Integrated Homoeopathy by Dr. Tarique Imam

Call Directions Contact the practice

Integrated Homoeopathy by Dr. Tarique Imam Dr. Tarique Imam, D.Hom (US), DHMS, practices in Irvine, CA & Lalmatia, Dhaka. Trained by legendary homeopaths Roger Morrison & R. Sankaran.

Content is strictly for educational & homeopathic research purposes only. No direct medical advice or sales. Disclaimer & Legal Terms

Medical & Professional Advice Disclaimer
The information provided on this page, including text, graphics, images, and other materials, is for educational and informational purposes only. It is not intended to be a substitute for professional medical advice, diagnosis, or treatment. Always seek the advice of a qualified healthcare provider with any questions you may have regarding a medical condition. Never disregard professional medical advice or delay in seeking it because of something you have read on this page. No Doctor-Patient Relationship
Interacting with this page, submitting inquiries, or consuming content does not create a doctor-patient relationship between you and Dr. Tarique Imam or any affiliated practice. A formal consultation and agreement are required to establish a doctor-patient relationship. Individual Results
Homeopathic care is individualized. Testimonials, cases, or examples discussed on this page do not guarantee or predict similar outcomes for every individual. Privacy Policy
We respect your personal privacy. Any personal information shared directly through private communications, contact forms, or direct messages will be kept confidential and will not be sold, traded, or rented to third parties. Please do not post sensitive personal health details in public comment sections. External Links
This page may contain links to third-party websites or resources. We are not responsible for the accuracy, content, or privacy practices of external sites.

সেদিন বিকেলে চেম্বারে এসে এক ভদ্রলোক ধপাস করে চেয়ারে বসলেন। চেহারাটা একদম ফ্যাকাসে, চোখ দুটো কোটরে বসা।বললেন, "ডাক্তার স...
27/09/2026

সেদিন বিকেলে চেম্বারে এসে এক ভদ্রলোক ধপাস করে চেয়ারে বসলেন। চেহারাটা একদম ফ্যাকাসে, চোখ দুটো কোটরে বসা।

বললেন, "ডাক্তার সাহেব, শরীরটা আর টেনে নিতে পারছি না। ঘুম থেকে উঠলেও মনে হয় পাহাড় ভেঙে পড়েছে গায়ে, এমন অসাড় করা ক্লান্তি নিয়ে বাঁচা যায় না।"
ফাইলটা খুলে দেখলাম রক্তে সুগার ১৮-২০ এর ঘরে লাফাচ্ছে।

বাইরে থেকে দেখলে মনে হবে এটা কেবলই একটা ল্যাব রিপোর্টের খেলা। কিন্তু শরীরের ভেতরের মেটাবলিক প্যাথলজি কী বলছে?

এখানে ইনসুলিনের চেয়ে বড় সংকট হলো ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স (সহজ কথায়, রক্তে ইনসুলিন ঘুরলেও কোষের তালা খোলার ক্ষমতা সে হারিয়ে ফেলেছে)। ফলে রক্তে গ্লুকোজের বন্যা বয়ে গেলেও কোষগুলো না খেয়ে ধুঁকে ধুঁকে কাতরাচ্ছে। শক্তি তৈরি হবে কোথা থেকে? অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষগুলো ওভারটাইম ডিউটি করত গিয়ে একসময় একদম নিস্তেজ হয়ে পড়ে।

কিন্তু ফিজিওলজির পেছনের মনোদৈহিক সত্যটা কী?
ডায়াবেটিস আসলে জীবনে মাধুর্য বা নিখাদ আনন্দের অভাবের এক চরম শারীরিক প্রকাশ।

মানুষটি সারাজীবন নিজের আনন্দ বিসর্জন দিয়ে কেবল পরিবার আর অন্যদের প্রত্যাশা পূরণ করে গেছেন। সবসময় অন্যের মন জুগিয়ে চলার এই যে নীরব চাপ, নিজের ভেতরের এই গভীর শূন্যতাবোধ—এটাই একটু একটু করে তার প্যানক্রিয়াসকে (অগ্ন্যাশয়) পঙ্গু করে দিয়েছে। প্যানক্রিয়াস হলো দেহের সেই সংবেদনশীল অঙ্গ, যা জীবনের আনন্দ আর মিষ্টতাকে ধরে রাখে। সেই আনন্দটাই যখন উবে যায়, শরীর তখন রক্তে কৃত্রিম চিনির স্তূপ জমিয়ে মনের ক্ষোভ প্রকাশ করে।

এমন কেসে যখন ক্লান্তি, বুক ধড়ফড় আর বরফ-শীতল পানির তৃষ্ণা নিয়ে রোগী সামনে দাঁড়ায়—যিনি সবাইকে ভালোবেসে শূন্য হাতে একা হয়ে গেছেন—তখন আমাদের ভাবায় ফসফরাস (Phosphorus)। অগ্ন্যাশয়ের গভীর মেটাবলিক ক্ষতি সামলাতে এটি অনবদ্য।

আবার যখন দীর্ঘদিনের সুগারের ধাক্কায় চরম দুর্বলতা, শরীর শুকিয়ে যাওয়া, দিনে-রাতে ঘন ঘন প্রস্রাবের তোড় আর শরীরে ঘামাচির মতো তীব্র চুলকানি দেখা দেয়, তখন সিজাইজিয়াম জাম্বোলানামের মতো রেমেডিগুলো (Syzygium jambolanum) কোষের মেটাবলিক ছন্দকে স্বাভাবিক করতে চমৎকার সহায়তা করে।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে শুধু রক্ত মেপে চলা যথেষ্ট নয়; সঠিক খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত হাঁটা এবং নিজের জন্য একটু মানসিক স্বস্তি নিশ্চিত করা না গেলে মেটাবলিজমের এই অচলাবস্থা কাটানো কঠিন।

এ বিষয়ে কারও কোনো অভিজ্ঞতা বা পর্যবেক্ষণ থাকলে মন্তব্যে আলোচনা করা যেতে পারে।

ধন্যবাদ।

ডা. তারিক ইমাম
D. Hom USA, DHMS BHMEC Dhaka
Integrated homoeopathy
F/22 Zakir Hossain road
Lalmatia, Muhammad pur, Dhaka.

গত সপ্তাহে চেম্বারে একটা বাচ্চা দেখেছিলাম, বয়স  চার। গত ছয় মাসে অন্তত পাঁচবার তীব্র জ্বর আর বুকে কফ জমেছে তার। বাবা মা র...
25/09/2026

গত সপ্তাহে চেম্বারে একটা বাচ্চা দেখেছিলাম, বয়স চার। গত ছয় মাসে অন্তত পাঁচবার তীব্র জ্বর আর বুকে কফ জমেছে তার। বাবা মা রীতিমতো দিশেহারা। একটু আবহাওয়া বদলালেই নাকি বাচ্চা ধুম করে অসুস্থ হয়ে পড়ে।

প্রথম কয়েক মিনিট কথা বলেই মনে হলো, হিস্ট্রিটা আরেকটু গভীরে গিয়ে টানা দরকার।

সাধারণ ভাইরাল ইনফেকশন হওয়াটা বাচ্চাদের ইমিউন সিস্টেম (রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা) গড়ে ওঠার জন্য খুব স্বাভাবিক একটা প্রক্রিয়া। কিন্তু যখন দেখা যায় অসুস্থতার চক্র ভাঙছেই না, তখন বুঝতে হবে ভেতরে অন্য কোনো মেকানিজম কাজ করছে।

কী হয়েছে আসলে?

শরীরের ডিফেন্স মেকানিজম যখন বাইরের কোনো প্যাথোজেন বা টক্সিন ডিটেক্ট করে, তখন মাস্ট সেল আর ম্যাক্রোফেজগুলো তীব্রভাবে সাইটোকিন রিলিজ করে। এটা ভাইটাল ফোর্সের নিজস্ব একটা ফাইট। কিন্তু বারবার যখন বাহ্যিক কেমিক্যাল বা আংশিক সদৃশ রেমেডি দিয়ে এই ফাইটটাকে সাপ্রেস করা হয়, তখন প্যাথলজি কিন্তু মরে যায় না। সে স্রেফ তার ঘর বদলায়।

এক্টোডার্ম (চামড়া বা সারফেস লেভেল) থেকে ইমিউন রেসপন্সকে ধাক্কা দিয়ে ভেতরে পাঠালে, সেটা এন্ডোডার্ম বা শ্বাসনালীর মিউকাস মেমব্রেনে গিয়ে আশ্রয় নেয়। শুরু হয় ঘন ঘন সর্দি, ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিস কিংবা টনসিলের ফুলে ওঠা।

বাচ্চাদের এই বারবার অসুস্থ হওয়ার পেছনে অনেক সময় ক্যালকেরিয়া কার্ব, টিউবারকুলিনাম কিংবা ক্ষেত্রবিশেষে বিভিন্ন কার্বন রেমেডির মতো গভীর মায়াজমেটিক রেমেডির সূক্ষ্ম পিকচার লুকিয়ে থাকে।

এগুলো কোনো অলৌকিক জাদুটোনা নয়। মডার্ন ইমিউনোলজির ভাষায়, এই পোটেনটাইজড ন্যানোপার্টিকেলগুলো শরীরের সেলুলার সিগন্যালিং ব্যবস্থাকে একটা মলিকুলার নড বা আলতো ধাক্কা দেয়।

ফলে বিশৃঙ্খল হয়ে পড়া ইমিউন রেসপন্স আবার নিজে নিজেকে মেরামত করার সিগন্যাল পায়। কোষ তার নিজের ভাষা বোঝে। শরীরের হোমায়োস্ট্যাসিস (স্বাভাবিক ভারসাম্য) ফিরে আসে।

তাই শিশুদের বারবার অসুস্থ হওয়াকে কেবল সাধারণ দুর্বলতা ভেবে এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। এর পেছনে লুকিয়ে থাকা জেনেটিক সাসেপ্টিবিলিটি বা ইমিউনোলজিক্যাল রুটটা বুঝে সঠিক কনস্টিটিউশনাল মূল্যায়নের মাধ্যমেই শিশুর জীবনীশক্তিকে তার স্বাভাবিক ছন্দে ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

ধন্যবাদ।

চেম্বারে সেদিন এক ভদ্রলোক এসে বসলেন।মুখে তীব্র ক্লান্তির ছাপ।কথা বলতে গিয়েই বুকের ওপর হাত চেপে ধরলেন।রোগীর কষ্টটা খুব চে...
24/09/2026

চেম্বারে সেদিন এক ভদ্রলোক এসে বসলেন।
মুখে তীব্র ক্লান্তির ছাপ।

কথা বলতে গিয়েই বুকের ওপর হাত চেপে ধরলেন।
রোগীর কষ্টটা খুব চেনা—"স্যার, বুকটা যেন আগুনে পুড়ে খাক হয়ে যাচ্ছে। খালি পেটে পেটের ওপরের দিকে এমন মোচড় দিয়ে কামড়ায় যে সোজা হয়ে বসা যায় না। আবার একটু কিছু মুখে তুললেই মনে হয় বুক পর্যন্ত সব আটকে গেছে।"

এই যে তীব্র বুক জ্বালাপোড়া আর এপিগ্যাস্ট্রিক পেইন (পেটের ওপরের মাঝখানের তীব্র ব্যথা), এর গোড়া কিন্তু শুধু অনিয়মিত খাওয়া-দাওয়ায় থাকে না।

মনের সাথে পরিপাকতন্ত্রের সংযোগটা বড় অদ্ভুত।
জীবনে যখন এমন কোনো তিক্ত পরিস্থিতি, চরম অপমান কিংবা অবহেলা আসে যা মানুষ মন থেকে মেনে নিতে পারে না—সহজ কথায় যা কোনোভাবেই 'হজম' করা যায় না—তখনই সেই না বলা ক্ষোভটা পাকস্থলীতে নেমে আসে।
বাইরের অবমাননাকর বিষয়গুলো গিলতে গিয়ে মানুষ যখন ভেতরে ভেতরে গুমরে মরে, তখনই গ্যাস্ট্রিক মিউকোসায় (পাকস্থলীর ভেতরের নরম আস্তরণ) প্রথম চোটটা লাগে।

প্যাথলজি কী বলে?
দীর্ঘস্থায়ী মানসিক টানাপোড়েন মস্তিষ্কের স্নায়ুকে অবিরত উত্তেজিত রাখে।

ফলে পাকস্থলীর প্যারাইটাল কোষগুলো থেকে লাগাতার অতিরিক্ত হাইড্রোক্লোরিক এসিড নিঃসরণ হতে থাকে।
এই অতিরিক্ত এসিডের বন্যায় ভেতরের সুরক্ষামূলক মিউকোসাল ব্যারিয়ার একসময় ভেঙে পড়ে।
টিস্যু লেভেলে প্রদাহ তৈরি হয়, ক্ষয়ে যায় কোষের স্তর, জন্ম নেয় পেপটিক আলসার।

মন যা হজম করতে পারে না, শরীর যেন তা অতিরিক্ত এসিড ঢেলে পুড়িয়ে ফেলতে চায়!

ক্লিনিক্যাল টেবিলে এই রোগীদের মানসিক গঠন গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করলে চমৎকার কিছু প্যাটার্ন চোখে পড়ে।

যেমন আর্জেন্টাম নাইট্রিকামের রোগীদের কথাই ধরা যাক।
এদের ভেতরে কাজ করে এক অদ্ভুত স্নায়বিক অস্থিরতা আর অহেতুক তাড়াহুড়ো।

কোনো কাজ বা কোথাও যাওয়ার কথা ভাবলেই এদের পেটে মোচড় দেয়, বুক ধড়ফড় করে।
সবকিছুতেই এদের আগাম দুশ্চিন্তা—দেরি হয়ে যাবে না তো?

রাস্তায় হাঁটার সময়ও অজানা ভয় এদের তাড়া করে, ফলে মানুষটি দ্রুত হাঁটতে হাঁটতে প্রায় দৌড়াতে শুরু করে।
মিষ্টি খাওয়ার প্রবল লোভ থাকে, অথচ মিষ্টি খেলেই পেট ফাঁপে আর বুক জ্বালা বাড়ে।

আবার লাইকোপোডিয়ামের ক্ষেত্রে দেখা যায়, অল্প খেলেই পেট ঢোল হয়ে যাওয়া, পেটে তীব্র গ্যাস জমে থাকা এবং ভেতরে গভীর ভীরুতা চেপে রেখে বাইরে খিটখিটে মেজাজ দেখানোর প্রবণতা।

চিকিৎসক হিসেবে রোগীর স্রেফ বাহ্যিক এসিড সাপ্রেস করা নয়, তার অবদমিত মানসিক যন্ত্রণার ভাষা বুঝতে পারাটাই আসল।

ভেতরের সেই মনোদৈহিক জট খুললে পরিপাকতন্ত্রও ধীরে ধীরে তার স্বাভাবিক স্বস্তি ও ছন্দ ফিরে পাওয়ার সুযোগ পায়।

ধন্যবাদ।

গত সপ্তাহের ঘটনা। আমার অনলাইন চেম্বারে এক রোগীর মেয়ে কল দিলেন। স্ক্রিনে তাকিয়ে দেখি, পেছনের বিছানায় উনার বাবা শুয়ে আছেন।...
22/09/2026

গত সপ্তাহের ঘটনা। আমার অনলাইন চেম্বারে এক রোগীর মেয়ে কল দিলেন। স্ক্রিনে তাকিয়ে দেখি, পেছনের বিছানায় উনার বাবা শুয়ে আছেন। মুখটা একপাশ দিয়ে সামান্য বাঁকা। কথা বলতে গিয়ে শব্দ জড়িয়ে যাচ্ছে।

আমি সাথে সাথে থমকে গেলাম।

কেন?

কারণ এটা সাধারণ কোনো দুর্বলতা নয়। এটা ব্রেইনের সিগন্যাল।

স্ট্রোক আসলে কী? খুব সহজ ভাষায় বললে, আমাদের মস্তিষ্কের নিউরনগুলো (ব্রেইনের সূক্ষ্ম স্নায়ুকোষ) বেঁচে থাকে অক্সিজেনের ওপর। কোনো কারণে যদি ব্রেইনের রক্তনালীতে ব্লক তৈরি হয় বা আর্টারি ছিঁড়ে যায়, তখন সেই নির্দিষ্ট অংশে রক্ত চলাচল একদম বন্ধ হয়ে যায়।

প্যাথোলজির ভাষায় একে বলে ইস্কেমিয়া (রক্তের অভাবজনিত কোষের মৃত্যু)। মাত্র কয়েক মিনিট রক্ত না পেলেই ব্রেইনের ওই জায়গার টিস্যুগুলো চিরতরে ড্যামেজ হতে শুরু করে।

ওই মেয়েটিকে আমি বিন্দুমাত্র দেরি না করে ইমার্জেন্সিতে নিতে বলি। (পরে শুনেছিলাম, ঠিক সময়ে হাসপাতালে পৌঁছানোয় বড় ধরনের প্যাথলজিকাল ক্রাইসিস থেকে বেঁচে গেছেন ভদ্রলোক)।

আমাদের অনেকের একটা মারাত্মক ভুল ধারণা আছে যে, যেকোনো রোগেই বোধহয় ঘরে বসে রেমেডি ট্রাই করত হয়।

স্ট্রোকের মতো একিউট ক্রাইসিসে (তীব্র জরুরি অবস্থা) সবার আগে কনভেনশনাল ইমার্জেন্সি সাপোর্ট আর অক্সিজেন দরকার। এই গোল্ডেন আওয়ারে প্রচলিত চিকিৎসার কোনো বিকল্প নেই।

তারপর?

যখন রোগীর ভাইটাল ফোর্স (জীবনীশক্তি) স্টেবল হবে, তখন ড্যামেজ হওয়া নার্ভের ফাংশন রিস্টোর করতে বা প্যারালাইসিসের ঝুঁকি কমাতে আমরা আর্নিকা, জেলসিমিয়াম বা বোথ্রপসের মতো গভীর রেমেডি নিয়ে ভাবতে পারি। সেটা অবশ্যই রোগীর স্বতন্ত্র মেকআপ বা কনস্টিটিউশন বুঝে। প্যাথলজির ওই অবরুদ্ধ ক্যানভাসে সেল সিগন্যালিংয়ের মাধ্যমে জীবনীশক্তি আবার তার নিজস্ব ছন্দে ব্যাক করতে পারে তখন।

কীভাবে বুঝবেন বিপদ কাছে?
মুখ বাঁকা হয়ে যাওয়া, এক হাত অবশ লাগা বা কথা জড়িয়ে যাওয়া এই তিনটা লক্ষণ দেখলে এক সেকেন্ডও নষ্ট করা যাবে না। সময় এখানে সবচেয়ে দামি।

সচেতনতা ছড়াতে পোস্টটি টাইমলাইনে রেখে দিতে পারেন। এই ছোট একটা তথ্য হয়তো বাঁচিয়ে দিতে পারে কারও প্রিয়জনের জীবন।

ধন্যবাদ।

গতকাল  দুপুরে চেম্বারের দরজা ধরে এক মধ্যবয়সী ভদ্রলোক কোনোমতে দাঁড়িয়ে রইলেন। দুই হাতে নিজের বুকটা খামচে ধরা।চারপাশে অফুরন...
21/09/2026

গতকাল দুপুরে চেম্বারের দরজা ধরে এক মধ্যবয়সী ভদ্রলোক কোনোমতে দাঁড়িয়ে রইলেন। দুই হাতে নিজের বুকটা খামচে ধরা।

চারপাশে অফুরন্ত বাতাস, অথচ বুক ভরে এক চিমটি শ্বাস টেনে নেওয়ার জন্য কী নিদারুণ ছটফটানি! চোখ দুটো কোটর থেকে যেন ঠিকরে বের হয়ে আসছে। কথা বলতে পারছেন না, কেবল ভাঙা ভাঙা গলার গোঙানি।

বাতাস আছে, অথচ শরীরে ঢুকছে না।

আমরা অনেকেই ভাবি, অ্যাজমা মানেই বুঝি ধুলাবালি বা ঠান্ডার কোনো সাধারণ অ্যালার্জি। কিন্তু প্যাথলজির গভীরে গেলে দেখা যায়, এই রোগ আসলে কোনো বিচ্ছিন্ন শারীরিক ত্রুটি না। অ্যাজমা হলো জীবনের এক দমবন্ধ করা পরিবেশ আর কারো চরম খবরদারির অবদমিত শারীরিক আর্তনাদ।

সংসারে বা কর্মক্ষেত্রে যখন নিজের কোনো স্বাধীনতা থাকে না, মানুষ যখন নিজের ভেতরের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ, অপমান আর কান্না দিনের পর দিন জোর করে গিলতে থাকে—সেই চেপে রাখা আবেগই ফুসফুসের শ্বাসনালীতে ক্রনিক ইনফ্লামেশন (দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ) ডেকে আনে।

শরীরে তখন তৈরি হয় তীব্র ব্রঙ্কোস্পাজম (শ্বাসনালীর মাংসপেশির অনিয়ন্ত্রিত সংকোচন)। ফুসফুসের সূক্ষ্ম ব্রঙ্কিওলের চারপাশের মসৃণ পেশিগুলো হঠাৎ আঁটসাঁট হয়ে খিঁচুনি দেয়। একই সাথে ভেতরের মিউকোসা ফুলে ওঠে এবং আঠালো কফে বাতাসের পথ সরু হয়ে যায়। ফুসফুসে বাতাস ঢোকার চেয়ে বের হওয়া তখন কঠিন হয়ে পড়ে। আটকে থাকা সেই বাতাস জোর করে বের হওয়ার সময় বুকে বাঁশির মতো তীক্ষ্ণ হুইজ তৈরি করে।

চেম্বারে বসে এই রোগীদের মানসিক স্তরগুলো দেখলে অবাক হতে হয়।

আর্সেনিক অ্যালবামের রোগীদের কথাই ধরুন। এদের চালিকাশক্তি হলো চরম মৃত্যুভয় আর অস্থিরতা। মধ্যরাতে হুট করে দম আটকে ঘুম ভাঙে, একা থাকতে পারে না, বিছানায় এক সেকেন্ডও স্থির হওয়া অসম্ভব—রোগী ঘরের এ মাথা ও মাথা পাগলের মতো হাঁটত থাকে (যদিও শরীরে তখন তীব্র ক্লান্তি)। মনে হয় এই বুঝি জীবন শেষ!

আবার ন‍্যাট্রাম মিউরের ছবিটা পুরোপুরি আলাদা। এদের বুকে জমে থাকে পাহাড়সমান পাথর হয়ে যাওয়া শোক। জীবনের চরম বঞ্চনা বা আঘাতের কথা এরা কারো কাছে প্রকাশ করে না, সান্ত্বনা দিলে মেজাজ আরও চড়ে যায়। এরা নীরবে একলা গুমরে মরে। এই না-বলা কান্নাগুলোই একসময় ফুসফুসকে অবরুদ্ধ করে ফেলে।

এমন তীব্র সংকটে রোগীকে সামনের দিকে কিছুটা ঝুঁকিয়ে বসিয়ে বাতাসের প্রবাহ নিশ্চিত করা দরকার। এরপর বাহ্যিক উপশমের পেছনে না ছুটে, রোগীর অবরুদ্ধ ক্ষোভ আর ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যের গভীর মূল্যায়ন করে সঠিক কনস্টিটিউশনাল সিমিলিমাম দিতে পারলে জীবনীশক্তি তার স্বাভাবিক ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা পায়।

ফুসফুস তো স্রেফ বাতাসের কোনো পাইপ নয়; ওটা তো মানুষের না-বলা দীর্ঘশ্বাসেরই এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি।

ধন্যবাদ।

ডা. তারিক ইমাম
ডি. হোম ইউএস

20/09/2026

ল্যাকেসিস: রিউম্যাটয়েড আর্থরাইটিস

19/09/2026

লিভারের রোগ: হোমিওপ্যাথিক রেমেডি কার্ডুয়াস মারিনাস

চেম্বারে এমন অনেক রোগী দেখা যায়, যারা মাসের পর মাস লেক্সাটিভ (পায়খানা নরম করার ওষুধ) খেয়ে চলছেন। উনাদের ধারণা, পেট তো পর...
19/09/2026

চেম্বারে এমন অনেক রোগী দেখা যায়, যারা মাসের পর মাস লেক্সাটিভ (পায়খানা নরম করার ওষুধ) খেয়ে চলছেন। উনাদের ধারণা, পেট তো পরিষ্কার হচ্ছে, সমস্যা কী?
সমস্যা কিন্তু অনেক গভীরে।

আমাদের পরিপাকতন্ত্র হলো শরীরের দ্বিতীয় মস্তিষ্ক। এর নিজস্ব একটা শক্তিশালী নেটওয়ার্ক আছে এন্টেরিক নার্ভাস সিস্টেম। যখন দিনের পর দিন কোষ্ঠকাঠিন্য থাকে, তখন কোলন (বৃহদন্ত্র) থেকে বিষাক্ত টক্সিনগুলা আবার রক্তে মিশে যেতে শুরু করে। যাকে ফিজিওলজির ভাষায় আমরা বলি রি-অ্যাবজরপশন। লিভার তখন এই অতিরিক্ত আবর্জনা ফিল্টার করতে করতে রীতিমতো হাঁপিয়ে ওঠে।

ফলাফল?

ব্রেইন ফগ বা চিন্তার জড়তা।

সারা দিন একটা ম্যাজম্যাজে ক্লান্তি, কোনো কাজেই ফোকাস থাকে না। অনেকেই এটাকে মানসিক ডিপ্রেশন ভেবে ভুল করেন। আসলে ঘটনা হলো, ভেগাস নার্ভ (মস্তিষ্ক ও পেটের সংযোগকারী প্রধান স্নায়ু) সমানে সিগন্যাল দিচ্ছে যে, ভেতরের মেটাবলিজম পুরোপুরি জ্যাম হয়ে আছে।
কনভেনশনাল সিস্টেমে কী করা হয়? মল নরম করার সিরাপ দেওয়া হয়। এতে সাময়িক কাজ হয় ঠিকই, কিন্তু কোলনের স্বাভাবিক পেরিস্টালসিস মুভমেন্ট (পেশির নিজস্ব সংকোচন-প্রসারণ ক্ষমতা) চিরতরে অলস হয়ে যায়।

হোমিওপ্যাথিতে আমরা স্রেফ মল পরিষ্কারের চিন্তা করি না। আমাদের লক্ষ্য রুট কজ বা মূল কারণ। একজন মানুষ প্রচুর পানি খাচ্ছে, ফাইবার খাচ্ছে, তারপরেও কেন তার রেক্টাম (মলদ্বার) এমন নিষ্ক্রিয়? হয়তো সেখানে লুকিয়ে আছে অ্যালুমিনা-র মতো কোষীয় পর্যায়ের চরম শুষ্কতা, কিংবা ব্রায়োনিয়ার মতো মিউকোসাল ব্যারিয়ারের ড্যামেজ। আবার সাইলেশিয়ার রোগীদের ক্ষেত্রে দেখা যায় মল অর্ধেক বের হয়ে আবার ভেতরে ঢুকে যায় এটা কিন্তু নিছক পেটের সমস্যা না, এটা পিওর স্নায়ুবিক দুর্বলতা (Nervous weakness)।

লক্ষণ জোর করে চাপা দিলে প্যাথলজি আরও গভীরে ঢোকে। কোষ্ঠকাঠিন্যকে স্রেফ একটা সাধারণ উপদ্রব ভাবার দিন শেষ। জীবনীশক্তি বিশৃঙ্খল হওয়ার এটা একটা বড় রেড অ্যালার্ম। শরীর তার নিজস্ব মেকানিজম খুব ভালো বোঝে, শুধু দরকার সেলুলার লেভেলে ওই সিস্টেমটার একটা নিখুঁত রিবুট।

ধন্যবাদ।

ডা. তারিক ইমাম
D . Hom USA
DHMS BHMEC Dhaka
Lalmatia Muhammad pur
Dhaka Bangladesh

সেদিন চেম্বারে এক রোগী এলেন, ব্যথায় রীতিমতো মেঝেতে লুটিয়ে পড়ার অবস্থা হইছিল। দুই হাতে পিঠের এক পাশ চেপে ধরে কাতরাচ্ছেন। ...
18/09/2026

সেদিন চেম্বারে এক রোগী এলেন, ব্যথায় রীতিমতো মেঝেতে লুটিয়ে পড়ার অবস্থা হইছিল। দুই হাতে পিঠের এক পাশ চেপে ধরে কাতরাচ্ছেন। এক মুহূর্ত স্থির হয়ে বসতে পারছেন না।

একেবারে ক্লাসিক্যাল রেনাল কোলিক (কিডনির পাথরজনিত তীব্র খিঁচুনিযুক্ত ব্যথা)।

কথা বলার মতো অবস্থা নেই।

একটু ধাতস্থ হওয়ার পর জানা গেল, মানুষটি বহু বছর ধরে মনের ভেতর তীব্র ক্ষোভ আর পুঞ্জীভূত রাগ চেপে রেখেছেন। অতীত জীবনের এক গভীর মানসিক আঘাত তিনি কিছুতেই ভুলতে পারছেন না, কাউকে ক্ষমাও করতে পারছেন না।

দেহ আর মন তো আলাদা কোনো সত্ত্বা নয়।

মনের ভেতরে যখন দীর্ঘদিনের না-বলা ক্ষোভ, তিক্ততা আর আঘাত জমতে থাকে, জীবনীশক্তি তখন বিশৃঙ্খল হয়ে সেই মানসিক আবেগের শক্ত রূপ দেয় শারীরিক পাথরে। মনের জমে থাকা সেই ভারী পাথরের মতো ক্ষোভ হালকা করে শরীরের স্বাভাবিক বিপাকীয় ছন্দ ফিরিয়ে আনাই হলো চিকিৎসার প্রথম পদক্ষেপ ।

প্যাথলজির চোখে দেখলে, প্রস্রাবে যখন ক্যালসিয়াম অক্সালেট বা ইউরিক এসিডের মতো উপাদানগুলোর ঘনত্ব মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে যায়, তখন এগুলো দানা বাঁধতে বাঁধতে পাথরে রূপ নেয়।

আসল জটিলতা তৈরি হয় পাথরটি যখন কিডনি থেকে নেমে ইউরেটারে (কিডনি থেকে মূত্রথলির সরু নালী) আটকে যায়।

লুমেন বা নালী হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রস্রাবের প্রবাহ থমকে দাঁড়ায়। কিডনির ওপরের অংশে অস্বাভাবিক চাপ তৈরি হয়। শরীর তখন সেই পাথর নিচে নামানোর জন্য মরিয়া হয়ে ইউরেটারে হাইপারপেরিস্টালসিস (অতিরিক্ত ও অনিয়ন্ত্রিত পেশি সংকোচন) শুরু করে। এই তীব্র স্পাজম এবং ইউরেটারের দেয়াল অতিরিক্ত টানটান হয়ে যাওয়ার কারণেই শুরু হয় সেই তীব্র, ঢেউয়ের মতো অসহ্য যন্ত্রণা।

এই অবস্থায় সঠিক রেমেডি নির্বাচনের ক্ষেত্রে লক্ষণভেদ বোঝা খুব জরুরি।

ব্যথাটা যদি বারবারিস ভালগারিস-এর হয়, তবে তা এক জায়গায় স্থির থাকবে না। কিডনি অঞ্চল থেকে শুরু হয়ে ইউরেটার বেয়ে মূত্রথলি, উরু কিংবা কুঁচকিতে বিদ্যুৎচমকের মতো ছড়িয়ে পড়বে (রেডিয়েটিং পেইন)। রোগী সামান্য নড়াচড়া বা ঝাঁকুনিও একদম সইতে পারে না।

আবার সমস্যাটা যদি ডান দিকের কিডনিতে বেশি আঘাত হানে, সাথে পেটে প্রচণ্ড বায়ুর চাপ থাকে এবং বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে কষ্ট বাড়ে—তবে সামনে চলে আসে লাইকোপোডিয়াম। এদের প্রস্রাবে প্রায়ই লালচে বালির মতো তলানি পড়ে। এদের মনস্তত্ত্বে থাকে এক ধরনের চাপা অহংবোধ আর ভেতরের তীব্র নিরাপত্তাহীনতা।

সঠিক হোমিওপ্যাথিক পর্যবেক্ষণে এই সংকেতগুলো ধরতে পারলে শরীর নিজেই তার মেটাবলিক ভারসাম্য পুনরুদ্ধার করার সুযোগ পায়।

কিডনি পাথর কিংবা মূত্রনালীর এই জটিল প্যাথলজি নিয়ে কোনো অজানা প্রশ্ন থাকলে নিচে কমেন্টে নির্দ্বিধায় জানানো যেতে পারে।

ধন্যবাদ।

ডা. তারিক ইমাম
D. Hom USA
DHMS, BHMEC, Dahaka
Lalmatia Muhammad pur
Dhaka Bangladesh.

17/09/2026

যে কোন রোগী, এক ডোজ রেমেডিই যথেষ্ট, যদি সিমিলিমাম হয়।

Address

F/22 Zakir Hossain Raod, Mohammadpur
Dhaka
1207

Opening Hours

Monday 10:00 - 20:00
Tuesday 10:00 - 20:00
Wednesday 10:00 - 20:00
Thursday 10:00 - 20:00
Friday 10:00 - 20:00
Saturday 10:00 - 20:00
Sunday 10:00 - 20:00

Telephone

+8801764319020

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Integrated Homoeopathy by Dr. Tarique Imam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Integrated Homoeopathy by Dr. Tarique Imam:

Shortcuts

Share