Rupganj Eye care center

Rupganj Eye care center (EYE CLINIC & OPTICS)
Bhulta, Rupganj, Narayaganj

দৃষ্টি এবং এর ম্যাকানিজম
20/03/2024

দৃষ্টি এবং এর ম্যাকানিজম





New ladies frame collection in Rupgonj eye care center.Bhulta Rupganj,Narayanganj
09/10/2023

New ladies frame collection in Rupgonj eye care center.
Bhulta Rupganj,Narayanganj

Rupgonj eye care center is a very old and trusted eye care center in Bhulta, Rupganj, Narayanganj.You can come with your...
21/09/2023

Rupgonj eye care center is a very old and trusted eye care center in Bhulta, Rupganj, Narayanganj.You can come with your family to ensure eye care products, frame, power glasses and also eye care medicine. If you have any kind of eye problem you can come and get the problem solved.

চোখের চাপ কমানোর উপায় ******************************বেশিক্ষণ বই পড়া বা মোবাইল দেখলে চোখে অস্বস্তি হয়। পরিত্রাণের জন্য রয়...
05/05/2023

চোখের চাপ কমানোর উপায়
******************************

বেশিক্ষণ বই পড়া বা মোবাইল দেখলে চোখে অস্বস্তি হয়। পরিত্রাণের জন্য রয়েছে উপায়।

খুব বেশি চোখের ব্যবহার চাপ সৃষ্টি করে। এর ফলে জ্বলুনি, ব্যথা ও অস্বস্থির সৃষ্টি হয়।

দীর্ঘ সময় মনোযোগ দিয়ে কাজ করার ফলে এমন সমস্যা দেখা দেয়। অতিমাত্রায় কম্পিটারের স্ক্রিন, বই পড়া বা গাড়ি চালানোর মতো মনোযোগের কাজ চোখে চাপ সৃষ্টি করে।

‘আমেরিকান অপ্টোমেট্রিক আসোসিয়েশন’য়ের তথ্যানুসারে ‘আইস্ট্রেইন’ বা চোখের চাপ সৃষ্টি হওয়ার কয়েকটি লক্ষণ হল-

চোখে ব্যথা, ক্লান্তিভাব, জ্বলুনি, অস্বস্তি হওয়া, শুষ্ক চোখ বা চোখ দিয়ে পানি পোড়া, ঘোলাটে দৃষ্টি, মাথা ব্যথা, ঘাড়, কাঁধ ও পিঠে ব্যথা।

এছাড়াও, আলোক সংবেদনশীলতা, মনযোগ দিতে ও পড়তে অসুবিধা সৃষ্টি, চোখে চোখ রাখতে না পারা ইত্যাদি।

চোখের চাপ সৃষ্টি হলে একাধিক লক্ষণ দেখা দিতে পারে। শুষ্ক চোখ, মাথা ব্যথা, চোখে ঘোলা দেখা ইত্যাদি ‘আইস্ট্রেইন’য়ের লক্ষণ।

কিছু ঘরোয়া উপায়ের মাধ্যমে এর সমাধান করা যায়। তবে চোখে নিয়মিত ও তীব্র ব্যথা থাকলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে।

হেলথশটস ডটকমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ভারতের ‘এশিয়ান হসপিটাল ফরিদাবাদ’য়ের চক্ষুবিদ্যা পরামর্শক ডা. সিদ্ধি গোয়েল চোখের ওপর চাপ কমানোর উপায় সম্পর্কে গোয়েল বলেন, “সাধারণত সহজ ও ঘরোয়া উপায় ‘আইস্ট্রেইন’ চিকিৎসায় সহায়তা করে। দীর্ঘায়ীত এই সমস্যা গুরুতর কোনো সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। যেহেতু প্রতিটা ক্ষেত্রই আলাদা তাই সমস্যা সমাধানে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।”

আইস্ট্রেইন দূর করার কয়েকটি সাধারণ উপায়

২০-২০-২০ নিয়ম মেনে চলা: চোখের চাপ কমাতে ২০-২০-২০ নিয়ম অনুসরণ করা জরুরি। এর অর্থ হল প্রতি ২০ মিনিট কাজ করার পর ২০ সেকেন্ডের জন্য স্ক্রিন ২০ ফিট দূরে রাখা।

এছাড়াও, চোখের সুস্থতায় কাজে কিছু জিনিসের ভারসাম্য থাকতে পারে যেমন- সারাদিন একটানা স্ক্রিনে কাজ না করে কাজের ফাঁকে বাইরে হাঁটতে যাওয়া।

নির্দিষ্ট দূরুত্ব অনুসরণ: ডিজিটাল ডিভাইসে কাজ করার সময় সঠিক দেহভঙ্গি ও ও দূরত্ব মেনে চলা জরুরি। বৈদ্যুতিক যন্ত্রের পর্দা চোখ থেকে কয়েক ফিট দূরে এবং চোখ বরাবর বা তার থেকে কিছুটা ওপরে রাখা জরুরি।

ডিজিটাল ডিভাইসের ক্ষেত্রেও এই নিয়ম মেনে চলা উপকারী।

চোখের ইয়োগা করা: দৃষ্টিতে সহায়ক চোখের পেশির যোগ ব্যায়াম করার মাধ্যমে এগুলোকে সুগঠিত ও সক্রিয় রাখা যায়। এতে চোখে চাপের মাত্রা কমে।

চোখের ব্যায়ামের মধ্যে রয়েছে পলক ফেলা, চোখ সংকুচিত ও প্রসারিত করা। এতে চোখে আরাম অনুভূত হয় এবং দৃঢ়তা বাড়ে।

সঠিক আলোক ব্যবস্থা: অপর্যাপ্ত আলো যেমন অতি কম বা বেশি আলো দুটোই চোখে চাপ সৃষ্টি করে। এছাড়াও খুব বেশি মনোযোগ দিয়ে কিছু পড়ার সময় আলো পেছন থেকে আসা উচিত এবং স্ক্রিনের আলো যতটা সম্ভব পর্যাপ্ত আলোকিত থাকা উচিত।

আই ড্রপ ব্যবহার: দীর্ঘসময় গভীরভাবে স্ক্রিন দেখার কারণে চোখের পলক পড়ার মাত্রা কমতে থাকে। চোখের পলক কম পড়লে শুষ্কতা ও জ্বলুনির সৃষ্টি হয়। কৃত্রিম চোখের পানির মতো আই ড্রপ ব্যবহার এই সমস্যার সমাধানে কাজ করে।

অন্যদিকে, স্ক্রিনে কাজ করার সময় যতটা সম্ভব বার বার চোখের পলক ফেলতে হবে।

চোখ বন্ধ করা ও আরাম করা: চোখ খোলা অবস্থায় যদি অনেক বেশি জ্বালাপোড়া করে তাহলে কিছুটা বিশ্রাম দেওয়ার প্রয়োজন।

এই পরিস্থিতিতে কিছুটা সময় বন্ধ রেখে আরাম দিতে হবে। চোখ বন্ধ করে, চিন্তা শিথিল করা এবং যতটা সম্ভব মনোযোগহীনভাবে থাকার চেষ্টা করতে হবে। এমন কিছুটা সময় চললে আরাম অনুভূত হবে।

সঠিক চোখের পর্দা ব্যবহার: চোখে চাপ কমাতে বিশেষজ্ঞের পরামর্শে বিশেষ চোখের পর্দা উপকারী। বিশেষ লেন্স, ডিভাইস বা থেরাপি চোখে আরাম দিতে সহায়তা করে। এছাড়াও নির্দিষ্ট কিছু ‘টিন্ট’ বা ‘কোটিং’ চোখে আরাম দেয়।

লেন্স ব্যবহারের মাঝে কিছুটা বিরতি দিতে হবে এতে চোখ আরামে থাকবে।

©BDnews.com

 #চোখের_পাতা_লাফানো(myokymia):---------------------------------------------------------চোখের পাতা কাঁপে যে কারণেকথায় বলে...
30/04/2023

#চোখের_পাতা_লাফানো(myokymia):-
--------------------------------------------------------
চোখের পাতা কাঁপে যে কারণে
কথায় বলে চোখের পাতা কাঁপলে নাকি বিপদ আসে। তবে সব ক্ষেত্রে সেটা সত্যি নয়।

যে পেশির কারণে চোখের পাতা খোলা আর বন্ধ হয় সেটাতে কোনো কারণে খিঁচুনি ধরলে চোখের পাতা কাঁপতে পারে। চিকিৎসাশাস্ত্রে যাকে বলা হয় ‘মায়োকেমিয়া’।

“এই সমস্যা খুবই সাধারণ। আর নিজে থেকেই ঠিক হয়ে যায়। তাই চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই,” চোখের এই সমস্যা নিয়ে এভাবেই ভরসা দেন ‘রাটগের্স নিউজার্সি মেডিকেল স্কুল’য়ের ‘ইন্সটিটিউট অফ অপথামোলজি অ্যান্ড ভিজুয়াল সায়েন্স’য়ের সহকারী অধ্যাপক ডা. রজার ই. টারবিন।

ইনসাইডার ডটকম’য়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে তিনি আরও বলেন, “তবে এই পিটপিট বা চোখের পাতা কাঁপার সময় যদি চোখ লাল হতে থাকে, আলো সহ্য করতে না পারলে, মুখে অবশভাব দেখা দিলে অবশ্যই ডাক্তার দেখাতে হবে।”

একটি নয়, বহু কারণে চোখের পাতা কাঁপার সমস্যা দেখা দিতে পারে।

(১)পুষ্টির অভাব:-
পুষ্টিহীনতার কারণে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে।

নর্থওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি ফাইনবার্গ স্কুল অফ মেডিসিন’য়ের অপথামোলজি’র সহকারী অধ্যাপক ডা. লিজা এম. কোহেন বলেন, “সাধারণত ম্যাগনেসিয়ামের অভাবে চোখের পাতা কাঁপার সমস্যা হয়।”

এছাড়াও অন্যান্য পুষ্টিগত সমস্যার মধ্যের রয়েছে- দেহে প্রয়োজনের বেশি বা কম ক্যালসিয়াম থাকা। ভিটামিন বি-টুয়েল্ভ ও ভিটামিন ডি’র অপর্যাপ্ততা, ফসফেট কম।

তবে পুষ্টির অভাবেই শুধু নয়, শারীরিক বিভিন্ন কারণেও চোখের পাতা কাঁপার সমস্যা দেখা দিতে পারে।

যেমন- অবসাদ, অরুচি, কোষ্ঠকাঠিন্য, দুর্বলতা, পেশিতে টান ইত্যাদি।

ডা. কোহেন বলেন, “এই সমস্যা কাটাতে পুষ্টিকর খাবার খাওয়া জরুরি। ফলমূল, অপ্রক্রিয়াজাত শষ্যের খাবার, চর্বিহীন মাংস, শুঁটিজাতীয় সবজিগুলো ভিটামিন ও খনিজ উপাদান সমৃদ্ধ। এসব খাবার খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।”

(২)ক্লান্তি,অবসাদ:-
মুখে বলা সহজ যে ভালোমতো ঘুমাতে হবে। তবেই কাটবে অবসাদ। তবে মানসিক যন্ত্রণায় ঘুম হওয়াটাও সহজ নয়।

এজন্য ডা. কোহেন পরামর্শ দেন, “ভালো ঘুমের জন্য অভ্যাস রপ্ত করতে হবে। অ্যালকোহল ও ড্রাগ থেকে দূরে থাকার পাশাপাশি সপ্তাহে অন্তত ১৫ মিনিট ব্যায়াম করতে হবে।”

তারপরও ঘুমের সমস্যা হলে দেখাতে হবে ডাক্তার। কারণ ‘ইনসমনিয়া’, থায়রয়েডের সমস্যা বা রক্তশূন্যতার কারণেও অবসাদ লাগতে পারে।

(৩)কম্পিউটার ভিশন সিন্ড্রম:-
টিভি, কম্পিউটার, মোবাইল বা এই ধরনের যান্ত্রিক পর্দার দিকে তাকানোর পর চোখে যে কোনো অস্বস্তি বা দেখতে সমস্যা হওয়াকে ‘কম্পিউটার ভিশন সিন্ড্রম’য়ে আক্রান্ত হিসেবে ধরে নেওয়া হয়।

“অনেকক্ষণ ধরে বৈদ্যুতিক যন্ত্রের এসব পর্দার দিকে তাকিয়ে থাকলে চোখে চাপ পড়ে। সেখান থেকেও চোখের পাতা কাঁপতে পারে”, বলেন ডা. কোহেন।

তিনি পরামর্শ দেন, ঘণ্টা খানেক এই ধরনের বৈদ্যুতিক পর্দার দিকে তাকিয়ে থাকার মধ্যেই বিরতি নিতে হবে। বিশ ত্রিশ মিনিট পরপর দূরে তাকাতে হবে।

কোনো কিছু অনেকক্ষণ ধরে কাছ থেকে দেখলে চোখের পেশিতে চাপ পড়ে। তখন চোখের পেশিতে টান পড়ে। আর দূরে তাকালে চোখের পেশি শিথিল হয়।

(৪)চোখের শুষ্কতা:-
শুধু দুঃখে বা সুখেই মানুষের চোখ কান্না করে না, এই অশ্রুজল চোখ আর্দ্র রাখতেও সাহায্য করে। আর এই অশ্রুর পরিমাণ অপর্যাপ্ত হলেই শুষ্ক চোখের সমস্যা দেখা দেয়।

এর কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে- বয়সের সঙ্গে অশ্রুর পরিমাণ কমা, অ্যালার্জির কারণে চোখের পানি অতিরিক্ত কারণে বের হয়ে গেলে, গাড়ি চালানো বা পড়ার সময় চোখের পাতা কম ফেলা।

কোহেন বলেন, “শুষ্কতার সমস্যা থেকে চোখে টান পড়ে, চোখ পিটপিট করার পরিমাণ বাড়ে, যা থেকে চোখের পাতা কাঁপতে পাড়ে।”

‘ড্রাই আই’য়ের আরও লক্ষণ হল- চোখ লালচে হওয়া, ঝাপসা দেখা, আলো সহ্য করতে না পারা, চোখ জ্বলা বা চুলকানো।

আর এই সমস্যা থেকে উত্তরণের উপায় হল- কৃত্রিম অশ্রুর ড্রপ ব্যবহার করা যা চিকিৎসকের পরামর্শে সংগ্রহ করা যায়। আর এই ক্ষেত্রে অবশ্যই ডাক্তার দেখাতে হবে। কারণ শুষ্কতার সমস্যা থেকে চোখে স্থায়ী ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।

কখন যাবেন ডাক্তারের কাছে........

চোখের পাতা কাঁপা সাধারণ বিষয় হলেও, ডা. কোহেন ও টার্বিনের ভাষ্যমতে নিচের লক্ষণগুলো থাকলে অবশ্যই চক্ষু বিশেষজ্ঞের কাছে যেতে হবে।

* দুই চোখেই সমস্যা হলে। * চোখের পাতা কাঁপার পাশাপাশি এর আশপাশের ও মুখের পেশিতে সমস্যা দেখা দিলে। * সপ্তাহখানেকের বেশি সমস্যা হলে। * সমস্যা দিন দিন বাড়তে থাকলে। * মুখে দুর্বলতা, অসাড়তা ব্যথা বা অস্বস্তি দেখা দিলে। * মাথাব্যথা ও দৃষ্টিশক্তি কমতে থাকলে।

 #মুখ_বাকানো (bellplasy):------------------------------------------
14/12/2021

#মুখ_বাকানো (bellplasy):-
-----------------------------------------

রেটিনায় রোগ এর সাধারন উপসর্গগুলো:----------------------------------------------------------* হঠাৎ করে চোখে কম দেখলে* চশম...
23/11/2021

রেটিনায় রোগ এর সাধারন উপসর্গগুলো:-
---------------------------------------------------------
* হঠাৎ করে চোখে কম দেখলে
* চশমা দিয়েও চোখে না দেখা গেলে
* ধীরে ধীরে চোখে কম দেখলে এবং যাহা
গতানুগতিক চিকিৎসায় নিরাময় হচ্ছে না
* সোঁজা জিনিস আঁকাবাঁকা দেখলে
* চোখে আলোর ঝলকানো হলে
* চোখে লাল/কালো কিছু দেখলে
*চোখের সামনে গুঁড়ি গুঁড়ি কিছু ভাসলে
* কোন জিনিসের অংশ বিশেষ দেখলে
*চোখের সামনে পর্দার মত পড়েছে মনে হলে
* রাতে এবং দিনে দৃষ্টির তারতম্য হলে
*বংশানুক্রমিক চোখে দেখার সমস্যা থাকলে
* ডায়াবেটিস, প্রেসার, অটো ইমিউন,
টিবি/সারকয়েড রোগীর চোখের সমস্যা হলে
*জিনিসের আকৃতি ছোট/বড় মনে হলে
*চোখের সোজা সামনে অস্পষ্ট দেখলে
*চোখে অপারেশনের পর না দেখলে
*অপরিপক্ক ও সল্প ওজনের নবজাতক হলে
সংগ্রহ,,,,,
ডা: দীপক নাগ
অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান
রেটিনা বিভাগ
জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইন্সটিটিউট ও হাসপাতাল ।
©

 #বাচ্চাদের_চোখের_সমস্যা(paediatric eye disease):-----------------------------------------------------------------------...
23/11/2021

#বাচ্চাদের_চোখের_সমস্যা(paediatric eye disease):-
--------------------------------------------------------------------------
অনেক সময় দেখা যায় বেশিরভাগ বাড়ির বাচ্চারা মাঝেমধ্যে complain করে ,যে তাদের মাথা যন্ত্রণা করছে।অনেকটা সময় ধরে পড়তে বসলে চোখে ব্যথা হচ্ছে, চোখ থেকে জল পড়ছে। কিন্তু সে চোখে সম্পূর্ণ পরিষ্কার দেখতে পারছে ।

কিছু কিছু অভিভাবক আছেন যারা ভাবেন যে চোখে ঝাপসা দেখলেই একমাত্র চোখের treatment করা উচিত আবার অনেকে সেটা স্বাভাবিক ভাবেই এড়িয়ে জান। কিন্তু ঘটনাটা তেমন নয়। বাচ্চাদের মাথাব্যথা,চোখ ব্যথা,ঘাড় ব্যথা, চোখ থেকে জল পড়া ইত্যাদি উপসর্গ দেখলেই বুঝবেন যে চোখের সমস্যা দেখা দিয়েছে ।

#মাথা যন্ত্রণা( Headache) #চোখ_ব্যথা (eye pain) #চোখ_থেকে জল পড়া( watering) ইত্যাদিকে medical science এর ভাষায় ASTHENOPIA বলা হয় ।

বলে রাখা ভালো, asthenopia এর সাথে সাথে কিন্তু চোখে ঝাপসা অনেক বাচ্চাই দেখে। আবার অনেকে ঝাপসা নাও দেখতে পারে।

বর্তমান সময়ে android phone, colour tv, computer আমাদের ঘরে ঘরে । ছোটো দের আকর্ষণের বিষয়বস্তুও সেগুলোই। এই electronic device গুলোর অত্যাধিক ব্যবহার এই asthenopia এর অন্যতম কারণ ।

অনেক সময় এই asthenopia এর জন্য তার school এর academic performance এ ভালো ফল করতে পারে না। দেখা গেলো, ক্লাস টেস্ট চলাকালীন তীব্র মাথা যন্ত্রণা শুরু হলো । এমতাবস্থায় সে কখনোই মনঃসংযোগের সাথে পরীক্ষা দিতে পারবে না।

আবার ছোটো বয়সেই অতিরিক্ত পড়াশোনার চাপ( stress), মা-বাবার মধ্যে অতিরিক্ত ঝামেলা শিশু মনে যথেষ্ট প্রভাব ফেলে। যা তাদের ছোটো বয়সেই দুশ্চিন্তার দিকে ঠেলে দেয়, যে বয়সে তাদের আনন্দে থাকার কথা ।

এই stress তাদের মস্তিষ্কের বিভিন্ন নার্ভ যেগুলো চোখের সঙ্গে যুক্ত ( optic nerve, oculomotor nerve, trochlear nerve, trigeminal nerve etc.) সেগুলোর উপর প্রভাব ফেলে ।যার ফল স্বরূপ তাদের দৃষ্টিশক্তির উপর প্রভাব ফেলে।

যখনই বাচ্চারা এই ধরনের উপসর্গ গুলি বেশ কয়েকদিন ধরে complain করতে থাকে, তখনই অভিভাবক দের উচিত এগুলো অবহেলা না কর। যতই সে চোখে পরিষ্কার দেখুক । যখনই এগুলো দেখতে পাবেন তখন বাচ্চা টিকে নিকটবর্তী হাসপাতাল/ স্বাস্থ্যকেন্দ্র/ Ophthalmologist/ Optometrist এর কাছে নিয়ে যান।

#বিঃ_দ্রঃ পোস্টগুলো বেশি বেশি শেয়ার করুন লাইক কমেন্ট করে পাশে থাকুন ধন্যবাদ।
©

Sour Fruit: শীতকালে রোগের সঙ্গে লড়তে চান? এই পাঁচটি টক ফল খান lশীতকালে আমাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা স্বাভাবিকের তুলনায় খানি...
22/11/2021

Sour Fruit: শীতকালে রোগের সঙ্গে লড়তে চান?
এই পাঁচটি টক ফল খান l

শীতকালে আমাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা স্বাভাবিকের তুলনায় খানিক কমে যায়। তাই শরীরে ভিটামিন সি, ফাইবার ইত্যাদি প্রয়োজনীয় কিছু উপাদানের জোগান দিতে শীতকালে বেশি করে খেতে হবে টক জাতীয় ফল। কোন ফলগুলি খাবেন শীতকালে?

কুল: ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট সমৃদ্ধ কুল হজমের জন্য খুবই ভাল। কুলে আছে ভিটামিন সি, ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম-সহ নানা প্রয়োজনীয় উপাদান।

কমলালেবু: বিটা ক্যারোটিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ কমলালেবু সর্দি-কাশি সারায়। হজম শক্তি বাড়ায়। কমলালেবুতে আছে ভিটামিন সি ও ক্যালশিয়াম।

জলপাই: জলপাইতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই ও সি। বাতের ব্যথা, হাঁপানি উপশমে জলপাই দারুণ কার্যকরী।

আমলকি: ভিটামিন সি সমৃদ্ধ আমলকি দাঁত, চুল, ত্বকের জন্য ভাল। রক্তাল্পতা দূর করতেও আমলকি উপকারী।

পেয়ারা: ভিটামিন এ ও বি কমপ্লেক্স সমৃদ্ধ পেয়ারা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। চোখের জন্যেও উপকারী পেয়ারা।

 #চোখ_উঠা(Conjunctivitis):------------------------------------------------★চোখ উঠা একটি অতি পরিচিত সমস্যা। মাঝে মাঝেই এ...
22/11/2021

#চোখ_উঠা(Conjunctivitis):-
-----------------------------------------------
★চোখ উঠা একটি অতি পরিচিত সমস্যা। মাঝে মাঝেই এই সমস্যা খুব বেশি আকারে ছড়িয়ে পড়ে। ইদানীং অনেকের চোখ উঠতে দেখা যাচ্ছে। চোখ ওঠা আসলে কী, কেন হয় এবং এর চিকিৎসাই বা কী—আসুন জেনে নেওয়া যাক।
#চোখ ওঠা মানে কী?
আমাদের চোখের সাদা অংশটুকু একটা পাতলা পর্দা দিয়ে আবৃত থাকে—যার নাম কনজাংটিভা। এই কনজাংটিভায় যখন সংক্রমণ বা প্রদাহ হয়, তখন এর সূক্ষ্ম রক্তনালিগুলো লালচে হয়ে ওঠে এবং পুরো চোখের সাদাটুকুই তখন লাল হয়ে যায়। এর সঙ্গে থাকে আরও কিছু উপসর্গ। যেমন চুলকানি, অস্বস্তি, ব্যথা, আলোক সংবেদনশীলতা, ঘন সাদাটে বা হলদেটে নিঃসরণ ইত্যাদি। যদিও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এই কনজাংটিভাইটিসের কারণ ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস। তবে অ্যালার্জি, ঠান্ডা সর্দি বা চোখ কোনো রাসায়নিক বা ক্ষতিকর পদার্থের সংস্পর্শে এলেও কনজাংটিভায় প্রদাহ হয় ও চোখ লাল দেখায়। ভাইরাসজনিত চোখ ওঠায় পাতলা বর্ণহীন পানি পড়ে বেশি। তবে ব্যাকটেরিয়াজনিত হলে নিঃসরণটি ঘন ও একটু হলদেটে হয়ে থাকে।
চোখ উঠলে কী করা?
ভাইরাসই হোক কি ব্যাকটেরিয়া—চোখ ওঠা অত্যন্ত সংক্রামক। উপসর্গ দেখা দেওয়ার পরবর্তী এক-দুই সপ্তাহ রোগী অন্যকে এই রোগ ছড়াতে পারেন। সে কারণে স্কুল-কলেজ, অফিস বা ঘনবসতি পূর্ণ এলাকায় একসঙ্গে অনেকে এতে আক্রান্ত হন। ভাইরাসজনিত চোখ ওঠার তেমন কোনো চিকিৎসা নেই। তবে ব্যাকটেরিয়াজনিত সন্দেহ করলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক ড্রপ বা অয়েন্টমেন্ট ব্যবহার করা হয়। ব্যথা-বেদনা ও অস্বস্তি কমাতে কিছু পরামর্শ:
—একটি পাতলা পরিষ্কার কাপড়ের টুকরা বা গজ পরিষ্কার ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে ভালো করে চিপে নিংড়ে নিন, এবার চোখ বন্ধ করে চোখের ওপর চেপে ধরুন। দিনে বেশ কয়েকবার এটি করলে আরাম পাবেন। কখনো একবার ঠান্ডা একবার হালকা কুসুম গরম পানিতে ভিজিয়ে নিতে পারেন। চোখের ধারগুলোতে যে ময়লা নিঃসরণ জমে আঠালো হয়ে থাকে, সেটাও এভাবে ভেজা কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করে নিন বারবার।

—এই সময়টাতে চোখে কনটাক্ট লেন্স এবং যেকোনো ধরনের কসমেটিকস ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।
—আলোক সংবেদনশীলতার কারণে কালো সানগ্লাস ব্যবহার করলে অস্বস্তিভাব কিছুটা কমবে।
—বাড়িতে অন্যদের চোখ উঠলে একটু সাবধানতা অবলম্বন করলে নিরাপদ থাকতে পারবেন। যেমন বারবার হাত পরিষ্কার করুন, চোখে হাত দেবেন না। অবশ্যই নিজ নিজ ব্যবহার্য জিনিস যেমন তোয়ালে, বালিশের কভার ইত্যাদি।

 #চোখের_টিউমার(Chalazion)-------------------------------------------------চোখের ওপরের পাতা বা নিচের পাতার কোনো অংশ ফু...
22/11/2021

#চোখের_টিউমার(Chalazion)
-------------------------------------------------

চোখের ওপরের পাতা বা নিচের পাতার কোনো অংশ ফুসকুড়ির মতো কিছুটা ফুলে ওঠা মূলত দুটি ভিন্ন সমস্যার কারণে হয়ে থাকে। এগুলোর মধ্যে একটির নাম ক্যালাজিয়ন,। এটির জন্য দ্রুত চিকিৎসার প্রয়োজন, । তবে এগুলোর লক্ষণ জেনে রাখা ভালো।

লক্ষণ:-ক্যালাজিয়ন হলে সাধারণত চোখের পাতার ধার থেকে একটু দূরের অংশে ছোট একটি গোটা হতে বা কিছুটা ফুলে উঠতে দেখা যায়। এতে ব্যথা থাকে আবার কারো থাকে না। চোখে লালচে ভাবও থাকে । স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তিরও কোনো সমস্যা হয় না।

সমাধান:-এ রকম হলে কুসুম গরম পানিতে পরিষ্কার তুলা ভিজিয়ে নিয়ে চোখের ফুলে যাওয়া অংশে কয়েকবার হালকা চাপ দিন। চোখের পাতা এবং এর চারপাশে ময়লা জমে থাকলেও তা এভাবে পরিষ্কার করে নেওয়া যায়। সারা দিনে দুবার এভাবে কুসুম গরম পানির সেঁক দিতে পারেন।
কারও কারও এক চোখের পাতার ফোলা অংশ সেরে যাওয়ার পরে অন্য চোখেও এ ধরনের ফোলা অংশ দেখা দিতে পারে। তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে পুনরায় আবার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে । এ ধরনের ফোলা অংশ বড় হতে থাকলে বা ব্যথা হলে ওই অংশটি বা চোখ লালচে হয়ে যায় সমস্যা বড় হলে অনেক সময় সার্জারির প্রয়োজন হয় তাই অবস্থায় দেরি না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে।

Address

Dhaka
1462

Telephone

+8801856100252

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rupganj Eye care center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Rupganj Eye care center:

Shortcuts

Share

Category