13/08/2026
কিছু যাদুকর কুরআন এর উপর দাড়ায়, কুরআন নিয়ে টয়লেটে প্রবেশ করে। অনেক যাদুকর অপবিত্র বস্তু দিয়ে কুরআনের আয়াত লেখে। কেউ হায়েযের রক্ত দিয়ে কুরআনের আয়াত লেখে। আবার কেউ নিজের পায়ের তলার ওপর কুরআনের আয়াত লেখে। কেউ সূরা উল্টোভাবে লেখে। কেউ অজু ছাড়া নামাজ পড়ে। কেউ দীর্ঘ সময় জুনুব অবস্থায় থাকে। কেউ শয়তানের উদ্দেশ্যে পশু জবাই করে; জবাই করার সময় আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে না এবং শয়তান যে স্থান নির্ধারণ করে দেয় সেখানে সেই পশুটিকে ফেলে দেয়।
তাদের কেউ গ্রহ-নক্ষত্রের কাছে সাহায্য চায় এবং আল্লাহকে বাদ দিয়ে সেগুলোর সামনে সিজদা করে। কেউ নিজের মায়ের সঙ্গে অথবা নিজের মেয়ের সঙ্গে যিনা করে।
এখান থেকে আমাদের কাছে স্পষ্ট হয় যে, জিন কোনো বিনিময় ছাড়া যাদুকরকে সাহায্য করে না বা তার সেবা করে না। যাদুকর যত বেশি কুফরিতে লিপ্ত হয়, শয়তান তার প্রতি তত বেশি অনুগত হয় এবং তার নির্দেশ বাস্তবায়ন তত দ্রুত হয়।
আর যাদুকর যদি শয়তান তাকে যে কুফরী কাজগুলো করতে নির্দেশ দিয়েছে, সেগুলো পালনে অবহেলা করে, তাহলে শয়তান তার সেবা করা থেকে বিরত থাকে এবং তার আদেশ অমান্য করে।
সুতরাংঃ যাদুকর ও শয়তান হলো দুই সঙ্গী, যারা আল্লাহর অবাধ্যতার ওপর একত্রিত হয়েছে