Rheumatology Care by Dr. Md Kamrul Hasan

Call Directions Website Contact the practice

Rheumatology Care by Dr. Md Kamrul Hasan বাত ও আর্থ্রাইটিস বিশেষজ্ঞ | MD (Rheumatology) | JBFH ধানমন্ডি ও কুমিল্লা | সিরিয়াল: 01521-438370

নীরব যন্ত্রণার নাম বাতরোগ: বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একটি বাস্তবতা----সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে বিছানা থেকে নামতে গিয়ে হাঁটুতে...
07/09/2026

নীরব যন্ত্রণার নাম বাতরোগ: বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একটি বাস্তবতা----

সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে বিছানা থেকে নামতে গিয়ে হাঁটুতে যে চিনচিনে ব্যথাটা লাগে, কিংবা কাপড় মেলতে গিয়ে হাতের আঙুলগুলো যখন আর সহজে মুঠো হয় না, সেই মুহূর্তগুলো আমাদের অনেকের কাছেই খুব চেনা। আমরা বলি "বয়স হয়েছে তো", "শীতকালে এমন হয়ই", অথবা "কাজ বেশি করলে ব্যথা তো হবেই"। কিন্তু এই ছোট ছোট ব্যথাগুলোর পেছনে অনেক সময় লুকিয়ে থাকে একটি দীর্ঘমেয়াদী, নিঃশব্দ শত্রু, যার নাম বাতরোগ বা রিউমাটোলজিক্যাল ডিজিজ। যে রোগ কাউকে মেরে ফেলে না ঠিকই, কিন্তু ধীরে ধীরে একজন সুস্থ, স্বাবলম্বী মানুষকে পঙ্গু করে দিতে পারে।

সংখ্যাগুলো যা আমাদের ভাবতে বাধ্য করে----

বাংলাদেশে বাতরোগ নিয়ে পরিচালিত COPCORD গবেষণায় দেখা গেছে, দেশের প্রায় প্রতি চারজনের একজন মানুষ মাংসপেশি বা অস্থিসন্ধির ব্যথায় ভোগেন। গ্রামাঞ্চলে এই হার প্রায় ২৬ শতাংশ, শহরের বস্তি এলাকায় প্রায় ২৫ শতাংশ। আর যারা এই ব্যথায় ভোগেন, তাদের প্রায় এক-চতুর্থাংশ মানুষ দৈনন্দিন সাধারণ কাজ যেমন ভারী জিনিস তোলা, উবু হয়ে বসা কিংবা সিঁড়ি বেয়ে ওঠার মতো কাজগুলো ঠিকমতো করতে পারেন না। নারীরা এই রোগে পুরুষদের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি আক্রান্ত হন।

শুধু ব্যথা নয়, রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিসের মতো নির্দিষ্ট রোগেও বাংলাদেশ পিছিয়ে নেই। বর্তমানে দেশে প্রায় পঁচিশ লাখের কাছাকাছি মানুষ রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিসে আক্রান্ত বলে ধারণা করা হয়, এবং প্রতি বছর নতুন করে যুক্ত হচ্ছেন কয়েক হাজার মানুষ। অথচ এই বিশাল রোগীগোষ্ঠীর তুলনায় প্রশিক্ষিত রিউমাটোলজিস্টের সংখ্যা এতটাই কম যে বেশিরভাগ রোগীর জন্য সঠিক সময়ে সঠিক বিশেষজ্ঞের কাছে পৌঁছানোই একটা যুদ্ধ হয়ে দাঁড়ায়।

যে ক্ষতি চোখে দেখা যায় না----

বাতরোগের আসল ভয়াবহতা লুকিয়ে আছে এর ধীরগতির, নীরব প্রকৃতিতে। এটি হার্ট অ্যাটাকের মতো একদিনে আঘাত হানে না, বরং বছরের পর বছর ধরে একটু একটু করে একজন মানুষের জয়েন্ট, তার হাঁটাচলার ক্ষমতা, তার আত্মবিশ্বাস কেড়ে নেয়। যে কৃষক একসময় সারাদিন মাঠে কাজ করতেন, সেই মানুষটাই একদিন আবিষ্কার করেন তার আঙুল আর কাস্তে ধরতে পারছে না। যে গৃহিণী নিজের সংসার নিজে সামলাতেন, তিনি একদিন সন্তানের কাছে সাহায্য চাইতে বাধ্য হন কেবল একটা দরজা খোলার জন্য।

শারীরিক ক্ষতির পাশাপাশি আসে আর্থিক আঘাত। বাংলাদেশে বেশিরভাগ রিউম্যাটিক রোগের চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদী এবং ব্যয়বহুল। নিয়মিত ওষুধ, রক্ত পরীক্ষা, ফিজিওথেরাপি, মাঝেমধ্যে অস্থিসন্ধি প্রতিস্থাপনের মতো ব্যয়বহুল অস্ত্রোপচার, এসব খরচ একটি সাধারণ পরিবারের সঞ্চয় নিঃশেষ করে দিতে পারে। যে পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্য বাতরোগে কর্মক্ষমতা হারান, সেই পরিবারের পুরো ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে যায়। গ্রামীণ এলাকায় যেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাব প্রকট, সেখানে রোগীদের প্রায়ই দূরের শহরে গিয়ে চিকিৎসা করাতে হয়, যা যাতায়াত খরচ ও কর্মদিবস নষ্ট হওয়ার বাড়তি বোঝা যোগ করে।

আর সবচেয়ে কম আলোচিত ক্ষতিটি হলো মানসিক। দীর্ঘদিনের ব্যথা, সীমিত চলাফেরা, অন্যের ওপর নির্ভরশীলতা একজন মানুষের মনোবল ভেঙে দেয়। অনেক রোগী সমাজে নিজেকে গুটিয়ে নেন, বিষণ্ণতায় ভোগেন, এবং পরিবারের বোঝা মনে করে নিজেকে অপরাধী ভাবতে শুরু করেন। এই মানসিক যন্ত্রণা প্রায়শই শারীরিক ব্যথার চেয়েও গভীর ক্ষত রেখে যায়।

আমাদের করণীয় কী?---

প্রথম কাজ হলো লক্ষণকে অবহেলা না করা। টানা কয়েক সপ্তাহ ধরে জয়েন্টে ব্যথা, সকালে উঠে শরীর জমে থাকার মতো লাগা (মর্নিং স্টিফনেস), হাত-পায়ের জয়েন্ট ফুলে যাওয়া, অথবা কারণ ছাড়াই দীর্ঘদিন জ্বর-দুর্বলতা থাকলে সেটাকে "এমনিই সেরে যাবে" ভেবে ফেলে রাখা উচিত নয়। ঝাড়ফুঁক, কবিরাজি তেল-পানি বা নিজের ইচ্ছেমতো ব্যথানাশক ওষুধ খেয়ে সময় নষ্ট করলে রোগ ততক্ষণে জয়েন্টের ভেতরে স্থায়ী ক্ষতি করে ফেলতে পারে। তাই লক্ষণ দেখা দিলে যত দ্রুত সম্ভব একজন প্রকৃত বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়াই প্রথম ও সবচেয়ে জরুরি করণীয়।

কোথায় যেতে হবে?---

বাংলাদেশে রিউমাটোলজি চিকিৎসার জন্য নির্দিষ্ট বিভাগ আছে এমন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত হলো বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (BMU) রিউমাটোলজি বিভাগ, শাহবাগ, ঢাকা। এছাড়া ঢাকা মেডিকেল কলেজ, মুগদা মেডিকেল কলেজ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজসহ দেশের বড় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোতে রিউমাটোলজি বিশেষজ্ঞরা রোগী দেখেন। ঢাকার বাইরে যারা থাকেন, তাদের জন্য প্রাথমিক ধাপ হতে পারে নিকটস্থ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বা জেলা সদর হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগ, যেখান থেকে প্রয়োজনে বড় কেন্দ্রে রেফার করা হয়। বেসরকারি খাতে গ্রিন লাইফ, জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাস্পাতাল, বারডেম, আনোয়ার খান মর্ডান হাসপাতালসহ বেশ কিছু হাসপাতালে আলাদা রিউমাটোলজি সেবা চালু আছে, তবে খরচের দিক বিবেচনায় সরকারি প্রতিষ্ঠান অনেকের জন্য বাস্তবসম্মত প্রথম পছন্দ।

চিকিৎসক কারা হবেন?---

এখানে একটা বিষয় স্পষ্ট হওয়া দরকার, প্রতিটি হাড়-জয়েন্টের ব্যথার চিকিৎসক অর্থোপেডিক সার্জন নন। হাড় ভাঙা বা জয়েন্ট প্রতিস্থাপনের মতো অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হলে অর্থোপেডিক সার্জনের কাছে যেতে হয় ঠিকই, কিন্তু রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিস, লুপাস, অ্যাংকাইলোজিং স্পন্ডাইলাইটিস, গাউটের মতো প্রদাহজনিত ও অটোইমিউন রোগের সঠিক চিকিৎসক হলেন রিউমাটোলজিস্ট, যারা রিউমাটোলজীতে এফসিপিএস বা এমডি অথবা রিউমাটোলজিতে আলাদা উচ্চতর প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। রিউমাটোলজিস্ট সহজলভ্য না হলে ইন্টারনাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞের কাছেও প্রাথমিক পরামর্শ নেওয়া যায়, তবে দীর্ঘমেয়াদী রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য একজন প্রিউমাটোলজিস্টের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নেয়া সবচেয়ে নিরাপদ পথ।

চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা কী?---

বেশিরভাগ রিউম্যাটিক রোগ পুরোপুরি নির্মূল হয় না, এটা সত্যি। কিন্তু সঠিক ওষুধ ও নিয়মিত ফলোআপের মাধ্যমে রোগের প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়, জয়েন্টের ক্ষতি থামিয়ে দেওয়া বা ধীর করে দেওয়া যায়, এবং রোগী প্রায় স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন। চিকিৎসার মূল লক্ষ্য কেবল ব্যথা কমানো নয়, বরং জয়েন্টের স্থায়ী বিকৃতি ঠেকানো, শরীরের অন্য অঙ্গ (কিডনি, ফুসফুস, হৃদযন্ত্র) যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় তা নিশ্চিত করা, এবং রোগীকে কর্মক্ষম রাখা।

চিকিৎসা না করালে কী কী ক্ষতি হবে?---

চিকিৎসা না করালে বা দেরিতে শুরু করালে ক্ষতির তালিকাটা দীর্ঘ। জয়েন্ট ধীরে ধীরে বেঁকে যেতে পারে, স্থায়ীভাবে অকেজো হয়ে যেতে পারে, ফলে সহজ কাজগুলোও অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। লুপাসের মতো অটোইমিউন রোগ অবহেলা করলে তা কিডনি বা হৃদযন্ত্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গে ছড়িয়ে জীবনঝুঁকি তৈরি করতে পারে। দীর্ঘদিনের অনিয়ন্ত্রিত প্রদাহ থেকে হাড় ক্ষয় (অস্টিওপোরোসিস), হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি এবং সার্বিক আয়ু কমে যাওয়ার সম্ভাবনাও থেকে যায়। এর সাথে যোগ হয় কর্মক্ষমতা হারিয়ে আর্থিক সংকট, পরিবারের ওপর নির্ভরশীলতা বেড়ে যাওয়া, এবং দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা ও অক্ষমতা থেকে জন্ম নেওয়া বিষণ্ণতা। অর্থাৎ, চিকিৎসা বিলম্বিত করার প্রতিটি দিনই রোগীর জন্য একটু একটু করে ভবিষ্যৎ সংকুচিত করে দেয়।

কেন এই নীরবতা ভাঙা দরকার?---

আমাদের সমাজে বাতব্যথাকে প্রায়ই "বয়সের স্বাভাবিক লক্ষণ" বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়। এই ভুল ধারণার কারণে অনেক রোগী প্রথম দিকের লক্ষণ উপেক্ষা করেন, ঝাড়ফুঁক বা ঘরোয়া টোটকার পেছনে সময় নষ্ট করেন, আর যখন বিশেষজ্ঞের কাছে পৌঁছান ততদিনে জয়েন্টের অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেছে। অথচ প্রাথমিক পর্যায়ে সঠিক রোগনির্ণয় ও চিকিৎসা শুরু হলে অনেক রোগীই স্বাভাবিক জীবনযাপন চালিয়ে যেতে পারেন।

বাতরোগ নিরাময়যোগ্য না হলেও নিয়ন্ত্রণযোগ্য। প্রয়োজন সচেতনতা, প্রয়োজন সময়মতো বিশেষজ্ঞের পরামর্শ, আর প্রয়োজন একটি সমাজ যেখানে বাতরোগে আক্রান্ত মানুষটিকে দুর্বল নয়, বরং সহানুভূতি ও সহায়তার চোখে দেখা হবে। প্রতিটি চিনচিনে ব্যথা যেন অবহেলার শিকার না হয়, প্রতিটি রোগীর গল্প যেন সময়মতো সঠিক পথ খুঁজে পায়, এটাই এখন সময়ের দাবি।

ডা. মো কামরুল হাসান সজীব
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য)
এমডি (রিউমাটোলজী)

কনসালটেন্ট রিউমাটোলজীস্ট

**কফি এনিমা কী?**প্রস্তুতকৃত কফি মলদ্বার দিয়ে কোলনে (বৃহদান্ত্রে) ঢুকিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পরে বের করে দেওয়াকে কফি এনিমা ...
04/09/2026

**কফি এনিমা কী?**
প্রস্তুতকৃত কফি মলদ্বার দিয়ে কোলনে (বৃহদান্ত্রে) ঢুকিয়ে কিছুক্ষণ রেখে পরে বের করে দেওয়াকে কফি এনিমা বলে। ☕🚽

এটি মূলত "গার্সন থেরাপি" নামের একটি বিকল্প ক্যান্সার চিকিৎসা পদ্ধতির অংশ, যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে একটি বাতিলকৃত (discredited) পদ্ধতি হিসেবে গণ্য করা হয় 🚫🔬

**দাবি করা উপকারিতা**

কেউ কেউ বলেন এটি লিভার "ডিটক্স" করে, কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়, এনার্জি বাড়ায়, এমনকি ক্যান্সারের ব্যথাও কমায়। ✨💪

যুক্তি দেওয়া হয় যে কফিতে থাকা ক্যাফেস্টল নামের উপাদান গ্লুটাথায়োন এস-ট্রান্সফারেজ নামের একটি এনজাইম সক্রিয় করে, যা লিভারের পিত্তনালী খুলে দেয়। 🧪🔬

তবে এই ধারণা মূলত ইঁদুরের উপর করা একটা পুরনো গবেষণা থেকে এসেছে, মানুষের শরীরে এনিমার মাধ্যমে এভাবে কাজ করে তার প্রমাণ নেই। 🐭❌

**বৈজ্ঞানিক প্রমাণ আসলে কী বলে**

কফি এনিমার কোনো ইতিবাচক স্বাস্থ্য উপকারিতার পক্ষে কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। 🚫📊

গার্সন থেরাপির কার্যকারিতারও কোনো প্রমাণ নেই, তাই চিকিৎসকরা এটি সুপারিশ করেন না। 👨‍⚕️👎

২০২০ সালের একটি গবেষণা পর্যালোচনায় কোনো উপকারিতা পাওয়া যায়নি, বরং একাধিক গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে। ⚠️🔬

শরীরের লিভার-কিডনি এমনিতেই টক্সিন দূর করার জন্য আলাদা "ডিটক্সের" দরকার নেই। 🙅‍♀️

**পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও ঝুঁকি (এখানেই প্রমাণ শক্তিশালী)**

- ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা: রক্তে সোডিয়াম-পটাশিয়ামের ভারসাম্য নষ্ট হওয়া, কিডনি বা হার্টের সমস্যা থাকলে বিশেষ বিপজ্জনক ⚠️
- মলদ্বার-কোলনে প্রদাহ, ইনফেকশন, এমনকি সেপসিস (রক্তে সংক্রমণ ছড়ানো) 🦠
- গরম কফির কারণে পুড়ে যাওয়া, যা থেকে কোলন ছিদ্র হয়ে যেতে পারে 🔥
- কোলাইটিস এবং টেনেসমাস (বারবার পায়খানার বেগ হওয়া কিন্তু হতে না পারা) 🚽
- ক্যাফেইনের কারণে হার্টবিট দ্রুত হওয়া, অস্থিরতা, ঘুম কম হওয়া ☕


সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ:

একটি চিকিৎসা প্রতিবেদনে অন্তত ৩ জন রোগীর মৃত্যুর তথ্য আছে, একজনের সেপসিস থেকে, বাকি দুজনের গুরুতর ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতা থেকে। যুক্তরাষ্ট্রের National Cancer Institute-এর মতে কফি এনিমা অন্তত তিনটি মৃত্যুর সাথে যুক্ত থাকতে পারে। 💀


**সংক্ষেপে**

প্রমাণিত উপকারিতা নেই, কিন্তু প্রমাণিত ঝুঁকি আছে, যা মৃত্যু পর্যন্ত গড়াতে পারে। 💀⚰️ এটি প্রায়ই ক্যান্সার রোগীদের কাছে "প্রাকৃতিক" চিকিৎসা হিসেবে প্রচার করা হয়, অথচ তারাই শরীরে সবচেয়ে দুর্বল থাকেন বলে ঝুঁকি বেশি। 🤕🤒 আগে থেকে কোলন, কিডনি বা হার্টের সমস্যা থাকলে, বা গর্ভবতী হলে এটা এড়িয়ে চলাই ভালো। 🤰🚫 কোষ্ঠকাঠিন্য বা লিভারের সমস্যায় সাহায্য দরকার হলে ডাক্তারের পরামর্শে প্রমাণিত চিকিৎসা নেওয়াই নিরাপদ। 🩺👍

"Intra articular Steroid বা জয়েন্টের ভিতর স্টেরয়েড ইঞ্জেকশন" - এটা আসলে কি? কেনো দেয়া হয়? এটার সুবিধা / অসুবিধা কি - আসু...
31/08/2026

"Intra articular Steroid বা জয়েন্টের ভিতর স্টেরয়েড ইঞ্জেকশন" - এটা আসলে কি? কেনো দেয়া হয়? এটার সুবিধা / অসুবিধা কি - আসুন জেনে নেই---

জয়েন্টের ভিতর স্টেরয়েড ইনজেকশন (Intra-articular steroid injection) : মানে সরাসরি হাড়ের জোড়ায় (জয়েন্টে) স্টেরয়েড ওষুধ দেওয়া। 💉

মুখে খাওয়া স্টেরয়েডের মতো পুরো শরীরে ছড়ায় না; মূলত যে জয়েন্টে ব্যথা ও ফোলা আছে, সেখানেই কাজ করে। 🦵

বাংলাদেশে সাধারণত Triamcinolone বা Depo-Medrol (methylprednisolone) ব্যবহার করা হয়। অনেক সময় সঙ্গে লিডোকেইন (ব্যথানাশক) মিশিয়ে দেওয়া হয়, যাতে ইনজেকশনের সময় ও পরে কিছুক্ষণ আরাম পাওয়া যায়। 💊

👉 কেন দেওয়া হয়?
জয়েন্টে প্রদাহ (inflammation) কমাতে। 🔥
প্রদাহ কমলে ব্যথা কমে এবং নড়াচড়া সহজ হয়। 🤸

👉সবচেয়ে বেশি দেখা যায় এসব ক্ষেত্রে:
১. হাঁটুর অস্টিওআর্থ্রাইটিস (ঘষা লাগা / হাড় ক্ষয়) 🦴
২. কাঁধ শক্ত হয়ে যাওয়া (frozen shoulder / adhesive capsulitis) 🥶
৩. রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস বা গাউটের হঠাৎ ফ্লেয়ার 💥
৪. কিছু বার্সাইটিস বা টেন্ডনের চারপাশের প্রদাহ 🩹

এটি রোগ সারিয়ে দেয় না। ব্যথা ও ফোলা সাময়িক কমিয়ে ফিজিওথেরাপি, হাঁটাচলা বা ওজন কমানোর সুযোগ করে দেয়। 🚶‍♀️💪

👉সুবিধা:
১. ব্যথা দ্রুত কমে (অনেকের ২–৭ দিনের মধ্যে) 🩹
২. ফোলা কমে, হাঁটা বা হাত তোলা সহজ হয় 💪
৩. মুখে স্টেরয়েড খাওয়ার চেয়ে পুরো শরীরে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কম 😌
৪. ফিজিওথেরাপি চালিয়ে যাওয়া সহজ হয় 🚶‍♀️
৫. অস্ত্রোপচার কিছুদিন পিছিয়ে দেওয়া যায় ⏳

প্রভাব সাধারণত কয়েক সপ্তাহ থেকে ২–৩ মাস থাকে। কারও বেশি, কারও কম। ⏱️

👉অসুবিধা ও ঝুঁকি:

ছোটখাটো (মোটামুটি সাধারণ):
১. ইনজেকশনের পর ১–২ দিন ব্যথা বা ফোলা বাড়তে পারে (post-injection flare) 🤕
২. মুখমণ্ডল লাল হওয়া, গরম লাগা 🥵
৩. ডায়াবেটিস থাকলে রক্তে চিনি কিছুদিন বাড়তে পারে 📈
৪. ইনজেকশনের জায়গায় ত্বক পাতলা বা সাদা হয়ে যাওয়া ⚪

কম দেখা যায়, কিন্তু গুরুতর:
১. জয়েন্টে সংক্রমণ (সেপটিক আর্থ্রাইটিস) — খুব বিরল, তবে গুরুতর 🦠
২. বারবার দিলে তরুণাস্থি (cartilage) পাতলা হতে পারে 🦴
৩. টেন্ডন দুর্বল হওয়া (বিশেষ করে টেন্ডনের ভিতরে দিলে) 🦵
৪. হাড়ের ঘনত্ব কমা (বারবার উচ্চ মাত্রায়) 📉
৫. গবেষণায় দেখা গেছে, বারবার ঘন ঘন একই জয়েন্টে দিলে দীর্ঘমেয়াদে জয়েন্টের ক্ষয় কিছুটা দ্রুত হতে পারে। তাই এটি নিয়মিত “ব্যথার ওষুধ” নয়। ⚠️

👉কতবার দেওয়া যায়?
সাধারণ নিয়ম:
১. একই জয়েন্টে কমপক্ষে ৩ মাস ব্যবধান 🗓️

২৷ এক বছরে একই জয়েন্টে সাধারণত ৩–৪ বারের বেশি নয় 🗓️🩺

যদি একবারে ভালো কাজ না করে বা খুব কম সময় কাজ করে, বারবার দিয়ে লাভ কম; তখন অন্য চিকিৎসা ভাবা উচিত। 💡🤔

👉কাদের সাবধানে / কখন দেওয়া যায় না? ⚠️
১. জয়েন্টে সংক্রমণ সন্দেহ হলে 🦠
২. ইনজেকশনের জায়গায় চামড়ায় ইনফেকশন থাকলে 🩹
৩. অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস 🩸
৪. রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা বা রক্ত পাতলা করার ওষুধ (চিকিৎসককে জানাতে হবে) 🩸💊
৫৷ আগে স্টেরয়েডে অ্যালার্জি 🤧

👉মনে রাখার বিষয়: 💡
এটি সমাধান নয়, সাময়িক উপশম। হাঁটুর ব্যথার মূল চিকিৎসা হলো ওজন নিয়ন্ত্রণ, কোয়াড্রিসেপস শক্ত করা, সঠিক হাঁটাচলা ও প্রয়োজনে ব্যথানাশক/ফিজিও। ইনজেকশন শুধু সেই পথে হাঁটতে সাহায্য করে। 🚶‍♀️💪

👉পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোতে এর প্রচলন কেমন? 🌍📈

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও পশ্চিম ইউরোপে জয়েন্টের ভিতর স্টেরয়েড ইনজেকশন খুবই প্রচলিত একটি চিকিৎসা। 💉🏥 তবে সেখানেও এটি “প্রথম ও একমাত্র চিকিৎসা” নয়—বরং ব্যায়াম, ওজন কমানো ও সাধারণ ব্যথানাশকের পরে বা সেগুলোর সঙ্গে স্বল্পমেয়াদি সাহায্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 💪🏋️‍♀️💊

রিউমাটোলজীতে যেই সব রোগী আসে, তার বেশীর ভাগ রোগীই আসে অর্থনৈতিক এবং মানসিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে।শারীরিক ক্ষতি তো আছেই সা...
28/08/2026

রিউমাটোলজীতে যেই সব রোগী আসে, তার বেশীর ভাগ রোগীই আসে অর্থনৈতিক এবং মানসিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে।শারীরিক ক্ষতি তো আছেই সাথে। দীর্ঘদিন ভুগতে ভুগতে যখন আমাদের কাছে আসে, তখন মানসিক ভাবে বুস্ট করা ই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাড়ায়। প্রথম প্রথম এইসব ভেবে রাগ লাগতো, কিন্তু এখন এই সব সয়ে গেছে। ধরেই নেই রোগী আসবে মিনিমাম ৫-৬ বছর ভুগে।

কিন্তু আজকে এই রোগী দেখে আসলেই মনটা খারাপ হয়ে গেলো। ৪৫ বছরের ভদ্র মহিলা দিনের পর দিন (৪-৫ বছর) বিভিন্ন গীড়া তে তীব্র ব্যথা এবং ঠান্ডা পানিতে আংগুলে রং পরিবর্তন নিয়ে ঘুরছেন। সাথে আংগুলে পচন ধরে একটার পর একটা আগুল হারাচ্ছেন। দেখিয়েছেন অনেক ডাক্তার। কিন্তু একজন ও রিউমাটোলজিস্টের কাছে রেফার্ড করার প্রয়োজন বোধ করেন নাই। আজকে উনি রেফার্ড হয়ে আসেন নাই। খুজতে খুজতে আসছেন।

আজকের এই ঘটনায় মনে হলো এই দেশে কোনো রিউমাটোলজীস্ট ই নাই। ২০২৬ সালে এসে, এভাবে ঘুরে ঘুরে আংগুল হারানো খুবই প্যাথেটিক ব্যাপার।

28/05/2026

🌙 #গাউট রোগীদের জন্য ঈদ-উল-আজহার গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা ⚠️

#ঈদ মানে আনন্দ, ভাগাভাগি আর পেটভরে খাওয়া।
কিন্তু গাউট রোগীদের জন্য এই সময়টা হতে পারে ব্যথার ঝুঁকিতে ভরা।

🥩 #লাল মাংস আর কলিজা-গুর্দা কেন বিপজ্জনক?
গাউট হয় রক্তে অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিড জমার কারণে। আর পিউরিন হলো ইউরিক অ্যাসিডের মূল উৎস।

#কলিজা, গুর্দা, মগজ, কলবি, বট, পেটি — এগুলোতে পিউরিন সবচেয়ে বেশি (প্রতি ১০০ গ্রামে ৩০০ মিলিগ্রামের উপরে)। একবেলা কলিজা ভুনা খেলেই কয়েকদিন ইউরিক অ্যাসিড লাফিয়ে বাড়তে পারে।

#গরু, খাসি, ভেড়া, ছাগলের লাল মাংস — ঈদের প্রধান খাবার। অনেক পরিবারে কয়েকদিন ধরে অতিরিক্ত খাওয়া হয়।

#চর্বিযুক্ত রান্না, হাড়সহ বিরিয়ানি, ঘন গ্রেভি — পিউরিন আরও বাড়িয়ে দেয়।

খাওয়ার ২৪-৭২ ঘণ্টার মধ্যে হঠাৎ তীব্র ব্যথা (বিশেষ করে পায়ের বুড়ো আঙুল, গোড়ালি, হাঁটুতে) শুরু হতে পারে।

🚩 ঝুঁকি আরও বাড়ায় যেসব বিষয়:

#পানি কম খাওয়া
#কোমল পানীয় ও ফলের রস (ফ্রুক্টোজ)
#দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে হঠাৎ প্রচুর খাওয়া
#ঈদের ছুতোয় ওষুধ বন্ধ করা (এলোপিউরিনল/ফেবুক্সোস্ট্যাট)

✅ ব্যবহারিক পরামর্শ — ঈদ উপভোগ করুন, ব্যথা এড়ান:

👍অল্প পরিমাণে খান, চর্বি ছাড়া মাংস বেছে নিন
👍কলিজা-গুর্দা যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন
👍সারাদিন প্রচুর পানি পান করুন
👍নিয়মিত ওষুধ চালিয়ে যান (কখনো নিজে থেকে বন্ধ করবেন না)
👍জোড়ায় সামান্য ব্যথা বা ঝিঁঝিঁ অনুভব করলেই দেরি না করে রেসকিউ ওষুধ শুরু করুন

একটু সচেতন থাকলেই ঈদের আনন্দ নষ্ট হবে না।
পরিবারের সাথে সুস্থ ও সুখের ঈদ কাটান। ❤️

গাউট আছে এমন সবাইকে ভিডিও শেয়ার করে সতর্ক করে দিন।
ঈদ মোবারক — সুস্থ থাকুন, আনন্দে থাকুন। 🌙🐑

27/05/2026
অনলাইন টিকেট! ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ থেকে অনলাইনে যেকেউ আউটডোরের টিকিট কাটতে পারবেন। অনলাইনে টিকিট কেটে যেকোনো বিভাগের আউটডো...
25/01/2026

অনলাইন টিকেট! ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ থেকে অনলাইনে যেকেউ আউটডোরের টিকিট কাটতে পারবেন। অনলাইনে টিকিট কেটে যেকোনো বিভাগের আউটডোরে দেখাতে পারবেন। টিকিট কাটার সময় টাইম দিয়ে দেওয়া হবে। সেই টাইম অনুযায়ী এসে আপনি ডাক্তার দেখাতে পারবেন। খুবই সহজ ও শান্তিপূর্ণ পদ্ধতি। রোগীদের আর একসাথে এসে ভীড় করতে হবেনা। অফলাইন ব্যবস্থাও থাকবে। যারা দূর থেকে আসবেন তাদের জন্য ভোগান্তির অবসান হবে এই অনলাইন টিকিট।

অনলাইনের টিকিট কাটার লিংক কমেন্টে দেওয়া হলো!

BM University Hospital

Ex BSMMU, PG Hospital

Alhamdulillah. For Better Service Handheld AI Based MSK USG Machine..
04/01/2026

Alhamdulillah. For Better Service
Handheld AI Based MSK USG Machine..

New LDL-Lowering Agents - "ESC/EAS Update - 2025"
20/10/2025

New LDL-Lowering Agents -
"ESC/EAS Update - 2025"

Address

Japan Bangladesh Friendship Hospital, 55 Satmasjid Road Zigatola Bus Stand, Dhanmondi
Dhaka
1209

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Friday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Telephone

+8801521438370

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rheumatology Care by Dr. Md Kamrul Hasan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Rheumatology Care by Dr. Md Kamrul Hasan:

Shortcuts

Share