Dr. Kamrul's Child & Neonatal Care

Dr. Kamrul's Child & Neonatal Care Provide children and newborn health services and management, health advice, growth monitoring and feeding advice and vaccination services and advice.

দেশজুড়ে বাড়ছে হামের প্রকোপ: সোনামণির সুরক্ষায় মা-বাবার জন্য যা জানা প্রয়োজনসাম্প্রতিক সময়ে দেশজুড়ে শিশুদের মধ্যে হামের (...
31/03/2026

দেশজুড়ে বাড়ছে হামের প্রকোপ: সোনামণির সুরক্ষায় মা-বাবার জন্য যা জানা প্রয়োজন

সাম্প্রতিক সময়ে দেশজুড়ে শিশুদের মধ্যে হামের (Measles) প্রকোপ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বিশেষ করে এক বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে এই ভাইরাসের সংক্রমণ বেশি দেখা যাচ্ছে এবং মারাত্মক ছোঁয়াচে রোগ হওয়ায়, হাম খুব দ্রুত এক শিশু থেকে অন্য শিশুর শরীরে ছড়িয়ে পড়ছে। তবে আতঙ্কিত না হয়ে, সঠিক তথ্য জানা এবং সময়মতো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমেই আমরা সোনামণিদের সুরক্ষিত রাখতে পারি।

কেন হঠাৎ হামের প্রকোপ বাড়ছে?

চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, হামের প্রাদুর্ভাব সাধারণত একটি নির্দিষ্ট চক্র মেনে চলে। প্রতি পাঁচ বছর পরপর এই ভাইরাসের প্রকোপ মারাত্মক আকার ধারণ করে। বাংলাদেশে সর্বশেষ ২০১৯ সালে হামের বড় ধরনের প্রাদুর্ভাব দেখা গিয়েছিল। সেই চক্র অনুযায়ী, এ বছর হামের ঝুঁকি অত্যন্ত প্রবল। জানুয়ারির শুরু থেকেই এই ভাইরাসের সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী, তাই অভিভাবকদের এখন থেকেই সর্বোচ্চ সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।

হামের প্রাথমিক লক্ষণগুলো কীভাবে চিনবেন?
হাম হলে শরীরের ভেতরে ভাইরাস প্রবেশের ১০ থেকে ১২ দিন পর লক্ষণগুলো প্রকাশ পেতে শুরু করে। সাধারণ সর্দিকাশির সাথে এর মিল থাকায় অনেকেই শুরুতে বিভ্রান্ত হন। এর প্রধান লক্ষণগুলো হলো:

১। তীব্র জ্বর: হঠাৎ করেই শিশুর শরীরের তাপমাত্রা অনেক বেড়ে যাওয়া।
২। সর্দি ও কাশি: নাক দিয়ে পানি পড়া এবং অনবরত খুসখুসে কাশি থাকা।
৩। চোখের সংক্রমণ: চোখ লাল হয়ে যাওয়া, চোখ দিয়ে পানি পড়া এবং আলোতে তাকাতে শিশুর কষ্ট হওয়া (Photophobia)।
৪। র‍্যাশ বা ফুসকুড়ি: জ্বর শুরুর ৩ থেকে ৪ দিনের পর, কানের পেছন বা মুখমণ্ডল থেকে শুরু করে ধীরে ধীরে সারা শরীরে লালচে র‍্যাশ ছড়িয়ে পড়া।

হাম নিয়ে প্রচলিত কিছু ভুল ধারণা ও কুসংস্কারঃ আমাদের সমাজে হাম নিয়ে বেশ কিছু ভ্রান্ত ধারণা প্রচলিত আছে, যা শিশুর চিকিৎসায় মারাত্মক বাধা সৃষ্টি করতে পারে:

ভুল ধারণা: হাম হলে শিশুকে গোসল করানো যাবে না বা গায়ে পানি লাগানো যাবে না।
সত্য: এটি সম্পূর্ণ ভুল। বরং শিশুর গায়ে জ্বর ও অস্বস্তি থাকলে কুসুম গরম পানি দিয়ে পরিষ্কার তোয়ালে ভিজিয়ে তার শরীর আলতো করে স্পঞ্জ করে দিলে শিশু আরাম পাবে এবং শরীর পরিষ্কার থাকবে।

ভুল ধারণা: এ সময় শিশুকে মাছ-মাংস বা ডিম দেওয়া যাবে না।
সত্য: হামের সময় শিশুর শরীর ভাইরাসের সাথে লড়াই করে অনেক দুর্বল হয়ে পড়ে। এ সময় তার পর্যাপ্ত প্রোটিন ও পুষ্টির দরকার। তাই চিকিৎসকের নিষেধ না থাকলে শিশুকে সব ধরনের সহজপাচ্য ও পুষ্টিকর খাবার দিতে হবে।

হামের চিকিৎসায় ভিটামিন 'এ' (Vitamin A)-এর গুরুত্ব
হাম হলে শিশুর শরীরে ভিটামিন 'এ'-এর মারাত্মক ঘাটতি দেখা দেয়। এই ঘাটতির কারণে চোখের কর্ণিয়ার বড় ধরনের ক্ষতি, এমনকি অন্ধত্ব পর্যন্ত হতে পারে। এছাড়া শ্বাসতন্ত্র বা অন্ত্রের জটিলতা কমাতেও এই ভিটামিন সাহায্য করে। তাই সন্তান হামে আক্রান্ত হলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন এবং তার পরামর্শ অনুযায়ী শিশুকে সঠিক মাত্রায় ভিটামিন 'এ' ক্যাপসুল খাওয়ানো নিশ্চিত করুন।

প্রতিরোধের উপায়: সচেতনতার বিকল্প নেই
হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে নিরাপদ ও শতভাগ কার্যকর উপায় হলো সময়মতো টিকা দেওয়া। বাংলাদেশের জাতীয় টিকাদান কর্মসূচিতে (EPI) শিশুদের জন্য হাম ও রুবেলার (MR) টিকার দুটি ডোজ নির্ধারিত রয়েছে:

প্রথম ডোজ: শিশুর বয়স ঠিক ৯ মাস পূর্ণ হলে।
দ্বিতীয় ডোজ: শিশুর বয়স ১৫ মাস পূর্ণ হলে।

সন্তান আক্রান্ত হলে তাৎক্ষণিক করণীয় কী?
১. আইসোলেশন বা আলাদা রাখা: হাম অত্যন্ত ছোঁয়াচে। তাই আক্রান্ত শিশুকে বাড়ির অন্য সুস্থ সদস্যদের, বিশেষ করে অন্য শিশুদের কাছ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা রাখুন।
২. পর্যাপ্ত তরল খাবার: এ সময় শিশুর শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি হতে পারে। তাই বুকের দুধ, পানি, ফলের রস এবং তরল জাতীয় পুষ্টিকর খাবার বেশি করে খেতে দিন।
৩. ডাক্তারের পরামর্শ: ফার্মেসি থেকে নিজে নিজে কোনো অ্যান্টিবায়োটিক বা ওষুধ কিনে খাওয়াবেন না। দ্রুত একজন শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন এবং তার নির্দেশিত চিকিৎসা চালিয়ে যান।

হাম সেরে যাওয়ার পর সোনামণির যত্ন: হামের র‍্যাশ মিলিয়ে যাওয়ার পর বা জ্বর কমে যাওয়ার পরও শিশু বেশ কিছুদিন শারীরিকভাবে দুর্বল থাকে। এই সময় তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা পুনরায় গড়ে তোলার জন্য সুষম খাবার, পর্যাপ্ত ঘুম এবং বিশ্রামের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। তাকে জোর করে কিছু না খাইয়ে, অল্প অল্প করে বারবার পুষ্টিকর খাবার দেওয়ার চেষ্টা করুন। হামের র‍্যাশ মিলিয়ে যাবার পর শরীরে এক ধরনের দাগ দেখা যায় (Post measles staining), যার জন্য কোন চিকিৎসার প্রয়োজন পরে না।

Courtesy: Kidora Smart Parenting, corrected and edited.
জন সচেতনতায়ঃ
অধ্যাপক ডাঃ মোঃ কামরুল আহসান খান
এমবিবিস, বিসিএস(স্বাস্থ্য), এমডি (শিশু স্বাস্থ্য),
এমডি (নবজাতক), এমএমএড,
নবজাতক ও শিশু কিশোর রোগ বিশেষজ্ঞ

নবজাতক ও শিশু কিশোরের যে কোন প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন
নাগরিক স্পেশালাইজড হাস্পাতাল লিমিটেড
আফতাব নগর মেইন রোড, ব্লক-সি, বাড়িঃ ৫৯, ঢাকা।
www.nsh.com.bd 01896 222288, 09677 454545

জন সচেতনতায়
30/03/2026

জন সচেতনতায়

21/03/2026
30/11/2023

শিশু সার্জারী বিশেষজ্ঞ দ্বারা অত্যান্ত মনোরম পরিবেশে পুরা নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে চলবে সুন্নতে খৎনা প্যাকেজ। রেজিস্ট্রেশন ও বিস্তারিত জানতে কল করুন ০৯৬৭৭৪৫৪৫৪৫, ০১৮৮০০৮৯০১

30/11/2023

চিকিৎসা নিন আগে, টাকা দিন পরে।
বাংলাদেশে এই প্রথম স্বাস্থ্য সেবায় নাগরিক স্পেশালাইজড হসপিটাল লিমিটেড নিয়ে এল ইএমআই সুবিধা। নির্ধারিত ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে এই সুবিধা পাওয়া যাবে। বিস্তারিত জানতে কল করুন ০৯৬৭৪৫৪৫৪৫, ০১৮৮০০৮৯০৯১

10/06/2023

আপনার শিশুর বয়স কি ৬ মাস?
শিশু বিশেশজ্ঞর চেম্বারে এসে অনেক মা জানতে চান, স্যার বাচ্চার তো ৬মাস হোল, এখন কি খাওয়াব, একটা চার্ট দেন, সে সব মায়েদের জন্য। ৬মাস থেকে ৯ মাস পর্যন্ত দিনে ৩ বার সুপের বাটির আধা বাটি পর্যন্ত বাড়তি (পারিবারিক) খাবার বুকের দুধ খাবার পরে, এবং ১০মাস থেকে ১২ মাস পর্যন্ত দিনে ৩ বার সুপের বাটির এক বাটি পর্যন্ত বাড়তি (পারিবারিক) খাবার এবং সাথে ২ বেলা হালকা নাস্তা বুকের দুধ খাবার পর। এছারাও এই পেজে বাচ্চার খাবার নিয়ে আরও অনেক পোস্ট আসে যা মায়েদের উপকারে আসবে।

দেখে নিন আপনার সোনা মনির বৃদ্ধি ঠিক মতো হচ্ছে কিনা?
09/06/2023

দেখে নিন আপনার সোনা মনির বৃদ্ধি ঠিক মতো হচ্ছে কিনা?

13/07/2022

জ্বর নিয়ে সচেতনতা প্রয়োজন

১. যেকোনো ভাইরাস জ্বর ৩ থেকে ৫দিন টানা ১০২/১০৩°F আসতে পারে এবং কমলে, ১০১ এর নিচে নাও নামতে পারে। কাজেই জ্বর শুরু হওয়ার পরের বেলাতেই বা পরের দিন জ্বর কেনো কমছে না, অস্থির হওয়া যাবে না।

২. একদিনে জ্বর কমিয়ে দেয়ার কোনো মেডিসিন বা ম্যাজিক ডাক্তারদের জানা নাই। ভাইরাস জ্বরে এন্টিবায়োটিক কোনো কাজে লাগে না।অন্য জ্বরে হলে তার লক্ষন অনেকসময় প্রকাশ পেতে ৩-৪ দিনও লেগে যায়।

৩. জ্বর হলে বাচ্চা খাওয়াদাওয়া ছেড়ে দিবে, বড়রাও দেয়। এই অরুচির প্রাথমিক কোনো চিকিৎসা নাই। সবার মতো আপনাকেও বুঝিয়ে শুনিয়ে অল্প অল্প করে পানি তরল জাউ স্যুপ শরবত বা বাচ্চা যেটা খেতে চায় ( এমন কিছু দিবেন না যা আবার বমি, পাতলা পায়খানা ঘটায়) তাই খাওয়াবেন। পেশাব যেন অন্তত ৪ বার হয়। মুখে একদমই খেতে না পারলে, পেশাব কমে গেলে, বমি বন্ধ না হলে বা খিচুনি হলে বাচ্চাকে হাসপাতালে নিয়ে যাবেন।

৪. হালকা জ্বরে ( ১০০ থেকে ১০২°) গা মুছে দিবেন, মুখে প্যারাসিটামল(নাপা/ এইস)ঔষধ খাওয়াবেন। একবার ঔষধ খাওয়ানোর পর আবার সিরাপ দিতে অন্তত ৪/৬ ঘন্টা অপেক্ষা করতে হবে। আর সাপোসিটারী দিতে হলে অন্তত ৪ ঘন্টা অপেক্ষা করতে হবে।

৫. বেশী জ্বরে ( ১০২° F এর উপরে গেলে) তাড়াতাড়ি জ্বর কমানোর প্রয়োজন হলে প্যারাসিটামল সাপোসিটরী ব্যবহার করতে পারেন (যদিও এটা বাচ্চাদের জন্য অস্বস্তিকর), এতে জ্বর সাময়িকভাবে হয়তো ১০২ এর নিচে নামতে পারে তবে পুরোপুরি জ্বর চলে যাবেনা।

৫. জ্বরের ঔষধ ডাবল ডোজে বা ঘন ঘন খাওয়ালে, এন্টিবায়োটিক দিলেই জ্বর ভালো হয়ে যাবে এমন না। ভাইরাসের পরিমানের উপর, কতদিন এরা এক্টিভ থাকে তার উপর জ্বরের স্থায়ীত্ব নির্ভর করে।

৬. জ্বরের ঔষধ খাওয়ানোর চেয়ে বাচ্চার যত্ন নিন, ভিজা গামছা বা সুতি কাপড় দিয়ে গা মুছে দিন, গরম ও নরম খাবার খাওয়ানোর চেষ্টা করুন, তরল/ পানি বেশি খাওয়ান। সবচেয়ে বড় কথা বাচ্চাকে বিশ্রাম নিতে দিন। ভালো ঘুমাতে দিন, ঘুমের মধ্যে জ্বর থাকলেও তাকে ঘুম ভাঙিয়ে জ্বরের ঔষধ খাওয়ানোর দরকার নাই।

৭. থার্মোমিটার দিয়ে মেপে জ্বর ১০০ বা বেশী পেলেই জ্বরের ঔষধ খাওয়াবেন। গায়ে হাত দিয়ে গরম লাগা, জ্বর ৯৮, ৯৯° ; জ্বরের আগে শীত শীতভাব, অস্থির করা জ্বরের ঔষধ খাওয়ানোর কোন কারণ হতে পারে না।

৮. বাচ্চাদের এসিডিটি কম হয়, তাই খালিপেটে জ্বরের ঔষধ দিতে পারবেন।

৯. জ্বর হলে বাচ্চা এক আধটু বমি হতে পারে, কিছু জ্বরের ঔষধেও বাচ্চাদের বমি হয়। এসব ক্ষেত্রে বমির ঔষধ লাগে না, প্রয়োজনে জ্বরের ঔষধ পাল্টান। ঔষধ খাওয়ার ১০/১৫ মিনিটের মধ্যে বমি করলে ১৫/২০ মিনিট পর আবার ঔষধটটুকু খাওয়াতে হবে।

ডেঙ্গু সিজন এখন। পাশাপাশি করোনার প্রকোপ আবার বাড়ছে।কাজেই সন্দেহ হলেই আশেপাশে শিশু বিশেষজ্ঞ দেখিয়ে টেস্ট করে নিবেন।
আপনার শিশুকে সাবধানে রাখুন ও সবাই সুস্থ থাকুন।

Courtesy: Dr. Kaderul Gani Tanim

17/05/2022

অপরিণত নবজাতক শিশুর জন্য জেনে নিন

হাতে মোবাইল, কথা শিখছে না শিশু----------------------------------------------------------------------------------নিহাদ (ছ...
14/05/2022

হাতে মোবাইল, কথা শিখছে না শিশু
----------------------------------------------------------------------------------
নিহাদ (ছদ্ম নাম), বয়স ৩ বৎসর, কোনো মতে দুইটা শব্দ উচ্চারণ করতে পারে সে। ‘বাবা’ আর ‘মাম্মা’। ৩ বৎসর বয়সের বাচ্চা যেখানে কথা বলতে বলতে বাবা-মা কে পাগল করে ফেলে, সে সবসময়ে মোবাইল নিয়ে ঘাড় গুঁজে বসে থাকে। বাবা-মা ছুটলেন ডাক্তারের কাছে। তাহলে কি আমাদের সন্তান অটিস্টিক? কেন ও কথা বলে না, চোখের দিকে তাকায় না?

সব ইতিহাস নিয়ে বুঝা গেল, সমস্যা বাবা-মা কর্মজিবী, বাচ্চা থাকে হাউস মেড এর কাছে, সাথে থাকে মোবাইল। সময় নিয়ে জানালাম, চিকিৎসা একটাই এবং তা দীর্ঘ। শিশুটির জীবন থেকে ‘স্ক্রিন টাইম’ (বেশিরভাগ সময় মোবাইল, ট্যাব, কম্পিউটার বা টিভির দিকে তাকিয়ে থাকা) আপাতত পুরোপুরি বাদ দিতে হবে। অনর্গল কথা বলতে হবে ওর সঙ্গে। তবেই কথা বলতে শিখবে ও।

সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, স্পিচ থেরাপিস্টের কাছে ইদানিং দুই থেকে পাঁচ বছরের শিশুদের ভিড়ই বেশি। শিশু কথা বলতে পারছে না। কারণ, বাড়িতে কেউ তার সঙ্গে কথা বলছে না। তার হাতে ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে মোবাইল কিংবা ট্যাব। ব্যস্ত বাবা-মাকে সন্তানের হাজারও বায়না সামলাতে হচ্ছে না। এমনকি তাকে খাওয়ানোর ঝক্কি উধাও। হাতে ট্যাব ধরালে নিমেষে শেষ হচ্ছে মুখের গ্রাস। এতে বাচ্চা খাচ্ছে না, গিলছে। যা পরবর্তিতে খাবার সমস্যা নিয়ে আমাদের কাছে আসছে।

শিশু তার প্রতিটি কাজ আমাদের কে দেখে শিখে। শিশু কারও সঙ্গে কথা বলার সুযোগ না পাওয়ায় কথা শিখছে না। কারও সঙ্গে তার যোগাযোগ তৈরি হচ্ছে না। সে নিজেকে প্রকাশও করতে পারছে না। প্রাথমিক উপসর্গ দেখে অনেকেই ভেবে নিচ্ছেন, অটিজম। পরে বোঝা যাচ্ছে, আসল সমস্যা অন্য জায়গায়। জন্মের কয়েক মাস পর থেকেই ‘স্ক্রিন টাইম’ গ্রাস করেছে তাকে। আজকাল, এই আসক্তি ক্রমশ ‘মহামারি’র রূপ নিচ্ছে।

বাবা-মা নিজেরা ব্যস্ত বলে অন্যদের বাড়িতে শিশুকে নিয়েও যান না। শিশুর জগৎ জুড়ে শুধুই কার্টুন। সেই চরিত্রদের সঙ্গেই মনে মনে কথা বলে সে। কেউ কেউ শিখছে হিন্দি বা ইংরেজী। দিনভর তার সঙ্গে কেউ কথা না বলায়, কুঁড়ে হয়ে যায় শিশুরা। কথা বলার পরিশ্রমটুকুও সে করতে চায় না। বাবা-মায়ের যখন বোধোদয় হয়, তারা কথা বলানোর জন্য উঠেপড়ে লাগেন। তখন বেঁকে বসে শিশু। কারণ, ততদিনে তার নিজস্ব ‘ভার্চুয়াল’ জগৎ তৈরি হয়ে গেছে।’

অনেক্ষন, ট্যাব-মোবাইল নিয়ে থাকায় পরবর্তী সময়ে শিশুর মনঃসংযোগে বড় ঘাটতি দেখা দেয়। সে ভাবতে শেখে না, ফলে পড়াশোনায় মন দিতে পারে না। মোবাইল বা ট্যাবের আলো তার ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায়। সে কারণে হজমের সমস্যাও হয়। তার কথায়, ‘সবমিলিয়ে আনসোশ্যাল, অমনোযোগী শিশুতে পরিণত হয় সে। যার দায় বাবা-মা এড়াতে পারেন না।’

চোখের চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, টানা স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকায় যে ধরনের সমস্যা হয়, তাকে চিকিৎসার পরিভাষায় বলে অ্যাস্থেনোপিয়া। ‘এক নাগাড়ে মোবাইল বা ট্যাবের দিকে তাকিয়ে থাকলে চোখের ওপরে চাপ বাড়ে। কারণ, চোখকে ক্রমাগত স্ক্রিনের দৃশ্যের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয়। চোখের ভিতরের পেশিগুলোকে অতিরিক্ত কাজ করতে হয়। তাছাড়া, চোখের পাতা উপর-নিচ করা কমে যাওয়ায় কর্নিয়া শুকিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও থাকে।’

জন সচেতনতায়ঃ

ডাঃ মোঃ কামরুল আহসান খান
এমবিবিএস, এমডি (শিশু), এমডি (নবিজাতক), বিসিএস (স্বাস্থ্য)
সহকারী অধ্যাপক (শিশু)
আল-রাজী ইসলামিয়া হাসপাতাল, রামপুরা বনশ্রী, জি-ব্লক। সিরিয়াল-০১৭৭২-৪৪৪৭৭৭

তথ্য সূত্রঃ ScienceDirect, আনন্দবাজার, ছবিঃ গুগল ইমেজ]

Address

Nagorik Specialized Hospital Limited. House: 59, Block: C, Main Road, Jahurul Islam City, Aftabnagar
Dhaka
1217

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Kamrul's Child & Neonatal Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Kamrul's Child & Neonatal Care:

Shortcuts

Share

Category