Medical Health 24

Medical Health 24 Dr. Syed Ahtesham Ullah, Consultant : Homeopathic Medicine ( Specialized In Male, Female & Child Disease
Acute, Chronic & Complicated Disease)

14/05/2026

ডা. সৈয়দ এহতেশাম উল্লাহ মেডিসিন কনসালটেন্ট : হোমিওপ্যাথিক।
পুরুষ, মহিলা & শিশু রোগ।

14/05/2026

পুরুষদের বীর্য নিয়ে কিছু কথা -

প্রতি ইজাকুলেশনে ( বীর্যপাতে ) আনুমানিক দুই থেকে চার মিলিলিটার বা মোটামুটি আধা চা চামচ এর মত বীর্য নির্গত হয়। কতটা বীর্য নির্গত হচ্ছে তার উপরে কোন মানুষের প্রজনন ক্ষমতা বা ফার্টিলিটির বা বাচ্চা হওয়ার ক্ষমতা নির্ভর করে না । সেই বীর্যে কত সংখ্যক স্পার্ম বা শুক্র আছে বিবেচ্য বিষয় ।
বয়সন্ধিতে পৌঁছলে পুরুষের দুটি টেস্টিসের ভিতর প্রতিদিন প্রায় 12 কোটি 50 লক্ষ শুক্রবা স্পার্ম নিরবিচ্ছিন্নভাবে উৎপাদিত হতে থাকে।
★ একটি পূর্ণাঙ্গ শুক্রাণুর নিম্নলিখিত অংশ থাকে
১) মাথা ২) মধ্যাঞ্চল ৩) লেজ
প্রতিটি টেস্টিস এ প্রতি সেকেন্ডে ১৫০০ টি করে শুক্রাণু উৎপাদিত হয়। আর প্রতি ইজাকুলেশনএ নিক্ষিপ্ত শুক্রাণু সংখ্যা 25 থেকে 50 কোটি।
স্পার্ম বা শুক্রাণুর লম্বা লেজের সাহায্যে প্রতি ঘন্টায় 3 মিলিমিটার হারে সামনের দিকে সাঁতার কেটে চলে। নারীর যোনিদ্বার বা ভ্যাজাইনাতে স্খলিত হওয়ার পর দশ লক্ষ শুক্র সার্ভিক্স পথে বাহিত হলেও ফ্যালোপিয়ান টিউবে মাত্র দুইশত টির মত পৌঁছায়।
★ সিমেন এনালাইসিস পরীক্ষা:
আগে শুধু শুক্রাণুর সংখ্যা জানার উদ্দেশ্যে বীর্য পরীক্ষা করা হতো। বর্তমানে শুক্রাণুর চলার ক্ষমতা বা স্পার্ম মোটিলিটি ( দূরত্ব নড়াচড়া ও সাঁতার কাটার সামর্থ্য ) , অঙ্গসংস্থান বা মর্ফলজি ( গঠন) সহ আরো নানা কারণে পরীক্ষাটি করা হয় ।
★ বীর্য পরীক্ষা বা সিমেন এনালাইসিস এ প্রাপ্ত কিছু ফলাফল:
১) অলিগোস্পার্মিয়া- পুরুষের বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কম থাকলে তাকে অলিগোস্পার্মিয়া বলে। অলিগোস্পার্মিয়া মধ্যে কয়েকটি শ্রেণীবিভাগ আছে
* মৃদু অলিগোস্পার্মিয়া- 10 থেকে 20 মিলিয়ন শুক্রাণু/মিলি বীর্য
* মধ্যম অলিগোস্পার্মিয়া- 5 থেকে 10 মিলিয়ন শুক্রাণু/ মিলি বীর্য
* তীব্র অলিগোস্পার্মিয়া- 5 মিলিয়ন শুক্রাণুর নিচে/ মিলি বীর্য
২) এজোস্পার্মিয়া- পুরুষের বীর্যের মধ্যে শুক্রাণুর অনুপস্থিতিকে এজোস্পারমিয়া বলে।
৩) এন্থেনোস্পার্মিয়া বা এন্থেনোজোস্পার্মিয়া - পুরুষের শুক্রাণুর স্বাভাবিক সঞ্চালন ক্ষমতা / মটিলিটি কমে যাওয়া কে এন্থেনোস্পার্মিয়া বা এন্থেনোজোস্পার্মিয়া বলে।
৪) নেক্রস্পার্মিয়া- পুরুষের বীর্যে শুক্রাণু সমূহ নিশ্চল (Immobile) অথবা মৃত্যু হলে তাকে নেক্রস্পার্মিয়া বলে ।
৫) টেরাটোজুস্পার্মিয়া - পুরুষের বীর্যের মধ্যে যদি বেশিসংখ্যক অস্বাভাবিক দর্শন শুক্রানু থাকে তাকে টেরাটোজুস্পার্মিয়া বলে । যেমন অনেক সময় শুক্রানুর মাথার আকার ও আয়তন ভিন্ন হয়। এমনকি কারো কারো দুটো মাথা থাকতে পারে। তাছাড়া শুক্রানুর মাঝের অংশ ও লেজের দিকেও ত্রুটি থাকে।
সিমেন এনালাইসিস বা বীর্য পরীক্ষায় পাওয়া শুক্রাণু সংখ্যাকে স্বাভাবিক বলে ধরা হবে যদি, প্রতি মিলিমিটার সেমিনাল ফ্লুইড পিছু দুই কোটি শুক্রাণু থাকে। অন্তত 15 শতাংশ বা তারও বেশি স্বাভাবিক আকৃতির শুক্রানু থাকে ( বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা অনুসারে ) । অন্তত 50 শতাংশ বা তার বেশি শুক্রাণুর স্বাভাবিক চলার ক্ষমতা বা মোটিলিটি থাকে। প্রতি ইজাকুলেশনে যেন দুই থেকে চার মিলিলিটার বীর্য পাওয়া যায়।
★ যারা বীর্য পরীক্ষা বা সিমেন এনালাইসিস করতে চান তাদের জানতে হবে:
সাধারণত বীর্য পরীক্ষা বা সিমেন এনালাইসিস এর জন্য তিন থেকে পাঁচ দিন শরীরী মেলামেশা বা সেক্স করা বা হস্তমৈথুন করা বা স্বপ্নদোষ না হওয়া থাকলে বীর্যের নমুনা দিতে হয়। 5 দিনের বেশি না আবার তিন দিনের কম ও না। কারণ হচ্ছে, 5 দিনের বেশি হলে নমুনাটি তে মৃত্যু অথবা চলৎশক্তিহীন বা ইমোমোটাইল স্পার্ম বেশি হারে থাকতে পারে।। তিন দিনের কম হলে সম্প্রীতি যৌনমিলন ঘটে থাকলে নমুনাটি তে যত পরিমাণ স্পার্ম থাকা উচিত নাও থাকতে পারে ফলে পরীক্ষায় অনেক কম আসবে।
★ সাধারণত কখন বীর্য পরীক্ষা বা সিমেন এনালাইসিস করতে হয় ?
পুরুষের বন্ধ্যাত্ব নির্ণয়ের জন্য সিমেন এনালাইসিস বা বীর্য পরীক্ষা করতে হয়।এছাড়া আরো কিছু কারণে একজন ডাক্তার সিমেন এনালাইসিস বা বীর্য পরীক্ষা করিয়ে থাকেন ।

★ শুক্রের গুণগতমান কিভাবে বাড়ানো যায় ?

জীবনযাত্রার পরিবর্তন ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ শুক্রানুর গুনগত মান বাড়াতে সবচেয়ে ভালো কাজ করে। প্রতিদিন নাস্তা হিসেবে খেজুর, মধু, কাঁচা পিয়াজ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যুক্ত খাবার ( ভিটামিন সি ,ভিটামিন ই ,ভিটামিন এ ও বিটা ক্যারোটিন যুক্ত খাবার ) , ডিম, দুধ, বাদাম, কিসমিস, মেথি শুক্রের উৎপাদন ও গুনগত মান বাড়াতে সাহায্য করে ।

14/05/2026

পুরুষদের দ্রুত বীর্যপাত সমস্যা কমাতে কলা, ডিম, কাঠবাদাম,মধু, রসুন, ডার্ক চকলেট,পালংশাক।
ডা.সৈয়দ এহতেশাম উল্লাহ। হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন।

18/12/2022
02/07/2022

Good Morning Everyone

16/03/2022

Dr.Syed Ahtesham Ullah
Consultant : Homeopathic Medicine

12/02/2022

# হোমিওপ্যাথির সাফল্য

১৭৯০ সালে ডাঃ স্যামুয়েল হানেমান সিংকোনার ছাল দিয়ে ম্যালেরিয়ার ঔষধ তৈরী করেন।ইহা ছিল তার প্রথম আবিষ্কার। তখন থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৪ হাজার ঔষধ হোমিওপ্যাথিতে আবিস্কার হয়েছে। কোনটাই অকার্যকর প্রমানিত হয় নি।
কিন্তু পশ্চিমা চিকিৎসা ব্যবস্থা বা এলোপ্যাথিতে প্রায়ই দেখা যায়, ঔষধের পার্শপ্রতিক্রিয়ার জন্য বাতিল হচ্ছে। এমনই একটা বহুল ব্যবহৃত ঔষধ হচ্ছে প্যারাসিটামল (Paracetamol)। যা সাধারনত জ্বর ও ব্যথার জন্য ব্যবহার হয়ে থাকে। সম্প্রতি ইউভার্সিটি অব এডিনবারার ক্লিনিক্যাল ফার্মাকোলজিষ্ট অধ্যাপক জেমস ডিয়ার বলেন, যারা দীর্ঘদিন ব্যথার ঔষধ হিসেবে paracetamol খাচ্ছেন, তাদের রক্তচাপ বেড়ে যাচ্ছে, যা হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
ঔষধ হিসেবে paracetamol একটি সাধারণ ঔষধ। এছাড়া এলোপ্যাথিতে আরও অনেক জটিল থেকে জটিলতর chemical ঔষধ হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে, যা আমাদের পাকস্থলী স্বাভাবিকভাবে গ্রহন করতে পারে না। তাই দেহে এগুলোর দ্বারা বিষক্রিয়া হয়। তাতে রোগ ভাল করার পাশাপাশি নতুন রোগের জন্ম দেয়।

20/09/2021

#লিভারঃ

লিভার শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং সর্ববৃহৎ অঙ্গ। শরীরকে সুস্থ রাখতে প্রয়োজন সুস্থ লিভার। লিভারকে বলা হয় শরীরের পাওয়ার হাউজ যা জীবন ধারনের জন্য অপরিহার্য। তাই লিভারের অসুস্থতার ফলাফল ক্ষেত্র বিশেষে হতে পারে ব্যাপক ও ভয়াবহ। লিভার সিরোসিস একটি মারাত্মক ও অনিরাময়যোগ্য রোগ। এতে যকৃৎ বা লিভারের কোষকলা এমনভাবে ধ্বংস হয়ে যায় যে, তা সম্পূর্ণ বিকৃত ও অকার্যকর হয়ে পড়ে। ফলে যকৃতের যেসব স্বাভাবিক কাজ আছে, যেমন বিপাক ক্রিয়া, পুষ্টি উপাদান সঞ্চয়, ওষুধ ও নানা রাসায়নিকের শোষণ, রক্ত জমাট বাঁধার উপকরণ তৈরি ইত্যাদি কাজ ব্যাহত হয়। দেখা দেয় নানাবিধ সমস্যা। ধীরে ধীরে এই রোগ মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয় মানুষকে।

#কেন হয়

হেপাটাইটিস বি ও সি ভাইরাস সংক্রমণ কারও কারও ক্ষেত্রে ক্রনিক বা দীর্ঘমেয়াদি আকার ধারণ করে সিরোসিসে পরিণত হয়। বিশ্বজুড়ে এটাই প্রধানতম কারণ। তবে সব ক্ষেত্রে এই সংক্রমণ সিরোসিসে পরিণত নাও হতে পারে। দেখা গেছে, ১৫ থেকে ২০ শতাংশ হেপাটাইটিস বি পজিটিভ রোগীর ৫ থেকে ২০ বছর পর লিভার সিরোসিস হতে পারে। তবে হেপাটাইটিস সি ভাইরাসের ক্ষেত্রে এই হার অনেক বেশি। এ ছাড়া দীর্ঘদিনের মদ্যপানের অভ্যাস, কিছু জিনগত সমস্যা, কিছু ইমিউন সিস্টেমের জটিলতায়ও লিভার সিরোসিস হতে পারে।

লিভার সিরোসিসের অন্যতম প্রধান কারণ ফ্যাটি লিভার। ফ্যাটি লিভার নানা কারণে হয়ে থাকে। যেমনঃ ডায়াবেটিস, রক্তে চর্বি বেশি থাকা, অতিরিক্ত ওজন, উচ্চরক্তচাপ , হাইপোথাইরয়েডিজম ইত্যাদি। এক গবেষণায় জানা যায়, ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত প্রায় ৩০ শতাংশ রোগী পরে লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হয়।

#উপসর্গঃ

প্রাথমিকভাবে সিরোসিসের কিছু লক্ষণ দেখা যায় তা হল- দুর্বলতা, সহজেই ক্লান্ত হয়ে পড়া, জ্বর জ্বর ভাব, পেটের ডান পাশে ব্যথা, দাঁতের মাড়ী বা নাক থেকে রক্ত পড়া, ঘনঘন পেটের সমস্যা। হঠাৎ রক্তে লিভার এনজাইমের অস্বাভাবিকতা বা আলট্রাসনোগ্রাফিতে যকৃতের আকার-আকৃতির পরিবর্তনের কারণ খুঁজতে গিয়ে লক্ষণ ধরা পড়ে লিভার সিরোসিস। সাধারণত খাদ্যে অরুচি, ওজন হ্রাস, বমি ভাব বা বমি, বমি বা মলের সঙ্গে রক্তপাত, শরীরে পানি আসা ইত্যাদি হলো মূল উপসর্গ। পরে যকৃতের অকার্যকারিতার সঙ্গে কিডনির অকার্যকারিতা, রক্তবমি, রক্তে আমিষ ও লবণের অসামঞ্জস্য ইত্যাদি জটিলতা দেখা দেয়। পরবর্তিতে লিভার সিরোসিস আরো জটিল আকার ধারণ করলে দেখা যায় পেটে জল আসার কারণে পেট ফুলে যাওয়া, জন্ডিস, অজ্ঞান হওয়া, রক্তবমি, পায়খানার সঙ্গে রক্ত যাওয়া, ফুসফুসে জল আসা, কিডনি ফেইলিউর, শরীরের যেকোনো জায়গা থেকে অনিয়ন্ত্রিত রক্তপাত, সর্বশেষ পর্যায়ে লিভার ক্যানসার।

#লিভার সিরোসিসের চিকিৎসাঃ

লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত যেকোনো ব্যক্তির উচিত দ্রুত লিভার বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হয়ে চিকিৎসা নেওয়া ও নিয়মিত ফলোআপে থাকা অথবা হোমিওপ্যাথিক বিশেষজ্ঞের সাথে যোগাযোগ করা। এতে দীর্ঘদিন সুস্থ থাকা যায়। এছাড়াও লিভার সিরোসিসের কারণ শনাক্ত করে চিকিৎসা করা গেলে লিভার সিরোসিসের জটিলতার দিকে যাওয়ার ঝুঁকিও অনেক কমে যায়। লিভার সিরোসিসের আধুনিক চিকিৎসা আজ এ দেশেই সম্ভব। তবে লিভার ট্রান্সপ্লান্টেশনের ব্যবস্থা এদেশে এখনও সেরকম নাই। প্রতিবেশী দেশে এ সুযোগ থাকলেও তা খুব ব্যয়বহুল আর সংগত কারণেই আমাদের দেশের অধিকাংশ রোগীর পক্ষে তা সাধ্যের অতীত। তবে আমরা আশাবাদী সেদিন হয়তো আর বেশি দূরে নয়, যেদিন আমাদের দেশেই অনেক সাশ্রয়ী মূল্যে এ দেশের লিভার ট্রান্সপ্লান্টেশন সম্ভব হবে।

লিভারের রোগ মানেই সব কিছু শেষ হয়ে যাওয়া নয়। সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রেই সম্পূর্ন নিরাময় এবং জটিলতা মুক্ত থেকে মোটামুটি স্বাভাবিক ভাবে জীবন নির্বাহ করা যায়। তাই এব্যাপারে সবার সচেতনতা অত্যন্ত জরুরী।

#হোমিওপ্যাথিক_চিকিৎসাঃ

লিভার ট্রান্সপ্লান্টেশন ছাড়াই হোমিওপ্যাথিক ঔষধের মাধ্যমে লিভার সিরোসিসের জটিল সব উপসর্গ নির্মূল করে পরিপূর্ণ সুস্থ করা হচ্ছে হাজার হাজার রোগীকে। হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা আধুনিক, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন ও সফল এবং অধিকতর কার্যকর একটি বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা পদ্ধতি .

Address

Dhaka

Telephone

+8801309026582

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Medical Health 24 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Medical Health 24:

Shortcuts

Share

Category