Dr.NURUL ALAM দাঈ ইলাল্লাহ

Dr.NURUL ALAM দাঈ ইলাল্লাহ Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr.NURUL ALAM দাঈ ইলাল্লাহ, Doctor, Dhaka.

25/08/2024

আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনে এক টাকাও দান করা যায়।

বিকাশের ডোনেশন অপশনে গিয়ে আস-সুন্নাহ ক্লিক করুন, তারপর ১ টাকা/ ২ টাকা/ ৫ টাকা/ ১০ টাকা যা পারেন দান করতে পারবেন।

কোনো আলাদা খরচ কাটবে না। অনেকেই বিকাশে সাহায্য তুলছি। কিন্তু সেন্ড মানি বা ক্যাশ আউট খরচেই টাকা চলে যায়। মনে করেন, বাড়ি থেকে বের হতে পারছেন না, বিকাশে মাত্র ১-২ টাকা আছে, আস-সুন্নাহতে দিয়ে দিন। আপনার এক টাকা অন্যের এক লাখের সঙ্গে মিলে অনেকের উপকার হবে।

নিজে দশ টাকা হলেও ডোনেট করুন এবং অন্যকে বিষয়টি জানাবার জন্য কপি পেষ্ট করুন অথবা শেয়ার করুন। মহান রব নিশ্চয়ই প্রতিটি ভালো কাজের পুরষ্কার দিবেন।

#বন্যা

07/06/2024

#ক্ষমতাসীন_দলের_মুসলিমসন্তান

~ ক্ষমতাসীন দলের মুসলিমসন্তানের প্রতি ~
[২য় পর্ব]
ডা. শামসুল আরেফীন
সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক
কার্যনির্বাহী কমিটি ২০১২-১৩
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগ
--------------------------------
প্রথমেই আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, আপনি কে? আপনি আওয়ামী লীগ, আপনি বিএনপি, এসব আপনার পরিচয়? মিরপুর-১ আসনের এমপি আসলাম সাহেব গতবছর ইন্তেকাল করেছেন। তিনি এখন কী? আওয়ামী লীগ নাকি বিএনপি? মাটির নিচে তাঁর পরিচয় কী? এটা যেনতেন ডিসিশান না। হুট করে নিয়েন না। সবুর করেন। দুনিয়াতে আপনি যে পরিচয় ধারণ করবেন, মৃত্যুর পরও আপনার পরিচয় সেটাই হবে।
✪ দুনিয়াতে আপনার অন্তর-বাহির, কাজকর্মে প্রকাশ যেমন হবে, কবরের প্রশ্নের জওয়াবও তাই বের হবে। অটোমেটিক।
✪ দুনিয়ায় যাদের সাথে চলবেন, হাশরও তাদের সাথেই হবে? মানুষকে দলে দলে রাখা হবে [সূরা যিলযাল]। আপনিও সেই দলেই থাকবেন।
✪ জান্নাত বা জাহান্নামেও দলের সাথেই যাবেন।

সুতরাং এই দল বাছাই, এই সঙ্গী বাছাই, এই আত্মপরিচয় বাছাই খুব জটিল সিদ্ধান্ত। একবার সিদ্ধান্ত নেবেন, তার পরিণতি অনন্তকাল চলবে। তার ফল কবরে, হাশরে, পুলসিরাতে, জান্নাত-জাহান্নামে গিয়ে ঠেকবে।

আজ আপনি হয়ত যুবক, হয়ত আপনার অধীনে অনেক যুবক, হয়ত আপনার অনেক টাকা। বয়স, স্বাস্থ্য, ক্ষমতা, নেতৃত্ব ইত্যাদি অনেক মিথ্যা আপনাকে ভুলিয়ে দিয়েছে জীবনের সবচেয়ে সত্য কথাটা… মৃত্যু। মৃত্যু আপনাকে একা করে দেবে। সবকিছু থেকে আপনাকে একা করে দেবে। আজ হয়তো কোনো কিছুরই তোয়াক্কা করছেন না। সব একদিন আপনাকে ছেড়ে চলে যাবে। এটাই সবচেয়ে সত্যি কথা। এরপর?

আপনার আগেও অনেকে অনেক দাপট দেখিয়েছে। মানুষ তাঁদের ভয়ে কাঁপতো। তারা আজ কোথায়? একদিন আপনিও… সেদিন কী হবে। ছবির মুখগুলো দেখুন। এরা আজ কোথায়? এদের পরিচয় আজ কী? একটু চোখ বুঁজে ভাবুন তো, যেদিন সকালে আপনি মারা যাবেন, সেদিন বিকেলে আপনার উপর কী হচ্ছে?

এবার একটু আশপাশে তাকান। যাদের সাথে আপনি চলছেন, তাদের কাজকর্ম-কথাবার্তা দেখে কি মনে হয়? এই অবস্থায় মৃত্যু হলে তাদের পরিণতি কী হবে? আপনার বড়ভাই, নেতা-দের কাজকর্ম কি জান্নাতীদের কাজকর্মের মতো? যদি হয়, তবে থাকেন ওখানেই। কবরে, হাশরে এদের সাথে থাকতে আপনি রাজি তো? আচ্ছা, ধরেন আপনার হাশর আপনাদের জীবিত বা মৃত সর্বোচ্চ নেতার সাথেই হলো। আপনি এতে খুশি তো? নিশ্চিন্ত তো?

যদি মন থেকে নিশ্চিত না হন, তবে একটু ভাবুন। দূরে কোনো পুকুরের পাড়ে একেলা চলে যান। এবার আমার লেখাগুলো পড়ুন। এই সামান্য ৩০-৪০ বছরের হম্বিতম্বি আমাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে, এটুকু সচেতন আমাদের হতে হবে। আজ বাদে কাল সবার ডাক আসবেই, এরপর কোথায় থাকবে আমার এই ক্ষমতা, এই দলীয় নেতারা, এই অহংকার, এই অবিচার। কোনো কাজে আসবে না এই ক্ষমতা, এই চেতনা, এই দলের জন্য খেটে চলা।

তাহলে কী কাজে আসবে? যেদিন সকালে আপনি মারা যাবেন, সেদিন বিকেলটা কল্পনা করুন। সেদিনের সেই একেলা বিকেলে কোন আইডিকার্ড আপনার কাজে আসবে? আপনার একমাত্র পরিচয় আপনি মুসলিম। কেবল এই পরিচয়টা দুনিয়াতে ধারণ করলে, দুনিয়াতে এস্টাবলিশ করলেই আপনি রক্ষা পাবেন। আর কোনো পরিচয়ই আপনাকে ক্ষতি বই লাভ পৌঁছবে না।

একটু বুঝার চেষ্টা করুন। আমিও আপনাদের সতীর্থ ছিলাম। মাঠ গরম করেছি, দলের জন্য কাজ করেছি। পরিশেষে আল্লাহ আমাকে কিছু বিষয় স্পষ্ট করেছেন। নইলে তো আমিও চোখ বুঁজে পথ চলছিলাম। যা মনে হয়, যা ভাল লাগে তাই করছিলাম। অন্ধভাবে নেতাদের অনুসরণ করছিলাম। পোস্টপজিশনের জন্য সময় দিচ্ছিলাম।

মুসলিম আইডিকার্ড যদি আপনার কাছে না থাকে, দুনিয়াতে যদি আপনি মুসলিমের মতো না চলেন, মৃত্যুর পর আপনি ভয়াবহ পরিস্থিতির সামনে পড়বেন। কেউ আপনাকে বাঁচানোর ক্ষমতা রাখে না। কেউনা। আজকে যা যা করছেন, তার পাই পাই হিসাব সেদিন হবে।

মাটির উপর দাঁড়িয়ে যা যা করছেন, মাটি সেদিন তা বুঝিয়ে দেবে। নবিজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আঙুলের ভিতর আঙুল ঢুকিয়ে দেখিয়েছেন, এইভাবে মাটি চাপ দিবে, আর পাঁজরা ভেঙে ঢুকে যাবে। রাগ হচ্ছে আমার লেখা পড়তে? ফণা নামান ভাই। কাকে ফণা দেখাচ্ছেন? আল্লাহর সামনে ফণা দেখানোর মত ভুল করিয়েন না। কী করেছেন, কী করছেন তা আপনি নিজেই জানেন। আল্লাহও বলেছেন: আজ তোমার হিসাব গ্রহণের জন্য তুমি নিজেই যথেষ্ট।

চলবে ইনশাআল্লাহ

17/05/2024

#বোনের_হক

#ফুপুর_হক

#মেয়ের_হক

হোক একটি গল্প তবে বাংলাদেশে শিক্ষিত,অর্ধশিক্ষিত,অশিক্ষিত, জেনারেল, আলিয়া ও ক্বওমী লাইন মিলে শতকরা ৯৯% মানুষই এই মেয়ে/বোন/ফুপুর হক আদায় করেন না ইসলাম অনুযায়ী।

আলহামদুলিল্লাহ শুধু শোকরিয়া আদায়ের জন্য বলছি দাদার সময়ের অসংগতি বাবার মাধ্যমে আমরা ফুপুদের ঠিকঠাক করে দিয়েছি এবং সুন্দর যোগাযোগ বিদ্যমান।
ভবিষ্যতে সামর্থ হলে আরো দিবো ইনশাআল্লাহ।
সমাধান দুনিয়াতে না করলে পরকালে ডান্ডাবেড়ি আর আগুনের অপেক্ষা করুন।

#গল্পটি

মায়ের সাথে বড় মামার বাসায় বসে আছি। মা মামীকে জিজ্ঞেস করলো,
- 'ভাইজান কি বাসায় নেই ভাবি?'

মামী চোখেমুখে বিরক্তি নিয়ে বললো,
- 'না বের হয়ে গেছে কিছুক্ষণ আগে।'

মা জিজ্ঞেস করলো,
- 'কোথায় গেছো?'

মামী একটু তিক্ততা নিয়ে উত্তর দিলো,
- 'সে আমি জানি নাকি, পুরুষ মানুষ ঘরের বাহিরে গেলে কি বউয়ের কাছে বলে যাবে।'

মামী মায়ের প্রশ্নে বিরক্ত হচ্ছে, সে বিরক্ত তাঁর চোখেমুখে এবং কথার উত্তর শুনেই মা বুঝলো তারপরও মামীকে আবার জিজ্ঞেস করলো,
- 'ফিরবে কখন জানেন কিছু?'

মামী বললো,
- 'আমি কি করে বলবো।'

*****

মামা বাসায় ফিরলো যোহরের আজানের পরে। বাসায় মাকে দেখে মামা যেনো একটু বিরক্ত হলো, সামান্য জিজ্ঞেস করলো না মা কেমন আছে। মায়ের আদর যত্ন যেনো কিছুদিনের ভিতরে কমে গেলো, অন্যসব সময় হলে মামী ফ্রিজ থেকে কিছু বের করে খেতো দিতো। কিন্তু সেই সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বসে থাকলাম এক গ্লাস পানি ছাড়া কিছুই দিলো না।

মা মামার কাছে বললো,
- 'ভাইজান জমির বিষয়ে একটু কথা বলতে চাইছিলাম।'

মামা বললো,
- 'দেখে জমি তো আর আমার হাতের মুঠোয় না বললাম আর হয়ে গেলো, এইসব বিষয়ে সময় লাগবে।'

মা বললো,
- 'আর কতো সময় লাগবে, দুই মাস ধরে একই কথা বলছেন।'

মামা একটু রাগ করে বললো,
- 'আমার কাছে আসবার দরকার কি তোর, বাহিরে যেয়ে যার কাছে পারিস বিক্রি কর।'

মামা রাগ করে মায়ের সামনে থেকে ঘরের ভিতরে চলে গেলেন। মা আর কোনো কথা বললো না, আমাকে নিয়ে বের হয়ে গেলো মামার বাসায় থেকে।

আমি বুঝলাম মা যখন নানার সম্পত্তির ভাগের কথা বললো তখন থেকেই আমার মামাদের আচরণ বদলে গেলো। এই যে এখন দুপুরের খাবার সময়, আমরা মা, মেয়ে মামার বাসা থেকে বের হয়ে গেলাম মামা মামী একটাবারও বললো না দুপুরে ভাত খেয়ে যেতে।

মা বাসায় ফিরে ভাত বসিয়ে দিলো, বাবাকে গোসল করালো। আমার বাবা সাতমাস হয় বিছানায় প্যারালাইসড হয়ে আছেন, বাবা ছিলেন একজন কলেজের শিক্ষক, রিটায়ার্ডের সময় বাকি ছিলো তিনবছর তাঁর আগেই বাবা বিছানায় পড়ে যান৷ যে জমানো টাকা ছিলো সেসব বাবার চিকিৎসায় শেষ। আমার বড় আপার জামাই বুলবুল ভাই কিছু টাকা মাস শেষে দেন, সাথে বাবার জমানো কিছু টাকা এইসব দিয়েই আমাদের তিন সদস্যের পরিবার এখন চলে।


বাবার কলিগ আলতাফ আংকেল বললো তাঁর মেয়ের শ্বশুরের এই রোগ হয়েছিলো। উনারা যখন ভারত নিয়ে দেখালো সে নাকি এখন অনেকটা সুস্থ। মা ঠিক করলো বাবাকে একবার ভারত নিয়ে দেখাবে, তবে সতেরো লাখ টাকা দরকার। এতো টাকা এখন জোগাড় করা আমাদের পক্ষে কোনোভাবে সম্ভব না। মা তখন ভাবলো তাঁর বাবার বাড়ির ভাগের জমিটা বিক্রি করবে। কিন্তু যখনই মামাদের কাছে জমি বিক্রির কথা বললো মামারা তাঁদের আচরণ বদলে নিলো। জমি বিক্রির কথা বলেই মা তাঁদের কাছে এখন চোখের বিষ হয়ে গেছে। মা যদি মামাদের ফোন দেয় ফোন তুলে না, বাসায় গেলে এমন আচরণ করে যেনো অনেক বড় ক্ষতি মা করে ফেলেছে।

মা অনেক দৌড়াদৌড়ি করে জমির কিছু দলিল জোগাড় করে। আমার নানা বাড়ি সিটি শহরের ভিতরে হওয়াতে জমির দাম অনেক, মায়ের ভাগে যে জমি তাঁর দাম প্রয় দুই কোটি টাকা। মা মামাদের বললো তাঁরা অন্তত কিছু জমির টাকা যেনো মাকে দেয়। কিন্তু মামারা মায়ের সব কথাই উড়িয়ে দিতেছে, প্রতিদিন ছোটো মামা, বড় মামার বাসায় একবার যাচ্ছে আর তাঁদের তিক্ত আচরণ নিয়ে ফিরে আসে, কাজের কাজ কিছুই হয়না।

*****

মা ঠিক করলো জমি বাহিরের লোকদের কাছে বিক্রি করবে। যখন মামারা জানলো মা জমি বাহিরের মানুষের কাছে বিক্রি করবে, তখন মামারা সেই লোকের কাছে যেয়ে বললো আমার মায়ের কোনো জমিই নেই, সব জমি তাঁদের দুই ভাইয়ের নামে নানা লিখে দিয়ে গেছে। যদিও মামারা মিথ্যা কথা বললো তাঁর কাছে যেনো মা জমি বিক্রি করতে না পারে।

শেষে এসে মায়ের কাছ থেকে এক কর্ণেল সাহেব জমি কিনতে রাজি হলেন৷ কর্ণেল সাহেব চায়ে চুমুক দিতে দিতে বললেন,
- 'তা তোমার ভাইয়েরা জমি কিনতে রাজি হয়নি?'

মা মাথা নেড়ে বললো, 'না।'

কর্ণেল সাহেব মায়ের কাছ থেকে সব শুনে বললেন,
- 'বুঝলা মা, আজকাল মেয়ে মানুষের পর্দা নিয়ে যতোটা ওয়াজ করা হয় বোনেদের জমির ভাগের অংশ দেওয়া নিয়ে তেমন বলে না হুজুররা, কিভাবে বলবে বলো দেখা যাবে খোঁজ করলে দেখবে তাঁরাও বোনের ভাগের জমির অংশ দিতে কৃপণতা করেছে৷ অথচ দেখো আমাদের ইসলাম বলে, ‘বোনের সম্পত্তির অংশ তাকে যেনো বুঝিয়ে দেওয়া হয়’ , ইসলাম আমরা এখন মানি কেবল নিজেদের সুযোগ সুবিধা মতো।'

কর্ণেল সাহেব জমি নিয়ে কথায় বললেন এসব নিয়ে আমাদের রাসুলের একটা সুন্দর হাদিস আছে,

– “রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কারো উত্তরাধিকার সম্পত্তি গ্রাস করে, অন্য বর্ণনামতে, যে ব্যক্তি কারো উত্তরাধিকারী সম্পত্তি নিয়ে পলায়ন করে, আল্লাহ তাকে জান্নাতের অংশ থেকে বঞ্চিত করবেন।”

কর্ণেল সাহেবের কথাটা কেন যেনো আমার খুব মনে ধরলো। আমার মামারা আর্থিক দিক থেকে সবাই ভালো অবস্থানে আছে, দুই মামা মিলে দুই বছর আগে সদর হাসপাতালের পাশে সাত কোটি টাকার জমি কিনলো। তবে মায়ের জমি কিনতে তাঁদের এতো অজুহাত, যদি ফ্রি খেতে পারে সে সুযোগ কে হাতছাড়া করে?

*****

তিনদিন পরে জমির দলিল হবে সে রাতেই বাবা অনেকটা বেশি অসুস্থ হয়ে যায়, বাবাকে হসপিটালে নিলে ভোররাতের দিকে বাবা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

মা সারাজীবন একটা আপসোস নিয়ে বাঁচবে টাকার অভাবেই কেবল বাবার চিকিৎসা হলো না। মামারা যদি শুরুতে জমিটা কিনতো এমন কিছু হয়তো হতো না, মা নিজেকে অন্তত স্বান্তনা দিতে পারতো!

বাবা মৃত্যুর দুদিন আগে চিংড়ি মাছ দিয়ে নারিকেল খেতে চাইলো, মায়ের কাছে তখন চিংড়ি মাছ কিনবার মতো টাকা ছিলো না। মা ভেবে রেখেছিলো জমির দলিল হলে চিংড়ি মাছ কিনবে। তবে বাবার সে নারিকেল দিয়ে চিংড়ি মাছ রান্না আর খাওয়া হয়নি। এরপর আমাদের বাসায় আর কখনো চিংড়ি মাছ কেনা হয়নি।

তীব্র ক্ষোভে মা তাঁর ভাগের জমি সেই কর্ণেল সাহেবের কাছেই বিক্রি করলো দুই কোটি তেরে লাখ টাকায়। মা জমি বিক্রি করবার পরে মামারা আমাদের সাথে সব যোগাযোগ বন্দ করে দেয়।

#বোনের_হক
#মুস্তাকিম_বিল্লাহ

01/05/2024

আমাদের বর্তমান সমাজে যুবকদের বিবাহকে কঠিন করা হয়েছে।

বিয়ে মানে অনেক খরচ, অনুষ্ঠানিকতার বোঝা চাপিয়ে বিয়েকে কঠিন করা হয়েছে ।

অথচ বিবাহের ইসলামী নীতি হলো বিবাহকে সহজ করা, ব্যাভিচারকে কঠিন করা।

ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রহি.)

14/04/2024

😳সাবধান!
মঙ্গল অমঙ্গলের একমাত্র মালিক আল্লাহ।
আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোনো কিছু থেকে/ কারো থেকে মঙ্গলের আশা করলে/ কোনো সৃষ্টির দিকে মঙ্গলের সম্পৃক্ততা করা হলে, তাদের থেকে মঙ্গল লাভের আশায় কিছু করা হলে ঈমান নামক অমূল্য সম্পদটি নষ্ট হয়ে যাবে।
ঈমান হারানোর সাথে সাথে আরো যা হারাবেন তা হচ্ছে,
১- আপনি কাফির ও মুশরিক হয়ে যাবেন।
২- আপনার আগের সালাতগুলো নষ্ট হয়ে যাবে।
৩- আপনি যদি আগে হজ করে থাকেন তবে হজটি বাতিল হয়ে যাবে।
৪- আপনার রাখা সাওমগুলো নষ্ট হয়ে গেছে।
৫- আপনার আগে করা যত ভালো কাজের সাওয়াব, যেমনঃ দান, সাদাকাহ, পিতা-মাতার সেবা, জনগণের জন্য অনুদান, মসজিদ-মাদরাসায় দান, এসব কিছু বিনষ্ট হয়ে যাবে।
৬- তাওবা করে দীনে ফিরে না আসলে আপনার স্ত্রী তালাক হয়ে যাবে।
৭- তাওবা করে দীনে ফিরে না এসে উক্ত অবস্থায় সন্তান হলে সেগুলো হারাম সন্তান হবে।
৮- তাওবা করে দীনে ফিরে না এসে এ অবস্থায় মারা গেলে আপনি অমুসলিম হিসাবে মারা গেলেন। আপনার জানাযা পড়া কোনো মুসলিমের জন্য জায়েয হবে না। মুসলিম কবরস্থানে দাফন করা যাবে না। আপনার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা কোনো মুসলিমের জন্য জায়েয হবে না।
৯- তাওবা করে দীনে ফিরে না এসে এ অবস্থায় আপনার কোনো মুসলিম আত্মীয় মারা গেলে আপনি তার ওয়ারিশ হবে না।
১০- তাওবা করে দীনে ফিরে না এসে এ অবস্থায় মারা গেলে সে কাউকে ওয়ারিশ করবে না, তার সম্পদ রাষ্ট্রীয় সম্পদ হয়ে যাবে।
👉বলতে পারেন যে, কুরআন ও হাদীস থেকে এ বক্তব্যের পক্ষে প্রমাণ দেন।
প্রমাণ হচ্ছে,
আল্লাহ তাআলা তার প্রিয় নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ ঘোষণা করতে নির্দেশ দিয়েছেন,
(قُلْ لَا أَمْلِكُ لِنَفْسِي نَفْعًا وَلَا ضَرًّا إِلَّا مَا شَاءَ اللَّهُ)
সূরা আল আ’রাফঃ ১৮৮।
“হে নবী আপনি বলে দিন, আমি আমার নিজের জন্য কোনো মঙ্গল কিংবা অমঙ্গলের মালিক নই। তবে আল্লাহ যা চান (সেটাই শুধু হবে)”
সুতরাং ক্ষতি কিংবা মঙ্গলের মালিক কেবল আল্লাহ তাআলা।
আল্লাহ তাআলা মুশরিকদের চরিত্র সম্পর্কে বলেন,
(وَيَعْبُدُونَ مِنْ دُونِ اللَّهِ مَا لَا يَضُرُّهُمْ وَلَا يَنْفَعُهُمْ وَيَقُولُونَ هَؤُلَاءِ شُفَعَاؤُنَا عِنْدَ اللَّهِ)
সূরা ইউনুসঃ ১৮
“আর তারা আল্লাহ ব্যতীত এমন কিছুর ইবাদত করে যা তাদের অমঙ্গল কিংবা মঙ্গল করতে পারে না। আর তারা বলে এরা আমাদের জন্য সুপারিশকারী হবে আল্লাহর কাছ থেকে (তার ব্যবস্থা করবে)।”
সুতরাং মঙ্গল আর অমঙ্গলের মালিক একমাত্র আল্লাহ। সৃষ্টির কেউ কোনো মঙ্গল অমঙ্গলের মালিক নয়।
👉বলতে পারেন, আমরা তো সূর্য থেকে উপকৃত হচ্ছি, চাঁদ দ্বারা উপকৃত হচ্ছি, তাহলে সেটা কীভাবে?
উত্তরঃ তাদেরকে আল্লাহ যে উপকারের জন্য নিয়োজিত করেছেন সেটা আপনি অবশ্যই পাবেন, সেটা পেতে হলে সেগুলোর স্রষ্টার কাছে চাইবেন, তখন সেটা হবে ঈমান। আর তা না করে সেগুলোর কাছে চাইলে তা হবে শির্ক। আল্লাহ বলেন,
﴿وَمِنۡ ءَايَٰتِهِ ٱلَّيۡلُ وَٱلنَّهَارُ وَٱلشَّمۡسُ وَٱلۡقَمَرُۚ لَا تَسۡجُدُواْ لِلشَّمۡسِ وَلَا لِلۡقَمَرِ وَٱسۡجُدُواْۤ لِلَّهِۤ ٱلَّذِي خَلَقَهُنَّ إِن كُنتُمۡ إِيَّاهُ تَعۡبُدُونَ﴾ «فصلت 37»
“আর তার নিদর্শনের অন্যতম হচ্ছে, সূর্য ও চন্দ্র, তোমরা এগুলোর প্রতি বিনয়াবনত হয়ো না, বরং বিনয়াবনত হও এমন সত্তার জন্য যিনি এগুলো সৃষ্টি করেছেন।”
সূরা হা-মীম আস-সাজদাহঃ ৩৭।
👉 বলতে পারেন, মানুষ তো একে অন্যের উপকার করতে পারে সে হিসাবে আমরা কি মঙ্গল চাইতে পারি না?
উত্তরঃ
প্রথমত, মানুষ আপনাকে এমন কিছু দিতে পারে যেটার মালিকানা তার রয়েছে। কিন্তু প্রভাত, সূর্য, চাঁদ, ইত্যাদি কোনো কিছুর মালিক নয়, এগুলোকে আল্লাহ যে কাজে নিয়োজিত করেছেন সেটাই তারা করে। নিজেদের পক্ষ থেকে কিছু করার ক্ষমতা তাদের নেই।
দ্বিতীয়ত, এগুলো মানুষের মত জীবিত সত্তা নয় যে অন্যের ডাকে সাড়া দিবে। এরা কিছুই শুনতে পায় না।
তৃতীয়ত, জীবিত ও উপস্থিত মানুষও কাউকে কিছু দিতে হলে ইচ্ছা ও ক্ষমতা থাকতে হয়। তারপরও তাদের কাছে মঙ্গল বা অমঙ্গলের আশা করা শির্ক। তাদের হাতে থাকা কিছু দিতে হলে সেটাও আল্লাহ মঞ্জুর করতে হবে, আর সেটা দেয়ার জন্য তাদের ইচ্ছাশক্তি থাকতে হবে। যা বাতাস, আকাশ, চাঁদ, সূর্য ইত্যাদী প্রাকৃতিক বস্তুসমূহে নেই।
সুতরাং কোনোভাবেই মঙ্গল বা অমঙ্গল আল্লাহ ছাড়া কারো কাছে চাওয়া যাবে না।
আল্লাহ আমাদেরকে ঈমান সংরক্ষণ করার তৌফিক দিন। আমীন।

@বিশিষ্ট আলেম
Professor Dr.Abubakar Muhammad zakaria

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.NURUL ALAM দাঈ ইলাল্লাহ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category