Dr. Ayenun Akter Luna

Dr. Ayenun Akter Luna Gynae

04/08/2026
02/08/2026
31/07/2026

বয়স ৪৫ থেকে ৬৫ বছরের মধ্যবর্তী সময়টিকে নারীদের জীবনে 'মিডল এজ' (Middle Age) বা মধ্যবয়স বলা হয়, যার একটি বড় অংশে মেনোপজ বা ঋতুবন্ধের প্রক্রিয়াটি ঘটে। এই সময়ে অনেক নারী শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক নানা পরিবর্তনের মুখোমুখি হন, যা কখনো কখনো তাদের জীবনকে বেশ কঠিন ও কষ্টদায়ক করে তোলে।
🔸​এই বয়সে নারীদের জীবন কেন কঠিন বা চ্যালেঞ্জিং হয়ে ওঠে, তার প্রধান কারণগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:
🔹​১. হরমোনের পরিবর্তন ও শারীরিক জটিলতা
​মেনোপজ (Menopause): সাধারণত এই বয়সেই নারীদের মাসিক চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে শরীরে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোনের মাত্রা হঠাৎ করে অনেক কমে যায়।
🔸​শারীরিক উপসর্গ: হরমোনের তারতম্যের কারণে হট ফ্ল্যাশ (হঠাৎ শরীর গরম হয়ে যাওয়া), অতিরিক্ত ঘাম হওয়া, অনিদ্রা বা ঘুম কমে যাওয়া, হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি পাওয়া এবং শরীর ব্যথা বা জয়েন্টে ব্যথার মতো সমস্যা দেখা দেয়।
🔹​দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যঝুঁকি: ইস্ট্রোজেন কমে যাওয়ার কারণে হাড়ের ঘনত্ব দ্রুত কমতে থাকে, ফলে অস্টিওপোরোসিস (হাড় ক্ষয়) ও হৃদরোগের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।
💢​২. মানসিক ও মনস্তাত্ত্বিক চাপ
​মেজাজ পরিবর্তন (Mood Swings): হরমোনের পরিবর্তনের সরাসরি প্রভাব পড়ে মস্তিষ্কের নিউরোট্রান্সমিটারের ওপর। এর ফলে বিনা কারণে খিটখিটে মেজাজ, উদ্বেগ (Anxiety), এবং বিষণ্ণতা বা ডিপ্রেশন তৈরি হতে পারে।
🔹​পরিচয় সংকট (Identity Crisis): এ সময় সন্তানরা বড় হয়ে নিজেদের মতো চলতে শুরু করে বা পড়াশোনা/চাকরির সুবাদে দূরে চলে যায়। ফলে মায়েরা হঠাৎ করে নিজেদের জীবনে এক ধরণের শূন্যতা অনুভব করেন (যাকে 'এমনি নেস্ট সিন্ড্রোম' বলা হয়)। দীর্ঘ দিন ধরে যে মায়েদের পুরো পৃথিবী জুড়ে থাকে সন্তান ও সংসার, তারা নিজেদের অস্তিত্ব বা গুরুত্ব নিয়ে নতুন করে ভাবতে গিয়ে মানসিক কষ্টে পড়েন।
💢​৩. বার্ধক্যের মুখোমুখি হওয়ার ভয়
​শারীরিক রূপান্তর: বয়সের ছাপ, চুল পেকে যাওয়া, ত্বকে বলিরেখা পড়া এবং শারীরিক অবয়ব পরিবর্তনের বিষয়টি অনেক নারী সহজে মেনে নিতে পারেন না। সমাজ ও সংস্কৃতির নানা দৃষ্টিভঙ্গির কারণে বার্ধক্যকে অনেকে নেতিবাচকভাবে দেখেন, যা মানসিক আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয়।
💢​৪. পারিবারিক ও সামাজিক দ্বৈত দায়িত্ব (Sandwich Generation)
​এই বয়সের নারীরা সাধারণত 'স্যান্ডউইচ জেনারেশন'-এর অন্তর্ভুক্ত হন। এক দিকে তাদের বৃদ্ধ বাবা-মা বা শ্বশুর-শাশুড়ির অসুস্থতা ও যত্ন নেওয়ার দায়িত্ব থাকে, অন্যদিকে তরুণ বা কিশোর সন্তান ও স্বামী-সংসার সামলানোর চাপ থাকে।
🔸​কর্মজীবী নারীদের ক্ষেত্রে অফিসে কাজের চাপ এবং পারিবারিক দায়িত্বের এই দ্বৈত যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে তারা প্রচণ্ড মানসিক ও শারীরিক অবসাদে (Burnout) ভোগেন।
💢​৫. অবহেলা ও সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি
​আমাদের দক্ষিণ এশীয় সমাজে এই বয়সের নারীদের অনেক সময় তাদের নিজেদের স্বাস্থ্যগত সমস্যার কথা প্রকাশ করতে দেওয়া হয় না বা তাদের কষ্টগুলোকে "বয়সের দোষ" বা "স্বভাব" বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়।
🔸​তাদের শারীরিক ও মানসিক যন্ত্রণার কথা পরিবার ও সমাজের কাছে প্রায়শই গুরুত্বহীন বা উপেক্ষিত থেকে যায়, যা তাদের আরও বেশি একা করে তোলে।
🔴​করণীয়: এই সময়টি কঠিন হলেও এটি মোকাবিলা করা সম্ভব। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, সুষম খাবার খাওয়া, হালকা ব্যায়াম বা হাঁটা, এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। সবচেয়ে বড় কথা, পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের উচিত এই বয়সের নারীদের মানসিক অবস্থা অনুধাবন করা এবং তাদের প্রতি সহমর্মী হওয়া।
#স্বাস্থ্যসচেতনতা #স্বাস্থ্য_সচেতনতা

পুষ্টিকর খাদ্য
25/07/2026

পুষ্টিকর খাদ্য

15/09/2025

সংগৃহীত কিনতু জানানো প্রয়োজন।কয়েকদিন আগে প্রেগন্যান্ট মহিলা এসেছিল এই বিড়ালের কামড় নিয়ে।

সংগৃহীত পোষট
সাম্প্রতিক ইমারজেন্সি রুমে ডিউটি চলাকালীন রেজিস্ট্রারে দেখলাম ১২ ঘণ্টায় ৬৫ জন Rabies Vaccine নিয়েছেন। এটা শুধুমাত্র একটি হাসপাতালের গত বার ঘণ্টার চিত্র।

এদের মধ্যে মাত্র একজন ছিল ইঁদুরের কামড়, একজন ছিল কুকুরের কামড়। আর বাকি সবাইকে হয় বিড়াল আচড় দিয়েছে না হয় কামড় মেরেছে।

এভাবে চলতে থাকলে কতৃপক্ষের এর পক্ষ থেকে জলাতঙ্কে ভ্যাকসিনের মত একটি অতি প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন সরবরাহ হুমকির মুখে পড়ে যাবে।

রেবিস অর্থাৎ জলাতঙ্ক রোগ এমন একটি রোগ যার mortality 100 percent(মৃত্যুহার ১০০%).. Accidentally কুকুর-বিড়ালের কামড় খাওয়ার জন্য যাদের আসলেই ভ্যাকসিন দরকার ছিল, তারা এ জন্য ভুক্তভোগী হবার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ এই ধরনের ভ্যাকসিন উৎপাদনেরও যথেষ্ট সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

কুকুর-বিড়াল সহ সকল প্রাণীর প্রতি সহানুভূতিশীল হোন। কিন্তু আদিখ্যেতা করা বন্ধ করুন।

Momen Ali khan
বিড়াল পালতে গিয়ে ফ্যান্টাসি ভোগা:

আমাদের অনেকের মাঝে বিড়াল-কেন্দ্রীক কিছু ফ্যান্টাসি কাজ করে। এই যেমন অনেকেই মনে করে বিড়াল পালন করা সুন্নাহ। এটা মারাত্মক ভুল ধারণা। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিড়াল পালন করেছেন বা পালন করতে বলেছেন মর্মে কোনো হাদীস তো দূরের কথা, কোনো আছারও পাওয়া যায় না।

বিড়াল সংক্রান্ত যেসব হাদীস পাওয়া যায় তা হলো, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, জনৈক মহিলাকে একটি বিড়ালের কারণে আজাব দেওয়া হয়। সে বিড়ালটিকে বন্দি করে রাখে, এ অবস্থায় সেটি মারা যায়। সে এটিকে বন্দি করে রেখে পানাহার করায়নি এবং তাকে ছেড়েও দেয়নি, যাতে সে (নিজে) জমিনের পোকা-মাকড় খেতে পারে। (সহীহ বুখারী, ৩৪৮২, ৩৩১৮; সহীহ মুসলিম, ২২৪২)

ফাতহুল বারীর রচয়িতা হাফেজ ইবনু হাজার আসকালানী রহ. এই হাদীসের ব্যাখায় ইমাম কুরতুবী রহ. এর সূত্রে বর্ণনা করেন, বিড়ালকে খানাপিনা দেয়ার ক্ষেত্রে কোনো ত্রুটি করা যাবে না এই শর্তে বিড়াল পালা জায়েয আছে। (ফাতহুল বারী, ৬/৪১২)

কিন্তু এই জায়েয কাজ করতে গিয়ে অনেকেই সময় অপচয়, অর্থ অপচয়, এমনকি ফরজও ত্যাগ করে ফেলেন! ফেসবুকে বিড়াল-কেন্দ্রীক বিভিন্ন গ্রুপ রয়েছে, সেখানে এর উদাহরণ পাবেন প্রচুর! কেউ কেউ বিড়ালের পেছনে মাসে হাজার হাজার টাকা খরচ করে ফেলেন! সারাদিন বিড়াল নিয়ে মাতামাতি, বিড়ালকে সোনা-বাবু নাম দেয়া, ঘরের মহিলা নিজেকে বিড়ালের মা আর পুরুষকে বিড়ালের বাবা বলে পরিচয় দেয়া এগুলো সবই ফ্যান্টাসির অন্তর্ভুক্ত। এমনকি বিড়াল পালন নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে ঝগড়া হয়ে বিচ্ছেদের মতো ঘটনাও দেখেছি। স্ত্রী সারাদিন বিড়াল নিয়ে ব্যস্ত থাকে এবং স্বামীকে সময় না দেয়ায় স্বামী বিড়াল পালতে নিষেধ করলে স্ত্রী ডিভোর্স দিয়ে দেয়।

সুতরাং, কারও যদি বিড়াল পালতে গিয়ে সময় ও অর্থ অপচয় হয়, ফরজ নামাজের কোনো খেয়াল না থাকে, তাহলে তার জন্য বিড়াল পালা জায়েয হবে না।

- তানজিল আরেফিন আদনান (হাফিঃ)

Address

Mirpur 11
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Ayenun Akter Luna posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Ayenun Akter Luna:

Shortcuts

Share