Dr. Sujon Paul

Dr. Sujon Paul Dr. Sujon Paul

২০ সেকেন্ড ধরে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া বলতে আপনি কী বোঝেন?১/ ২০ সেকেন্ড সাবান ঘষা, তারপর পরিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত পানি ব্যবহ...
11/07/2020

২০ সেকেন্ড ধরে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া বলতে আপনি কী বোঝেন?

১/ ২০ সেকেন্ড সাবান ঘষা, তারপর পরিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত পানি ব্যবহার।

২/ যত দ্রুত সম্ভব (১-২ সেকেন্ডে) সাবান ঘষা, তারপর বাকী সময় ধরে পানি ব্যবহার।

৩/ ১০ সেকেন্ড সাবান ঘষা, ১০ সেকেন্ড পানি ব্যবহার।

৪/ ৫ সেকেন্ড সাবান ঘষা, ১৫ সেকেন্ড পানি ব্যবহার।

৫/ ১৫ সেকেন্ড সাবান ঘষা, ৫ সেকেন্ড পানি ব্যবহার।

CORRECT ANSWER:

সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি হল ১ নং। কিন্তু অনেকেই ভাবছেন, ২০ সেকেন্ড ধরে সাবান ঘষার পরে হাত ধুতে তো আরো অনেক সময় লাগবে। তাহলে যে বলে ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধুতে।

এর উত্তর জানতে হলে আমাদের এই পোস্টের সবার প্রথম বাক্যটিতে মনোযোগ দিতে হবে। বাক্যটার গঠনশৈলীর মধ্যেই উত্তর পাওয়া যাবে। এখানে বলা হয়েছে, "২০ সেকেন্ড ধরে সাবান দিয়ে" হাত ধোয়া। অর্থাৎ, ২০ সেকেন্ড সাবান ঘষতে হবে। এর পর আপনার হাত পুরোপুরি পরিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত পানি ব্যবহার করতে হবে।

বিষয়টা অনেকটা বিরাট গরু-ছাগলের হাট আর খাঁটি গরুর দুধ এর মত। গরু-ছাগল বিরাট নাকি হাট বিরাট এই কনফিউশন যেমন আছে, তেমনি গরু খাঁটি নাকি দুধ খাঁটি এই কনফিউশনও আছে। যদিও তামিম ইকবালের বিজ্ঞাপনের পরে আমরা জানতে পারি, গরু খাঁটি হলেই দুধ খাঁটি হবে। তবে গোয়ালা পানি মিশালে দুধ খাঁটি থাকবে না! :)

যাহোক, হাত ধোয়ার ব্যাপারে UNICEF এর সুস্পষ্ট নির্দেশনা আছে তাদের ওয়েবসাইটে।

দ্রুত সাবান ঘষে দ্রুত ধুয়ে ফেললে কোন কাজ হবে না।

১। চলমান পানিতে হাত ভেজান।
২। ভেজা হাতে পর্যাপ্ত সাবান লাগান।
৩। কমপক্ষে ২০ সেকেন্ডের জন্য (পারলে আরো বেশি, কিন্তু ২০ সেকেন্ডের কম না) হাতের পিছনে, আঙ্গুলের মধ্যে এবং নখের নীচে সহ সমস্ত হাতের পৃষ্ঠতলে স্ক্রাব করুন।
৪। চলমান জল দিয়ে ভালভাবে ধুয়ে ফেলুন।
৫। একটি পরিষ্কার কাপড় বা একক ব্যবহারের তোয়ালে দিয়ে হাত মুছে নিন।

৪ নং ধাপে কতক্ষণ হাত ধুতে হবে?
আপনার হাত কমপক্ষে ২০-৩০ সেকেন্ডের জন্য ধোয়া উচিত। এটির সহজ উপায় হল ২ বার শুভ জন্মদিনের গান গাওয়া। অন্য কিছু বলেও এটি মেনে চলতে পারেন।

হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ক্ষেত্রেও একই রকম। একটি স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন যাতে কমপক্ষে ৬০% অ্যালকোহল থাকে এবং সম্পূর্ণ হাত পরিষ্কার নিশ্চিত করার জন্য কমপক্ষে ২০ সেকেন্ডের জন্য আপনার হাতে এটি ঘষুন।

আশা করি, এখন থেকে আর T20 স্টাইলে কেউ হাত ধুবেন না। যারা ১ নং স্টাইলে হাত ধোন, তারা সঠিক। বাকিরা লাইনে আসুন।

আমাদের সবার প্রিয় দেশের অন্যতম সেরা আবৃতিকার Dr. Joydeep Bhaduri স্যারের আবৃত্তি করা ২টি জনপ্রিয় কবিতাঃ১। ইশারা - কবি শ্...
18/04/2020

আমাদের সবার প্রিয় দেশের অন্যতম সেরা আবৃতিকার Dr. Joydeep Bhaduri স্যারের আবৃত্তি করা ২টি জনপ্রিয় কবিতাঃ
১। ইশারা - কবি শ্রীজাত
২। বিদ্রোহী - জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম
স্যার আমাদের 49TH MBBS, RMC এর RAG DAY উপলক্ষ্যে এই কবিতা দুটি আবৃত্তি করেছিলেন।

Ishara by Poet Srijato and Bidrohi by our National Poet Kazi Nazrul Islam. These 2 extremely popular poems were recited by our favorite teacher Dr. Joydeep B...

08/04/2020

এক গ্রামে এক রাতে চোর এল। সবাই সব বাতি নিভিয়ে ঘুমাচ্ছিল। 😴

প্রথমে সেই চোর একটা বাড়িতে চুরি করল। চুরি করে যাবার সময় সে দরজার সাথে ধাক্কা খেল। বাড়ির মালিক সেই শব্দে জেগে উঠলেন আর বুঝতে পারলেন যে তার বাড়িতে এইমাত্র চুরি হয়েছে। 🤔

উনি তখন তার বাড়ির সব আলো জ্বালিয়ে দিলেন। কিন্তু বাইরে গিয়ে চোর ধরার চেষ্টা করলেন না বা অন্যদেরকে সচেতন করলেন না। 😐

চোর বুঝে গেল, এখনো অন্য বাড়িতে চুরি করা সম্ভব। সে একে একে সব বাড়িতে চুরি করল। 😎

আশ্চর্যজনকভাবে সবগুলো বাড়ির মালিকই একই কাজ করল। নিজের বাড়ির আলো জ্বালিয়ে রাখল কিন্তু অন্যদের সচেতন করল না। 😑

পরদিন সকালে দেখা গেল, ঐ গ্রামে কারোর কাছেই আর কোন টাকা পয়সা গয়নাগাটি নাই। 😬

এই গল্পের সাথে মিলে গেছে আমাদের দেশের বর্তমান অবস্থা।

প্রথমে দেখলাম, যে বাড়িতে করোনা রোগী পাওয়া যাচ্ছে, শুধু সেই বাড়ি লকডাউন।

কিছুদিন পর যখন পাশের বাসাতেও মারা গেল, তখন হল ঐ এলাকা লকডাউন।

এভাবে যে এলাকায় রোগী পাওয়া যাচ্ছে, শুধু সেই এলাকা লকডাউন করছে।

তারা ভাবছে, এখন রোগী পাওয়ার মানে হল রোগীটি এইমাত্র আক্রান্ত হল। কিন্তু বাস্তবতা হল, সেই রোগীর দেহে ভাইরাস ঢুকেছে ধরা পড়ার ৩ থেকে ১৪ দিন আগে। এতদিন লক্ষণ ছিল না। তাই সে কিন্তু সেই ৩ থেকে ১৪ দিন সারা দেশ ঘুরে বেড়িয়েছে।

কেন রে ভাই? তুমি তো জানো যে আমাদের দেশের মানুষ এরকম। তারপরেও কেন এই একটু একটু করে লকডাউন করো? একবারে লকডাউন তো একসময় না দিয়ে পারবেনা, দিয়েও কাজ হবে না তখন। তাহলে আগে থেকেই সারা দেশে লকডাউন কেন দিচ্ছো না? নিদেনপক্ষে ঢাকায় তো দিতে পারো।

রোগ হবার পরে কাজ করা মানে হল তুমি ভাইরাসের চেয়ে ১৪ দিন পিছিয়ে আছো।

এভাবে যদি ১৪ দিন পরে কাজ করো, তবে একদিন দেখবে, দেশে আর কোন মানুষই করোনাহীন নাই। সবার দেহেই করোনা।

সবাই ভাবছে, এই ভাইরাস তাও ভালো যে ১০০% মানুষকে মেরে ফেলতে পারে না। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভাল হলে বেঁচে ফেরা সম্ভব।

কিন্তু আসল ব্যাপার হল, ভাইরাস তো আর আমাদের দেশের লোকজনের মত আরাম করে বসে নাই। সে তো জেনেটিক মিউটেশন করে প্রতিনিয়ত তার পরিবর্তন ঘটিয়ে ফেলছে।

আজ তার চেহারা যেমন দেখছি, ঔষধ বানানোর কাজ শুরু করছি, ঔষধ বানানো শেষ হলে দেখব সে আর আগের মত নাই। তখন আর ঐ ঔষধে সে মরছে না। তখন কী হবে?

এটা তো এমনও না যে একবার যার হবে তার আর পরবর্তীতে হবে না। বরং যাদের পরেরবার হচ্ছে, তাদের মৃত্যুহার আরো বেশি।

আমাদের কি আসলেই বাঁচার কোন উপায় আছে? আমি তো দেখি না।

ভবিষ্যৎ আমরা দেখতে পারি না। দেখলে কত ভালো হত।

আমার মনে হয়, মানবসভ্যতার ভবিষ্যৎ আর বেশিদিন নাই। যদি থাকত, তবে আমাদের যে বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি, আগামী কয়েক শতাব্দীর মধ্যে টাইম মেশিন বানানো হয়ে যেত। তখন ভবিষ্যতের মানুষ এখন এসে পৃথিবীর বর্তমান মানুষকে রক্ষা করত। ভুলগুলো সংশোধন করে পরবর্তী দিনগুলোর জন্য আরো সহজে বাঁচার উপায় বের করত।

আসলে ভবিষ্যতে টাইম মেশিন বানানো হয়নি। কারণ, করোনা আমাদের সেই পর্যন্ত বেঁচে থাকার সুযোগ দেয়নি। 😥

লেখকঃ Dr. Sujon Paul

জুতা আর ব্যাগই সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখছে। মানুষরা (?) একসাথে বসে গল্প করছে।তালি দেন সবাই। 👏
06/04/2020

জুতা আর ব্যাগই সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখছে। মানুষরা (?) একসাথে বসে গল্প করছে।
তালি দেন সবাই। 👏

03/04/2020

Have you ever seen a soldier getting prepared for a war? Well, here is a doctor getting prepared for the CORONA WAR. ❤

25/03/2020

কে কার আগে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হবে - তার প্রতিযোগিতা।

19/03/2020
22/11/2019

মশার কামড়ে আমরা ব্যথা পাই। আবার সেই ব্যথা কমানোর জন্য আমরা চুলকিয়ে আরো বেশি ক্ষত সৃষ্টি করি। ততক্ষণ পর্যন্ত চুলকাই, যতক্ষণ না চুলকানোর কারণে ব্যথা লাগতে শুরু করে। পরের ব্যথাটা আগের ব্যথাকে দমন করে ফেলে। আমরা তখন আগের ব্যথা আর অনুভব করতে পারি না।

আমাদের জীবনটাও একই রকম। একটা মিথ্যাকে আড়াল করতে আমরা তার চেয়ে বড় মিথ্যার আশ্রয় নিই। একটা কষ্টকে দূর করতে আরো বড় কষ্টের দিকে হাত বাড়াই।

এখন যে ঘটনাটা তোমাকে কষ্ট দিচ্ছে, একদিন সেই ঘটনাই তোমাকে আনন্দ দিবে। কীভাবে?

সময় সবকিছুই সারিয়ে তোলে। একসময় হয়ত এর চেয়েও বেশী কষ্ট তুমি পাবে। তখন আর এখনকার কষ্টকে কোন কষ্টই মনে হবে না। বরং মনে মনে হয়ত বলবে, আগে কত ভালো ছিলাম। এটা ভেবে তুমি আনন্দ পাবে।

যতক্ষণ তুমি দেখছো, সবকিছু তোমার ইচ্ছামত চলছে, খুব বেশি কষ্ট করতে হচ্ছে না, বুঝে নিও ততক্ষণ তুমি জীবনের ভুল পথে আছো। সুখ বলতে আমরা হাতের কাছে সবকিছু পাওয়াকেই বুঝি। কিন্তু সুখ মানে আরাম নয়। সুখ মানে পরিশ্রমের মধ্যে থেকে গতকালের চেয়ে আজকের দিনটাকে ভালো করার প্রয়াস।

যেকোন কাজ করতে গেলেই তুমি একটা আরামের উপায় আরেকটা পরিশ্রমের উপায় পাবে। পরিশ্রমের উপায়টাই তোমার গ্রহণ করা উচিৎ। কারণ, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, আরামের উপায়ের কুফল বেশি থাকে। আর তা প্রথমে বোঝা যায় না। যখন বোঝা যায়, তখন অনেক দেরী হয়ে যায়।

হাতে অফুরন্ত সময় থাকলেও তুমি ১ কিলোমিটার হাঁটার চেয়ে গাড়িতে যাওয়াই যদি ভালো ও আরামের মনে কর, তবে এই অভ্যাস তোমাকে একদিন ডায়বেটিস এর মত রোগে ভুগে অকালেই মৃত্যুর স্বাদ পাইয়ে দিবে।

তাই মনে রেখো, নিজেকে সবসময় প্রশ্ন কর, আমি কি এই মুহূর্তে কষ্টে আছি? আমি কি অলসভাবে বসে না থেকে পরিশ্রম করছি? উত্তর হ্যাঁ হলে বুঝে নিও, তুমি ভালো আছো, সঠিক পথে আছো। আর উত্তর না হলে জেনে রেখো, তুমি ভুল পথে আছো।

23/10/2019

বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের ১১ দফা দাবির সঙ্গে আমি সম্পূর্ণরূপে একমত।
তবে আমার কিছু কথা আছে।

ক্রিকেটাররা অবশ্যই নিজেদের পরিশ্রমে আজ এই পর্যন্ত এসেছেন। এই কথাটি দেশের যেকোনো পেশাজীবীর ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। কিন্তু ক্রিকেটারদের সঙ্গে অন্যান্য পেশাজীবীর কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। তাদের কর্ম অর্থাৎ খেলাধুলা মিডিয়াতে প্রচারিত হয়, যা সবাই দেখে আনন্দ পায়, আর তাই ভালো খেললে সবাই তাদের চিনে আর প্রশংসা করে। আবার উল্টোটাও হয়। অর্থনৈতিক দিক থেকে চিন্তা করলে ভালো খেললে তারা পুরস্কার পায়। লাখ টাকা বেতন থেকে শুরু হয়ে কোটি টাকা পর্যন্ত বোনাস পায়। কিন্তু খারাপ খেললে গালি ছাড়া অন্য কোনো অর্থনৈতিক ক্ষতি তাদের সহ্য করতে হয় না। অথচ বেশীরভাগ পেশাজীবীই তাদের কাজগুলো জনগনের সামনে লাইভ নিয়ে আসতে পারেন না। কারণ, মিডিয়া তাদের প্রচার করে না।

আমি যেহেতু ডাক্তার, সেহেতু আমার সেক্টর নিয়েই কথা বলি। দেশের কয়জন ডাক্তার কে আপনি চিনেন? হয়তো হাতেগোনা কয়েকজন হবেন। অথচ ক্রিকেটারদের তুলনায় তারাই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে বেশি অবদান রাখেন। ডাক্তাররা রাত দিন পরিশ্রম করে আপনাদের সুস্থতার দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু দেশের ডাক্তারদেরকে আপনারা কখনোই ভালো চোখে দেখেন না। এর কি কারণ? আপনারা বলবেন, ডাক্তাররা বেশি ভিজিট নেন, সময় কম দেন, কমিশন খান ইত্যাদি। অথচ ক্রিকেটারদের সাথে তুলনা করলে ডাক্তারদের বেতন অতিমাত্রায় কম। শুধু ডাক্তার না ক্রিকেটারদের সাথে তুলনা করলে বাংলাদেশের যেকোনো পেশাজীবীদের বেতন অনেক পরিমাণ কম। অথচ হওয়া উচিত ছিল উল্টোটা। শুধুমাত্র খেলাধুলা করে বেশি টাকা উপার্জন করলে ভবিষ্যতে কেউ আর ডাক্তার হতে আগ্রহী হবেন না।

সরকারী ডাক্তারদের বেতন ক্রিকেটারদের বেতনের ১০ ভাগের ১ ভাগ। আর বেসরকারী ডাক্তারদের বেতন ১৫ ভাগের ১ ভাগ। এমন না যে ডাক্তাররা তাদের বেতন বাড়ানোর দাবী তোলেন না। কিন্তু কোন মিডিয়ায় তা আসে না। আসলেও নেগেটিভ নিউজ হিসেবে আসে। বিরাট কোহলীর মাসিক বেতন ৮ কোটি টাকা হলে সাকিব আল হাসানের মাসিক বেতন ৪ লাখ টাকা হওয়ায় মিডিয়া যেমন তুলনা করে দেখিয়ে দেয়, সাকিবের পাশে দাঁড়ায়, একজন ভারতীয় ডাক্তারের বেতন আর একজন বাংলাদেশী ডাক্তারের বেতনের পার্থক্যকে এভাবে হাইলাইট করে কোন সাংবাদিক এরকম কোন নিউজ করেন না। ক্রিকেটাররা প্রধানমন্ত্রীর সাথে যখন তখন দেখা করতে পারেন। না চাইলেও বেতন বাড়ে লাখের পর লাখ। অথচ অন্য কোন পেশাজীবীকে সেই পর্যন্ত যেতে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়। চেয়েও কয়েক হাজার টাকা বেতন বাড়ে না।

তাই আমার মতে, সব পেশাজীবীর উচিৎ নিজেদের ক্ষেত্র থেকে এরকম দফা প্রকাশ করা।

১। অপারেশান হোক আর কন্সালটেশান, তা ক্রিকেটের মত লাইভ টেলিকাস্ট করতে হবে।
যাতে মানুষ জানতে পারে, আসল সুপারস্টার কারা। প্রচারেই প্রসার। প্রচার পেয়েছে বলেই আজ আমরা সাকিবদের চিনি। তারা যা করেন, তার চেয়ে অনেক অনেক গুণ ভালো আর জনসেবামূলক কাজ আমরা করি। তবুও প্রচার নাই জন্য কেউ আমাদের চিনে না। খেলা দেখে আনন্দ পায় মানুষ। আমি নিজেও দেখি। তবে এই আনন্দ ক্ষণস্থায়ী। কিন্তু ডাক্তারদের এরকম লাইভ টেলিকাস্ট দেখালে এখান থেকে সবাই অনেক জ্ঞান আরোহন করতে পারবেন, যা তাদের জন্য দীর্ঘস্থায়ী উপকার বয়ে আনবে।

২। ডাক্তারদের বেতন ক্রিকেটারদের চেয়ে বেশী করতে হবে।
ক্রিকেটারদের বেতন দেয় বিসিবি। বিসিবি টাকা পায় স্পন্সরদের কাছ থেকে, টিকিট বিক্রয় করে জনগনের পকেট থেকে। তাই ক্রিকেটারদের বেতন বেশি। যেসব দেশে স্পন্সর নাই, তাদের বেতনও কম। যেমনঃ জিম্বাবুয়ে। আমাদের দেশের স্পন্সরদের উচিৎ ডাক্তারদের পেছনে স্পন্সর করা। ডাক্তারদের জন্য এক্সক্লুসিভ টিভি চ্যানেলের ব্যবস্থা করা উচিৎ। সারাদিন অপারেশান, রোগী দেখার ভিডিও লাইভ প্রচার করা উচিৎ। তাহলে ডাক্তারদের জন্যও স্পন্সর আসবে। আর যে ডাক্তারের টেলিকাস্ট বেশি টিআরপি পাবে, তার বেতনও বেশি হবে। একটা কমিটি করতে হবে যারা এই চ্যানেল থেকে প্রাপ্ত লাভের টাকা ডাক্তারদের মধ্যে ভাগ করে দিবে। সারাদিন খেলাধুলা করে কেউ ৪ লাখ টাকা পেলে সারাদিন রোগ ভালো করে আমরা এর চেয়ে বেশী টাকা চাইতেই পারি। এটা অন্যায় কোন চাওয়া নয়।

আমি শুধু ধারণাটা দিলাম। আরো অনেক পয়েন্ট থাকতে পারে। সেগুলো যোগ করে সবকিছু বাস্তবায়ন করার জন্য ডাক্তার নেতাদের অতিসত্বর পদক্ষেপ নিতে হবে।

Vision Test Chart for the Next Generation!
16/10/2019

Vision Test Chart for the Next Generation!

30/09/2019

চোখ দেখেই ডাক্তার বলে দিলেন ববিতা প্রেগন্যান্ট

28/09/2019

শৈশবের সব তারকারা যখন একই গানে

Address

Dhaka
1229

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Sujon Paul posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Sujon Paul:

Share

Category