Dr. Abul Hasnat

Dr. Abul Hasnat ONLINE BASED TREATMENT / MEDICAL CONSULTATION

30/12/2024
এই রমজান মাসে অবসর সময়কে কাজে লাগাতে আল কুরআন শরীফ শিখতে পারেন।অনেকে ছোট বেলায় পড়েছেন, বা শিখেছেন।হয়তো ভুলেও বসে আছেন।ধৈ...
04/04/2022

এই রমজান মাসে অবসর সময়কে কাজে লাগাতে আল কুরআন শরীফ শিখতে পারেন।
অনেকে ছোট বেলায় পড়েছেন, বা শিখেছেন।
হয়তো ভুলেও বসে আছেন।
ধৈর্য ধরে প্রতিদিন ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘন্টা সময় ব্যয় করুন। দেখবেন আরবী উচ্চারণ ও কুরআন শিক্ষা ও সহীহ ভাবে কুরআন পড়তে পারছেন।

যেভাবে শিখবেন-

১। এই টিউটোরিয়াল গুলো- সিরিয়াল ধরে দেখবেন, এবং খাতায় লিখবেন - https://youtu.be/8jGalaSh3oI

২। ব্যাসিকের জন্য- https://shodalap.org/mohi/31768/

৩। নূরানী কায়দা শিখার জন্য - https://www.youtube.com/watch?v=BwuR2TW6b0I&list=PLUYtoPUTfj8s1QGc05xKs7lqaxzBqS7WA

৪। নূরানী কায়দার App- https://play.google.com/store/apps/details?id=com.bendroidappsn.nadiatulquran

৫. ২৭ ঘন্টায় কুরআন শরীফ শিক্ষা- https://apkpure.com/learn-bangla-quran-in-27-hours/com.moinul.app

আমিন।
Collected & u can Share..

► Subscribe Our Channel: http://bit.ly/PanvisionTVএসো কুরআন শিখি।কুরআন শেখার সহজ উপায় | Quran Shekhar Sahoj Upai | EP 1 | পর্ব-১ Lecturer: Mawlana Muhammad J...

02/04/2022

🌙 Ramadan Mubarak 🌙

Autophagy
মুসলিমরা রোজা রাখলে তাকে বলা হয় ‘সিয়াম’।
হিন্দু বা বৌদ্ধরা না খেয়ে থাকলে তাকে বলা হয় ‘ উপবাস ’ ।
খ্রিস্টানরা না খেয়ে থাকলে তাকে বলা হয় ‘’ফাস্টিং’ ।বিপ্লবীরা না খেয়ে থাকলে তাকে বলা হয় ‘’অনশন’ ।আর, মেডিক্যাল সাইন্সে উপবাস করলে তাকে বলা হয় অটোফেজি’ ।
খুব বেশি দিন হয়নি, মেডিক্যাল সাইন্স ‘ অটোফেজি’র সাথে পরিচিত হয়েছে ।
২০১৬ সালে নোবেল কমিটি জাপানের ডাক্তার
‘ ওশিনরি ওসুমি ’-কে অটোফেজি আবিষ্কারের জন্যে পুরষ্কার দেন ।
এরপর থেকে আধুনিক মানুষেরা ব্যাপকভাবে উপবাস করতে শুরু করেন।

যাই হোক , ‘ Autophagy ‘ কি.?

Autophagy শব্দটি একটি গ্রিক শব্দ ।
Auto অর্থ নিজে নিজে, এবং Phagy অর্থ খাওয়া ।
সুতরাং , অটোফেজি মানে
নিজে নিজেকে খাওয়া ।
না, মেডিক্যাল সাইন্স নিজের মাংস নিজে খেতে বলে না ।
শরীরের কোষগুলো বাইরে থেকে
কোনো খাবার না পেয়ে নিজেই যখন নিজের অসুস্থ কোষগুলো খেতে শুরু করে ,
তখন মেডিক্যাল সাইন্সের ভাষায় তাকেই অটোফেজি বলা হয় ।
আরেকটু সহজভাবে বলি ?

আমাদের ঘরে যেমন ডাস্টবিন থাকে ,
অথবা আমাদের কম্পিউটারে যেমন রিসাইকেল বিন থাকে, তেমনি আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষের মাঝেও একটি করে ডাস্টবিন আছে ।
সারা বছর শরীরের কোষগুলো
খুব ব্যস্ত থাকার কারণে, ডাস্টবিন পরিষ্কার করার সময় পায় না। ফলে, কোষগুলোতে অনেক আবর্জনা ও ময়লা জমে যায় ।
শরীরের কোষগুলো যদি নিয়মিত
তাদের ডাস্টবিন পরিষ্কার করতে না পারে ,
তাহলে কোষগুলো একসময় নিষ্ক্রিয় হয়ে শরীরে বিভিন্ন প্রকারের রোগের উৎপন্ন করে । ক্যান্সার বা ডায়াবেটিসের মতন অনেক বড় বড় রোগের
শুরু হয় এখান থেকেই। মানুষ যখন খালি পেটে থাকে, তখন শরীরের কোষগুলো অনেকটা বেকার হয়ে পড়ে। কিন্তু তারা তো আর আমাদের মত অলস হয়ে বসে থাকে না ,
তাই প্রতিটি কোষ তার ভিতরের আবর্জনা ও ময়লাগুলো পরিষ্কার করতে শুরু করে দেয় ।
কোষগুলোর আমাদের মতন আবর্জনা ফেলার জায়গা নেই বলে তারা নিজের আবর্জনা
নিজেই খেয়ে ফেলে।মেডিক্যাল সাইন্সে এই পদ্ধতিকে বলা হয় অটোফেজি ।
শুধুমাত্র এই জিনিসটা আবিষ্কার
করেই জাপানের ওশিনরি ওসুমি (Yoshinori Ohsumi) ২০১৬ সালে নোবেল পুরস্কারটা নিয়ে গেলেন । তিনি আবিষ্কার করেন যে ১২-২৪ ঘন্টা রোজা রাখলে মানুষের দেহে অটোফেযি চালু হয়। তিনি প্রমান করেন যে, রোজা রাখার মাধ্যমে মানুষের নিম্ন লিখিত উপকার গুলো হয়-

১| দেহের সেল পরিস্কার হয়।
২| ক্যান্সার সেল ধ্বংস হয়।
৩| পাকস্থলীর প্রদাহ সেরে যায়।
৪| ব্রেইনের কার্যকরীতা বাড়ে।
৫| শরীর নিজে নিজেই সেরে যায় (Autophazy)
৬| ডায়াবেটিস ভালো হয়।
৭| বার্ধক্য রোধ করা যায়।
৮| স্থূলতা দূর হয়।
৯| দীর্ঘ জীবন লাভ করা যায়।

আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে রমজান মাসে সবগুলো রোজা রাখার তৌফিক দান করুক,আমিন।

Collected.

07/01/2022

সারা বিশ্ব এখন সার্স কভ-২ (SARS COV-2) এর ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট এর প্রকোপে এতোটাই আক্রান্ত যে, একে "সুনামী" আখ্যা দেওয়া হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) মতে, ওমিক্রন ভ্যারিয়ান্টের নিজস্ব কিছু বৈশিষ্ট্য আছে। আক্রান্ত ব্যক্তি কিছু উপসর্গ থেকে প্রাথমিক ধারণা পেতে পারেন এবং বুঝতে পারেন ওমিক্রন আক্রান্ত হয়েছেন কিনা।

কিভাবে বুঝবেন আপনিও ওমিক্রনে আক্রান্ত কি না?
উপসর্গগুলো হলো-

* অল্প জ্বর

* গলায় খুসখুসে ভাব/sore throat

* হঠাৎ গলার স্বর/voice বদলে যাওয়া

* গলা ব্যথা

* ভীষণ ক্লান্তিভাব

* অবসাদ

* শুকনো কাশি

* মাথায় যন্ত্রণা

* শরীর ব্যথা

* রাতে শরীর ঘামা/sweating

বিঃদ্রঃ ওমিক্রন আক্রান্তদের স্বাদ এবং গন্ধের অনুভূতির কোনো বদল হওয়ার মতো উপসর্গ ব্যাপকহারে দেখা যায় না।

06/01/2022

আপনি যার কাছে চিকিৎসা নিচ্ছেন, সে কি আদৌ ডাক্তার.?৷ একটু পড়ে জেনে নিন।⤵️

এম.বি.বি.এস এবং বি.ডি.এস ডিগ্রিধারী ছাড়া কেউ নামের আগে ডাঃ ব্যবহার করতে পারবে না।

হোমিওপ্যাথি - না
আয়ুর্বেদ - না
ফিজিওথেরাপিস্ট - না
নিউট্রিশনিস্ট - না
স্যাকমো - না
মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট -না

MBBS পাশের পর বলা হয় ডাক্তার।
BDS পাশের পর বলা হয় ডেন্টিস্ট।

বুদ্ধিমান হলে, প্রতারণা করা এবং প্রতারিত হওয়া - দুটো থেকেই বিরত থাকুন।

29/11/2021

👉👉👉আপনি জানেন কি?

💫১. দুনিয়াতে আবিষ্কৃত রোগের সংখ্যা প্রায় ত্রিশ হাজার (30,000) ।

💫২. আংশিক বা সম্পূর্ণ চিকিৎসা আবিষ্কৃত হয়েছে মাত্র দশ হাজারের (10,000) । তার মানে পৃথিবীর জানা রোগের দুই তৃতীয়াংশ রোগের চিকিৎসাই মানুষের অজানা।।।

💫৩. প্রতি মাসে গড়ে আবিষ্কার হয় প্রায় ২২টা রোগ। আগে ইনফেকশন বেশি আবিষ্কার হতো, এখন বেশি হচ্ছে নন ইনফেকশাস ডিজেজ। অনেকের ধারনা করোনা ভাইরাস মনে হয় নতুন। আসলে এটা আবিষ্কার হয়েছে ১৯৬৫ সালে।।

💫৪. সমাজ সভ্যতা আধুনিক হচ্ছে, বিজ্ঞান আগাচ্ছে, সাথে সাথে রোগ তত #পাজি হচ্ছে।।। সাথে যোগ হচ্ছে এন্টিবায়োটিক এর অকার্যকরতা।।

💫৫. আমরা অনেকেই রোগ এবং সিন্ড্রোম এর পার্থক্য বুঝি না।। শারীরিক কোনো malfunction এর ফলে যে অসুবিধা হয়, তাই Disease বা রোগ।। আর সিন্ড্রোম হলো- শরীরের যে কোনো একটা Factor এর সমস্যার জন্য যদি একাধিক Symptom Manifestation হয়, সেটা হলো সিন্ড্রোম। sickness হলো personal feeling অফ ভালো না লাগা, সেটা রোগ বা নিরোগ শরীরেও হতে পারে।।

💫৬. ভুল চিকিৎসার চেয়ে অজানা চিকিৎসার জন্য বেশী ভয়ে আছে চিকিৎসক সমাজ।। তাইতো মেডিকেল সাইন্সে কমনতম শব্দ হলো Idiopathic...

💫৭. Leprosy বা কুষ্ঠ রোগকে পৃথিবীর সবচেয়ে পুরানো রোগ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।।

💫৮. বিরল রোগ হলো তা যা প্রতি দুই লাখ বা তারচেয়েও বেশি মানুষের মধ্যে একজন রোগী পাওয়া যায়।। পৃথিবীতে বিরল রোগের সংখ্যা প্রায় ৭ হাজার।

💫৯. রোগে মৃত্যু কারন হিসেবে এক নাম্বারে আছে হার্ট এটাক, দুই নাম্বারে স্ট্রোক। হার্ট এটাকে প্রতি বছর সারা দুনিয়ায় প্রায় ১ কোটি এবং স্ট্রোকে ৫০ লাখ মানুষ মারা যায়।।

💫১০. Small Pox ১৯৭৬ সালে নির্মুল হয়ে যায়।। পক্স এর নামের আগে Small আসার কারন, হলো Syphillis কে Secondary Stage এর Rash কে বলা হতো Great Pox.. কিন্তু পরে জানা গেলো সিফিলিস Virus নয়, এটা ব্যাক্টেরিয়া দিয়ে হয় এবং এটা একটা পচা টাইপের STD.. তখনই এই রোগ নিয়ে ঠেলাঠেলি শুরু হয়।। ইংরেজরা সিফিলিসকে বলতো এটা ‘French disease’..ফ্রেঞ্চরা বলতো এটা ‘Spanish disease..জার্মানরা বলতো ‘French evil’, রাশিয়ানরা বলতো এটা ‘Polish disease’.. পোলিশরা বলতো- এটা‘Turkish disease’, তুর্কিরা বলতো এটা ‘Christian disease’ and জাপানিরা বলতো এটা ‘Chinese pox.’

💫১১. পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা গেছে ম্যালেরিয়া রোগে।। গত ৫ হাজার বছরে শুধু ম্যালেরিয়াতেই মারা গেছে প্রায় ৫০০ কোটি মানুষ।। দ্বিতীয় অবস্থাতে Tuberculosis.. যার দ্বারা মৃতের সংখ্যা প্রায় ১০০ কোটি। তৃতীয় স্মল পক্স - যার দ্বারা মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ৫০ কোটি।। চতুর্থ অবস্থানে প্লেগ, যার ২৪ কোটি মানুষ মারা গিয়েছে।। এর পরের অবস্থান ইনফ্লুয়েঞ্জা, এইডস ও কলেরার।।

Copied.

20/08/2021

COPIED....
But u must read it...

:

আমাদের বাচ্চাদের ব্রেইনের ৯৫% গঠন হয় প্রথম ৫ বছরে। বাকি ৫% গঠন হয় পরের ৩ বছরে। তাই প্রথম ৮ বছর আপনার সন্তানের জন্য - সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এর ভিতর ৫ বছর বেশী গুরুত্বপূর্ণ!

ফলে এই সময়ে সবচেয়ে careful থাকা উচিৎ! এই গঠন বলতে বুঝায় - ব্রেইনের connection তৈরী হওয়া।

যার যত connection তৈরী হবে, সে তত ব্রিলিয়ান্ট হবে!

এই connection তৈরীতে রঙিন খেলনা, পুষ্টিকর খাবার, বাচ্চার সাথে খেলা করা, গল্প বলা - এমনই অনেক কিছু নির্ভরশীল!

কিন্তু আমাদের দেশে - বাচ্চা কথা বলা শেখার আগেই - সবাই লাঠি নিয়ে বসে - ঠিকমত পড়ালেখা শিখছে তো?

#খাবারঃ

একসময় এদেশে মায়েদের বাচ্চার খাবারই ছিল - বার্লি আর সাগু!

তখন বার্লি Face বলে, একটা অপুষ্টির লক্ষ্মণ দেখা যেত। বাচ্চা হতো মোটাতাজা, মা মনে করতো - বেশ ভাল স্বাস্থ্য হয়েছে!

আজ সেই জায়গাটা নিয়েছে, সুজি! সুজি হয় চালের গুড়া, নাহলে গমের।

আবার এর সাথে কোন না কোন দুধ মিশ্রিত করে, সাথে থাকে চিনি। অথচ এর সবগুলোই অপুষ্টির জন্য যথেষ্ট।

কারণ গরীব হলে, গরুর দুধ মিশ্রিত করে - আর টাকা থাকলে infant formula. অথচ দুটোই বাচ্চার জন্য ক্ষতিকারক!

Infant formula'তে কোন কিছু মিশানো নিষেধ। আবার কোন চিকিৎসক লিখে দিলে - শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

আমরা জানি সবসময়ই সুষম খাবার প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে খিচুড়ি হলো, বাচ্চার সুষম খাবার।

অথচ মা'দের বুঝানো কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাথে যোগ হয়েছে - দাদা/দাদি, নানা/নানি।

মুরুব্বিদের ধারণা - তারাও তো বাচ্চা মানুষ করেছে, কখনো তো সমস্যা হয় নাই!

এর উত্তরে অনেক সময় বলি, দেশ যে ব্রিলিয়ান্ট জনসংখ্যার সংকটে ভুগছে, তা আপনাদের দান!

জাপানে প্রাইমারি স্কুলে কোন পরীক্ষা নেয় না! ওরা এই early childhood development এর উপর গুরুত্ব দিয়ে থাকে।

আর তাই সেরা ব্রিলিয়ান্ট ঐদেশে তৈরী হয়। আমাদের মত লাঠি হাতে নিয়ে শিক্ষা দেয় না।

#কেন_খিচুড়ি_সেরা?

আমরা সবাই বা অনেকেই জানি essential amino acid বলে, একটা শব্দ আছে। যা শরীর তৈরী করতে পারে না। ফলে বাহিরের খাবার খেয়ে সেই অভাব পূরণ করতে হয়।

একমাত্র খিচুড়িতেই সবগুলো পাওয়া সম্ভব (চালে আটটি আর বাকিগুলো ডালে থাকে)। ফলে চাল-ডাল একসাথে থাকলেই শুধু সবগুলো essential amino acid পাওয়া সম্ভব!

এছাড়াও ডিমে এইসবগুলো essential amino acid থাকে।

#ফলে_বাচ্চার_খাবার_হওয়া_উচিৎঃ

১) মায়ের বুকের দুধ ২ বছর পর্যন্ত, এর বাহিরে আর কোন দুধ নয়।

২) খিচুড়ি (চাল+ডাল+সয়াবিন/অলিভ ওয়েল+সবজি)

৩) ডিম

৪) মা যখন যা খাবেন - সেখান থেকে মাছ/মাংস/সবজি বাচ্চাকে দিবেন। (ফ্রেশ হতে হবে)

৫) সারাদিনে একবার ফল খাবে। #আঙ্গুর বাদে। বাচ্চা সকাল/দুপুর/রাত, প্রচুর ফল খায় - এটাও ভাল লক্ষণ নয়। কারণ পেট ভরা থাকায়, অন্য প্রয়োজনীয় খাবার খাবে না।

তাই সবাই Early Childhood Development এর উপর সময় দিন। সঠিক খাবার নিশ্চিত করুন! সুজি/গরু/ছাগলের (২ বছর বয়স পর্যন্ত) দূধ খাওয়ানো বন্ধ করুন।

বি.দ্র. ছাগলের দূধে অতিরিক্ত অসুবিধা, এক ধরনের রক্তশূন্যতা রোগ হয়।

Dr. Mohammad Neamat Hossain Ripon
সহকারী অধ্যাপক (নিওনেটোলজী)

25/07/2021

প্রেগন্যান্সি, ল্যাকটেশন ও কোভিড ভ্যাক্সিন

কোভিডের শুরুতে ফার্টিলিটি সোসাইটিগুলো চিকিৎসা বন্ধ রাখতে বলেছিল এক অজানা আশংকায়। শুধু এন্ডোমেট্রিওসিস, পুওর ওভারিয়ান রিজার্ভ এবং কেমোথেরাপির আগে টিস্যু ফ্রীজিং কেসগুলো করার সুপারিশ ছিল। কারন প্রেগন্যান্সিতে মায়ের উপরে এবং বাচ্চার উপরে কোভিডের প্রভাব ছিল অজানা।

কিন্তু ইংল্যান্ডের একটি বড় সমীক্ষায় দেখা গেল যে রিস্ক ফ্যাক্টর যেমন ডায়াবেটিস, অতিরিক্ত ওজন, উচ্চ রক্তচাপ থাকলে (বিশেষ করে ব্লাক এবং এশিয়ানদের মধ্যে) মায়ের মৃত্যুহার বেশী। যা ননপ্রেগন্যান্টদের জন্যও প্রযোজ্য। প্রিম্যাচিউর ডেলিভারী ছাড়া বাচ্চাদের উপর তেমন কোন প্রভাব নেই। বিশেষ করে জন্মগত ত্রুটির কোন আলামত পাওয়া যায়নি। মায়ের প্রিএকলাম্পসিয়া এবং ইনট্রাইউটেরাইন ফিটাল ডেথ (জরায়ুর ভিতরে বাচ্চার মৃত্যু) এর ঝুঁকিও বেশী থাকে।
সংক্রমনের দীর্ঘসূত্রীতার জন্য এবং অসহনীয় ঝুঁকি নেই বলে পরবর্তীতে আস্তে আস্তে সকল চিকিৎসা শুরু করা হোল।

আমাদের দেশেও আমরা সেরকমই উপলব্ধি করেছি। কিন্তু এবারকার ভ্যারিয়েন্ট আলাদা। মায়ের রিস্ক ফ্যাক্টর থাক বা না থাক অবস্থা জটীল।

তাই প্রতিরোধই একমাত্র উপায়। শুধু নিজে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললেই নিরাপদ থাকা যাচ্ছে না।

অতএব ভ্যাক্সিনেশনের বিকল্প নেই। যত তাড়াতাড়ি মানুষ ভ্যাক্সিনেটেড হবে ততই করোনার বিলুপ্তির সম্ভাবনা বাড়বে।

তখনই এল গর্ভাবস্থায় ভ্যাক্সিনেশন প্রসঙ্গ। গর্ভাবস্থায় ভ্যাক্সিন নেয়া যাবে কি যাবে না?

ফাইজার এবং মডার্নার ভ্যাক্সিন দেবার ব্যাপারে সুপারিশ করেছে সব বড় বড় অর্গানাইজেশনগুলো। এ পর্যন্ত যাদের দেয়া হয়েছে তাদের মধ্যে বাচ্চাদের কোন জন্মগত ত্রুটি পাওয়া যায়নি। আমেরিকাতে এক লক্ষেরও বেশী ভ্যাক্সিনপ্রাপ্ত গর্ভবতী মহিলাদের এবং তাদের বাচ্চাদের মধ্যে কোন সমস্যা পাওয়া যায়নি।

অক্সফোর্ড এস্ট্রাজেনেকার ব্যাপারে বলা হয়েছে যারা কোভিড ইনফেকশনের জন্য উচ্চ ঝুঁকিতে আছে তারা নিতে পারবে। যেমন স্বাস্থ্য সেবার সাথে জড়িত সবাই।
তাহলে ব্যাপারটা দাড়াল যে প্রয়োজনে নিতে পারবে। অলটারনেট ব্যবস্থা না থাকলে নিতে হবে। অশনাক্ত গর্ভাবস্থায় এই টীকা দিয়েও কোন অসুবিধা পাওয়া যায়নি। তার মানে গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে দিলেও অসুবিধা হয় না।

সিনোভ্যাক নেয়া যাবে।

এক ডোজ নেবার পরে প্রেগন্যান্সি হলে যথা সময়ে পরবর্তী ডোজ নিতে হবে।

প্রেগন্যান্সির যে কোন সময়ে নেয়া যাবে তবে ১৪ সপ্তাহ থেকে ৩৩ সপ্তাহ পর্যন্ত সুপারিশ করেছে কেউ কেউ। অন্তত: প্রথম ১২ সপ্তাহ পর্যন্ত না দিতে পারলে ভাল। যদিও যারা ফার্স্ট ট্রাইমেস্টারে (১২ সপ্তাহ) নিয়েছে তাদের মধ্যেও কোন সমস্যা পাওয়া যায়নি।

ভ্যাক্সিনপ্রাপ্ত মহিলাদের ভূমিষ্ঠ হওয়া বাচ্চার শরীরেও উল্লেখযোগ্য এন্টিবডি পাওয়া গেছে। যেটা খুবই ইতিবাচক দিক।

তবে আমাদের বর্তমান উচ্চ সংক্রমন অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে এই সময়ে কিছু কিছু ক্ষেত্রে বাচ্চা না নিতে পারলেই বেশী ভাল বা ভ্যাক্সিনের ডোজ কমপ্লিট করে নিলে ভাল। তাই একটু বেশী সতর্কতার জন্য নিম্নোক্ত সাজেশনগুলো অনুসরন করা যেতে পারে।

১। যাদের দু'টো সন্তান আছে, কি ছেলে কি মেয়ে তারা একটি কার্যকরী জন্মনিয়ন্ত্রনের ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।

২। যাদের বয়স ৩০ এর নীচে তাদের প্রথম হোক বা দ্বিতীয় বাচ্চা হোক, হয় আরও কিছুদিন জন্মনিয়ন্ত্রনের ব্যবস্থা নিন অথবা দুই ডোজ ভ্যাক্সিন শেষ করে বাচ্চা নিন।

৩। ইনফার্টাইল পেশেন্ট যাদের বাচ্চা না হবার কারন পিসিও এবং বয়স ৩০ এর নীচে তারা নিশ্চিন্তে এই কোভিড সময় শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারেন। এই সময়ে ও সি পি খেলে জন্ম নিয়ন্ত্রনও হবে, পিসিও এর সমস্যারও কিছু সমাধান হবে। যদি অপেক্ষা না করতে চান, বাচ্চা নেবার আগে ভ্যাক্সিন নিয়ে নিন।

উপসংহারঃ
১। দু'টোর বেশী বাচ্চা নয় কি কোভিডকাল কি স্বাভাবিককাল।

২। আগে ভ্যাক্সিন নিন, পরে বাচ্চা নিন।

৩। যদি আগে বাচ্চা এসেই যায়, নিঃসঙ্কোচে ভ্যাক্সিন নিন।

৪। প্রেগন্যান্সির যে কোন সময় নেয়া যাবে। তবে প্রথম ১২ সপ্তাহে না নেয়াই ভাল।

৫। ব্রেস্টফীডিং এর সময়ও নেয়া যাবে।

বিস্তারিত ব্যাখ্যার পরে গর্ভধারিনীর সিদ্বান্তকেই চূড়ান্ত বলে গন্য হবে।

দ্রষ্টব্যঃ অচিরেই ও জি এস বি এর সুপারিশসহ গর্ভাবস্থায় ভ্যাক্সিনেশনের গাইডলাইন আসছে।

COPIED...

09/07/2021

দীর্ঘ দিন কিটো ডায়েট করলেঃ

১. সামগ্রিক মৃত্যুর ঝুঁকি ৩২% বেশি
২. হৃদরোগে আক্রান্ত হবার ঝুঁকি ৫১% বেশি
৩. স্ট্রোকে আক্রান্ত হবার ঝুঁকি ৫০% বেশি
৪. ক্যান্সারে আক্রান্ত হবার ঝুঁকি ৩৫% বেশি

( ইউরোপীয়ান সোসাইটি অফ কার্ডিওলজি এর জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণার ফলাফল।)

03/07/2021

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে কোভিডের তিনটি নতুন লক্ষণ:

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট দিয়ে যাদের কোভিড হচ্ছে তাদের ভেতর তিনটি নতুন লক্ষণ দেখা দিচ্ছে। এগুলো হল:

(১) ঠান্ডা সর্দি
(২) মাথা ব্যাথা এবং
(৩) গলা ব্যাথা বা সোর থ্রোট

এর সাথে হাল্কা জ্বরও থাকতে পারে।

যুক্তরাজ্যে এখন কারও ভেতর এই তিনটি লক্ষণ দেখা দিলেই তাদেরকে কোভিড টেস্ট করতে বলা হচ্ছে। সম্প্রতি কিংস কলেজ লন্ডন পরিচালিত জো সিম্পটম স্টাডি নামের অ্যাপস ভিত্তিক একটি গবেষণায় বেশীরভাগ কোভিড রোগীদের ভেতরে এই নতুন লক্ষণগুলে পরিলক্ষিত হয়েছে।

পূর্বে কোভিডের প্রধাণ লক্ষণগুলো ছিল:

(১) উচ্চ তাপমাত্রার জ্বর
(২) ক্রমাগত শুস্ক কাশি
(৩) স্বাদ এবং ঘ্রাণশক্তির পরিবর্তন।

বাংলাদেশে এখন যেহেতু ৮০ শতাংশের উপরে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট দিয়ে কোভিড হচ্ছে তাই যাদের ভেতর উপরের তিনটি নতুন লক্ষণ দেখা দিবে তাদেরই কোভিড টেস্ট করানো উচিত। এতে করে দ্রুত রোগ শনাক্ত করা যাবে। আর এর ফলে ত্বরিত আইসোলেশন এবং চিকিৎসার মাধ্যমে দেশে করোনার বিস্তার এবং এর থেকে মৃত্যু, দুটোই কমানো যাবে।

Copied.

17/05/2021

আজ ১৭ মে, বিশ্ব উচ্চ রক্ত চাপ দিবস।

সাইলেন্ট কিলার ডিজেজের লিস্টে এক নাম্বারে হাইপারটেনশন। তারপরে আছে ডায়াবেটিস, ক্রনিক কিডনি ডিজেজ, অকাল্ট ক্যান্সার।

আসুন এবার জেনে নেই HYPERTENSION সম্পর্কে কিছু মজার কথা।

👉১। এই রোগের সম্পর্কে এতো বেশি রিসার্চ হয়েছে, তবুও ৯০% কারন অজানা এই রোগের কারনের। যাকে প্রাইমারী হাইপারটেনশন বলে। বাংলাদেশে প্রাপ্ত বয়স্ক প্রতি ৪ জনের মধ্যে ১ জনের হাইপারটেনশন আছে। Ice Berg এর মত, বেশির রোগী জানেন না, এটা তিনি বহন করছেন।

👉২। আমেরিকার প্রায় সাড়ে সাত কোটি মানুষের ; যা জনসংখ্যার ৩৩% মানুষের উচ্চ রক্তচাপ আছে। আসল কথা হলো- তার ৫৩% রোগীর আনকন্ট্রোলড হাইপারটেনশন।

👉৩। ব্লাড প্রেশারের সাথে ডায়েবেটিস এর একটা মিল হলো- দুজনেরই ৩টা অরগান ড্যামেজ করার টেন্ডেন্সি খুব বেশি। তা হলো- রেটিনা, কিডনি আর নার্ভাস সিস্টেম।

👉৪। হাইপারটেনশনের চিকিৎসা ফরমুলা- ABCD ( বয়স 50এর কম হইলে – AB, বয়স বেশি হইলে –CD ) , এখানে এবি মানে- এঞ্জিওটেন্সিনরিসিপ্টর ব্লকার, বিটা ব্লকার ; সিডি মানে- ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার, ডাইউরেটিক্স। তবে ডেভিডসন আংকেল এর নতুন এডিশনে বিটা ব্লকারকে বাদ দিয়েছে।।

👉৫। মানসিক চাপে প্রেশার বাড়ে, কিন্তু উচ্চ রক্ত চাপে আরো বেশি মানসিক চাপ বাড়ে। :p কমার উপায় নাই।।

👉৬। কিডনি রোগে কিছু না থাকলেও উচ্চ রক্ত চাপ হবেই। আবার উচ্চ রক্তচাপে কিডনি রোগ হয় অনায়াশে। তাই প্রেশার নিয়ন্ত্রনের বিকল্প নাই।

👉৭। পৃথিবীতে Non communicable disease এ মানুষ মরার ১ নম্বর কারন হলো এই উচ্চ রক্তচাপ অথবা তার কপ্লিকেশন । 💫

👉৮। মজার কথা হলো- এই রোগ ধরা পড়ার জন্য রোগী কখনো ডাক্তারের কাছে যায় না। অন্য রোগের জন্য যায়। কিন্তু ধরা পড়ার পর সাড়া বছর এইটার জন্যই দৌড়ানো লাগে। 🥴🥴

👉৯। সবার জানা দরকার- প্রেশার কম থাকা কোনো রোগ নয়, যদি তা সব সময়ই কম থাকে। যদি কোনো হরমোনাল বা সিস্টেমিক ডিজেজ না থাকে।

👉১০। ঘাড়ে ব্যাথা করা মানেই প্রেশারের সমস্যা , এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ ভুল ধারনা। বরং মাথা ব্যাথা,মাথা ঝিন ঝিন করা হাইপারটেনশনের প্রধান কমপ্লেইন। আর কমপ্লিকেশনের জন্য তো স্পেসিফিক সমস্যা আছেই।

Wish you all a disease free healthy life.

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 10:00 - 22:00
Tuesday 10:00 - 22:00
Wednesday 10:00 - 22:00
Thursday 10:00 - 22:00
Friday 17:00 - 22:00
Saturday 10:00 - 22:00
Sunday 10:00 - 22:00

Telephone

+8801715132400

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Abul Hasnat posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Abul Hasnat:

Share

Category