Dr.Hafizur Rahman

Dr.Hafizur Rahman কিডনি রোগ ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
সহকারী অধ্যাপক
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ, বরিশাল

হাম একটি ভাইরাস জনিত রোগ। এর নির্দিষ্ট কোন প্রতিষেধক (antiviral) নাই, সবচেয়ে ভালো ব্যবস্থা নিয়মিত টীকা গ্রহণের মাধ্যমে হ...
01/04/2026

হাম একটি ভাইরাস জনিত রোগ। এর নির্দিষ্ট কোন প্রতিষেধক (antiviral) নাই, সবচেয়ে ভালো ব্যবস্থা নিয়মিত টীকা গ্রহণের মাধ্যমে হাম প্রতিরোধ। যেহেতু বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে শিশুরা হামে আক্রান্ত বেশি হচ্ছে, তাই হামের টীকা সংক্রান্ত কিছু সাধারণ জিজ্ঞাসা ও উত্তর।

প্রশ্ন:বাংলাদেশে হামের কয় ধরণের টীকা পাওয়া যায়?
উত্তর: দুই ধরণের টীকা পাওয়া যায় (MR সরকারীভাবে ও MMR বেসরকারীভাবে)।
প্রশ্ন: শিশুদেরকে হামের টীকা সাধারণত কয় ডোজ ও কত বয়সে দেওয়া হয়?
উত্তর: সরকারী ভাবে ই.পি.আই সিডিউল অনুযায়ী দুই ডোজ টীকা দেওয়া হয়। প্রথম ডোজ ৯ মাস বয়সে এবং দ্বিতীয় ডোজ ১৫ মাস বয়সে।
প্রশ্ন: হাম প্রতিরোধে এই টীকার কার্যকারিতা কত?
উত্তর: নিয়মিত ২ ডোজ টীকা নিলে, হাম রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে টীকা ৯৭-৯৯% কার্যকরী।
প্রশ্ন: ৯ মাস বয়সের আগে শিশুকে হামের টীকা দেওয়া হয় না কেন?
উত্তর: মায়ের শরীর থেকে প্রাপ্ত (প্যাসিভ/পরোক্ষ) অ্যান্টিবডির মাধ্যমে নবজাতকের শরীরে তৈরি হওয়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, শিশুকে সুরক্ষা দিয়ে থাকে।
প্রশ্ন: ৯ মাস বয়সের আগে শিশুকে হামের টীকা দেওয়া যাবে কি?
উত্তর: ক্ষেত্র বিশেষে ৬ মাসের পর হতে হামের টীকা দেওয়া যেতে পারে (যেমন: হামের প্রার্দুভাবের সময়, যখন শিশুদের ভ্যাকসিন ক্যাম্পেইনের সময়)। তবে সেক্ষেত্রে অবশ্যই পরবর্তীতে ৯ মাস এবং ১৫ মাসে বয়সে যথারীতি ২ ডোজ টীকা দিতে হবে।
প্রশ্ন: যদি কেউ ই.পি.আই সিডিউল অনুযায়ী টীকা না দিয়ে থাকেন, তবে করণীয় কি?
উত্তর: সর্ম্পূণ ২ ডোজ টীকা দিতে হবে। তবে এক্ষেত্রে প্রথম ডোজের ন্যূনতম ১ মাস পরে দ্বিতীয় ডোজ দিতে হবে।
প্রশ্ন: আমার শিশুর বয়স ৩ বছর কিন্তু তাকে হামের টীকা দেওয়া হয়নি, সেক্ষেত্রে করণীয় কি?
উত্তর: সর্ম্পূণ ২ ডোজ টীকা দিতে হবে। তবে এক্ষেত্রে প্রথম ডোজের ন্যূনতম ১ মাস পরে দ্বিতীয় ডোজ দিতে হবে।
প্রশ্ন: আমার শিশুর বয়স ২ বছর কিন্তু তাকে হামের ১ম ডোজ টীকা দেওয়ার পর দ্বিতীয় ২য় ডোজ টীকা দেওয়া হয়নি, সেক্ষেত্রে করণীয় কি?
উত্তর: যত দ্রুত সম্ভব ২য় ডোজ টীকা দিতে হবে।
প্রশ্ন: হামের ২ ডোজ টীকা দেওয়ার পর, বুস্টার ডোজ টীকা দেওয়ার প্রয়োজন আছে কি?
উত্তর: সর্ম্পূণ ২ ডোজ হামের টীকা দেওয়া থাকলে, বুস্টার ডোজ দেওয়ার দরকার নেই।
প্রশ্ন: কিশোর-কিশোরি অথবা বড়রা কি হামের টীকা নিতে পারবেন?
উত্তর: নিতে পারবেন, যদি ইতিপূর্বে হামের কোন টীকা গ্রহণ না করে থাকেন এবং Measles Serology test Negative হয়।
প্রশ্ন: কোন কোন ক্ষেত্রে হামের টীকা দেওয়া যাবে না ?
উত্তর: Severe Immunocompromised patient, pregnant woman
প্রশ্ন: হামের টীকা দেওয়ার পরেও কি হাম হতে পারে?
উত্তর: ২ ডোজ হামের টীকা নেওয়ার পরে, হাম হওয়ার সম্ভাবনা খুবই খুবই কম বা অতি দূলর্ভ, তবে যদি হয়েও থাকে তবে সেটি খুব স্বল্প মাত্রায় হয়।
প্রশ্ন: ভিটামিন-এ ক্যাপসুল কি হামের চিকিৎসা?
উত্তর: হাম হলে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল দিতে হবে। WHO এর নিয়ম অনুযায়ী হামের রোগীকে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল দিলে রাতকানা রোগ ও শিশু সংক্রামক ব্যাধির কারনে মৃত্যু হার অনেক কমে আসে।
প্রশ্ন: হামের রোগির সংস্পশে আসলে post-exposure prophylaxis ভূমিকা আছে কি?
উত্তর: কিছু কিছু ক্ষেত্রে হামের রোগির সংস্পশে (প্রথম বার) আসলে post-exposure prophylaxis (৬ দিনের মধ্যে) দিতে হয় এবং MMR Vaccine ও Immunoglobin ব্যবহার করা হয়।
প্রশ্ন: কোন কোন ক্ষেত্রে post-exposure prophylaxis দিতে হয়?
উত্তর:
# Severe Immunocompromised ক্ষেত্রে Immunoglobin দিতে হবে
# বয়স: জন্ম থেকে ৫ মাস পযর্ন্ত Immunoglobin দিতে হবে, যদি মায়ের ২ ডোজ টীকা না দেওয়া না থাকে এবং মায়ের ইতোঃপূর্বে কখনো হাম না হয়ে থাকে, মায়ের measles IgG Negative হয়।
# বয়স: ৬ থেকে ১৮ মাস (ইতোঃপূর্বে হামের কোন টীকা দেওয়া হয়নি)- MMR Vaccine (৭২ ঘণ্টার মধ্যে) অথবা Immunoglobin (৭২ ঘণ্টা থেকে ৬ দিনের মধ্যে)
# গর্ভবতী মহিলা (ইতোঃপূর্বে হামের কোন টীকা দেওয়া হয়নি/হাম হয়নি )- Immunoglobin (৬ দিনের মধ্যে)।

আপনার শিশুকে নিয়মিত টীকা দিন ও যত্ন নিন এবং হামের কোন লক্ষণ দেখা দিলে অতি সত্তর নিকটস্থ হাসপাতাল অথবা শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিবেন।

Ref:
1.EPI_Guide book DGHS
2.World Health Organization (2020). The immunological basis for immunization series: module 7: measles: update 2020
3.Guidance UK Complete routine immunization Schedule 2026
4.Australian immunisation Handbook, 2022

15/02/2026
BRA CON 2026International Scientific Conference কিডনি বিষয়ক আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলন
10/01/2026

BRA CON 2026
International Scientific Conference
কিডনি বিষয়ক আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলন

22/11/2025

ভূমিকম্পের সময় কী করা উচিত — সহজ ও গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা নিচে দেওয়া হলো:

🌋 ভূমিকম্পের সময় করণীয়

১) ঘরের ভিতরে থাকলে:

মাথা রক্ষা করুন: টেবিল/ডেস্কের নিচে আশ্রয় নিন — Drop, Cover, Hold পদ্ধতি।

জানালা, কাঁচ, দেয়ালের কোণ, ভারী জিনিস থেকে দূরে থাকুন।

লিফট ব্যবহার করবেন না। সিঁড়িও না নড়াচড়া বন্ধ হওয়া পর্যন্ত।

গ্যাস/চুলা জ্বললে তৎক্ষণাৎ বন্ধ করুন (যদি নিরাপদ হয়)।

বাচ্চা, বৃদ্ধ ও দুর্বল মানুষকে আগলে রাখুন।

---

২) বাইরে থাকলে:

খোলা জায়গায় যান।

বিল্ডিং, বৈদ্যুতিক খুঁটি, ওভারব্রিজ, গাছপালা থেকে দূরে থাকুন।

রাস্তা দিয়ে হাঁটলে থেমে যান—দৌড়াবেন না।

---

৩) যানবাহনে থাকলে:

নিরাপদ জায়গায় গাড়ি থামান।

ব্রিজ, উড়ালপুল, টানেল, সেতুর নিচে থামবেন না।

ঝাঁকুনি থামা পর্যন্ত গাড়ির ভিতরে থাকুন।

---

৪) ভূমিকম্প থেমে গেলে:

নিরাপদ পথে ভবন থেকে বের হন, কিন্তু ভিড় বা দৌড়াদৌড়ি করবেন না।

গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি লাইন চেক করুন।

আফটারশক আসতে পারে — সতর্ক থাকুন।

আহতদের সাহায্য করুন তবে বড় ইনজুরি হলে দ্রুত হাসপাতালে পাঠান।

---

৫) জরুরি ব্যাগ/প্রস্তুতি (আগে থেকে):

পানির বোতল

শুকনা খাবার

ফার্স্ট এইড

টর্চ

পাওয়ার ব্যাংক

প্রয়োজনীয় ওষুধ

গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রের কপি

---

ডা:মু:হাফীজুর রহমান
সহকারী অধ্যাপক
মেডিসিন ও কিডনি বিশেষজ্ঞ
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ, বরিশাল

আজ বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস
14/11/2025

আজ বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস

07/06/2025
ঈদের ছুটির আমেজে এই জৈষ্ঠ মাসে আম সবাই কমবেশি খেয়ে থাকি।তবে পরিমিত খেতে হবে।বেশি খেলে কিছু স্বাস্থ্য সমস্যা ও দেখা দিতে ...
04/06/2025

ঈদের ছুটির আমেজে এই জৈষ্ঠ মাসে আম সবাই কমবেশি খেয়ে থাকি।তবে পরিমিত খেতে হবে।বেশি খেলে কিছু স্বাস্থ্য সমস্যা ও দেখা দিতে পারে।

আম পুষ্টিকর এবং সুস্বাদু একটি ফল, তবে পরিমিতভাবে খাওয়াই ভালো। বিশেষ করে যারা ডায়াবেটিসে ভুগছেন বা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান, তাদের জন্য সচেতন থাকা জরুরি। এছাড়া চেষ্টা করুন অপ্রাকৃতিকভাবে পাকানো আম এড়িয়ে চলতে।

✅ আমের উপকারিতা:

1. পুষ্টিগুণে ভরপুর:
আমে ভিটামিন A, C, E, ও B6, ফলিক অ্যাসিড, পটাশিয়াম, ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা শরীরের জন্য খুবই উপকারী।

2. চোখের জন্য ভালো:
ভিটামিন A থাকায় চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে এবং রাতকানা প্রতিরোধ করে।

3. ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী:
আমে থাকা ভিটামিন C ত্বক উজ্জ্বল করে এবং কোলাজেন উৎপাদনে সাহায্য করে, যা ত্বক ও চুল ভালো রাখে।

4. হজম শক্তি বাড়ায়:
আমে থাকা এনজাইম হজমে সাহায্য করে। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়ক।

5. ইমিউন সিস্টেম উন্নত করে:
ভিটামিন C ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকার কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

6. ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক:
আমে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যেমন বিটা-ক্যারোটিন ক্যান্সারের কোষ গঠনে বাধা দেয়।

❌ আমের অপকারিতা:

1. চিনি ও ক্যালরি বেশি:
বেশি আম খেলে ওজন বাড়তে পারে, বিশেষ করে যাদের ডায়াবেটিস আছে তাদের জন্য এটি ক্ষতিকর হতে পারে।

2. রক্তে চিনির মাত্রা বাড়াতে পারে:
পাকা আমে প্রাকৃতিক চিনি থাকে, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে।

3. অ্যালার্জি হতে পারে:
কারও কারও ক্ষেত্রে আম খেলে ত্বকে চুলকানি বা অ্যালার্জি হতে পারে।

4. কৃত্রিমভাবে পাকানো আম ক্ষতিকর:
ক্যালসিয়াম কারবাইড দিয়ে পাকানো আমে বিষাক্ত রাসায়নিক থাকতে পারে, যা স্বাস্থ্যহানিকর।

5. গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটি বাড়াতে পারে:
অতিরিক্ত আম খেলে গ্যাস বা পেটের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

ডা:মু:হাফীজুর রহমান
সহকারী অধ্যাপক
মেডিসিন ও কিডনি বিশেষজ্ঞ
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ, বরিশাল

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Hafizur Rahman posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr.Hafizur Rahman:

Shortcuts

Share

Category