Prof. Dr. Sunjida Shahriah

Prof. Dr. Sunjida Shahriah Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Prof. Dr. Sunjida Shahriah, Doctor, Mohakhali DOHS, Dhaka.
(2)

23/06/2026
 #নিজের_কাছে_ফেরানিঃসঙ্গতাকে রোগ ঘোষণা করা এখন সময়ের দাবি...আমরা প্রতিদিন নিঃসঙ্গ হইআবার ফিরে আসি,কদাচিৎ নিজের কাছে ফেরা...
23/06/2026

#নিজের_কাছে_ফেরা

নিঃসঙ্গতাকে রোগ ঘোষণা করা এখন সময়ের দাবি...
আমরা প্রতিদিন নিঃসঙ্গ হই
আবার ফিরে আসি,
কদাচিৎ
নিজের কাছে ফেরার ঠিকানাটা কেবল ভুলে যাই...
নিজের কাছে ফেরা'র ঠিকানাটা আপনার মনে আছে তো?
..................................................................................

জয়েস ক্যারল ভিনসেন্ট ছিলেন লন্ডনের একজন ৩৮ বছর বয়সী নারী। ধারণা করা হয়, তিনি ২০০৩ সালের শেষ দিকে নিজের ফ্ল্যাটে মারা যান। কিন্তু তাঁর মৃত্যু প্রায় তিন বছর কারও নজরে আসেনি। ২০০৬ সালের জানুয়ারিতে বকেয়া ভাড়ার কারণে হাউজিং কর্মকর্তারা দরজা ভেঙে ঢুকে তাঁর কঙ্কালাবস্থায় দেহ উদ্ধার করেন। ঘরে তখনও টেলিভিশন চালু ছিল, চারপাশে ছিল না খোলা চিঠি ও বড়দিনের উপহার।

মৃতদেহ এতটাই পচে গিয়েছিল যে মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। পুলিশ কোনো অপরাধের প্রমাণ পায়নি এবং তদন্তে "অজ্ঞাত কারণ" রায় দেওয়া হয়। তাঁর বিদ্যুৎ বিল ও কিছু ভাড়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিশোধ হওয়ায় দীর্ঘদিন কেউ সন্দেহ করেনি। জয়েসের এই ঘটনা আধুনিক শহুরে জীবনের নিঃসঙ্গতা ও সামাজিক বিচ্ছিন্নতার এক মর্মস্পর্শী উদাহরণ হিসেবে আজও আলোচিত।

(সংগৃহীত)

22/06/2026

"How wonderful to be alive, he thought. But why does it always hurt?"

Boris Pasternak, Doctor Zhivago

21/06/2026

শুভ জন্মদিন সার্ত্রে...
ইদানিং আপনার কথা খুব মনে হয়। অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া আসলেই চাট্টিখানি কথা নয়।

"মানুষ মুক্ত হতে বাধ্য, কারণ একবার পৃথিবীতে নিক্ষিপ্ত হওয়ার পর সে তার প্রতিটি কাজের জন্য নিজেই দায়ী।" জ্যাঁ পল সার্ত্রে

20/06/2026

#চেম্বার_কথন

#চেম্বার_কথন

"মেয়েটা ছোটবেলায় আমাকে বুলি করত প্রচন্ড। একই কম্পাউন্ডে বাসা ছিল। বাবারা সহকর্মী ছিলেন। বিকালে খেলতে নামলেই আমার সাইকেলে ধাক্কা দিত। কখনো ডাল ঢুকিয়ে চাকা নষ্ট করে দিত। স্কুলে বরাবরই আমি চুপচাপ। শিক্ষকদের আদর পেয়েছি প্রচন্ড। কিন্তু এই মেয়েটাই বরাবর ক্লাস ক্যাপ্টেন থাকতো। শিশু শ্রেণী থেকে শুরু করে কলেজ পর্যন্ত একসাথে পড়লেও আমি আসলে দস্তুর মত ভয়ই পেয়ে গেছি ওকে। বড় বেলায়, আমাদের দুই পরিবার থেকে বিয়ের জন্য বলেছিল, কিন্তু আমি অনেকটা ভয় পেয়েই ও যে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি হয় সেখানে চান্স পেলেও অন্য বিশ্ববিদ্যালয় চলে যাই। যদিও দুজনই একই সাবজেক্টে পড়ি। এরপর আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ চুকিয়ে পিএইচডি করলাম। এখন যেখানে জয়েন করলাম দেখি এই মেয়ে তার কিছুদিন পরেই ঠিক সেখানেই জয়েন করলো। আজব !! এরপর থেকে আবার প্রচন্ড ভয় লাগা শুরু হলো। সেই পুরনো ভয় যেন উথলে উঠলো। আক্ষরিক অর্থে প্যানিক অ্যাটাক। আমি জানিনা কিভাবে সামাল দেবো? আমার টিমে একে নাকি দেওয়া হবে। আমি আর নিতে পারছি না।" ভদ্রলোক দ্রুত বেগে পা নাড়তে নাড়তে এক নিঃশ্বাসে কথাগুলো বললেন।

"আপনি বিয়ে করেছেন? " আমি জানতে চাইলাম।

"না!"

"বয়স কত হলো? "

" ৪৩ বছর! "

"আপনার কোন শারীরিক সমস্যা আছে? "

"না।"

"সেই ভদ্রমহিলা বিয়ে করেছেন? "

"না"

"উনি কখনো আপনাকে ভালোবাসার প্রস্তাব দিয়েছিলেন? "

ভদ্রলোক চমকে উঠলেন তোতলাতে তোতলাতে বললেন,
" আ.. আ.. আপনি কিভাবে জানলেন? "

"সেটা অবান্তর, জানার জন্যই তো আমাকে পয়সা দেন, তাই না? প্রস্তাবটা কি স্কুলে ছিল? "

"প্রতিটা ক্লাসে, যখন থেকে মনে করতে পারি, একটা দিনও আমাকে শান্তি দেয়নি। "

"তা বেশ তো! বিয়ে করলেন না কেন এত দিন?"

"সময় করে উঠতে পারিনি বোধহয়! "

"বোধ হয়? আপনি নিশ্চিন্ত নন?"

"জানিনা! "

"কেমন মেয়ে আপনার পছন্দ? "

"সব সময় আমাকে দেখে রাখবে, সবকিছুতে খেয়াল রাখবে, আমার সবকিছু জানবে। "

"ঠিক এই মেয়েটি যেমন করে ছোটবেলা থেকে আপনার সবকিছু দেখে রাখতেন, খেয়াল করতেন, প্রত্যেকটা বিষয়ে আপনার সম্পর্কে নখ দর্পণে রাখতেন সেরকম? "

ভদ্রলোক চমকে উঠলেন।

"আপনি কি এই মেয়েটির ছায়া কারো মধ্যে দেখেননি বলে বিয়ে করেননি এতদিনও? ভদ্রমহিলা কেন বিয়ে করলেন না সেটা কি খোঁজ নেয়া যায়?"

দশ দিক স্তব্ধ হয়ে গেল।

দীর্ঘ স্তব্ধতা আড়মুড়ি দিয়ে ভাঙতে ভাঙতে, মৃদু গলায় প্রশ্ন করলাম, "ভয়টি কি এখনো আছে? "

"না।"

ভদ্রলোকের চোখে উজ্জ্বল কমলালেবুর রোদ্দুর ঝিকমিক করছে।

অচেনা এই ভদ্রমহিলার কথা ভেবে শামসুর রহমানের একটি কবিতা মনে পড়ল,

"কতকাল প্রতীক্ষাকাতর আমি
তোমার কণ্ঠস্বর শোনার জন্যে, কত পাথর আ কাঁটাময়
পথ পেরিয়েছি তোমাকে একটিবার
দেখবো বলে। অথচ আমার সকল প্রতীক্ষা আর
ব্যাকুলতাকে বারংবার উপহাস করেছে
তোমার নীরব অনুপস্থিতি।

এখানে কোথাও না কোথাও তুমি আছো,
এই বিশ্বাস কখনও-সখনও
আমাকে বাঁচায়
অক্টোপাশা-বিভ্রান্তি থেকে। কিন্তু সেই বিশ্বাস নিয়ে
আমি কী করবো যা সমর্থিত নয়
জ্ঞানের জ্যোতিশ্চক্রে?

জ্ঞান আমার উদ্ধার, তারই অন্বেষণে
উজিয়ে চলি
স্বৈরিণীর মতো অন্ধকার। এজন্যে যদি তোমাকে খোঁজার সাধ
মুছে যায় কোনো রাগী পাখার ঝাপটে,
আমি প্রতিবাদহীন পা চালিয়ে যাবো
জ্ঞানের বলয়ে আমার অজ্ঞতা নিয়ে।
(আমার অজ্ঞতা নিয়ে : শামসুর রাহমান)

শেখার প্রক্রিয়া এবং কোনো নতুন দক্ষতা অর্জনের ধাপগুলো বুঝতে ৪টি ধাপ (4 Stages of Competence) পেরুনো দরকার।

এই ধাপগুলোর মধ্যে চূড়ান্ত পর্যায়টি হলো অবচেতন দক্ষতা (Unconscious Competence)।

১.Unconscious Incompetence: এই ধাপে আমি সম্পূর্ণ অসচেতন, যে বিষয়টি সম্পর্কে আমার উপলব্ধি শূন্য। অর্থাৎ আপনি জানেন না যে আপনি কিছু জানেন না (ignorance)। মোদ্দা কথা এই ধাপে আপনি যে কোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে বা দক্ষতায় অজ্ঞ থাকেন। আপনি জানেন না যে কাজটি কীভাবে করতে হয়, এমন কি আপনার যে এই দক্ষতাটি অভাব রয়েছে, সে সম্পর্কেও আপনি পুরোপুরি অসচেতন থাকেন। ধরুন ছোট শিশু যখন সাইকেল চালানো দেখে, তখন সে বুঝতে পারে না যে সাইকেল চালানোর জন্য কতটা দক্ষতার প্রয়োজন।

২. Conscious Incompetence: এই ধাপে আমি টের পাই (awareness), আমার দক্ষতার অভাব রয়েছে। অর্থাৎ, এই ধাপে আপনি বুঝতে পারেন যে একটি নির্দিষ্ট কাজ কীভাবে করতে হয় এবং ওই কাজটি আপনি পারেন না। অর্থাৎ নিজের সীমাবদ্ধতা বা ঘাটতিগুলো আপনি স্পষ্ট বুঝতে পারেন। ধরুন, যখন শিশুটি নিজে সাইকেলে ওঠার চেষ্টা করে এবং পড়ে যায়, তখন সে বুঝতে পারে যে সাইকেল চালানো কতটা কঠিন এবং সে এটি পারে না।

৩. Conscious Competence: আমি জানতাম না কিন্তু এখন জেনে, শিখে গুছিয়ে কাজটি করতে পারি। অর্থাৎ, সচেতন মনোযোগের মাধ্যমে আপনি কাজটি করতে পারেন (learning)। এই ধাপে আপনি কাজটির নিয়মকানুন বা কৌশল শিখে যান। তবে কাজটি করার সময় আপনাকে পুরোপুরি মনোযোগ দিতে হয় এবং খুব সতর্কতার সাথে প্রতিটি ধাপ পার হতে হয়। কাজটি আপনার কাছে তখনো স্বাভাবিক বা সহজ মনে হয় না। যেমন, সাইকেল চালানোর সময় শিশুটিকে খুব সাবধানে প্যাডেল ঘোরানোর দিকে ও হ্যান্ডেল ধরার দিকে মনোযোগ দিতে হয়।
৪. Unconscious Competence: এবার আমি বারবার কাজটি করতে থাকি। অর্থাৎ, কাজটি আপনার অভ্যাসে পরিণত হয় এবং কোনো চিন্তা ছাড়াই তা করতে পারেন (mastery)। এটি হলো দক্ষতার সর্বোচ্চ পর্যায়। মোদ্দা কথা, আপনি এত বেশি অনুশীলন করেছেন যে কাজটি অবচেতনভাবেই বা দ্বিতীয় স্বভাবের মতো করতে পারেন। তখন আর আপনাকে কাজটি করার জন্য আলাদা করে মনোযোগ বা চিন্তা করতে হয় না। উদাহরণ স্বরূপ, বড় হওয়ার পর সাইকেল চালানোর জন্য আপনাকে আর ভারসাম্য বা প্যাডেল ঘোরানো নিয়ে ভাবতে হয় না। আপনি অন্য কোনো বিষয়ে কথা বলতে বলতেও অনায়াসে সাইকেল চালাতে পারেন।

আমার প্রতিনিয়ত কাজ অবচেতন মন নিয়ে। কিন্তু তারপরও মাঝে মাঝে নিজের অজ্ঞতা নিয়ে আয়নায় মুখ দেখলে ভীষণ চমকে যাই। অজ্ঞতাকে লুকিয়ে রাখি, ভারি ভারি বইয়ের মলাটের ভেতরে। কিন্তু প্রেম আর গুটি বসন্ত যেমন লুকিয়ে রাখা যায় না। বসন্ত রোগ হলে গুটি বের হবেই সেরকম অজ্ঞতাও ফুটে বের হতেই থাকে... হতেই থাকে... হতেই থাকে। আর প্রতিদিন আমার অজ্ঞতায় আমি ক্রমাগত বিস্মিত হতে থাকি।

নিঃসঙ্গতাকে রোগ ঘোষণা করা এখন সময়ের দাবি। আমরা প্রতিদিন নিঃসঙ্গ হই। আবার ফিরে আসি। কদাচিৎ, নিজের কাছে ফেরার ঠিকানাটা কেবল ভুলে যাই। নিজের কাছে ফেরা'র ঠিকানাটা আপনার মনে আছে তো?

(কথোপকথনের আলোচ্য অংশটুকু মনোসামাজিক স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ভদ্রলোকের অনুমতি সাপেক্ষে প্রকাশ করা হলো।)

সানজিদা শাহরিয়া

19/06/2026

বুড়ো পৃথিবীটা অনাদিকাল থেকে একই কক্ষপথে টক্কর খাচ্ছে!
তবুও মাঝে মাঝে মনে হয় তুমি থাকলে হয়তো এমন হতো, হয়তো না!
আকাশটা এখনও ছাদের মর্যাদা ধরে রেখেছে,
নাকি নিজেই ছাদ হয়ে গেছি
গুলিয়ে যায়...
তবে আজ সুনিশ্চিত যে,
পৌরুষের ঔদার্যে ঢেঁড়া পড়েছে এই দ্রোহকালে!
তারপরও ...
তোমার DNA এখনো কথা বলে!
নৈঃশব্দের সে ভাষা আজো হিরন্ময়!
আর...
তাতেই বুঝি...
চির পুরাতন আমি,
স্বর্ণাভ প্রগলভতায় জ্বলে উঠি!
ফিনিক্সের দহন আনন্দে!
দধিচির দক্ষতায়!
ঊণ যোগ্যতায়!

বাবা দিবসের শুভেচ্ছা বাপি!

17/06/2026

হাটতলায় আলুর আড়তে হিসেব লিখে বাবার তখন মাসিক আটশ টাকা আয়। মুন্নির বাপেরও তাই। মুন্নির বাপের ইস্টিশনে ছোলাভাজা আর ডালমুটের দোকান। ওই রোজগারে কী আর কপালে পোস্তভাত জোটে! আমার বাবা তবু বড়ো শৌখিন মানুষ। ঝিরিঝিরি ঝড়-বাদলার দিনে ছবিপিসির দোকান থেকে সিঙ্গাড়া আনতেন বাবা। মুন্নির বাবার দোকান থেকে ঝাল-ঝাল ছোলামুট। মা কুঁচো পেয়াঁজ এনে দিলে বাবা মুড়ি মাখিয়ে দিতেন। নুন লাগে না তাতে। বাবার হাতের ফাঁকে ফাঁকে পরিশ্রমের ঘাম জমে বড়ো নোনতা। বাবা নিজের জন্য খুব সাধ হলে একটু দুধ চা চাইতেন মায়ের কাছে। সেই সংসারে দুধের যোগান করা আর শালিখ পাখির ডিম খোঁজা সমান। আমার বন্ধু মুকেশদের বাড়িতে অনেকগুলো গরু। কাকীমা আমার জন্য দুধ পাঠাতেন গরু বাচ্চা দিলে পরেই। দুধের পয়সা নিতে চাইতেন না। বলতেন, 'ছেলে আমাদের এক গেলাস দুধ খাবে তাতে আর পয়সা নিবো কোন লেগে!' বাবা তবু নিয়ম করে চারটাকা দিয়ে আসতেন মায়ের হাত দিয়ে। যে মানুষ যত গরীব, তাঁর আত্মমর্যাদার আয়োজন তত বেশী। মুন্নির জন্মের সময় মুন্নির মা যখন মারা যান আমার বোধহয় তখন ক্লাস ফোর। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াকালীন বাবার দেখাদেখি তখন নিজেও দু-লাইন হাবিজাবি লেখার অভ্যেস জন্মেছে আমার। 'আম আঁটির ভেঁপু' পড়ে শখ হয়েছে একখানা উপন্যাস লিখবার। একদিন হঠাৎ বাংলার দিদিমণি ক্লাসে জিজ্ঞেস করলেন আমরা বড়ো হয়ে কী হতে চাই! মুকেশ বললো ডাক্তার হবে। হিরুর নাকি উকিল হওয়ার স্বপ্ন। কেউ কেউ ইঞ্জিনিয়ার, পাইলট এমনকী জাহাজের নাবিক হওয়ার কথাও বলেছিল। আমি আলতো স্বরে বলেছিলাম আমি বড়ো হয়ে অনেক বড়ো লেখক হতে চাই। দিদিমণি হঠাৎ কেমন এক বিদঘুটে আওয়াজ করে হেসে উঠলেন। দিদিমণির সাথে পাল্লা দিয়ে ক্লাসের মেয়েরাও হিহি করে হেসে উঠলো সবাই। বিদ্রূপের হাসির আওয়াজ ভাসতে লাগলো ঘরময়। আমার শ্যামলা মুখখানাও কেমন লজ্জায় লাল হয়ে এলো। বাবা যেই আলুর দোকানে হিসেব লিখতেন, দিদিমণি ছিলেন সেই দোকানের নিত্য খরিদ্দার। মুহুরীর ছেলের বুঝি লেখক হওয়ার স্বপ্ন দেখতে নেই!

বাড়ি ফিরে সেই দুপুরে সে কী নিদারুণ কান্না আমার! বাবার কোল ভাসিয়ে ফেললুম সেই কান্নার তোড়ে। কতখানি অন্তরে আঘাত পেলে মানুষ এমন মরাকান্না কাঁদে! আমি তো নিশ্চিত জানতুম যে আমি বড়ো হয়ে লেখক হবো। একখানি হাঁসুলীবাঁকের কথা লিখবো। একখানি চাঁদের পাহাড়ের কথাও। আমার তবে সে দুঃসাহস মিছে! কান্না থামে না আর কোনো উপায়ে। আজ মনে পড়লে পরে বুঝি, শৈশবে স্বপ্ন ভাঙলে কান্না পায়। কৈশোরে ভাঙলে পরে দুঃখ। আর যৌবনে ভাঙলে পরে হাসি। সেদিন অমন কাঁদতে কাঁদতে রাত্তিরে কপাল আগুন করে জ্বর এলো আমার। হাসির আওয়াজ তখনও প্রতিধ্বনিত হচ্ছে কানের পাশে। মুকেশের মা দুধ দিয়ে গেলেন এক গেলাস। বাবা ঠাম্মার একখানা সাদা থান ছিঁড়ে জলপট্টি দিলেন কপালে। যে জ্বর ওষুধে না কমে তার লাগি মায়ের আঁচল ছেঁড়া লাগে। মা রাতভর পায়ের কাছে বসে রইলেন। মনে পড়ে বাবা চলে যাওয়ার দিনেও মা হুবহু বসেছিলেন বাবার পায়ের কাছে। জ্বরের ঘোরে ধীরে ধীরে ঘুমিয়ে পড়লাম আমি। ঘুমের ঘোরে টের পেলাম কানে আসছে মুন্নির কান্নার আওয়াজ। ওর চুলগুলো কেমন সজারুর ছানার মতন। আমি কোলে নিলে খিলখিলিয়ে হাসে। তা এই ঘটনার দুইদিন বাদে দুঃখ কমলে পরে ইস্কুলে গেলুম মাথা নত করে। গিয়ে দেখলুম সেখানে কারোর কিস্যু মনে নেই। ভারী অবাক কান্ড! একটাও মেয়েও আর হাসলো না আগের দিনের মতন। ক্লাসরুমের জানলা দিয়ে একখানা ভেরেন্ডা গাছের ডাল ঢুকে আসতো আমাদের টেবিলে। বাবা বলতেন ভেরেন্ডার ডাল দিয়ে দাঁত মাজা ভালো। আমি একদিন একখানা ডাল ভেঙে মুখে দিয়েছিলুম। বড়োই বিস্বাদ। হঠাৎ একদিন খবর এলো আমাদের বাংলার শিক্ষিকা ইস্কুল ছেড়ে দেবেন। যাওয়ার আগের দিন বিদায়সভার অনুষ্ঠানে বাবার লেখা একখানি কবিতা পড়েছিলুম আমি। উনি মাথায় হাত বুলিয়ে আদর করেছিলেন আমায়। জিজ্ঞেস করে উঠতে পারিনি সেদিন সবার সাথে উনিও কেন হাসছিলেন আমার উপর! বাবা বলেন শিবরাম চক্কত্তির নাকি শেষ জীবনে দু-মুঠো ভাত জোটেনি কপালে। জীবনানন্দ দাশেরও তাই। মৃত্যুর আগে একফালি আলো দেখে যেতে পারেননি ফ্রান্তজ্ কাফকাও। দিদিমণি কী সেইদিন তবে আমাদের সকলের উপরে হাসলেন!
..

আজ দিনকয়েক হলো মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফল বেরিয়েছে। সেদিন দেখি মুন্নিদের বাড়ির সামনে উদ্দাম ভিড়। মুন্নি নাকি উচ্চমাধ্যমিকে ওদের ইস্কুলে ফার্স্ট হয়েছে। জেলায় তৃতীয়। রাজ্যে দ্বাদশ। স্থানীয় সাংবাদিকেরা এসেছে তাই মুন্নির সাক্ষাৎকার নেবে বলে। মুন্নি গেছিলো নিজে পিসিঠাকুমার বাড়ি। আমিই খবর দিলুম ফোনে। খবর শুনে ওর সে কী চিৎকার করে কান্না। আমার কাছে ক্লাস সিক্স থেকে বাংলা আর ইংরেজি পড়তে আসতো মুন্নি। আমারও গর্বে বুক ভরে এলো খানিক। চোখও। মুন্নির পোষা ময়নাটিও আমার মতনই বড়ো খুশী। মুন্নি কাঁচুমাচু মুখে সন্ধেবেলা বাড়ি এলো আজ। হাতে একটা শালপাতায় মোড়া দুইটা মিহিদানার লাড্ডু। একমুঠো সীতাভোগ। প্রণাম করলো আমার পায়ে হাত দিয়ে। আমি জোর করে মানা করলাম। মা সরস্বতীর আশীর্বাদের হাত যাঁর মাথায়, তাঁকে নত হতে দেওয়া যায় না। পাপ হয়। মুন্নি বললো ও নাকি আমার জন্যই ইংরেজিতে পঁচানব্বই পেয়েছে। পঁচানব্বইই! আমি নিজেই তো মাত্র ঊনআশি পেয়েছিলাম ওর বয়সে। আমার কীইবা যোগ্যতা তবে এই প্রণাম গ্রহণ করার! সেদিন সাক্ষাৎকারের সময়ও বললো যে আমার জন্যই নাকি ওর সাহিত্যের প্রতি অনুরাগ তৈরি। আমার পড়ানোর সময় বলা গল্প শুনে শুনেই ওর ওয়ার্ডসওয়ার্থের প্রতি ভালোবাসা। বিভূতিভূষণ, তারাশঙ্করের প্রতি মুগ্ধতা। কিটসের প্রতি প্রেম। সিলভিয়া প্লাথের উপর অভিমান। মনে পড়ে, জীবন ভরের দুঃখ নিয়ে এক কনকনে শীতের রাত্তিরে স্বেচ্ছায় গ্যাসের স্টোভ জ্বালিয়ে সেই বদ্ধ ঘরেই ঘুমিয়ে পড়েছিলেন সিলভিয়া। সেই স্টোভের বিষাক্ত গ্যাসেই দমবন্ধ হয়ে মৃত্যু। মৃত্যুর আগে নিজের দুই সন্তানের ঘর নিখুঁতভাবে বদ্ধ করেছিলেন যাতে সেই নারকীয় গ্যাস তাদের না ছোঁয়। নিজেরই এক কবিতায় লিখেছিলেন, "ডাইয়িং ইজ এন আর্ট, লাইক এভরিথিং এলস। আই ডু ইট এক্সেপশনালি ওয়েল।" "জীবনের বাকী সমস্ত বিষয়ের মতন মৃত্যুও এক শিল্প। আমি তা বড়ো সুন্দরভাবে পারি।" সিলভিয়া কী জানতেন না যে এতখানি কাহিনী বুকের মধ্যে চেপে অত জলদি চলে যেতে নেই! মুন্নি গল্প শুনতে শুনতে অবাক চোখে চেয়ে রইতো।

মুন্নির খুব ইচ্ছা ও আমার মতন ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে পড়বে। মুন্নি ইংরেজিতে খুব সুন্দর কবিতা লিখতে পারে। বাংলা লেখার হাতখানিও খাসা। বিভূতিভূষণ ধার করে নিয়ে যায় আমার বইয়ের তাক থেকে। তার ঠিক পাশেই গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজের সেই মহাজাগতিক উপাখ্যান। "আ ভেরি ওল্ড ম্যান উইথ এনর্মাস উইংস"। বইটির বঙ্গানুবাদ করেছিলেন যিনি তিনি নাম দিয়েছিলেন, "বিরাট ডানাওয়ালা থুরথুরে বুড়ো"। এই থুরথুরে শব্দটি তো মার্কেজ লেখেনি। তাহলে কেন এই সংযোজন! অথচ ওই থুরথুরে শব্দটিতেই বারংবার চোখ আটকায় আমার। সেই মার্কেজের কাহিনীর বুড়োটি আজও কী কাঁপছেন একই রকমভাবে! যেমনভাবে শীতকালে কাঁপতেন আমার ঠাম্মা! কিংবা মৃত্যুর আগের রাত্তিরে লন্ডনের সেই বদ্ধঘরে কাঁপছিলেন সিলভিয়া! যেমন করে আজও বাবার কথা বলতে গেলে কাঁপে আমার ঠোঁট। হুবহু সেইভাবে! মুন্নির বাপের যেমন করে হাত কাঁপছিল সাংবাদিকদের সামনে দাঁড়িয়ে, ঠিক তেমনিভাবে! মুন্নিকে আজ জিজ্ঞেস করলাম তুই সবসময় কেন বলিস যে আমি না থাকলে তোর পড়াশোনাই হতো না! আমি কী এমন করেছি! লোভী মন নিজের কর্তব্যক্ষমতা জানতে চায় বারংবার। মুন্নির চোখে মুখ লুকোচুরি খেলে কান্না। আমায় বলে, "বাপ সবাইকে বলতো মুর মেয়ে পড়াশুনা করে অনেক বড়ো মানুষ হুবে। সব্বাই শুনে হাসতো দাদা। শুধু তুমি হাসো লাই ককখুনো।" ঠিকই তো। আমি হাসিনি কক্ষনো। আমি যে জানি কেউ আপনার স্বপ্নের বিপরীতে হেসে ফেললে হৃদয় কেমন করে ভাঙে! মুন্নির মাথায় হাত রেখে হৃদয়ভরে আশীর্বাদ করি। মা সরস্বতী যেন পৃথিবীর সকল মুন্নিদের চলার পথে ছায়া দেন। মার্কেজের সেই থুরথুরে বুড়োর মতন জীবনে চলার পথে তাদের যেন পা না কাঁপে কক্ষনো। মুন্নি আমাকে প্রণাম করে বাড়ি ফিরে যায়। আমার বাবা চাইতেন তাঁর ছেলে শিক্ষক হোক। গরীব শিশুদের পড়াক বিনি পয়সায়। মুন্নির থেকে কোনো পয়সা নিইনি কোনোদিন। কিন্তু আজ মুন্নি যে হাতে করে এনে দিলো এই দুইখানা মিহিদানার লাড্ডু, একমুঠো সীতাভোগ আর এক আকাশ শ্রদ্ধা! এইটুকুর সামনে যে ধরণীর সমস্ত গুরুদক্ষিণা ফিকে...

মুন্নির পোষা ময়না খানা উড়ে এসে বসে আমার জানলায়। মনে মনে ভাবি, মার্কেজের সেই ডানাওয়ালা থুরথুরে বুড়ো কী তবে মৃত্যুর আগে ডানা দুইখানা দিয়ে গেছিলেন মুন্নিকে! নাহলে এমন সর্বহারা মেয়ে এমন আকাশপানে উড়ান দিল কেমন করে!

সুরিয়া সুরেলিয়া
(সংগৃহীত)

17/06/2026

"গুড্ডুর আলাদা ঘর লাগবে বাবা। ও তো বড়ো হচ্ছে। এভাবে আর কতদিন! আপনি অনুগ্রহ করে যদি বাইরের ঘরে শিফট করেন"

সোমার কথা শুনে অবাক হয়ে তাকালেন বিভাস।
বয়স তো বাড়ছে। আটাত্তরে পা দিয়েছেন কিছুদিন হল।
বাইরের ঘর মানে সোফা- কাম- বেডটিতে! কিভাবে পারবেন! অথচ গুড্ডুর প্রয়োজনটাও ফেলে দেবার নয়।
সত্যিই তো,ফাইভে উঠল। যদিও তৃতীয় একটি বেডরুম আছে,যা সোমার নিজস্ব , ব্যক্তিগত জিনিসে ভর্তি।
রাত দুটো অবধি সেখানেই কি সব খুট খুাট করে সে ল্যাপটপে। সেখানে কি ব্যবস্থা করা যেত না ! কিছুই বললেন না বিভাস। যদিও ফ্ল্যাটের মালিক তিনি, মোটা টাকা পেনশন পান |

সংসারের সিংহভাগ খরচ তিনিই করেন | বিভাসের নামে,সমস্ত ব্যাঙ্ক ব্যালেন্সও। তাই কারো কাছে হাত পাতার প্রয়োজন নেই তাঁর। তবুও কিছু কিছু কথা না বলাই সৌজন্যতা । নিজেরই ছেলে, বৌমা , নাতি । একসঙ্গে থাকছেন,এতেই মাঝে মধ্যে সংকোচ হয় তাঁর। রাগ করে ওরা চলে গেলে তাঁর আর রইল কী ! যুথিকা তো মাঝজীবনে তাকে একলা ফেলে চলে গেলেন , তারপর থেকে এদের সাথে জড়িয়ে রয়েছেন |

স্কুল থেকে ফেরার পর নতুন ব্যবস্থার কথা শুনে গুড্ডুর প্রতিক্রিয়া দেখে বিভাসও অবাক। "এটা কেমন ব্যবস্থা মা!"

"কেন,তুই যে বললি".. "হ্যাঁ,বলেছি। কিন্তু আমি কি বলেছি তুমি বোঝোনি।"

রাতে সোফা -কাম -বেডের অনভ্যস্ত পরিসরে ঘুম আসছিল না বিভাসের।

হঠাৎ গুড্ডুর গলা, "দাদু ও দাদু আমার একা শুতে ভয় করছে। চলো,আজ থেকে তুমি আর আমি।" " না,না রে দাদুভাই , তোর মা আবার"....

"আমি থাকতে তোমার কোনো ভয় নেই দাদু । এ নিয়ে আর একটাও কথা নয়।" একটি দশ বছরের ছেলে কথাটা বলছে না আটাশ বছরের যুবক তা বোধগম্য হচ্ছিল না বিভাসের। অবাক হতেও ভুলে যাচ্ছেন।

চোখ দুটো এত বেইমানি করলে তো মুশকিল।
ঘুমন্ত গুড্ডুর পাশে শুয়ে অশ্রু আর বাধা মানল না বিভাসের। অবহেলায় এক ফোঁটা কান্না আসেনি তাঁর কোনদিন । কিন্তুু ভালোবাসার সঙ্গে কে আর কবে জিততে পেরেছে!

+++++++++++++++++++++++++++++++++

এখন বিভাসের পঁচাশি চলছে ।
বয়সের ভারে ন্যুব্জ দেহ মন দুটোই । একজন সেবিকার আর এক রাধুনীর তত্ত্বাবধানে একা থাকেন ।

বাজার ঘাট রাধুনীর করে সাথে গোটা সংসারের দেখ ভাল । বিভাস কিছুই আর পারেন না।

তন্ময় আর সোমা তিন বছর হলো চলে গিয়েছে তাদের নতুন ফ্ল্যাটে। তাঁকে দেখতে আসার অবশ্য সময় হয় না কারো। তিনমাস পরপর এসে তন্ময় ব্যাঙ্কের টাকা তুলে দিয়ে যায়।

পাঁচ বছর পর পড়াশোনা শেষ করে আজ গুড্ডু আমেরিকা থেকে ফিরছে শুনেছিলেন আগেই | করব না করব না ভেবেও ফোন করেছিলেন সোমাকে |

গুড্ডুকে একবার দেখার ইচ্ছে প্রকাশ করে। যদি যাবার ইচ্ছা...... এক কথায় নাকচ করে দিয়েছে সোমা ।

"অত দূর থেকে আসছে, ছেলেটাকে কদিন থিতু হতে দিন বাবা। নাতিকে দেখার দিন তো আর আপনার পালিয়ে যাচ্ছেনা।" মনটা খারাপ তাই বিভাসের।

একটা বই পড়ার চেষ্টা করলেন। রেখে দিলেন। চোখে অনেকদিনই ছানি পড়েছে।একা যেতে পারেন না। কেউ নিয়ে যাবে না জানেন। কাকে বা বলবেন? কারো সময় নেই। সবাই নিজেদের কে নিয়ে ব্যস্ত |

বেলটা বেজে উঠল না ?
কে এল এ সময়ে , সকাল তো আটটা সবে।
রান্নার মাসি নয়টায় আসে।

"দেখো তো সাবিত্রী কে এল।"

"দাদাইইইই"..... কী শুনলেন!

পড়ে যাবেন যে খাট থেকে !
গুড্ডুর গলা না... আটাশ বছরের না দশ বছরের সেটা বোধগম্য হচ্ছেনা বিভাসের!

"ওরে ছাড় ছাড়,আগে দেখি তোকে ভালো করে, কেমন সাহেব হয়েছিস , হ্যাঁরে, মেমসাহেব বৌ আনবি নাকি আমার জন্য?"

চোখে এত জল কোথায় যে থাকে, কখনো কখনো তো দেখতে পাননা...

"হ্যাঁরে, মা বাবা কই, ওরা আনতে যায়নি তোকে?"

"গিয়েছে ,আমি ওদের চোখ এড়িয়ে উবার নিয়ে পালিয়ে এলাম। ভয় নেই, মেসেজ করেছি। আগে আমি আমার দাদাইএর কাছে আসব , তারপর কথা।"

থমথমে মুখে সিঁড়ি দিয়ে উঠছিল তন্ময় আর সোমা।

পুরোনো আমলের ফ্ল্যাটবাড়ি, লিফট নেই।

বেলের আওয়াজ শুনে সাবিত্রী দরজা খুলেছে।

"বৌদি,আপনারা!"

"গুড্ডু কই!"

"ওর দাদুর ঘরে।" ঘরের দরজা ঠেলে ঢুকতেও গিয়েও থেমে গেল সোমা।

দরজার ফাঁক দিয়ে দেখলো।
দাদুর বুকে মাথা রেখে চোখ বুজে দাদুর আদর খাচ্ছে তার গুড্ডু | দাদু ওর মাথায়, পিঠে , শরীরে, চুলে হাত বুলিয়ে দিচ্ছে।

"দাদু , ঠিকমতো দেখতেও তো পাওনা তুমি। মোবাইলে আমার ছবি দেখে বলছ এটা কার ছবি! চোখের ছানি কেউ কাটাতে নিয়ে যায়নি?"

"নারে লাগবে না"... "আমি নিয়ে যাব। দিন দুই সময় দাও।জেটল্যাগটি কাটলেই"...

"কি রে গুড্ডু ,তুই এখানে চলে এলি ? তোর জন্য কত রকমের রান্না করেছি ,বাড়িতে চল আগে"...

"আমি এখানেই থাকব , এটাই আমার নিজের বাড়ি , দাদুর কাছে", অদ্ভুত এক হিম ঠাণ্ডা চোখে তাকাল গুড্ডু , "তোমরা চলে যাও। বিকেলে গিয়ে দেখা করব। এখন স্নান করে ঘুমোব।"

হতভম্ব সোমার সামনে দিয়ে ট্রলি ব্যাগ দুখানা টেনে নিয়ে পাশের রুমে চলে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দিল গুড্ডু ।

(সংগৃহীত)

আমার লেখা,সময় পেলে দেখতে পারেন। ধন্যবাদ  Shamrin Shanjida।
17/06/2026

আমার লেখা,
সময় পেলে দেখতে পারেন।
ধন্যবাদ Shamrin Shanjida।

খাওয়াদাওয়ায় লাগাম টানার পরও বা অতিরিক্ত খাওয়া না হলেও শরীরের অন্যান্য অংশের তুলনায় পেট যেন একটু বেশিই বড় মনে হয়। ....

Address

Mohakhali DOHS
Dhaka
1206

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Prof. Dr. Sunjida Shahriah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Prof. Dr. Sunjida Shahriah:

Shortcuts

Share

Category