Shifa Ul Quran

Shifa Ul Quran আমরা রুকইয়াহ সেবা নিয়ে কাজ করি। এবং আমাদের মুল লক্ষ্য মানুষকে শিরক ও কুফুর মুক্ত জীবন চলার পথে সহযোগিতা করা।

✅জিনের আসর ✅ জাদুটোনা,ব্ল্যাক ম্যাজিক ✅বদনজর ✅হাসাদ ✅ওয়াসওয়াসা,ওসিডি এবং এগুলোর প্রভাবে সৃষ্ট অন্যান্য শারীরিক মানসিক সমস্যার নববী চিকিৎসা ও পরামর্শ প্রদান ✅ ইসলামিক কাউন্সিলিং ✅ ইসলামিক লাইফস্টাইল ✅ জীবনের নানান সমস্যার ইসলামিক সমাধান।

তালার যাদু সাধারনত তালার যাদু করা হয় কোন কিছুকে বন্ধ করে রাখার জন্য সেটা হতে পারে রিযিক বন্ধ ,বিয়ে বন্ধ ,বন্ধ্যাত্ব অথবা...
27/08/2026

তালার যাদু
সাধারনত তালার যাদু করা হয় কোন কিছুকে বন্ধ করে রাখার জন্য সেটা হতে পারে রিযিক বন্ধ ,বিয়ে বন্ধ ,বন্ধ্যাত্ব অথবা স্বামিকে এমন করে রাখা যেন স্বামি তাঁর স্ত্রী ব্যতিত অন্য কোন নারীর দিকে না যাক।

23/08/2026

গত পোস্টে বলেছিলাম রুকইয়াহ করার পর ভিক্টিম সুস্থ হয়ে যাওয়ার পর আবার অসুস্থ হয়ে যায় কেন এবং তা সমাধান হতে চায় না কেন?
আজকে তাঁর বিস্তারিত উল্লেখ করবো

# ওয়াসওয়াসা
=> ভিক্টিম সুস্থ হওয়ার পরে যখন শারিরিক ভাবে বা অন্য কোন ভাবে অসুস্থ হয় তখন শয়তান অথবা ক্বারিন এই ওয়াসওয়াসা দেয় যে সে এখনো সুস্থ হয় নাই তাঁর যাদু গুলা রয়ে গেছে আর তখন ভিক্টিম আবারও মনে করতে শুরু করে যে সে আবারও অসুস্থ হয়ে পরছে।

# ব্যক্তি নিজ মনের ভাবনা থেকেই
=> ভিক্টিম সুস্থ হয়ে গেছে এটা ভিক্টিম অনেক সময় বিশ্বাস করতে চায় না। কারন দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকার ফলে তাঁর মানসিক বিষয় এমন হয়ে গেছে যে সে সুস্থতা ফিল করতে পারে না।

# নতুন করে যাদু করার ফলে।
=> যখন ভিক্টিমের শত্রু জানতে পারে বা বুঝতে পারে ভিক্টিম সুস্থ হয়ে গেছে তখন আবার সে যাদুকরের কাছে যেয়ে পুনরায় যাদু করে।

# হাসাদ
=> ব্যক্তির হাসাদের প্রভাব গুলো রয়ে যাওয়ার কারনে ব্যক্তি পুনরায় অসুস্থ হয়ে যেতে পারে কেননা যাদুকর পূর্বে যাদু করে হাসাদের বশেই। আর সেই হাসাদের প্রভাবের কারনে ভিক্টিম আবার অসুস্থ হয়ে যেতে পারে।

# নতুন করে জ্বীন আক্রান্ত
=> এটি খুব রেয়ার কেস তবে এমন টা হতে পারে কেননা যখন আমরা যাদুতে আক্রান্ত হই বা জ্বীন আক্রান্ত হই তখন সেই নাপাকির একটা প্রভাব আমাদের শরীরের মধ্যে থেকে যা আমাদের দীর্ঘ আমলের মধ্যে থেকে সেই প্রভাব কাটিয়ে নিতে হয় কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভিক্টিম না পারাতে জ্বীন আক্রান্ত হতে পারে।

আল্লাহু আলাম

22/08/2026

অনেক আক্রান্ত ব্যক্তি আল্লাহ'র অনুগ্রহে চিকিৎসার মাধ্যমে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যান এবং আল্লাহর অনুগ্রহে সুস্থতার লক্ষণও প্রকাশ পায়। চিকিৎসক যখন তাকে জানান যে সে সুস্থ হয়ে গেছে, তখন দেখা যায় সে দ্রুতই আবার অসুস্থ হয়ে পড়ে। আবার কখনো এমন হয় যে, তার পূর্বের কিছু উপসর্গ থেকে যায়, যা যত রাকীর কাছেই যাক না কেন, কোনোভাবেই সমাধান হতে চায় না। এর পেছনে বেশ কিছু কারণ থাকতে পারে।
ইনশা আল্লাহ সেই কারন গুলো শিঘ্রই তুলে ধরবো।

15/08/2026

মানসিক ও শারীরিক অবসাদের যাদুর লক্ষণ

১) সবসময় অলসতা ও অবসন্নতা লাগা দীর্ঘ সময় ঘুমিয়েও ক্লান্ত অনুভব হওয়া।

২) কোনো সুস্পষ্ট কারণ ছাড়াই সবসময় দুঃখ ও হতাশা লাগা।

৩) জীবন সম্পর্কে নিরাশ ও হতাশাগ্রস্ত অনুভব করা।
অতিরিক্ত ভুলে যাওয়া ও অন্যমনস্ক থাকা।

৪) বিশেষ করে সন্ধ্যায় বুক ধড়ফড় বা দমবন্ধ অনুভব করা।

৫) আগে যেসব বিষয়কে ভয় পেত না সেগুলো নিয়ে অযৌক্তিক ভয় ও উদ্বেগ কাজ করা।

৬) অল্পতেই রেগে যাওয়া ও অতিরিক্ত রাগ।

৭) হঠাৎ কোনো কারণ ছাড়াই কান্না করা।

৮) কোনো শারীরিক কারণ ছাড়াই শরীরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে ব্যথা অনুভব করা।

৯) দীর্ঘস্থায়ী মাথাব্যথা থাকা বিশেষ করে মাথার পেছনের দিকে।

১০) পেট ও পাকস্থলীতে ব্যথা।

১১) হাত পায়ে অবশভাব ও ঝিনঝিন লেগে থাকা।

১২) শরীরে কালসিটে দাগ দেখা দিয়ে আবার মিলিয়ে যাওয়া।

১৩) মাথা সবসময় ভারীভারী মনে হওয়া যেন কয়েক টন ওজন।

১৪) অতিরিক্ত ঘাম ও ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া।

১৫) ক্ষুধামন্দা অথবা অতিরিক্ত খাওয়া।

13/08/2026

কিছু যাদুকর কুরআন এর উপর দাড়ায়, কুরআন নিয়ে টয়লেটে প্রবেশ করে। অনেক যাদুকর অপবিত্র বস্তু দিয়ে কুরআনের আয়াত লেখে। কেউ হায়েযের রক্ত দিয়ে কুরআনের আয়াত লেখে। আবার কেউ নিজের পায়ের তলার ওপর কুরআনের আয়াত লেখে। কেউ সূরা উল্টোভাবে লেখে। কেউ অজু ছাড়া নামাজ পড়ে। কেউ দীর্ঘ সময় জুনুব অবস্থায় থাকে। কেউ শয়তানের উদ্দেশ্যে পশু জবাই করে; জবাই করার সময় আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে না এবং শয়তান যে স্থান নির্ধারণ করে দেয় সেখানে সেই পশুটিকে ফেলে দেয়।
তাদের কেউ গ্রহ-নক্ষত্রের কাছে সাহায্য চায় এবং আল্লাহকে বাদ দিয়ে সেগুলোর সামনে সিজদা করে। কেউ নিজের মায়ের সঙ্গে অথবা নিজের মেয়ের সঙ্গে যিনা করে।
এখান থেকে আমাদের কাছে স্পষ্ট হয় যে, জিন কোনো বিনিময় ছাড়া যাদুকরকে সাহায্য করে না বা তার সেবা করে না। যাদুকর যত বেশি কুফরিতে লিপ্ত হয়, শয়তান তার প্রতি তত বেশি অনুগত হয় এবং তার নির্দেশ বাস্তবায়ন তত দ্রুত হয়।
আর যাদুকর যদি শয়তান তাকে যে কুফরী কাজগুলো করতে নির্দেশ দিয়েছে, সেগুলো পালনে অবহেলা করে, তাহলে শয়তান তার সেবা করা থেকে বিরত থাকে এবং তার আদেশ অমান্য করে।
সুতরাংঃ যাদুকর ও শয়তান হলো দুই সঙ্গী, যারা আল্লাহর অবাধ্যতার ওপর একত্রিত হয়েছে

11/08/2026

বদনজরের ক্ষেত্রে বদনজরকারীর নিঃশ্বাসের সঙ্গে শয়তান বদনজরে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে প্রবেশ করে।
( আত তাওদীহাতুল জালিয়্যাহ ফি রুক্বইয়াতুশ শারইয়্যাহ)

07/08/2026

যাদুর সাথে সম্পৃক্ততা ও পক্ষ
১) মানুষ যাদুকর।
=> এমন ব্যক্তি যে নিজে জ্বীন অথবা শয়তান দিয়ে কাজ করে এবং অন্যের ক্ষতি করে।

২) জ্বীন যাদুকর
=> জ্বীন যাদুকর হলো জ্বীনদের মধ্যকার শয়তান। সে যাদু করতে মানুষ যাদুকর থেকেও পারদর্শি সে মানুষ যাদুকরকে যাদু করার বিভিন্ন উপায় শিখিয়ে দেয় এবং তাকে এ কাজে উৎসাহ দেয়।

৩) যাদুর খাদেম
=> যাদুর খাদেম হলো যাদুকে যে পরিচালনা করে এবং তা বাস্তবায়িত করার ক্ষেত্রে কাজ করে। এইখানে অনেক সময় খাদেম না চাইতেও যাদুগ্রস্ত ব্যক্তির শরিরে যাদুর কারনে থাকতে হয়।

৪) যাদুর পাহাড়াদার / পর্যবেক্ষক
=> যাদুর পাহাড়াদারের কাজ হলো যাদুগ্রস্ত ব্যক্তি ও যাদুর খাদেমের উপর নজর রাখা এবং সব সময় পর্যবেক্ষন করা। এরা যাদুর খাদেম ও যাদুকরের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। যাদু রিনিউ করতে এদের অনেক ভুমিকা থাকে।

৫) যাদুর আদেশকারি
=> যাদুর আদেশকারি হলো ঐ ব্যক্তি যে আপনার ক্ষতি করার জন্য যাদুকরের কাছে যায়।

৬) যাদুগ্রস্থ
=> যাদুগ্রস্থ হলো ঐ ব্যক্তি যেনি অন্য কারোর আক্রশের কারনে যাদুতে আক্রান্ত হয়েছে। অবশ্যই আল্লাহ যাদুতে আক্রান্ত করে যাদুগ্রস্থ ব্যক্তিকে পরীক্ষা নেন।

03/08/2026

শরিরের মধ্যে প্রভাব সৃষ্টিকারি ও প্রবেশকারি যাদুর প্রকারভেদ।

১) السحر المأكول والمشروب (খাওয়ানো বা পান করানো যাদু)
=> এই যাদু খাওয়ানো অথবা কোন কিছু পান করিয়ে করানো হয়।

২) السحر المشموم (ঘ্রাণের মাধ্যমে করা যাদু)
=> কোন প্রকার সুগন্ধি যেমনঃ আতর বা ধুপ এর ঘ্রাণের মাধ্যমে করা হয়।

৩) السحر المنثور (গুড়ো জাতিয় পদার্থ ছিটানো যাদু)
=> কোন গুড়ো জাতিয় পদার্থ যেমনঃ লবন, চিনি,বালু ধরনের পদার্থ ছিটিয়ে করা হয়।

৪) السحر المرشوش (পানিয় জাতিয় পদার্থ ছিটানো যাদু)
=> সবচেয়ে সহজ ও বহুল প্রচলিত যাদুর মধ্যে এটি একটি এটি আছরদার এবং প্রয়োগ সহজ। পানি অথবা তরল জাতিয় পদার্থ ছিটিয়ে করা হয় এখানে রক্ত ছিটানোও থাকতে পারে।

৫) السحر المعلق (ঝুলন্ত যাদু)
=> এটি ঝুলিয়ে রাখা যাদু এটি পাখির সাথে যাদু বেধে বেশিরভাগ সময় করা হয়।

02/08/2026

গত পোস্টে বলেছিলাম যাদু ২ ভাবে করা হয় একটি শরিরের বাইরে, দ্বিতীয়টি শরিরের মধ্যে। আজ শরীরের বাইরে যাদুর অবস্থান সম্পর্কে লিখবো।

শরীরের বাইরে যেভাবে যাদু রাখা হয়।
১) السحر الهوائي ( বাতাসের সংস্পর্শে থাকা যাদু)
=> যাদুর উপাদান এমন স্থানে রাখা হয় যেখানে তা বাতাসের প্রবাহের সংস্পর্শে থাকে। যেমন ( গাছে ঝুলানো)

২) السحر المائي (পানিতে রাখা যাদু)
=> যাদুর উপাদান সমুদ্র, নদী, কূপ বা পানির প্রবাহ হয় এমন স্থানে ফেলে দেয়া হয়।

৩) السحر الناري (আগুনের সংস্পর্শে রাখা যাদু)
=> যাদুর উপাদান আগুনের মধ্যে রাখা হয় অথবা আগুনের উৎসের আশেপাশে রাখা হয় অথবা সুর্যের উত্তাপ আসে এমন স্থানে রাখা হয়।

৪) السحر الترابي (মাটির সাথে সম্পর্কিত যাদু)
=> যাদুর উপাদান মাটির নিচে পুঁতে রাখা হয়, যেমনঃ কবরস্থান, রাস্তা বা বাড়ির চারপাশ বা উঠানে।

বিদ্রঃ আগামি পোস্টে শরিরে প্রবেশকারি ও প্রভাব বিস্তারকারি প্রকার সম্পর্কে লিখবো

31/07/2026

যাদু ২ টি পদ্ধতিতে করা হয়
১) যাকে যাদু করা হয় তার শরীরের বাইরে যাদুর উপাদান গুলো রাখা হয়। যেমনঃ মাটিতে পুঁতে রাখা, সমুদ্রে ফেলে দেয়া, অথবা এমন কোনো স্থানে রাখা হয় যা আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের বাইরে।

২) যাদুর উপাদান আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের ভেতরে প্রবেশ করানো হয়।পান করানো, খাওয়ানো অথবা শোঁকানোর মাধ্যমে হতে পারে। সাধারণত এসব জিনিস নাপাক উপাদান দিয়ে প্রস্তুত করা হয়। যেমনঃ হায়েযের রক্ত, প্রস্রাব, কুকুরের লালা, মৃত প্রাণীর রক্ত অথবা শূকরের রক্ত ইত্যাদি।

বিদ্রঃ আগামি পোস্টে এই বিষয়ে আরো কিছু বিষয় তুলে ধরবো ইনশা আল্লাহ।

Address

১০১ উত্তর গোড়ান বাজার রোড (প্রি-ক্যাডেট স্কুল এর গলি)
Dhaka
1236

Telephone

+8801954575700

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shifa Ul Quran posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Shifa Ul Quran:

Shortcuts

Share