প্রাকৃতিক চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ থাকার ও রাখার মিশন

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • প্রাকৃতিক চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ থাকার ও রাখার মিশন

প্রাকৃতিক চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ থাকার ও রাখার মিশন প্রকৃতিই জীবন, জীবনই প্রকৃতি। তাই আসু?

19/08/2022
পুষ্টিবিজ্ঞানীরা বলছেন, দুধে ক্যাসেইন নামে এক ধরণের রাসায়নিক উপাদান থাকার কারণে অনেকের পেটে হজম না হলেও, ঘি খেতে পারেন ত...
15/05/2022

পুষ্টিবিজ্ঞানীরা বলছেন, দুধে ক্যাসেইন নামে এক ধরণের রাসায়নিক উপাদান থাকার কারণে অনেকের পেটে হজম না হলেও, ঘি খেতে পারেন তারাও একদম নিশ্চিন্তে।
পুষ্টিবিজ্ঞানীগন বলেন, 'ঘি আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। যদিও আমরা চর্বির ভয়ে দুধ খেতে পারিনা। কিন্তু ঘিতে ভাল চর্বি বিদ্যমান। যা আমাদের হার্টের জন্য ভাল। এজন্য ঘি আমরা নির্ভয়ে খেতে পারি। প্রতিদিন যদি নিয়ম করে আধা চামচ বা এক চামচ ঘি খাই, তাহলে তা আমাদের হার্টের জন্য ভাল। স্বাস্থ্য ও ত্বকও ভাল থাকবে। দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি পাবে। হজমে সহায়তা করবে।'

ঘি এর সেরা ১০ উপকারিতা

বিভিন্ন রোগ নিরাময়ে ঘি-এর উপকারিতা অসীম। দুধের চেয়েও ঘি হজমের শক্তি বেশি বাড়িয়ে দেয় বলে চিকিৎসকরা দাবি করেছেন। জ্বর থেকে সেরে ওঠার পর এনার্জি ফিরে পেতে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে ঘি। ঘিয়ের যে কত উপকারিতা, সেটা অনেকেই জানেন না। ঘি যতটা খাবারের স্বাদ বাড়ায়, ততটাই উপকারী ত্বক এবং চুলের জন্যও। শীতকালে সকলেরই অল্পবিস্তর ঠোঁট ফাটে। অল্প একটু ঘি নিয়ে ঠোঁটে লাগিয়ে হালকা হাতে ঘষুন। ঠোঁটকে আরো নরম এবং গোলাপি রাখতে ঘিয়ের জুড়ি মেলা ভার। ঠোঁটের মতো চুলের সৌন্দর্য বাড়াতেও ঘি দারুণ উপকারী। চুলকে আরো চকচকে এবং নরম রাখে ঘি। এক চামচ নারিকেল তেলের সঙ্গে ২ চামচ ঘি নিয়ে চুল এবং স্কাল্পে ভালো করে লাগান। ৩০ মিনিট রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। তা ছাড়া চোখের নিচের কালি দূর করতেও সাহায্য করে ঘি। ত্বকের জন্যও দারুণ উপযোগী ঘি। চলুন আরো জেনে নেই ঘি এর সেরা ১০টি উপকারিতাঃ

১. মানসিক মাথাব্যথা মুছে ফেলে:
এক গবেষণায় দেখা যায়, নেতিবাচক আবেগের একটি রাসায়নিক মিল রয়েছে এবং তা হল এইসব রাসায়নিক পদার্থের মধ্যে অস্বাস্থ্যকর চর্বি রয়েছে। ঘি একটি সুস্থ চর্বি যা এই আবেগ পোষণ করে না। ঘি সহজে নষ্ট হয় না। প্রায় ১০০ বছর পর্যন্ত ঠিক থাকে ঘি।

২. ক্ষতিকারক সেল ধ্বংস করে:
Butyric অ্যাসিড শরীরের ইমিউন সিস্টেমের দক্ষতা বৃদ্ধি করে। এটি শরীরের ক্ষতিকারক সেল ধ্বংস করতে পারে। ঘি-এর স্ফুটনাঙ্ক খুব বেশি। ২৫০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড পর্যন্ত ঘি গরম করা যায়। অধিকাংশ তেলই এই তাপমাত্রায় গরম করলে ক্ষতিকারক হয়ে যায়।

৩. ওজন হ্রাস করে:
জলপাইয়ের তেল ও নারিকেলের তেলের মত ঘি’তেও সে সমস্ত স্বাস্থ্যকর পুষ্টি বিদ্যামান, যা আপনার শরীরের চর্বি পোড়াতে সাহায্য করে এবং ওজন হ্রাস করে।

৪. মারাত্মক রোগের ঝুঁকি কমায়:
ঘি’তে লিনলিয়েক এসিড সমৃদ্ধ, এটি এক প্রকার ফ্যাটি এসিড যা প্লাককে প্রতিরোধ করে ক্যান্সার, ডায়াবেটিস এবং হার্টের বিভিন্ন রোগ দূর করে। বহু প্রাচীন কাল থেকেই ঘি পজিটিভ ফুড হিসেবে পরিচিত। আধুনিক গবেষণাও বলছে ঘি খেলে পজিটিভিটি বাড়ে। মনোবল উন্নত হয়।

৫. হজম শক্তি বৃদ্ধি করে:
ঘিয়ের মধ্যে রয়েছে Butyric অ্যাসিড। একটি সংক্ষিপ্ত চেইন ফ্যাটি অ্যাসিড যার বেশ কিছু সুবিধা আছে। অনেক সুবিধার মধ্যে, সবচেয়ে কার্যকরী সুবিধা হল, এটি হজম শক্তি বৃদ্ধি করে। আমাদের শরীর ফাইবারকে butyric অ্যাসিডে রূপান্তর করে। তাই, ঘি খাবার ফলে Butyric অ্যাসিড পরিপাক নালীর কাজে সাহায্য করে এবং এটি সুস্থ রাখে। Butyric অ্যাসিড শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

৬. শক্তি বৃদ্ধি করে:
ঘি’তে মধ্যম চেইন ফ্যাটি এসিড বিদ্যামান। যা, লিভার সরাসরি শোষণ করতে পারে এবং দ্রুত বার্ন করতে পারে। আমরা যে সকল কার্বযুক্ত খাবার গ্রহণ করি, তার মধ্যে এটি শক্তির একটি স্বাস্থ্যসম্মত উৎস।

৭. ক্ষত সারাতে সাহায্য করে:
প্রদাহ দূর করার এটি একটি প্রাকৃতিক উপায়। নিয়মিত ঘি খাদ্য তালিকায় রাখলে, তা শরীরের প্রদাহ দূর করে। ঘি’তে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের অ্যান্টি-ভাইরাল গুণ। যা ক্ষত সারাতে সাহায্য করে। এই কারণেই ডেলিভারির পর নতুন মায়েদের ঘি খাওয়ানো হয়।

৮. কোলেস্টেরল কমায়:
ঘি’তে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড বিদ্যামান। যা আমাদের কোলেস্টেরল কমিয়ে ফেলে এবং হার্টের সুরক্ষা প্রদান করে। ঘিয়ের মধ্যে থাকা মিডিয়াম চেন ফ্যাটি অ্যাসিড খুব এনার্জি বাড়ায়। অধিকাংশ অ্যাথলিট দৌড়নোর আগে ঘি খান। এর ফলে ওজনও কমে।

৯. চোখের স্বাস্থ্য ভাল করে:
ঘি ভিটামিন ‘এ’ তে সমৃদ্ধ। যা আমাদের চোখের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

১০. ক্ষুধা মন্দা দূর করে:
হজম শক্তি বৃদ্ধির সাথে সাথে এটি ক্ষুধা কমানোর ক্ষেত্রেও ব্যাপক ভূমিকা পালন করে। ভিটামিন এ ও ই থাকায় ঘি পুষ্টিগুণে ভরপুর। সুন্দর গন্ধ ও স্বাদ অথচ অধিকাংশ দুগ্ধজাত দ্রব্যের মতো ঘি থেকে অ্যালার্জি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

জানেন কি মরিংগা পাউডার (Moringa Powder) বা সজিনা পাতা গুড়াকে সুপার ফুড বলা হয়।সজিনা পাতা সম্পর্কে কিছু তথ্য যা আপনাকে অব...
15/05/2022

জানেন কি মরিংগা পাউডার (Moringa Powder) বা সজিনা পাতা গুড়াকে সুপার ফুড বলা হয়।
সজিনা পাতা সম্পর্কে কিছু তথ্য যা আপনাকে অবাক করবেঃ

🌿সজিনা পাতায় কমলা লেবুর তুলনায় ৭ গুণ ভিটামিন-সি রয়েছে।

🌿 দুধের তুলনায় ৪ গুণ ক্যালসিয়াম এবং দুই গুণ আমিষ রয়েছে।

🌿 গাজরের তুলনায় ৪ গুণ ভিটামিন-এ পাওয়া যায়।
🌿 কলার চেয়ে ৩ গুণ পটাশিয়াম বিদ্যমান।

শুনে আরও অবাক হবেন যে সজিনার পাতা পানিকে আর্সেনিক মুক্তও করে।

আসুন এই অলৌকিক পাতার আরো কিছু বিস্ময়কর গুন জেনে নেইঃ

🌱সজিনার পাতা হৃদরোগীদের জন্যে ঠিক ওষুধের মত কাজ করে, উচ্চ রক্তচাপ কমায়, কোলেস্টেরল কমায়, ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রিত রাখে।

🌱এক টেবিল চামচ শুকনা সজিনা পাতার গুঁড়া থেকে ১-২ বছর বয়সী শিশুদের অত্যবশ্যকীয় ১৪% আমিষ, ৪০% ক্যালসিয়াম ও ২৩% লৌহ ও ভিটামিন-এ সরবরাহ হয়ে থাকে।

🌱দৈনিক ৬ চামচ সজনে পাতার গুঁড়া একটি গর্ভবর্তী বা স্তন্যদাত্রী মায়ের চাহিদার সবটুকু ক্যালসিয়াম ও আয়রন সরবরাহ করতে সক্ষম।

🌱 সজিনা পাতা বহুমূত্র রোগের জন্যে অনেক উপকারী।

🌱সজিনার ডাটা থেকে সজিনার পাতা অধিক উপকারী।

🌱এলার্জি জনিত সমস্যা হলে সজিনার পাতা বেটে আক্রান্ত স্থানে প্রলেপ দিলে অনেক উপকার পাওয়া যায়।

🌱প্রতিদিন সকালে এক চামচ শুকনা গুড়া পানিতে গুলিয়ে খেলে পেটের প্রদাহ, গ্যাস্ট্রিক মুক্তি পাওয়া যায়।

🌱গেটেবাত এর জন্যে সজিনা পাতা বেটে হাটুতে বা যে স্থানে ব্যাথা হয় লাগিয়ে রাখলে ব্যাথা মুক্তি পাওয়া যায়।

🌱সজিনার ফুল এ ও অনেক উপকার আছে যেমন : হজম শক্তি বাড়ায়, কোষ্ট কাঠিন্য দূর করে ইত্যাদি।

🌱সজিনার পাতা পোকার কামড়ের তাতক্ষনাৎ এন্টিসেপ্টিক হিসেবে অনেজ ভালো কাজ করে।

🌱 সজিনার পাতা ক্রিমিনাশক হিসেবে কাজ করে। ক্রিমি সমস্যা করলে সজিনা পাতা গুড়ো করে অথবা অন্য খাবারের সাথে খান।

🌱সজিনা শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, শরীর কে কর্মঠ রাখে। হাড় এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করে যা আত্মরক্ষার ও ভূমিকা পালন করে।

🌱 সজিনা পাতা যকৃত ও কিডনির কাজ সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন করতে সাহায্য করে। রোগ প্রতিরোধ করে কিডনি ও লিভার সুস্থ রাখে।

🌱সজিনা পাতা গর্ভবস্থায় মায়ের শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করে এবং মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধি করে কোনো ধরনের পার্শ প্রতিক্রিয়া ছাড়া।

🌱শরীরের ওজন কমাতে অনেক সাহায্য করে। ব্যায়াম এর পাশাপাশি সজিনা পাতা খান।

🌱 ডাক্তার ও বিশেষজ্ঞ দের মতে সজিনা পাতা ও ডাটা প্রায় ৩০০+ রোগের জন্যে উপকারী ও রোগ নিরাময় করে।

🌱সজনে পাতা বাচ্চাদের পেট পরিষ্কার রাখে।

🌱 সজনে পাতা চামড়া ও চুলের জন্যে ও ভালো।

এবার এর ব্যবহারবিধি সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাকঃ

💅ত্বক এর জন্যে :
মধুর সাথে সজিনা পাতার রস বা শুকনো গুড়া মিশিয়ে মুখে লাগানে পারেন। এতে মুখের চামড়া টান টান হয়, পরিষ্কার হয় ব্রণ দূর হয়।

💅 ত্বক এর ক্ষতস্থান এর মধ্যে লাগাতে পারেন পাতা বেটে বা গুড়া পেস্ট করে। সজনে পাতা ত্বক এর মধ্যে ক্ষত থাকলে তা ও সারায়।

💅চুলের জন্যে :
সজনে পাতার রস বা শুকনা গুড়া পেস্ট করে সাথে মধু মিক্স করে বা এমনি মাথায় দিয়ে ম্যাসাজ করুন। এতে চুল পড়া কমবে। মাথার ত্বক পুষ্টি গুণ পাবে। মাথা ঠান্ডা থাকবে। চুল সুন্দর ও ঘন হবে।

21/04/2022
😊জেনে নিন হাতীশূড় গাছের ঔষধি  গুন:-পুরনো দালান ঘেঁষে কিংবা রাস্তার ধারে অন্য আগাছার মাঝে এ গাছটি দেখা যায়। এ গাছের বাঁক...
24/03/2022

😊জেনে নিন হাতীশূড় গাছের ঔষধি গুন:-

পুরনো দালান ঘেঁষে কিংবা রাস্তার ধারে অন্য আগাছার মাঝে এ গাছটি দেখা যায়। এ গাছের বাঁকানো পুষ্পদণ্ডে ফুটে থাকে সাদা সাদা ফুল। গজদন্ত অর্থাৎ হাতির দাঁতের মতো শুভ্র এই ফুল।গাছটি আগাছার সঙ্গে এখানে সেখানে জন্মায় তাই সাধারণের দৃষ্টি এড়িয়ে যায়। মোটামুটি এক দেড় ফুট লম্বা হয়। গাছের কাণ্ড ফাঁপা, নরম। সারা দেহে ছোট ছোট রোম আছে। গাছের ওপরের দিকের কাণ্ড চৌকো, নিচের দিকে অপেক্ষাকৃত গোলাকার। সংস্কৃত নাম শ্রীহস্তিনী।
বৈজ্ঞানিক নাম হেলিওট্রোপিয়াম ইনডিকাম Heliotropium indicum, এবং ইংরেজি নাম 'Indian heliotrope'।
হাতিশুর গাছের উপকারিতা:
(১)দেহে ছত্রাকজনিত সংক্রমণে লাল চাকা চাকা দাগ নিরাময়ে এর পাতার রস ব্যবহার করা হয়।
(২)ফোলায় পাতা বেঁটে অল্প গরম করে ফোলায় লাগালে, ফোলা কমে যায়।
(৩) জ্বর ও কাশিতে এই গাছের মূল জলের সঙ্গে ফুটিয়ে ক্বাথও তৈরি করে ব্যবহার করা হয়।
(৪) বিষাক্ত পোকার কামড়ে – পাতার রস লাগালে জ্বালা এবং ফোলা কমে যায়।
(৫) আঘাতজনিত ফোলায় – পাতা বেঁটে অল্প গরম করে লাগালে, ফোলা এবং ব্যাথা কমে যায়।

(৬) যাদের সর্দি লাগবে তারা এই হাতিশুড়ের পাতা সেচে দুই চামচ পরিমাণ রস খেতে পারেন এতে করে আপনার সর্দি ভাল হবে।
(৭) টাইফয়েড জ্বরে: টাইফয়েড রোগে এই উদ্ভিদটির পাতা হতে পারে কার্যকরী সমাধান। এর পাতার রস হালকা গরম করে পানিতে মিশিয়ে খেলে টাইফয়েড ভাল হয়।
(৮) একজিমা:একজিমা থেকে মুক্তি পেতে হাতিশুড় গাছের পাতা থেতলে আক্রান্ত স্থানে দিন।এভাবে কিছুদিন ব্যবহারে একজিমা সেরে যাবে।
(৯)রিউম্যাটিক বাতে: রেড়ির তেলের সঙ্গে পাতার রস মিশিয়ে পাক করে গাঁটে লাগাতে হয়।
(১০) দাঁতের মাড়ি ফোলায়:দাঁতের মাড়ি ফোলা রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি হাতিশুরের মূল চিবালে মাড়ি ফোলা কমে যায়।
১১)কাটা ছেঁড়া: কাটা ছেঁড়া স্থানে হাতিশুরের পাতা থেতলে রস দিতে হবে এতে কাটা ছেঁড়া ঘুচে যাবে।
(১২)ব্রন: ব্রন হলে বা এর দাগ হয়ে গেলে হাতিশুঁড় গাছের পাতা ও তার কচি ডাল থেঁতো করে দুপুরে গোসল করতে যাবার ১ঘন্টা আগে ব্রণের ওপর প্রলেপ দিলে ব্রণ সারে এবং নতুন করে আর ব্রণ হয় না।
(১৪)ফ্যারিঞ্জাইটিস রোগে – পাতার রস অল্প গরম জলে মিশিয়ে গার্গল করা।

23/01/2022

🔷🔸🩺দেহকে Nutrition বা পুষ্টি দিয়ে স্থায়ী রোগ মুক্ত হবেন তারা, নিজের দেহকে সম্পদ মতে করবেন যারা 🩺🔶🔹

Address

Road 3/F, Sector 9
Dhaka
1230

Telephone

+8801620406093

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when প্রাকৃতিক চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ থাকার ও রাখার মিশন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to প্রাকৃতিক চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ থাকার ও রাখার মিশন:

Shortcuts

Share