31/08/2026
সন্তান ধারণের ক্ষেত্রে পুরুষের গুরুত্ব কতটা??
সমান সমান। তবে এই সমাজে বাচ্চা না হলে একটা মেয়েকেই শুধু দায়ী করা হয়।
বন্ধ্যাত্বের সমস্যা নির্ণয়ে নারী ও পুরুষ—উভয়েরই পরীক্ষা করা জরুরি।
শুক্রাণুর সংখ্যা বা গুণগত মান কমে যাওয়া, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন কিংবা কিছু দীর্ঘমেয়াদি রোগের কারণে পুরুষের প্রজননক্ষমতা কমে যেতে পারে।
পুরুষের বন্ধ্যাত্ব কোনো একক রোগ নয়। তাই নিজে থেকে ওষুধ বা ভেষজ উপাদান ব্যবহার না করে ডাক্তার দেখান।
প্রথমেই বীর্য পরীক্ষা, হরমোন পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য পরীক্ষার মাধ্যমে কারণ নির্ণয় করা উচিত।
জীবনযাপনের বেশ কিছু পরিবর্তন খুব হেল্পফুল।
ধূমপান, অ্যালকোহল ও মাদকদ্রব্য শুক্রাণুর সংখ্যা, গতি ও গুণগত মান কমিয়ে দেয়। তাই এসব অভ্যাস পরিহার করা জরুরি।
কীটনাশকমুক্ত ও স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে।
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ডিম, মাছ, চর্বিহীন মাংস, দুধ, ডাল, বাদাম, সবুজ শাকসবজি ও মৌসুমি ফল রাখা উচিত। ভিটামিন সি, ভিটামিন ই, জিঙ্ক, সেলেনিয়াম, ফলিক অ্যাসিড এবং ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ খাবার শুক্রাণুর স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক হতে পারে।
প্রতিদিন ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট হাঁটা বা মাঝারি মাত্রার ব্যায়াম শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।
দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ এবং অনিয়মিত ঘুম প্রজননস্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুম এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখলে হরমোনের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় থাকে।
দীর্ঘ সময় গরম পানিতে গোসল, কোলে ল্যাপটপ রেখে কাজ করা বা আঁটসাঁট পোশাক পরলে অণ্ডকোষের তাপমাত্রা বেড়ে যেতে পারে, যা শুক্রাণু উৎপাদনে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। তাই আরামদায়ক পোশাক পরা এবং অতিরিক্ত তাপ অ্যাভয়েড করতে হবে।
ডায়াবেটিস, থাইরয়েডের সমস্যা, ভ্যারিকোসিল বা যৌনবাহিত সংক্রমণের মতো রোগ থাকলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।
প্রয়োজন অনুযায়ী আইইউআই, আইভিএফ বা ইকসির মতো সহায়ক প্রজনন প্রযুক্তিরও সহায়তা নেওয়া যেতে পারে।
( আগের একটা ভিডিওতে আমরা অসংখ্য শুক্রাণুর আনাগোনা দেখেছি আর এই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে শুক্রাণুর সংখ্যা খুবই কম। তাও এটি আই ইউ আই এর জন্য প্রিপারেশন করা। যেখানে মৃত ও এবনরমাল বীর্য গুলোকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে)