Dr Mahmuda Mitu

Dr Mahmuda Mitu " আর অচিরেই আপনার রব আপনাকে অনুগ্রহ দান করবেন, ফলে আপনি সন্তুষ্ট হবেন। "

বুকের দুধ খাওয়ানো নিয়ে আপনাদের সাথে কত যুদ্ধ করেছিলাম মনে আছে নিশ্চয়ই?  অনেকেই তর্ক করতেন। বুকের দুধ হচ্ছে বুলেট প্রুফ জ...
18/05/2026

বুকের দুধ খাওয়ানো নিয়ে আপনাদের সাথে কত যুদ্ধ করেছিলাম মনে আছে নিশ্চয়ই? অনেকেই তর্ক করতেন। বুকের দুধ হচ্ছে বুলেট প্রুফ জ্যাকেটের মতো। ঝড় ঝাপটা আসলে যেসব বাচ্চারা বুকের দুধ খেয়েছে তারপর পারফেক্ট পুষ্টিকর খাবার খেয়েছে তাদের এফেক্ট কম করবে। অথবা তাদের রোগ হলেও সেই রোগের সাথে যুদ্ধ করার শক্তি থাকবে। আগামিতে যারা মা হবেন অবশ্যই চেষ্টা করবেন প্রথম ৩ দিনের শালদুধ যতটা খাওয়াতে পারেন খাইয়ে রাখতে। কারন ওর সারাজীবনের নানা পুষ্টি ওই শালদুধে আছে আর সাথে ৬ মাসের মধ্যে এক ফোটাও বাইরের দুধ না দিতে। এমনকি ওই ৩ দিনের শালদুধের কারনে ওর সামনের জীবনে প্রেসার ডায়বেটিস হওয়ার ঝুঁকি কম থাকবে। বাচ্চা কাঁদলেই বাইরেএ দুধ এনে খাইয়ে দেয়া যাবেনা।

লেখাটা গ্রুপের মেয়েদের জন্য মায়েদের জন্য যারা সারাক্ষণ টেনশন করেন। দু বছর আগের... আপনি যদি মুসলিম হন, আপনার যদি ধর্মে বি...
16/05/2026

লেখাটা গ্রুপের মেয়েদের জন্য মায়েদের জন্য যারা সারাক্ষণ টেনশন করেন। দু বছর আগের...

আপনি যদি মুসলিম হন, আপনার যদি ধর্মে বিশ্বাস থাকে, যদি তাওয়াককুল থাকে তাহলে জীবনের কষ্ট আপনাকে ভাঙতে পারবে না।

আপনি জীবনকে মেনে নিতে শিখবেন, এমনকি মৃত্যুকেও। বুঝবেন, আল্লাহ এই দুনিয়াকে স্থায়ী আরামের জায়গা বানাননি। এখানে প্রত্যেক মানুষই কোনো না কোনো সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

কেউ কাঁদে, কেউ চিৎকার করে নিজের কষ্ট জানায়, আবার কেউ মনে মনে বলে “এটাই আমার রিযিক। আল্লাহ আমার জন্য যা লিখেছেন, আমি তার উপর সন্তুষ্ট।”

আমারও কষ্ট আছে। আমিও আল্লাহকে বলি
“হে আল্লাহ, আমার কষ্ট লাঘব করে দিন, আমার ভাগ্যকে সুপ্রসন্ন করে দিন।”

আমি এটা বলি না যে মানুষ কষ্ট নিয়ে লিখবে না, পোস্ট দেবে না। অবশ্যই বলুন, মন হালকা করুন। তবে সাথে সাথে “অ্যাডাপ্ট” করাও শিখুন। দুঃখ-কষ্ট আল্লাহর উপর ছেড়ে দিতে শিখুন।

যে মানুষ রিযিকে বিশ্বাস করে, সে কি শুধু এই কারণে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাঁদবে যে তার সন্তান মায়ের দুধ খেতে পারেনি?

যে মানুষ তাওয়াককুল বোঝে, সে কি সারাক্ষণ এই ভয় নিয়ে বাঁচবে “আমার সন্তান সুস্থ হবে তো?”

যে মানুষ আল্লাহর সিদ্ধান্তে বিশ্বাস করে, সে কি সন্তান ছেলে না মেয়ে হবে এটা নিয়ে অস্থির হয়ে পড়বে?

এখন অনেকে বলতে পারেন ,তাহলে কি চুপ করে বসে থাকবো? ডাক্তার দেখাবো না? চেষ্টা করবো না?

না।

জীবনটা যেন রেললাইনের মতো এক পাশে তাওয়াককুল, আরেক পাশে চেষ্টা।
১০০% তাওয়াককুল, ১০০% চেষ্টা।

সন্তান গর্ভে আসার পর জ্ঞান অর্জন করা, ডাক্তার দেখানো, নিজের যত্ন নেওয়া এগুলো সবই আপনার চেষ্টা।

আমি বহুবার বলেছি, যেসব মায়েরা বুকের দুধ খাওয়াতে পারেননি, তারা অস্থির হয়ে ফর্মুলাকে “সেরা” প্রমাণ করার চেষ্টা করবেন না।
“ফর্মুলা খাইয়েছি, কিছু তো হয়নি” এই ধরনের অহংকার না করে আল্লাহকে বলুন
“হে আল্লাহ, ভুলে বা পরিস্থিতির কারণে বুকের দুধ খাওয়াতে পারিনি। আপনি আমার সন্তানকে সুস্থতা দিন।”

ডাক্তারের কথার চেয়েও মায়ের দোয়া অনেক শক্তিশালী।
তাই বলে আবার সবাইকে ফর্মুলা খাওয়াতে উৎসাহ দেবেন না। নিজের ভুল বা সীমাবদ্ধতাকে সবার জন্য স্বাভাবিক বানাতে চাওয়া ঠিক নয়।

আমি পরিস্থিতি অনুযায়ী লিখি। আপনাদের অস্থিরতা আর হতাশা দেখেই আজ এসব বললাম।

এত টেনশন আর হতাশা কখনোই ভালো কিছু দেয় না।
মুসলমানের জীবনেও কষ্ট আসবে, হতাশাও আসতে পারে। কিন্তু সে নিজেকে আবার সামলে নেয়। কারণ সে জানে আল্লাহর উপর ভরসা হারানো যাবে না।

15/05/2026
BLIGHTED O**M 😥(খালি গর্ভথলি / Empty Pregnancy)অনেক মা আছেন যাদের প্রেগনেন্সি টেস্ট পজিটিভ আসে, কিন্তু পরে আল্ট্রাসনোগ্র...
15/05/2026

BLIGHTED O**M 😥
(খালি গর্ভথলি / Empty Pregnancy)

অনেক মা আছেন যাদের প্রেগনেন্সি টেস্ট পজিটিভ আসে, কিন্তু পরে আল্ট্রাসনোগ্রামে দেখা যায় বাচ্চা তৈরি হয়নি। এটাকেই Blighted O**m বলা হয়।

🔹 এটা কেন হয়?
আসলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এর নির্দিষ্ট কারণ জানা যায় না। সাধারণত ভ্রূণের শুরুতেই ক্রোমোজোমের সমস্যা হলে এমনটা হয়। এটা মায়ের কোনো দোষ না।

🔹 টেস্ট পজিটিভ আসে কেন?
কারণ শরীরে Pregnancy Hormone (HCG) তৈরি হয়। তাই ইউরিন টেস্টে দুই দাগ আসে, যদিও বাচ্চা ঠিকভাবে গড়ে ওঠে না।

🔹 কী কী লক্ষণ দেখা যায়?
শুরুর দিকে সাধারণ প্রেগনেন্সির মতোই লক্ষণ থাকে:
• বমিভাব
• মাথা ঘোরা
• স্তনে ব্যথা
• খাবারে অরুচি

পরে যখন ভ্রূণের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায় তখন:
• হালকা পেট ব্যথা
• রক্তপাত / spotting শুরু হতে পারে।

🔹 কিভাবে ধরা পড়ে?
আল্ট্রাসনোগ্রামে দেখা যায় জরায়ুতে শুধু গর্ভের থলি (Gestational Sac) আছে, কিন্তু বাচ্চা বা fetal pole নেই।

সাধারণত ৮ সপ্তাহের পরেও fetal pole না দেখা গেলে এবং sac বড় হয়ে গেলে Blighted O**m ধরা হয়।

🔹 তখন কী করতে হয়?
১️⃣ কিছু ক্ষেত্রে অপেক্ষা করলে নিজে নিজেই নষ্ট হয়ে বের হয়ে যায়।

২️⃣ কখনো ওষুধের প্রয়োজন হতে পারে।

৩️⃣ অনেক সময় হাসপাতালে গিয়ে D&C / ওয়াশ করতে হয়।

⚠️ অতিরিক্ত রক্তপাত, মাথা ঘোরা বা দুর্বল লাগলে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে।

🔹 এরপর কি আবার বাচ্চা হবে?
অবশ্যই ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতে আবার স্বাভাবিকভাবে কনসিভ করা সম্ভব।
একবার এমন হলে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।

তবে বারবার হলে ডাক্তার দেখিয়ে কিছু পরীক্ষা করতে হতে পারে।

07/05/2026

আপনাদের মধ্যে কেউ কি গর্ভকালীন সরকারি ভাতা পেয়েছেন? এ ক্ষেত্রে কী কী জটিলতা বা ভোগান্তির মুখোমুখি হতে হয়েছে?

নতুন যারা মা হচ্ছেন, তারা একটি বিষয় মনে রাখবেন বাচ্চা জন্মের পর প্রথম যে দুধ আসে (শালদুধ), তা খুব অল্প হয়। ফোঁটা ফোঁটা, ...
01/05/2026

নতুন যারা মা হচ্ছেন, তারা একটি বিষয় মনে রাখবেন
বাচ্চা জন্মের পর প্রথম যে দুধ আসে (শালদুধ), তা খুব অল্প হয়। ফোঁটা ফোঁটা, অনেকটা হলদে আঠালো আবার পানির মতো, এমনকি ২৪ ঘণ্টায় মাত্র এক টেবিলচামচও হতে পারে। এটাই স্বাভাবিক।

এই সময় বাচ্চা যদি ২৪ ঘণ্টায় একবার প্রস্রাবও করে, সেটাও আমরা ডক্টররা স্বাভাবিক হিসেবেই ধরি। তাই এই সময় মোটেও অধৈর্য হওয়া যাবে না। আশেপাশের মুরুব্বিদেরও বিষয়টি বোঝাতে হবে। সাধারণত উনারাই দুধ পায় না আসে না বলে বেশি অস্থির হন।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা ,এই সময় যদি বেশি দুধ আসতো, তাহলে নবজাতক সেই ফ্লো সহ্যই করতে পারতো না। আল্লাহর সৃষ্টি অত্যন্ত নিখুঁত, এখানে কোনো ভুল নেই।

শালদুধ (Colostrum) খুবই পুষ্টিকর
এতে উচ্চমাত্রার প্রোটিন, শক্তি এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এন্টিবডি থাকে, যা বাচ্চার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে।

দুঃখজনকভাবে, বুকের দুধ নিয়ে সচেতনতা তৈরি করা এখনও কঠিন। অনেক সময় ডাক্তাররাও রোগীদের বুঝাতে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়েন। তাই এখন থেকেই নিজেকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করুন। নিজেকেই কাউন্সেলিং করুন
“আমি পারব, আমি সফল হব” ইন শা আল্লাহ।

আমার সময় আমাকে এভাবে কেউ বোঝায়নি। এখন আমি বোঝাচ্ছি আপনারা কাজে লাগান।বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আর একটি কথা ,যারা ফর্মুলা দুধ ব্যবহার করেছেন, তারা দয়া করে অন্যদের নিরুৎসাহিত করবেন না। এটা কোনো BM vs FM যুদ্ধ নয়। প্রত্যেকের পরিস্থিতি আলাদা। তবে আশা করি, পরবর্তী সময়ে আপনারাও নিজেকে আরও ভালোভাবে প্রস্তুত করবেন।

ডা. মাহমুদা মিতু

কিডনির যত্ন নেন। ডায়ালাইসিসের খরচ জানেন? এক বার করলে কর্পোরেট হাসপাতালে মাত্র ৮ হাজার টাকা, অনেক জায়গায় আড়াই থেকে চার। শ...
28/04/2026

কিডনির যত্ন নেন। ডায়ালাইসিসের খরচ জানেন? এক বার করলে কর্পোরেট হাসপাতালে মাত্র ৮ হাজার টাকা, অনেক জায়গায় আড়াই থেকে চার। শুধু গণস্বাস্থ্যে আটশ টাকা। কম না অনেক? সপ্তাহে ৩ বার করে লাগে। কিন্তু বিন্দুবিন্দু করে ৫ বছরে সাগর হয়।

কিডনি নিজে ব্লাড ফিল্টার করতে না পারলে তখন ডায়ালাইসিস করতে হয়। কন্টিনিউয়াসলি মোট রক্তের ১~২% বের করে তা থেকে মেমব্রেন দিয়ে আয়ন ও পানি সরায়। আর রক্তটা আবার শরীরে ফেরত দেয়। কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বললে purge টাকে সেপারেটরের পর আবার রিসাইকেল করা।

মেডিকেল ক্যাম্পাস

৫ বছর ধরে সপ্তাহে ৩টা করে করালে সাড়ে তিন হাজার করে প্রায় ২৮ লাখ। প্রচুর ওষুধ লাগে, সপ্তাহে ৩~৯ হাজার হলে প্রায় ৮~২৬ লাখ, প্রতিবার যাওয়া আসায় ৮০০ টাকা লাগলে মোট ৬.৫ লাখ। রেগুলার টুকটাক টেস্টে ৩ লাখ। ইলেক্ট্রোলাইট ইমব্যালেন্স হবেই, তাই বছরে দুই একবার হসপিটালাইজ করতেই হবে। দশবার লাগলে খরচ ৫~২০ লাখ। লোক কম হলে বা স্বচ্ছল হলে বাসায় নার্সও রাখা যায়।

মানে ৫ বছরে ৬০ লাখ থেকে দেড় কোটি টাকার মতো লাগে। এর ফলে আপনি ভালো হবেন না, জাস্ট বেচে থাকবেন। আসল খরচ তো রোগীর সামর্থ্য অনুযায়ী।

রাত জাগতে ভালো লাগে? পানি কম খান? হিসু চেপে রাখেন? ডায়াবেটিস নিয়ে চিন্তা নাই? হাই ব্লাডপ্রেশার পাত্তা দেন না? হাবিজাবি খাইতে ভাল্লাগে? ফাস্ট ফুড? দোকানের ফ্রিজে রাখা বার্গারের পেটির ডীপ ফ্রাই বা মেয়নেস ভর্তি পিজ্জা? আইসক্রিম? ভাজা পোড়া? হাবিজাবি? সফট আর হার্ড ড্রিংক্স?

কংগ্রাচুলেশনস! আপনের তো আকাশ ভরা তারা !


©Dr. Masudur Rahman

 #সুযোগ_পেলেই_স্যালাইন_খাওয়াচ্ছেন_বাচ্চাকে? ২০১৬ সালের ৫ মে নিউজ 24 এর একটা নিউজ আমি শেয়ার করেছিলাম । সেখানে দেখা গেছে ঢ...
26/04/2026

#সুযোগ_পেলেই_স্যালাইন_খাওয়াচ্ছেন_বাচ্চাকে?

২০১৬ সালের ৫ মে নিউজ 24 এর একটা নিউজ আমি শেয়ার করেছিলাম ।

সেখানে দেখা গেছে ঢাকা শিশু হাসপাতালের কিডনি বিভাগে কিডনি বিকল হয়েএক মাস ৯ দিন ধরে ভর্তি ৯ মাসের শিশু ফাহিম। তার শরীরে সোডিয়াম বা লবনের মাত্রা ১৭৩ যা ১৩৫-১৪৫ থাকার কথা।

ফাহিমের কিডনি বিকল হওয়ার কারন হিসেবে জানা যায় শিশু ফাহিমের বাবা মা তাকে প্রতিদিন ৫ টি করে স্যালাইন দিতো ৩০০ এম এল পানিতে গুলে।

২০১৬ সালের ঢাকা শিশু হাসপাতালের এক পরিসংখ্যানে দেখা যায় তার আগের ৬ মাসে ভুল নিয়মে স্যালাইন গোলার কারনে প্রান গেছে ১৬ জন শিশুর ভর্তি ছিলো ৪৪ জন। যারা সুস্থ্য হয়েছেন তারাও পরবর্তী নানা রকম ব্রেইনের জটিলতায় ভুগতে পারেন কিডনি বিকলাঙ্গ সহ। ভুল স্যালাইন গুলে খাওয়ালে কিডনি বিকল হয়ে শিশু মারা যেতে পারে। কম পানিতে বেশি পরিমান স্যালাইন গোলা মারাত্মক ঝুকিপূর্ণ একজন শিশুর জন্য।

এই মূহুর্তে আপনার পাশে যে মানুষটি আছেন তাকে কিংবা তার পাশের মানুষটিকে জিজ্ঞেস করুন তো স্যালাইন গোলার সঠিক নিয়ম জানেন কিনা। জিজ্ঞেস করে কমেন্টে জানান দেখেন কতজন জানেন আসলে স্যালাইন গোলার নিয়ম।

২০১৬ সালের সেই শিশু ফাহিম বেঁচে আছে কিনা আমি জানিনা। কিন্তু আপনার আমার প্রচেষ্টা হাজার শিশু ফাহিমের জীবন বাঁচাতে পারে।

আমি কখনোই বলি না যে শেয়ার দিন ,লাইক দিন। কিন্তু এই গরমে এবং ডায়রিয়ার সময়ে এই লেখাটা যেভাবে পারেন মানুষের কাছে পৌছে দিন। সমাজের শিশুদের প্রতি দায়িত্ব থেকে হলেও আমরা সবাইকে লেখাটা পৌছে দেই।

সমাজের প্রতি দায়িত্ব আমি চিকিৎসক বলে আমার একার না। আপনি আমার কাছ থেকে যা শুনলেন সেটা অন্যকে জানানো আপনার দায়িত্ব।

ডায়রিয়ায় স্যালাইন জীবন বাঁচাবে। আধালিটার পানিতে স্যালাইন গুলে খাওয়ানোই হচ্ছে সঠিক নিয়ম।
স্যালাইন না দিলেও শিশু মারা যাবে।

আসুন আমরা সবাই মিলে ফাহিমদের বাঁচাই নিজেরাও বাঁচি ❤️

ডা. মাহমুদা মিতু

যত গরমই পড়ুক, ৬ মাস (১৮০ দিন)পর্যন্ত শিশুর খাদ্য শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধ। এর আগে এক ফোঁটা পানিও নয়।বরং গরমে ব্রেষ্টফিড...
22/04/2026

যত গরমই পড়ুক, ৬ মাস (১৮০ দিন)পর্যন্ত শিশুর খাদ্য শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধ। এর আগে এক ফোঁটা পানিও নয়।বরং গরমে ব্রেষ্টফিডিং করাচ্ছে এমন মায়েদের যত্ন নিন।মা কে একটু রেষ্ট দিন ,পানি ,শরবত দিন।

আল্ট্রার রিপোর্ট তো নরমাল ,বাচ্চার মাথা তো নিচে তাহলে নরমাল ডেলিভারি কেন হবে না? " আপনার সকল রিপোর্ট নরমাল মানেই আপনার ন...
18/04/2026

আল্ট্রার রিপোর্ট তো নরমাল ,বাচ্চার মাথা তো নিচে তাহলে নরমাল ডেলিভারি কেন হবে না?

" আপনার সকল রিপোর্ট নরমাল মানেই আপনার নরমাল ডেলিভারি হবে ব্যাপারটা তেমন না "

এর সাথে নির্দিষ্ট সময়ে জরায়ুর মুখ খোলার সম্পর্কটাও অনেক বেশি ,তার উপর অন্যান্য ফ্যাক্টর, প্রেসার ,ডায়বেটিস ওজন ,উচ্চতা ,কোমড়ের হারের মাপ ,আর ও অনেক ফ্যাক্টর তো আছেই ।

অনেকে বলেন আচ্ছা ওষুধ দেন ,মুখ খোলার ওষুধ তো আছে ।

ধরেন আপনার জরায়ুটা একটা বেলুন ।বেলুনের মধ্যে একটা কিছু আছে আপ্নাকে বের করতে হবে । মুখ খোলার ওষুধের কাজ ওই বেলুনের উপরে চাপ দেয়া ।

এখন মুখ বাধা বেলুনকে আপনি চার পাশ থেকে চাপ দিলেন কি হবে ? নি:সন্দেহে বেলুন ফেটে যাবে । আর যদি বেলুনের মুখ টা অনেক খানি খোলা থাকে পিছন থেকে আপনি চাপ দেয়ার ওষুধ দিলেন তখন ভিতরের জিনিস বের হয়ে যাবে ।

*****(তবে পুরা মুখ খোলার পর ও আপ্নার ডেলিভারিতে অবস্ট্রাকশন বা বাধা আসতে পারে )*****

তাই একটা নির্দিষ্ট সময় না যাওয়া পর্যন্ত ওষুধ দেয়া যায় না ,এর আগে দিলে মা ,বাচ্চার অনেক বড় ক্ষতি হতে পারে ।

এখন বলতে পারেন অনেকের তো ব্যাথা উঠায় ,সেটা অবশ্যই আপনার কন্ডিশন অনুযায়ী ডক্টর যদি সেইফ মনে করে ।সে সিদ্ধান্ত অবশ্যই একজন সিনিয়র গাইনোকোলজিষ্ট নিবেন ।

ডা.মাহমুদা মিতু
এম বি বি এস

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr Mahmuda Mitu posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category