Cancer Care by Dr.Salam

Cancer Care by Dr.Salam Diagnosis, treatment, counselling

ক্যান্সার মানেই শেষ না-সঠিক চিকিৎসা মানেই নতুন জীবনের শুরু! এখন ক্যান্সার চিকিৎসা আরও উন্নত, আরও নির্ভুল, আরও কার্যকর। Cance Care and Tips রয়েছে আপনার পাশে - প্রিয়জনের জন্য সেরা চিকিৎসা নিশ্চিত করতে।

মায়ের গর্ভ থেকে বের করে অস্ত্রোপচার, আবার ফিরিয়ে দেওয়া হলো গর্ভেই! আল্লাহর রহমতে দুইবার জন্ম নিল ছোট্ট লিনলি ❤️২০১৬ সালে...
11/08/2026

মায়ের গর্ভ থেকে বের করে অস্ত্রোপচার, আবার ফিরিয়ে দেওয়া হলো গর্ভেই!
আল্লাহর রহমতে দুইবার জন্ম নিল ছোট্ট লিনলি ❤️

২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এমনই এক অবিশ্বাস্য ঘটনার জন্ম হয়েছিল।
মার্গারেট বোয়েমার যখন জানতে পারলেন তার গর্ভে সন্তান এসেছে, তখন আনন্দের সঙ্গে শুরু হয়েছিল নতুন স্বপ্ন। কিন্তু গর্ভাবস্থার ১৬ সপ্তাহে আল্ট্রাসাউন্ডে ধরা পড়ে ভয়ংকর এক সমস্যা।
তার অনাগত সন্তান লিনলি হোপ বোয়েমারের শরীরে তৈরি হয়েছিল একটি বিরল টিউমার, যার নাম স্যাক্রোককসিজিয়াল টেরাটোমা (Sacrococcygeal Teratoma)।
টিউমারটি দ্রুত বড় হচ্ছিল। এটি শিশুটির শরীর থেকে প্রচুর রক্ত টেনে নিচ্ছিল এবং ছোট্ট হৃদপিণ্ডকে অসম্ভব চাপের মধ্যে ফেলেছিল। চিকিৎসকেরা বুঝতে পারলেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে শিশুটিকে বাঁচানো কঠিন হয়ে যাবে।
কিন্তু তখন লিনলির বয়স মাত্র ২৩ সপ্তাহ।
এই সময়ে জন্ম নিলে তার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ছিল খুব কম। আবার মায়ের গর্ভে থাকলেও টিউমারটি ধীরে ধীরে তার জীবন কেড়ে নিচ্ছিল।
তখন চিকিৎসকেরা নিলেন এক অসাধারণ সিদ্ধান্ত।
মায়ের জরায়ু অস্ত্রোপচার করে শিশুটিকে আংশিকভাবে বাইরে আনা হলো। তবে লিনলি তখনও মায়ের প্লাসেন্টার সঙ্গে যুক্ত ছিল, তাই সে মায়ের শরীর থেকেই অক্সিজেন ও প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাচ্ছিল।
চিকিৎসকেরা দ্রুত তার শরীরের প্রাণঘাতী টিউমারের বড় অংশ অপসারণ করলেন। এরপর সেই ছোট্ট শিশুটিকে আবার মায়ের গর্ভে ফিরিয়ে দেওয়া হলো।
ভাবুন একবার…
যে শিশুকে পৃথিবীর আলো দেখার আগেই অপারেশন টেবিলে যেতে হয়েছিল, সেই শিশুই আবার মায়ের গর্ভে ফিরে গিয়ে নতুন করে বেড়ে উঠল।
আল্লাহর অশেষ রহমত এবং চিকিৎসকদের দক্ষতায় লিনলি আরও প্রায় ১২ সপ্তাহ মায়ের গর্ভে নিরাপদে বেড়ে ওঠে।
অবশেষে ৩৬ সপ্তাহে তাকে পৃথিবীতে আনা হয়। সেটিই ছিল তার প্রকৃত জন্ম। তাই পরবর্তীতে সে পরিচিত হয় “দুইবার জন্ম নেওয়া শিশু” হিসেবে।
জন্মের পরও তার চিকিৎসা শেষ হয়নি। অবশিষ্ট টিউমার অপসারণের জন্য আবার অস্ত্রোপচার করা হয়। ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ছোট্ট লিনলি ফিরে যায় তার পরিবারের কাছে।
মানুষ চেষ্টা করে, চিকিৎসকরা তাদের জ্ঞান ও পরিশ্রম দিয়ে লড়াই করেন, কিন্তু জীবন দেওয়ার ক্ষমতা একমাত্র মহান আল্লাহর।

একটি ছোট্ট শিশুর এই গল্প আমাদের মনে করিয়ে দেয়, কঠিন সময়েও আশার দরজা বন্ধ হয় না।
“আর যখন আমি অসুস্থ হই, তখন তিনিই আমাকে সুস্থ করেন।”

সূরা আশ-শুআরা (২৬:৮০)
আল্লাহ আমাদের সবাইকে সুস্থতা ও নিরাপদ জীবন দান করুন। 🤲

Dr-Abdur Rahman

🩸 লো ব্লাড সুগার বা হাইপোগ্লাইসেমিয়ালো ব্লাড সুগার, যাকে হাইপোগ্লাইসেমিয়া (Hypoglycemia) বলা হয়, তখন ঘটে যখন রক্তে গ্...
11/08/2026

🩸 লো ব্লাড সুগার বা হাইপোগ্লাইসেমিয়া

লো ব্লাড সুগার, যাকে হাইপোগ্লাইসেমিয়া (Hypoglycemia) বলা হয়, তখন ঘটে যখন রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা ৭০ mg/dL-এর নিচে নেমে যায়।

এটি সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যারা ইনসুলিন বা নির্দিষ্ট কিছু ডায়াবেটিসের ওষুধ গ্রহণ করেন তাদের মধ্যে। তবে খাবার না খেয়ে থাকা, পর্যাপ্ত কার্বোহাইড্রেট না খাওয়া, অতিরিক্ত ব্যায়াম করা কিংবা পর্যাপ্ত খাবার না খেয়ে অ্যালকোহল পান করলেও রক্তে শর্করা কমে যেতে পারে।

কারণ গ্লুকোজ হলো মস্তিষ্কের প্রধান শক্তির উৎস। তাই রক্তে শর্করা সামান্য কমে গেলেও খুব দ্রুত শরীর ও মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যক্রমে প্রভাব পড়তে পারে।

⚠️ প্রাথমিক লক্ষণগুলো

হাইপোগ্লাইসেমিয়ার শুরুতে দেখা দিতে পারে—

- হাত-পা কাঁপা
- অতিরিক্ত ঘাম
- ত্বক ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া
- প্রচণ্ড ক্ষুধা
- মাথাব্যথা
- বমি বমি ভাব
- হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া
- মাথা ঘোরা
- ঠোঁট বা জিহ্বার চারপাশে ঝিনঝিন করা
- খিটখিটে মেজাজ
- অস্থিরতা বা উদ্বেগ
- মনোযোগ দিতে অসুবিধা

এসব লক্ষণ মূলত শরীর থেকে অ্যাড্রেনালিনের মতো স্ট্রেস হরমোন নিঃসরণের কারণে হয়। এই হরমোনগুলো রক্তে শর্করা বাড়ানোর চেষ্টা করে এবং মস্তিষ্কে গ্লুকোজের ঘাটতি শুরু হওয়ার আগেই শরীরকে সতর্ক করে দেয়।

🚨 রক্তে শর্করা আরও কমে গেলে

রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা আরও কমতে থাকলে মস্তিষ্ক স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারে না। তখন হতে পারে—

- বিভ্রান্তি
- কথা জড়িয়ে যাওয়া
- ঝাপসা দেখা
- হাঁটাচলায় সমন্বয়ের সমস্যা
- খিঁচুনি
- অচেতন হয়ে যাওয়া

তীব্র হাইপোগ্লাইসেমিয়া একটি মেডিকেল ইমার্জেন্সি। দ্রুত রক্তে শর্করা স্বাভাবিক করা অত্যন্ত জরুরি, কারণ এতে মস্তিষ্ককে সুরক্ষা দেওয়া যায় এবং জীবন-হুমকির জটিলতা প্রতিরোধ করা সম্ভব।

🌿 সুস্থ পরিপাকতন্ত্র শুধু খাবার হজমেই সাহায্য করে না—এটি আপনার মানসিক ও আবেগগত সুস্থতার জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ! 🌟একট...
11/08/2026

🌿 সুস্থ পরিপাকতন্ত্র শুধু খাবার হজমেই সাহায্য করে না—এটি আপনার মানসিক ও আবেগগত সুস্থতার জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ! 🌟

একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও সুস্থ অন্ত্র ভালো মেজাজ, বেশি শক্তি এবং সামগ্রিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে সাহায্য করে।

আপনি যখন স্বাস্থ্যকর খাবার ও সঠিক যত্নের মাধ্যমে আপনার অন্ত্রের যত্ন নেন, তখন এটি আপনাকে উপহার দিতে পারে—✨
🧠 আরও ভালো মানসিক স্বচ্ছতা
😴 ভালো ঘুম
😊 আরও ভালো মন-মেজাজ
⚡ বেশি প্রাণশক্তি ও কর্মক্ষমতা

তাই আপনার অন্ত্রের যত্ন নিন—আপনার অন্ত্রও আপনার যত্ন নেবে! 🌱💚

জীবন নিয়ে আমাদের অভিযোগের শেষ নেইকখনো কাজ, কখনো মানুষ, কখনো ব্যথা, কখনো নিজেরই মন।মনে হয় সবই যেন কম, সবই যেন ভুল, সবকি...
11/08/2026

জীবন নিয়ে আমাদের অভিযোগের শেষ নেই
কখনো কাজ, কখনো মানুষ, কখনো ব্যথা, কখনো নিজেরই মন।
মনে হয় সবই যেন কম, সবই যেন ভুল, সবকিছুতেই অপূর্ণতা।

অথচ একটু থেমে যদি নিজেকে দেখি…
আল্লাহ আমাদের কত সুন্দর করে সৃষ্টি করেছেন
দুই চোখে দুনিয়া দেখা, দুই পা দিয়ে হাঁটা, দুই হাত দিয়ে ধরা,
মাথায় বুদ্ধি, মনে অনুভূতি, আর বুকের ভেতর স্পন্দিত প্রাণ।

কত মানুষ আছে যারা হাঁটতে পারে না…
যাদের চোখ নেই, কানে শুনতে পারে না,
যারা হাসপাতালের বেডে শ্বাসের জন্য লড়াই করছে।
আর আমরা
সুস্থ শরীর, সচল মন, স্বাভাবিক জীবন পেয়েও অভিযোগই করি!

সত্যি কথা হলো
এর চেয়ে ভালো থাকলে বলতেন কি?
বলতেন
আলহামদুলিল্লাহ!

তাই আজ একটু থামুন…
নিজের দিকে তাকান…
যা আছে তার কদর করুন…
আর অন্তর থেকে বলুন

আলহামদুলিল্লাহ, হে আল্লাহ, তুমি আমাকে যা দিয়েছ, সেটাই আমার জন্য যথেষ্ট।

Dr-Abdur Rahman

11/08/2026
শুরুতেই একটা কথা বলি ভাই - এই লেখাটা পড়ার পর আপনি আর কোনোদিনও গ্যাসের ওষুধের মতো মুড়ি-মুড়কির মতো নাপা খাবেন না। ২ মিনিট ...
10/08/2026

শুরুতেই একটা কথা বলি ভাই - এই লেখাটা পড়ার পর আপনি আর কোনোদিনও গ্যাসের ওষুধের মতো মুড়ি-মুড়কির মতো নাপা খাবেন না। ২ মিনিট সময় দেন, হয়তো আপনার লিভারটা আজকেই বেঁচে যাবে।

গত পরশু রাত ২ টায় আমার এক ছোট ভাই ফোন দিছে, কান্না করতেছে।
বলতেছে, "ভাই, আম্মুরে হাসপাতালে ভর্তি করাইছি। ডাক্তার বলতেছে লিভার ফেইলিওর, ৮০% ড্যামেজ হয়ে গেছে। অথচ আম্মু তো কোনোদিন মদ-সিগারেট ছুঁয়েও দেখে নাই!"

আমি জিজ্ঞেস করলাম, "আন্টি কী কী ওষুধ খাইতো?"
ও বললো, "কোনো ওষুধই তো খাইতো না ভাই। শুধু একটু মাথা ব্যথা, গায়ে ব্যথা হইলেই ২টা নাপা খাইতো। আর গ্যাসের জন্য তো রোজই ওমিপ্রাজল।"

ভাই, এইখানেই গল্পটা শেষ। আন্টি কোনো ভুলই করেন নাই। আমাদের মতোই একটা "ছোট্ট ভুল" করছেন।

আরেকটা কেস শোনেন। আমার বন্ধু সজীব, বয়স ৩২। পুরান ঢাকায় থাকে। বিশাল ভুঁড়ি নাই, মদ খায় না। অফিসের কাজ, সারাদিন চেয়ারে। রাতে বাসায় আইসা রোজ ২ প্লেট ভাত, সাথে গরুর মাংস, খাসির তেহারি। ভাবতো "আমি তো মদ খাই না, আমার লিভার নষ্ট হবে কেন?"

লাস্ট মাসে অফিসে হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে গেল। হাসপাতালে নিয়ে আলট্রা করায় দেখে - গ্রেড ৩ ফ্যাটি লিভার। ডাক্তার বললো, "আর ৬ মাস পরে আসলে লিভার সিরোসিস হয়ে যাইতো। মদ ছাড়াই।"

দুইটা মানুষ, দুইটা জীবন, কিন্তু ভিলেন একটাই। আর এই ভিলেন কোনো শব্দ করে না। চুপচাপ ভিতরে পচায়।

এইটার নাম - নীরব ঘাতক ফ্যাটি লিভার আর ওষুধের বিষ।

ভাই, লিভার কীভাবে নষ্ট হয় জানেন?
আমাদের লিভার হইলো শরীরের ছাঁকনি। ঢাকার ওয়াসার পানির ফিল্টারের মতো। আপনি সারাদিন যা খান, যা ওষুধ খান, সব ফিল্টার করে পরিষ্কার করে এই বেচারা।

সমস্যা হইলো, এই ফিল্টারটা কখনো চিৎকার করে না।

আপনার কিডনিতে পাথর হইলে আপনি ব্যথায় মরে যাবেন। হার্টে ব্লক হইলে বুকে ব্যথা হবে। কিন্তু লিভার ৭০% পঁচে যাওয়ার আগ পর্যন্ত আপনাকে একটা টু শব্দও করবে না। ও নীরবে কাজ করেই যাবে। যেইদিন ৮০% শেষ, ওইদিন হঠাৎ জন্ডিস, পেটে পানি, বমিতে রক্ত। তখন আর ফেরার রাস্তা থাকে না।

তাইলে রোজকার কোন ছোট্ট ভুলগুলা লিভারকে কবর দিচ্ছে?

১. "একটু ব্যথা হইলেই ২টা নাপা" - এই অভ্যাসটা:
ভাই, নাপা/প্যারাসিটামল খারাপ না। কিন্তু ডোজটা হইলো বিষ। আমাদের দেশে মাথা ব্যথা হইলেই আমরা ২টা একসাথে খাই। জ্বর হইলে দিনে ৪-৫ বার। সাথে আবার ঠান্ডার ওষুধ Ace Plus, Tufnil - ওইগুলার ভিতরেও নাপা আছে। মানে আপনি দিনে ৪ গ্রামের বেশি প্যারাসিটামল ঢুকায় দিচ্ছেন। আর এইটা সরাসরি লিভারকে পুড়ায় দেয়। পৃথিবীতে লিভার ফেইলিওরের ১ নাম্বার কারণ এখন অতিরিক্ত প্যারাসিটামল।

২. "আমি তো মদ খাই না, আমার ফ্যাটি লিভার হবে না" - এই ভুল ধারণা:
এইটা ২০২৬ সালের সবচেয়ে বড় মিথ্যা। এখন ১০০ জন ফ্যাটি লিভারের রোগীর ৯০ জনই মদ খায় না। কেন হয়? আপনার ভুঁড়ি, তেল-চর্বি, মিষ্টি, কোমল পানীয়, রাত জেগে ভাত খাওয়া। এইগুলা লিভারে চর্বি হিসেবে জমে। আমরা বলি Non-Alcoholic Fatty Liver. এই চর্বি জমতে জমতে একদিন লিভারটাই পাথর বানায় ফেলে। যেটাকে বলে সিরোসিস।

৩. গ্যাসের ওষুধকে মুড়ি বানানো:
"ভাই, ভাত খাওয়ার আগে একটা সেকলো না খাইলে হজমই হয় না।" - এই ডায়লগটা শোনেন নাই? আমরা বছরের পর বছর কোনো কারণ ছাড়া ওমিপ্রাজল, সেকলো খাইতেছি। এই ওষুধগুলা লম্বা সময় খাইলে লিভারের উপর মারাত্মক চাপ পড়ে, হজমের ন্যাচারাল পাওয়ারটাই নষ্ট হয়ে যায়।

শেষ মুহূর্তে লিভার যে সিগন্যালগুলা দেয়, আমরা গ্যাস ভেবে উড়ায় দেই:

√ সকাল থেকে মুখটা তিতা লাগা, খাওয়ার রুচি একদম নাই হয়ে যাওয়া।
√ অল্পতেই বমি বমি ভাব, পেটের ডান পাশে উপরে ভার ভার লাগা।
√ সারাদিন ঘুম ঘুম লাগা, শরীরে এনার্জি না পাওয়া, অল্প কাজেই হাঁপায় যাওয়া।
√ চোখ বা প্রস্রাব হালকা হলুদ হওয়া, আর কারণ ছাড়াই ওজন কমে যাওয়া।

ভাই, ভয় দেখানোর জন্য বলতেছি না। সুখবর হইলো, লিভার শরীরের একমাত্র অঙ্গ যেটা নিজে নিজে আবার ভালো হয়ে যায়। ৯০% ড্যামেজ থেকেও সে ফিরে আসতে পারে, যদি আপনি আজকেই থামেন।

তাই আজ থেকে ৩টা কাজ পাক্কা করেন:

১. নাপা খাওয়ার নিয়ম বদলান: জ্বর বা ব্যথায় দিনে ৩টার বেশি প্যারাসিটামল (৫০০mg) না। জ্বর ১০০ এর নিচে থাকলে নাপা খাইয়েন না, পানি খান। আর একসাথে ২টা নাপা কখনোই না। যে কোনো ব্যথার ওষুধ খাওয়ার আগে একবার ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করেন।

২. লিভারের ঝাড়ু মারেন: সপ্তাহে ৫ দিন ৩০ মিনিট হাঁটেন। ভাত-রুটি একটু কমায়া শাক-সবজি বাড়ান। কোমল পানীয়, জুস, বাইরের ভাজাপোড়া আর রাত ১১টার পর খাওয়া একদম বাদ। আপনার ভুঁড়িটা ২ ইঞ্চি কমলে লিভারের চর্বি ২০% কমে যাবে।

৩. ৩০ পার হইলে একটা টেস্ট: বছরে একবার শুধু ২টা টেস্ট করেন - SGPT আর আলট্রাসনোগ্রাম (USG of Abdomen)। খরচ ৮০০-১০০০ টাকা। এই একটা রিপোর্টই বলে দিবে আপনার লিভার ভিতরে ভালো আছে নাকি নীরবে পঁচতেছে।

ভাই, আমরা বাইকের ইঞ্জিনে খারাপ তেল পড়লে সাথে সার্ভিসিং করাই। আর আল্লাহর দেওয়া এই ফিল্টারটা, যেটা ছাড়া আপনি ২ দিনও বাঁচবেন না, সেটার খবর নেই না।

এই পোস্টটা টাইমলাইনে শেয়ার দিয়ে রাখেন। আর যেই বন্ধুটা কথায় কথায় নাপা খায়, গ্যাসের ওষুধ খায়, বা ভুঁড়ি নিয়ে হাসাহাসি করে - তারে মেনশন দেন। আপনার একটা মেনশনে যদি একটা মানুষও SGPT টা করায় ফেলে, মনে রাখবেন ভাই, আপনি একটা পরিবারকে এতিম হওয়া থেকে বাঁচায় দিলেন।

সৃষ্টিকর্তা আমাদের সবাইকে সুস্থ রাখুক।


লেখা:-

স্তনে গুটি নেই—তবুও কি স্তন ক্যান্সার হতে পারে?একজন রোগীর ক্ষেত্রে স্তনে কোনো স্পষ্ট গুটি বা টিউমার ছিল না। কিন্তু গলা ও...
10/08/2026

স্তনে গুটি নেই—তবুও কি স্তন ক্যান্সার হতে পারে?
একজন রোগীর ক্ষেত্রে স্তনে কোনো স্পষ্ট গুটি বা টিউমার ছিল না। কিন্তু গলা ও বগলে গুটি ছিল। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল—স্তনের চামড়ায় দেখা দিয়েছিল কমলা লেবুর খোসার মতো পরিবর্তন (Peau d’orange)।
অনেকেই মনে করেন, স্তনে গুটি না থাকলে স্তন ক্যান্সারের আশঙ্কা নেই। কিন্তু বাস্তবে কিছু ক্ষেত্রে গুটি ছাড়াও স্তন ক্যান্সারের লক্ষণ প্রকাশ পেতে পারে।
স্তনের চামড়ায় অস্বাভাবিক মোটা বা কুঁচকে যাওয়া, কমলার খোসার মতো চেহারা, স্তন ফুলে যাওয়া, নিপলের পরিবর্তন কিংবা বগলে অস্বাভাবিক গুটি—এসব লক্ষণকে কখনোই অবহেলা করা উচিত নয়।
🔴 শরীরের ছোট একটি পরিবর্তনও হতে পারে বড় কোনো সমস্যার ইঙ্গিত।
তাই এমন কোনো পরিবর্তন চোখে পড়লে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করান

🩺 একজন ৬৫ বছর বয়সী রোগী ধীরে ধীরে বাড়তে থাকা পেটব্যথা, পেট ফাঁপা/পেটের আকার বৃদ্ধি এবং কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে চিকিৎসকের কা...
10/08/2026

🩺 একজন ৬৫ বছর বয়সী রোগী ধীরে ধীরে বাড়তে থাকা পেটব্যথা, পেট ফাঁপা/পেটের আকার বৃদ্ধি এবং কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে চিকিৎসকের কাছে আসেন।

ইমেজিং পরীক্ষায় কোলনের মধ্যে একটি বৃত্তাকার (annular) ও সংকোচনকারী (constricting) ক্ষত দেখা যায়।

উপরের ছবিতে প্রদর্শিত এই ধরনের বৃদ্ধির ধরন (growth pattern) কোলনের কোন স্থানে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়?

াবে: এটি কোলন ক্যান্সারের এমন একটি “apple-core” বা annular constricting growth-এর কথা বলছে, যা সাধারণত descending colon ও sigmoid colon-এ বেশি দেখা যায়।

🦶 পায়ের গোড়ালিতে ব্যথা কেন হয়? জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ কারণ ও করণীয়সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রথম কয়েক পা ফেলতেই গোড়ালিতে ...
10/08/2026

🦶 পায়ের গোড়ালিতে ব্যথা কেন হয়? জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ কারণ ও করণীয়

সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রথম কয়েক পা ফেলতেই গোড়ালিতে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন? কিছুক্ষণ হাঁটার পর কমে গেলেও আবার দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকলে ব্যথা বাড়ে? এর একটি সাধারণ কারণ হতে পারে প্ল্যান্টার ফ্যাসিয়ার সমস্যা (Plantar Fasciitis)।

🔹 সম্ভাব্য কারণগুলো:
• দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকা বা হাঁটা
• অতিরিক্ত ওজনের কারণে পায়ে বেশি চাপ পড়া
• শক্ত বা অনুপযুক্ত জুতা ব্যবহার
• পায়ের গঠনজনিত সমস্যা বা ফ্ল্যাট ফুট
• হঠাৎ বেশি ব্যায়াম বা দৌড়ানো
• পায়ের নিচের টিস্যুতে অতিরিক্ত টান ও প্রদাহ

🔹 ব্যথা কমাতে কী করতে পারেন?
✅ আরামদায়ক ও ভালো সাপোর্টযুক্ত জুতা পরুন।
✅ নিয়মিত পায়ের পেশি ও গোড়ালির হালকা স্ট্রেচিং করুন।
✅ দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা এড়িয়ে চলুন।
✅ প্রয়োজনে ঠান্ডা সেঁক দিতে পারেন।
✅ ওজন বেশি হলে ধীরে ধীরে স্বাস্থ্যকর উপায়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
✅ ব্যথা থাকা অবস্থায় অতিরিক্ত দৌড়ঝাঁপ বা ভারী ব্যায়াম এড়িয়ে চলুন।

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ: গোড়ালির ব্যথার অনেক কারণ থাকতে পারে। ব্যথা দীর্ঘদিন ধরে থাকলে, হাঁটতে সমস্যা হলে, ফোলা বা অসাড়তা দেখা দিলে কিংবা ব্যথা ক্রমশ বাড়তে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

💬 আপনার কি সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রথম কয়েক পা ফেললে গোড়ালিতে ব্যথা হয়? কমেন্টে জানাতে পারেন।

📌 পোস্টটি সংরক্ষণ করুন এবং যাদের গোড়ালিতে ব্যথা হয় তাদের সঙ্গে শেয়ার করুন।

10/08/2026

Bronchoscopy
To Detect Luminal ( Trachea Bronchial Tree ) Cancer

Address

Rafa Medical Services, 46 Mohakhali, Bottala, Near TB Gate, Behind Insurance Academy
Dhaka
1212

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801715090807

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Cancer Care by Dr.Salam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share