আরোগ্য জেনেটিক হোমিও কেয়ার

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • আরোগ্য জেনেটিক হোমিও কেয়ার

আরোগ্য জেনেটিক হোমিও কেয়ার Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from আরোগ্য জেনেটিক হোমিও কেয়ার, Doctor, হাজী সবু খান রোড, জয়নাল মার্কেট ( আলিফ টাওয়ারের দিকে), দক্ষিণ খান, উত্তরা ৬, Dhaka.

Dr. Shamima Afrin Arifa
BHMS(On course),DU
DHMS(PHMCH)
Genetic Homeopath
Drug Inspector ( Homeopathic),
Directorate General of Drug Administration (DGDA)

👍👍🌏Google Location :
https://maps.app.goo.gl/zULtQTSbKazrXL8X7?g_st=aw

থাইরয়েডের সমস্যা দূর করুন, জেনেটিক হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা গ্রহণ করুন,সুস্থ থাকুন।
01/08/2026

থাইরয়েডের সমস্যা দূর করুন, জেনেটিক হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা গ্রহণ করুন,সুস্থ থাকুন।

📍📍📍কিডনি সমস্যা ও ভালো রাখার উপায়🟢১.কিডনি ভালো রাখতে রক্তে ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন,২. দৈনিক অন্তত ৮ গ্...
19/07/2026

📍📍📍কিডনি সমস্যা ও ভালো রাখার উপায়

🟢১.কিডনি ভালো রাখতে রক্তে ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন,
২. দৈনিক অন্তত ৮ গ্লাস বিশুদ্ধ পানি পান করুন, এবং

৩.চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া পেইনকিলার (ব্যথানাশক) ও অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক সেবন থেকে বিরত থাকুন।

৪.কম লবণযুক্ত সুষম খাদ্য গ্রহণ এবং নিয়মিত ব্যায়াম কিডনি সুস্থ রাখার চাবিকাঠি।

৫. প্রতিদিন অন্তত ২ থেকে আড়াই লিটার নিরাপদ পানি পান করুন।তবে কিডনির কোনো জটিল রোগ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী তরল গ্রহণ করতে হবে।

৬.সুষম খাদ্য গ্রহণ: খাবারে লবণের পরিমাণ কমিয়ে দিন। প্রক্রিয়াজাত বা ফাস্টফুড জাতীয় খাবার, যাতে প্রচুর সোডিয়াম থাকে, তা এড়িয়ে চলাই ভালো।

৭.ওজন নিয়ন্ত্রণ ও নিয়মিত ব্যায়াম: নিয়মিত হাঁটাচলা বা শারীরিক ব্যায়াম ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং কিডনি রোগের ঝুঁকি কমায়।

ওষুধ ব্যবহারে সতর্কতা: চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া যেকোনো ব্যথানাশক ওষুধ (বিশেষ করে NSAIDs) খাওয়া থেকে বিরত থাকুন, কারণ এ ধরনের ওষুধ কিডনির ব্যাপক ক্ষতি করতে পারে।

ধূমপান ও মদ্যপান বর্জন: ধূমপান কিডনিতে রক্ত চলাচল কমিয়ে দেয় এবং কিডনি ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।

কিডনি সমস্যার লক্ষণসমূহপ্রাথমিক পর্যায়ে কিডনি রোগের তেমন কোনো লক্ষণ প্রকাশ পায় না। তবে সমস্যা বাড়লে নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিতে পারে

-হাত, পা বা মুখ ফুলে যাওয়া।প্রস্রাবের রঙের পরিবর্তন হওয়া বা পরিমাণে কমে যাওয়া।
-অতিরিক্ত দুর্বলতা ও রক্তস্বল্পতা অনুভব করা।
-সবসময় বমি ভাব বা খাবারে অরুচি।
-পিঠের নিচের অংশে (কোমরের দুই পাশে) তীব্র ব্যথা হওয়া।

নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষায় আপনার যদি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা পরিবারে কিডনি রোগের ইতিহাস থাকে, তবে নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শে রক্তে ক্রিয়েটিনিন (Creatinine) ও ইজিএফআর (eGFR) পরীক্ষা করা উচিত।

📍📍থাইরয়েড সমস্যা :      থাইরয়েড সমস্যা মূলত দুই প্রকার:১. হাইপোথাইরয়েডিজম (হরমোন কম তৈরি হয়) এবং ২.হাইপারথাইরয়েডিজম...
18/07/2026

📍📍থাইরয়েড সমস্যা :

থাইরয়েড সমস্যা মূলত দুই প্রকার:

১. হাইপোথাইরয়েডিজম (হরমোন কম তৈরি হয়) এবং

২.হাইপারথাইরয়েডিজম (হরমোন বেশি তৈরি হয়)।

লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে অতিরিক্ত ক্লান্তি, অপ্রত্যাশিত ওজন বৃদ্ধি বা হ্রাস, শীত বা গরমে সংবেদনশীলতা, এবং হৃদস্পন্দনের তারতম্য। রক্তে TSH, T3 এবং T4 হরমোন পরীক্ষা করে এর মাত্রা নির্ণয় করা হয়।

📍থাইরয়েড সমস্যার ধরন ও লক্ষণ:
✅হাইপোথাইরয়েডিজম: হরমোন কম তৈরি হলে শরীর ধীরে কাজ করে। লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে ওজন বৃদ্ধি, কোষ্ঠকাঠিন্য, শুষ্ক ত্বক, চুল পড়া এবং অতিরিক্ত ঠান্ডা লাগা।
✅হাইপারথাইরয়েডিজম: হরমোন বেশি তৈরি হলে শরীরের বিপাকক্রিয়া দ্রুত হয়। লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে দ্রুত ওজন হ্রাস, বুক ধড়ফড় করা, অতিরিক্ত ঘাম, হাত কাঁপা এবং ঘুমের সমস্যা।

✅✅করণীয়:১. চিকিৎসকের পরামর্শ: থাইরয়েডের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত হরমোন বিশেষজ্ঞ (Endocrinologist) বা মেডিসিন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
২. জেনেটিক হোমিওপ্যাথির চিকিৎসা নিন।

✅ নিয়মিত পরীক্ষা: চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী TSH পরীক্ষা করতে হবে। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সাধারণত TSH-এর স্বাভাবিক মাত্রা ০.৪ থেকে ৪.০ mIU/L এর মধ্যে হয়ে থাকে।

🟢খাদ্যাভ্যাস: অতিরিক্ত আয়োডিনযুক্ত খাবার বা থাইরয়েড ব্লকার জাতীয় খাবার (যেমন: বাঁধাকপি, ফুলকপি) পরিহার করার বিষয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।থাইরয়েড রোগ পুরোপুরি নিরাময়যোগ্য নয়, তবে সঠিক ওষুধ ও চিকিৎসার মাধ্যমে এটিকে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

আপনাদের সেবায় পাশে আছি সবসময়।

ডা. শামীমা আফরিন আরিফা
বিএইচএমএস(অন কোর্স),ঢাবি
জেনেটিক হোমিওপ্যাথ
আরোগ্য জেনেটিক হোমিও কেয়ার
জয়নাল মার্কেট, উত্তরা,ঢাকা
যোগাযোগ :০১৩১৪৯৯৮২৩০

মানব দেহে সবচেয়ে কম প্রয়োজন হয় ভিটামিন এবং মিনারেলস অথচ মানুষ এগুলো আরও বেশি বেশি গ্রহণ করছে। রোগী নিজেই কিনে খাচ্ছে ...
09/07/2026

মানব দেহে সবচেয়ে কম প্রয়োজন হয় ভিটামিন এবং মিনারেলস অথচ মানুষ এগুলো আরও বেশি বেশি গ্রহণ করছে।
রোগী নিজেই কিনে খাচ্ছে ভিটামিন। যখন রোগী ঔষধের দোকানদারের কাছে চিকিৎসার জন্য যাচ্ছে দোকানদার বাবু অধিক মুনাফার আশায় এবং তার চিকিৎসায় সফলতার কেরামতি দেখানোর জন্য ধরিয়ে দিচ্ছে ভিটামিন।
বাচ্চাদের খাবার সুস্বাদু করতে বাজারের খাবারে মেশানো হচ্ছে Monosodium glutamate (MSG)।
এছাড়া মানুষ সারাদিনে বিভিন্নভাবে খাবারের সাথে প্রচুর লবণ খাচ্ছে!

যে সকল খাদ্য উপাদান শরীরে খুব কমই প্রয়োজন হয় সেগুলো সামান্য কম বা বেশি হলেই শরীরের উপর অনেক বড় প্রভাব ফেলে।

আপনি চেষ্টা করেও এ থেকে বের হতে পাচ্ছেন না, শরীর ভালো লাগছে আর আপনি গ্রহণ করে'ই যাচ্ছেন।এর পরিণাম খেয়াল করছেন না। আপনি চাইলেও পারছেন না। কারণ, আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করছে আপনার ব্রেইন এবং কিছু হরমোন।

এখন উপায়?
আপনার ব্রেন এবং হরমোন নিয়ন্ত্রণ করতে একমাত্র উপায় জেনেটিক হোমিওপ্যাথি।

জেনেটিক হোমিওপ্যাথি বাংলাদেশ প্রদত্ত(যা গঠনতন্ত্রের ৩ নং মূলনীতিতে ব্যাখ্যা করা হয়েছে) সকলের জন্য " সুস্থ হওয়া ও থাকার ৫...
21/06/2026

জেনেটিক হোমিওপ্যাথি বাংলাদেশ প্রদত্ত(যা গঠনতন্ত্রের ৩ নং মূলনীতিতে ব্যাখ্যা করা হয়েছে) সকলের জন্য " সুস্থ হওয়া ও থাকার ৫ টি সূত্র" নিম্নে বর্ণনা করা হল:

১) শরীরের DNA-তে থাকা ক্ষতিকর Mutate Gene (ক্ষতিগ্রস্ত কোষ) গুলোকে ঠিক করতে হবে। এইটাই প্রধান ও সামগ্রিক সুস্থতায় মূল থেকে স্থায়ী সমাধানে কাজ করবে।

২) ধর্মীয় রীতি-নীতি চর্চা করা- সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস, ভাগ্যে বিশ্বাস, পরকালে জবাবদিহিতার ভয়। যা মানসিক, সামাজিক ও আধ্যাত্মিক সুস্থতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

৩) খাদ্য ও পুষ্টির সাধারণ নিয়ম- ক্ষার জাতীয় খাবার ৮০%, অম্ল জাতীয় খাবার ২০% খাবেন। অস্বাস্থ্যকর খাবার পরিহার করুন। ভাত-রুটির তুলনায় শাক-সবজি ২/৩ গুণ খাবেন। মাছ, মাংস, ডিম দুধ পরিমাণে কম তবে নিয়মিত রাখুন। ভিটামিন সমৃদ্ধ মৌসুমি ফলমূল বেশি-বেশি খাবেন। খাবারের ৫-১০ মিনিট আগে পানি পান করবেন। খাবারের মাঝখানে পানি না করা। খাবারের ৩০ মিনিট পর পানি পান করবেন।
ক্ষুধা না লাগলে খাবেন না।পেট ভরে না খাওয়া অর্থাৎ পেটের ৩ ভাগের ১ভাগ খাবার ও ১ভাগ পানীয় এবং বাকী একভাগ খালি। সহজ ভাষায় ক্ষুধার অনুভূতি থাকতেই খাওয়া বন্ধ করা।
দিনে ২ বার দাঁত ব্রাশ করবেন। নখ-চুল কাটাবেন। এগুলো সবই শারিরীক ও মানসিক সুস্থতার জন্য দরকারি।

৪) ৬-৮ ঘন্টা ঘুম- সঠিক সময়ে ঘুমানো এবং উঠা। পর্যাপ্ত পানি পান করা (২-৩লিটার)। মাঝেমাঝে ছিয়াম (রোজা)।

এগুলো মানসিক সুস্থতা ও ইমিউনিটি শক্তিশালী করতেও রাখতে জরুরী।

৫) ধর্মীয় পুস্তক পাঠ, দৈনন্দিন কাজ কর্ম, হালকা ব্যায়াম, সূর্যালোকে হাঁটাহাঁটি/হালকা দৌড় ইত্যাদি আপনার মানসিক প্রশান্তি ও শারিরীক গঠন স্বাভাবিক রাখবে।

শরীরের কোনো অংশের কোষ অস্বাভাবিক এবং অনিয়ন্ত্রিতভাবে বেড়ে উঠলে তাকে ক্যান্সার বলে। এটি শরীরের অন্যান্য অংশেও ছড়িয়ে পড়ত...
18/06/2026

শরীরের কোনো অংশের কোষ অস্বাভাবিক এবং অনিয়ন্ত্রিতভাবে বেড়ে উঠলে তাকে ক্যান্সার বলে। এটি শরীরের অন্যান্য অংশেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ নির্ণয় করা গেলে এবং সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করলে অনেক ক্যান্সার পুরোপুরি নিরাময় সম্ভব।

✅ক্যান্সারের প্রধান লক্ষণসমূহ :

শরীরের যেকোনো অংশে নিচের পরিবর্তনগুলো দীর্ঘ সময় ধরে থাকলে ক্যান্সার ধরা হয়।

১) অস্বাভাবিক পিণ্ড বা চাকা: স্তন, অণ্ডকোষ, লিম্ফ নোড (গলা, বগল বা কুঁচকি) বা চামড়ার নিচে কোনো নতুন শক্ত চাকা বা ফোলা ভাব দেখা দেওয়া, যা সাধারণত ব্যথাহীন হয়।

২) অকারণে দ্রুত ওজন হ্রাস: কোনো ডায়েট বা ব্যায়াম ছাড়াই হঠাৎ করে শরীরের ওজন দ্রুত (যেমন মাসে ৫ কেজি বা তার বেশি) কমে যাওয়া।

৩) দীর্ঘস্থায়ী কাশি বা গলা ভাঙা: চিকিৎসকের ওষুধ খাওয়ার পরেও ৩ সপ্তাহের বেশি সময় ধরে কাশি থাকা বা গলার আওয়াজ পরিবর্তন হয়ে যাওয়া।

৪) মল-মূত্র ত্যাগের অভ্যাসে বদল: দীর্ঘদিন ধরে কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া, মল বা প্রস্রাবের সাথে রক্ত যাওয়া, অথবা ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ হওয়া।

৫) অস্বাভাবিক রক্তপাত বা স্রাব:

কাশি বা বমির সাথে রক্ত,

মাসিকের সময় ছাড়াও অন্য সময়ে যোনিপথে রক্তপাত,

কিংবা মলদ্বার দিয়ে রক্ত যাওয়া।

৬) ত্বকের পরিবর্তন: শরীরে থাকা কোনো তিল বা আঁচিলের আকার, আকৃতি বা রঙে হঠাৎ পরিবর্তন হওয়া, অথবা কোনো ক্ষত দীর্ঘদিনেও না শুকানো।

৭) ক্রমাগত ক্লান্তি ও জ্বর: পর্যাপ্ত বিশ্রামের পরেও দূর না হওয়া তীব্র ক্লান্তি এবং রাতে অতিরিক্ত ঘেমে যাওয়ার সাথে দীর্ঘদিনের হালকা জ্বর।

৮) খাবার গিলতে সমস্যা: খাবার খাওয়ার সময় গলায় আটকে থাকার অনুভূতি হওয়া বা প্রতিনিয়ত হজমে মারাত্মক সমস্যা হওয়া।

# # বায়োপসি (Biopsy): সন্দেহজনক স্থান থেকে সামান্য টিস্যু বা কোষ নিয়ে ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হয়। এটিই ক্যান্সার নিশ্চিত করার নির্ভরযোগ্য উপায়।

** ক্যান্সারের লক্ষণগুলো সাধারণ, বয়স কোন ব্যাপার নয়, কিন্তু যন্ত্রণার ধরণ অসাধারণ ভয়ংকর। মানসিক অবস্থা "অস্থিরতা আর হতাশায় পূর্ণ"।

ক্যান্সার কেমো,রেডিও কোনো চিকিৎসায় আরোগ্য হয় না। বরং Negative আর Positive এর খেলা মূলত " কপটতাপূর্ণ সান্ত্বনা, যা ৩/৬/৯/১২ মাস পরপর ফিরে আসে আর লক্ষ লক্ষ টাকার বাণিজ্য হয়। রোগীর পরিবারকে সর্বস্বান্ত করে।
আরোগ্য হয় না বরং অবস্থানুযায়ী মনের বুঝ দেওয়া হয় যে, অর্থ ব্যয়ে কিছু চেষ্টা তো করলাম।

জেনেটিক হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা, আর সুস্থ থাকার আমাদের দেওয়া ৫টি সূত্র মেনে চলা! এটাই স্বল্প খরচে অনেকটা সময় (তুলনামূলক) বেঁচে থাকার উপায়।

আরোগ্য জেনেটিক হোমিও কেয়ার
মোবাইল :০১৩১৪৯৯৮২৩০

হাতের চামড়া ওঠা ও অতিরিক্ত ঘামার সমস্যা সাধারণত অতিরিক্ত শুষ্কতা, একজিমা, ফাঙ্গাল ইনফেকশন বা অতিরিক্ত ঘাম (হাইপারহাইড্র...
16/06/2026

হাতের চামড়া ওঠা ও অতিরিক্ত ঘামার সমস্যা সাধারণত অতিরিক্ত শুষ্কতা, একজিমা, ফাঙ্গাল ইনফেকশন বা অতিরিক্ত ঘাম (হাইপারহাইড্রোসিস)-এর কারণে হয়ে থাকে।

✅ লক্ষণ ও সম্ভাব্য কারণ:

হাইড্রোসিস বা অতিরিক্ত ঘাম: হাতের তালু অতিরিক্ত ঘামার ফলে চামড়া নরম হয়ে যায় এবং পরে উঠে আসতে পারে।

একজিমা বা অ্যালার্জি: কোনো সাবান, ডিটারজেন্ট বা রাসায়নিকের সংস্পর্শে এলে চামড়া উঠতে পারে।

ছত্রাকজনিত সংক্রমণ (Fungal Infection): তালুতে আর্দ্রতার কারণে ফাঙ্গাল ইনফেকশন হলে চামড়া খসখসে হয়ে ওঠে এবং উঠতে থাকে।

ভিটামিনের অভাব: নিয়াসিন বা ভিটামিন বি-৩ এর মতো পুষ্টির অভাবেও হাত-পায়ের চামড়া উঠতে পারে।
✅করণীয়:

হাত শুকনো রাখুন: ঘাম হলে যত দ্রুত সম্ভব পরিষ্কার সুতির কাপড় বা টিস্যু দিয়ে হাত মুছে ফেলুন।

ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার: খুব চিটচিটে নয়, এমন ভিটামিন 'ই' বা সেরামাইডযুক্ত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

রাসায়নিক থেকে দূরে থাকুন: অতিরিক্ত ক্ষারযুক্ত সাবান ব্যবহার না করে মৃদু ক্লিনজার বা সাবান ব্যবহার করুন।

📍📍চিকিৎসা : জেনেটিক হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন গ্রহণ করুন।
🟢রোগী পর্যবেক্ষণ :

আল-আরাফ(বয়স-১০),দীর্ঘদিন ধরে হাত-পা ঘামে ও হাতের চামড়া উঠে। পড়ালেখায় অমনোযোগী ও ঠান্ডা লেগে থাকে সব সময়। ডাস্ট- এলার্জি; গরুর মাংস,দুধ, চিংড়ি এগুলো খেলে সমস্যা হয়। নখ ও হাতে কালো দাগযুক্ত। আর যদি পড়ালেখার একটু প্রেসার থাকে তাহলে হাত-পা অনবরত ঘামতে থাকে।
দীর্ঘদিনের সমস্যা দূর করতে মাত্র কয়েক ডোজ জেনেটিক হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন প্রয়োজন হয়েছে। রোগীর এতদিনের সমস্যা মাত্র ২ মাসের মধ্যে সমাধান হলো আলহামদুলিল্লাহ।
📍📍চেম্বারের ঠিকানা ➡️
আরোগ্য জেনেটিক হোমিও কেয়ার
জয়নাল মার্কেট, আলিফ টাওয়ারের দিকে, উত্তরা,ঢাকা।
০১৩১৪৯৯৮২৩০
রোগী দেখার সময়: বিকাল ৬ টা থেকে রাত ১০টা (প্রতিদিন)

11/06/2026
10/06/2026

মনে রাখুনঃ

Gut হচ্ছে আমাদের ২য় মস্তিষ্ক! মুড়ি আর ভূড়ি সর্বরোগের গুঁড়ি অর্থাৎ মস্তিষ্ক আর পেট সর্বরোগের মূল। ইমিউনোলজির মতে " পেটের হজমের দীর্ঘস্থায়ী দুর্বলতা মানে অন্তত ৭০% ইমিউনিটি দুর্বল! চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক হিসেবে বিখ্যাত স্যার Hippocrates প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে বলেছেনঃ All disease begins in the gut. – Hippocrates অর্থাৎ সমস্ত রোগ অন্ত্রে শুরু হয়। - হিপোক্রেটস

চেম্বার খোলা আছে।চিকিৎসার জন্য যোগাযোগ করুন ০১৩১৪৯৯৮২৩০pic for attention
02/06/2026

চেম্বার খোলা আছে।চিকিৎসার জন্য যোগাযোগ করুন
০১৩১৪৯৯৮২৩০
pic for attention

Address

হাজী সবু খান রোড, জয়নাল মার্কেট ( আলিফ টাওয়ারের দিকে), দক্ষিণ খান, উত্তরা ৬
Dhaka
1230

Opening Hours

Monday 05:00 - 22:00
Tuesday 05:00 - 22:00
Wednesday 05:00 - 22:00
Thursday 05:00 - 22:00
Friday 10:00 - 22:00
Saturday 10:00 - 22:00
Sunday 05:00 - 22:00

Telephone

+8801314998230

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আরোগ্য জেনেটিক হোমিও কেয়ার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to আরোগ্য জেনেটিক হোমিও কেয়ার:

Shortcuts

Share

Category