05/09/2026
তিন বছরের মধ্যে ডেঙ্গুর সর্বোচ্চ সংক্রমণ !!
জুনে ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ২ হাজার ৯০৭ জন। জুলাইয়ে তা তিন গুণের বেশি বেড়ে হয় ৯ হাজার ২০৬।
আগস্টে ভর্তি হন ২০ হাজার ৫৩৬ জন,
যা জুনের তিন গুণের বেশি এবং জুলাইয়ের দ্বিগুণের বেশি।
এবার ডেঙ্গু ভাইরাসের ডেন–৩ ধরনটি প্রধান হয়ে উঠেছে। তবে ডেন–২ উল্লেখযোগ্য মাত্রায় ছড়াচ্ছে। কোথাও ডেন–৩, আবার কোনো কোনো এলাকা ও গ্রামাঞ্চলে ডেন–২ বেশি পাওয়া যাচ্ছে। সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) এই পরিস্থিতিকে বলছে ‘মিশ্র চিত্র’।
জনস্বাস্থ্যবিদ ও কীটতত্ত্ববিদেরা বলছেন, চলতি মাসে ডেঙ্গু অনিয়ন্ত্রিত হয়ে উঠতে পারে। বছর শেষে আবারও ২০২৩ সালের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
হাসপাতালে রোগী বাড়লেও রাজধানীতে শয্যা পাওয়ার জন্য ঘুরতে হচ্ছে অনেককে। এ চিত্র শুধু ঢাকার নয়, দেশের অন্যান্য স্থানেরও। ঢাকার বাইরে এবার রোগীর সংখ্যা অনেক বেশি। সেখানে আবার মশানিয়ন্ত্রণ ও ডেঙ্গু রোগের চিকিৎসাও অপর্যাপ্ত।
প্রতিরোধের জন্য কি করতে পারেন ?
বৈজ্ঞানিক প্রমাণ কী বলে?
ভাইরাস প্রতিরোধ (in vitro): ল্যাবরেটরি গবেষণায় গুলঞ্চের পাতার নির্যাস ডেঙ্গু ভাইরাসের কিছু সেরোটাইপ (যেমন DV1, DV2, DV4) এর বংশবৃদ্ধি আংশিকভাবে বাধা দিতে পারে। কোয়ারসেটিন, ক্যাটেচিন ইত্যাদি যৌগ এর জন্য দায়ী হতে পারে।
প্লেটলেট বৃদ্ধি: ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভারে প্লেটলেট কমে গেলে গুলঞ্চের ফল বা জুস/পাতার ব্যবহার প্লেটলেট বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। ইন্দোনেশিয়ায় করা মেটা-অ্যানালাইসিসে এমন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে যে এটি স্ট্যান্ডার্ড চিকিৎসার পাশাপাশি সহায়ক হতে পারে।
মশার লার্ভা নিয়ন্ত্রণ: গুলঞ্চের নির্যাস এডিস মশার লার্ভা মারতে পারে (ল্যাব পরীক্ষায়), যা পরোক্ষভাবে ভেক্টর নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে।