবিক বর্ণের ভারসাম্য রক্ষা করে। এই মেলানিনই ফর্সা বা কালো রঙের কারণ। এই মেলানিনের ভারসাম্য নষ্ট হলে অথবা এর কার্যকলাপে বাঁধা সৃষ্টি হলে, শ্বেতীর সমস্যা দেখা দেয়।

দেশ বিদেশে হাজার হাজার মানুষ এ রোগে ভুগছে। এ রোগে আক্রান্ত হয়ে কেউ কেউ এক বছর থেকে দশ-পনেরো বছর পর্যন্ত বয়ে চলছেন অসুখটি। কিন্তু অনেক সময় অনেক চিকিৎসা করেও সঠিক চিকিৎসার অভাবে এবং এ বিষয়ে সঠিক জ্ঞান ও প্রয়োগের অভাবে রোগ থেকে পরিত্রাণ পাচ্ছেন না। এই নিবন্ধে আমরা চেষ্টা করেছি সেই সঠিক তথ্যাদি আপনাদের সামনে তুলে ধরতে, যাতে আপনারা বিষয়টি সম্পর্কে সঠিকভাবে জেনে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন।

শ্বেতী রোগ আক্রান্তদের মনের কষ্ট বুঝতে পেরে তাদের সহযোগিতায় আমাদের এ ছোট্ট নিবেদন। এই প্রবন্ধের শেষের দিকে আরো কিছু রোগের কারণ ও প্রতিকারের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। এসকল রোগ থেকে আরোগ্য লাভের নানা পন্থা সম্পর্কে বর্ণনা রয়েছে। আপনারা এ রোগ থেকে মুক্ত হন এবং অপরকে এ রোগ থেকে মুক্তি পেতে সাহায্যের জন্য সংবাদটি শেয়ার করুন-এটাই আমাদের কামনা।

বাংলাদেশের মতোই সারাবিশ্বে শ্বেতী – বড় অদ্ভুত একটি রোগ, তবে ভয়াবহ নয় মোটেও! শুধুমাত্র রোগটি সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণে শ্বেতী রোগীকে দেখলে ভয়ে আঁতকে ওঠেন অনেকেই। অনেকেই ভ্রূ কুঞ্চিত করেন ভাবনায়, ছোঁয়াচে নয়তো! একবারও কি ভেবে দেখেছেন, আপনার এই অভিব্যক্তি দেখে শ্বেতী রোগীর মনে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া হয়? কেউ হয়তো অপমানিতবোধ করেন, কেউ বা পান কষ্ট!

তাই শ্বেতী রোগীকে অনাদর, অবহেলা-অবজ্ঞা নয়- আমাদের উদ্ভাবিত ভেষজ চিকিৎসায় শ্বেতী রোগ একশতভাগ মুক্ত হয়। তবে এ চিকিৎসা হতে হবে ধাপে ধাপে ধৈর্য সহকারে। কারণ একদিন বা এক মাসেই এ রোগ থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সহজ নয়। এ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার একমাত্র পথ হচ্ছে ইউনানী ভেষজ চিকিৎসা। ইউনানী ও ভেষজ চিকিৎসায় এ পর্যন্ত পার্শ্বে উল্লেখিত শিশুটি ছাড়াও কয়েক হাজার শ্বেতী রোগী আরোগ্য লাভ করেছেন। যারা বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় অবস্থান করছেন।

যেহেতু শ্বেতী রোগের চিকিৎসা ধাপে ধাপে করতে হয় তাই এটি অনেক সময়সাপেক্ষ। ৬ মাস থেকে ১৮ মাস এমনকি এক দুই বছর ধরে ধৈর্য ধরে ধীরে ধীরে চিকিৎসা চালিয়ে গেলে এবং চিকিৎসকের পরামর্শমতে চিকিৎসা চালাতে পারলে এ রোগ সম্পূর্ণ ভালো হয়ে যায়।

এ চিকিৎসার ক্ষেত্রে দেহের লোমশ অংশের চিকিৎসা অনেক ক্ষেত্রেই সফল হয় কিন্তু যেসব অংশে লোম থাকে না, যেমন আঙুল, ঠোঁট ইত্যাদির চিকিৎসায় দীর্ঘসময় লেগে যেতে পারে।

শ্বেতী রোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রে সাধারণত কোনো ল্যাবরেটরি পরীক্ষা ছাড়া শুধু রোগের লক্ষণ দেখেই এই রোগ নির্ণয় করা হয়। কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা প্রয়োজন। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ ব্যবহার করা হয়।

প্রয়োজনে রোগীর বয়স, রোগের সময়কাল, রোগের স্থান এবং ব্যাপ্তিভেদে চিকিৎসা পদ্ধতি বাছাই করা হয়। সেক্ষেত্রে এ রোগ হলে প্রাথমিক অবস্থায় Recap ক্রিম, Vitiligo Natural, Vitiligo Natural Harbs, Vitiligo Remover সহ চিকিৎসকের নির্দেশনামতে আরো কিছু ঔষধ কয়েক মাস এমনকি প্রয়োজনে কয়েক বছর ধরে নিয়মিতভাবে সেবন করতে হয়। এ চিকিৎসায় ধীরে ধীরে শ্বেতী থেকে আরোগ্য লাভ করা সম্ভব এবং সারাদেশে প্রায় এক হাজারেরও বেশি রোগী আরোগ্য লাভ করেছেন।

এ চিকিৎসার ক্ষেত্রে আপনি নিজে সরাসরি গিয়ে ঔষধ গ্রহণ করতে পারলে তা হবে পারফেক্ট। তবে যদি কোনো কারণে তা সম্ভব না হয় তবে বাংলাদেশের যে কোনো জেলায় কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমেও দু’ থেকে তিন দিনের মধ্যেই ঔষধ গ্রহণ করতে পারবেন।

প্রবন্ধের শেষে হাকীম মিজানুর রহমান-এর সাথে যোগাযোগের নাম্বার দেয়া আছে। তাঁর সাথে যোগাযোগ করে ঔষধ গ্রহণ করতে পারেন।

এ রোগ হলে প্রাথমিক অবস্থায় এ চিকিৎসা গ্রহণ করলে শরীরে মেলানিন উৎপন্য হতে শুরু করে এবং আক্রান্ত স্থান ক্রমে কমে শরীরের অন্যান্য স্থানের মতোই সুন্দর হয়ে উঠে এবং শ্বেতী রোগের পরিসমাপ্তি ঘটে। সেই সাথে ভবিষ্যতে আবার যাতে শ্বেতী আক্রান্ত না হতে হয় সেজন্য ডাক্তারের নির্দেশমতো চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে। ফলে পরবর্তীতে এ রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা আর থাকে না। যাদের শ্বেতী রোগ আছে তারা এ চিকিৎসা সেবা নিতে পারেন৷ এটা একটা ভাল মানের চিকিৎসা সেবা।

কারো কারো শ্বেতীরোগ চিকিৎসায় ভালো হতে একটু সময় লাগে। কারো কারো এক বছর বা দেড়-দুই বছরও সময় লাগে। কারো কারো কম সময়ে ভাল হয়। তবে শ্বেতীরোগের পরিমানের উপর সময় কম বা বেশী লাগে। তাই নিরাশ না হয়ে চিকিৎসা সেবা নিলে ভাল ফল পাবেন।

প্রাথমিক পর্যায় হলে সম্প্রতি আবিষ্কৃত Recap নামের ঔষধ ব্যবহারে এর সফল চিকিৎসা আছে। সেই সাথে Vitiligo Natural ব্যবহার করতে হবে। এটি শ্বেতী রোগের মহৌষধ। এছাড়াও আরো কিছু ঔষধ রয়েছে, যা পরবর্তীতে অবস্থা ভেদে প্রদান করা হয়।

রোগের বয়স দীর্ঘ বা ক্রনিক হলে দীর্ঘদিন ওষুধ সেবন করতে হয়। এক্ষেত্রে চিকিৎসক ও রোগী দু’জনকে ধৈর্যের পরিচয় দিতে হয়। কারণ শ্বেতী একটি জটিল রোগ। এ রোগ থেকে মুক্তি পেতে ধৈয্যের পরিচয় দিতে হয়। যাদের এ রোগটি শুরুর সাথে সাথেই চিকিৎসা শুরু করা যায় অর্থাৎ ঔষধ প্রয়োগ করা যায় এবং নিম্নে বর্ণিত খাবার বিধি-নিষেধের বিষয়ে সচেতন হওয়া যায়। তাদের এ রোগ সহজেই নির্মূল হয়।

আর এ রোগটি দু’তিন বছর যারা লালন পালন করছেন। খাবার দাবার বিধি-নিষেধমতো গ্রহণ করছেন না, ঔষধ প্রয়োগ করছেন না তাদের সুস্থ হতে তিন, চার বা ছয়মাস এমনকি দু’এক বছর সময় লাগতে পারে। তবে ঔষধ প্রয়োগের বিষয়ে ধৈর্য হারাবেন না। ঔষধ ব্যবহার করতে হবে এবং খাবার-দাবারের বিষয়ে নিম্নে বর্ণিত বিধি নিষেধগুলো মেনে চলতে দ্রুত এ রোগ থেকে আরোগ্য লাভ করা যায়।

করণীয় : কোষ্ঠকাঠিন্য দোষ থাকলে দূর করতে হবে। দুধ, ছানা, মাখন, স্নেহজাতীয়, ফলের রস ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাদ্য বেশি বেশি খাবেন। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা ভালো।

চিকিৎসা : ছোট আকৃতির শ্বেতী মলম বা ওষুধে সেরে যেতে পারে। Recap মলম লাগানো বা Vitiligo Natural ওষুধ সেবনের পাশাপাশি ডাক্তার নির্দেশিত অন্যান্য ঔষধ প্রতিনিয়ত মালিশ করতে হবে শ্বেতী-আক্রান্ত স্থানে। বড় আকারের শ্বেতী হলে Recape মলম আর Vitiligo Natural ও Vitiligo Remover ওষুধে কাজ হতে প্রায় ৬ মাস এমনকি দেড় থেকে ২ বছরও লাগতে পারে।

লক্ষ্য করুন :
– যত অল্প বয়সে শ্বেতীর চিকিৎসা করা যায় তত ভালো।
– শরীরের যেকোনো জায়গায় সাদা দাগ দেখা দিলে দ্রুত চিকিত্‍সকের সাথে যোগাযোগ করুন।
– ডায়াবেটিস, হাইপার থাইরয়েড – এসব যাদের আছে তাদের শ্বেতী হবার প্রবণতা বেশি থাকে।

সুতরাং এ রোগ হবার সাথে সাথেই চিকিৎসা করা উত্তম। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন :
ঔষধ পেতে নিম্নে বর্ণিত ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করে আপনি সরাসরি অথবা কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বাংলাদেশের যে কোনো জেলায় ঔষধ গ্রহণ করতে পারবেন।

শ্বেতী রোগ কখন বাড়তে থাকে এবং কী কারণে বাড়ে?
মানসিক চাপে: অতিরিক্ত টেনশন, দুশ্চিন্তা, ভয় বা মানসিক আঘাত পেলে রোগ দ্রুত বাড়তে পারে।
রোদে বেশি থাকলে: সূর্যের আলোতে ত্বক পুড়ে গেলে বা সানবার্ন হলে আক্রান্ত জায়গা ও আশেপাশে দাগ বাড়তে পারে।
ঋতু পরিবর্তনে: অনেকের শীতকালে বা গ্রীষ্মকালে রোগ বাড়ার প্রবণতা দেখা যায়।
অনিয়মিত চিকিৎসায়: ঔষধ মাঝপথে বন্ধ করে দিলে বা অনিয়মিত ব্যবহার করলে রোগ আবার বেড়ে যায়।
শ্বেতী রোগ বাড়ার মূল কারণগুলো:
অটোইমিউন সমস্যা: শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিজেই ত্বকের রঙ তৈরির কোষ মেলানোসাইট নষ্ট করে ফেলে। এটাই প্রধান কারণ।
বংশগত কারণ: পরিবারে কারো শ্বেতী, থাইরয়েড, ডায়াবেটিস বা অন্য অটোইমিউন রোগ থাকলে ঝুঁকি বেশি থাকে।
অক্সিডেটিভ স্ট্রেস: শরীরে ক্ষতিকর ফ্রি র‍্যাডিকেল বেড়ে গেলে মেলানোসাইট কোষ মারা যায়।
নিউরাল থিওরি: স্নায়ু থেকে নিঃসৃত কোনো রাসায়নিক পদার্থ মেলানোসাইট ধ্বংস করে বলে ধারণা করা হয়।
থাইরয়েড ও অন্যান্য রোগ: থাইরয়েডের সমস্যা, ডায়াবেটিস, অ্যালোপেসিয়া, পারনিসিয়াস অ্যানিমিয়ার সাথে শ্বেতী বাড়ার সম্পর্ক আছে।
কেমিক্যালের সংস্পর্শ: রাবার, হেয়ার ডাই, ডিটারজেন্ট, ফিনাইল ইত্যাদিতে থাকা কিছু কেমিক্যাল ত্বকে লাগলে দাগ বাড়তে পারে।
পুষ্টির অভাব: ভিটামিন বি12, ফলিক অ্যাসিড, কপার, জিংকের ঘাটতি থাকলে সমস্যা বাড়তে পারে।

*চেম্বার ও যোগাযোগ*
হাকীম মো. মিজানুর রহমান
(ডিইউএমএস, বিএসএস)
চিকিৎসক সরকারি রেজি. নং : 3546/A
ড্রাগ লাইসেন্স নাম্বার : CHA-3435 A/B.

চিকিৎসা কেন্দ্রের ঠিকানা
📍 সততা প্লাজা,
🏢 ইবনে সিনা হেলথ কেয়ার।
📌 প্লট নং ২৬, গাউছিয়া মডেল টাউন।
🛣️ রামপুর বাজার (বলাখাল থেকে উত্তর দিকে), হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর
📞 প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন :
ইমো-হোয়াটসঅ্যাপ: 01762240650
মুঠোফোন/ হোয়াটস অ্যা : 01742-057854

*চেম্বারের সময় : প্রতিদিন সকাল দশটা থেকে ১২টা। বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে চারটা। সাড়ে ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।*

*চেম্বারে আসার আগে উপরোক্ত নাম্বারে কল করে সিরিয়াল নিয়ে আসবেন।

*ঔষধ অর্ডার করতে ইনবক্সে অথবা উপরের ইমো-হোয়াটস অ্যাপে আপনার সাদা জায়গার কয়েকটি ছবি তুলে দিবেন। আর বয়স, কতদিন যাবত এই রোগ, অন্য কোনো রোগ- যেমন থাইরয়েড, ডায়াবেটিস, এলার্জি, পলিপাস, টনসিল, হার্টের ব্লকেজ, উচ্চরক্তচাপ আছে কিনা তা জানাবেন।

আমাদের সেবাসমূহ : ডায়াবেটিস, শ্বেতী রোগ, সোরিয়াসিস, দাদ, একজিমা, ফাঙ্গাল ইনফেকশন, সিফিলিস, গনোরিয়া, থাইরয়েড, পাইলস-ফিস্টুলা, টিউমার, জরায়ু টিউমার, ব্রেস্ট টিউমার, যৌন রোগ, পলিপাস, টনসিল, কিডনী পাথর, মূত্রথলির পাথর, মেহ প্রমেহ, আঁচিল, ব্রণ, বন্ধ্যাত্বর চিকিৎসা।

@ফলোয়ার
@সেরা ফ্যান

04/10/2024
মুখে-জিহ্বায় ঘা হওয়ার কারণ ও প্রতিকার@হাইলাইট করুন
18/07/2024

মুখে-জিহ্বায় ঘা হওয়ার কারণ ও প্রতিকার
@হাইলাইট করুন

খাবারের পুষ্টি সম্পর্কে অনেকেরই তেমন ধারণা নেই। ফলে বেশিরভাগ মানুষের শরীরেই নির্দিষ্ট ধরনের কিছু ভিটামিনের ঘাট...

 #ডায়াবেটিস
16/07/2024

#ডায়াবেটিস

ডায়াবেটিস

ভিটামিনের ঘাটতি হলে তা আপনার ত্বকের স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলবে। যার ফলে বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে। ভিটামিনের ঘ...
07/07/2024

ভিটামিনের ঘাটতি হলে তা আপনার ত্বকের স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলবে। যার ফলে বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে। ভিটামিনের ঘাটতি ত্বকে শুষ্কতা, নিস্তেজ ভাব, জ্বালা এবং এমনকি আরও গুরুতর সমস্যার কারণ হতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন ভিটামিনের অভাবে আমাদের ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে-
@হাইলাইট করুন

ত্বক শুষ্ক

আপনি যদি ব্রণ ও দাগমুক্ত ত্বক পেতে চান তাহলে নিয়মিত করতে হবে কিছু কাজ। তবে সেগুলো মোটেই কঠিন কিছু নয়। শুধু নিয়ম করে কিছু...
07/07/2024

আপনি যদি ব্রণ ও দাগমুক্ত ত্বক পেতে চান তাহলে নিয়মিত করতে হবে কিছু কাজ। তবে সেগুলো মোটেই কঠিন কিছু নয়। শুধু নিয়ম করে কিছু সহজ যত্ন নেওয়া। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক-
@হাইলাইট করুন

ব্রণ

Address

Dhaka
1208

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Night king posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Night king:

Shortcuts

Share

Category