Dr. Abdul Ahad

Dr. Abdul Ahad Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Abdul Ahad, Doctor, Dhaka Medical College & Hospital, Dhaka.

ডা: মো: আব্দুল আহাদ
এম,বি,বি,এস (সি ইউ)
রেসিডেন্ট, এম,এস (নিউরোসার্জারী)

নিউরোসার্জারী বিভাগ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল, ঢাকা।

মেম্বার, ওয়াল্ড স্পাইনাল কলাম সোসাইটি।
মেম্বার এও স্পাইন, এশিয়া এন্ড প্যাসিফিক।

ঘাড় ব্যথা কি মোবাইল ব্যবহারের কারণে?বর্তমানে দীর্ঘ সময় মোবাইল বা কম্পিউটার ব্যবহারের কারণে ঘাড়, কাঁধ ও পিঠে ব্যথার সম...
24/08/2026

ঘাড় ব্যথা কি মোবাইল ব্যবহারের কারণে?

বর্তমানে দীর্ঘ সময় মোবাইল বা কম্পিউটার ব্যবহারের কারণে ঘাড়, কাঁধ ও পিঠে ব্যথার সমস্যা অনেকের মধ্যেই দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে মোবাইল দেখার সময় দীর্ঘক্ষণ মাথা নিচু করে রাখলে ঘাড়ের পেশি ও মেরুদণ্ডের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে।

তবে সব ঘাড় ব্যথার কারণ শুধু মোবাইল নয়। ভুল ভঙ্গিতে বসা, দীর্ঘ সময় একই অবস্থানে থাকা, ঘাড়ের মাংসপেশিতে টান, সারভাইকাল স্পাইনের সমস্যা বা অন্য কোনো স্নায়বিক সমস্যার কারণেও ব্যথা হতে পারে।

মোবাইল ব্যবহারে কেন ঘাড়ে ব্যথা হতে পারে?

১. দীর্ঘ সময় মাথা নিচু করে মোবাইল দেখা
মাথা সামনের দিকে ঝুঁকিয়ে রাখলে ঘাড়ের পেশিকে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি কাজ করতে হয়। দীর্ঘ সময় এমন অবস্থায় থাকলে ব্যথা ও শক্তভাব তৈরি হতে পারে।

২. ভুল ভঙ্গিতে বসা বা মোবাইল ধরা
বিছানায় শুয়ে, কুঁজো হয়ে বা একটানা একই ভঙ্গিতে মোবাইল ব্যবহার করলে ঘাড় ও কাঁধের ওপর চাপ বাড়তে পারে।

৩. ঘাড় ও কাঁধের পেশিতে অতিরিক্ত চাপ
দীর্ঘ সময় স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে ঘাড় ও কাঁধের পেশি টানটান হয়ে থাকতে পারে। ফলে ঘাড় থেকে কাঁধ বা পিঠ পর্যন্ত ব্যথা ছড়িয়ে পড়তে পারে।

৪. চোখের ওপর অতিরিক্ত চাপ ও ক্লান্তি
দীর্ঘ সময় স্ক্রিন দেখলে চোখে অস্বস্তি, মাথাব্যথা ও ক্লান্তি হতে পারে। এগুলোর সঙ্গে ঘাড়ের অস্বস্তিও অনুভূত হতে পারে।

৫. ঘুমের সময়ও মোবাইল ব্যবহার
ঘুমানোর আগে দীর্ঘ সময় মোবাইল ব্যবহার করার অভ্যাস ঘাড়ের ভুল ভঙ্গি এবং পর্যাপ্ত বিশ্রামের অভাব দুই দিক থেকেই সমস্যা বাড়াতে পারে।

কীভাবে ঘাড়ের ব্যথা কমানোর চেষ্টা করবেন?

• মোবাইল ব্যবহারের সময় ফোনটি যতটা সম্ভব চোখের কাছাকাছি উচ্চতায় রাখুন।
• দীর্ঘ সময় একটানা একই ভঙ্গিতে থাকবেন না।
• নিয়মিত বিরতি নিয়ে ঘাড় ও কাঁধ স্বাভাবিক অবস্থায় আনুন।
• কাজের সময় চেয়ার ও টেবিলের উচ্চতা আরামদায়ক রাখুন।
• ঘাড়ে ব্যথা থাকলে অতিরিক্ত ভারী কাজ বা ভুলভাবে ব্যায়াম করা এড়িয়ে চলুন।
• ঘুমের সময় ঘাড়ের জন্য আরামদায়ক বালিশ ব্যবহার করুন।

কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?

যদি ঘাড়ের ব্যথার সঙ্গে হাতে ঝিনঝিনি, অবশভাব, হাত দুর্বল হয়ে যাওয়া, ব্যথা হাতের দিকে ছড়িয়ে যাওয়া, ভারসাম্যের সমস্যা অথবা দীর্ঘদিন ধরে ব্যথা চলতে থাকে, তাহলে বিষয়টি অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

কারণ দীর্ঘস্থায়ী ঘাড়ের ব্যথার পেছনে শুধু মোবাইল ব্যবহারের অভ্যাস নয়, সারভাইকাল স্পাইনের সমস্যা বা স্নায়ুর ওপর চাপের মতো কারণও থাকতে পারে।

সঠিক অভ্যাস গড়ে তুলুন, ঘাড়ের ব্যথাকে অবহেলা করবেন না। প্রয়োজন হলে সময়মতো বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

ডা: মোঃ আব্দুল আহাদ
এম,বি,বি,এস (সি ইউ)
রেসিডেন্ট, এম.এস (নিউরোসার্জারী)
নিউরোসার্জারী বিভাগ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল, ঢাকা।
মেম্বার, ওয়ার্ল্ড স্পাইনাল কলাম সোসাইটি
মেম্বার এও স্পাইন, এশিয়া এন্ড প্যাসিফিক
বিশেষজ্ঞ: ব্রেইন, স্পাইন, নার্ভ ও স্ট্রোক রোগের চিকিৎসা

চেম্বার: কোনাবাড়ী ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কোনাবাড়ী, গাজীপুর।

রোগী দেখার সময়:
প্রতি শুক্রবার সকাল ১০ টা থেকে রাত পর্যন্ত
প্রতি সোমবার বিকেল ৪ টা থেকে রাত পর্যন্ত

সিরিয়ালের জন্য কল করুন: 01753-949488

প্যারালাইসিস কী? আগের লক্ষণগুলো চিনুনপ্যারালাইসিস বা পক্ষাঘাত এমন একটি অবস্থা, যেখানে শরীরের কোনো অংশের নড়াচড়া বা শক্ত...
22/08/2026

প্যারালাইসিস কী? আগের লক্ষণগুলো চিনুন

প্যারালাইসিস বা পক্ষাঘাত এমন একটি অবস্থা, যেখানে শরীরের কোনো অংশের নড়াচড়া বা শক্তি কমে যেতে পারে। অনেক সময় এটি হঠাৎ করেই দেখা দেয় এবং এর পেছনে স্ট্রোকসহ বিভিন্ন স্নায়বিক কারণ থাকতে পারে।

ছবিতে দেওয়া লক্ষণগুলোর কোনোটি যদি হঠাৎ দেখা দেয়, বিষয়টিকে সাধারণ দুর্বলতা বা ক্লান্তি ভেবে অবহেলা করবেন না।

যে লক্ষণগুলো বিশেষভাবে খেয়াল করবেন

১. হঠাৎ মাথা ঘোরা বা ভারসাম্য নষ্ট হওয়া
হঠাৎ হাঁটতে গিয়ে টলমল করা, দাঁড়াতে সমস্যা হওয়া বা শরীরের ভারসাম্য রাখতে না পারা স্নায়বিক সমস্যার সংকেত হতে পারে।

২. হঠাৎ দৃষ্টি ঝাপসা বা কমে যাওয়া
এক বা দুই চোখে হঠাৎ ঝাপসা দেখা, দৃষ্টি কমে যাওয়া বা দৃষ্টির পরিবর্তন হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।

৩. কথা জড়িয়ে যাওয়া বা কথা বলতে সমস্যা
হঠাৎ কথা অস্পষ্ট হয়ে যাওয়া, সঠিক শব্দ বলতে না পারা বা অন্যের কথা বুঝতে সমস্যা হওয়া গুরুত্বপূর্ণ সতর্ক সংকেত।

৪. শরীরের এক পাশে দুর্বলতা বা অবশ ভাব
হাত, পা বা মুখের এক পাশে হঠাৎ দুর্বলতা, অবশভাব বা নড়াচড়ায় সমস্যা হলে বিশেষভাবে সতর্ক হতে হবে। এটি স্ট্রোকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হতে পারে।

৫. হঠাৎ তীব্র মাথাব্যথা
আগের মতো নয়—হঠাৎ অস্বাভাবিক বা অত্যন্ত তীব্র মাথাব্যথা হলে, বিশেষ করে এর সঙ্গে অন্য কোনো স্নায়বিক লক্ষণ থাকলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।

কখন দ্রুত হাসপাতালে যাবেন?

যদি হঠাৎ করে মুখের এক পাশ বেঁকে যায়, এক হাত বা পা দুর্বল/অবশ হয়ে যায়, কথা জড়িয়ে যায়, দৃষ্টির সমস্যা হয় বা হাঁটতে সমস্যা হয়, তাহলে অপেক্ষা না করে দ্রুত জরুরি চিকিৎসা নিন।

এ ধরনের লক্ষণ কখন শুরু হয়েছে সময়টি মনে রাখুন। কারণ কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, প্যারালাইসিসের কারণ সবার ক্ষেত্রে একই নয়। তাই কারও পরামর্শে ওষুধ শুরু করা বা শুধু ঘরোয়া চিকিৎসার ওপর নির্ভর না করে প্রয়োজন অনুযায়ী নিউরোসার্জারি/নিউরোলজি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সচেতন থাকুন, লক্ষণকে অবহেলা করবেন না। সময়মতো সঠিক চিকিৎসা অনেক জটিলতা কমাতে সাহায্য করতে পারে।

ডা: মোঃ আব্দুল আহাদ
এম,বি,বি,এস (সি ইউ)
রেসিডেন্ট, এম.এস (নিউরোসার্জারী)
নিউরোসার্জারী বিভাগ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল, ঢাকা।
মেম্বার, ওয়ার্ল্ড স্পাইনাল কলাম সোসাইটি
মেম্বার এও স্পাইন, এশিয়া এন্ড প্যাসিফিক
বিশেষজ্ঞ: ব্রেইন, স্পাইন, নার্ভ ও স্ট্রোক রোগের চিকিৎসা

চেম্বার: কোনাবাড়ী ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কোনাবাড়ী, গাজীপুর।

রোগী দেখার সময়:
প্রতি শুক্রবার সকাল ১০ টা থেকে রাত পর্যন্ত
প্রতি সোমবার বিকেল ৪ টা থেকে রাত পর্যন্ত

সিরিয়ালের জন্য কল করুন: 01753-949488

21/08/2026

কোমরের ব্যথা কি আপনার প্রতিদিনের সঙ্গী হয়ে গেছে?

কয়েকদিন বিশ্রাম নিলেই কোমরের ব্যথা ঠিক হয়ে যাবে, এমনটা সবসময় নয়। বারবার কোমর ব্যথা ফিরে আসার পেছনে থাকতে পারে দৈনন্দিন জীবনের কিছু ভুল অভ্যাস, আবার কখনো এটি মেরুদণ্ড বা নার্ভের সমস্যারও সংকেত হতে পারে।

কোমর ব্যথার সাধারণ কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে
• দীর্ঘসময় একভাবে বসে থাকা
• ভুল অঙ্গভঙ্গিতে বসে বা কাজ করা
• হঠাৎ বা ভুলভাবে ভারী জিনিস তোলা
• মাংসপেশিতে টান বা আঘাত
• মেরুদণ্ডের ডিস্কের সমস্যা
• অতিরিক্ত ওজন বা শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা

তবে কিছু লক্ষণ দেখা দিলে বিষয়টি অবহেলা করা উচিত নয়।

যেমন
→ ব্যথা কোমর থেকে পায়ের দিকে ছড়িয়ে যাওয়া
→ পায়ে ঝিনঝিনি বা অবশভাব অনুভূত হওয়া
→ পায়ে দুর্বলতা অনুভব করা
→ দীর্ঘসময় দাঁড়াতে বা হাঁটতে কষ্ট হওয়া
→ কয়েক সপ্তাহ ধরে ব্যথা থাকলেও না কমা

এসব ক্ষেত্রে শুধু ব্যথার ওষুধ খেয়ে অপেক্ষা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। কারণ কারও কোমরের ব্যথা মাংসপেশির সমস্যার কারণে হতে পারে, আবার কারও ক্ষেত্রে ডিস্ক বা নার্ভের সমস্যাও থাকতে পারে।

কোমরের ব্যথা কমাতে দৈনন্দিন জীবনে কী করবেন?

১. একটানা বসে থাকবেন না
প্রতি ৩০–৪৫ মিনিট পর উঠে একটু হাঁটুন বা শরীরের অবস্থান পরিবর্তন করুন।

২. সঠিক ভঙ্গিতে বসুন
কাজের সময় পিঠ ও কোমরকে যথাযথ সাপোর্ট দিন এবং দীর্ঘসময় ঝুঁকে বসে থাকা এড়িয়ে চলুন।

৩. ভারী জিনিস তোলার সময় সতর্ক থাকুন
হঠাৎ কোমর বাঁকিয়ে ভারী কিছু তুলবেন না। প্রয়োজন হলে হাঁটু ভাঁজ করে সঠিক কৌশলে তুলুন।

৪. নিয়মিত শরীরচর্চা করুন
শারীরিক সক্ষমতা অনুযায়ী নিয়মিত হালকা ব্যায়াম ও হাঁটার অভ্যাস রাখুন। তবে ব্যথা বেশি থাকলে নিজে থেকে কঠিন ব্যায়াম শুরু করবেন না।

৫. বারবার ব্যথা হলে কারণ খুঁজে বের করুন
একই সমস্যা বারবার হলে শুধু সাময়িকভাবে ব্যথা কমানোর চেষ্টা না করে সমস্যার মূল কারণ নির্ণয় করা জরুরি।

মনে রাখবেন, সব কোমরের ব্যথা এক ধরনের নয়।
কোমরের ব্যথা আপনার দৈনন্দিন জীবন, কাজ ও চলাফেরায় প্রভাব ফেললে সেটিকে স্বাভাবিক ভেবে দীর্ঘদিন ফেলে রাখবেন না।

ভিডিওটি উপকারী মনে হলে পরিবারের সদস্য ও পরিচিতদের সঙ্গে শেয়ার করুন। আপনার সচেতনতা হয়তো অন্য কাউকে সময়মতো চিকিৎসা নিতে সাহায্য করবে।

ডা: মোঃ আব্দুল আহাদ
এম,বি,বি,এস (সি ইউ)
রেসিডেন্ট, এম.এস (নিউরোসার্জারী)
নিউরোসার্জারী বিভাগ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল, ঢাকা।
মেম্বার, ওয়ার্ল্ড স্পাইনাল কলাম সোসাইটি
মেম্বার, এও স্পাইন, এশিয়া এন্ড প্যাসিফিক
বিশেষজ্ঞ: ব্রেইন, স্পাইন, নার্ভ ও স্ট্রোক রোগের চিকিৎসা

চেম্বার: কোনাবাড়ী ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কোনাবাড়ী, গাজীপুর।

রোগী দেখার সময়:
প্রতি শুক্রবার সকাল ১০ টা থেকে রাত পর্যন্ত
প্রতি সোমবার বিকেল ৪ টা থেকে রাত পর্যন্ত

সিরিয়ালের জন্য কল করুন: 01753949488

#কোমরব্যথা #মেরুদণ্ড #ডিস্কেরসমস্যা #নার্ভেরসমস্যা #নিউরোসার্জারি #স্বাস্থ্যসচেতনতা #ডাঃআব্দুলআহাদ

আপনার কি নিয়মিত কোমর ব্যথা হয়?অবহেলা নয়, কারণটা জানা জরুরি।কোমর ব্যথা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের খুব পরিচিত একটি সমস্যা। ...
21/08/2026

আপনার কি নিয়মিত কোমর ব্যথা হয়?

অবহেলা নয়, কারণটা জানা জরুরি।

কোমর ব্যথা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের খুব পরিচিত একটি সমস্যা। দীর্ঘসময় বসে কাজ করা, ভুল ভঙ্গিতে বসা, ভারী জিনিস তোলা কিংবা হঠাৎ অতিরিক্ত পরিশ্রমের পর অনেকেরই কোমরে ব্যথা শুরু হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সঠিক যত্ন ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসায় এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

তবে সব কোমর ব্যথা সাধারণ নয়। কখনো কখনো কোমর ব্যথার পেছনে থাকতে পারে ডিস্কের সমস্যা, স্পাইনের পরিবর্তন বা স্নায়ুর ওপর চাপ।

কোমর ব্যথার সম্ভাব্য কারণ

১. ভুল ভঙ্গিতে বসে কাজ করা
দীর্ঘসময় সামনের দিকে ঝুঁকে বা সঠিক সাপোর্ট ছাড়া বসে থাকলে কোমরের পেশি ও স্পাইনের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। নিয়মিত এমন হলে ব্যথা ধীরে ধীরে বাড়তে পারে।

২. ভারী জিনিস ভুলভাবে তোলা
হঠাৎ ভারী জিনিস তোলা বা কোমর বাঁকিয়ে ওজন তোলার ফলে কোমরের পেশি ও ডিস্কে চাপ পড়তে পারে। এতে হঠাৎ তীব্র ব্যথাও হতে পারে।

৩. ডিস্কের সমস্যা বা স্পন্ডিলোসিস
মেরুদণ্ডের হাড়ের মাঝখানে থাকা ডিস্কে সমস্যা হলে কোমরে ব্যথার পাশাপাশি নিতম্ব বা পায়ের দিকেও ব্যথা, ঝিনঝিনি বা অবশভাব ছড়িয়ে যেতে পারে।

৪. দীর্ঘসময় একই জায়গায় বসে থাকা
অফিসের কাজ, দীর্ঘসময় গাড়ি চালানো বা একটানা মোবাইল/কম্পিউটার ব্যবহারের কারণে শরীরের নড়াচড়া কমে যায়। এতে কোমরের পেশিতে চাপ ও শক্তভাব তৈরি হতে পারে।

৫. অতিরিক্ত ওজন
শরীরের অতিরিক্ত ওজন মেরুদণ্ড ও কোমরের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে। ফলে দীর্ঘদিনের কোমর ব্যথার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

কখন বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন?

কোমর ব্যথার সঙ্গে যদি

পায়ে ব্যথা বা ঝিনঝিনি ছড়িয়ে যায়
পা অবশ বা দুর্বল মনে হয়
হাঁটতে বা দাঁড়িয়ে থাকতে সমস্যা হয়
ব্যথা ক্রমেই বাড়তে থাকে
বারবার কোমর ব্যথা ফিরে আসে
আঘাতের পর তীব্র ব্যথা শুরু হয়
প্রস্রাব বা পায়খানা নিয়ন্ত্রণে নতুন সমস্যা দেখা দেয়

তাহলে শুধু ব্যথার ওষুধ খেয়ে বিষয়টি এড়িয়ে না গিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

কোমর ভালো রাখতে কী করবেন?

দীর্ঘসময় একটানা বসে থাকবেন না। কাজের মাঝে নিয়মিত উঠে কিছুক্ষণ হাঁটুন। বসার সময় কোমর ও পিঠকে যথাযথ সাপোর্ট দিন। ভারী জিনিস তুলতে হলে কোমর বেশি বাঁকিয়ে না তুলে সঠিক কৌশল অনুসরণ করুন।

শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত শারীরিক কার্যক্রম করুন। তবে কোমর ব্যথা থাকলে নিজের ইচ্ছায় কঠিন ব্যায়াম বা ভারী ওজন তোলা শুরু করবেন না।

আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ব্যথা কমানোর জন্য নিজের ইচ্ছায় দীর্ঘদিন ওষুধ খাওয়া ঠিক নয়। আগে ব্যথার কারণ জানা প্রয়োজন। প্রয়োজন হলে চিকিৎসক শারীরিক পরীক্ষা করে পরিস্থিতি অনুযায়ী কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরামর্শ দিতে পারেন।

কোমর ব্যথা মানেই অপারেশন প্রয়োজন এমন ধারণাও ঠিক নয়। রোগের কারণ ও তীব্রতার ওপর চিকিৎসা নির্ভর করে। অনেক ক্ষেত্রেই ওষুধ, জীবনযাত্রায় পরিবর্তন, নির্দিষ্ট ব্যায়াম বা ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে উপকার পাওয়া যায়। তবে কোন চিকিৎসা আপনার জন্য উপযুক্ত, তা চিকিৎসকের মূল্যায়নের পর নির্ধারণ করা উচিত।

তাই কোমর ব্যথাকে শুধু সাময়িক ব্যথা হিসেবে না দেখে, প্রয়োজন হলে এর কারণ খুঁজে বের করুন। সচেতনতা ও সময়মতো চিকিৎসাই দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা এড়াতে সাহায্য করতে পারে।

ডা: মোঃ আব্দুল আহাদ
এম,বি,বি,এস (সি ইউ)
রেসিডেন্ট, এম.এস (নিউরোসার্জারী)
নিউরোসার্জারী বিভাগ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল, ঢাকা।
মেম্বার, ওয়ার্ল্ড স্পাইনাল কলাম সোসাইটি
মেম্বার, এও স্পাইন, এশিয়া এন্ড প্যাসিফিক
বিশেষজ্ঞ: ব্রেইন, স্পাইন, নার্ভ ও স্ট্রোক রোগের চিকিৎসা

চেম্বার: কোনাবাড়ী ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কোনাবাড়ী, গাজীপুর।

রোগী দেখার সময়:
প্রতি শুক্রবার সকাল ১০ টা থেকে রাত পর্যন্ত
প্রতি সোমবার বিকেল ৪ টা থেকে রাত পর্যন্ত

সিরিয়ালের জন্য কল করুন: 01753-949488

প্যারালাইসিস: লক্ষণ, কারণ ও চিকিৎসাহঠাৎ হাত-পা দুর্বল হয়ে যাওয়া, কথা জড়িয়ে যাওয়া বা হাঁটতে সমস্যা হওয়াকে কখনোই সাধ...
19/08/2026

প্যারালাইসিস: লক্ষণ, কারণ ও চিকিৎসা

হঠাৎ হাত-পা দুর্বল হয়ে যাওয়া, কথা জড়িয়ে যাওয়া বা হাঁটতে সমস্যা হওয়াকে কখনোই সাধারণ দুর্বলতা ভেবে অবহেলা করবেন না। অনেক ক্ষেত্রে এগুলো স্ট্রোক বা মস্তিষ্কের রক্তনালীর সমস্যার গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হতে পারে।

প্যারালাইসিসের সাধারণ লক্ষণগুলো হলো

• শরীরের এক পাশের হাত বা পা দুর্বল হয়ে যাওয়া
• হাত-পা নড়াতে বা নিয়ন্ত্রণ করতে সমস্যা হওয়া
• কথা জড়িয়ে যাওয়া বা কথা বলতে অসুবিধা হওয়া
• হাঁটতে গিয়ে ভারসাম্য হারানো
• হঠাৎ দৃষ্টিতে সমস্যা হওয়া
• মুখের এক পাশ বেঁকে যাওয়া বা অসাড়তা অনুভব করা

প্যারালাইসিসের পেছনে স্ট্রোক ছাড়াও মস্তিষ্ক বা মেরুদণ্ডের বিভিন্ন সমস্যা, স্নায়ুর ক্ষতি, আঘাতসহ একাধিক কারণ থাকতে পারে। তাই শুধু লক্ষণ দেখে নিজে থেকে কারণ নির্ধারণ না করে প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

বিশেষ করে হঠাৎ করে এসব লক্ষণ শুরু হলে সময় নষ্ট করবেন না। স্ট্রোকের ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রোগীকে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যান।

প্যারালাইসিসের কারণ, আক্রান্ত অংশ এবং রোগীর শারীরিক অবস্থার ওপর চিকিৎসার ধরন নির্ভর করে। প্রয়োজন অনুযায়ী পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ওষুধ, ফিজিওথেরাপি বা অন্যান্য চিকিৎসা প্রয়োজন হতে পারে।

নিজে থেকে ওষুধ শুরু না করে সঠিক সময়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ডা: মোঃ আব্দুল আহাদ
এম,বি,বি,এস (সি ইউ)
রেসিডেন্ট, এম.এস (নিউরোসার্জারী)
নিউরোসার্জারী বিভাগ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল, ঢাকা।
মেম্বার, ওয়ার্ল্ড স্পাইনাল কলাম সোসাইটি
মেম্বার, এও স্পাইন, এশিয়া এন্ড প্যাসিফিক
বিশেষজ্ঞ: ব্রেইন, স্পাইন, নার্ভ ও স্ট্রোক রোগের চিকিৎসা

চেম্বার: কোনাবাড়ী ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কোনাবাড়ী, গাজীপুর।

রোগী দেখার সময়:
প্রতি শুক্রবার সকাল ১০ টা থেকে রাত পর্যন্ত
প্রতি সোমবার বিকেল ৪ টা থেকে রাত পর্যন্ত

সিরিয়ালের জন্য কল করুন: 01753-949488

কেউ হঠাৎ অজ্ঞান হলে কী করবেন?কেউ হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে পড়লে প্রথম কয়েক মিনিট খুব গুরুত্বপূর্ণ। ভয় পেয়ে রোগীকে দাঁড় করানো...
18/08/2026

কেউ হঠাৎ অজ্ঞান হলে কী করবেন?

কেউ হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে পড়লে প্রথম কয়েক মিনিট খুব গুরুত্বপূর্ণ। ভয় পেয়ে রোগীকে দাঁড় করানো, মুখে পানি দেওয়া বা জোর করে ওষুধ খাওয়ানোর চেষ্টা না করে আগে নিশ্চিত করতে হবে তিনি শ্বাস নিচ্ছেন কি না এবং সাড়া দিচ্ছেন কি না।

জরুরি মুহূর্তে কী করবেন

১. রোগীকে নিরাপদ স্থানে রাখুন
চারপাশে ভিড় না করে রোগীকে মেঝে বা সমতল নিরাপদ স্থানে শুইয়ে দিন। আঘাত পাওয়ার সম্ভাবনা আছে এমন জিনিস সরিয়ে ফেলুন।

২. শ্বাস-প্রশ্বাস পরীক্ষা করুন
রোগী সাড়া দিচ্ছেন কি না এবং স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিচ্ছেন কি না লক্ষ্য করুন। শ্বাস নিতে সমস্যা হলে দ্রুত জরুরি চিকিৎসা সহায়তা নিন।

৩. মুখে কিছু দেবেন না
অজ্ঞান অবস্থায় পানি, খাবার, চা, ওষুধ বা অন্য কিছু মুখে দেওয়া বিপজ্জনক হতে পারে। এতে খাবার বা তরল শ্বাসনালীতে ঢুকে যেতে পারে।

৪. সময়টি মনে রাখুন
রোগী কখন অজ্ঞান হয়েছেন, কতক্ষণ অচেতন ছিলেন এবং জ্ঞান ফেরার পর কী কী উপসর্গ হয়েছে, এই তথ্য চিকিৎসকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

৫. দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করুন
অজ্ঞান হওয়ার কারণ অনেক রকম হতে পারে রক্তচাপ কমে যাওয়া, পানিশূন্যতা, রক্তে শর্করার সমস্যা, হৃদ্‌যন্ত্রের সমস্যা, খিঁচুনি কিংবা স্নায়বিক সমস্যাও এর পেছনে থাকতে পারে। তাই কারণ না জেনে বিষয়টি হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়।

বিশেষ করে অজ্ঞান হওয়ার পর যদি কথা জড়িয়ে যায়, মুখ বেঁকে যায়, শরীরের এক পাশ দুর্বল বা অবশ হয়ে যায়, খিঁচুনি হয়, বুকব্যথা হয়, শ্বাসকষ্ট হয় বা দীর্ঘ সময় জ্ঞান না ফেরে, তাহলে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।

মনে রাখবেন, অজ্ঞান হওয়া নিজে কোনো নির্দিষ্ট রোগের নাম নয়, এটি শরীরের কোনো সমস্যার সংকেত হতে পারে। তাই বারবার অজ্ঞান হওয়া বা প্রথমবার অজ্ঞান হওয়ার পরও কারণ স্পষ্ট না হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

ডা: মোঃ আব্দুল আহাদ
এম,বি,বি,এস (সি ইউ)
রেসিডেন্ট, এম.এস (নিউরোসার্জারী)
নিউরোসার্জারী বিভাগ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল, ঢাকা।
মেম্বার, ওয়ার্ল্ড স্পাইনাল কলাম সোসাইটি
মেম্বার, এও স্পাইন, এশিয়া এন্ড প্যাসিফিক
বিশেষজ্ঞ: ব্রেইন, স্পাইন, নার্ভ ও স্ট্রোক রোগের চিকিৎসা

রোগী দেখার সময়:
প্রতি শুক্রবার সকাল ১০ টা থেকে রাত পর্যন্ত
প্রতি সোমবার বিকেল ৪ টা থেকে রাত পর্যন্ত

সিরিয়ালের জন্য কল করুন: 01753949488

চেম্বার: কোনাবাড়ী ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কোনাবাড়ী, গাজীপুর।

জরুরি মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্তই অনেক বড় বিপদ এড়াতে পারে। পোস্টটি শেয়ার করে আপনার পরিবারের সদস্য ও পরিচিতদেরও জানিয়ে রাখুন।

17/08/2026

মাথাব্যথা কখন সাধারণ, আর কখন চিন্তার কারণ?

মাথাব্যথা হলেই কি দুশ্চিন্তার কারণ? না, সব মাথাব্যথা এক ধরনের নয়।
কখনো এটি ঘুমের অভাব, মানসিক চাপ, দীর্ঘসময় স্ক্রিন ব্যবহারের মতো সাধারণ কারণে হতে পারে। আবার কখনো মাথাব্যথা কোনো গুরুতর সমস্যার সতর্ক সংকেতও হতে পারে।

সাধারণ কিছু কারণে মাথাব্যথা হতে পারে
• পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া
• মানসিক চাপ বা অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা
• দীর্ঘসময় মোবাইল/কম্পিউটারের স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকা
• শরীরে পানির ঘাটতি
• দীর্ঘসময় না খেয়ে থাকা বা অনিয়মিত খাবার

এ ধরনের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত বিশ্রাম, পানি পান ও নিয়মিত খাবার অনেক সময় উপকার করতে পারে।

তবে কিছু মাথাব্যথার ক্ষেত্রে সতর্ক হওয়া জরুরি।

যদি মাথাব্যথা
• হঠাৎ খুব তীব্রভাবে শুরু হয়
• জীবনের সবচেয়ে তীব্র মাথাব্যথার মতো মনে হয়
• এর সঙ্গে কথা জড়িয়ে যায়
• শরীরের এক পাশ দুর্বল বা অবশ হয়ে যায়
• হঠাৎ দৃষ্টির সমস্যা দেখা দেয়
• অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা খিঁচুনি হয়
• অথবা মাথায় আঘাতের পর নতুন ধরনের তীব্র মাথাব্যথা শুরু হয়

তাহলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মাথাব্যথার কারণ না জেনে বারবার নিজের মতো করে ওষুধ খাওয়া ঠিক নয়। বারবার বা অস্বাভাবিক মাথাব্যথা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে কারণ নির্ণয় করা প্রয়োজন।

মাথাব্যথাকে সবসময় সাধারণ ভেবে অবহেলা করবেন না। আবার অযথা আতঙ্কিতও হবেন না, লক্ষণ বুঝুন, প্রয়োজন হলে সময়মতো চিকিৎসা নিন।

ভিডিওটি পরিবারের সদস্য ও পরিচিতদের সঙ্গে শেয়ার করুন। আপনার একটি শেয়ার জরুরি সময়ে কারও জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হয়ে উঠতে পারে।

ডা: মোঃ আব্দুল আহাদ
এম,বি,বি,এস (সি ইউ)
রেসিডেন্ট, এম.এস (নিউরোসার্জারী)
নিউরোসার্জারী বিভাগ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল, ঢাকা।
মেম্বার, ওয়ার্ল্ড স্পাইনাল কলাম সোসাইটি
মেম্বার, এও স্পাইন, এশিয়া এন্ড প্যাসিফিক
বিশেষজ্ঞ: ব্রেইন, স্পাইন, নার্ভ ও স্ট্রোক রোগের চিকিৎসা

চেম্বার: কোনাবাড়ী ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কোনাবাড়ী, গাজীপুর।

রোগী দেখার সময়:
প্রতি শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল পর্যন্ত
প্রতি সোমবার বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত

সিরিয়ালের জন্য কল করুন: 01753949488

#মাথাব্যথা #নিউরোসার্জারি #স্ট্রোকসচেতনতা #স্বাস্থ্যসচেতনতা #ডাঃআব্দুলআহাদ

মাথাব্যথা নিয়ে ৩টি ভুল ধারণা, যা জানা জরুরি!মাথাব্যথা হলে অনেকেই ভাবেন, “একটু ঘুমালেই ঠিক হয়ে যাবে” অথবা “বারবার ওষুধ ...
17/08/2026

মাথাব্যথা নিয়ে ৩টি ভুল ধারণা, যা জানা জরুরি!

মাথাব্যথা হলে অনেকেই ভাবেন, “একটু ঘুমালেই ঠিক হয়ে যাবে” অথবা “বারবার ওষুধ খেলেও কোনো সমস্যা নেই।” কিন্তু সব ধরনের মাথাব্যথা এক নয়, আর কারণ না জেনে বারবার ওষুধ খাওয়াও সবসময় নিরাপদ নয়।

চলুন ৩টি প্রচলিত ভুল ধারণা পরিষ্কার করি

১. “মাথাব্যথা হলে একটু বিশ্রাম নিলেই ঠিক হয়ে যাবে।”
সব মাথাব্যথা সাধারণ নয়। মাইগ্রেন, সাইনাসের সমস্যা, ঘুমের অভাব, চোখের সমস্যা বা বিভিন্ন ধরনের স্নায়বিক সমস্যার কারণেও মাথাব্যথা হতে পারে। বিশেষ করে মাথাব্যথা যদি বারবার হয়, আগের তুলনায় বেশি তীব্র হয় বা দৈনন্দিন কাজে বাধা সৃষ্টি করে, তাহলে কারণটি জানা গুরুত্বপূর্ণ।

২. “মাথাব্যথার ওষুধ বারবার খেলেও কোনো সমস্যা নেই।”
প্রয়োজন ছাড়া বা অতিরিক্ত মাত্রায় ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়া উল্টো বারবার মাথাব্যথার কারণ হতে পারে। এটিকে medication-overuse headache বলা হয়। তাই শুধু ব্যথা কমানোর জন্য নিয়মিত ওষুধ খাওয়ার অভ্যাস না করে, মাথাব্যথার কারণ অনুযায়ী চিকিৎসা নেওয়া উচিত।

৩. “মাথাব্যথা শুধু টেনশন বা রক্তচাপের কারণে হয়।”
টেনশন বা স্ট্রেস মাথাব্যথার একটি কারণ হতে পারে, কিন্তু একমাত্র কারণ নয়। মাইগ্রেন, সাইনাসের সমস্যা, ঘুমের অনিয়ম, পানিশূন্যতা, হরমোনের পরিবর্তন, দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিন ব্যবহারসহ বিভিন্ন কারণেও মাথাব্যথা হতে পারে।

কখন মাথাব্যথাকে গুরুত্ব দেবেন?

হঠাৎ জীবনের সবচেয়ে তীব্র মাথাব্যথা শুরু হলে, মাথাব্যথার সঙ্গে অজ্ঞান হওয়া, খিঁচুনি, কথা বলতে সমস্যা, শরীরের এক পাশ দুর্বল বা অবশ হয়ে যাওয়া, দৃষ্টির সমস্যা, বারবার বমি বা জ্বর ও ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গ থাকলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।

আর যদি মাথাব্যথা বারবার হচ্ছে, ধীরে ধীরে বাড়ছে বা নিয়মিত ওষুধের প্রয়োজন হচ্ছে, তাহলে নিজের মতো করে চিকিৎসা না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই ভালো।

মাথাব্যথা শুধু একটি সাধারণ সমস্যা ধরে না নিয়ে, কেন হচ্ছে সেটা জানা এবং সঠিক কারণ অনুযায়ী চিকিৎসা নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

ডা: মোঃ আব্দুল আহাদ
এম,বি,বি,এস (সি ইউ)
রেসিডেন্ট, এম.এস (নিউরোসার্জারী)
নিউরোসার্জারী বিভাগ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল, ঢাকা।
মেম্বার, ওয়ার্ল্ড স্পাইনাল কলাম সোসাইটি
মেম্বার, এও স্পাইন, এশিয়া এন্ড প্যাসিফিক
বিশেষজ্ঞ: ব্রেইন, স্পাইন, নার্ভ ও স্ট্রোক রোগের চিকিৎসা

রোগী দেখার সময়:
প্রতি শুক্রবার সকাল ১০ টা থেকে রাত পর্যন্ত
প্রতি সোমবার বিকেল ৪ টা থেকে রাত পর্যন্ত

সিরিয়ালের জন্য কল করুন: 01753949488

চেম্বার: কোনাবাড়ী ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কোনাবাড়ী, গাজীপুর।

আপনার পরিচিত কেউ যদি নিয়মিত মাথাব্যথায় ভুগে থাকেন, পোস্টটি তার সঙ্গে শেয়ার করতে পারেন। সচেতনতা অনেক সময় সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।

রাতে হাত অবশ হয়ে যায় কেন?ঘুম থেকে উঠে অনেকেই অনুভব করেন, একটি হাত অবশ, ঝিনঝিন করছে বা কিছুক্ষণ ঠিকমতো নাড়াতে পারছেন ন...
15/08/2026

রাতে হাত অবশ হয়ে যায় কেন?

ঘুম থেকে উঠে অনেকেই অনুভব করেন, একটি হাত অবশ, ঝিনঝিন করছে বা কিছুক্ষণ ঠিকমতো নাড়াতে পারছেন না। অনেক সময় ভুল ভঙ্গিতে ঘুমানোর কারণে সাময়িকভাবে এমন হতে পারে। তবে বারবার রাতে হাত অবশ হওয়া বা দীর্ঘক্ষণ অবশভাব থাকা অবহেলা করা উচিত নয়।

হাত অবশ হওয়ার সম্ভাব্য কিছু কারণ হতে পারে

১. কার্পাল টানেল সিনড্রোম
কবজির ভেতর দিয়ে যাওয়া নার্ভের ওপর চাপ পড়লে বিশেষ করে রাতে হাতের আঙুলে ঝিনঝিন, অবশভাব বা ব্যথা হতে পারে।

২. ঘাড়ের নার্ভে চাপ
ঘাড়ের হাড় বা ডিস্কের সমস্যার কারণে নার্ভে চাপ পড়লে ঘাড় থেকে হাত পর্যন্ত ব্যথা, ঝিনঝিন বা অবশভাব দেখা দিতে পারে।

৩. ডায়াবেটিস
দীর্ঘদিনের অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসে নার্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে হাত-পায়ে অবশভাব বা ঝিনঝিন হতে পারে।

৪. ভিটামিন B12-এর ঘাটতি
B12-এর ঘাটতিতেও নার্ভের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়ে হাত-পায়ে ঝিনঝিন বা অবশভাব হতে পারে।

৫. রক্ত চলাচল বা অন্যান্য নার্ভের সমস্যা
কিছু ক্ষেত্রে রক্ত চলাচলের সমস্যা বা অন্য কোনো স্নায়বিক সমস্যার কারণেও হাত অবশ হতে পারে।

কখন দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি?

যদি হঠাৎ করে এক হাত অবশ বা দুর্বল হয়ে যাওয়ার সঙ্গে মুখের এক পাশ বেঁকে যাওয়া, কথা জড়িয়ে যাওয়া, শরীরের এক পাশ দুর্বল হওয়া, হাঁটতে সমস্যা বা হঠাৎ দৃষ্টির সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে এটি স্ট্রোকের লক্ষণ হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে অপেক্ষা না করে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে।

আর যদি রাতে হাত অবশ হওয়ার সমস্যা বারবার হয়, ধীরে ধীরে বাড়ে, দীর্ঘ সময় থাকে বা হাতের শক্তি কমে যায়, তাহলে কারণ নির্ণয়ের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

নিজে থেকে শুধু ব্যথার ওষুধ খেয়ে সমস্যাটি চাপা না দিয়ে, প্রয়োজনে সঠিক কারণ নির্ণয় করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

ডা: মোঃ আব্দুল আহাদ
এম,বি,বি,এস (সি ইউ)
রেসিডেন্ট, এম.এস (নিউরোসার্জারী)
নিউরোসার্জারী বিভাগ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল, ঢাকা।
মেম্বার, ওয়ার্ল্ড স্পাইনাল কলাম সোসাইটি
মেম্বার, এও স্পাইন, এশিয়া এন্ড প্যাসিফিক
বিশেষজ্ঞ: ব্রেইন, স্পাইন, নার্ভ ও স্ট্রোক রোগের চিকিৎসা

রোগী দেখার সময়:
প্রতি শুক্রবার সকাল ১০ টা থেকে রাত পর্যন্ত
প্রতি সোমবার বিকেল ৪ টা থেকে রাত পর্যন্ত

সিরিয়ালের জন্য কল করুন: 01753949488

চেম্বার: কোনাবাড়ী ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কোনাবাড়ী, গাজীপুর।

সচেতন থাকুন, সুস্থ থাকুন। নিজের বা পরিবারের কারও এমন সমস্যা বারবার হলে অবহেলা না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

পায়ে ঝিনঝিনি কেন হয়? সবসময় কি সাধারণ সমস্যা?পায়ে ঝিনঝিনি বা শিরশির অনুভূতি হলে অনেকেই বিষয়টি গুরুত্ব দেন না। দীর্ঘসময় এক...
14/08/2026

পায়ে ঝিনঝিনি কেন হয়? সবসময় কি সাধারণ সমস্যা?

পায়ে ঝিনঝিনি বা শিরশির অনুভূতি হলে অনেকেই বিষয়টি গুরুত্ব দেন না। দীর্ঘসময় একভাবে বসে থাকার পর সাময়িকভাবে এমন অনুভূতি হওয়া স্বাভাবিক হতে পারে। কিন্তু বারবার পায়ে ঝিনঝিনি হওয়া, দীর্ঘসময় থাকা বা এর সঙ্গে অবশভাব ও দুর্বলতা দেখা দিলে কারণটি খুঁজে দেখা জরুরি।

পায়ে ঝিনঝিনির পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে।

সম্ভাব্য কিছু কারণ

১. দীর্ঘসময় একই ভঙ্গিতে বসে থাকা
একভাবে অনেকক্ষণ বসে থাকলে নার্ভ বা রক্ত চলাচলের ওপর সাময়িক চাপ পড়ে পায়ে ঝিনঝিনি হতে পারে।

২. মেরুদণ্ডের সমস্যা বা নার্ভে চাপ
কোমর বা মেরুদণ্ডের কোনো সমস্যার কারণে নার্ভে চাপ পড়লে কোমর থেকে নিতম্ব হয়ে পায়ের দিকে ব্যথা, ঝিনঝিনি বা অবশভাব ছড়িয়ে যেতে পারে।

৩. রক্ত সঞ্চালনের সমস্যা
পায়ে রক্ত চলাচলে সমস্যা থাকলেও ঝিনঝিনি, ঠান্ডা অনুভূতি বা অস্বস্তি হতে পারে।

৪. ডায়াবেটিস বা ভিটামিন B12-এর ঘাটতি
দীর্ঘদিনের ডায়াবেটিসে নার্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হলে পায়ে জ্বালাপোড়া, ঝিনঝিনি বা অবশভাব দেখা দিতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে ভিটামিন B12-এর ঘাটতিও নার্ভের সমস্যার কারণ হতে পারে।

৫. আঘাত বা অতিরিক্ত চাপ
পায়ে বা কোমরে আঘাত লাগা কিংবা কোনো নার্ভের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়লেও এমন সমস্যা হতে পারে।

কখন অবহেলা করবেন না?

যদি পায়ের ঝিনঝিনির সঙ্গে

পায়ের শক্তি কমে যায়
হাঁটতে বা দাঁড়াতে সমস্যা হয়
পা অবশ হয়ে আসে
কোমর থেকে পায়ের দিকে ব্যথা ছড়িয়ে যায়
বারবার একই সমস্যা হতে থাকে
ধীরে ধীরে লক্ষণ বাড়তে থাকে

তাহলে শুধু মালিশ বা নিজের মতো ওষুধ না খেয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

আর যদি হঠাৎ শরীরের এক পাশের হাত-পা দুর্বল/অবশ হয়ে যায়, মুখ বেঁকে যায় বা কথা জড়িয়ে যায়, তাহলে এটিকে জরুরি লক্ষণ হিসেবে বিবেচনা করে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে।

আপনারও কি পায়ে ঝিনঝিনি হয়?

একটু লক্ষ্য করুন
কতক্ষণ থাকে? শুধু পায়ে হয়, নাকি কোমর থেকে পায়ের দিকে আসে? হাঁটার সময় বাড়ে, নাকি দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার পর বেশি হয়?

আপনার অভিজ্ঞতা কমেন্টে জানাতে পারেন। একই সমস্যায় থাকা অন্য কেউ হয়তো আপনার মন্তব্য থেকে নিজের লক্ষণকে গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন।

পোস্টটি উপকারী মনে হলে শেয়ার করে পরিবার ও পরিচিতদের জানিয়ে দিন। স্বাস্থ্য সম্পর্কে একটি সচেতনতামূলক শেয়ারও কারও জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

ডা: মোঃ আব্দুল আহাদ
এম,বি,বি,এস (সি ইউ)
রেসিডেন্ট, এম,এস (নিউরোসার্জারি)
নিউরোসার্জারি বিভাগ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল, ঢাকা।
মেম্বার, ওয়ার্ল্ড স্পাইনাল কলাম সোসাইটি
মেম্বার এও স্পাইন, এশিয়া এন্ড প্যাসিফিক
বিশেষজ্ঞ: ব্রেইন, স্পাইন, নার্ভ ও স্ট্রোক রোগের চিকিৎসা

রোগী দেখার সময়:
প্রতি শুক্রবার সকাল ১০ টা থেকে রাত পর্যন্ত
প্রতি সোমবার বিকেল ৪ টা থেকে রাত পর্যন্ত

চেম্বার: কোনাবাড়ী ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কোনাবাড়ী, গাজীপুর।

সিরিয়ালের জন্য কল করুন: 01753949488

#পায়ে_ঝিনঝিনি #নার্ভের_সমস্যা #পায়ে_অবশভাব #মেরুদণ্ড #ডায়াবেটিস #ভিটামিনB12 #নিউরোসার্জারি #স্বাস্থ্যসচেতনতা #ডাঃআব্দুলআহাদ #কোনাবাড়ী #গাজীপুর

Address

Dhaka Medical College & Hospital
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Abdul Ahad posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Abdul Ahad:

Shortcuts

Share

Category