Mahin Homoeo Medical

Mahin Homoeo Medical "হোমিওপ্যাথি রোগ নয়, রোগীর চিকিৎসা করে" হোমিওপ্যাথি সাশ্রয়ী ও নিরাপদ চিকিৎসা ব্যবস্থা।

05/08/2026
প্রসবোত্তর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ (Postpartum Hemorrhage, PPH) – Kent Repertory ও Materia Medica অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ হোমিও...
05/08/2026

প্রসবোত্তর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ (Postpartum Hemorrhage, PPH) – Kent Repertory ও Materia Medica অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ হোমিওপ্যাথিক রেমেডি।

সন্তান জন্মের মুহূর্তটি যতটা আনন্দের, ঠিক ততটাই এক শারীরিক ও মানসিক সতর্কতা জরুরি। এই সময় মায়ের শরীর থেকে কিছু পরিমাণ রক্তক্ষরণ হওয়া একেবারেই স্বাভাবিক। তবে কতটা রক্ত ক্ষরণ স্বাভাবিক আর কখন সেটি বিপদের সংকেত—এই তথ্য জানা প্রতিটি মায়ের জন্যই অপরিহার্য।

স্বাভাবিক রক্তক্ষরণের সীমা-

▪️ স্বাভাবিক প্রসবে: প্রায় ৫০০ মিলিলিটার (২ কাপ) হাফ লিটার।
▪️ সিজারিয়ান প্রসবে: প্রায় ১০০০ মিলিলিটার (৪ কাপ) ১ লিটার।
▪️ মোট শরীরের রক্তের পরিমাণ: প্রায় ৪৫০০-৫৫০০ মিলিলিটার, (৪.৫ লিটার- ৫.৫ লিটার)

৫০০ মিলিলিটার হতে ১ লিটার এই সীমার মধ্যে রক্তক্ষরণ হলে চিন্তার কিছু নেই। শরীর নিজেই কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ঘাটতি পূরণ করে নেয়।

কখন সতর্ক হবেন?
প্রসবের পর নির্ধারিত সীমার চেয়ে বেশি রক্তক্ষরণ হলে সেটিকে বলা হয় "পোস্টপার্টাম হেমারেজ" (PPH)—যা দ্রুত চিকিৎসার প্রয়োজন। এর লক্ষণগুলো হলো—

▪️ প্যাড দ্রুত ভিজে যাওয়া (এক ঘণ্টায় একাধিক)
▪️ বড় বড় রক্তের চাকা বের হওয়া।
▪️ মাথা ঘোরা, দুর্বলতা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া।
▪️ হৃদস্পন্দন দ্রুত হয়ে যাওয়া।
▪️ ত্বক ফ্যাকাশে হয়ে আসা।গ

প্রতিরোধে করণীয়-
▪️রক্তক্ষণের লক্ষণে বহু কার্যকরী ঔষধ আছে, সুফল না ফেলে দ্রুত হাসপাতালে যাবেন।
▪️গর্ভাবস্থায় ডেলিভারি সহজ করণে লক্ষণ বিবেচনায় বহু হোমিওপ্যাথিক ঔষধ আছে।
▪️ গর্ভাবস্থায় নিয়মিত আয়রন ও ফলিক অ্যাসিড ঘাটতি পুরণে চিকিৎসক এর পরামর্শ নিন।
▪️ রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক রাখতে পুষ্টিকর খাবার খান।
▪️ প্রসবের জন্য অভিজ্ঞ চিকিৎসক ও আধুনিক হাসপাতাল নির্বাচন করুন।
▪️চিকিৎসক এর পরামর্শ ছাড়া ঔষধ সেবন উচিৎ না।

প্রসুতি মায়ের অতিরিক্ত রক্তণরোধে হোমিওপ্যাথিক রেমেডি-

★ সতর্কতা:-
PPH একটি মেডিকেল ইমার্জেন্সি। প্রথম চিকিৎসা অবশ্যই হাসপাতালে জরুরি ব্যবস্থাপনা। নিচের রেমেডিগুলো হোমিওপ্যাথিক সাহিত্যে লক্ষণ ভিত্তিকভাবে বর্ণিত; এগুলো জরুরি চিকিৎসার বাদ দিয়ে নয়।

★ হোমিওপ্যাথিক রেমেডি প্রধান লক্ষণ-

Sabina উজ্জ্বল লাল রক্ত, জমাট রক্ত, কোমর থেকে সামনের দিকে ব্যথা, সামান্য নড়াচড়ায় রক্ত বাড়ে।

Secale cornutum পাতলা কালচে রক্ত, দীর্ঘস্থায়ী রক্তক্ষরণ, জরায়ু ঢিলে, রোগী অত্যন্ত দুর্বল।

Ipecacuanha প্রচুর উজ্জ্বল লাল রক্ত, অবিরাম বমি বমি ভাব বা বমি।

Trillium pendulum অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, কোমর ও নিতম্ব ভেঙে যাওয়ার অনুভূতি, অজ্ঞান হওয়ার প্রবণতা।

China officinalis অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের পর দুর্বলতা, মাথা ঘোরা, রক্তস্বল্পতার লক্ষণ।

Hamamelis virginiana শিরাজনিত (venous) রক্তক্ষরণ, শরীরে আঘাতের মতো ব্যথা, দুর্বলতা।

Millefolium প্রসব বা আঘাতের পর উজ্জ্বল লাল রক্তক্ষরণ, ব্যথা তুলনামূলক কম।

Arnica montana প্রসবজনিত আঘাতের পর, শরীর ভাঙা-ভাঙা অনুভূতি, রক্তক্ষরণ।

Belladonna হঠাৎ উজ্জ্বল লাল গরম রক্ত, মুখ লাল, ধুকপুকানি।

Crocus sativus কালচে সুতোসদৃশ (stringy) জমাট রক্ত।

Phosphorus উজ্জ্বল লাল, সহজে না জমা রক্ত, অতিরিক্ত রক্তপাতের প্রবণতা।

Carbo vegetabilis অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের পর শক, ঠান্ডা শরীর, নাড়ি দুর্বল।

Kent Repertory-এর গুরুত্বপূর্ণ Rubrics-

Female Genitalia – Hemorrhage – Postpartum

Female Genitalia – Hemorrhage – Uterus – After labor

Female Genitalia – Atony of uterus

Female Genitalia – Retained placenta with hemorrhage

Generals – Collapse from loss of blood

Generals – Weakness after hemorrhage

Materia Medica References

Boericke's Materia Medica

Clarke's Dictionary of Practical Materia Medica

Murphy's Materia Medica

Kent's Repertory

Allen's Keynotes

★ জরুরি সতর্কতা-

নিচের যেকোনো লক্ষণ থাকলে অবিলম্বে হাসপাতালে যেতে হবে—

এক ঘণ্টায় একাধিক প্যাড সম্পূর্ণ ভিজে যাওয়া।
বড় বড় রক্তের চাকা বের হওয়া।
মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া।
দ্রুত হৃদস্পন্দন।
শ্বাসকষ্ট, তীব্র দুর্বলতা বা রক্তচাপ কমে যাওয়া।

PPH-এ জীবন বাঁচানোর মূল চিকিৎসা হলো দ্রুত হাসপাতালের জরুরি ব্যবস্থাপনা। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সহায়কভাবে, অভিজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে বিবেচনা করা উচিত।

ডা. নার্গিস জিয়া
মাহিন হোমিও মেডিকেল।

সন্তান জন্মের মুহূর্তটি যতটা আনন্দের, ঠিক ততটাই এক শারীরিক ও মানসিক সতর্কতা জরুরি। এই সময় মায়ের শরীর থেকে কিছু পরিমাণ ...
05/08/2026

সন্তান জন্মের মুহূর্তটি যতটা আনন্দের, ঠিক ততটাই এক শারীরিক ও মানসিক সতর্কতা জরুরি। এই সময় মায়ের শরীর থেকে কিছু পরিমাণ রক্তক্ষরণ হওয়া একেবারেই স্বাভাবিক। তবে কতটা রক্ত ক্ষরণ স্বাভাবিক আর কখন সেটি বিপদের সংকেত—এই তথ্য জানা প্রতিটি মায়ের জন্যই অপরিহার্য।

স্বাভাবিক রক্তক্ষরণের সীমা-

▪️ স্বাভাবিক প্রসবে: প্রায় ৫০০ মিলিলিটার (২ কাপ) হাফ লিটার।
▪️ সিজারিয়ান প্রসবে: প্রায় ১০০০ মিলিলিটার (৪ কাপ) ১ লিটার।
▪️ মোট শরীরের রক্তের পরিমাণ: প্রায় ৪৫০০-৫৫০০ মিলিলিটার, (৪.৫ লিটার- ৫.৫ লিটার)

৫০০ মিলিলিটার হতে ১ লিটার এই সীমার মধ্যে রক্তক্ষরণ হলে চিন্তার কিছু নেই। শরীর নিজেই কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ঘাটতি পূরণ করে নেয়।

কখন সতর্ক হবেন?
প্রসবের পর নির্ধারিত সীমার চেয়ে বেশি রক্তক্ষরণ হলে সেটিকে বলা হয় "পোস্টপার্টাম হেমারেজ" (PPH)—যা দ্রুত চিকিৎসার প্রয়োজন। এর লক্ষণগুলো হলো—

▪️ প্যাড দ্রুত ভিজে যাওয়া (এক ঘণ্টায় একাধিক)
▪️ বড় বড় রক্তের চাকা বের হওয়া।
▪️ মাথা ঘোরা, দুর্বলতা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া।
▪️ হৃদস্পন্দন দ্রুত হয়ে যাওয়া।
▪️ ত্বক ফ্যাকাশে হয়ে আসা।গ

প্রতিরোধে করণীয়-
▪️রক্তক্ষণের লক্ষণে বহু কার্যকরী ঔষধ আছে, সুফল না ফেলে দ্রুত হাসপাতালে যাবেন।
▪️গর্ভাবস্থায় ডেলিভারি সহজ করণে লক্ষণ বিবেচনায় বহু হোমিওপ্যাথিক ঔষধ আছে।
▪️ গর্ভাবস্থায় নিয়মিত আয়রন ও ফলিক অ্যাসিড ঘাটতি পুরণে চিকিৎসক এর পরামর্শ নিন।
▪️ রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক রাখতে পুষ্টিকর খাবার খান।
▪️ প্রসবের জন্য অভিজ্ঞ চিকিৎসক ও আধুনিক হাসপাতাল নির্বাচন করুন।
▪️চিকিৎসক এর পরামর্শ ছাড়া ঔষধ সেবন উচিৎ না।

ডা. নার্গিস জিয়া
মাহিন হোমিও মেডিকেল
৮৮ কাঞ্চন টাওয়ার
কাঁঠাল বাগান বাজার
কলাবাগান, ঢাকা-১২০৫

ঘাড়ে আড়ষ্টতা বা ঘাড়ে বাতের ব্যথা-কারণ, লক্ষণ, করণীয় ও হোমিওপ্যাথি চিকিৎসাঘাড়ে ব্যথা, আড়ষ্টতা বা ঘাড় ঘোরাতে কষ্ট হচ্ছে? দ...
03/08/2026

ঘাড়ে আড়ষ্টতা বা ঘাড়ে বাতের ব্যথা-

কারণ, লক্ষণ, করণীয় ও হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা

ঘাড়ে ব্যথা, আড়ষ্টতা বা ঘাড় ঘোরাতে কষ্ট হচ্ছে? দীর্ঘদিন অবহেলা করলে এ সমস্যা দৈনন্দিন জীবনকে ব্যাহত করতে পারে। সঠিক রোগনির্ণয় ও যথাযথ চিকিৎসার মাধ্যমে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এ সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

১. ঘাড়ে আড়ষ্টতা বা ঘাড়ে বাতের ব্যথা কী?

ঘাড়ের হাড়, ডিস্ক, জয়েন্ট, পেশী, লিগামেন্ট অথবা স্নায়ুর সমস্যার কারণে ঘাড়ে ব্যথা, শক্ত হয়ে যাওয়া এবং নড়াচড়ায় অসুবিধা হওয়াকে ঘাড়ে আড়ষ্টতা বা ঘাড়ে বাতের ব্যথা বলা হয়। বয়সজনিত হাড় ও ডিস্কের ক্ষয় (Cervical Spondylosis) এর অন্যতম প্রধান কারণ।

২. কারণ সমূহ-

১. বয়সজনিত হাড় ও ডিস্কের ক্ষয়।
২. দীর্ঘক্ষণ মোবাইল বা কম্পিউটার ব্যবহার।
৩. ভুল ভঙ্গিতে বসা বা ঘুমানো।
৪. ঘাড়ে আঘাত বা দুর্ঘটনা।
৫. অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম।
৬. পেশীর টান (Muscle Spasm)।
৭. ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়ামের ঘাটতি।
৮. মানসিক চাপ।
৯. স্থূলতা ও ব্যায়ামের অভাব।

৩. লক্ষণ সমূহ-

১. ঘাড়ে ব্যথা ও আড়ষ্টতা।
২. ঘাড় নড়াতে কষ্ট হওয়া।
৩. কাঁধ, বাহু বা হাতে ব্যথা ছড়িয়ে পড়া।
৪. হাত ঝিনঝিন বা অবশ লাগা।
৫. ঘাড়ের পেছন থেকে মাথাব্যথা।
৬. মাথা ঘোরা।
৭. দীর্ঘক্ষণ বসে বা কাজ করলে ব্যথা বৃদ্ধি পাওয়া।

৪. চিকিৎসা না করলে কী হতে পারে?

১. দীর্ঘস্থায়ী ঘাড়ের ব্যথা।
২. হাতের শক্তি কমে যাওয়া।
৩. স্নায়ুতে চাপ পড়ে অবশভাব বা দুর্বলতা।
৪. সার্ভাইক্যাল ডিস্ক প্রোলাপ্স (Cervical Disc Prolapse)।
৫. দৈনন্দিন কাজকর্মে অসুবিধা।
৬. বিরল ক্ষেত্রে স্পাইনাল কর্ডে চাপ পড়ে হাঁটা বা ভারসাম্যের সমস্যা।

৫. করণীয়-

১. সঠিক ভঙ্গিতে বসে ও কাজ করুন।
২. দীর্ঘক্ষণ একভাবে বসে থাকবেন না।
৩. নিয়মিত ঘাড়ের ব্যায়াম ও স্ট্রেচিং করুন।
৪. প্রয়োজন হলে গরম সেঁক দিন।
৫. উপযুক্ত বালিশ ব্যবহার করুন।
৬. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
৭. পুষ্টিকর খাবার ও পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন।
৮. প্রয়োজন হলে অর্থোপেডিক বা নিউরোলজি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

৬. হোমিওপ্যাথিতে বিবেচ্য ওষুধ-

রোগীর সম্পূর্ণ লক্ষণ, শারীরিক গঠন ও ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে অভিজ্ঞ নিবন্ধিত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক রোগীভেদে নিম্নোক্ত ওষুধ বিবেচনা করতে পারেন—

১. Rhus toxicodendron
২. Bryonia alba
৩. Ruta graveolens
৪. Hypericum perforatum
৫. Calcarea fluorica
৬. Causticum
৭. Kali phosphoricum
৮. Arnica montana

বি.দ্র.: রোগীর লক্ষণ অনুযায়ী ওষুধ নির্বাচন করা হয়। নিজে নিজে কোনো ওষুধ সেবন করবেন না।

৭. সতর্কতা-

১. হাত-পায়ে ক্রমাগত অবশভাব বা দুর্বলতা।
২. প্রস্রাব বা পায়খানা নিয়ন্ত্রণে সমস্যা।
৩. দুর্ঘটনার পর তীব্র ঘাড় ব্যথা।
৪. হাতের শক্তি দ্রুত কমে গেলে।

এসব লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। প্রয়োজন অনুযায়ী এক্স-রে, এমআরআই বা অন্যান্য পরীক্ষা করানো জরুরি।

যোগাযোগ-

ডা. জিয়াউল হক
মাহিন হোমিও মেডিকেল
৮৮ কাঞ্চন টাওয়ার
কাঁঠালবাগান বাজার,
কলাবাগান, ঢাকা-১২০৫
01707-956015

সকল রোগের সঠিক রোগনির্ণয়, পরামর্শ ও সুচিকিৎসার জন্য সর্বদাই আপনার পাশে।


03/08/2026

ডাক্তারের পরামর্শ ব্যতিত প্রতিদিন একটি "গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ"! —অজান্তেই কি বিপদ ডেকে আনছেন!!!

একজন মধয়বয়সী চাকুরীজীবী। কাজের ব্যস্ততায় অনিয়মিত খাবার, মাঝে মাঝে বুক জ্বালাপোড়া ও পেটে অস্বস্তি।

প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি ফার্মেসি থেকে নিজে থেকেই একটি গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ (যেমন Omeprazole-জাতীয় Proton Pump Inhibitor) কিনে খান। আরাম পান। এরপর প্রতিদিন সকালে নাস্তার আগে একটি ট্যাবলেট খাওয়া তার অভ্যাস হয়ে যায়। কখনো ডাক্তার দেখাননি, কখনো এন্ডোস্কোপিও করাননি।

একদিন ভাবলেন, "এখন তো ভালো আছি, ওষুধটা বন্ধ করি।"

মাত্র দুই দিন পর বুক জ্বালাপোড়া আগের চেয়ে অনেক বেশি বেড়ে গেল। তিনি ভাবলেন, "রোগটা নিশ্চয়ই আরও খারাপ হয়েছে।" ভয়ে আবার ওষুধ শুরু করলেন—এবার আগের চেয়ে বেশি মাত্রায়।

কিন্তু আসলে কী ঘটছিল?

দীর্ঘদিন PPI-জাতীয় ওষুধ খাওয়ার ফলে পাকস্থলীর অ্যাসিড উৎপাদন কমে যায়। শরীর সেই ঘাটতি পূরণ করতে গ্যাস্ট্রিন হরমোনের মাত্রা বাড়ায়। ওষুধ হঠাৎ বন্ধ করলে অতিরিক্ত উদ্দীপনার কারণে কিছুদিনের জন্য আগের চেয়ে বেশি অ্যাসিড তৈরি হতে পারে। এই অবস্থাকে বলা হয় Rebound Acid Hypersecretion।

এটি অনেক সময় রোগ বেড়ে যাওয়া মনে হলেও, এটি ওষুধ হঠাৎ বন্ধ করার একটি পরিচিত প্রতিক্রিয়া।

এভাবেই একটি চক্র শুরু হয়—
ওষুধ বন্ধ করলে কষ্ট বাড়ে, তাই আবার ওষুধ শুরু করতে হয়। বছরের পর বছর চলতে থাকে একই অভ্যাস।

কিন্তু আসল সমস্যাটি কী ছিল, তা কখনোই জানা হলো না।

কয়েক মাস পরে তার ওজন কমতে শুরু করল, ক্ষুধা কমে গেল। একদিন কালো রঙের পায়খানা (Melena) হলো। তিনি গুরুত্ব দিলেন না, বরং ওষুধের মাত্রা আরও বাড়ালেন।

অবশেষে একদিন তীব্র দুর্বলতায় অজ্ঞান হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে হলো। পরীক্ষায় ধরা পড়ল গুরুতর রক্তস্বল্পতা। পরে এন্ডোস্কোপিতে দেখা গেল, পাকস্থলীর একটি দীর্ঘদিনের আলসার থেকে ধীরে ধীরে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। ওষুধ সাময়িকভাবে উপসর্গ কমিয়ে রাখলেও মূল রোগটি ধরা পড়েনি।

সৌভাগ্যবশত তিনি বেঁচে গেলেন। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, আরও কিছুদিন দেরি হলে ফল ভয়াবহ হতে পারত।

কেন দীর্ঘদিন নিজে থেকে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ?

• দীর্ঘদিন ব্যবহারের পর হঠাৎ বন্ধ করলে Rebound Acid Hypersecretion হতে পারে।

• দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে ভিটামিন B₁₂ ও ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি, এবং হাড় ভাঙার ঝুঁকি কিছুটা বাড়তে পারে।

• সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—পাকস্থলীর আলসার, Helicobacter pylori সংক্রমণ বা কিছু ক্ষেত্রে ক্যান্সারের মতো গুরুতর রোগের উপসর্গ চাপা পড়ে যেতে পারে, ফলে রোগ নির্ণয়ে দেরি হতে পারে।

কখন অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?

• বারবার বা দীর্ঘদিন বুক জ্বালাপোড়া হলে

• অকারণে ওজন কমতে থাকলে

• খাওয়ায় অরুচি বা গিলতে সমস্যা হলে

• কালো পায়খানা বা রক্তবমি হলে

• রক্তস্বল্পতা বা দীর্ঘদিনের পেটব্যথা থাকলে

মনে রাখবেন

গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খুবই কার্যকর ও প্রয়োজনীয়—তবে সঠিক রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করা উচিত। নিজের ইচ্ছামতো বছরের পর বছর ওষুধ খাওয়া বা মাত্রা বাড়ানো নিরাপদ নয়।

প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শে এন্ডোস্কোপি বা অন্যান্য পরীক্ষা করিয়ে আসল কারণ নির্ণয় করুন। চিকিৎসকের নির্দেশনা মেনে চলুন এবং সমস্যা অব্যাহত থাকলে একই চিকিৎসকের ফলো-আপ করুন।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে সুস্থ ও নিরাপদ রাখুন। আমিন।ছোট্ট তথ্যসংযোজন: এই লেখাটি সচেতনতামূলক। যদিও দীর্ঘদিন PPI ব্যবহারে উপরের ঝুঁকিগুলো দেখা যেতে পারে, তবে চিকিৎসকের পরামর্শে নির্দিষ্ট রোগ (যেমন গুরুতর GERD, পেপটিক আলসার, Barrett's esophagus ইত্যাদি)-এর ক্ষেত্রে অনেক রোগীর দীর্ঘমেয়াদি PPI ব্যবহার উপকারী ও প্রয়োজনীয় হতে পারে। তাই ওষুধ নিজে থেকে শুরু বা বন্ধ না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।

ডা. জিয়াউল হক
মাহিন হোমিও মেডিকেল
৮৮ কাঞ্চন টাওয়ার
কাঁঠাল বাগান বাজার,
কলাবাগান, ঢাকা- ১২০৫
01707-956015


🦠 প্যারাসাইট (Parasite) থেকে প্রস্তুত হোমিওপ্যাথিক ঔষধক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথিতে প্রাণিজ উৎস (Animal Kingdom) থেকে প্রস্ত...
02/08/2026

🦠 প্যারাসাইট (Parasite) থেকে প্রস্তুত হোমিওপ্যাথিক ঔষধ

ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথিতে প্রাণিজ উৎস (Animal Kingdom) থেকে প্রস্তুত ঔষধের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হলেও, সরাসরি পরজীবী (Parasite) থেকে প্রস্তুত ঔষধের সংখ্যা অত্যন্ত সীমিত। বিভিন্ন Materia Medica, Homoeopathic Pharmacopoeia এবং ঐতিহাসিক হোমিওপ্যাথিক সাহিত্যে নিম্নোক্ত পরজীবী-উৎসজাত প্রস্তুতির উল্লেখ পাওয়া যায়।

১. Pediculus capitis

- উৎস: মানুষের মাথার উকুন (Pediculus humanus capitis)
- পরজীবীর ধরন: Ectoparasite (বহিঃপরজীবী)
- কিছু ঐতিহাসিক হোমিওপ্যাথিক সূত্রে এর প্রস্তুতির উল্লেখ রয়েছে।

২. Sarcoptes scabiei

- উৎস: স্ক্যাবিস রোগের মাইট
- পরজীবীর ধরন: Ectoparasite
- হোমিওপ্যাথিক সাহিত্যে তুলনামূলকভাবে বেশি পরিচিত পরজীবী-উৎসজাত প্রস্তুতিগুলোর একটি।

৩. Acarus siro

- উৎস: চিজ মাইট (Cheese mite)
- ধরন: মাইট (Arthropod)
- কিছু হোমিওপ্যাথিক গ্রন্থ ও ফার্মেসিতে সীমিত উল্লেখ পাওয়া যায়।

৪. Ixodes ricinus

- উৎস: টিক (Tick)
- পরজীবীর ধরন: Ectoparasite
- কিছু আধুনিক হোমিওপ্যাথিক ফার্মেসিতে পরীক্ষামূলকভাবে প্রস্তুত করা হয়; তবে এটি ক্লাসিক্যাল Materia Medica-র নিয়মিত ঔষধ নয়।

৫. Cimex lectularius

- উৎস: খাটপোকা (Bed bug)
- পরজীবীর ধরন: রক্তচোষা Ectoparasite
- ঐতিহাসিক কিছু হোমিওপ্যাথিক প্রস্তুতিতে উল্লেখ রয়েছে।

৬. Pulex irritans

- উৎস: মানুষের মাছি (Human flea)
- পরজীবীর ধরন: Ectoparasite
- সীমিত পরিসরে হোমিওপ্যাথিক প্রস্তুতির উল্লেখ পাওয়া যায়।

৭. Ctenocephalides felis

- উৎস: বিড়ালের মাছি (Cat flea)
- পরজীবীর ধরন: Ectoparasite
- কিছু আধুনিক হোমিওপ্যাথিক ফার্মেসিতে সীমিতভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে বলে উল্লেখ রয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

- Ascaris lumbricoides (গোলকৃমি)
- Taenia spp. (ফিতাকৃমি)
- Enterobius vermicularis (পিনওয়ার্ম)
- Giardia lamblia
- Plasmodium spp.

উপরোক্ত পরজীবীগুলো থেকে প্রস্তুত ক্লাসিক্যাল ও সর্বজনস্বীকৃত হোমিওপ্যাথিক ঔষধের নির্ভরযোগ্য প্রমাণ বা স্বীকৃত Materia Medica-তে উল্লেখ নেই।

এছাড়া, Cina কৃমির উপসর্গে বহুল ব্যবহৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ হোমিওপ্যাথিক ঔষধ হলেও এটি কোনো পরজীবী থেকে প্রস্তুত নয়। Cina প্রস্তুত হয় Artemisia cina নামক উদ্ভিদ থেকে।

উপসংহার

বর্তমানে ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথিতে প্যারাসাইট-উৎসজাত স্বীকৃত ঔষধের সংখ্যা খুবই সীমিত। এর মধ্যে Sarcoptes scabiei, Pediculus capitis, Cimex lectularius এবং Pulex irritans-এর উল্লেখ তুলনামূলকভাবে বেশি পাওয়া যায়। অন্য প্রস্তুতিগুলোর অধিকাংশই ঐতিহাসিক, সীমিত ব্যবহারভিত্তিক অথবা পরীক্ষামূলক; এগুলোকে নিয়মিত ব্যবহৃত ক্লাসিক্যাল Materia Medica-র মূলধারার ঔষধ হিসেবে গণ্য করা হয় না।

তথ্যসূত্র

1. William Boericke – Pocket Manual of Homoeopathic Materia Medica
2. John Henry Clarke – A Dictionary of Practical Materia Medica
3. Richard Hughes – Cyclopaedia of Drug Pathogenesis
4. Julian Winston – The Faces of Homoeopathy
5. Robin Murphy – Lotus Materia Medica
6. Homoeopathic Pharmacopoeia (HPUS, BHP, GHP ও অন্যান্য সংস্করণ)

ডা. জিয়াউল হক
মাহিন হোমিও মেডিকেল
৮৮ কাঞ্চন টাওয়ার
কাঁঠাল বাগান বাজার,
কলাবাগান, ঢাকা- ১২০৫
01707-956015


মানসিক ও আচরণগত বৈশিষ্ট্যে Tarentula hispanica ও Stramonium: একটি সংক্ষিপ্ত তুলনামূলক আলোচনা-হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় শুধু...
30/07/2026

মানসিক ও আচরণগত বৈশিষ্ট্যে Tarentula hispanica ও Stramonium: একটি সংক্ষিপ্ত তুলনামূলক আলোচনা-

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় শুধুমাত্র রোগের নাম নয়, বরং রোগীর সম্পূর্ণ মানসিক, শারীরিক ও আচরণগত বৈশিষ্ট্য (Totality of Symptoms) বিবেচনা করে ঔষধ নির্বাচন করা হয়। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে Tarentula hispanica এবং Stramonium—উভয়ই গুরুত্বপূর্ণ মানসিক ঔষধ, তবে তাদের উপসর্গচিত্র একেবারেই ভিন্ন।

★ Tarentula hispanica-

মূল বৈশিষ্ট্য-

• চরম অস্থিরতা; এক জায়গায় স্থির থাকতে পারে না।
• অতিরিক্ত চঞ্চল ও কর্মব্যস্ত থাকতে চায়।
• রাগ বা উত্তেজনায় জিনিসপত্র ভাঙা বা ছিঁড়ে ফেলার প্রবণতা।
• চালাক, দুষ্টুমি ও কৌশলী স্বভাব।
• মুহূর্তের মধ্যে হাসি, কান্না ও রাগের পরিবর্তন।
• আলো, শব্দ ও স্পর্শের প্রতি অতিরিক্ত সংবেদনশীলতা।
• অনেক ক্ষেত্রে সঙ্গীতের প্রভাবে মানসিক অবস্থার পরিবর্তন দেখা যায়।

শিশুদের মধ্যে লক্ষণ

• সবসময় দৌড়ঝাঁপ ও লাফালাফি।
• এক জায়গায় বসে থাকতে না পারা।
• খেলনা ভাঙা বা জিনিসপত্র ছুড়ে ফেলা।
• অত্যন্ত কৌতূহলী ও দুষ্টু।
• অল্পতেই রেগে যায়, আবার দ্রুত শান্ত হয়।
• ঘুমের মধ্যেও হাত-পা নাড়াচাড়া বা ঝাঁকুনি হতে পারে।
• কিছু ক্ষেত্রে কোরিয়া (Chorea)-সদৃশ অনৈচ্ছিক নড়াচড়া দেখা যেতে পারে।

★ Stramonium-

মূল বৈশিষ্ট্য-

• তীব্র ভয়—বিশেষ করে অন্ধকার, একাকীত্ব ও অজানা ব্যক্তির প্রতি।
• মনে হয় কেউ আক্রমণ করবে বা ক্ষতি করবে।
• আলো ও মানুষের সঙ্গ চায়; অন্ধকারে উপসর্গ বেড়ে যায়।
• ভয়ঙ্কর কল্পনা ও বিভ্রম—ভূত, পশু বা দানব দেখার অনুভূতি।
• অতিরিক্ত কথা বলা, গান গাওয়া, হাসা বা চিৎকার করা।
• প্রচণ্ড রাগে কামড়ানো, আঁচড়ানো বা আক্রমণাত্মক আচরণ।
• হঠাৎ ভয় বা মানসিক আঘাতের পর তীব্র মানসিক উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

শিশুদের মধ্যে লক্ষণ-

• অন্ধকারে একা থাকতে চায় না।
• রাতে ঘুম থেকে আতঙ্কে চিৎকার করে ওঠে।
• মাকে বা পরিচিত মানুষকে আঁকড়ে ধরে থাকে।
• অজানা লোক দেখলে ভয় পায়।
• রাগ করলে কামড়াতে বা মারতে পারে।
• দুঃস্বপ্ন, ঘুমের মধ্যে চমকে ওঠা বা আতঙ্কিত হওয়া।
• জ্বরের সময় বিভ্রম ও অসংলগ্ন কথা বলতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ ক্লিনিক্যাল নোট-

Tarentula hispanica বা Stramonium—কোনোটিই শুধুমাত্র একটি বা দুটি লক্ষণের ভিত্তিতে নির্বাচন করা উচিত নয়। রোগীর সম্পূর্ণ মানসিক, শারীরিক ও সামগ্রিক লক্ষণ (Totality of Symptoms) বিচার করেই যথাযথ হোমিওপ্যাথিক ঔষধ নির্বাচন করা হয়।

তথ্যসূত্র-

• William Boericke – Pocket Manual of Homoeopathic Materia Medica
• James Tyler Kent – Lectures on Homoeopathic Materia Medica
• Constantine Hering – The Guiding Symptoms of Our Materia Medica
• Henry C. Allen – Keynotes and Characteristics
• Timothy F. Allen – Encyclopedia of Pure Materia Medica
• Central Council for Research in Homoeopathy (CCRH)

ডা. জিয়াউল হক
মাহিন হোমিও মেডিকেল
৮৮ কাঞ্চন টাওয়ার
কাঁঠাল বাগান বাজার,
কলাবাগান, ঢাকা- ১২০৫
01707-956015


আধুনিক পরীক্ষা নিরীক্ষা, চিকিৎসা বিজ্ঞানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, এর ভূমিকা অপরিসীম-১. CBC (Complete Blood Count) — রক্ত...
30/07/2026

আধুনিক পরীক্ষা নিরীক্ষা, চিকিৎসা বিজ্ঞানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, এর ভূমিকা অপরিসীম-

১. CBC (Complete Blood Count) — রক্তস্বল্পতা, ইনফেকশন, ডেঙ্গু, নিউমোনিয়া, লিউকেমিয়া, অজানা জ্বর, সাধারণ স্বাস্থ্য পরীক্ষা।

২. Biopsy — ক্যান্সার নিশ্চিতকরণ, ফুসফুসের ক্যান্সার, লিম্ফোমা, ক্রোনস ডিজিজ।

৩. ECG — হার্টের সমস্যা, হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপের জটিলতা।

৪. Echocardiogram — হৃদরোগ, হার্ট ফেইলিউর।

৫. TSH — থাইরয়েড সমস্যা, হরমোনের ভারসাম্য মূল্যায়ন।

৬. LFT (Liver Function Test) — লিভারের রোগ, জন্ডিস, সাধারণ স্বাস্থ্য পরীক্ষা।

৭. KFT / RFT (Kidney Function Test) — কিডনি রোগ, উচ্চ রক্তচাপের জটিলতা, সাধারণ স্বাস্থ্য পরীক্ষা।

৮. RBS / HbA1c — ডায়াবেটিস।

৯. HbA1c — ডায়াবেটিস, প্রিডায়াবেটিস।

১০. Lipid Profile — উচ্চ কোলেস্টেরল, সাধারণ স্বাস্থ্য পরীক্ষা।

১১. USG (Ultrasonography) — কিডনিতে পাথর, ফ্যাটি লিভার, ডিম্বাশয়ের সিস্ট, জরায়ুর সমস্যা, অ্যাপেন্ডিসাইটিস, পিত্তথলির পাথর।

১২. Urine R/E — ইউরিন ইনফেকশন (UTI), সাধারণ স্বাস্থ্য পরীক্ষা।

১৩. Chest X-Ray — নিউমোনিয়া, বুকে অন্যান্য রোগ নির্ণয়।

১৪. MRI / CT Scan — স্ট্রোক, মস্তিষ্কে টিউমার, অস্টিওমাইলাইটিস, অ্যাপেন্ডিসাইটিস, কিডনিতে পাথর, সাইনোসাইটিসসহ গভীর অঙ্গের সমস্যা।

১৫. Colonoscopy — কোলন ক্যান্সার, ক্রোনস ডিজিজ, আলসারেটিভ কোলাইটিস, IBS (প্রয়োজনে)।

১৬. Hb Electrophoresis — থ্যালাসেমিয়া, সিকেল সেল রোগ।

১৭. Blood Culture — টাইফয়েড, সেপসিস, অজানা জ্বর।

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা রোগীর ঔষধ নির্বাচনে পরীক্ষা নিরীক্ষা খুবই কম লাগে। কিন্তু রোগের অবস্থান ও পরিমাণ নির্ণয়ে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

অতএব, আধুনিক পরীক্ষা নিরীক্ষা ভূমিকা অপরিসীম। বাংলাদেশে সকল হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল গুলোকে সরকারি উদ্যোগে আধুনিক ভাবে গড়ে তোলা উচিৎ।

ডা. জিয়াউল হক
মাহিন হোমিও মেডিকেল
৮৮ কাঞ্চন টাওয়ার
কাঁঠাল বাগান বাজার,
কলাবাগান, ঢাকা- ১২০৫
01707-956015


Address

88 Kanchan Tower, KathalBagan Bazar, Kalabagan
Dhaka
1205

Opening Hours

Monday 09:00 - 23:00
Tuesday 09:00 - 23:00
Wednesday 09:00 - 23:00
Thursday 09:00 - 23:00
Friday 09:00 - 23:00
Saturday 09:00 - 23:00
Sunday 09:00 - 23:00

Telephone

+8801977956015

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mahin Homoeo Medical posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Mahin Homoeo Medical:

Shortcuts

Share