হৃদরোগ ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ-“ডা মো মাছুম আবিদ “

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • হৃদরোগ ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ-“ডা মো মাছুম আবিদ “

হৃদরোগ ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ-“ডা মো মাছুম আবিদ “ Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from হৃদরোগ ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ-“ডা মো মাছুম আবিদ “, Cardiologist, Dhaka.

MBBS(KMC),BCS(Health)
D-Card(Cardiology)PG Hospital
FCPS(Cardiology)C
MRCP(UK)PI
MACP(USA)
Member,American College of Cardiology
Clinical & International Cardiologist

Warmed wellcome to my newest followers! Excited to have you onboard! Barek Moral, Mohammad Arif Sarder, Mohammad Rafik A...
12/09/2026

Warmed wellcome to my newest followers! Excited to have you onboard! Barek Moral, Mohammad Arif Sarder, Mohammad Rafik Aziz, Md Rabin, Jamal Hossain HP, Mahbub A Josim, Sharif Md Kabir Hossen, Abdullah Al Mamun, Nil Maya, CM Rana Miah, Jesmin Mina, Md Jane Alam, Rabeya Popy, Md. Shahadat Hossain Shohag, Anamul Haque Akash, Ismat Mow, Amjad Hossain, Md Hridoy, Priyanka Mondal, Raj Putro, Easmin Eissa, Nujairah Binte Nuhaima, Imran Hossain, Rizbi Sorder, Samiya Afrin Samuu, Sharmin Sultana, Yeasin Bepary, Arifur Rahman, Md.Mahamudur Rahman, Safikul Islam Prodan, Engr Jahangir Alam

আগে কি সুন্দর 🥰 দিন কাটাইতাম!যখন আমরা ছোট ছিলাম ।❤️Sharmin Sultana amader jonno khabar ready korchilo.. আহা কি শান্তি ছি...
02/09/2026

আগে কি সুন্দর 🥰 দিন কাটাইতাম!
যখন আমরা ছোট ছিলাম ।❤️
Sharmin Sultana amader jonno khabar ready korchilo..
আহা কি শান্তি ছিলো!

02/09/2026

কিভাবে রক্তচাপ মাপা উচিত ?
কোন হাতে রক্ত চাপ মাপা উচিত ?

রক্তচাপের মাপ ঠিক পেতে হলে কী ভাবে হাত রাখবেন তা গুরুত্বপূর্ণ। যেমন:

* রক্তচাপ মাপার সময়ে হাত যদি টেবিলের উপর রাখেন, তা হলে রক্তচাপ বেশি আসবে। আর তা যদি পাশে ঝুলিয়ে রাখেন তা হলে কম আসবে।
* রক্তচাপ মাপার সময় যদি শুয়ে থাকেন তা হলে আপনার রক্তচাপ বেশি দেখাতে পারে। আর দাঁড়িয়ে থাকলে পায়ের দিকে রক্তের গতি বেড়ে যায়। ফলে শরীরের উপরের ভাগে রক্তচাপ কমে যেতে পারে।

*দুই হাতের রক্তচাপ একই সময়ে মাপা উচিত। দুই হাত থেকে রক্তচাপ মাপলে আলাদা আলাদা সংখ্যা দেখাতে পারে। কারও কারও ক্ষেত্রে বাঁ হাত থেকে রক্তচাপ মাপা হলে রক্তচাপ তুলনায় বেশি আসে। তবে উভয় হাতের রক্তচাপের পার্থক্য (সিস্টোলিক বা ডায়াস্টলিক) সামান্য কিংবা পাঁচের কম হলে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। সচরাচর কম বয়সীদের চেয়ে বেশি বয়সিদের মধ্যে এমন পার্থক্যের রেঞ্জ দেখা যায়। কারণ বয়স বাড়লে রক্তে কলেস্টেরলের পরিমাণ বেড়ে রক্তনালিতে কলেস্টেরল ক্লগ তৈরি হয়ে রক্তনালির প্রবাহে বাঁধা সৃষ্টি করে।

এজন্য রক্তচাপ মাপার সময়ে কয়েকটি নিয়ম মনে রাখতে হবে:
যেমন-সোজা হয়ে বসে, কনুই হৃদযন্ত্রের উচ্চতায় রেখে, ডান হাত থেকে রক্তচাপ মাপা উচিত। তা হলেই সঠিক মাপ পাওয়া যাবে।

আসুন সচেতন হই । হৃদরোগের ঝুঁকি কমাই ।
c

ডা মো মাছুম আবিদ
এম. বি.বি.এস(কেএমসি),বি.সি.এস(স্বাস্থ্য)
ডি -কার্ড (কার্ডিওলজী),এমএসিপি (আমেরিকা)
এফসিপিএস (কার্ডিওলজি)থিসিস
হৃদ রোগ ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, ঢাকা ।

আজকে বিকাল ৩.৩০ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৬.৩০ মিনিট পর্যন্ত রোগী দেখবো রূপগঞ্জ এর হাবিব নগর (কাঞ্চন ব্রিজ সংলগ্ন) Purbachal Me...
30/08/2026

আজকে বিকাল ৩.৩০ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৬.৩০ মিনিট পর্যন্ত রোগী দেখবো রূপগঞ্জ এর হাবিব নগর (কাঞ্চন ব্রিজ সংলগ্ন)
Purbachal MediLife Specialized Hospital Ltd.

ইনশাআল্লাহ ।

27/08/2026

আমার প্রিয় জন্মস্থান রূপগঞ্জ এর উপর ডকুমেন্টারী

27/08/2026

মেয়ের জন্য টাইমলাইন এ রেখে দিলাম

ওষুধ ছাড়াই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার কিছু উপায়:প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৭ জন মানুষ উচ্চ রক্তচাপজনিত কারণে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট...
24/08/2026

ওষুধ ছাড়াই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার কিছু উপায়:

প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৭ জন মানুষ উচ্চ রক্তচাপজনিত কারণে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোক করার ঝুঁকিতে থাকেন। এই উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে ভালো উপায় হলো জীবনযাত্রা বা লাইফস্টাইল পরিবর্তন করা। নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ বা ওষুধ গ্রহণই এর একমাত্র চিকিৎসা নয়। ওষুধ গ্রহণের পাশাপাশি নিচের বিষয়গুলো অনেক গুরুত্বের সঙ্গে বিচার করা হয়। আসুন দেখে নেয়া যাক ওষুধ ছাড়াই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার কিছু উপায়। যেমন :

* ড্যাশ ( DASH) ডায়েট চার্ট মেনে চলুন:

স্বাস্থ্যসম্মত খাবার তালিকা DASH ( Dilatory approach to stop hypertension) চার্ট) মেনে চললে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। শস্য জাতীয় খাবার, ফল, শাক সবজি, কম চর্বিযুক্ত দুগ্ধজাত খাবার, লো স্যাচুরেটেড ফ্যাট বা কোলেস্টেরল সমৃদ্ধ খাবার উচ্চ রক্তচাপকে ১১ মি.মি./মার্কারি পর্যন্ত কমাতে পারে।

*রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট এড়িয়ে চলুন:

ময়দা, চিনি, সাদা ভাত, কেক, প্যাটি, বার্গার, সাদা পাঁউরুটির মতো খাবার খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করুন।

*খাবারে লবন কম খান:

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে প্রত্যেক দিন ৫ গ্রাম বা ১ চা চামচ আয়োডিনযুক্ত লবণ খেতে পারবে (সারা দিনের সব খাবার মিলিয়)।একজন প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তি প্রতিদিন সর্বোচ্চ নির্ধারিত মাত্রার কমে লবন খেলে রক্তচাপ প্রায় ৫ থেকে ৬ mm Hg কমে যেতে পারে। ।

*পটাসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার খান:

পটাসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার, যেমন কলা খেলে বাড়তি লবণ খাওয়ার প্রবণতা কমে যায়। কলা খেলে শরীরে প্রয়োজনীয় পটাসিয়ামের অভাব পূরণ হয় এবং শরীরে ফ্লুইডের সমতা রক্ষা হয়, ফলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।

*টক দই খান :
আমেরিকার ইউনিভাসিির্ট অব মিনোসোটার গবেষকদের মতে প্রতিদিন মাত্র এক কাপ করে টক দই খেলে উচ্চ রক্ত চাপ প্রায় এক তৃতীয়াংশ কমে যায় এবং স্বাভাবিক হয়ে আসে। গবেষকদের মতে দই খেলে রক্ত চাপ ও রক্তের খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে।

*অ্যালকোহল গ্রহণ বন্ধ করুন:

গবেষণা বলছে অ্যালকোহল প্রায় ১৬ শতাংশ রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে।

*ক্যাফেইন গ্রহণ কমিয়ে দিন:

যারা খুব কমই ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় বা কফি খান, এই ধরনের লোকেরা যদি মাঝে মাঝে ক্যাফিনযুক্ত পানীয় পান করেন, তাহলে তাদের রক্তচাপ ১০ মিমি এইচজি বেড়ে যেতে পারে।

*ওজন নিয়ন্ত্রণ করুন:

ওজন নিয়ন্ত্রণ করে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে ফেলা যায়। প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষদের জন্য কোমরের মাপ যদি ৪০ ইঞ্চির বেশি হয় এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে যদি কোমরের মাপ ৩৫ ইঞ্চির বেশি হয় তবে তারা উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকিতে আছে বলে ধরা হয়।

*প্রতিদিন ব্যায়াম করুন:

প্রতিদিন ব্যায়াম করলে রক্তচাপ কমতে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতি সপ্তাহে প্রায় ১৫০ মিনিট বা প্রতিদিন প্রায় ৩০ মিনিটের ব্যায়াম করলে রক্তচাপ হ্রাস পায়। এতে রক্তচাপ প্রায় ৫ থেকে ৮ মিমি এইচজি কমানো যায়।

*অতিরিক্ত পরিশ্রম পরিহার করুন :

ইউনিভাসিির্ট অব ক্যালিফোনির্য়ার একটি গবেষণা অনুযায়ী প্রতি সপ্তাহে ৪০ ঘণ্টার বেশি অফিসের কাজ করলে হাইপারটেনশনের সম্ভাবনা ১৪% বেড়ে যায়।

*ঘুমের ব্যাঘাত যাতে না ঘটে সেদিকে খেয়াল রাখুন:

সুস্থ থাকতে হলে নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমাতে হবে। কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রতি রাতে ৬ ঘন্টার কম ঘুমালে উচ্চ রক্তচাপ দেখা দিতে পারে।

*টেনশন ফ্রি থাকার চেষ্টা করুন:

হাই ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণের জন্য সব ধরনের দুশ্চিন্তা থেকে দূরে থাকতে হবে। দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপের ফলে উচ্চ রক্তচাপ দেখা দিতে পারে। অতিরিক্ত কাজের প্রেশার, আর্থিক অবস্থার অবনতি, পারিবারিক কলহ বা অসুস্থতা ইত্যাদি উচ্চ রক্তচাপের কারণ হতে পারে।

আসুন সচেতন হই । হৃদয় রোগের ঝুঁকি কমাই ।

ধন্যবাদান্তে-
ডা মো মাছুম আবিদ
হৃদরোগ ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ
জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল,ঢাকা ।

Address

Dhaka

Telephone

+8801861415005

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when হৃদরোগ ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ-“ডা মো মাছুম আবিদ “ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to হৃদরোগ ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ-“ডা মো মাছুম আবিদ “:

Shortcuts

Share

Category