Dr. Md. Emraan Hossain

Dr. Md. Emraan Hossain MBBS, FCPS fp(orthopaedic & trauma surgery)

বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় (ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা) হাম রোগ দ্রুত ছড়াচ্ছে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ ও মৃ...
31/03/2026

বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় (ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা) হাম রোগ দ্রুত ছড়াচ্ছে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ ও মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ছে।

👶 কেন শিশুরা বেশি ঝুঁকিতে?
৫ বছরের নিচের ও টিকা না নেওয়া শিশুদের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। অনেক শিশু ৯ মাসের আগেই আক্রান্ত হচ্ছে, যখন তারা এখনো টিকার উপযুক্ত নয়।

⚠️ লক্ষণগুলো চিনে রাখুন:
• জ্বর
• সর্দি, কাশি
• চোখ লাল ও পানি পড়া
• মুখের ভেতরে সাদা দাগ
• কয়েকদিন পর মুখ থেকে শুরু হয়ে সারা শরীরে লাল ফুসকুড়ি

🚨 ঝুঁকি ও জটিলতা:
• নিউমোনিয়া
• ডায়রিয়া ও পানিশূন্যতা
• অন্ধত্ব
• মস্তিষ্কের প্রদাহ (গুরুতর ক্ষেত্রে মৃত্যু)

💊 কি করবেন?
• দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন
• পর্যাপ্ত পানি ও পুষ্টিকর খাবার দিন
• ভিটামিন A (২ ডোজ) দিন
• আক্রান্ত ব্যক্তিকে আলাদা রাখুন

💉 প্রতিরোধই সেরা উপায়:
• ৯ মাসে ১ম ডোজ (MR/MMR)
• ১৫–১৮ মাসে ২য় ডোজ
• টিকা নিন, পরিবারকে সুরক্ষিত রাখুন

📢 সচেতন হোন, অন্যকে জানান—হাম ছোঁয়াচে রোগ, দ্রুত ছড়ায়!

26/03/2026
🩺 বেড সোর (Pressure Ulcer): ধৈর্য ও সঠিক যত্নেই সম্ভব নিরাময়দীর্ঘদিন বিছানায় শয্যাশায়ী রোগীদের জন্য বেড সোর একটি নীরব...
06/03/2026

🩺 বেড সোর (Pressure Ulcer): ধৈর্য ও সঠিক যত্নেই সম্ভব নিরাময়

দীর্ঘদিন বিছানায় শয্যাশায়ী রোগীদের জন্য বেড সোর একটি নীরব কিন্তু মারাত্মক জটিলতা। পিঠ, নিতম্ব বা গোড়ালির হাড়ের ওপরের অংশে ক্রমাগত চাপ পড়লে এই ক্ষত তৈরি হয়, যা সঠিক যত্নের অভাবে দ্রুত গভীর ও সংক্রমিত হতে পারে।

সম্প্রতি আমাদের কাছে এমনই একজন রোগী আসেন, গুরুতর সংক্রমিত বেড সোর নিয়ে। দীর্ঘদিনের অবহেলায় ক্ষতটি এতটাই গভীর হয়ে গিয়েছিল যে অবস্থা জটিল আকার ধারণ করেছিল।

🛠️ আমরা যেভাবে মোকাবিলা করলাম:
✔️ নিয়মিত ও সঠিক পদ্ধতিতে ক্ষত পরিষ্কার (Wound Toileting)
✔️ সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী ব্যবস্থা
✔️ আধুনিক ড্রেসিং পদ্ধতি ব্যবহার
✔️ উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করা
✔️ রোগীর অবস্থান নিয়মিত পরিবর্তন

✨ ফলাফল:
প্রায় আড়াই মাসের নিয়মিত চিকিৎসা, ধৈর্য ও আন্তরিক সেবার ফলে আজ সেই ভয়ংকর ক্ষতটি সম্পূর্ণ ভালো হয়ে গেছে!

এই ঘটনা প্রমাণ করে, ধৈর্য, আধুনিক চিকিৎসা ও নিয়মিত ড্রেসিং-এর সমন্বয়ে গুরুতর বেড সোরও পুরোপুরি নিরাময় সম্ভব।

---

🛡️ বেড সোর প্রতিরোধে করণীয়:
১. 🔄 প্রতি ২ ঘণ্টা পরপর রোগীর অবস্থান পরিবর্তন করুন।
২. 🛏️ বিছানা সবসময় পরিষ্কার, শুষ্ক ও ভাঁজমুক্ত রাখুন।
৩. 🛏️ চাপ কমানোর জন্য এয়ার ম্যাট্রেস বা সফট কুশন ব্যবহার করুন।
৪. 🧼 রোগীর ত্বক সবসময় পরিষ্কার ও শুষ্ক রাখুন।
৫. 🥚🥛 প্রোটিন ও পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করুন (ডিম, দুধ, মাছ)।
৬. 🔍 চাপ পড়ে এমন জায়গা (পিঠ, নিতম্ব, গোড়ালি) প্রতিদিন পরীক্ষা করুন।
৭. ⚠️ লালচে দাগ বা ফোসকা দেখলেই দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

---

👨‍⚕️ আপনার চিকিৎসায় আছি আমি:

ডা. মো. ইমরান হোসেন
এমবিবিএস (ঢাকা)
এফসিপিএস (অর্থোপেডিকস) (এফ. পি )
এও ট্রমা প্রি-বেসিক
অর্থোপেডিকস ও ট্রমা সার্জারি

📍 ঠিকানা: সেবা শুশ্রুষা হাসপাতাল, স্টেশন রোড, মেডিকেল গেইট, টঙ্গী।

📞 যোগাযোগ: 01621866088

07/02/2026
23/12/2025

Hot Compression💥VS Cold Compression 🥶
কখন কোনটা দিবো⚠️

💥💥

💥Chronic pain এ Hot/Warm compression দিলে vasodilation হয়ে blood supply বেড়ে Healing process improved হয় এবং ব্যাথা উপশম হয়

♦️মেয়েদের Painful Menstruation এ(Dysmenorrhea)
♦️Low Back pain যেকোনো trauma এর কারণে
♦️Prolapse lumber Intervertebral disk(PLID)
♦️Muscle spasm & joint stiffness কমানোর জন্য
♦️Osteoarthritis & Rhumatoid Arthritis এর ক্ষেত্রে
♦️Mumps এর পেশেন্ট Parotid Gland এ
♦️চোখ related Prblm (Conjunctivitis,Stye,Chalazion
♦️দাতের ব্যথ্যায়(Toothache)
♦️Sprain & Tendinosis এর ক্ষেত্রে (Heat Relieves Stiffness)
♦️Piles,Hemmoroids,Anal fissure এসব ক্ষেত্রে Hipbath Prefer করা হয়
♦️Boil ,Abcess এর ক্ষেত্রে ও,এতে Blood supply বাড়ে so Reach Antibiotics ✅
-Fever(গা মুছে দেয়া luke warm water দিয়ে)

🥶

Acute Pain এ Cold Compression দেয়া হয় কারন এতে vasoconstriction করে which numbs পেইন , relieves inflammation& control swelling ... within 24 hours Cold Compression বেশ Effective ✅

🔷Acute pain এর ক্ষেত্রে
🔷Recent কোনো Injury তে Blunt trauma,muscle pool;ligament injury,sprain....
🔷Swelling এর ক্ষেত্রে
🔷Tendonitis/Bursitis এ
🔷Strains
🔷Migraine (ice helps numb throbbing head pain)
🔷Minor BURN এ ,,এতে Blister হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়
🔷Gout Flare-ups(numbs the pain) Chikungunya
🔷In case of Acne
🔷পোকা কামড়ালে(insect bites)

Atif

Thanks

ইউরিক অ্যাসিড – নিঃশব্দে শরীরে জমে ওঠা এক শত্রু! 🩸সমস্যাকে ছোট করে দেখবেন না, আজ জানুন কারণ, ক্ষতি, প্রতিকার আর সঠিক খাদ...
26/09/2025

ইউরিক অ্যাসিড – নিঃশব্দে শরীরে জমে ওঠা এক শত্রু! 🩸

সমস্যাকে ছোট করে দেখবেন না, আজ জানুন কারণ, ক্ষতি, প্রতিকার আর সঠিক খাদ্যাভ্যাস। সুস্থ জীবন আপনার হাতেই।

🔴 ইউরিক অ্যাসিড কী?

ইউরিক অ্যাসিড হলো আমাদের শরীরে পিউরিন নামক প্রাকৃতিক রাসায়নিক ভাঙার ফলে তৈরি হওয়া বর্জ্য পদার্থ। সাধারণত কিডনি এটি শরীর থেকে প্রস্রাবের মাধ্যমে বের করে দেয়।

কিন্তু যখন ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে যায় (Hyperuricemia), তখন শরীরে নানা জটিলতা দেখা দেয়।

⚠️ ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে গেলে কী হয়?

🔹 গাউট (Gout):

জয়েন্টে (গাঁটে) স্ফটিক আকারে জমে গিয়ে তীব্র ব্যথা, ফোলা ও লালচে ভাব।

সাধারণত পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলিতে বেশি হয়।

🔹 কিডনির ক্ষতি:

অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিড কিডনিতে পাথর তৈরি করতে পারে।

এতে প্রস্রাবে জ্বালা, ব্যথা, রক্ত আসা, কিডনি ফেইলিওরের ঝুঁকি।

🔹 শরীরের ক্লান্তি ও ব্যথা:

শরীর ভারী লাগে।

মাংসপেশি ও হাড়ে ব্যথা ও অস্বস্তি।

🔹 উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগ:

গবেষণায় প্রমাণিত, ইউরিক অ্যাসিডের উচ্চ মাত্রা হাই ব্লাড প্রেশার ও কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

🔹 মেটাবলিক সিনড্রোম:

ডায়াবেটিস, স্থূলতা, কোলেস্টেরল সমস্যা ইত্যাদির সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে।

🔎 ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে যাওয়ার কারণ

✔ অতিরিক্ত লাল মাংস, কলিজা, মাছের ডিম, সার্ডিন, অ্যাঙ্কোভি, সি-ফুড খাওয়া।

✔ বেশি ভাজাপোড়া ও ফাস্টফুড খাওয়ার অভ্যাস।

✔ অ্যালকোহল ও চিনি মেশানো পানীয় (সফট ড্রিংকস, এনার্জি ড্রিংকস)।

✔ স্থূলতা বা অতিরিক্ত ওজন।

✔ কিডনির দুর্বলতা বা কম কার্যকারিতা।

✔ বংশগত কারণ।

✔ দীর্ঘমেয়াদে কিছু ওষুধ যেমন ডায়ুরেটিক (মূত্রবর্ধক) ওষুধ।

✅ ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণের উপায়

খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণ করুন

পিউরিন সমৃদ্ধ খাবার কম খান (লাল মাংস, কলিজা, সি-ফুড)।

শাকসবজি, ফলমূল, আঁশযুক্ত খাবার বেশি খান।

পরিশোধিত চিনি, ফাস্টফুড, ঝাল-তেল এড়িয়ে চলুন।

প্রচুর পানি পান করুন

প্রতিদিন অন্তত ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন।

পানি কিডনিকে ইউরিক অ্যাসিড বের করতে সাহায্য করে।

ওজন নিয়ন্ত্রণ করুন

স্থূলতা ইউরিক অ্যাসিডের ঝুঁকি বাড়ায়।

নিয়মিত হাঁটা, সাঁতার, হালকা ব্যায়াম করুন।

অ্যালকোহল ও মিষ্টি পানীয় এড়িয়ে চলুন

বিয়ার, ওয়াইন, সোডা ইউরিক অ্যাসিড বাড়ায়।

🍎 ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে গেলে যেসব খাবার উপকারী

✅ ফলমূল

আপেল, চেরি, স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি, আঙুর, কলা।

✅ সবজি

শসা, লাউ, করলা, ঢেঁড়স, মুলা, গাজর, বাঁধাকপি, ফুলকপি, ব্রকলি।

✅ ডাল ও শস্য

অল্প পরিমাণে মসুর ডাল, মুগ ডাল, ওটস, ব্রাউন রাইস।

✅ দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার

লো-ফ্যাট দুধ, দই, ছানা।

✅ বাদাম ও বীজ

আমন্ড, আখরোট, চিয়া সিড, ফ্ল্যাক্স সিড।

✅ পানি ও তরল

লেবুর পানি, ডাবের পানি, সাধারণ পানি।

🚫 যেসব খাবার এড়িয়ে চলবেন

❌ লাল মাংস (গরু, খাসি, ভেড়া)।

❌ কলিজা, ভুঁড়ি, মগজ জাতীয় খাবার।

❌ সি-ফুড (সার্ডিন, অ্যাঙ্কোভি, চিংড়ি, মাছের ডিম)।

❌ অতিরিক্ত ডাল ও মটরশুঁটি।

❌ অ্যালকোহল।

❌ সফট ড্রিংকস, এনার্জি ড্রিংকস, বেশি মিষ্টি।

🟢 জীবনধারায় করণীয়

🔹 নিয়মিত হাঁটাহাঁটি ও হালকা ব্যায়াম।

🔹 রাত জাগা এড়িয়ে চলা।

🔹 স্ট্রেস কমানো (ধ্যান, প্রার্থনা, বিশ্রাম)।

🔹 সঠিক সময়ে খাবার খাওয়া।

🔹 নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা (রক্ত পরীক্ষা – ইউরিক অ্যাসিড লেভেল)।

📝 শেষ কথা

ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যাওয়া অবহেলার বিষয় নয়। এটি গাউট, কিডনি স্টোন, উচ্চ রক্তচাপসহ নানা জটিল রোগ তৈরি করতে পারে।

👉 তাই সঠিক খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত পানি, নিয়মিত ব্যায়াম ও চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চললেই ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

Address

Dhaka

Telephone

+8801621866088

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Md. Emraan Hossain posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category