Student Mind Care & Wellbeing Centre

Student Mind Care & Wellbeing Centre Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Student Mind Care & Wellbeing Centre, Mental Health Service, Jashore, Dhaka.

মেন্টর কাউন্সিলর স্টুডেন্ট সাইকোলজি
"আপনার সন্তানের যত্নে, আপনার পাশে"
একটি নিরাপদ ও বিশ্বাসযোগ্য প্ল্যাটফর্ম, যেখানে শিক্ষার্থীদের মানসিক সুস্থতা, পড়াশোনা, প্যারেন্টিং ও জীবনের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ করা হয়
For Appointment
WhatsApp: 01726201298

13/07/2026

Teenage Tantrums | প্রিটিন-টিনএজ ইমোশন

ইমোশন ম্যানেজ করতে না পারা—
এটা খারাপ আচরণ না,
বরং ভেতরের অস্থিরতার প্রকাশ।

ছোট বাচ্চার মতোই
৯–১৯ বছরের বাচ্চারাও
বিভিন্ন ইমোশনের মধ্যে দিয়ে যায়—
রাগ, কষ্ট, হতাশা, বিভ্রান্তি…
কিন্তু পার্থক্য হলো,
তারা সবসময় সেটা ঠিকভাবে প্রকাশ করতে পারে না।

তাই তাদের আচরণকে “অভদ্রতা” না ভেবে
“সংকেত” হিসেবে দেখুন।

কী করতে পারেন?
• ধৈর্য ধরে শুনুন, থামিয়ে দেবেন না
• বিচার না করে বোঝার চেষ্টা করুন
• তাদের অনুভূতিকে ছোট করবেন না
• নিরাপদভাবে কথা বলার সুযোগ দিন

মনে রাখুন—
প্রতিটা tantrum-এর পেছনে
একটা না বলা গল্প থাকে, পরিবারের মানুষের আচরণগত সমস্যা থাকে। বাবা মায়ের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ আপনার সন্তানের হিলিং স্টেজের শুরু টা হোক আপনার হাত থেকে।
আপনি কি এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন?
Tahani Akter Rupa

বাচ্চাদের আচরণ আর মানসিক সুস্থতার সম্পর্ক দুই টাই একই সাথে পারস্পরিক ভাবে জড়িত আপনার সন্তানের মানসিক সুস্থতার যত্ন নিন ত...
08/07/2026

বাচ্চাদের আচরণ আর মানসিক সুস্থতার সম্পর্ক দুই টাই একই সাথে পারস্পরিক ভাবে জড়িত আপনার সন্তানের মানসিক সুস্থতার যত্ন নিন তার অনুভূতি বোঝার চেষ্টা করুন।
অনেক সময় আমরা শুধু বাচ্চাদের আচরণ দেখি, কিন্তু সেই আচরণের পেছনের অনুভূতিগুলো দেখি না।
কেউ খুব রাগ করে, কেউ চুপচাপ হয়ে যায়, কেউ পড়াশোনায় আগ্রহ হারায়, আবার কেউ খুব বেশি জেদী হয়ে ওঠে।
আমরা তখন বলি—
"বাচ্চাটা খুব বদমেজাজি।"
"কথা শোনে না।"
"ইচ্ছে করে এমন করে।"

বাস্তবে অনেক আচরণই কোনো সমস্যা নয়—বরং একটি বার্তা।বাচ্চারা সব সময় ভাষায় নিজের কষ্ট প্রকাশ করতে পারে না। তাই তারা অনেক সময় আচরণের মাধ্যমে জানায় যে তাদের ভেতরে কিছু একটা ঠিক নেই।
যেমন
• হঠাৎ খুব রেগে যাওয়া
• অকারণে কান্না করা
• নিজেকে গুটিয়ে নেওয়া
• বন্ধুদের এড়িয়ে চলা
• পড়াশোনায় মনোযোগ কমে যাওয়া
• অতিরিক্ত ভয় বা উদ্বেগে থাকা

এসব আচরণের পেছনে থাকতে পারে মানসিক চাপ, পারিবারিক অশান্তি, স্কুলের চাপ, বুলিং, অবহেলা, অথবা নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি।

শুধু শাসন করলে সমস্যার সমাধান হয় না।
প্রথমে জানতে হবে—
"তুমি কেমন অনুভব করছ?"

একজন শিশুর মানসিক সুস্থতা তার আত্মবিশ্বাস, শেখার ক্ষমতা, সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং ভবিষ্যতের ব্যক্তিত্বের ভিত্তি তৈরি করে।যে শিশু নিজেকে নিরাপদ, সম্মানিত ও ভালোবাসার যোগ্য মনে করে, সে ধীরে ধীরে মানসিকভাবে শক্তিশালী হয়ে ওঠে।

অভিভাবক, শিক্ষক এবং পরিবারের সদস্যদের একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি
আচরণকে বিচার করার আগে, সেই আচরণের কারণ বোঝার চেষ্টা করুন।
কারণ, প্রতিটি শিশুর খারাপ আচরণের পেছনে একটি না-বলা গল্প থাকতে পারে।
শিশুর মনকে গুরুত্ব দিন। সুস্থ মনই একটি সুন্দর ভবিষ্যতের ভিত্তি।
কাউন্সিলিং নোট:
শিশুর আচরণ পরিবর্তন করতে চাইলে, শুধু তাকে বদলানোর চেষ্টা করবেন না—তার পরিবেশ, অনুভূতি এবং প্রয়োজনগুলোকেও গুরুত্ব দিন।
তাহানী আকতার
মেন্টর কাউন্সিলর স্টুডেন্ট সাইকোলজি বিষয়ক

আপনার সন্তানের মনের যত্নের নিচের টিপস গুলো ফলো করুন। একজন মানসিক ভাবে সুস্থ বাচ্চা আমাদের সম্পদ। তার মনের যত্নে একটুও ছা...
23/06/2026

আপনার সন্তানের মনের যত্নের নিচের টিপস গুলো ফলো করুন। একজন মানসিক ভাবে সুস্থ বাচ্চা আমাদের সম্পদ। তার মনের যত্নে একটুও ছাড় নয়!

18/06/2026

প্রতিটি স্কুলে একটি স্টুডেন্ট কাউন্সেলিং সেন্টার এখন সময়ের দাবি।

প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মানসিক স্বাস্থ্য ও শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশের জন্য একটি স্টুডেন্ট কাউন্সেলিং সেন্টার এবং এ বিষয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত টিচার মেন্টর থাকা উচিত।

কারণ, সব শিক্ষার্থী এক রকম নয়।

কেউ খুব দ্রুত শেখে, কেউ একটু ধীরে।
কেউ পড়াশোনায় ভালো, কিন্তু মানসিক চাপে ভেঙে পড়ে।
কেউ মেধাবী, কিন্তু আত্মবিশ্বাসের অভাবে নিজের সক্ষমতা প্রকাশ করতে পারে না।
কেউ পারিবারিক সমস্যা, উদ্বেগ বা হতাশা নিয়ে প্রতিদিন ক্লাসে আসে, অথচ কেউ তা বুঝতে পারে না।

একটি শ্রেণিকক্ষে একজন শিক্ষককে অনেক শিক্ষার্থীকে একসঙ্গে পড়াতে হয়। তাই প্রত্যেক শিক্ষার্থীর মানসিক অবস্থা, শেখার ধরন বা ব্যক্তিগত চ্যালেঞ্জ আলাদাভাবে বোঝা সব সময় সম্ভব হয় না।

সেখানেই একটি স্কুল কাউন্সেলিং সেন্টার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

একজন প্রশিক্ষিত কাউন্সেলর বা টিচার মেন্টর শিক্ষার্থীদের—

মানসিক চাপ ও হতাশা মোকাবিলায় সাহায্য করতে পারেন।

আত্মবিশ্বাস ও আত্মসম্মান গড়ে তুলতে সহায়তা করতে পারেন।

পড়াশোনায় মনোযোগ ও একাডেমিক ফলাফল উন্নত করতে সহযোগিতা করতে পারেন।

ক্যারিয়ার পরিকল্পনা ও সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার দিকনির্দেশনা দিতে পারেন।

আচরণগত ও আবেগীয় সমস্যাগুলো প্রাথমিক পর্যায়েই শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা করতে পারেন।

একটি ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শুধু ভালো ফলাফল তৈরি করে না; ভালো মানুষও তৈরি করে। আর একজন ভালো মানুষ গড়ে ওঠার জন্য যেমন পাঠ্যবই দরকার, তেমনি দরকার নিরাপদ মানসিক পরিবেশ, সহমর্মিতা এবং সঠিক দিকনির্দেশনা।

শিক্ষার পাশাপাশি মানসিক সুস্থতাকে গুরুত্ব দেওয়া হোক। প্রতিটি স্কুলে স্টুডেন্ট কাউন্সেলিং সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হোক। কারণ, প্রতিটি শিশুই গুরুত্বপূর্ণ—শুধু তাদের প্রয়োজন আলাদা।
Tahani Akter Rupa
teacher mentor counselor
counselling centre

লেখাপড়া বাদে সন্তানের জন্য কিছু ভালো কাজের তালিকা তৈরি করুন। বাবা-মা হিসেবে এটাও আপনার গুরুত্বপূর্ণ অবদান, তাকে একজন ভাল...
08/06/2026

লেখাপড়া বাদে সন্তানের জন্য কিছু ভালো কাজের তালিকা তৈরি করুন। বাবা-মা হিসেবে এটাও আপনার গুরুত্বপূর্ণ অবদান, তাকে একজন ভালো ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য।

প্রতিদিন অন্তত একটি ভালো কাজ করা
বয়োজ্যেষ্ঠদের সম্মান করা এবং তাদের খোঁজ নেওয়া
নিজের কাজ নিজে করার অভ্যাস গড়ে তোলা
গাছ লাগানো ও গাছের যত্ন নেওয়া
অসহায় মানুষদের সাহায্য করা
প্রাণীদের প্রতি সদয় আচরণ করা
বই পড়ার অভ্যাস তৈরি করা
সত্য কথা বলা ও ভুল স্বীকার করতে শেখা
ধন্যবাদ ও দুঃখিত বলতে শেখা
ঘরের ছোটখাটো কাজে বাবা-মাকে সাহায্য করা
বন্ধুদের সঙ্গে সহযোগিতা ও ভাগাভাগি করতে শেখা
সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমে অংশ নেওয়া
নিজের আবেগ ও অন্যের অনুভূতির প্রতি সম্মান দেখানো
সময়ের মূল্য বোঝা ও সময়মতো কাজ করা
পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ রক্ষার অভ্যাস গড়ে তোলা

বি:দ্র:সন্তানের ভালো ফলাফলের চেয়ে ভালো মানুষ হওয়া বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বই তাকে জ্ঞানী করতে পারে, কিন্তু মূল্যবোধ, সহমর্মিতা ও মানবিকতা শেখানোর দায়িত্ব সবচেয়ে বেশি বাবা-মায়ের। ❤️

আজই একটি তালিকা তৈরি করুন—আপনার সন্তান এই সপ্তাহে কোন কোন মানবিক কাজগুলো করবে?
Tahani Akter Rupa
টিচার, মেন্টর কাউন্সিলর স্টুডেন্ট সাইকোলজি

15/05/2026

পুঁথিগত বিদ্যাকেই কেন আমরা মেধাবী বলি??

একটা ভালো স্কুল বা মিডিয়াম স্কুল যায় বলেন না কেন প্রথম সারির ১০ জন বাচ্চার কাছে মাইক দিলে তারা মানুষের সামনে এক লাইন ও কথা বলতে পারেনা🧐 তাহলে এই ভালো স্কুল গুলোতে কি শেখায়???
অথচ এরা প্রত্যেকে প্রতিটা ক্লাসে একশোর মধ্যে ভালো মার্কস পেয়ে নিজেদের মেধাবী ছাত্র-ছাত্রী দাবি করে। এবং টিচারদের কাছেও তাদের সেই গুরুত্ব কারন প্রত্যেকে বোর্ডে জিপিএ ফাইভ পাবে 🥰 কিংবা ভালো স্কুলে তার সংখ্যা আরো বেশি ১০০ জন পরীক্ষা দিলে ১০০ জনই জিপিএ ৫ পায়।কিন্তু এদের মধ্যে ৫ জন ও মাইক ধরে ৫০ জনের মধ্যে কথা বলার মত যোগ্যতা নেই। তাহলে পুঁথিগত বিদ্যা কিভাবে একজন বাচ্চাকে মেধাবী প্রমাণ করে??

আসলে মেধাবী বলতে আমরা ক্লাসের সার্টিফিকেটকে নম্বর কে গুরুত্ব দিয়ে থাকি। একজন মেধাবির বিভিন্ন কোয়ালিটি থাকতে পারে শুধুমাত্র পরীক্ষার খাতায় ভালো করলেই ১০০ তে ১০০ পেলেই মেধাবী বলা যায় না তাকে। একজন বাচ্চা লেখাপড়ায় ভালো হতে পারে, একজন গানে ভালো হতে পারে, একজন ভালো নাচে, একজন অংক ভালো পারে কিন্তু একটু কাঁচা ইংরেজিতে বা একজন বিজ্ঞান ভালো পারে কিন্তু ইতিহাস তার মাথায় ঢোকে না। তাই বলে সে মেধাবী নয় এমনটা বিচার করা উচিত না।সবাই সব বিষয়ে দক্ষ হয় না। কিন্তু ওপরের প্রতিটা বাচ্চাই কিন্তু একেক বিষয়ে মেধাবী। শুধুমাত্র লেখাপড়ার পেছনেই সময় ব্যয় করে সার্টিফিকেটের আশায় অন্য বিষয়ে অদক্ষ হয়ে থাকাটা অবশ্যই মেধাবী বাচ্চার লক্ষণ নয়।

স্কুল ভিত্তিক উদ্যোগটা কতটা জরুরী???

এক্ষেত্রে নামি দামি স্কুল তো আছেই অন্য স্কুলেও উচিত রেজাল্টের দিকে ফোকাস না করে শুধুমাত্র নিজেদের প্রতিষ্ঠানের সুনাম অর্জনের কথা না ভেবে বাচ্চার অন্যান্য দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে তাকে এগিয়ে দেয়ায় প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত। অন্তত ক্লাসের প্রথম সারির বাচ্চারা যাদেরকে আমরা ভবিষ্যতে জাতীয় মেধায় দেখতে চাই তারা নিজের সম্পর্কে বা স্কুল সম্পর্কে দেশ সম্পর্কে পুরা পৃথিবীর সম্পর্কে দু চার লাইন আত্মবিশ্বাসের সাথে ১০০ জন মানুষের সামনে কথা বলতে পারে। আর এটাই প্রকৃত মেধাবী তৈরি করার প্রতিষ্ঠান হওয়া উচিত।

ভালো স্কুল বা যেকোন স্কুলের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র সার্টিফিকেট পাওয়ার লোভে গাদা গাদা বই মুখস্ত করিয়ে মেধাবী ট্যাগ ব্যবহার না। যে বাচ্চার যে বিষয়ে মেধা আছে সেটাকে কাজে লাগিয়ে বা এক্সট্রা কারিকুলাম এর বিভিন্ন বিষয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের দক্ষ হিসেবে গড়ে তোলা।

বি:দ্র: পুঁথিগত বিদ্যা থেকে বের হই, এবং বিভিন্ন বিষয়ে বাচ্চাকে দক্ষ করে তুলি। যার যে বিষয়ে মেধা আছে আগ্রহ আছে সেটাকে কাজে লাগানোর একটা বিশেষ ভূমিকা স্কুল পালন করতে পারে। শুধুমাত্র সার্টিফিকেট অর্জনই যেন মূল লক্ষ্য না হয় 🙏🥰

✍️ তাহানী আকতার
মেন্টর কাউন্সিলর স্টুডেন্ট সাইকোলজি

যেহেতু আমি স্কুলে স্টুডেন্ট সাইকোলজি বিষয়ক কর্মশালা করি বাচ্চাদের যেকোন সমস্যায় তাদের কাছে আমার নম্বর ঠিকানাসহ ডিটেইলস দ...
09/05/2026

যেহেতু আমি স্কুলে স্টুডেন্ট সাইকোলজি বিষয়ক কর্মশালা করি বাচ্চাদের যেকোন সমস্যায় তাদের কাছে আমার নম্বর ঠিকানাসহ ডিটেইলস দেওয়া থাকে। তারা যেন যেন কোনো ভুল ডিসিশন বা হতাশ হয়ে নিজেকে যখন তুচ্ছ মনে করে আমি শুধু মাত্র বলেছি সেই সময় টাতে যেন আমাকে এক বার স্মরণ করে একটি বার যেকোনো সিন্ধান্ত নেওয়ার আগে আমাকে কল করে আমি চেষ্টা করব পাশে থাকার তার হতাশা কাটিয়ে একাডেমিক রেজাল্ট ও সুন্দর জীবন যাপনে ফিরিয়ে আনতে
গতকাল আমার কাছে কোনো এক স্কুলের বাচ্চার ১০ পৃষ্ঠার এক চিঠি এসেছে 🥰 আমি আবার ও রিপিট করছি ১০ পৃষ্ঠার চিঠি আপনি ভাবতে পারেন কতটা জরুরি বাচ্চার মানসিক সুস্থতার। আমি তাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানায় যে সাহস করেছে সাহায্য চাওয়ার এটাই সব চেয়ে বড় বিষয় কাউন্সিলিং বলে এটাই হিলিং এর প্রথম ধাপ
সাহায্য চাইতে পারাটাই আসল সাহস। চিঠির বিস্তারিত বলবো পরে তাকে তার কাউন্সিলিং এর পুরো সেশনসহ ❤️

প্রতিটা স্কুলের বাচ্চাদের সাথে কর্মশালা শেষে প্রশ্ন উত্তর থাকে। কেউ তার নাম প্রকাশ না করে তার মনের কথাটা লিখবে যেখানে তার সাহায্য দরকার যে কথা টি সে কোনো দিন কাউকে বলতে পারি নি সেই কথা টা।
এখানে বাচ্চারা সেভ কারন তাদের সেই গোপন কথা কেউ জানতে পারে না এবং সমাধান পেয়ে তারা নিজের ভেতর থেকেই আনন্দ অনুভব করে। এখানে আমার প্রাপ্তি।
প্রতিটা বাচ্চা আলাদা তাদের বোঝার ধরন আলাদা সন্তানের মানসিক সুস্থতার যত্ন নিন।
Tahani Akter Rupa
টিচার মেন্টর কাউন্সিলর স্টুডেন্ট সাইকোলজি বিষয়ক

04/05/2026

কর্মশালার শেষের দিকে বাচ্চাদের প্রশ্ন উত্তর থাকে। আপনি অভিভাবক হিসেবে মনে করতে পারেন আমার বাচ্চা তো ঠিক আছে আমরা তো আমার বাচ্চার কাছে ভালো বাবা মা কিন্তু যখন আপনি তার নাম প্রকাশ না করে তার মনের কথা লিখতে বলবেন অনেক গুলো বাচ্চার মধ্যে তখন সে নিজেকে সেভ ফিল করে যেহেতু তার নামটি কেউ জানতে পারবে না! তখন দেখতে পারবেন আপনি কেমন প্যারেন্টিং করেছেন বা আপনার নামে অসংখ্য অভিযোগ বাচ্চার কাছে। বাচ্চাদের লেখাপড়া যেন চাপের না হয় লেখাপড়ায় চাপ দেওয়া পারিবারিক এ্যাবিউজিং এর জন্য যেন তার মন থেকে আপনার প্রতি দ্বায়িত্ব ছাড়া আর সব মায়া মমতা উঠে না যায়। আবার এমনও অনেক প্রশ্ন আছে তাদের যেগুলো বাবা মা হিসেবে আপনাকে পড়ে শোনালে মনে করবেন আমার বাচ্চা কে লেখাপড়া করানোর আগে ভালো মানুষ বানায় এমন প্রশ্নবিদ্ধ যা আপনাকে লজ্জিত করবে। আর সব চেয়ে এলার্মিং হচ্ছে আত্মহত্যার মতো ডিসিশন নিতেও তারা ভয় পাচ্ছে না বেঁচে থাকার মতো সুন্দর পৃথিবীতে আর কিছু নেই বাচ্চার বন্ধু হোন আগে বাবা মা পরে হোন।
আমি সব বাচ্চাদের প্রশ্নের উত্তর দিতে পারিনি সময় স্বল্পতার কারনে সবার প্রশ্ন রাখা আছে পরবর্তী সেশনে সল্ভ করবো।
Tahani Akter Rupa
কাউন্সিলর মেন্টর স্টুডেন্ট সাইকোলজি

04/05/2026

আজকেরর স্টুডেন্ট সাইকোলজি বিষয়ক কর্মশালা ছিল যশোর কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজে
সন্তানকে কখনো স্বপ্ন দেখাতে ভুলবেন না।
সবসময় তাকে আকাশ ছোঁয়া স্বপ্ন দেখাতে শেখান—কারণ বড় স্বপ্নই বড় মানুষ তৈরি করে।

✔️ স্বপ্ন দেখালে আত্মবিশ্বাস জন্মায়
✔️ লক্ষ্য থাকলে পথ খুঁজে নেওয়ার সাহস আসে
✔️ ব্যর্থ হলেও আবার উঠে দাঁড়ানোর শক্তি দেয়

তবে মনে রাখবেন—
স্বপ্নের সাথে ভরসা, ভালোবাসা আর বাস্তবতার দিশা দিতে হবে।
বলবেন না, “তুমি পারবে না”—বরং বলুন,
“চেষ্টা করো, আমি তোমার পাশে আছি।”

আজ যে শিশুটি স্বপ্ন দেখছে,
আগামীকাল সেই-ই বদলে দিতে পারে পুরো আকাশ।
তাহানী আকতার
টিচার, মেন্টর কাউন্সিলর স্টুডেন্ট সাইকোলজি বিষয়ক

Address

Jashore
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Student Mind Care & Wellbeing Centre posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Student Mind Care & Wellbeing Centre:

Shortcuts

Share