31/07/2026
মাওয়া বয়কট
পদ্মার ইলিশ, মাওয়া ঘাট ও পদ্মা সেতুর সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতিদিন অসংখ্য ভ্রমণপিপাসু মানুষ সেখানে যান। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, সেই আনন্দের ভ্রমণ অনেকের জন্য হয়রানিতে পরিণত হচ্ছে।
আমার অভিজ্ঞতায়, মাওয়া ঘাটের পাশেই মেইন রাস্তায় 'টোল' নামে টাকা আদায় করা হচ্ছে। আগে একটি স্থানে ২০ টাকা নেওয়া হতো। বর্তমানে ঘাটের আগে অল্প দূরত্বের মধ্যেই একাধিক পয়েন্টে টাকা দিতে হয়। প্রতি মোটরসাইকেল বাবদ, একটি স্থানে ৩০ টাকা এবং আরেকটি স্থানে ২০ টাকা করে দিতে হচ্ছে।
প্রশ্ন হলো—
এই টাকা কোথায় যায়?
কোন কর্তৃপক্ষের অনুমোদনে এই অর্থ আদায় করা হচ্ছে?
এর প্রকৃত দায়িত্বে বা অংশীদার কারা?
এসব কার্যক্রমের পেছনে কারা প্রভাব বা সহযোগিতা দিচ্ছে?
শুধু মোটরসাইকেল নয়, স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী বড় মাইক্রোবাস, প্রাইভেট কারসহ অন্যান্য যানবাহনের ক্ষেত্রেও আরও বেশি অর্থ আদায় করা হচ্ছে, যা অনেকের জন্য উদ্বেগের বিষয়।
সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, অনেক ভ্রমণকারী অভিযোগ করেন যে এসব বিষয়ে প্রশ্ন তুললে বা প্রতিবাদ করলে দুর্ব্যবহারের শিকার হতে হয় এবং কি তলার হুমকিও দেয় । এমন অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া জরুরি।
প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। যদি এসব অর্থ আদায় বৈধ হয়, তাহলে তার নিয়ম, হার ও কর্তৃপক্ষ সম্পর্কে জনসাধারণকে স্পষ্টভাবে জানানো হোক। আর যদি অবৈধভাবে চাঁদাবাজি হয়ে থাকে, তাহলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হোক, যাতে সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার না হন।
এই পরিস্থিতির প্রতিবাদে Storm Riders Club (SRC)
ভ্রমণ হোক আনন্দের, হয়রানির নয়।