Dr. Ismat Ara Bipasha

Directions Contact the practice

Dr. Ismat Ara Bipasha Welcome to Dr. Ismat Ara Bipasha 's page .
(1)

Gynaecologist
(Appointment 09666-787802), English road branch, Popular diagnostic centre , Dhaka.
আপনার স্বাস্থ্য সমস্যায় সর্বদাই আপনার পাশে আছি। নিয়মিত স্বাস্থ্য টিপস পেতে ফলো করে রাখুন। Consultant Gynae
gynaecologist, obstetrician nd surgeon
Consult for high risk pregnancy, unwanted pregnancy, prenatal counseling, urinary tract infections, Ovarian Cyst, Abortion and miscarriage management, Contraceptive services
Polycystic O***y (PCOS), menopausal disorders, Vaginal Infection, adenomyosis, fibroid uterus, heavy menstrual bleeding, heavy periods etc.

Fueling my afternoon with a plate of pure goodness . Vitamin c + iron boost to keep the energy high .💪
24/08/2026

Fueling my afternoon with a plate of pure goodness . Vitamin c + iron boost to keep the energy high .💪



জীবনটা সত্যিই অনেক সুন্দর। শুধু দেখার মত চোখ আর অনুভব করার মত শান্ত একটা মন থাকা চাই। দুশ্চিন্তা আর অযথা অভিমানে একে নষ্...
24/08/2026

জীবনটা সত্যিই অনেক সুন্দর। শুধু দেখার মত চোখ আর অনুভব করার মত শান্ত একটা মন থাকা চাই। দুশ্চিন্তা আর অযথা অভিমানে একে নষ্ট হতে দিও না। প্রতিটি মুহূর্তকে ভালোবাসো এবং নিজের যত্ন নাও।❤️❤️❤️🌹🌹🌹

📌 বারথলিন সিস্ট (Bartholin's Cyst): নারীদের একটি অত্যন্ত অস্বস্তিকর কিন্তু নিরাময়যোগ্য সমস্যা।অনেক নারীই গোপনাঙ্গে ছোট ...
24/08/2026

📌 বারথলিন সিস্ট (Bartholin's Cyst): নারীদের একটি অত্যন্ত অস্বস্তিকর কিন্তু নিরাময়যোগ্য সমস্যা।
অনেক নারীই গোপনাঙ্গে ছোট কোনো চাকা বা ফোলা ভাব হলে ভীষণ ভয় পেয়ে যান। লোকলজ্জা বা সংকোচের কারণে মুখ ফুটে বলতেও পারেন না। আজকের পোস্টটি এমন একটি সমস্যা নিয়ে, যা চেম্বারে আমরা প্রায়ই পেয়ে থাকি— বারথলিন সিস্ট।

বারথলিন সিস্ট আসলে কী?
মেয়েদের জরায়ুর প্রবেশপথের বা যোনিপথের দুই পাশে দুটি ছোট গ্রন্থি বা গ্ল্যান্ড থাকে, যেগুলোকে বলা হয় বারথলিন গ্ল্যান্ড। স্বাভাবিক অবস্থায় এদের কাজ হলো বিশেষ এক ধরণের তরল বা ফ্লুইড তৈরি করে যোনিপথকে পিচ্ছিল রাখা।
কোনো কারণে যদি এই গ্ল্যান্ডের মুখ বা নালী (Duct) বন্ধ হয়ে যায়, তখন ভেতরে তরল জমে গ্ল্যান্ডটি ফুলে ওঠে। একেই বলা হয় বারথলিন সিস্ট ।

কখন এটি ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়? (বারথলিন অ্যাবসেস)
শুরুতে এই সিস্টে কোনো ব্যথা থাকে না, ছোট একটি সুপারি বা মার্বেলের মতো মনে হতে পারে। কিন্তু যদি এই জমে থাকা তরলে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ঘটে, তবে সেখানে পুঁঁজ জমে যায়। তখন তাকে বলা হয় বারথলিন অ্যাবসেস (Bartholin's Abscess)।

#লক্ষণ:

*তীব্র ব্যথা , যার কারণে ঠিকমতো হাঁটাচলা করা বা বসাও কঠিন হয়ে পড়ে।
*আক্রান্ত স্থানটি লাল হয়ে ফুলে যায় এবং গরম হয়ে থাকে।
*সহবাসের সময় তীব্র অস্বস্তি বা ব্যথা।
*ইনফেকশন বেশি হলে জ্বর আসে।

#ঘরোয়া সমাধান (প্রাথমিক অবস্থায়)
যদি সিস্টটি ছোট থাকে এবং কোনো ব্যথা না থাকে, তবে ঘরে বসেই সিটজ বাথ (Sitz Bath) নিতে পারেন:
একটি বড় গামলায় হালকা গরম পানি নিন (সহ্য করার মতো গরম)। সাথী একটু লবণ বা এপসম সল্ট মিশাতে পারেন।
দিনে ৩ থেকে ৪ বার, ১০-১৫ মিনিটের জন্য ওই গামলায় বসুন।
এটি অনেক সময় বন্ধ হয়ে যাওয়া নালীটিকে খুলে দিতে সাহায্য করে এবং ভেতরের তরল নিজে থেকেই বের হয়ে যায়।

#সাবধানতা: অনেকেই না বুঝে হাত দিয়ে এটি গলানোর বা চাপ দিয়ে পুঁঁজ বের করার চেষ্টা করেন। এটি ভুলেও করবেন না! এতে ইনফেকশন আরও মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে।

#চিকিৎসকের পরামর্শ কখন নেবেন?
*যদি ৩-৪ দিন সিটজ বাথ নেওয়ার পরও কোনো উন্নতি না হয়।
*যদি তীব্র ব্যথা শুরু হয় বা জ্বর আসে।
*আপনার বয়স যদি ৪০-এর বেশি হয় এবং গোপনাঙ্গে নতুন কোনো চাকা বা ফোলা ভাব লক্ষ্য করেন (বয়স্ক নারীদের ক্ষেত্রে এটি অবহেলা করা একদমই উচিত নয়)।

#পরামর্শ:
আপনার শরীরে এমন কোনো অস্বস্তি দেখা দিলে সংকোচ দূর করে একজন গাইনোকোলজিস্টের পরামর্শ নিন। সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা আপনাকে দ্রুত এই তীব্র কষ্ট থেকে মুক্তি দিতে পারে।
✨ সুস্থ থাকুন, সচেতন থাকুন।

23/08/2026

গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত ক্লান্তি, বুক ধড়ফড় বা মাথা ঘোরা কি অ্যানিমিয়ার লক্ষণ? 🩸

মা ও শিশুর সুরক্ষায় পুষ্টিকর আয়রনযুক্ত খাবার খান এবং ডাক্তারের পরামর্শে নিয়মিত আয়রন সাপ্লিমেন্ট নিশ্চিত করুন।
উপকারী মনে হলে শেয়ার করুন এবং যেকোনো প্রশ্নে কমেন্ট করুন! 👇

প্রতিটি নারীর হাসির পেছনে থাকুক নিশ্চিত সুস্বাস্থ্য। নিজের শরীরের যত্ন নিন। লক্ষণ অবহেলা না করে সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসকের...
23/08/2026

প্রতিটি নারীর হাসির পেছনে থাকুক নিশ্চিত সুস্বাস্থ্য। নিজের শরীরের যত্ন নিন। লক্ষণ অবহেলা না করে সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। আপনার সুস্থ যাত্রায় আমি আছি আপনার পাশে। 🌷
#সুস্বাস্থ্য ゚

গর্ভে সন্তানের নড়াচড়া কম অনুভব করছেন? প্যানিক হবেন না, তবে অবহেলাও করবেন না! 🤰গর্ভাবস্থার বিশেষ করে শেষের দিকে শিশুর নড়া...
23/08/2026

গর্ভে সন্তানের নড়াচড়া কম অনুভব করছেন? প্যানিক হবেন না, তবে অবহেলাও করবেন না! 🤰

গর্ভাবস্থার বিশেষ করে শেষের দিকে শিশুর নড়াচড়া বা মুভমেন্ট খেয়াল রাখা প্রতিটি মায়ের জন্যই অত্যন্ত জরুরি। হঠাৎ নড়াচড়া লক্ষণীয়ভাবে কমে যাওয়া বা বন্ধ হয়ে যাওয়া কোনো স্বাভাবিক বিষয় নয়—এটি হতে পারে শিশুর কোনো অস্বস্তির জরুরি সতর্কবার্তা।
নড়াচড়া গণনার সহজ ও বাস্তবসম্মত উপায় (১২ ঘণ্টার নিয়ম):
মায়েদের হিসাব রাখার সুবিধার্থে আমরা সাধারণত ১২ ঘণ্টার একটি নির্দিষ্ট সময়সূচি মেনে চলতে বলি—যেমন সকাল ৮:০০ টা থেকে রাত ৮:০০ টা (অথবা সকাল ৯:০০ টা থেকে রাত ৯:০০ টা)।
স্বাভাবিক মাত্রা: এই ১২ ঘণ্টার মধ্যে একটি সুস্থ শিশু সাধারণত অন্তত ১০ থেকে ১২ বার নড়াচড়া করে (ছোট লাথি, মোচড়, শরীর ঘোরানো বা ধাক্কা—সবই একটি নড়াচড়া হিসেবে গণ্য হবে)।
নড়াচড়া কম মনে হলে তাৎক্ষণিক ব্যবহারিক পদক্ষেপ:
১. এক গ্লাস ঠান্ডা পানি, মিষ্টি শরবত বা হালকা স্ন্যাক্স খেয়ে নিন (মিষ্টি খাবার শিশুর রক্তে শর্করা বাড়িয়ে তাকে সক্রিয় করতে সাহায্য করে)।
২. শান্ত পরিবেশে বাম পাশে কাৎ হয়ে শুয়ে পড়ুন এবং পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে শিশুর নড়াচড়া অনুভব করার চেষ্টা করুন।
কখন বিলম্ব না করে দ্রুত হাসপাতালে যাবেন?
১। যদি নির্ধারিত ১২ ঘণ্টার মধ্যে ১০ থেকে ১২ বার নড়াচড়া না পান।
২। যদি হঠাৎ করে শিশুর নড়াচড়া একেবারেই বন্ধ মনে হয়।
৩। নড়াচড়ার গতি বা শক্তিমত্তা যদি আগের চেয়ে অনেক বেশি দুর্বল মনে হয়।
মনে রাখবেন: "কাল সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করে দেখি" এমন ভাবনা মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। যেকোনো সন্দেহে অবিলম্বে আপনার গাইনি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী নিকটস্থ হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে গিয়ে Non-Stress Test (NST) বা আল্ট্রাসাউন্ডের মাধ্যমে শিশুর হার্টবিট ও সুস্থতা নিশ্চিত করুন।
আপনার সঠিক সময়ে সঠিক সচেতনতাই নিশ্চিত করতে পারে আপনার গর্ভস্থ শিশুর নিরাপদ আগমন। ❤️
)

📌পেটে দাগ মানেই কি 'ডেলিভারি'? আসুন ভুল ধারণা ভাঙি!আমাদের সমাজে একটা মস্ত বড় ভুল ধারণা আছে— মেয়েদের পেটে দাগ (Stretch Ma...
22/08/2026

📌পেটে দাগ মানেই কি 'ডেলিভারি'? আসুন ভুল ধারণা ভাঙি!

আমাদের সমাজে একটা মস্ত বড় ভুল ধারণা আছে— মেয়েদের পেটে দাগ (Stretch Marks) থাকা মানেই তিনি মা হয়েছেন। এই অজ্ঞতার কারণে অনেক অবিবাহিত মেয়েকে ভীষণ রকম সামাজিক ও মানসিক অস্বস্তিতে পড়তে হয়।
চিকিৎসাবিজ্ঞান কিন্তু অন্য কথা বলে। সন্তান হওয়া ছাড়াও একজন অবিবাহিত মেয়ের পেটে বা শরীরে দাগ হতে পারে। কেন?
ওজনের দ্রুত পরিবর্তন: হঠাৎ ওজন খুব বেড়ে গেলে বা কমে গেলে ত্বকের নিচের কোলাজেন ফাইবার ভেঙে এই দাগ তৈরি হয়।
হরমোনের তারতম্য: বয়ঃসন্ধিকালে (Puberty) শরীরে হরমোনের ব্যাপক পরিবর্তনের কারণেও ত্বক প্রসারিত হয় এবং দাগ পড়ে।
শারীরিক গঠন বৃদ্ধি: হঠাৎ উচ্চতা বাড়লে পিঠে, উরুতে বা পেটে স্ট্রেচ মার্কস আসা খুবই স্বাভাবিক।
কিছু ওষুধের প্রভাব: দীর্ঘদিন স্টেরয়েড জাতীয় ক্রিম বা ওষুধ ব্যবহারের ফলেও এমন দাগ হতে পারে।
মূল কথা: স্ট্রেচ মার্কস কোনো 'খুঁত' বা মাতৃত্বের একচেটিয়া লক্ষণ নয়। এটি স্রেফ ত্বকের একটি স্বাভাবিক ইলাস্টিসিটির
পরিবর্তন, যা যেকোনো ছেলে বা মেয়ের শরীরেই থাকতে পারে।
লজ্জা বা সংকোচ নয়, সঠিক তথ্য জানুন এবং অন্যকেও জানান।

✨আপনার কী মতামত? আপনার চেনা পরিচিত কেউ কি কখনো এই সাধারণ বিষয় নিয়ে কোনো ভুল ধারণার শিকার হয়েছেন? কমেন্টে শেয়ার করুন।

22/08/2026

@গর্ভাবস্থায় সারা শরীরে চুলকানি? অবহেলা নয় মোটেও!

🤰গর্ভাবস্থায় পেটের চামড়া টানটান হওয়ার কারণে হালকা চুলকানি স্বাভাবিক। কিন্তু পুরো শরীর জুড়ে, বিশেষ করে হাতের তালু বা পায়ের তলায় তীব্র চুলকানি কোনো সাধারণ বিষয় নাও হতে পারে।

#প্রধান কারণসমূহ:

১। ত্বকের শুষ্কতা: হরমোন পরিবর্তন ও চামড়া টানটান হওয়ার কারণে ত্বক শুষ্ক হয়ে চুলকায়।
২। PUPPP/ pruritic urticarial papules and plaques of pregnancy (পাপ্প): পেট থেকে শুরু হওয়া এক ধরণের লালচে দানা বা স্কিন র‍্যাশ।
৩। ICP Intrahepatic Cholestasis of Pregnancy(লিভারের সমস্যা): গর্ভাবস্থায় লিভারের পিত্তরস রক্তে মিশে গেলে কোনো র‍্যাশ ছাড়াই সারা শরীরে তীব্র চুলকানি হয়। এটি মা ও শিশু উভয়ের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ।

#কখন দ্রুত ডাক্তারের কাছে যাবেন?
*চুলকানি যদি অতিরিক্ত তীব্র হয় এবং রাতে আরও বেড়ে যায়।
*বিশেষ করে হাতের তালু এবং পায়ের পাতায় বেশি চুলকালে।
*চুলকানির সাথে জন্ডিসের লক্ষণ (চোখ বা প্রস্রাব অতিরিক্ত হলুদ) দেখা দিলে।

#সাময়িক স্বস্তির জন্য করণীয়:

*ময়েশ্চারাইজার: গোসলের পর অলিভ অয়েল, নারিকেল তেল বা ভালো লোশন লাগান।
*পোশাক: সবসময় আরামদায়ক, ঢিলেঢালা সুতি কাপড় পরুন।
*ঠান্ডা সেঁক: চুলকানির জায়গায় বরফ বা ঠান্ডা পানির ছ্যাঁকা দিন।

#সতর্কতা: নিজে নিজে কোনো অ্যান্টিহিস্টামিন বা মলম ব্যবহার না করে, তীব্র চুলকানি হলে অবশ্যই আপনার গাইনি চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে লিভারের পরীক্ষা (Liver Function Test) করিয়ে নিন।
সচেতন থাকুন, সুস্থ মাতৃত্ব উপভোগ করুন। 🥰

🤰 গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস: ১ মিনিটে জেনে নিন জরুরি তথ্য! ❤️​গর্ভাবস্থায় (বিশেষ করে ২০ থেকে ২৪ সপ্তাহের পর) হরমোনের পরিবর্ত...
21/08/2026

🤰 গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস: ১ মিনিটে জেনে নিন জরুরি তথ্য! ❤️
​গর্ভাবস্থায় (বিশেষ করে ২০ থেকে ২৪ সপ্তাহের পর) হরমোনের পরিবর্তনের কারণে রক্তে সুগারের মাত্রা বেড়ে যাওয়াকে ‘গর্ভকালীন ডায়াবেটিস’ বলে। সাধারণত সন্তান প্রসবের পর এটি আবার ঠিক হয়ে যায়। কিন্তু অবহেলা করলে মা ও শিশু উভয়েরই ক্ষতি হতে পারে।
​এক নজরে জেনে নিন প্রয়োজনীয় কিছু পয়েন্ট:
​ঝুঁকি কাদের বেশি?

*​যাদের ওজন অতিরিক্ত বেশি।
*​পরিবারে বা আগের গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিসের ইতিহাস থাকলে।
*​৪০ বছরের বেশি বয়সে গর্ভধারণ করলে।

​ সাধারণ কিছু লক্ষণ (অনেকের কোনো লক্ষণ নাও থাকতে পারে):
*​অতিরিক্ত মাত্রায় পানির তৃষ্ণা লাগা।
*​ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ হওয়া।
*​সব সময় খুব বেশি ক্লান্তি বা দুর্বলতা লাগা।

​ করণীয় :

#​টেস্ট : কোনো লক্ষণ না থাকলেও গর্ভাবস্থার ২৪ থেকে ২৮ সপ্তাহের মধ্যে অবশ্যই OGTT (গ্লুকোজ খেয়ে রক্তের পরীক্ষা) করিয়ে নিন। এটি অত্যন্ত জরুরি।

#​নিয়ন্ত্রণ: মিষ্টি ও অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট (ভাত, রুটি) কমিয়ে পুষ্টিকর খাবার খান এবং প্রতিদিন নিয়ম করে অন্তত ২০-৩০ মিনিট হালকা হাঁটাহাঁটি করুন।

#​চিকিৎসা: শুধু খাবার ও হাঁটায় সুগার নিয়ন্ত্রণে না এলে ডাক্তারের পরামর্শে নিরাপদ ওষুধ বা ইনসুলিন ব্যবহার করতে হবে।

​✨ মনে রাখবেন: আপনার একটু সচেতনতাই পারে আপনাকে এবং আপনার অনাগত সন্তানকে সম্পূর্ণ সুস্থ রাখতে। গর্ভাবস্থার ২৪ থেকে ২৮ সপ্তাহের মধ্যে রক্তের সুগার টেস্ট করতে একদম ভুলবেন না!
​আপনার গর্ভাবস্থার বর্তমান সপ্তাহ কত চলছে? কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানাতে পারেন। 🥰

​ #সুস্থ_মা_সুস্থ_শিশু #গাইনি_পরামর্শ

নরমাল ডেলিভারি: মা ও শিশুর নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সেরা পছন্দ ❤️🤰প্রাকৃতিক উপায়ে সন্তান জন্ম দেওয়ার সবচেয়ে সুন্দর মাধ্যম হলো...
20/08/2026

নরমাল ডেলিভারি: মা ও শিশুর নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সেরা পছন্দ ❤️🤰
প্রাকৃতিক উপায়ে সন্তান জন্ম দেওয়ার সবচেয়ে সুন্দর মাধ্যম হলো নরমাল ডেলিভারি। মা ও গর্ভস্থ শিশু—উভয়েই যখন সুস্থ থাকেন এবং কোনো ধরণের ডাক্তারি জটিলতা না থাকে, তখন এটিই প্রথম ও সেরা পছন্দ।
কেন এটি সেরা?
*দ্রুত শারীরিক সুস্থতা ও স্বাভাবিক জীবনে ফেরা যায়।
*হাসপাতালে কম সময় অবস্থান করা যায় এরকম অবস্থান করা যায়।
*ইনফেকশনের ঝুঁকি তুলনামূলক অনেক কম।
*প্রসবের পর দ্রুত ও সহজে শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ান যায়।
তবে মনে রাখা জরুরি, প্রতিটি গর্ভাবস্থাই অনন্য। প্রসবকালীন সময়ে বা গর্ভাবস্থায় কোনো আকস্মিক জটিলতা দেখা দিলে মা ও শিশুর জীবন রক্ষায় সিজারিয়ান (C-section) ডেলিভারিই সবচেয়ে নিরাপদ মাধ্যম হয়ে ওঠে।
মনে রাখবেন, সিজারিয়ান ডেলিভারি কোনো ব্যর্থতা নয়—চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এটি মা ও শিশুর জীবন বাঁচানোর এক অনন্য ও প্রয়োজনীয় উপহার।

Address

02 English Road, Popular Diagnostic
Dhaka

Opening Hours

Monday 18:00 - 21:00
Tuesday 18:00 - 21:00
Wednesday 18:00 - 21:00
Thursday 18:00 - 21:00
Saturday 18:00 - 21:00
Sunday 18:00 - 21:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Ismat Ara Bipasha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Ismat Ara Bipasha:

Shortcuts

Share

Category