Psychologist Naiem

Directions

Psychologist Naiem Psychotherapist || IO Psychologist || Social Skill Trainer

সম্পর্কে Privacy থাকা উচিত, নাকি সবকিছু Share করা উচিত? “আমাদের মধ্যে আবার Privacy কিসের?”“সে যদি আমাকে সত্যিই ভালোবাসে,...
01/10/2026

সম্পর্কে Privacy থাকা উচিত, নাকি সবকিছু Share করা উচিত?

“আমাদের মধ্যে আবার Privacy কিসের?”

“সে যদি আমাকে সত্যিই ভালোবাসে, তাহলে সবকিছু আমাকে বলবে।”

“আমার কাছে লুকানোর কী আছে?”

সম্পর্কে এমন কথা আমরা প্রায়ই শুনি।

কিন্তু একটা বিষয় মনে রাখা জরুরি, ভালোবাসা মানেই ব্যক্তিগত জায়গা হারিয়ে ফেলা নয়।একটা Healthy relationship-এ দুজন মানুষ কাছের হয়, কিন্তু তারপরও প্রত্যেকের নিজের কিছু Personal Space, Privacy এবং Individuality থাকতে পারে।

আপনার পার্টনারের নিজের বন্ধু থাকতে পারে। নিজের কিছু সময় থাকতে পারে। ব্যক্তিগত কিছু কথা বা অনুভূতি থাকতে পারে, যেগুলো সে হয়তো এখনই শেয়ার করতে প্রস্তুত নয়।এটা মানেই সে কিছু লুকাচ্ছে, এমন নয়।

আবার Privacy-এর নাম করে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গোপন করাও Healthy নয়।

যেমন— প্রতারণা, আর্থিক বিষয়ে বড় সিদ্ধান্ত, অন্য কারও সঙ্গে এমন সম্পর্ক যা আপনাদের সম্পর্ককে প্রভাবিত করছে,এসব বিষয় গোপন রাখা আর Personal Privacy এক জিনিস নয়।

তাহলে Healthy Boundary কোথায়?

Privacy মানে:
“আমার নিজের একটা ব্যক্তিগত জায়গা আছে।”

Secrecy মানে:
“আমি এমন কিছু ইচ্ছাকৃতভাবে লুকাচ্ছি, যেটা জানলে আমাদের সম্পর্কের ওপর প্রভাব পড়বে।”

এই দুটোর পার্থক্য বোঝা খুব গুরুত্বপূর্ণ।কারণ যখন ভালোবাসাকে প্রমাণ করতে গিয়ে আমরা একে অপরের ফোন, Password, Location, Message, সবকিছুর Access চাইতে শুরু করি, তখন সম্পর্কের মধ্যে Trust-এর জায়গায় Surveillance চলে আসতে পারে।

তাই ভালো সম্পর্কের প্রশ্ন হওয়া উচিত-

“তুমি আমার কাছ থেকে কী লুকাচ্ছ?”

এর চেয়ে,

“আমাদের সম্পর্কে এমন কী আছে, যেটা দুজনের মধ্যে খোলামেলা থাকা দরকার?”

সবকিছু Share করা ভালোবাসার একমাত্র প্রমাণ নয়।

আবার সবকিছু গোপন রাখাও স্বাধীনতা নয়।

Healthy relationship-এ Closeness এবং Privacy দুটোরই জায়গা থাকে।

30/09/2026

"Friends are the family we choose for ourselves." — Edna Buchanan

"সব সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা জরুরি নয়।"ছোটবেলা থেকেই আমরা শুনে আসি, “সম্পর্ক ভাঙা যাবে না, মানিয়ে নিতে হবে।”কিন্তু সত্যি কি স...
30/09/2026

"সব সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা জরুরি নয়।"

ছোটবেলা থেকেই আমরা শুনে আসি, “সম্পর্ক ভাঙা যাবে না, মানিয়ে নিতে হবে।”
কিন্তু সত্যি কি সব সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা জরুরি?

একটা সম্পর্ক তখনই সুন্দর, যখন সেখানে ভালোবাসার পাশাপাশি সম্মান, নিরাপত্তা, বিশ্বাস এবং পারস্পরিক যত্ন থাকে।কিন্তু যদি কোনো সম্পর্কে বারবার অপমান করা হয়, আপনার সীমারেখা মানা না হয়, আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করা হয়, প্রতারণা বা মানসিক নির্যাতনের মতো আচরণ চলতেই থাকে, তাহলে শুধু “সম্পর্কটা টিকিয়ে রাখতে হবে” ভেবে সবকিছু সহ্য করা স্বাস্থ্যকর নাও হতে পারে।

অনেক সময় আমরা সম্পর্কটা নয়, বরং সম্পর্ক হারানোর ভয়টাকেই আঁকড়ে ধরে থাকি।আর ভাবি, “মানুষ কী বলবে?”
“এত বছরের সম্পর্ক, কীভাবে শেষ করব?”
“হয়তো একদিন সব ঠিক হয়ে যাবে।”

কিন্তু একটা সম্পর্ক দীর্ঘদিনের হলেই সেটা স্বাস্থ্যকর হবে, এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই।আবার তার মানে এই নয় যে, একটু ঝগড়া হলেই সম্পর্ক শেষ করে দিতে হবে।

Healthy relationship-এও conflict থাকে।
ভুল হয়, কষ্ট হয়, মতের অমিল হয়। কিন্তু সেখানে দুজনেই কথা বলার, দায়িত্ব নেওয়ার এবং পরিবর্তনের চেষ্টা করে।

তাই সম্পর্ক শেষ করার আগে নিজেকে প্রশ্ন করুন, “আমরা কি সমস্যার বিরুদ্ধে একসাথে লড়ছি, নাকি একজন আরেকজনের বিরুদ্ধে?”

সব সম্পর্ক ধরে রাখা জরুরি নয়।কিছু সম্পর্ককে ঠিক করার চেষ্টা করতে হয়, আর কিছু সম্পর্ক থেকে নিজেকে রক্ষা করে বেরিয়ে আসতেও হয়।

কারণ সম্পর্কের উদ্দেশ্য শুধু পাশে থাকা নয়,নিরাপদভাবে পাশে থাকা।

Adult loneliness - যা কাউকে বোঝানো যায়না কোনো ঝগড়া হয়নি। কেউ কাউকে কষ্ট দেয়নি। কেউ হারিয়েও যায়নি। তবুও একদিন রাতে ব...
29/09/2026

Adult loneliness - যা কাউকে বোঝানো যায়না

কোনো ঝগড়া হয়নি। কেউ কাউকে কষ্ট দেয়নি। কেউ হারিয়েও যায়নি। তবুও একদিন রাতে বসে মনে হলো, কথা বলার মতো কেউ নেই।

এটাই হলো Adult loneliness. এটা কাউকে বোঝানো যায়না কারণ এখানে কোনো নাটকীয়তা নেই। কারো দোষ নেই। আসলে সবাই শুধু ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। কেউ বিয়ে করেছে, কেউ অন্য শহরে চলে গেছে, কেউ সন্তান সামলাচ্ছে, কেউ নতুন কাজে মন দিয়েছে। জীবন এগিয়ে গেছে। আর এই এগিয়ে যাওয়ার মাঝখানে কোথাও আপনারা একে অপরের প্রতিদিনের জীবন থেকে বেরিয়ে এসেছেন ধীরে ধীরে। এই ট্রানজিশন টা বুঝতেও পারেননি।

মানুষগুলো এখনো আছে। ফোন করলে ধরবে। মেসেজ দিলে রিপ্লাই আসবে। কিন্তু সেই সম্পর্কে আপনার জায়গাটা আর আগের মতো নেই। আগে যা এমনিই বলতেন, এখন সেটা বলতে গেলে মনে হয় অনেকদিন পরে হঠাৎ ফোন করাটা অস্বাভাবিক লাগবে। তাই আর করা হয় না।

মনোবিজ্ঞানী Julianne Holt-Lunstad তার গবেষণায় বলেছেন, এই ধরনের একাকীত্ব মানুষের মানসিক এবং শারীরিক স্বাস্থ্যে গভীর প্রভাব ফেলে। কাউকে হারানোর কষ্টের মতোই এই কষ্ট তীব্র হতে পারে। বরং আরো কঠিন কারণ এখানে শোক করারও সুযোগ নেই।

কাকে বলবেন? কী বলবেন? "আমরা অনেক দূরে সরে গেছি" এই কথাটা বলতে আনইজি লাগে।।

আপনি যদি এরকম ফিল করেন , এটা আপনার ব্যর্থতা নয়। এটা জীবনের একটা বাস্তবতা যেটা অনেকেই প্রতিনিয়ত ফেস করছেন, চুপচাপ।

কিন্তু চুপচাপ বহন না করে আজকে একটা কাজ করুন। যার কথা মনে পড়ছে, তাকে একটা মেসেজ বা কল দিন। বলুন, "তোমার কথা আজকে অনেক মনে পড়ছে। "

"একটা ছোট্ট ব্যাপার নিয়ে এত রাগ করার কী আছে?"বিয়ের পর এই কথাটা হয়তো আপনি নিজেও অনেকবার বলেছেন বা শুনেছেন। কখনো একটা ফ...
28/09/2026

"একটা ছোট্ট ব্যাপার নিয়ে এত রাগ করার কী আছে?"

বিয়ের পর এই কথাটা হয়তো আপনি নিজেও অনেকবার বলেছেন বা শুনেছেন। কখনো একটা ফোন রিসিভ না করা, কখনো দেরি করে বাড়ি ফেরা, কখনো একটা কথার উত্তর না দেওয়া - ঘটনা গুলো কিন্তু ছোট অথচ সেখান থেকেই শুরু হয়ে যায় বড় ঝগড়া।

কিন্তু জানেন কি?

অনেক সময় স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া আসলে সেই ছোট বিষয়টা নিয়ে হয়ই না।

ছোট ঘটনাটা শুধু জমে থাকা অভিমান, কষ্ট আর অপূর্ণ চাহিদাগুলোকে সামনে নিয়ে আসে।

একজন স্ত্রী হয়তো রাগ করছেন, কারণ স্বামী ফোনে ব্যস্ত ছিলেন। বাইরে থেকে মনে হতে পারে - এতটুকু ব্যাপার নিয়ে রাগ! কিন্তু তার ভেতরের অনুভূতিটা হতে পারে, "আমি কি তোমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নই?"

আবার একজন স্বামী হয়তো কোনো কথায় চুপ করে গেলেন। এর পেছনে থাকতে পারে দীর্ঘদিনের অভিমান, বোঝা না পাওয়ার অনুভূতি কিংবা মানসিক ক্লান্তি।

সম্পর্কে তাই অনেক ঝগড়া ঘটনা নিয়ে নয়, সেই ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা অনুভূতি নিয়ে।

"তুমি আমাকে সময় দাও না"-এর পেছনে থাকতে পারে কাছাকাছি থাকার আকাঙ্ক্ষা।
"তুমি আমার কথা শোনো না" - এর পেছনে থাকতে পারে গুরুত্ব পাওয়ার চাহিদা।

তাই পরেরবার ঝগড়া হলে শুধু কে ভুল করেছে, সেটা খুঁজবেন না। একটু থেমে ভাবুন -এই ঝগড়ার আড়ালে আসলে কোন অনুভূতিটা লুকিয়ে আছে?

কারণ কখনো কখনো সমস্যাটা ছোট হয়, কিন্তু তার পেছনের কষ্টটা অনেক বড়।

কখনো কি এমন হয়েছে - চুল টানবেন না বলে ঠিক করেছেন, কিন্তু কিছুক্ষণ পর খেয়াল করলেন অজান্তেই আবার নিজের চুল টানছেন?এটা শু...
27/09/2026

কখনো কি এমন হয়েছে - চুল টানবেন না বলে ঠিক করেছেন, কিন্তু কিছুক্ষণ পর খেয়াল করলেন অজান্তেই আবার নিজের চুল টানছেন?

এটা শুধু একটা বদভ্যাস নাও হতে পারে। এর নাম Trichotillomania যা এক ধরনের মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা, যেখানে একজন ব্যক্তি বারবার নিজের চুল টানার তাগিদ অনুভব করেন এবং অনেক সময় টানার পর সাময়িক স্বস্তি পান।

চুল টানার আগে অস্বস্তি, টেনশন বা এক ধরনের চাপ অনুভূত হতে পারে। আবার চুল টানার পর কিছুটা আরাম বা স্বস্তি আসে। ফলে ধীরে ধীরে একটি চক্র তৈরি হয় - অস্বস্তি → চুল টানা → সাময়িক স্বস্তি → আবার তাগিদ।

অনেকে বিষয়টি লুকানোর চেষ্টা করেন, কারণ চুল পড়ে যাওয়া বা মাথায় ফাঁকা জায়গা তৈরি হওয়ায় তারা লজ্জা বা অপরাধবোধে ভুগতে পারেন। কেউ কেউ চুল ছাড়াও ভ্রু বা চোখের পাপড়ি টানতে পারেন।

এটা ইচ্ছাশক্তির অভাব বা শুধুই খারাপ অভ্যাস নয়। সঠিকভাবে বোঝা এবং প্রয়োজন হলে mental health professional এর সাহায্য নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

তাই নিজেকে বা অন্য কাউকে নিয়ে হাসাহাসি না করে, সমস্যাটাকে বোঝার চেষ্টা করুন। সাহায্য নেওয়া দুর্বলতার লক্ষণ নয়।

কখনো কি ভেবে দেখেছেন, Stress নেওয়াও ভালো হতে পারে?শুনতে একটু অদ্ভুত লাগছে, তাই না? আমরা সাধারণত Stress কে খারাপ কিছু হিস...
26/09/2026

কখনো কি ভেবে দেখেছেন, Stress নেওয়াও ভালো হতে পারে?

শুনতে একটু অদ্ভুত লাগছে, তাই না? আমরা সাধারণত Stress কে খারাপ কিছু হিসেবেই দেখি। কিন্তু সব Stress আমাদের জন্য খারাপ নয়। কিছু Stress আমাদের আরও ভালোভাবে কাজ করতে সাহায্য করে। আর এই ইতিবাচক Stress এর নামই হলো Eustress।

ধরুন, কাল আপনার পরীক্ষা। পরীক্ষা নিয়ে একটু টেনশন হচ্ছে। সেই টেনশনের কারণে আপনি সময় নষ্ট না করে মন দিয়ে পড়তে বসে গেলেন, গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো revise করলেন এবং নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করলেন। এই ধরনের Stress ই Eustress।

Eustress আমাদের motivation বাড়াতে, focus করতে এবং কাজের প্রতি আগ্রহী হতে সাহায্য করে। নতুন কোনো কাজ শুরু করা, গুরুত্বপূর্ণ presentation দেওয়া, competition বা interview - এসব পরিস্থিতিতেও সামান্য Eustress আমাদের আরও প্রস্তুত হতে সাহায্য করতে পারে।

তবে Stress এর মাত্রা খুব বেশি হয়ে গেলে সেটি আর Eustress থাকে না। তখন তা Distress এ পরিণত হয়ে আমাদের মানসিক ও শারীরিকভাবে প্রভাবিত করতে পারে।

তাই Stress মানেই সবসময় খারাপ নয়।
সঠিক মাত্রার Stress কখনো কখনো আমাদের থামিয়ে দেয় না বরং আরও ভালো করার জন্য এগিয়ে দেয়।

Strong Couples Don't Avoid Fights. They're Just Good at Making Up.ভালো সম্পর্ক মানেই কখনো ঝগড়া হবে না,এটা একটা ভুল ধারণা...
25/09/2026

Strong Couples Don't Avoid Fights. They're Just Good at Making Up.

ভালো সম্পর্ক মানেই কখনো ঝগড়া হবে না,এটা একটা ভুল ধারণা। দুজন মানুষ কাছাকাছি থাকলে মতের অমিল, অভিমান বা রাগ হওয়াটা স্বাভাবিক।

সম্পর্কের শক্তি বোঝা যায় ঝগড়া হয়েছে কি না, তা দিয়ে নয়; বরং ঝগড়ার পর দুজন কীভাবে একে অপরের কাছে ফিরে আসে, সেটা দিয়ে।

দোষারোপ না করে নিজের অনুভূতি বলা, ভুল হলে ক্ষমা চাওয়া, অন্যজনের কথাও মন দিয়ে শোনা এবং সমস্যাটাকে দুজনের যৌথ সমস্যা হিসেবে দেখা।এসবই healthy repair-এর অংশ।

ঝগড়ার পর বলতে পারেন,
“আমাদের কথাটা ভালোভাবে হয়নি। আমি রেগে গিয়ে কিছু কথা বলেছি, যেটা বলা ঠিক হয়নি। আমি তোমাকে দোষ দিতে চাই না। তুমি কী অনুভব করেছ, সেটা শুনতে চাই। আমরা দুজন মিলে কীভাবে এটা ঠিক করতে পারি, সেটা নিয়ে কথা বলি?”

Feedback - যে কথাগুলো মানুষকে এগিয়ে নিয়ে যায়তানভীর প্রথমবার তার বসকে একটা রিপোর্ট জমা দিয়েছিল।বস পড়লেন। তারপর বললেন...
24/09/2026

Feedback - যে কথাগুলো মানুষকে এগিয়ে নিয়ে যায়

তানভীর প্রথমবার তার বসকে একটা রিপোর্ট জমা দিয়েছিল।
বস পড়লেন। তারপর বললেন- ডেটা ঠিক আছে, কিন্তু উপস্থাপনাটা আরেকটু গুছিয়ে আনলে আরও ভালো হতো।
তানভীর সেদিন একটু মন খারাপ করেছিল। মনে হয়েছিল, কাজটা বোধহয় ভালো হয়নি।

কিন্তু পরের রিপোর্টে সে সেই কথাটা মাথায় রেখেছিল। তৃতীয় রিপোর্টে বস বললেন - এটা অনেক ভালো হয়েছে।
সেই একটা Feedback তানভীরকে তিন ধাপ এগিয়ে দিয়েছিল।

Feedback আসলে কী করে?
আমরা অনেক সময় Feedback-কে সমালোচনা মনে করি। কিন্তু সেটা লজিক্যাল না।

সহজ করে বললে - কেউ যখন বলে তুমি এটা আরও ভালো করতে পারো, মস্তিষ্ক সেটাকে একটা Goal হিসেবে নেয়। আর Goal থাকলে মানুষ এগোয়।

Positive Feedback vs Constructive Feedback

শুধু প্রশংসা সবসময় কাজ করে না। গবেষণায় দেখা গেছে, অর্থবহ এবং নির্দিষ্ট Feedback প্রশংসার চেয়ে বেশি কার্যকর। মানে শুধু "ভালো হয়েছে" বলার চেয়ে কোথায়, কীভাবে ভালো হয়েছে সেটা বলাটা বেশি কাজে আসে।
(সূত্র: Hattie & Timperley, 2007, Review of Educational Research)
Feedback না পেলে কী হয়?

এক ধরণের শূন্যতা তৈরি হয়। কাজ করছি, কিন্তু জানি না ঠিক হচ্ছে কিনা। এই অনিশ্চয়তা ধীরে ধীরে আগ্রহ কমিয়ে দেয়। মানুষ হয় থেমে যায়, নয়তো ভুল পথে এগোতে থাকে।

তানভীরের বস সেদিন হয়তো বুঝতেও পারেননি, তার একটা মন্তব্য একজন মানুষের কাজের ধরনটাই বদলে দিয়েছে।
Feedback শুধু মূল্যায়ন না, একজন ব্যাক্তিকে আরো ডেভলপ হতে সাহায্য করা এবং সেই বিশ্বাসের জায়গা টা নিশ্চিত করা।

বাবা মায়ের ঝগড়া সন্তানের মনে কী প্রভাব ফেলে?রাত ১১টা। সাত বছরের আরিশা ঘুমের ভান করে শুয়ে আছে। পাশের ঘর থেকে বাবা মায়...
23/09/2026

বাবা মায়ের ঝগড়া সন্তানের মনে কী প্রভাব ফেলে?

রাত ১১টা। সাত বছরের আরিশা ঘুমের ভান করে শুয়ে আছে। পাশের ঘর থেকে বাবা মায়ের গলার আওয়াজ আসছে। সে বুঝতে পারছে না ঠিক কী হচ্ছে, কিন্তু ভয় লাগছে। বালিশে মুখ গুঁজে ভীত হয়ে আছে।

বড় হয়ে আরিশা হয়তো এই রাতের কথা মনে করতে পারবে না। কিন্তু এই অনুভূতিটা কোথাও রয়ে যাবে।

গবেষণা বলছে, বাবা মায়ের মধ্যে নিয়মিত ঝগড়া দেখে বড় হলে সন্তানের মানসিক বিকাশে প্রভাব পড়তে পারে। মনোবিজ্ঞানী E. Mark Cummings এর গবেষণায় দেখা গেছে, বাড়িতে দীর্ঘমেয়াদী সংঘাতের পরিবেশে বেড়ে ওঠা শিশুরা বেশি উদ্বেগ, রাগ নিয়ন্ত্রণের সমস্যা এবং আত্মবিশ্বাসের ঘাটতিতে ভুগতে পারে।

শুধু তাই নয়। অনেক শিশু মনে করে বাবা মায়ের ঝগড়ার কারণ সে নিজে। নিজেকে দোষ দিতে থাকে, যদিও সেটা সত্যি নয়।

তাহলে কী করবেন?

সব দম্পতির মধ্যে মতবিরোধ হয়, এটা স্বাভাবিক। কিন্তু চেষ্টা করুন সন্তানের সামনে উত্তেজিত না হতে। ঝগড়ার পরে মিলে গেলে সেটাও যেন সন্তান দেখতে পায়। আর মাঝে মাঝে সরাসরি বলুন, "আমাদের মধ্যে কিছু বিষয় নিয়ে কথা হয়, কিন্তু এটা তোমার কারণে নয়।"

একটা নিরাপদ ঘর শুধু চার দেয়াল নয়। সেটা তৈরি হয় পরিবেশ দিয়ে।

Address

Mohakhali CA
Dhaka
1212

Opening Hours

Monday 10:00 - 22:00
Tuesday 10:00 - 22:00
Wednesday 10:00 - 22:00
Thursday 10:00 - 22:00
Friday 14:00 - 23:00
Saturday 10:00 - 22:00
Sunday 10:00 - 22:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Psychologist Naiem posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share