06/11/2020
"অমুক যেহেতু নামায পড়ে আবার ঘুষও খায়, তাই আমি নামায পড়ব না। কিন্তু নামায না পড়লেও আমি কিন্তু ঘুষ খাই না। আমার মধ্যে দ্বিমুখিতা নেই।"
"অমুক যেহেতু হিজাব করে ডেটিংয়ে যায়, তাই আমি হিজাব করব না। আমি তো শালীনতা বজায় রেখেই চলাফেরা করি। আমার মন পরিষ্কার।"
"মৌলবিরা তো সারাদিন কুরআন-হাদিস নিয়ে থাকে, আবার পত্রিকায় দেখি মাদরাসায় ধর্ষণ হয়। কাজেই অত কুরআন-হাদিস মানার দরকার নেই। সবকিছুতে কুরআন-হাদিস টেনে সিগ্ধান্ত নিতে পারব না। তবে আমার মনে ভক্তি-বিশ্বাস আছে। আমি ওসব মৌলবিদের মতো না।"
এ ধরণের কথা বলা লোকগুলো কি আসলে ইসলাম নিয়ে আন্তরিক চিন্তা আর উদ্বেগের জায়গা থেকে এগুলো বলে? নাকি কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনার অজুহাত দিয়ে নিজেদের খেয়ালখুশি আর সীমালঙ্ঘনকে জায়েজ করতে চায়?
শিক্ষিত লোকদের অনেকেই দুর্নীতিবাজ হয়, তাই আপনি পড়াশুনা করবেন না? অনেকে ঘুষ খায় আবার দানও করে, তাই আপনি দান করা ছেড়ে দিবেন? অনেকের আচরণ সামনাসামনি খুব ভালো, কিন্তু পেছনে গীবত করে। তাই আপনি সবার সাথে খারাপ আচরণ করবেন? এগুলো কি সুস্থ কোন মানুষের কথা হতে পারে? অথচ আল্লাহর হুকুমের ব্যাপারে কিন্তু এসব কথাই বছরের পর বছর বলা হচ্ছে। কেউ দাড়ি রেখে কিংবা হিজাব করে কোন গুনাহর কাজ করলে তাতে আল্লাহর হুকুম পালন করার বাধ্যবাধকতা বদলে যায় না। আরেকজনে কী করলো তাতে আমার দায়িত্ব, আমার হিসেব তো বদলাবে না। এসব কথা আসলে আল্লাহর অবাধ্যতা করার জন্য দুর্বল অজুহাত ছাড়া আর কিছুই না।🙂
-অজুহাত