Bikosh*to Bangladesh Foundation

Bikosh*to Bangladesh Foundation Bikosh*to Bangladesh is a not for profit organization promoting food safety, nutrition, youth development and organic farming in Bangladesh.

কৃষি অর্থনীতিবিদ ও সংশ্লিষ্ট গবেষকদের তথ্য অনুযায়ী, গত এক দশকে দেশে ফসলের নিবিড় চাষ, উচ্চফলনশীল জাতের বিস্তার এবং সবজি ও...
06/08/2026

কৃষি অর্থনীতিবিদ ও সংশ্লিষ্ট গবেষকদের তথ্য অনুযায়ী, গত এক দশকে দেশে ফসলের নিবিড় চাষ, উচ্চফলনশীল জাতের বিস্তার এবং সবজি ও ফল উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। চাষাবাদ বাড়ার সঙ্গে কীটনাশক ও বালাইনাশক ব্যবহারও বেড়েছে। ২০১৫ সালে দেশে ৩৫ হাজার ৫২৩ টন কীটনাশক ব্যবহার হয়। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে ২০২৪ সালে দেশে কীটনাশকের ব্যবহার হয় ৪০ হাজার ৮৩২ টন। কৃষি মন্ত্রণালয়ের হিসাবে দেশে আবাদযোগ্য কৃষিজমি ৮৮ দশমিক ২৯ লাখ হেক্টর। সেই হিসাবে হেক্টরপ্রতি কীটনাশক ব্যহার হয়েছে ৪ দশমিক ৬২ কেজি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে কীটনাশক ব্যবহারের ধরন বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। একই জমিতে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি মাত্রায় কীটনাশক প্রয়োগ, অনুমোদনহীন মিশ্রণ তৈরি, একই সক্রিয় উপাদান বারবার ব্যবহার এবং ফসল কাটার আগমুহূর্ত পর্যন্ত স্প্রে করার কারণে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ঝুঁকি বাড়ছে। বাজারে আসা শাকসবজি ও ফলমূলেও প্রায়ই অনুমোদিত মাত্রার চেয়ে বেশি কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ বা রেসিডিউ পাওয়া যায়। ফলে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অধিকাংশ কৃষক এখনো প্রি-হারভেস্ট ইন্টারভ্যাল বা কীটনাশক স্প্রে করার পর ফসল তোলার নির্ধারিত অপেক্ষার সময় যথাযথভাবে অনুসরণ করেন না। ফলে রাসায়নিকের অবশিষ্টাংশ সরাসরি খাদ্যশৃঙ্খলে প্রবেশ করছে।
২০২৩ সালে ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাকোলজি বিভাগ ‘বাংলাদেশে সবজি উৎপাদনে কীটনাশকের ব্যবহার: গত এক দশকে দূষণের মাত্রা ও সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যঝুঁকির একটি পদ্ধতিগত পর্যালোচনা’ শীর্ষক গবেষণা প্রকাশ করে। সায়েন্স ডাইরেক্ট সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণায় বলা হয়, তাদের সংগ্রহ করা সবজির নমুনার ২৯ শতাংশেরও বেশি কীটনাশকের অবশিষ্টাংশে দূষিত ছিল। দূষিত নমুনাগুলোর মধ্যে ৭৩ শতাংশে কীটনাশকের অবশিষ্টাংশের মাত্রা সর্বোচ্চ অনুমোদিত সীমা অতিক্রম করেছে।
অন্যদিকে অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারে মাটির উপকারী অণুজীব, পরাগায়নকারী মৌমাছি, জলজ প্রাণী ও জীববৈচিত্র্যের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। অনেক এলাকায় একই কীটনাশক দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে পোকামাকড়ের প্রতিরোধক্ষমতাও (রেজিস্ট্যান্স) তৈরি হয়েছে। এতে কৃষকদের আরো বেশি মাত্রায় বা আরো শক্তিশালী কীটনাশক ব্যবহার করতে হচ্ছে।

দেশে কীটনাশকের ব্যবহারকে আরো বিজ্ঞানভিত্তিক, সীমিত ও পরিবেশবান্ধব করতে নতুন নীতিমালা (পলিসি গাইডলাইন) প্রণীত হচ....

01/08/2026
অংশগ্রহণমূলক পরিকল্পনায় এগিয়ে যাচ্ছে বিদ্যালয়, শক্তিশালী হচ্ছে সংগঠনএকটি মানসম্মত বিদ্যালয় শুধু শিক্ষার্থীদের নয়, পুরো স...
25/07/2026

অংশগ্রহণমূলক পরিকল্পনায় এগিয়ে যাচ্ছে বিদ্যালয়, শক্তিশালী হচ্ছে সংগঠন

একটি মানসম্মত বিদ্যালয় শুধু শিক্ষার্থীদের নয়, পুরো সমাজের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলে। সেই বিশ্বাস থেকেই পাঁচটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠিত হয়েছে একটি বিদ্যালয়ভিত্তিক অংশগ্রহণমূলক পরিকল্পনা সভা, যেখানে শিক্ষক, বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি, অভিভাবক, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, যুব প্রতিনিধি, এডুকেশন ওয়াচ গ্রুপ, গ্রাম পুলিশ এবং নাগরিক সমাজ একসঙ্গে বিদ্যালয়ের উন্নয়নের রূপরেখা নির্ধারণ করেছেন।

আলোচনায় বিদ্যালয়গুলোর বাস্তব সমস্যা চিহ্নিত করে সেগুলোর অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হয় এবং প্রতিটি সমস্যার জন্য দায়িত্ব, সম্ভাব্য সহযোগী এবং বাস্তবায়নের সময়সীমাসহ একটি বাস্তবভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা প্রস্তুত করা হয়েছে।

📌 পরিকল্পনায় গুরুত্ব পেয়েছে—
✅ নিরাপদ ও শিক্ষাবান্ধব বিদ্যালয় পরিবেশ
✅ মানসম্মত মিড-ডে মিল কার্যক্রম
✅ বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা
✅ পর্যাপ্ত বেঞ্চ ও শিক্ষা উপকরণ
✅ খেলাধুলার উপযোগী মাঠ
✅ শিক্ষক সংকট নিরসনের উদ্যোগ
✅ নিয়মিত অভিভাবক সম্পৃক্ততা
✅ বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ও সৌন্দর্যবর্ধন

🤝 এই উদ্যোগের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো সমাজের সম্মিলিত অংশগ্রহণ। স্থানীয়ভাবে সমাধানযোগ্য বিষয়গুলো কমিউনিটির সহযোগিতায় বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, আর অবকাঠামোগত ও নীতিগত সহায়তার প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

একটি অংশগ্রহণমূলক পরিকল্পনা শুধু সমস্যার তালিকা তৈরি করে না—এটি দায়িত্ববোধ, জবাবদিহিতা এবং সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে টেকসই পরিবর্তনের ভিত্তি গড়ে তোলে। শিক্ষা, নিরাপত্তা এবং শিশুবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার এই প্রয়াস ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি ইতিবাচক বিনিয়োগ।

শিক্ষার উন্নয়ন, কমিউনিটির অংশগ্রহণ এবং সম্মিলিত উদ্যোগ—এসবই একটি উন্নত বাংলাদেশের ভিত্তি।

#বিকশিত_বাংলাদেশ_ফাউন্ডেশন #শিক্ষা_উন্নয়ন #অংশগ্রহণমূলক_পরিকল্পনা #বিদ্যালয়_উন্নয়ন #কমিউনিটি_এনগেজমেন্ট #শিশুবান্ধব_বিদ্যালয়

"বিকশিত নারী আমি, আমার কিসের ভয়?"- ওদের আত্মবিশ্বাসী উচ্চারণ। স্বপ্নই ওদের শক্তি, এগিয়ে চলার অদম্য সাহস এই নারীদের পরিচয়...
20/07/2026

"বিকশিত নারী আমি, আমার কিসের ভয়?"- ওদের আত্মবিশ্বাসী উচ্চারণ।
স্বপ্নই ওদের শক্তি, এগিয়ে চলার অদম্য সাহস এই নারীদের পরিচয়।
নারীর ক্ষমতায়ন মানেই পরিবার, সমাজ ও দেশের অগ্রযাত্রা। নারীর শক্তি তার আত্মবিশ্বাসে, সাফল্য তার কর্মে।
আমাদের কালীগঞ্জ, ঝিনাইদহের অদম্য নারীদের আন্তুরিক শুভেচ্ছা জানাই।

বিকশিত আত্মশক্তি ও ক্ষমতায়নের মন্ত্রে গড়িসমৃদ্ধ বাংলাদেশ!
19/07/2026

বিকশিত আত্মশক্তি ও ক্ষমতায়নের মন্ত্রে গড়ি
সমৃদ্ধ বাংলাদেশ!

🌱 নারীর ক্ষমতায়ন শুরু হতে পারে উঠোন থেকেইএকটি ছোট্ট উঠোন-সেখান থেকেই শুরু হতে পারে একটি পরিবারের পুষ্টি, সঞ্চয় এবং একজন...
16/07/2026

🌱 নারীর ক্ষমতায়ন শুরু হতে পারে উঠোন থেকেই

একটি ছোট্ট উঠোন-সেখান থেকেই শুরু হতে পারে একটি পরিবারের পুষ্টি, সঞ্চয় এবং একজন নারীর আত্মনির্ভরতার যাত্রা।

বাড়ির আঙিনায় হাঁস-মুরগি পালন, সবজি চাষ কিংবা ক্ষুদ্র কৃষি উদ্যোগ শুধু অতিরিক্ত আয়ের সুযোগই তৈরি করে না; এটি নারীর সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে, পরিবারের পুষ্টি নিশ্চিত করে এবং শিশুদের জন্য নিরাপদ খাদ্যের যোগান নিশ্চিত করতে সহায়তা করে।

যখন একজন নারী নিজের শ্রম, দক্ষতা ও উদ্যোগ দিয়ে পরিবারের অর্থনীতিতে অবদান রাখেন, তখন তিনি শুধু নিজের জীবনই বদলান না-তিনি বদলে দেন পুরো পরিবার এবং সমাজের ভবিষ্যৎ।

নারীর ক্ষমতায়ন কোনো দূরের স্বপ্ন নয়। এটি শুরু হতে পারে আমাদের নিজেদের বাড়ির উঠোন থেকেই।

আসুন, নারীর সম্ভাবনাকে সম্মান করি, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনকে উৎসাহিত করি এবং একটি আত্মনির্ভর, পুষ্টিসমৃদ্ধ ও বিকশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলি।

#নারীর_ক্ষমতায়ন #নিরাপদ_খাদ্য #আত্মনির্ভর_পরিবার #উঠোনের_কৃষি #টেকসই_উন্নয়ন #বিকশিত_বাংলাদেশ_ফাউন্ডেশন

🥬🐔 নিরাপদ খাদ্যের পথে অর্গানিক ব্রয়লার: সুস্থ ভবিষ্যতের জন্য সময়ের দাবিবাংলাদেশে ব্রয়লার মুরগি প্রাণিজ আমিষের অন্যতম প্র...
14/07/2026

🥬🐔 নিরাপদ খাদ্যের পথে অর্গানিক ব্রয়লার: সুস্থ ভবিষ্যতের জন্য সময়ের দাবি

বাংলাদেশে ব্রয়লার মুরগি প্রাণিজ আমিষের অন্যতম প্রধান উৎস। কিন্তু নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে শুধু উৎপাদনের পরিমাণ নয়, উৎপাদনের পদ্ধতিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

অর্গানিক বা গ্রীণ ব্রয়লার উৎপাদনে গুরুত্ব দেওয়া হয় প্রাকৃতিক খাদ্য, পরিচ্ছন্ন খামার ব্যবস্থাপনা, প্রাণীর কল্যাণ এবং অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার এড়িয়ে চলার ওপর। এ ধরনের উদ্যোগ নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, পরিবেশবান্ধব কৃষি এবং টেকসই গ্রামীণ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

পঞ্চগড়ের বোদা জৈবচাষ খামারের মতো উদ্যোগগুলো দেখিয়ে দিচ্ছে যে পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা ও সচেতনতার মাধ্যমে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত ব্রয়লার উৎপাদন সম্ভব। এমন উদ্যোগ আরও বিস্তৃত হলে একদিকে যেমন নিরাপদ খাদ্যের প্রাপ্যতা বাড়বে, অন্যদিকে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও গ্রামীণ অর্থনীতিও আরও শক্তিশালী হবে।

একজন সচেতন ভোক্তা হিসেবে আমাদেরও দায়িত্ব রয়েছে—বিশ্বস্ত উৎস থেকে খাদ্য সংগ্রহ করা, নিরাপদভাবে সংরক্ষণ করা এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনকারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করা। নিরাপদ খাদ্য কোনো বিলাসিতা নয়; এটি সবার অধিকার এবং একটি সুস্থ বাংলাদেশের ভিত্তি।

🌱 **আসুন, নিরাপদ খাদ্য, দায়িত্বশীল উৎপাদন এবং টেকসই কৃষির পক্ষে একসঙ্গে কাজ করি।**

#নিরাপদখাদ্য #অর্গানিকব্রয়লার #গ্রিনচিকেন #খাদ্যনিরাপত্তা #নিরাপদকৃষি #টেকসইকৃষি #জনস্বাস্থ্য #পোলট্রিখামার #যুবউদ্যোক্তা #বিকশিতবাংলাদেশফাউন্ডেশন

বাংলাদেশের কৃষি ও খাদ্যব্যবস্থাকে কতটা ভাবতে হবে?বৈশ্বিক সংঘাতের প্রভাব শুধু যুদ্ধক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ থাকে না; এর ঢেউ পৌঁ...
01/07/2026

বাংলাদেশের কৃষি ও খাদ্যব্যবস্থাকে কতটা ভাবতে হবে?

বৈশ্বিক সংঘাতের প্রভাব শুধু যুদ্ধক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ থাকে না; এর ঢেউ পৌঁছে যায় খাদ্য, কৃষি, জ্বালানি ও অর্থনীতির প্রতিটি স্তরে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি, সার, পরিবহন ও কৃষি উপকরণের ব্যয় বৃদ্ধি করছে, যা বাংলাদেশের কৃষি উৎপাদন ও খাদ্য নিরাপত্তার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা।

বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই জলবায়ু পরিবর্তন, বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ও লবণাক্ততার মতো নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। এর সঙ্গে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থার অনিশ্চয়তা যুক্ত হলে ক্ষুদ্র কৃষক, নিম্ন আয়ের পরিবার, নারী ও শিশুরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়বে।

✅ এখনই প্রয়োজন—
• স্থানীয় খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি
• টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি
• কৃষকের জন্য সার, বীজ ও কৃষি উপকরণের সহজলভ্যতা
• খাদ্য অপচয় হ্রাস ও উন্নত সংরক্ষণ ব্যবস্থা
• গবেষণা, উদ্ভাবন ও ডিজিটাল কৃষিতে বিনিয়োগ

আজকের সচেতন পরিকল্পনাই আগামী দিনের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে।

Article: https://www.theguardian.com/global-development/2026/may/27/us-israel-war-on-iran-driving-historic-levels-of-global-hunger-un-says?CMP=share_btn_url

#খাদ্যনিরাপত্তা #নিরাপদখাদ্য #কৃষি #বাংলাদেশ #টেকসইকৃষি 🌱

বিশ্বের অনেক দেশেই কৃষি উন্নয়ন ও গ্রামীণ অর্থনীতি বিকাশের অন্যতম ভিত্তি হয়ে উঠেছে সমবায়ভিত্তিক কৃষি ব্যবস্থা। আমরা কোথায়...
28/06/2026

বিশ্বের অনেক দেশেই কৃষি উন্নয়ন ও গ্রামীণ অর্থনীতি বিকাশের অন্যতম ভিত্তি হয়ে উঠেছে সমবায়ভিত্তিক কৃষি ব্যবস্থা। আমরা কোথায়?

বিশ্বের অনেক দেশেই কৃষি উন্নয়ন ও গ্রামীণ অর্থনীতি বিকাশের অন্যতম ভিত্তি হয়ে উঠেছে সমবায়ভিত্তিক কৃষি ব্যবস্থা।

Address

Unit 6C, 3/1, Block-F, Lalmatia (Lyceum Building)
Dhaka
1207

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bikosh*to Bangladesh Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Bikosh*to Bangladesh Foundation:

Shortcuts

Share