Dr. Josepha Elizabeth

Dr. Josepha Elizabeth Working in the field of public health research at icddr,b.

Dr. Josepha Elizabeth
Dental Surgeon

Graduated from Bangladesh Dental College and pursued post gradution training in Preventive and Paediatric Dentistry as well as Masters in Public Health.

নিজের ভোটকেন্দ্র এবং ভোটার নম্বর খুঁজে বের করুন:*******************আমরা অনেকেই হয়তো এখনো ভোটার স্লিপ পাই নি, কোত্থেকে ত...
06/02/2026

নিজের ভোটকেন্দ্র এবং ভোটার নম্বর খুঁজে বের করুন:

*******************

আমরা অনেকেই হয়তো এখনো ভোটার স্লিপ পাই নি, কোত্থেকে তুলতে হবে বুঝতে পারছি না, আমার কেন্দ্র কোথায়, সিরিয়াল নাম্বার কত কিছুই হয়তো জানি না। আমাদের মত সবার জন্য বাংলাদেশ ইলেকশন কমিশন সেক্রেটারিয়েট থেকে চমৎকার একটা অ্যাপ ক্রিয়েট করা হয়েছে। অ্যাপটি ইন্সটল করে ধাপে ধাপে আগালে ভোট দান সংক্রান্ত সকল তথ্যই জানা যাবে।

ধাপসমূহ:
--------

১। google play store এ গিয়ে smart election management BD লিখে সার্চ দিন।

২। ছবির এপটি চলে আসলে সেটি ইন্সটল করুন।

৩। ইন্সটলেশনের পর অ্যাপটি ওপেন করে National Parliament election ট্যাবটি সিলেক্ট করুন।

৪। এরপর আপনি যে বিভাগের ভোটার সেটি সিলেক্ট করুন, যেমন ঢাকা।

৫। এরপর নিচের ডান কোনায় find a voting centre এ ক্লিক করুন।

৬। পরবর্তী ধাপে ন্যাশনাল আইডি নাম্বার এবং জন্ম তারিখ লিখে সার্চ বাটনে ক্লিক করুন।

৭। সাথে সাথেই আপনার ভোটার নম্বর, ভোটিং সিরিয়াল নম্বর, ভোট কেন্দ্রের নাম, কেন্দ্রের ঠিকানা এবং কেন্দ্রের গুগল ম্যাপ লোকেশন সহ পেয়ে যাবেন।

*****************

ভোটের দিন এই সকল তথ্য নিয়ে আপনার ন্যাশনাল আইডি কার্ড সহ ভোট দিতে চলে যান। অমুক দল তো জিতবেই, ভোট দিয়ে আর কি হবে - এই ধারণা নিয়ে ঘরে বসে থাকলে যাদের জেতার কথা নয়, তারাই জিতে যাবে।

ভোট আপনার অধিকার!
অনুগ্রহ করে এই অধিকারটি প্রয়োগ করুন!
দেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণে অংশগ্রহণ করুন!

ডা. যোসেফা এলিজাবেথ
০৬ - ০২ - ২০২৬

   গত ২৮ মে ছিল Menstrual hygiene day. শুধু আমাদের বাংলাদেশে নয়, সারা পৃথিবীতেই আজও সামাজিক বাধা আর পরিবারের সংকোচের কার...
30/05/2025




গত ২৮ মে ছিল Menstrual hygiene day. শুধু আমাদের বাংলাদেশে নয়, সারা পৃথিবীতেই আজও সামাজিক বাধা আর পরিবারের সংকোচের কারনে বয়:সন্ধিকালে এসেও শিশুরা মাসিক/পিরিয়ড/মেন্সট্রুয়েশন সম্পর্কে অজ্ঞ থেকে যায়! এই বৈজ্ঞানিক সত্যকে একসেপ্ট করতে শারীরিক বা মানসিক, কোনভাবেই সে শতভাগ প্রস্তুত হয়ে ওঠে না। অনেকের কাছে এটা এমনই এক লজ্জার এবং গোপনীয়তার বিষয় যে, অনেক মাও তার মেয়ের সাথে আলাপ করে তাকে প্রস্তুত করতে অস্বস্তিবোধ করেন।

ফলস্বরূপ আজও প্রথম মাসিকের অভিজ্ঞতায় আঁতকে ওঠে বেশিরভাগ শিশু! শারীরিক যন্ত্রনার পাশাপাশি সে শিকার হয় দুর্বিসহ মানসিক যন্ত্রণার। পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব কোথাও সে তার অসহায়ত্ব আর যন্ত্রনার কথা বলতে পারে না, তাই বিন্দুমাত্র সহানুভূতিও সে পায় না শুধুমাত্র সোশাল স্টিগমা এবং ট্যাবুর কারনে।

আজও পিরিয়ডের যন্ত্রণা চেপেই প্রত্যেকটা মেয়েকে দৈনন্দিন কাজ করে যেতে হয়, হোক তা ঘরে বা বাইরে। কাপড় ধুতে গিয়ে প্রচন্ড ব্যথায় কোমর ছিঁড়েই যাক, অফিসে বসে থাকতে থাকতে পিঠ ভেংগেই আসুক, সিঁড়ি বাইতে বাইতে মাথাই ঘুরুক, চোখে ঝাপসাই দেখুক আর রাঁধতে রাঁধতে বমিই হোক না কেন, কাউকে কিচ্ছু বলা যাবে না। আজকাল অসুখ হলেও জোর গলায় বলা যায়, ছুটি নেয়া যায়। কিন্তু পিরিয়ড হলে কোন ছুটি বা বিশ্রাম মেলে না। মিলবে কেন! এ যে প্রতি মাসের রুটিন ব্যাপার, প্রতি মেয়ের রুটিন ব্যাপার!

আজও বহু মেয়ে একটা স্যানিটারী ন্যাপকিন জোর গলায় কিনতে পারে না, এ যে লজ্জার ব্যাপার! স্রষ্টা প্রদত্ত যে ক্ষমতায় মেয়েরা সন্তান ধারন করতে সক্ষম, পৃথিবীকে একটা নতুন প্রাণের স্পন্দন দিতে সক্ষম, সমাজের কাছে তা তো নোংরা ব্যাপার! তাই মেয়েকে চুপ করে এক পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়, ভিড় কমে গেলে আস্তে আস্তে ন্যাপকিন চাইতে হয়, দোকানদার অনেকটা চুরি করে একটা কাগজের প্যাকেটে ন্যাপকিন পেঁচিয়ে দিলে তা চুপি চুপি নিয়ে জোর কদমে হেঁটে আসতে হয়, যেন কেউ দেখে না ফেলে! যেন কি এক অবৈধ কাজ হচ্ছে!

আজও বহু মেয়ে স্যানিটারী ন্যাপকিন কেনার ক্ষমতা রাখে না। যার পেটের ভাত জোটে না, ন্যাপকিন তার কাছে বিলাসদ্রব্য বৈ কি! তাই আজও মাসের পর মাস সেই নোংরা ন্যাকড়া ব্যবহার, দিনের দিনের পর দিন আলো-বাতাসহীন জীবানুযুক্ত স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশে ন্যাকড়া শুকানো। আজও একটা ভাল রেস্টরুম বা টয়লেট পাওয়া যায় না বলে মেয়েরা ন্যাপকিন বা প্যাড চেইঞ্জ করতে পারে না। ঘন্টার পর ঘন্টা একই প্যাড পরে মুখ বুজে কাজ করে যেতে হয়। এই সব কিছুরই ফলাফল তীব্র যন্ত্রণাদায়ক রোগ-ব্যাধি!

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

আজ World Menstrual Hygiene Day, বিশ্ব পিরিয়ডকালীন স্বাস্থ্য দিবস। যারা এই শব্দটা শুনলেই ঘেন্নায় মুখ ফিরিয়ে নেন, আপনাদের জন্মদাত্রী মায়েরা এই পিরিয়ড হয় বলেই আপনাদেরকে পৃথিবীতে নিয়ে আসতে পেরেছেন। আমাদের মায়েরা, খালারা, নানীরা, দাদীরা অনেকে সুযোগ, সুবিধা এবং চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত ছিলেন। কিন্তু তার মানে এই না যে আমাদের মেয়েরা এবং বোনেরাও আজকের দিনে দুর্ভোগ পোহাবে।

Period Friendly World বা পিরিয়ড বান্ধব পৃথিবী আজকের দিনের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়। যেন প্রতিটা মানুষ খোলা মনে এই ব্যাপারে আলাপ করতে পারে, যেন সাহায্য চাইতে পারে, যেন লোকলজ্জা আর গালমন্দের ভয়ে একটি মেয়েরও স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্থ না হয়!

শুরুটা হতে পারে আপনার ঘর থেকে,
আপনাকে দিয়েই,
আপনি কি প্রস্তুত?

Dr. Josepha Elizabeth

Celebrating my 3rd year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉
23/05/2025

Celebrating my 3rd year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

পাব্লিক হেলথ বা জনস্বাস্থ্য ঘরানায় দীর্ঘদিন গবেষণা ভিত্তিক কাজ করার সুবাদে প্রজেক্ট বেইজড এক্সপোজার হয়েছে অনেক। তারই ধার...
12/05/2025

পাব্লিক হেলথ বা জনস্বাস্থ্য ঘরানায় দীর্ঘদিন গবেষণা ভিত্তিক কাজ করার সুবাদে প্রজেক্ট বেইজড এক্সপোজার হয়েছে অনেক। তারই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন প্রজেক্ট লিড দিতে গিয়ে এবং নতুন নতুন কাজের সুযোগ খুঁজতে গিয়ে একসময় ফিল করলাম প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট সংক্রান্ত পড়াশোনাটা করা জরুরী। ব্যস, BiMS থেকে করে ফেললাম একটা Post Graduate Diploma. (In Project Management - PGDPM)

সার্টিফিকেটটা যখন হাতে পেলাম তখন আমি আর পাবলিক হেলথে নেই। একটা কর্পোরেট প্রাইভেট হসপিটালের ক্লিনিকাল কোয়ালিটি সার্ভিসে ঢুকে গেছি। তামিম ইকবালের কেসটা ম্যানেজ করার পরেই মূলত হসপিটালটা বেশি লাইমলাইটে এসেছে। এখানে আমাকে কোয়ালিটি কন্ট্রোল, কোয়ালিটি এসিউরেন্স, হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট সহ পুরোদস্তুর এডমিনিস্ট্রেটিভ কাজ করতে হয়। কিন্তু এর মধ্যেও দেখলাম PGDPM টা আমাকে হেল্প করছে, এখানেও শিক্ষাটা সমান প্রাসঙ্গিক। যদিও এখানে জয়েন করার পর প্রচন্ড প্রেসারের কারণে ঠিকমতো পড়তে পারি নি, পরীক্ষা ভালো হয়নি, কোনমতে টেনেটুনে পাস। কিন্তু আমার বর্তমান বস - হসপিটালের পরিচালক ডা. রাজীব হাসান স্যারের কাছ থেকে আমি যে উৎসাহটা পেয়েছি তা অতুলনীয়।

স্যার একজন স্বনামধন্য সার্জন যার স্পেশালিটিই হল লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট। তিনি নিজে যেমন সারাদিন যতটুকু সময় পান লেখাপড়া করেন, তেমনি আশেপাশের মানুষগুলোকেও পড়তে উৎসাহ দেন। তাই সার্টিফিকেটটা হাতে পেয়েই বসের কাছে চলে গেলাম আনন্দটা শেয়ার করতে।

বস যথেষ্ট এপ্রিশিয়েট তো করলেনই, দুষ্টুমি করে জিজ্ঞেসও করলেন, "কে খাওয়াবে? আমি না তুমি?"
আমি দরাজ দিলে বললাম, "স্যার আমি খাওয়াবো!"
বস বললেন, "অসম্ভব! তুমি কষ্ট করে পড়ছো, পাস করছো, আবার তুমিই খাওয়াবা? এটা কোন কথা?"
এবং সাথে সাথেই তাঁর এসিস্ট্যান্টকে ডাক দিয়ে বললেন, "এই, আমাদের এই ফ্লোরে এইদিকে যারা আছে সবার জন্য আইসক্রিম নিয়ে আসো, ভাল দেখে আনবা!"

শুধু এটা বলেই ক্ষান্ত হলেন না। আইসক্রিম আনালেন, সবার প্রথম আইসক্রিমটা আমার হাতেই ধরিয়ে দিলেন, এবং তারপরে সবাইকে একসাথে জড়ো করে ঘটা করে বললেন, "এই, ছবি তোল!"
আমি মোটামুটি শরমে কাচুমাচু! বারবার মনে হচ্ছে যে বস এসব কি করছেন! বলেও ফেললাম যে স্যার আপনি লজ্জা দিচ্ছেন।
স্যারের জবাব, "লাগুক একটু লজ্জা, সবাই দেখুক, এনকারেজড হোক, পড়ুক! এখন থেকে আমাদের হসপিটালের প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট আরো ভাল হবে 😁😁"

*****************

একটা পোস্ট গ্র‍্যাজুয়েট ডিপ্লোমা এমন আহামরি কিছু না। কিন্তু বসের এপ্রিশিয়েশনটা রীতিমত আনএক্সপেক্টেড ছিল। আমার মত, দুধের শিশুর মত একজন সাবঅর্ডিনেটের প্রতি তাঁর আচরনই আমাকে স্পেশাল ফিল করিয়েছে। এই দেশের কন্টেক্সটে একজন সাপোর্টিভ এবং এনকারেজিং সুপারভাইজার পাওয়া নসিবের ব্যাপার। আমি স্রষ্টার কাছে কৃতজ্ঞ যে উনি আমার নসিবে ভালো ভালো কিছু বস রেখেছিলেন, তাঁর মধ্যে রাজীব স্যারও একজন।

অল্প কথায় লিখব ভেবেছিলাম, পারলাম না। ছবিতে আমার পাশেই আমার বস। দোয়া চাই যেন স্রষ্টা বসকে দীর্ঘায়ু দান করেন, তার হাত দিয়ে যেন লাখো রোগীর উপশম হয়, এবং আমি যেন কোন একদিন তাঁর মত বস হতে পারি! যিনি শুধু একা উপরে ওঠেন না, আশেপাশের সবাইকেও টেনে তুলতে চান!

Dr. Josepha Elizabeth
Senior Executive
Clinical Quality Services
KPJ Specialized Hospital
Kashimpur, Gazipur

পিএমএস (PMS) বা প্রিমেন্সট্রুয়াল সিনড্রোম (Premenstrual Syndrome):-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=...
15/03/2025

পিএমএস (PMS) বা প্রিমেন্সট্রুয়াল সিনড্রোম (Premenstrual Syndrome):
-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-

প্রতি মাসে মেন্সট্রুয়েশন বা পিরিয়ড শুরু হবার আগে আগে প্রায় সব নারীই কম-বেশি বিভিন্ন ধরনের লক্ষন বা উপসর্গ অনুভব করে থাকেন। এসকল শারীরিক, মানসিক এবং আচরণগত উপসর্গগুলোকে একত্রে প্রিমেন্সট্রুয়াল সিনড্রোম বলা হয়। সামান্য কিছু লক্ষণ একই রকম হলেও প্রত্যেক নারীর ক্ষেত্রে লক্ষণগুলো আলাদ আলাদা এবং বিচিত্র। এমনকি একই নারীর প্রত্যেক মাসের লক্ষণগুলোও সবসময় একই রকম হয় না।

পিএমএস (PMS) কখন হয়ঃ
=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=

সাধারনত পিরিয়ড শুরু হবার ১ – ২ সপ্তাহ আগে থেকেই লক্ষনগুলো প্রকাশ পেতে থাকে। তবে শুরুর ঠিক ৭/৮ দিন আগে থেকে লক্ষনগুলোর তীব্রতা বেশি অনুভূত হয়। আবার পিরিয়ড শুরু হবার ৩-৪ দিন পরেই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আপনা-আপনি ঠিক হয়ে যায়।

মানসিক এবং আচরনগত প্রিমেন্সট্রুয়াল সিনড্রোমসমূহঃ
=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-

• মুড সুইং – এটি সবচেয়ে বেশি কমন। হুটহাট করে মুড বা মেজাজের পরিবর্তন, অকারনেই হাসি, কান্না, রাগ; এক মুহূর্তে আনন্দ আবার পরমুহূর্তেই বিষাদ ইত্যাদি। এটি চাইলেও সব সময় নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না,
• মেজাজ খিটখিটে হয়ে থাকা,
• হুট করে রেগে যাওয়া,
• মন খারাপ বা বিষাদগ্রস্ততা, কান্নাকাটি করা,
• অকারন অস্থিরতা,
• মানসিক অবসাদ, হতাশা,
• হুটহাট কোন একটি খাবারের প্রতি দুর্নিবার আকর্ষন বা খুব খাওয়ার ইচ্ছে হওয়া, খাবারের রুচি এবং ক্ষুধার পরিবর্তন,
• যে কোন ব্যাপারে মনোযোগ ধরে রাখতে সমস্যা, কাজের মান খারাপ হওয়া, কাজে ভুল হওয়া, যথাসময়ে কাজ শেষ করতে না পারা,
• মানুষজন এড়িয়ে চলতে চাওয়া বা একা থাকতে চাওয়া,
• শারীরিক সম্পর্কের আগ্রহে পরিবর্তন ইত্যাদি।

শারীরিক প্রিমেন্সট্রুয়াল সিনড্রোমসমূহঃ
-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=

• মাংসে বা গিঁটে ব্যথা,
• ঘুম কম হওয়া,
• শারীরিক অবসাদ বা ক্লান্তি,
• পেটে গ্যাস হওয়া এবং পেটে ব্যথা,
• কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া,
• মাথা ব্যথা,
• স্তনে ব্যথা,
• ব্রন বা একনি দেখা দেয়া ইত্যাদি।

পিএমএসের কারনঃ
-=-=-=-=-=-=-=-=-=-

• হরমোনালঃ
-------------------
এই সময়টায় নারীদেহে বিভিন্ন ধরনের হরমোনের রিয়েকশন, ইন্টারএকশনসহ খুব জটিল খেলা চলতে থাকে, এরাই মূলতঃ দায়ী। এর প্রভাব সামলাতে সকল নারীকেই হিমশিম খেতে হয়। তাই সারা জীবন জুড়ে প্রতি মাসে একই ঘটনা ঘটার পরেও এতে কেউ-ই পুরোপুরি অভ্যস্ত হতে পারে না, একে নিয়ন্ত্রনের কোন পদ্ধতিও কারো জানা নেই।

• রাসায়নিকঃ
--------------------
হরমোনাল প্রভাবের কারনে এই সময়ে নারীদের মস্তিষ্কেও বেশ কিছু রাসায়নিক পরিবর্তন হয়। এই দুই পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওয়াতে গিয়ে প্রতিটি নারীই নিরবে যুদ্ধ করে যান।

• পারিপার্শ্বিকঃ
----------------------
এই সময়টায় নারীদের কেউই বুঝতে চায় না। পরিবারে, কর্মক্ষেত্রে সব খানেই মুখ বুজে তাদেরকে প্রতিদিনকার দায়িত্ব পালন করে যেতে হয়। এ সময়টায় সবাই একটু সহানুভূতি বা মানসিক সাপোর্ট আশা করে। সেটা তো তারা পানই না, উলটো তারা ঢং করছেন, নাটক করছেন, এক্সট্রা সুবিধা নিতে চাইছেন – এমন ধরনের চিন্তাধারার কারনে তারা আরো বেশি মানসিক চাপে থাকেন এবং সমস্যা হলেও কাউকে জানান না বা সাহায্য নিতে স্বাছন্দ্যবোধ করেন না। ফলে এর প্রভাব শরীরেও পড়ে।

সমাধানঃ
-=-=-=-=-

সাদা চোখে এর কোন সমাধান নেই। পরিমিত সুষম খাবার এবং ব্যয়ামের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। পর্যাপ্ত পরিমান বিশ্রাম নিতে হবে। পছন্দের গান শোনা, মুভি দেখা বা ঘুরতে যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা এবং অফিস কলিগরা যদি এই সময় নারীকে একটু স্পেস দেন, মানসিকভাবে সাপোর্ট করেন এবং একটু বুঝে চলেন তাহলে এই অবদানটুকুই নারীর মনে অনেক বড় পজিটিভ প্রভাল ফেলতে পারে।

অনেক ক্ষেত্রে পিএমএস খুবই মারাত্মক আকার ধারন করে এবং তখন চিকিৎসকের পরামর্শই শ্রেয়। আশেপাশের অনেকেই বলবে এসব আবার এমন কি, সবারই তো হয়, আমাদের কি হয় নি, যত্তসব নাটক – কিন্তু এসব কানে তোলা যাবে না। পিএমএস মারাত্মক পর্যায়ে চলে গেলে সেটা খুবই ক্ষতিকর এবং এই অসুখকে প্রিমেন্সট্রুয়াল ডিসফোরিক ডিজঅর্ডার (PMDD) নামে অভিহিত করা হয়। অবশ্যই এর চিকিৎসা প্রয়োজন।

উপসংহারঃ
-=-=-=-=-=-

প্রতিটি নারীর নিজেকে বুঝতে হবে। শরীর বিশ্রাম চাইলে তাকে বিশ্রাম দিতে হবে, মন আদর চাইলে তাকে আদর করতে হবে। আপনার খারাপ লাগা, ভাল লাগা নিকটজনদের সাথে ভাগাভাগি করে নিন। পরিবারের অন্যান্যরাও নারীদের একটু সহানুভূতির চোখে দেখুন। তারা সংকোচ করলেও আপনারা তাদের খবর নিন, কোন সাহায্য লাগলে এগিয়ে যান। নারী মানেই সব পারি, নারী মানেই সুপারওম্যান, ব্যাপারটা সবসময় এমন নয়। তাই এই নাজুক সময়ে তার প্রতি খেয়াল রাখুন।
ভাল রাখুন, ভাল থাকুন!

ডা. যোসেফা এলিজাবেথ

=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-=-

বছরের শেষ দিনে আমরা আনন্দ করতেই পারি, তবে মুহুর্মুহু আতশবাজি আর পটকা না ফুটাই। অবলা জীবজন্তু ভয়ে এলোমেলো ছোটাছুটি করে, ...
31/12/2024

বছরের শেষ দিনে আমরা আনন্দ করতেই পারি,

তবে মুহুর্মুহু আতশবাজি আর পটকা না ফুটাই। অবলা জীবজন্তু ভয়ে এলোমেলো ছোটাছুটি করে, হাজার হাজার পাখি মারা যায়। সেই আলাপে না হয় নাই গেলাম। বিভিন্ন বাসায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধা থাকেন, ছোট্ট ছোট্ট শিশু থাকে। তাদের কথাটা একবার হলেও মনে করবেন প্লিজ!

আরেক আতংকের নাম ফানুস। ফানুস থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা তো নতুন নয়, প্রতিবছরই ঘটছে। তাই একটু সতর্ক হই। একান্তই ফানুস ওড়ানোর ইচ্ছে থাকলে আমার মত শহর থেকে দূরে কোথাও চলে যান, তারপর নিরালায় ফানুস ওড়ান। না মানুষের ক্ষতি হবে, না প্রাণীকূলের, না গাছপালার!

নতুন বছরের অগ্রিম শুভেচ্ছা!

Address

Dhaka
1212

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Josepha Elizabeth posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Josepha Elizabeth:

Shortcuts

Share

Category