Dr. Abdul Ahad

Call Directions Website Contact the practice

Dr. Abdul Ahad Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Abdul Ahad, Doctor, Dhaka Medical College & Hospital, Dhaka.

ডা: মো: আব্দুল আহাদ
এম,বি,বি,এস (সি ইউ)
রেসিডেন্ট, এম,এস (নিউরোসার্জারী)

নিউরোসার্জারী বিভাগ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল, ঢাকা।

মেম্বার, ওয়াল্ড স্পাইনাল কলাম সোসাইটি।
মেম্বার এও স্পাইন, এশিয়া এন্ড প্যাসিফিক।

রাতে হাত ঝিনঝিন করে ঘুম ভেঙে যায়? কারণটা শুধু ঘুমের ভঙ্গি নাও হতে পারেঅনেকেই রাতে ঘুমের মধ্যে হঠাৎ হাত ঝিনঝিন, অবশ বা স...
29/09/2026

রাতে হাত ঝিনঝিন করে ঘুম ভেঙে যায়? কারণটা শুধু ঘুমের ভঙ্গি নাও হতে পারে

অনেকেই রাতে ঘুমের মধ্যে হঠাৎ হাত ঝিনঝিন, অবশ বা সুচ ফোটার মতো অনুভূতি নিয়ে জেগে ওঠেন। কিছু ক্ষেত্রে এটি দীর্ঘ সময় একই ভঙ্গিতে শোয়ার কারণে সাময়িকভাবে স্নায়ুর ওপর চাপ পড়ার জন্য হতে পারে। কিন্তু যদি বিষয়টি বারবার হয়, তাহলে এর পেছনে স্নায়ু বা ঘাড়ের সমস্যাও থাকতে পারে।

যে কারণগুলো থাকতে পারে:

১. দীর্ঘক্ষণ একই ভঙ্গিতে ঘুমানো
ঘুমের সময় হাত বা কবজি এমন অবস্থায় থাকলে আশপাশের স্নায়ুর ওপর চাপ পড়তে পারে। ফলে কিছু সময়ের জন্য ঝিনঝিন বা অবশ লাগতে পারে।

২. কবজির স্নায়ুতে চাপ
বিশেষ করে রাতে হাতের আঙুলে ঝিনঝিন, অবশভাব বা ব্যথা বেশি হলে কবজির কোনো স্নায়ুতে চাপ থাকার বিষয়টি বিবেচনা করা হয়।

৩. ঘাড়ের স্নায়ুর সমস্যা
ঘাড়ের হাড় বা ডিস্কের সমস্যার কারণে স্নায়ুতে চাপ পড়লে ঘাড় থেকে কাঁধ, বাহু হয়ে হাত পর্যন্ত ব্যথা, ঝিনঝিন বা অবশভাব ছড়িয়ে যেতে পারে।

৪. ডায়াবেটিসজনিত স্নায়ুর সমস্যা
দীর্ঘদিনের ডায়াবেটিসে স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হলে হাত-পায়ে ঝিনঝিন, জ্বালাপোড়া বা অবশভাব দেখা দিতে পারে।

৫. ভিটামিন B12-এর ঘাটতি
ভিটামিন B12 কম থাকলেও স্নায়ুজনিত বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দিতে পারে, যার মধ্যে হাত-পায়ে ঝিনঝিন বা অবশভাব অন্যতম।

কখন বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত?

যদি মাঝে মধ্যে ঘুমের ভঙ্গির কারণে এমন হয় এবং ভঙ্গি পরিবর্তন করার পর দ্রুত ঠিক হয়ে যায়, তাহলে সাধারণত অতিরিক্ত চিন্তার কারণ নাও থাকতে পারে।

তবে নিচের বিষয়গুলো থাকলে অবহেলা করবেন না:

• প্রতিদিন বা ঘন ঘন রাতে হাত ঝিনঝিন করা
• দীর্ঘ সময় হাত অবশ থাকা
• হাতের সঙ্গে ঘাড় বা কাঁধে ব্যথা থাকা
• হাতে দুর্বলতা বা জিনিস ধরতে সমস্যা হওয়া
• দিনের বেলাতেও একই সমস্যা থাকা
• ধীরে ধীরে উপসর্গ বেড়ে যাওয়া

শুধু ঝিনঝিন কমানোর জন্য বারবার ওষুধ খাওয়ার আগে সমস্যার কারণ জানা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ একই উপসর্গের পেছনে ভিন্ন ভিন্ন কারণ থাকতে পারে এবং চিকিৎসাও কারণ অনুযায়ী আলাদা হতে পারে।

আপনার কি রাতে বারবার হাত ঝিনঝিন করে ঘুম ভেঙে যায়? কতদিন ধরে হচ্ছে এবং কোন আঙুলগুলোতে বেশি অনুভূত হয়—এই তথ্যগুলো চিকিৎসকের কাছে জানালে কারণ নির্ণয়ে সাহায্য করতে পারে।

প্রয়োজনে পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন:

ডাঃ মোঃ আব্দুল আহাদ
এমবিবিএস (সি ইউ)
রেসিডেন্ট, এমএস (নিউরোসার্জারি)
নিউরোসার্জারি বিভাগ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল, ঢাকা
মেম্বার, ওয়ার্ল্ড স্পাইনাল কলাম সোসাইটি
মেম্বার এও স্পাইন, এশিয়া এন্ড প্যাসিফিক

সিরিয়াল নিতে কল করুন:
০১৭৫৩৯৪৯৪৮৮

চেম্বার: কোনাবাড়ী ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কোনাবাড়ী, গাজীপুর

#হাতঝিনঝিন #হাতঅবশ #স্নায়ুরসমস্যা #ঘাড়েরব্যথা #কবজিরব্যথা #নিউরোসার্জারি #কোনাবাড়ী #গাজীপুর

বারবার ব্যথার ওষুধ খাচ্ছেন? আগে জানুন, ব্যথার আসল কারণ কী!ব্যথা কমানোর ওষুধ খেলে অনেক সময় দ্রুত আরাম পাওয়া যায়। কিন্ত...
27/09/2026

বারবার ব্যথার ওষুধ খাচ্ছেন? আগে জানুন, ব্যথার আসল কারণ কী!

ব্যথা কমানোর ওষুধ খেলে অনেক সময় দ্রুত আরাম পাওয়া যায়। কিন্তু ব্যথা যদি বারবার ফিরে আসে, তাহলে শুধু ওষুধ খেয়ে যাওয়াই সমাধান নয়। কারণ ব্যথা অনেক সময় শরীরের ভেতরে থাকা কোনো সমস্যার একটি সংকেত হতে পারে।

বিশেষ করে একই ধরনের ব্যথা বারবার হলে বা দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকলে ব্যথার কারণ খুঁজে বের করা গুরুত্বপূর্ণ।

কেন বারবার ব্যথার ওষুধ খাওয়ার আগে কারণ জানা প্রয়োজন?

ব্যথার পেছনে থাকতে পারে বিভিন্ন কারণ। যেমন:

১. স্নায়ুতে চাপ বা স্নায়ুর সমস্যার কারণে ব্যথা
২. মেরুদণ্ড বা ঘাড়ের সমস্যাজনিত ব্যথা
৩. পেশিতে টান বা আঘাত
৪. ভাইরাসজনিত কিছু সমস্যা
৫. দীর্ঘদিনের কোনো রোগের প্রভাব
৬. প্রদাহ বা অন্য কোনো শারীরিক সমস্যা

শুধু ব্যথা কমিয়ে দিলে মূল কারণটি থেকে যেতে পারে। ফলে ওষুধের প্রভাব শেষ হওয়ার পর আবার ব্যথা শুরু হতে পারে।

কোন লক্ষণগুলো থাকলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত?

যদি ব্যথার সঙ্গে হাত-পায়ে ঝিনঝিনি, অবশভাব, দুর্বলতা, হাঁটাচলায় সমস্যা, ঘাড় বা কোমর থেকে হাত-পায়ে ব্যথা ছড়িয়ে যাওয়া, বারবার মাথাব্যথা বা অস্বাভাবিকভাবে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা থাকে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

হঠাৎ খুব তীব্র ব্যথা, শরীরের কোনো অংশ দুর্বল বা অবশ হয়ে যাওয়া, কথা বলতে সমস্যা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা অন্য কোনো গুরুতর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।

নিজে থেকে বারবার ওষুধ খাওয়া কেন ঠিক নয়?

সব ব্যথার জন্য একই ধরনের ওষুধ উপযুক্ত নয়। কোন ওষুধ, কত মাত্রায় এবং কতদিন ব্যবহার করা নিরাপদ, তা ব্যক্তির বয়স, অন্যান্য রোগ, চলমান ওষুধ এবং ব্যথার কারণের ওপর নির্ভর করতে পারে।

তাই নিয়মিত ব্যথার ওষুধ খাওয়ার অভ্যাস না করে প্রথমে ব্যথার কারণ সম্পর্কে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

আপনার করণীয়

ব্যথা কখন শুরু হয়েছে, কোথায় হচ্ছে, কতক্ষণ থাকে, কী করলে বাড়ে বা কমে এবং এর সঙ্গে অন্য কোনো উপসর্গ আছে কি না, এসব তথ্য চিকিৎসককে জানান।

প্রয়োজনে শারীরিক পরীক্ষা ও উপযুক্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে ব্যথার কারণ নির্ণয় করে চিকিৎসার পরামর্শ দেওয়া যেতে পারে।

মনে রাখবেন, ব্যথা শুধু একটি উপসর্গ। বারবার ব্যথা হলে শুধু ব্যথা কমানোর চেষ্টা না করে ব্যথার কারণ খুঁজে বের করাই গুরুত্বপূর্ণ।

ডা. মোঃ আব্দুল আহাদ
এমবিবিএস (সি ইউ)
রেসিডেন্ট, এমএস (নিউরোসার্জারি)
নিউরোসার্জারি বিভাগ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল, ঢাকা

#ব্যথা #ব্যথারওষুধ #স্নায়ুরোগ #নিউরোসার্জারি #ঘাড়েরব্যথা #কোমরেরব্যথা #স্নায়ুরসমস্যা #স্বাস্থ্যসচেতনতা #গাজীপুর #কোনাবাড়ী

দাঁতের সমস্যা নয়, মুখের নার্ভের সমস্যাও হতে পারে!মুখে তীব্র ব্যথা হলে আমরা অনেক সময় প্রথমেই ধরে নিই—দাঁতে সমস্যা হয়েছ...
25/09/2026

দাঁতের সমস্যা নয়, মুখের নার্ভের সমস্যাও হতে পারে!

মুখে তীব্র ব্যথা হলে আমরা অনেক সময় প্রথমেই ধরে নিই—দাঁতে সমস্যা হয়েছে। কিন্তু সবসময় কারণ দাঁত নয়। কিছু ক্ষেত্রে মুখের ব্যথার পেছনে থাকতে পারে নার্ভের সমস্যা, নার্ভে চাপ, প্রদাহ বা অন্য কোনো স্নায়বিক কারণ।

বিশেষ করে দাঁত ঠিক থাকার পরও যদি মুখে বারবার হঠাৎ তীব্র, বিদ্যুৎ শকের মতো ব্যথা হয়, তাহলে বিষয়টি অবহেলা না করে কারণ খুঁজে দেখা গুরুত্বপূর্ণ।

🔎 কী কী লক্ষণ খেয়াল করবেন?

🔹 হঠাৎ বিদ্যুৎ শকের মতো ব্যথা
কয়েক সেকেন্ড থেকে কিছুক্ষণ স্থায়ী হতে পারে এবং দিনে একাধিকবারও হতে পারে।

🔹 মুখের এক পাশে তীব্র ব্যথা
বিশেষ করে গাল, চোয়াল, নাকের পাশ বা ঠোঁটের আশপাশে ব্যথা অনুভূত হতে পারে।

🔹 হালকা স্পর্শেও ব্যথা শুরু হওয়া
মুখ ধোয়া, দাঁত ব্রাশ করা, কথা বলা বা চিবানোর সময়ও কারও কারও ব্যথা বেড়ে যেতে পারে।

🔹 দাঁতের চিকিৎসার পরও ব্যথা থেকে যাওয়া
দাঁতে দৃশ্যমান সমস্যা না থাকলেও যদি একই ধরনের ব্যথা বারবার হয়, তাহলে অন্য কারণও বিবেচনা করা প্রয়োজন।

🔹 মুখের সঙ্গে ঘাড় বা মাথার দিকেও অস্বস্তি থাকা
কিছু ক্ষেত্রে ব্যথার উৎস ও ছড়িয়ে পড়ার ধরন দেখে চিকিৎসককে কারণ নির্ণয় করতে হয়।

মুখের নার্ভে ব্যথার সম্ভাব্য কারণ

মুখের অনুভূতি ও ব্যথা নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন নার্ভ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই নার্ভে চাপ, প্রদাহ বা ক্ষতির কারণে মুখে ব্যথা তৈরি হতে পারে।

সম্ভাব্য কারণের মধ্যে থাকতে পারে

✅ ট্রাইজেমিনাল নিউরালজিয়া
✅ নার্ভে চাপ বা প্রদাহ
✅ ভাইরাসজনিত নার্ভের সমস্যা
✅ ডায়াবেটিসের কারণে নার্ভ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া
✅ মুখ বা মাথার নার্ভে আঘাত
✅ দাঁত ও দাঁতের আশপাশের নার্ভের সমস্যা
✅ কিছু ক্ষেত্রে মস্তিষ্ক বা স্নায়ুতন্ত্রের সমস্যার সঙ্গে সম্পর্ক

তবে শুধু লক্ষণ দেখে নিজে নিজে রোগের নাম নিশ্চিত করা ঠিক নয়। একই ধরনের ব্যথার পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে।

কখন অবহেলা করবেন না?
মুখের ব্যথা যদি

➡️ বারবার ফিরে আসে
➡️ ক্রমশ তীব্র হয়
➡️ দাঁতের চিকিৎসার পরও না কমে
➡️ মুখে অবশভাব বা ঝিনঝিনে অনুভূতি থাকে
➡️ মুখের পাশাপাশি মাথা বা ঘাড়েও সমস্যা থাকে
➡️ হঠাৎ মুখ বেঁকে যাওয়া, কথা জড়িয়ে যাওয়া, হাত-পায়ে দুর্বলতা বা অবশভাবের মতো উপসর্গের সঙ্গে দেখা দেয়

তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

মনে রাখবেন: মুখের সব ব্যথার সমাধান শুধু দাঁতের চিকিৎসা নয়। ব্যথার প্রকৃতি, কোথায় হচ্ছে, কতক্ষণ থাকে এবং কীসে বাড়ে—এসব তথ্য সঠিক কারণ খুঁজে বের করতে গুরুত্বপূর্ণ।

#মুখেরব্যথা #নার্ভেরসমস্যা #মুখেব্যথা #নিউরোসার্জারি #নার্ভ #মাথাব্যথা #স্বাস্থ্যসচেতনতা #কোনাবাড়ী #গাজীপুর

মুখের এক পাশে হঠাৎ বিদ্যুৎ শকের মতো ব্যথা হচ্ছে? বিষয়টি অবহেলা করবেন নামুখের এক পাশে হঠাৎ তীব্র, বিদ্যুৎ শকের মতো ব্যথা...
23/09/2026

মুখের এক পাশে হঠাৎ বিদ্যুৎ শকের মতো ব্যথা হচ্ছে? বিষয়টি অবহেলা করবেন না

মুখের এক পাশে হঠাৎ তীব্র, বিদ্যুৎ শকের মতো ব্যথা হওয়া অনেকের কাছেই সাধারণ দাঁতের ব্যথা মনে হতে পারে। কিন্তু সবসময় এটি দাঁত বা মাড়ির সমস্যার কারণে হয় না। কখনো কখনো মুখের সংবেদন বহনকারী স্নায়ুর সমস্যার কারণেও এমন ব্যথা হতে পারে।

বিশেষ করে ব্যথা যদি কয়েক সেকেন্ড থেকে কয়েক মিনিট স্থায়ী হয় এবং কথা বলা, চিবানো, দাঁত ব্রাশ করা, মুখ ধোয়া বা ঠান্ডা বাতাস লাগার মতো সাধারণ কাজের পর বারবার শুরু হয়, তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।

কী কী কারণে এমন ব্যথা হতে পারে?

১. ট্রাইজেমিনাল নিউরালজিয়া
মুখের অনুভূতি বহনকারী ট্রাইজেমিনাল নার্ভে সমস্যা হলে এক পাশে হঠাৎ তীব্র, শক লাগার মতো ব্যথা হতে পারে। অনেক সময় ব্যথা খুব অল্প সময় থাকে, কিন্তু দিনে বারবার হতে পারে।

২. মুখের স্নায়ুর ওপর চাপ বা অন্যান্য স্নায়বিক সমস্যা
কিছু ক্ষেত্রে নার্ভের ওপর চাপ বা নার্ভের কার্যকারিতায় পরিবর্তনের কারণে মুখে তীব্র ব্যথা অনুভূত হতে পারে। কারণ বোঝার জন্য রোগীর উপসর্গ ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ।

৩. দাঁত বা মাড়ির সমস্যা
দাঁতের ক্ষয়, দাঁতের গোড়ায় সংক্রমণ, মাড়ির সমস্যা বা দাঁতের অন্য কোনো সমস্যাও মুখে তীব্র ব্যথা তৈরি করতে পারে। তাই দাঁতের সমস্যা আছে কি না সেটিও যাচাই করা প্রয়োজন।

৪. সাইনাসের সমস্যা
সাইনাসে প্রদাহ বা সংক্রমণের ক্ষেত্রে মুখের নির্দিষ্ট অংশে চাপ, ব্যথা বা অস্বস্তি হতে পারে। সঙ্গে নাক বন্ধ থাকা, সর্দি বা মাথার ভারী লাগার মতো উপসর্গ থাকতে পারে।

৫. ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতিসহ অন্যান্য কারণ
কিছু পুষ্টিগত ঘাটতি বা অন্যান্য শারীরিক সমস্যার সঙ্গেও স্নায়বিক উপসর্গের সম্পর্ক থাকতে পারে। তাই শুধু ব্যথার জায়গা দেখে কারণ নির্ধারণ করা ঠিক নয়।

কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি?

মুখের ব্যথা বারবার হলে, ব্যথার তীব্রতা বাড়তে থাকলে বা দৈনন্দিন কাজ যেমন খাওয়া, কথা বলা কিংবা দাঁত ব্রাশ করার সময় ব্যথা শুরু হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

বিশেষ করে মুখের ব্যথার সঙ্গে যদি মুখের কোনো অংশ অবশ হয়ে যাওয়া, হাত-পায়ে দুর্বলতা, কথা জড়িয়ে যাওয়া, দৃষ্টির সমস্যা, তীব্র মাথাব্যথা বা অন্য কোনো নতুন স্নায়বিক উপসর্গ দেখা দেয়, তাহলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।

নিজে থেকে বারবার ব্যথার ওষুধ খেয়ে সমস্যাটি চাপা না দিয়ে ব্যথার প্রকৃত কারণ জানা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ একই ধরনের ব্যথার পেছনে ভিন্ন ভিন্ন কারণ থাকতে পারে এবং চিকিৎসাও কারণভেদে আলাদা হয়।

আপনার মুখের এক পাশে বারবার শক লাগার মতো ব্যথা হলে বিষয়টি অবহেলা না করে নিউরোসার্জারি বিভাগের চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন।

ডাঃ মোঃ আব্দুল আহাদ
এম,বি,বি,এস (সি ইউ)
রেসিডেন্ট, এম,এস (নিউরোসার্জারী)
নিউরোসার্জারী বিভাগ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল, ঢাকা।
মেম্বার, ওয়ার্ল্ড স্পাইনাল কলাম সোসাইটি
মেম্বার, এও স্পাইন, এশিয়া এন্ড প্যাসিফিক

চেম্বার:
কোনাবাড়ী ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কোনাবাড়ী, গাজীপুর।

রোগী দেখার সময়:
প্রতি শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে রাত পর্যন্ত
প্রতি সোমবার বিকেল ৪টা থেকে রাত পর্যন্ত

সিরিয়াল নিতে কল করুন:
01753-949488

#মুখেরব্যথা #ট্রাইজেমিনালনিউরালজিয়া #স্নায়ুরসমস্যা #মুখেব্যথা #নিউরোসার্জারি #স্বাস্থ্যসচেতনতা #কোনাবাড়ী #গাজীপুর

ঘাড়ে ব্যথা হলেই কি সারাজীবন এই সমস্যা থাকবে?অনেকেই ঘাড়ে ব্যথা শুরু হলে ভয় পেয়ে যান। মনে করেন, এটি হয়তো সার্ভিক্যাল ...
21/09/2026

ঘাড়ে ব্যথা হলেই কি সারাজীবন এই সমস্যা থাকবে?

অনেকেই ঘাড়ে ব্যথা শুরু হলে ভয় পেয়ে যান। মনে করেন, এটি হয়তো সার্ভিক্যাল স্পন্ডাইলোসিস বা মেরুদণ্ডের বড় কোনো সমস্যা এবং একবার হলে আর ভালো হওয়ার সুযোগ নেই। কিন্তু বাস্তবে ঘাড়ের ব্যথার কারণ একেকজনের ক্ষেত্রে একেক রকম হতে পারে।

ভুলভাবে ঘুমানো, দীর্ঘসময় মোবাইল বা কম্পিউটার ব্যবহার, ঘাড়ের পেশিতে অতিরিক্ত চাপ, আঘাত, সার্ভিক্যাল স্পন্ডাইলোসিস, ডিস্কের সমস্যা কিংবা নার্ভে চাপ পড়ার কারণেও ঘাড়ে ব্যথা হতে পারে।

বিশেষ করে যারা দীর্ঘসময় মোবাইল বা কম্পিউটারের দিকে মাথা নিচু করে কাজ করেন, তাদের ঘাড়ের পেশি ও মেরুদণ্ডের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হতে পারে। এর সঙ্গে যুক্ত হতে পারে ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া, কাঁধে ব্যথা বা মাথাব্যথা।

আর যদি ঘাড়ের কোনো নার্ভে চাপ পড়ে, তাহলে ব্যথা শুধু ঘাড়ে সীমাবদ্ধ না থেকে কাঁধ, হাত বা আঙুল পর্যন্ত ছড়িয়ে যেতে পারে। হাত ঝিনঝিন করা, অবশ লাগা বা হাতের শক্তি কমে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

যেসব লক্ষণ অবহেলা করবেন না:

১। ঘাড়ের ব্যথা বারবার ফিরে আসা বা দীর্ঘদিন থাকা
২। ঘাড় থেকে কাঁধ বা হাতে ব্যথা ছড়িয়ে যাওয়া
৩। হাতে ঝিনঝিনি বা অবশভাব অনুভূত হওয়া
৪। হাতের শক্তি কমে যাওয়া বা জিনিস ধরতে সমস্যা হওয়া
৫। ঘাড় নড়াচড়া করলে ব্যথা বা অস্বস্তি বেড়ে যাওয়া
৬। আঘাতের পর ঘাড়ে তীব্র ব্যথা শুরু হওয়া

তবে ঘাড়ে ব্যথা হলেই যে বড় কোনো সমস্যা হয়েছে, এমনটাও নয়। আবার ব্যথা সাময়িকভাবে কমে গেলেই যে সমস্যার কারণ চলে গেছে, সেটিও ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

ব্যথার কারণ অনুযায়ী চিকিৎসার ধরন ভিন্ন হতে পারে। তাই দীর্ঘদিনের বা বারবার হওয়া ঘাড়ের ব্যথায় নিজের মতো করে ওষুধ খাওয়া বা ব্যথা সহ্য করে যাওয়ার পরিবর্তে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

সঠিক সময়ে কারণ শনাক্ত করা গেলে অনেক ক্ষেত্রেই প্রয়োজন অনুযায়ী ওষুধ, ব্যায়াম, ফিজিওথেরাপি, জীবনযাত্রায় পরিবর্তনসহ বিভিন্ন চিকিৎসার মাধ্যমে সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

ডাঃ মোঃ আব্দুল আহাদ
এম,বি,বি,এস (সি ইউ)
রেসিডেন্ট, এম.এস (নিউরোসার্জারী)
নিউরোসার্জারী বিভাগ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল, ঢাকা।
মেম্বার, ওয়ার্ল্ড স্পাইনাল কলাম সোসাইটি
মেম্বার, এও স্পাইন, এশিয়া এন্ড প্যাসিফিক

চেম্বার: কোনাবাড়ী ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কোনাবাড়ী, গাজীপুর।

রোগী দেখার সময়:
প্রতি শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে রাত পর্যন্ত
প্রতি সোমবার বিকেল ৪টা থেকে রাত পর্যন্ত

সিরিয়াল নিতে কল করুন: 01753-949488

ঘাড়ের ব্যথাকে শুধু সাধারণ ব্যথা মনে করে দীর্ঘদিন অবহেলা করবেন না। আপনার ব্যথার প্রকৃত কারণ জানা এবং সঠিক চিকিৎসা নেওয়াই সুস্থ থাকার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

হাতে শক্তি কমে যাচ্ছে? শুধু দুর্বলতা ভেবে এড়িয়ে যাবেন নাহাতে শক্তি কমে যাওয়া অনেক সময় সাময়িক ক্লান্তি বা অতিরিক্ত ক...
19/09/2026

হাতে শক্তি কমে যাচ্ছে? শুধু দুর্বলতা ভেবে এড়িয়ে যাবেন না

হাতে শক্তি কমে যাওয়া অনেক সময় সাময়িক ক্লান্তি বা অতিরিক্ত কাজের কারণে হতে পারে। তবে বারবার হাত দুর্বল লাগা, জিনিস ধরতে সমস্যা হওয়া বা হাতের শক্তি ধীরে ধীরে কমে যাওয়া শরীরের স্নায়ু, ঘাড়ের মেরুদণ্ড বা অন্য কোনো সমস্যার ইঙ্গিতও হতে পারে।

বিশেষ করে হাতের দুর্বলতার সঙ্গে যদি ঘাড় বা কাঁধ থেকে হাতে ব্যথা ছড়িয়ে যায়, হাত বা আঙুলে ঝিনঝিনি কিংবা অবশভাব থাকে, অথবা হাতের কোনো নির্দিষ্ট অংশে অনুভূতি কমে যায়, তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।

ঘাড়ের মেরুদণ্ডের কোনো ডিস্ক বা হাড়ের পরিবর্তনের কারণে স্নায়ুর ওপর চাপ পড়লে ঘাড় থেকে কাঁধ, হাত বা আঙুল পর্যন্ত ব্যথা, ঝিনঝিনি, অবশভাব কিংবা দুর্বলতা হতে পারে। আবার হাতের নিজস্ব স্নায়ুতে চাপ, পেরিফেরাল নার্ভের সমস্যা বা মাংসপেশির সমস্যার কারণেও এমন উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

তাই শুধু ব্যথার ওষুধ খেয়ে বা বিশ্রাম নিয়ে দীর্ঘদিন অপেক্ষা না করে সমস্যার কারণ জানা গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসক শারীরিক পরীক্ষা এবং কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে সমস্যাটি কোথা থেকে হচ্ছে তা নির্ণয় করতে পারেন।

কখন দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি?

হাতের দুর্বলতা হঠাৎ শুরু হলে, বিশেষ করে এর সঙ্গে মুখ বেঁকে যাওয়া, কথা জড়িয়ে যাওয়া, শরীরের এক পাশ দুর্বল বা অবশ হয়ে যাওয়া, হাঁটতে সমস্যা বা ভারসাম্য হারানোর মতো লক্ষণ থাকলে দেরি না করে জরুরি চিকিৎসা নিন।

আর যদি হাতের শক্তি ধীরে ধীরে কমতে থাকে, বারবার ঝিনঝিনি বা অবশভাব হয়, ঘাড়ের ব্যথা হাত পর্যন্ত ছড়িয়ে যায় কিংবা দৈনন্দিন কাজ করতে সমস্যা হয়, তাহলে কারণ নির্ণয়ের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

মনে রাখবেন, হাতের শক্তি কমে যাওয়া নিজে কোনো নির্দিষ্ট রোগের নাম নয়। এর পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। সঠিক কারণ নির্ণয় করেই উপযুক্ত চিকিৎসা নেওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

ডাঃ মোঃ আব্দুল আহাদ
এম,বি,বি,এস (সি ইউ)
রেসিডেন্ট, এম.এস (নিউরোসার্জারী)
নিউরোসার্জারী বিভাগ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল, ঢাকা।
মেম্বার, ওয়ার্ল্ড স্পাইনাল কলাম সোসাইটি
মেম্বার, এও স্পাইন, এশিয়া এন্ড প্যাসিফিক

চেম্বার:
কোনাবাড়ী ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কোনাবাড়ী, গাজীপুর।

রোগী দেখার সময়:
প্রতি শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে রাত পর্যন্ত
প্রতি সোমবার বিকেল ৪টা থেকে রাত পর্যন্ত

সিরিয়াল নিতে কল করুন:
01753-949488

হাতের দুর্বলতা বা ঘাড় ও মেরুদণ্ডের সমস্যাকে অবহেলা না করে সময়মতো সঠিক পরামর্শ নিন।

#হাতেরদুর্বলতা #ঘাড়েরব্যথা #নার্ভেরসমস্যা #মেরুদণ্ড #নিউরোসার্জারী #স্বাস্থ্যসচেতনতা #গাজীপুর

খিঁচুনি হলে প্রথমে কী করবেন?কাউকে হঠাৎ খিঁচুনি দিতে দেখলে ভয় পেয়ে অনেকেই ভুলভাবে মুখে চামচ, পানি বা কোনো বস্তু দেওয়ার...
17/09/2026

খিঁচুনি হলে প্রথমে কী করবেন?

কাউকে হঠাৎ খিঁচুনি দিতে দেখলে ভয় পেয়ে অনেকেই ভুলভাবে মুখে চামচ, পানি বা কোনো বস্তু দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু এতে রোগীর আরও ক্ষতি হতে পারে।

খিঁচুনির সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো রোগীকে নিরাপদে রাখা এবং আঘাত থেকে রক্ষা করা।

যা করবেন:

১. রোগীকে নিরাপদ জায়গায় শুইয়ে দিন এবং আশপাশের শক্ত বা ধারালো জিনিস সরিয়ে রাখুন।

২. মাথার নিচে নরম কিছু দিন, যাতে মাথায় আঘাত না লাগে।

৩. রোগীকে জোর করে চেপে ধরে রাখবেন না। খিঁচুনি স্বাভাবিকভাবে থামতে দিন।

৪. মুখে পানি, খাবার, ওষুধ, চামচ বা অন্য কোনো বস্তু দেবেন না। এতে মুখে বা দাঁতে আঘাত লাগতে পারে এবং শ্বাসনালিতে কিছু চলে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

৫. খিঁচুনি কখন শুরু হয়েছে, সময়টা খেয়াল রাখুন। বেশিরভাগ খিঁচুনি কয়েক মিনিটের মধ্যে থেমে যায়।

খিঁচুনি ৫ মিনিটের বেশি চললে, একবার থামার পর আবার শুরু হলে, শ্বাস নিতে সমস্যা হলে, গুরুতর আঘাত লাগলে বা এটি জীবনে প্রথমবারের মতো খিঁচুনি হলে দ্রুত জরুরি চিকিৎসা নিন।

খিঁচুনি থামার পর রোগীকে একা ছেড়ে দেবেন না। সম্পূর্ণ সচেতন হওয়ার আগ পর্যন্ত খাবার বা পানি দেওয়ার ক্ষেত্রেও সতর্ক থাকুন।

মনে রাখবেন, খিঁচুনির সময় ভুল কিছু করার চেয়ে রোগীকে নিরাপদে রাখা এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

ডাঃ মোঃ আব্দুল আহাদ
এম,বি,বি,এস (সি ইউ)
রেসিডেন্ট, এম.এস (নিউরোসার্জারী)
নিউরোসার্জারী বিভাগ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল, ঢাকা।
মেম্বার, ওয়ার্ল্ড স্পাইনাল কলাম সোসাইটি
মেম্বার, এও স্পাইন, এশিয়া এন্ড প্যাসিফিক

চেম্বার: কোনাবাড়ী ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কোনাবাড়ী, গাজীপুর।

রোগী দেখার সময়:
প্রতি শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে রাত পর্যন্ত
প্রতি সোমবার বিকেল ৪টা থেকে রাত পর্যন্ত

সিরিয়াল নিতে কল করুন: 01753-949488

খিঁচুনি সম্পর্কে এই তথ্যটি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শেয়ার করুন। জরুরি সময়ে সঠিক পদক্ষেপ অনেক বড় বিপদ এড়াতে সাহায্য করতে পারে।

বালিশ কেমন হলে ঘাড়ের জন্য ভালো?ঘুম থেকে ওঠার পর ঘাড়ে ব্যথা, শক্তভাব বা ঘাড় ঘোরাতে অস্বস্তি হয়? অনেক সময় এর পেছনে আপ...
15/09/2026

বালিশ কেমন হলে ঘাড়ের জন্য ভালো?

ঘুম থেকে ওঠার পর ঘাড়ে ব্যথা, শক্তভাব বা ঘাড় ঘোরাতে অস্বস্তি হয়? অনেক সময় এর পেছনে আপনার বালিশের উচ্চতা ও ঘুমের ভঙ্গি ভূমিকা রাখতে পারে।

ঘাড়ের স্বাভাবিক বাঁক ঠিক রাখতে এমন বালিশ ব্যবহার করা ভালো, যা মাথা ও ঘাড়কে অতিরিক্ত উঁচু বা নিচু না করে স্বাভাবিক অবস্থানে রাখে।

যে ভুলগুলো ঘাড়ের ব্যথা বাড়াতে পারে:

১. অতিরিক্ত উঁচু বালিশ ব্যবহার করা
২. খুব নিচু বা একেবারে পাতলা বালিশে ঘুমানো
৩. ঘুমানোর সময় ঘাড় অস্বাভাবিকভাবে বাঁকা রাখা
৪. প্রতিদিন একই ভুল ভঙ্গিতে দীর্ঘসময় ঘুমানো

বালিশ কেমন হবে?

আপনার ঘুমের ভঙ্গি অনুযায়ী বালিশের উচ্চতা ও সাপোর্ট ভিন্ন হতে পারে। পাশ ফিরে ঘুমালে সাধারণত মাথা ও ঘাড়ের মাঝের জায়গা পূরণ করার মতো সাপোর্ট দরকার হয়। চিৎ হয়ে ঘুমালে এমন বালিশ ভালো, যা ঘাড়ের স্বাভাবিক বাঁককে সাপোর্ট দেয়।

তবে শুধু বালিশ পরিবর্তন করলেই সব ধরনের ঘাড়ের ব্যথা ভালো হবে এমন নয়। ঘাড়ের ব্যথার সঙ্গে যদি হাতে ব্যথা ছড়িয়ে যায়, ঝিনঝিনি বা অবশভাব হয়, হাত দুর্বল লাগে কিংবা দীর্ঘদিন ধরে সমস্যা থাকে, তাহলে কারণ নির্ণয়ের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

ঘাড়ের সুস্থতার জন্য শুধু ভালো বালিশ নয়, সঠিক ঘুমের ভঙ্গি, নিয়মিত নড়াচড়া এবং দৈনন্দিন কাজে সঠিক posture-ও গুরুত্বপূর্ণ।

ডাঃ মোঃ আব্দুল আহাদ
এম,বি,বি,এস (সি ইউ)
রেসিডেন্ট, এম.এস (নিউরোসার্জারী)
নিউরোসার্জারী বিভাগ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল, ঢাকা।
মেম্বার, ওয়ার্ল্ড স্পাইনাল কলাম সোসাইটি
মেম্বার, এও স্পাইন, এশিয়া এন্ড প্যাসিফিক

চেম্বার: কোনাবাড়ী ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কোনাবাড়ী, গাজীপুর।

রোগী দেখার সময়:
প্রতি শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে রাত পর্যন্ত
প্রতি সোমবার বিকেল ৪টা থেকে রাত পর্যন্ত

সিরিয়াল নিতে কল করুন:
01753-949488

ঘাড়ের ব্যথা বারবার হলে শুধু বালিশ পরিবর্তন করে অপেক্ষা না করে সমস্যার কারণ জানা গুরুত্বপূর্ণ।

ঘাড়ের সমস্যা কি হাত পর্যন্ত ব্যথা দিতে পারে?হ্যাঁ, ঘাড়ের মেরুদণ্ডের কোনো নার্ভে চাপ পড়লে ব্যথা শুধু ঘাড়ে সীমাবদ্ধ না...
13/09/2026

ঘাড়ের সমস্যা কি হাত পর্যন্ত ব্যথা দিতে পারে?

হ্যাঁ, ঘাড়ের মেরুদণ্ডের কোনো নার্ভে চাপ পড়লে ব্যথা শুধু ঘাড়ে সীমাবদ্ধ না থেকে কাঁধ, বাহু এমনকি হাতের আঙুল পর্যন্ত ছড়িয়ে যেতে পারে। অনেক সময় মানুষ এটিকে শুধু ঘাড়ের ব্যথা মনে করেন, কিন্তু এর পেছনে নার্ভের সমস্যাও থাকতে পারে।

যে লক্ষণগুলো খেয়াল করবেন

• ঘাড় থেকে কাঁধ ও হাতে ব্যথা ছড়িয়ে পড়া
• হাতে ঝিনঝিনি বা অবশভাব অনুভূত হওয়া
• হাতের শক্তি কমে যাওয়া বা জিনিস ধরতে সমস্যা হওয়া
• ঘাড় নাড়ালে ব্যথা বা অস্বস্তি বেড়ে যাওয়া
• হাতে জ্বালাপোড়া বা বিদ্যুৎ শকের মতো অনুভূতি হওয়া

এ ধরনের সমস্যা দীর্ঘক্ষণ মোবাইল বা কম্পিউটার ব্যবহারের কারণে ভুল ভঙ্গিতে থাকার মতো সাধারণ কারণেও হতে পারে। আবার ঘাড়ের মেরুদণ্ডের ডিস্কের সমস্যা বা নার্ভে চাপ পড়ার কারণেও হতে পারে।

তাই শুধু ব্যথার জায়গা দেখে কারণ নিশ্চিত করা যায় না। বিশেষ করে ব্যথার সঙ্গে হাত অবশ হওয়া, দুর্বলতা বা ক্রমাগত ঝিনঝিনি থাকলে বিষয়টি অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

নিজের মতো করে দীর্ঘদিন ব্যথার ওষুধ খেয়ে যাওয়ার বদলে সমস্যার কারণ নির্ণয় করে প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা নেওয়াই ভালো।

ডাঃ মোঃ আব্দুল আহাদ
এম,বি,বি,এস (সি ইউ)
রেসিডেন্ট, এম.এস (নিউরোসার্জারী)
নিউরোসার্জারী বিভাগ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল, ঢাকা।
মেম্বার, ওয়ার্ল্ড স্পাইনাল কলাম সোসাইটি
মেম্বার, এও স্পাইন, এশিয়া এন্ড প্যাসিফিক

চেম্বার:
কোনাবাড়ী ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কোনাবাড়ী, গাজীপুর।

রোগী দেখার সময়:
প্রতি শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে রাত পর্যন্ত
প্রতি সোমবার বিকেল ৪টা থেকে রাত পর্যন্ত

সিরিয়াল নিতে কল করুন:
01753-949488

ঘাড়ের ব্যথার সঙ্গে যদি হাতে ঝিনঝিনি, অবশভাব বা দুর্বলতা থাকে, দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

মস্তিষ্ক সুস্থ রাখতে প্রতিদিনের ৭টি অভ্যাসমস্তিষ্ক আমাদের শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। চিন্তা করা, মনে রাখা, সিদ্ধান...
11/09/2026

মস্তিষ্ক সুস্থ রাখতে প্রতিদিনের ৭টি অভ্যাস

মস্তিষ্ক আমাদের শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। চিন্তা করা, মনে রাখা, সিদ্ধান্ত নেওয়া, কথা বলা থেকে শুরু করে শরীরের বিভিন্ন কাজ নিয়ন্ত্রণে মস্তিষ্কের ভূমিকা রয়েছে। তাই শুধু শরীর সুস্থ রাখাই নয়, মস্তিষ্কের যত্ন নেওয়াও প্রতিদিনের অভ্যাসের অংশ হওয়া উচিত।

মস্তিষ্কের সুস্থতা ধরে রাখতে প্রতিদিনের জীবনে কিছু সহজ অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন।

১. পর্যাপ্ত ও নিয়মিত ঘুম
প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুম মস্তিষ্ককে বিশ্রাম ও পুনরুদ্ধারের সুযোগ দেয়। প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমানোর চেষ্টা করুন এবং ঘুমের আগে দীর্ঘসময় মোবাইল বা অন্যান্য স্ক্রিন ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।

২. নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম
হাঁটা, হালকা ব্যায়াম বা নিয়মিত শারীরিক কার্যক্রম শরীরের পাশাপাশি মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী। আপনার বয়স ও শারীরিক সক্ষমতা অনুযায়ী নিয়মিত সক্রিয় থাকার চেষ্টা করুন।

৩. সুষম খাবার গ্রহণ
শাকসবজি, ফল, মাছ, ডাল, বাদাম ও অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার খাদ্যতালিকায় রাখুন। অতিরিক্ত চিনি, লবণ ও অস্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাবার কমিয়ে আনা ভালো।

৪. রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখুন
উচ্চ রক্তচাপ ও অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস দীর্ঘমেয়াদে রক্তনালী ও মস্তিষ্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

৫. ধূমপান এড়িয়ে চলুন
ধূমপান রক্তনালীর স্বাস্থ্যের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে এবং স্ট্রোকসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই ধূমপান না করা এবং প্রয়োজনে ধূমপান ছাড়ার জন্য সহায়তা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

৬. মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করুন
দীর্ঘদিনের অতিরিক্ত মানসিক চাপ ঘুম, মনোযোগ ও দৈনন্দিন কাজের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। নিয়মিত বিশ্রাম, শারীরিক কার্যক্রম, পরিবার ও কাছের মানুষের সঙ্গে সময় কাটানো এবং প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উপকারী হতে পারে।

৭. মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখুন
নতুন কিছু শেখা, বই পড়া, পাজল বা মানসিক অনুশীলন করা, নতুন দক্ষতা শেখা কিংবা সামাজিকভাবে সক্রিয় থাকা মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখতে সহায়তা করতে পারে।

তবে মনে রাখবেন, শুধু কিছু অভ্যাস করলেই সব ধরনের মস্তিষ্ক বা স্নায়ুর রোগ প্রতিরোধ করা যায় না। মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, খিঁচুনি, স্মৃতিশক্তির অস্বাভাবিক পরিবর্তন, হাত-পায়ে দুর্বলতা বা অবশভাব, কথা জড়িয়ে যাওয়া কিংবা অন্য কোনো নতুন ও অস্বাভাবিক স্নায়বিক উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সুস্থ মস্তিষ্কের জন্য বড় পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। প্রতিদিনের ছোট ছোট ভালো অভ্যাসই দীর্ঘমেয়াদে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ডাঃ মোঃ আব্দুল আহাদ
এম,বি,বি,এস (সি ইউ)
রেসিডেন্ট, এম.এস (নিউরোসার্জারী)
নিউরোসার্জারী বিভাগ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতাল, ঢাকা।
মেম্বার, ওয়ার্ল্ড স্পাইনাল কলাম সোসাইটি
মেম্বার, এও স্পাইন, এশিয়া এন্ড প্যাসিফিক

চেম্বার: কোনাবাড়ী ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, কোনাবাড়ী, গাজীপুর।

রোগী দেখার সময়:
প্রতি শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে রাত পর্যন্ত
প্রতি সোমবার বিকেল ৪টা থেকে রাত পর্যন্ত

সিরিয়াল নিতে কল করুন: 01753-949488

আপনার পরিচিত কারও মস্তিষ্ক বা স্নায়ুজনিত সমস্যা থাকলে তথ্যটি তার সঙ্গে শেয়ার করতে পারেন।

Address

Dhaka Medical College & Hospital
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Abdul Ahad posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Abdul Ahad:

Shortcuts

Share

Category