Shamina Zaman Kajori

Shamina Zaman Kajori Lifestyle Nutritionist. Expert in areas of maternal and child nutrition.
(1)

Media and Comminication Secretary, Association of Nutritionist and Dietitian for Social Service (ANDSS),
Working in Community Nutrition since 2003.

সকালের একটি সহজ ও স্বাস্থ্যকর অভ্যাস: লবঙ্গ পানি ☕✨​আজকাল সকালে হালকা গরম পানিতে ১টি ছোট লবঙ্গ মিশিয়ে খাওয়ার অভ্যাস বেশ ...
25/07/2026

সকালের একটি সহজ ও স্বাস্থ্যকর অভ্যাস: লবঙ্গ পানি ☕✨

​আজকাল সকালে হালকা গরম পানিতে ১টি ছোট লবঙ্গ মিশিয়ে খাওয়ার অভ্যাস বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। লবঙ্গ প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর এবং এতে 'ইউজেনল' (Eugenol) নামের একটি প্রাকৃতিক উপাদান থাকে। হজমপ্রক্রিয়া উন্নত করতে, মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে এবং শরীরের ভেতরের প্রদাহ বা ইনফ্লামেশন কমাতে বহু বছর ধরে প্রথাগত ও ভেষজ চিকিৎসায় লবঙ্গ ব্যবহার হয়ে আসছে।
​সকালে এই লবঙ্গ পানি পান করা উদ্ভিজ্জ পুষ্টিগুণ পাওয়ার একটি সহজ উপায় হতে পারে, তবে মনে রাখবেন এটি কিন্তু কোনো ওষুধের বিকল্প নয়। গবেষণায় দেখা গেছে যে লবঙ্গের শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল কার্যকারিতা রয়েছে। তবে এই গুণাগুণগুলোর বেশিরভাগই ল্যাবরেটরিতে করা গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে। মানুষের শরীরে এর সুনির্দিষ্ট কার্যকারিতা কতটা, তা পুরোপুরি নিশ্চিত হতে আরও বিস্তারিত গবেষণার প্রয়োজন।
☕️​কিভাবে তৈরি করবেন?
বানানো খুবই সহজ! এক বা দুটি লবঙ্গ হালকা গরম পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন অথবা কয়েক মিনিট ফুটিয়ে নিয়ে তারপর পান করুন। তবে প্রতিদিন অতিরিক্ত পরিমাণে লবঙ্গ খাওয়া থেকে বিরত থাকুন, কারণ খুব বেশি মাত্রায় লবঙ্গ খেলে শরীরে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।

​সবশেষে মনে রাখা জরুরি—দীর্ঘমেয়াদী সুস্থতার জন্য পুষ্টিকর খাবার, নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম এবং স্বাস্থ্যকর লাইফস্টাইলই হচ্ছে সবচেয়ে সেরা উপায়। 🌱💪
Sources
National Institutes of Health
Nutrients
Cleveland Clinic

24/07/2026

দই খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা

শুধু অসুস্থ অথবা কোষ্ঠকাঠিন্য হলে পাকা পেঁপে উপকারী??আজকের ব্যস্ত জীবনযাত্রায় আমরা প্রায়ই এমন খাবারের দিকে ঝুঁকে পড়ি,...
23/07/2026

শুধু অসুস্থ অথবা কোষ্ঠকাঠিন্য হলে পাকা পেঁপে উপকারী??

আজকের ব্যস্ত জীবনযাত্রায় আমরা প্রায়ই এমন খাবারের দিকে ঝুঁকে পড়ি, যা সহজলভ্য হলেও পুষ্টিগুণে খুব বেশি সমৃদ্ধ নয়। অন্যদিকে, আমাদের আশেপাশেই রয়েছে এমন কিছু ফল, যেগুলো পুষ্টির ভাণ্ডার হওয়া সত্ত্বেও প্রাপ্য গুরুত্ব পায় না। পেঁপে তেমনই একটি ফল।

অনেকেই পেঁপেকে শুধু অসুস্থ মানুষের খাবার বা হজমের জন্য উপকারী একটি ফল হিসেবেই জানেন। কিন্তু বাস্তবে পেঁপে শুধু হজমেই নয়, বরং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, ত্বকের স্বাস্থ্য, হৃদযন্ত্রের সুরক্ষা এবং চোখের সুস্থতা বজায় রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণ ফল ও শাকসবজি খাওয়ার পরামর্শ দেয়, কারণ এগুলো দীর্ঘমেয়াদি অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। পেঁপে সেই তালিকার একটি সহজলভ্য, সাশ্রয়ী এবং পুষ্টিগুণে ভরপুর ফল।

পাকা পেঁপেতে রয়েছে ভিটামিন A, ভিটামিন C, ফোলেট, পটাশিয়াম, খাদ্যআঁশ এবং শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এছাড়া এতে থাকা Papain নামক প্রাকৃতিক এনজাইম হজমে বিশেষভাবে সহায়তা করে।

⬛ পেঁপের স্বাস্থ্যগত উপকারিতা:

• হজমশক্তি উন্নত করে - Papain এনজাইম খাবার সহজে হজম করতে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সহায়ক।

• রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় - ভিটামিন C ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে সাহায্য করে।

• চোখের জন্য উপকারী - ভিটামিন A ও বিটা-ক্যারোটিন চোখের সুস্থতা বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে।

• ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখে - ভিটামিন C কোলাজেন তৈরিতে সাহায্য করে, যা ত্বককে সুস্থ ও উজ্জ্বল রাখতে সহায়ক।

• হৃদযন্ত্রের যত্ন নেয় - খাদ্যআঁশ, পটাশিয়াম এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করতে পারে।

• ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক - কম ক্যালরি এবং বেশি খাদ্যআঁশ থাকায় দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা অনুভূতি দেয়।

⬛ মনে রাখবেন:

পেঁপে কোনো অলৌকিক ওষুধ নয়, তবে এটি একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর ফল। সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে পাকা পেঁপে খেলে শরীরের জন্য নানা ধরনের উপকার পাওয়া যায়।

21/07/2026

ভাতের চেয়ে রান্নার তেল ওজন বাড়ায় বেশি

🌰 কাঁঠাল অপছন্দ? কিন্তু এর বিচির গুণাগুণ জানলে আজই ডায়েটে রাখবেন!​বাঙালি মানেই বর্ষার বিকেলে তাওয়ায় সেঁকা কাঁঠালের বিচি ...
21/07/2026

🌰 কাঁঠাল অপছন্দ? কিন্তু এর বিচির গুণাগুণ জানলে আজই ডায়েটে রাখবেন!

​বাঙালি মানেই বর্ষার বিকেলে তাওয়ায় সেঁকা কাঁঠালের বিচি আর এক কাপ গরম চা! কাঁঠাল অনেকের অপছন্দ হলেও, এর বিচি কিন্তু পুষ্টির এক পাওয়ারহাউস। বাদামের মতো চমৎকার টেক্সচারের এই উপাদানটি যেমন সুস্বাদু, তেমনই শরীরের জন্য দারুণ উপকারী।

​চলুন জেনে নেওয়া যাক কাঁঠালের বিচির চমৎকার কিছু স্বাস্থ্যগুণ:
​🌟 পুষ্টিতে ভরপুর (১ আউন্স বা ২৮ গ্রামে)
​ক্যালরি: ৫৩
​প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট: ২ গ্রাম প্রোটিন এবং ১১ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট।
​ভিটামিন বি: প্রচুর থায়ামিন ও রিবোফ্লাভিন, যা শরীরে শক্তি জোগায় এবং মস্তিষ্ক, হৃদ্‌যন্ত্র ও নার্ভস সিস্টেম ভালো রাখে।
​খনিজ উপাদান: রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম ও ফসফরাস।

​🛡️ প্রধান স্বাস্থ্য উপকারিতা
🥢​হজমশক্তি বাড়ায় ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: এতে থাকা দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় ফাইবার অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার খাদ্য হিসেবে কাজ করে এবং বাওয়েল 🍴মুভমেন্ট ঠিক রাখে।
🥢​খারাপ কোলেস্টেরল কমায়: রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) কমিয়ে ভালো কোলেস্টেরল (HDL) বাড়ায়, যা হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমায়।
🥢​রোগ প্রতিরোধ ও অ্যান্টিক্যানসার উপাদান: এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট (ফ্ল্যাভোনয়েডস, স্যাপোনিনস) ইনফ্ল্যামেশনের বিরুদ্ধে লড়াই করে। টেস্ট টিউব সমীক্ষায় দেখা গেছে, এর নির্যাস ক্যানসারযুক্ত রক্তনালির গঠন ৬১% পর্যন্ত হ্রাস করতে পারে।
🥢​জীবাণুনাশক ক্ষমতা: এর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান ডায়রিয়া বা ই-কোলাইয়ের মতো পেটের অসুখ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করে।

​💡 দীর্ঘদিন সংরক্ষণের সহজ উপায়:
​মৌসুম শেষ হলেও কাঁঠালের বিচি সংরক্ষণ করতে পারেন ৩টি উপায়ে:
১. বালু চাপা দিয়ে: বিচি ১ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রেখে, ১ দিন শুকিয়ে জার বা পাত্রে শুকনা বালু/মাটি দিয়ে লেয়ারিং করে রাখুন।
২. ডিপ ফ্রিজে: বিচি সেদ্ধ করে জিপলক ব্যাগে ডিপ ফ্রিজে রেখে দিন।
৩. রোস্টেড পাউডার: তাওয়ায় ভালো করে সেঁকে শুকিয়ে গুঁড়া (পাউডার) করে রাখুন। যেকোনো তরকারিতে এই গুঁড়া মেশালে স্বাদ ও পুষ্টি দুই-ই বাড়বে!

​আজই আপনার বিকেলের নাস্তায় বা রান্নায় যোগ করুন পুষ্টিকর কাঁঠালের বিচি।

📌 আপনি কি জানেন? আপনার সকালের এক কাপ কফিই হতে পারে আপনার লিভারের বন্ধু! ☕✨​লিভারের রোগ সাধারণত খুব নীরবে শরীরে বাসা বাঁধ...
20/07/2026

📌 আপনি কি জানেন? আপনার সকালের এক কাপ কফিই হতে পারে আপনার লিভারের বন্ধু! ☕✨

​লিভারের রোগ সাধারণত খুব নীরবে শরীরে বাসা বাঁধে। চর্বি জমা (Fat buildup), প্রদাহ (Inflammation), কিংবা লিভারে দাগ পড়ার (Scarring) মতো সমস্যাগুলো বছরের পর বছর ধরে কোনো লক্ষণ ছাড়াই বাড়তে পারে। কিন্তু সাম্প্রতিক একটি গবেষণা আমাদের জন্য দারুণ এক আশার আলো নিয়ে এসেছে!

🫰​যুক্তরাষ্ট্রের সিডার্স-সিনাই হেলথ সায়েন্সেস ইউনিভার্সিটি-র (Cedars‑Sinai Health Sciences University) গবেষকদের একটি নতুন গবেষণা বিখ্যাত চিকিৎসা সাময়িকী ক্লিনিক্যাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি অ্যান্ড হেপাটোলজি-তে প্রকাশিত হয়েছে। ১০ বছরেরও বেশি সময়ের স্বাস্থ্য রেকর্ড, এমআরআই (MRI) স্ক্যান এবং রক্তের প্রোটিন বিশ্লেষণের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা কফির এক জাদুকরী গুণের কথা জানতে পেরেছেন।
​গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত কফি পান করেন, তাদের ক্ষেত্রে:
🏵​সিরোসিস (Cirrhosis) বা লিভারের স্থায়ী ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি অনেক কম।
🍀​লিভার ক্যান্সার হওয়ার আশঙ্কা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।
🍁​লিভারজনিত কারণে মৃত্যুর ঝুঁকি অনেকটাই হ্রাস পায়।

​🧬 কিভাবে কাজ করে এই কফি?
​বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, কফিতে কেবল ক্যাফেইনই নয়, বরং এমন কিছু অনন্য উপাদান (ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড, পলিফেনল) রয়েছে যা:
১. লিভারের প্রদাহ বা ভেতরের জ্বালাপোড়া কমাতে সাহায্য করে।
২. চর্বি হজম বা মেটাবলিজমের প্রক্রিয়াকে উন্নত করে, ফলে লিভারে চর্বি জমতে পারে না , ফ্যাটি লিভার প্রতিরোধ করে।
৩. লিভারকে ‘ফাইব্রোসিস’ বা টিস্যু শক্ত হয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে।

​⚠️ তবে একটি জরুরি সতর্কতা:
কফি অবশ্যই আপনার লিভারের জন্য একটি চমৎকার সহযোগী, কিন্তু এটি কোনো জাদুকরী ওষুধ বা মূল চিকিৎসার বিকল্প নয়। চিকিৎসকদের মতে, অতিরিক্ত কোনো কিছুই ভালো নয়, তাই কফি পান করতে হবে পরিমিত পরিমাণে এবং দুধ চিনি ছাড়াই। সেই সাথে সুষম খাবার ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের দিকেও নজর দিতে হবে।

​আজই সচেতন হোন, সুস্থ থাকুন!

18/07/2026

কলা খাওয়ার উপকারিতা কখন এবং কিভাবে খাবেন?

"কলা খেলে কি মোটা হয়ে যায়"? "ডায়াবেটিস থাকলে কি কলা খাওয়া যাবে না"? "রাতে কলা খাওয়া কি ক্ষতিকর"?- এমন অনেক ধারণা আম...
18/07/2026

"কলা খেলে কি মোটা হয়ে যায়"? "ডায়াবেটিস থাকলে কি কলা খাওয়া যাবে না"? "রাতে কলা খাওয়া কি ক্ষতিকর"?- এমন অনেক ধারণা আমাদের সমাজে প্রচলিত। অথচ বাস্তবতা হলো, কলা বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় এবং পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি ফল। এটি সহজলভ্য, সাশ্রয়ী এবং প্রায় সব বয়সের মানুষের জন্য উপকারী।

বর্তমান বিশ্বে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতা এবং হজমজনিত সমস্যার হার দ্রুত বাড়ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণ ফল ও সবজি খাওয়ার পরামর্শ দেয়, কারণ এগুলো দীর্ঘমেয়াদি অসংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। কলা এমন একটি ফল, যা একই সঙ্গে কার্বোহাইড্রেট, খাদ্যআঁশ, পটাশিয়াম, ভিটামিন B6, ভিটামিন C এবং বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভালো উৎস।

কলা শুধু ক্ষুধা মেটায় না, এটি শরীরে দ্রুত শক্তি জোগায়, হজমে সহায়তা করে, হৃদযন্ত্রের সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার জন্যও উপকারী। তাই সঠিক সময়ে এবং পরিমিত পরিমাণে কলা খাওয়া একটি স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে।

⬛ কলার পুষ্টিগুণ:
একটি মাঝারি আকারের কলায় সাধারণত থাকে প্রায় ১০৫ ক্যালরি-
• ২৭ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট
• ৩ গ্রাম খাদ্যআঁশ
• ৪২০- ৪৫০ মি.গ্রা. পটাশিয়াম
• ভিটামিন B6
• ভিটামিন C
• ম্যাগনেসিয়াম
• বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট

⬛ কলা খাওয়ার উপকারিতা:

১. দ্রুত শক্তি দেয়:
কলায় থাকা প্রাকৃতিক শর্করা (গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ ও সুক্রোজ) দ্রুত শক্তি সরবরাহ করে। তাই ব্যায়ামের আগে বা পরে এটি একটি চমৎকার স্ন্যাকস।

২. হৃদযন্ত্র ভালো রাখে:
কলায় থাকা পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখে।

৩. হজমশক্তি উন্নত করে:
কলায় থাকা খাদ্যআঁশ এবং রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ (বিশেষ করে কাঁচা কলায়) অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি বাড়ায় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে।

৪. পেশি ও স্নায়ুর কার্যক্রমে সহায়ক:
পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম পেশির স্বাভাবিক সংকোচন এবং স্নায়ুর কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

৫. মস্তিষ্কের কার্যক্রমে সহায়ক:
ভিটামিন B6 নিউরোট্রান্সমিটার তৈরিতে সাহায্য করে, যা মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যক্রমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

৬. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক:
ভিটামিন C এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।

⬛ কখন কলা খাওয়া সবচেয়ে ভালো?
• সকালের নাস্তায়- ওটস, দই বা দুধের সঙ্গে কলা খেলে দীর্ঘ সময় পেট ভরা থাকে।
• ব্যায়ামের ৩০ - ৬০ মিনিট আগে
• দ্রুত শক্তির জন্য একটি ভালো বিকল্প।
• ব্যায়ামের পরে
• প্রোটিনের সঙ্গে কলা খেলে পেশি পুনরুদ্ধারে সহায়তা করে।
• বিকেলের স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস হিসেবে- চিপস বা মিষ্টির পরিবর্তে কলা খেতে পারেন।

⬛ কীভাবে খাবেন?
• সরাসরি ফল হিসেবে।
• ওটস, দই বা স্মুদিতে।
• পিনাট বাটারের সঙ্গে।
• ফলের সালাদে।
• শিশুদের জন্য ম্যাশ করে (৬ মাসের পর Complementary Feeding শুরু হলে)।

⬛ যাদের সতর্ক হওয়া উচিত :
ডায়াবেটিস থাকলে কলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ নয়। তবে পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে এবং অন্য খাবারের সঙ্গে খাওয়া ভালো।
কিডনি রোগে, বিশেষ করে রক্তে পটাশিয়াম বেশি থাকলে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী কলা খেতে হবে।

⬛ প্রচলিত কিছু ভুল ধারণা:

• "কলা খেলে মোটা হয়ে যায়" - ভুল। ওজন বাড়া বা কমা নির্ভর করে মোট ক্যালরি গ্রহণ ও ব্যয়ের ওপর।

• "রাতে কলা খাওয়া ক্ষতিকর" - এর পক্ষে শক্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। রাতে খাওয়া যাবে, তবে পরিমিত পরিমাণে।

• "ডায়াবেটিসে কলা খাওয়া যাবে না" - ভুল। সঠিক পরিমাণে এবং সুষম খাদ্যের অংশ হিসেবে খাওয়া যেতে পারে।

⬛ মনে রাখবেন :
কলা কোনো "সুপারফুড" নয়, আবার এটি এড়িয়ে চলার মতো ফলও নয়। বরং এটি একটি পুষ্টিকর, সহজলভ্য এবং সাশ্রয়ী ফল, যা সুষম খাদ্যের অংশ হিসেবে নিয়মিত খাওয়া যেতে পারে।

স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য প্রতিদিন বিভিন্ন ধরনের ফল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এক ধরনের ফল নয়, বৈচিত্র্যময় ফলই নিশ্চিত করবে সর্বোচ্চ পুষ্টি।

15/07/2026

ফার্মের মুরগি এবং ডিম কিভাবে খাবেন?

ডিমের বেশিরভাগ পুষ্টি হারিয়ে যায় রান্নার সময়!! কিভাবে??ডিম অত্যন্ত পুষ্টিকর একটি খাবার, কিন্তু সঠিক উপায়ে রান্না না ...
14/07/2026

ডিমের বেশিরভাগ পুষ্টি হারিয়ে যায় রান্নার সময়!! কিভাবে??

ডিম অত্যন্ত পুষ্টিকর একটি খাবার, কিন্তু সঠিক উপায়ে রান্না না করায় বা ভুল ডিম বেছে নেওয়ায় আমরা অনেকেই এর অর্ধেক পুষ্টিই হারিয়ে ফেলি! 🍳✨

আপনার সকালের নাস্তাকে আরও দ্বিগুণ পুষ্টিকর করতে এই সহজ টিপসগুলো মেনে চলুন:
# # # 🥚 কুসুম বাদ দেবেন না!
ডিমের আসল পুষ্টি লুকিয়ে থাকে এর কুসুমে। এতে আছে **কোলিন (Choline)**, যা আপনার লিভার, মস্তিষ্ক এবং মেটাবলিজম ভালো রাখতে সাহায্য করে।
# # # 🔥 রান্নার তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করুন
খুব বেশি কড়া তাপে ডিম ভাজলে এর ভেতরের স্পর্শকাতর পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়। তাই কুসুম নরম রেখে পোচ, হাফ-বয়েল (Soft-boiled) বা ওভার-ইজি (Over-easy) করে রান্না করুন। এতে পুষ্টিগুণ পুরোপুরি বজায় থাকে।
# # # 🧈 সঠিক তেল/ফ্যাট ব্যবহার করুন
সস্তা বা কমদামী তেলে ডিম রান্না করলে তা উচ্চ তাপে অক্সিডাইজড হয়ে যায়। এর বদলে **মাখন (Butter) বা ঘি এর মতো স্টেবল ফ্যাট ব্যবহার করুন। এটি ডিমের স্বাদ ও পুষ্টি দুটোই ধরে রাখবে।
# # # 🐔 ডিম কেনার সময় সচেতন হোন
খামারের সাধারণ ডিমের চেয়ে উন্মুক্ত স্থানে চরে বেড়ানো মুরগির (Pasture-raised) ডিমঅনেক বেশি পুষ্টিকর। কারণ এরা প্রাকৃতিকভাবে ঘাস ও পোকা-মাকড় খায়, যার ফলে এদের ডিমে ওমেগা-৩ এর পরিমাণ অনেক বেশি থাকে।
💡 চেনার উপায়- ডিমের কুসুম যদি গাঢ় কমলা রঙের হয়, তবে বুঝবেন এটি পুষ্টিতে ভরপুর। আর ফ্যাকাসে হলুদ কুসুম মানে এতে পুষ্টির পরিমাণ কম।

আজকের টিপস
সকালের নাস্তায় একটু পরিবর্তন আনুন। ডিম হালকা তাপে, কুসুম নরম রেখে ঘি বা মাখনে রান্না করুন। সম্ভব হলে ভালো মানের ডিম বেছে নিন। খাবার একই থাকবে, কিন্তু পুষ্টি পাবেন বহুগুণ! 🚀

Address

Mirpur
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shamina Zaman Kajori posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category