Mahin Homoeo Medical

Call Directions Website Contact the practice

Mahin Homoeo Medical "হোমিওপ্যাথি রোগ নয়, রোগীর চিকিৎসা করে" হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নিরাপদ ও সাশ্রয়ী।

04/10/2026

কাল্পনিক / অবাস্তব গন্ধ পায় রোগী- হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা -

কাল্পনিক/অবাস্তব গন্ধ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা -কাল্পনিক/অবাস্তব গন্ধ অন্যরা গন্ধ পাশ না! রোগী গন্ধ পায়! এ সব রোগীর ক্ষেত্রে...
04/10/2026

কাল্পনিক/অবাস্তব গন্ধ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা -

কাল্পনিক/অবাস্তব গন্ধ অন্যরা গন্ধ পাশ না! রোগী গন্ধ পায়! এ সব রোগীর ক্ষেত্রে শুধু এই একটি লক্ষণের ভিত্তিতে remedy নির্বাচন করা উচিত নয়। Kent-এর repertory-তে “Odors, imaginary and real” বিভিন্ন উপ-রুব্রিকসহ দেওয়া হয়েছে।

Imaginary / Illusion of Smell — উল্লেখযোগ্য রেমেডি

রেমেডি বিশেষ দিক-

Paris quadrifolia কাল্পনিক দুর্গন্ধ; খাবার/দুধ-পাউরুটি পচা মাংসের মতো গন্ধ মনে হতে পারে; গন্ধের প্রতি অতিসংবেদনশীলতা

Belladonna Imaginary odors; তীব্র, আকস্মিক neuro-sensory picture-এর সঙ্গে বিবেচ্য।

Sulphur Imaginary foul smells; নাক বন্ধ, বিশেষ করে indoors; chronic nasal complaints-এর সঙ্গে উল্লেখযোগ্য।

Phosphorus Foul imaginary odors; গন্ধের প্রতি অতিসংবেদনশীলতার সঙ্গে পাওয়া যায়।

Graphites Paris quadrifolia-এর সঙ্গে imaginary foul smells-এর comparative remedy হিসেবে উল্লেখ আছে।

Mancinella গন্ধের illusion—বিশেষ করে gunpowder, dung ইত্যাদির গন্ধ অনুভব করার উল্লেখ পাওয়া যায়।

Agnus castus Illusion of smell—herrings, musk-এর উল্লেখ আছে।

Conium নাকের পেছনের অংশে animals-এর গন্ধ অনুভবের rubric-এ আছে।

Alumina “Imaginary and real, acid” odor rubric-এ Belladonna-এর সঙ্গে উল্লেখিত।

Laur. (Laurocerasus) Bitter almond-এর গন্ধের rubric-এ উল্লেখিত।

Anacardium Burning tinder-এর মতো গন্ধ, বিশেষ করে সকালে—repertory-তে উল্লেখিত।

Aur. (Aurum metallicum) Fetid odor-এর সঙ্গে উল্লেখযোগ্য; বিশেষ করে নাক দিয়ে দুর্গন্ধ/পচা গন্ধের ক্ষেত্রে repertory-তে আছে।

Kreosotum সকালে bad odor-এর rubric-এ উল্লেখিত।

Pulsatilla সকালে bad odor এবং agreeable odor-এর বিভিন্ন rubric-এ পাওয়া যায়।

Nux vomica Blood-এর গন্ধ অনুভব করার rubric-এ উল্লেখিত।

Psorinum নাকের দুর্গন্ধ/অফেন্সিভ nasal symptoms-এর ক্ষেত্রে Materia Medica-তে ব্যবহৃত হয়; তবে এটিকে সরাসরি “imaginary odor” remedy হিসেবে আলাদা করতে হবে।

Carbolic acid altered smell/অস্বাভাবিক olfactory sensitivity-এর বিভিন্ন repertory context-এ বিবেচিত হয়।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি আলাদা করে মনে রাখুন-

১. Paris quadrifolia-

> Imaginary foul smells
এর সঙ্গে “milk and bread smell like putrid meat”—এটি অত্যন্ত characteristic symptom।

২. Sulphur-

> Imaginary foul smells
বিশেষ করে নাক বন্ধ + chronic dry nasal condition + offensive tendency থাকলে picture-টি শক্তিশালী হয়।

৩. Phosphorus-

> Foul imaginary odors
সঙ্গে অত্যন্ত sensitive smell থাকলে গুরুত্বপূর্ণ।

৪. Belladonna-

> Imaginary odors
এটি classic repertory/Materia Medica indication।

৫. Mancinella-
যদি রোগী নির্দিষ্টভাবে গানপাউডার, গোবর/মল ইত্যাদির গন্ধ অনুভব করেন, তখন এটি আলাদা করে বিবেচনা করা যায়।

🔎 গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য

“রোগী দুর্গন্ধ পাচ্ছেন”—এটি একক symptom।
কিন্তু কী ধরনের গন্ধ? কখন? কোথা থেকে মনে হয়? বাস্তবে অন্যরা গন্ধ পায় কি না? নাকের কোনো সমস্যা আছে কি না? সঙ্গে কী মানসিক/শারীরিক লক্ষণ আছে?—এসব যোগ করলে remedy selection অনেক বেশি নির্দিষ্ট হয়।

আর নতুনভাবে শুরু হওয়া বা বারবার হওয়া phantom smell (phantosmia)-এর ক্ষেত্রে নাকের রোগ, migraine বা neurological কারণও চিকিৎসাগতভাবে মূল্যায়ন করা গুরুত্বপূর্ণ। তাই এটিকে শুধু একটি হোমিওপ্যাথিক remedy দিয়ে ব্যাখ্যা না করে কারণটিও বিবেচনা করা উচিত।

ডা. জিয়াউল হক
মাহিন হোমিও মেডিকেল
৮৮ কাঞ্চন টাওয়ার
কাঁঠাল বাগান বাজার,
কলাবাগান, ঢাকা- ১২০৫
01707-956015


🩺 একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের দায়িত্ব কী?Organon of Medicine-এর আলোকে একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের দায়িত্ব শুধু রোগীর জন্...
04/10/2026

🩺 একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের দায়িত্ব কী?

Organon of Medicine-এর আলোকে একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের দায়িত্ব শুধু রোগীর জন্য একটি প্রেসক্রিপশন লিখে দেওয়া নয়। রোগী যেন সঠিক ওষুধ সঠিক potency, সঠিক মাত্রা ও সঠিক পদ্ধতিতে গ্রহণ করেন—এ বিষয়ে চিকিৎসকের যথেষ্ট দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন।

একজন দায়িত্বশীল হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের করণীয়—

🔹 রোগীর সম্পূর্ণ লক্ষণচিত্র বিশ্লেষণ করে সঠিক remedy নির্বাচন করা।

🔹 রোগীর জন্য প্রয়োজনীয় potency ও dose যথাযথভাবে নির্ধারণ করা।

🔹 নির্বাচিত ওষুধটি বিশুদ্ধ, মানসম্মত ও যথাযথভাবে প্রস্তুতকৃত কি না, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা।

🔹 রোগীর শারীরিক অবস্থা, সংবেদনশীলতা ও রোগের প্রকৃতি বিবেচনা করে কীভাবে, কতবার এবং কতদিন ওষুধ গ্রহণ করতে হবে—তা স্পষ্টভাবে নির্দেশনা দেওয়া।

🔹 সম্ভব হলে রোগীর জন্য নির্বাচিত ওষুধ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে যথাযথভাবে প্রস্তুত ও সরবরাহ করা, অথবা বিশ্বস্ত উৎস থেকে সংগৃহীত ওষুধের যথাযথতা নিশ্চিত করা।

🔹 রোগী যেন ভুল ওষুধ, ভুল potency বা ভুল মাত্রা গ্রহণ না করেন—এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সতর্কতা ও নির্দেশনা দেওয়া।

🔹 ওষুধ দেওয়ার পর রোগীর প্রতিক্রিয়া ও পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা পুনর্মূল্যায়ন করা।

🔹 রোগীকে শুধু প্রেসক্রিপশন হাতে দিয়ে দায়িত্ব শেষ না করে, চিকিৎসার পরবর্তী ব্যবস্থাপনা ও follow-up-এর দায়িত্বও যথাযথভাবে পালন করা।

অর্থাৎ, চিকিৎসকের দায়িত্ব হলো—

সঠিক রোগনির্ণয়/রোগমূল্যায়ন → সঠিক remedy নির্বাচন → উপযুক্ত potency ও dose নির্ধারণ → মানসম্মত ওষুধ নিশ্চিতকরণ → সঠিকভাবে রোগীকে প্রদান ও ব্যবহারের নির্দেশনা → পরবর্তী প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ।

এটাই একজন দায়িত্বশীল হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পেশাগত কর্তব্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

ডা. জিয়াউল হক
মাহিন হোমিও মেডিকেল
৮৮ কাঞ্চন টাওয়ার
কাঁঠাল বাগান বাজার,
কলাবাগান, ঢাকা- ১২০৫
01707-956015


অ্যাজমা বা হাঁপানি (ASTHMA) হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা-হোমিওপ্যাথিতে আলোচিত কিছু মেডিসিন-অ্যাজমা হলো শ্বাসনালির দীর্ঘমেয়াদি এ...
03/10/2026

অ্যাজমা বা হাঁপানি (ASTHMA) হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা-

হোমিওপ্যাথিতে আলোচিত কিছু মেডিসিন-

অ্যাজমা হলো শ্বাসনালির দীর্ঘমেয়াদি একটি সমস্যা, যেখানে শ্বাসকষ্ট, বুক চেপে আসা, কাশি ও শ্বাসের সঙ্গে বাঁশির মতো শব্দ (Wheezing) হতে পারে।

হোমিওপ্যাথিক Materia Medica-তে অ্যাজমার বিভিন্ন উপসর্গের সঙ্গে নিচের কিছু Remedy-এর উল্লেখ পাওয়া যায়—

১. Arsenicum album
রাতে শ্বাসকষ্ট, অস্থিরতা এবং ঠান্ডায় সমস্যা বাড়ার বর্ণনা।

২. Ipecacuanha
শ্বাসকষ্ট ও কাশির সঙ্গে বমি বমি ভাব বা বমির প্রবণতার বর্ণনা।

৩. Antimonium tartaricum
বুকে কফ জমে থাকা এবং শ্বাসের সঙ্গে ঘড়ঘড় শব্দের বর্ণনা।

৪. Blatta orientalis
ধুলাবালি বা অ্যালার্জির সঙ্গে সম্পর্কিত হাঁপানির ক্ষেত্রে ঐতিহ্যগতভাবে উল্লেখিত।

৫. Spongia tosta
শুষ্ক, কর্কশ ধরনের কাশি ও শ্বাসকষ্টের বর্ণনা।

৬. Aralia racemosa
বিশেষ করে শোয়ার পর বা রাতে শ্বাসকষ্টের বর্ণনা।

৭. Sambucus nigra
রাতে নাক বন্ধ হওয়া ও শ্বাসকষ্টের সঙ্গে ব্যবহারের উল্লেখ আছে।

৮. Lobelia inflata
বুকে চাপ/টান অনুভূতি, শ্বাসকষ্ট ও বমি বমি ভাবের বর্ণনা।

৯. Natrum sulphuricum
আর্দ্র আবহাওয়া বা ভোরের দিকে শ্বাসকষ্ট বাড়ার বর্ণনা।

১০. Kali carbonicum
রাতের শেষভাগ বা ভোরের দিকে শ্বাসকষ্টের বর্ণনা।

গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা

রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার ব্যতীত বা অন্য কোন ডাক্তার থেকে বা হাতুড়ি ডাক্তার থেকে চিকিৎসা নিবেন না। জীবন অনেক মূল্যবান।

তীব্র শ্বাসকষ্ট, কথা বলতে কষ্ট, ঠোঁট নীলচে হওয়া বা দ্রুত অবনতি হলে জরুরি চিকিৎসা নিন।

ডা. জিয়াউল হক
মাহিন হোমিও মেডিকেল
৮৮ কাঞ্চন টাওয়ার
কাঁঠাল বাগান বাজার,
কলাবাগান, ঢাকা- ১২০৫
01707-956015


#হাঁপানী

হার্টঅ্যাটাক/ হ্রদরোগ এর ঝুঁকি কারণ লক্ষণ ও করণীয় -ডা. জিয়াউল হক    মাহিন হোমিও মেডিকেল  ৮৮ কাঞ্চন টাওয়ার     কাঁঠাল বাগ...
03/10/2026

হার্টঅ্যাটাক/ হ্রদরোগ এর ঝুঁকি কারণ লক্ষণ ও করণীয় -

ডা. জিয়াউল হক
মাহিন হোমিও মেডিকেল
৮৮ কাঞ্চন টাওয়ার
কাঁঠাল বাগান বাজার,
কলাবাগান, ঢাকা- ১২০৫
01707-956015


উপরিভাগের শ্বাসনালী ও নাক-কান-গলা সংক্রমণে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা: র‍্যান্ডমাইজড ও পর্যবেক্ষণমূলক গবেষণার একটি পর্যালোচনা-...
28/09/2026

উপরিভাগের শ্বাসনালী ও নাক-কান-গলা সংক্রমণে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা: র‍্যান্ডমাইজড ও পর্যবেক্ষণমূলক গবেষণার একটি পর্যালোচনা-

লেখক: P. Bellavite
প্রকাশকাল: ২০১৯
বিষয়: চিকিৎসাবিজ্ঞান, বিকল্প/পরিপূরক ও সমন্বিত চিকিৎসা

Dr. Paolo Bellavite- ইতালির চিকিৎসক, হেমাটোলজি বিশেষজ্ঞ এবং ভেরোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক General Pathology Professor.

সংক্ষিপ্তসার (TLDR)

উপরের শ্বাসনালীর সংক্রমণ এবং নাক-কান-গলা-সংক্রান্ত সংক্রমণের ক্ষেত্রে কিছু হোমিওপ্যাথিক ফর্মুলেশন কার্যকর হতে পারে বলে গবেষণাগুলোতে ইঙ্গিত পাওয়া যায়। এছাড়া গুরুতর নয় এমন কানের মধ্যভাগের সংক্রমণ (otitis)-এর ক্ষেত্রে রোগীর উপসর্গ অনুযায়ী ব্যক্তিকেন্দ্রিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সম্ভবত কার্যকর হতে পারে।

সারসংক্ষেপ (Abstract)

ভূমিকা:
হোমিওপ্যাথি একটি প্রাকৃতিক বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতি, যার ব্যবহার ব্যাপক এবং ক্রমবর্ধমান; এমনকি শিশুদের মধ্যেও এর ব্যবহার দেখা যায়। এই প্রবণতার কারণে চিকিৎসকদের জন্য এমন তথ্য থাকা গুরুত্বপূর্ণ, যাতে তারা রোগীদের এই পরিপূরক চিকিৎসা পদ্ধতির সম্ভাব্য উপকারিতা ও ক্ষতির বিষয়ে পরামর্শ দিতে পারেন।

এই গবেষণার উদ্দেশ্য ছিল মানুষের ওপর—শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক উভয়ের ক্ষেত্রে—সাধারণ উপরের শ্বাসনালীর সংক্রমণ (URTI), কানের সংক্রমণ (otitis), রাইনাইটিস, সাইনুসাইটিস, রাইনোসাইনুসাইটিস, ফ্যারিঞ্জাইটিস এবং টনসিলাইটিসে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নিয়ে PubMed-এ প্রকাশিত গবেষণাগুলো পর্যালোচনা করা।

পদ্ধতি (Methods)

PubMed-এ “homeopathy” অথবা “homeopathic” শব্দের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রোগগুলোর নাম ব্যবহার করে অনুসন্ধান করা হয়।

পর্যালোচনায় হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার বিভিন্ন ধরন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যেমন—

ক) Classical individualized homeopathy:
রোগীর ব্যক্তিগত লক্ষণ ও বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী নির্দিষ্ট হোমিওপ্যাথিক ওষুধ নির্বাচন।

খ) Ailment-specific medicines and complexes:
নির্দিষ্ট রোগ বা উপসর্গের জন্য ব্যবহৃত হোমিওপ্যাথিক ওষুধ এবং একাধিক ওষুধের সমন্বিত ফর্মুলেশন।

গবেষণাসমূহের সামগ্রিক চিত্র বিবেচনা করার জন্য প্রতিটি রোগের ক্ষেত্রে প্রকাশিত র‍্যান্ডমাইজড ও নন-র‍্যান্ডমাইজড গবেষণার সংখ্যা অনুসারে চিকিৎসার কার্যকারিতার প্রমাণকে একটি আধা-পরিমাণগত (semi-quantitative) পদ্ধতিতে সংক্ষেপ করা হয়েছে।

বিভিন্ন গবেষণায় ব্যবহৃত হোমিওপ্যাথিক ওষুধগুলোও শ্রেণিবদ্ধ ও বর্ণনা করা হয়েছে।

ফলাফল (Results)

২০১৮ সালের শেষ পর্যন্ত প্রকাশিত মোট ৪০টি ক্লিনিক্যাল গবেষণা এই পর্যালোচনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এর মধ্যে—

- ২১টি ছিল র‍্যান্ডমাইজড অথবা নিয়ন্ত্রণ-গোষ্ঠীসহ equivalence study।
- ১৯টি ছিল নন-র‍্যান্ডমাইজড অথবা পর্যবেক্ষণমূলক গবেষণা।

গবেষণাগুলোতে বিভিন্ন ধরনের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে। এর মধ্যে ছিল—

- ব্যক্তিকেন্দ্রিক হোমিওপ্যাথি, যেখানে উচ্চমাত্রায় ডাইলিউটেড হোমিওপ্যাথিক ওষুধ ব্যবহার করা হয়েছে;
- ব্যক্তিকেন্দ্রিক নয় এমন চিকিৎসা, যেখানে বিভিন্ন হোমিওপ্যাথিক কমপ্লেক্স বা সমন্বিত ফর্মুলেশন ব্যবহার করা হয়েছে।

গবেষণাগুলোর ফলাফল মিশ্র ছিল। তবে কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, নির্দিষ্ট কিছু হোমিওপ্যাথিক ফর্মুলেশন উপরিভাগের শ্বাসনালীর সংক্রমণ এবং নাক-কান-গলা-সংক্রান্ত সংক্রমণে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।

কয়েকটি গবেষণায় রোগীদের—

- জীবনযাত্রার মান (quality of life),
- উপসর্গের মাত্রা (symptom scoring)

ইত্যাদিতে উন্নতি অথবা প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতির সঙ্গে সমতুল্য ফলাফল (equivalence) পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে উপরিভাগের শ্বাসনালীর সংক্রমণে ব্যক্তিকেন্দ্রিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার কার্যকারিতা সম্পর্কে গবেষণার তথ্য এখনও সীমিত এবং অনিশ্চয়তা রয়েছে।

মোট ২১টি ভিন্ন হোমিওপ্যাথিক ওষুধ অন্তত দুইটি করে প্রকাশিত গবেষণায় ব্যবহৃত হয়েছে।

উপসংহার (Conclusion)

উপরের শ্বাসনালীর সংক্রমণ এবং নাক-কান-গলা-সংক্রান্ত সংক্রমণের ক্ষেত্রে কিছু হোমিওপ্যাথিক ফর্মুলেশন কার্যকর হতে পারে বলে গবেষণাগুলোতে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

এছাড়া গুরুতর নয় এমন কানের সংক্রমণের (non-severe otitis) ক্ষেত্রে ব্যক্তিকেন্দ্রিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সম্ভবত কার্যকর হতে পারে।

যেসব ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের প্রয়োজন নেই, সেখানে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা কিছু রোগীর ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে—এমন সম্ভাবনাও পর্যালোচনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে বিভিন্ন গবেষণায় ব্যবহৃত চিকিৎসা-পদ্ধতি ও হোমিওপ্যাথিক ওষুধের মধ্যে যথেষ্ট বৈচিত্র্য থাকায়, হোমিওপ্যাথিকে প্রচলিত চিকিৎসাব্যবস্থার সঙ্গে কীভাবে সমন্বিত করা যেতে পারে তা নির্ধারণের জন্য আরও গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে।

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা গবেষণা প্রচার প্রসার হলে চিকিৎসা খাতে বিপ্লব হবে। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নিরাপদ ও সাশ্রয়ী।

ডা. জিয়াউল হক
মাহিন হোমিও মেডিকেল, ঢাকা।

👶 Tummy Time কী? উপকারিতা কি কি?Tummy Time হলো শিশু জেগে ও সজাগ থাকা অবস্থায়, বড়দের সরাসরি নজরদারিতে কিছু সময়ের জন্য পেট...
07/09/2026

👶 Tummy Time কী? উপকারিতা কি কি?

Tummy Time হলো শিশু জেগে ও সজাগ থাকা অবস্থায়, বড়দের সরাসরি নজরদারিতে কিছু সময়ের জন্য পেটের ওপর উপুড় করে রাখা। এটি শিশুর স্বাভাবিক মোটর (motor) বিকাশে সহায়ক।

Tummy Time-এর প্রধান উপকারিতা-

১. ঘাড় ও মাথার নিয়ন্ত্রণ উন্নত করে-
উপুড় অবস্থায় শিশু মাথা তুলতে চেষ্টা করে। এতে ঘাড়, কাঁধ, বাহু ও ওপরের পিঠের পেশি ধীরে ধীরে শক্তিশালী হয়।

২. ভবিষ্যৎ মোটর দক্ষতার ভিত্তি তৈরি করে-
মাথা নিয়ন্ত্রণ → গড়াগড়ি → বসা → হামাগুড়ি—এসব দক্ষতার বিকাশে প্রয়োজনীয় পেশি ও শরীরের সমন্বয় তৈরিতে Tummy Time সাহায্য করে।

৩. মাথার পেছনে চ্যাপ্টা হওয়ার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে-
দীর্ঘসময় একইভাবে চিত হয়ে থাকলে কিছু শিশুর মাথার পেছনে চাপ পড়ে চ্যাপ্টা হতে পারে। জেগে থাকা অবস্থায় অবস্থান পরিবর্তন ও Tummy Time এতে সহায়ক।

৪. হাত ও কাঁধের শক্তি বাড়ায়-
শিশু ধীরে ধীরে কনুই/হাতের ওপর ভর দিয়ে বুক ও মাথা তুলতে শেখে। পরবর্তীতে হামাগুড়ির প্রস্তুতিতেও এটি কাজে লাগে।

৫. চারপাশের প্রতি আগ্রহ বাড়ায়-
সামনে খেলনা, বাবা-মায়ের মুখ বা আকর্ষণীয় কিছু রাখলে শিশু মাথা ঘোরানো ও তাকানোর চেষ্টা করে। এতে চোখ-হাত ও শরীরের সমন্বয়ও অনুশীলন হয়।

কখন শুরু করবেন?

সুস্থ নবজাতকের ক্ষেত্রে জন্মের পর থেকেই অল্প সময়ের Tummy Time শুরু করা যায়—যেমন বাবা/মায়ের বুকের ওপর শিশুকে রেখে।

শুরুতে কয়েক মিনিট যথেষ্ট। শিশু অভ্যস্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ধীরে ধীরে সময় বাড়ানো যায়।

গুরুত্বপূর্ণ: নির্দিষ্ট “৩–৫ মিনিট, দিনে ২–৩ বার” সবার জন্য বাধ্যতামূলক নয়। শিশুর বয়স, সহনশীলতা ও বিকাশ অনুযায়ী সময় ভাগ করে দেওয়া ভালো।

কীভাবে করাবেন?

পদ্ধতি ১ — বুকের ওপর
মা/বাবা আধা হেলান দিয়ে বসে শিশুকে নিজের বুকের ওপর উপুড় করে রাখুন। শিশুর মুখ ও নাক যেন পরিষ্কার থাকে।

পদ্ধতি ২ — শক্ত, সমতল মেঝেতে
জেগে থাকা অবস্থায় পরিষ্কার মাদুর/ফ্লোরে শিশুকে উপুড় করে রাখুন। শিশুর সামনে আপনার মুখ বা একটি বয়স-উপযোগী খেলনা রাখুন।

পদ্ধতি ৩ — কোলে
শিশুকে আপনার কোলে পেটের ওপর রেখে মাথা ও ঘাড়ের অবস্থান পর্যবেক্ষণ করতে পারেন।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা-

Tummy Time এবং Sleep Position এক জিনিস নয়।

Tummy Time = জেগে থাকা + প্রাপ্তবয়স্কের সরাসরি নজরদারি

ঘুম = সবসময় চিত হয়ে (পিঠের ওপর)

শিশুকে কখনোই Tummy Time-এর সময় একা রেখে যাবেন না এবং উপুড় অবস্থায় ঘুমাতে দেবেন না।

নরম বালিশ, কম্বল, কুশন বা এমন কোনো বস্তু ব্যবহার করবেন না যাতে শিশুর মুখ-নাক ঢেকে যেতে পারে।

কখন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেবেন?

যদি শিশু Tummy Time একদম সহ্য না করে, মাথা/ঘাড়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বয়স অনুযায়ী অগ্রগতি না হয়, শরীরের এক পাশ বেশি ব্যবহার করে, অথবা নড়াচড়ায় অস্বাভাবিক শক্ত/ঢিলে মনে হয়—তাহলে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে আলোচনা করা ভালো।

আর প্রিম্যাচিউর শিশু, অসুস্থ শিশু বা বিশেষ কোনো শারীরিক সমস্যা থাকা শিশুর ক্ষেত্রে Tummy Time-এর পদ্ধতি ও সময় শিশুর চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নির্ধারণ করা উচিত।

সহজভাবে মনে রাখুন:
“জেগে থাকলে উপুড়, ঘুমালে চিত—নজরদারি ছাড়া কখনো নয়।”

ডা. নার্গিস জিয়া
মাহিন হোমিও মেডিকেল।
ঢাকা -১২০৫.

ঘাম মানেই গরম নয়, হতে পারে রোগের লক্ষণ-
05/09/2026

ঘাম মানেই গরম নয়, হতে পারে রোগের লক্ষণ-

অ্যালোপ্যাথি বনাম হোমিওপ্যাথি-স্যার উইলিয়াম ওসলার আসলে কী বলেছিলেন-Sir William Osler (1849–1919) ছিলেন আধুনিক চিকিৎসাবিজ...
04/09/2026

অ্যালোপ্যাথি বনাম হোমিওপ্যাথি-

স্যার উইলিয়াম ওসলার আসলে কী বলেছিলেন-

Sir William Osler (1849–1919) ছিলেন আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। রোগীকে সরাসরি পর্যবেক্ষণ, bedside teaching এবং clinical medicine-এর উন্নয়নে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।

তাঁর সময় ছিল চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিবর্তনের যুগ। একদিকে ছিল তৎকালীন প্রচলিত “regular medicine”, অন্যদিকে ছিল Homeopathy-সহ বিভিন্ন চিকিৎসা-ধারা।

কিন্তু হোমিওপ্যাথি নিয়ে ওসলারের অবস্থান কী ছিল?

১. “অ্যালোপ্যাথি বনাম হোমিওপ্যাথি”—এই দ্বন্দ্বকে তিনি কীভাবে দেখতেন?

১৯০৫ সালের তাঁর বিখ্যাত Farewell Address-এ Osler বলেন:

«“The original grievous mistake was ours—to quarrel with our brothers over infinitesimals…”»

অর্থাৎ, হোমিওপ্যাথদের infinitesimal dose নিয়ে বিরোধে জড়িয়ে পড়াকে তিনি প্রচলিত চিকিৎসা-সমাজের একটি ভুল হিসেবে দেখেছিলেন।

তবে এর অর্থ এই নয় যে Osler হোমিওপ্যাথির সব তত্ত্বকে বৈজ্ঞানিকভাবে সত্য বলে মেনে নিয়েছিলেন।

২. হোমিওপ্যাথ চিকিৎসকদের সম্পর্কে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি

Osler হোমিওপ্যাথ চিকিৎসকদের সঙ্গে শত্রুতার পরিবর্তে চিকিৎসাবিজ্ঞানের উন্নয়নের জন্য পারস্পরিক প্রতিযোগিতা ও গবেষণার গুরুত্বের কথা বলেছিলেন।

তিনি মনে করতেন, চিকিৎসাবিজ্ঞানের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত—

রোগীর উপকার করা এবং কোন চিকিৎসা কার্যকর তা নির্ভরযোগ্যভাবে জানা।

৩. Polypharmacy-এর বিরুদ্ধে শিক্ষা

ঐতিহাসিকভাবে তৎকালীন চিকিৎসাব্যবস্থায় একসঙ্গে অনেক ওষুধ ব্যবহারের প্রবণতা ছিল।

হোমিওপ্যাথি এই polypharmacy-এর বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দিয়েছিল—এমন মূল্যায়ন Osler-এর চিকিৎসা-চিন্তার আলোচনায় পাওয়া যায়।

অর্থাৎ—

বেশি ওষুধ = ভালো চিকিৎসা

এমন ধারণা তিনি সমর্থন করেননি।

৪. তাহলে কি Osler হোমিওপ্যাথ ছিলেন?

না—এমন দাবি করা ঠিক হবে না।

তিনি হোমিওপ্যাথ চিকিৎসকদের কিছু ইতিবাচক দিক স্বীকার করলেও হোমিওপ্যাথির মূল তত্ত্ব, বিশেষ করে infinitesimal dose-এর কার্যকারিতা, আধুনিক বৈজ্ঞানিক প্রমাণের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত—এমন অবস্থান তিনি নেননি।

তাই,

“Osler ছিলেন হোমিওপ্যাথির সমর্থক”

—এই সরলীকরণ ঐতিহাসিকভাবে সঠিক নয়।

৫. Osler-এর একটি বিখ্যাত বক্তব্য

«“It is more important to know what sort of patient has the disease than what sort of disease the patient has.”»

বাংলা অর্থ:

“রোগীর কী রোগ হয়েছে তা জানার চেয়ে, কোন ধরনের রোগীর সেই রোগ হয়েছে—তা জানা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।”

এই বক্তব্য রোগীর ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্য ও clinical observation-এর গুরুত্ব তুলে ধরে।

অনেক হোমিওপ্যাথ এই বক্তব্যের সঙ্গে Individualization বা রোগীভেদে চিকিৎসার ধারণার মিল দেখতে পান।

তবে এটিকে সরাসরি হোমিওপ্যাথির বৈজ্ঞানিক স্বীকৃতি হিসেবে ব্যাখ্যা করা উচিত নয়।

৬. “Allopathy” নিয়েও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান

Osler-এর সময় চিকিৎসাবিজ্ঞান দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছিল। তিনি এমন একটি চিকিৎসাব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাওয়ার কথা বলেছিলেন যা শুধু “Allopathy” বা “Homeopathy”—কোনো একটি মতবাদের প্রতি অন্ধ আনুগত্য করবে না।

বরং প্রশ্ন হবে—

কোন চিকিৎসা কার্যকর?
কীভাবে তা পরীক্ষা করা হয়েছে?
রোগীর জন্য এর উপকার ও ঝুঁকি কী?

এটি আধুনিক evidence-based medicine-এর চিন্তার সঙ্গে অনেকটাই সামঞ্জস্যপূর্ণ।

৭. “Nux vomica and hope”—সত্যিই কি Osler-এর বক্তব্য?

Osler-এর সঙ্গে “Nux vomica and hope” কথাটি বিভিন্ন Homeopathic লেখায় প্রচলিত।

কিন্তু এই বক্তব্যকে Osler-এর নিশ্চিত, primary-source quotation হিসেবে উপস্থাপন করার ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন।

সুতরাং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এটিকে সরাসরি—

“Osler বলেছেন...”

হিসেবে প্রচার না করে,

“Osler-এর নামে প্রচলিত একটি বক্তব্য”

হিসেবে উল্লেখ করাই বেশি দায়িত্বশীল।

---

তাহলে Osler-এর প্রকৃত শিক্ষা কী?

Osler-এর চিকিৎসাদর্শকে সংক্ষেপে বলা যায়—

অন্ধ Allopathy নয়।
অন্ধ Homeopathy-ও নয়।
অন্ধ কোনো মতবাদই নয়।

বরং—

**Clinical observation

+ Scientific investigation
+ Rational therapeutics
+ Patient-centered care**

এই চারটি বিষয় চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভিত্তি হওয়া উচিত।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা

Osler-এর ঐতিহাসিক বক্তব্যকে ব্যবহার করে “হোমিওপ্যাথি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত”—এমন দাবি করা ঠিক নয়।

আবার Osler হোমিওপ্যাথ চিকিৎসকদের সঙ্গে সবসময় শত্রুতাপূর্ণ ছিলেন—এমন দাবিও তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

ইতিহাসকে ইতিহাসের জায়গায় এবং আধুনিক বৈজ্ঞানিক প্রমাণকে আধুনিক বিজ্ঞানের জায়গায় রাখাই সবচেয়ে সঠিক পদ্ধতি।

একটি সুন্দর সারকথা:

«“চিকিৎসকের পরিচয় শুধু তার মতবাদে নয়; রোগীর প্রতি তার দায়িত্ব, পর্যবেক্ষণ, জ্ঞান, যুক্তি এবং চিকিৎসার ফলাফলের প্রতিও তার দায়বদ্ধতা রয়েছে।”»

— Sir William Osler-এর চিকিৎসাদর্শ থেকে পাওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা

📚 Historical Reference:
William Osler, Unity, Peace and Concord: A Farewell Address to the Medical Profession of the United States, 1905.







স্ত্রীর যৌন আগ্রহ কমে গেলে স্বামীর যা করা উচিত-স্ত্রীর যৌন আগ্রহ আগের তুলনায় কমে গেছে? ঘনিষ্ঠ হতে চাইলে তিনি অনীহা দেখান...
03/09/2026

স্ত্রীর যৌন আগ্রহ কমে গেলে স্বামীর যা করা উচিত-

স্ত্রীর যৌন আগ্রহ আগের তুলনায় কমে গেছে? ঘনিষ্ঠ হতে চাইলে তিনি অনীহা দেখান?

এমন পরিস্থিতিতে “সে কি আমাকে আর আগের মতো ভালোবাসে না?”—এমন ধারণা করা ঠিক নয়।

একজন নারীর যৌন আগ্রহ বা Libido কমে যাওয়ার পেছনে শারীরিক, মানসিক, হরমোনজনিত ও দাম্পত্য জীবনের বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। তাই প্রথমেই রাগ, অভিযোগ বা চাপ সৃষ্টি না করে সমস্যার কারণ বোঝার চেষ্টা করা উচিত।

নারীর যৌন আগ্রহ কমে যাওয়ার সম্ভাব্য কারণ

১. অতিরিক্ত মানসিক চাপ,
২. সংসার ও সন্তান পালনের অতিরিক্ত ক্লান্তি,
৩. পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব,
৪. দাম্পত্য জীবনে অভিমান, দ্বন্দ্ব বা মানসিক দূরত্ব,
৫. উদ্বেগ, দুশ্চিন্তা বা বিষণ্ণতা,
৬. হরমোনের পরিবর্তন,
৭. সন্তান জন্মের পর শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন,
৮. মেনোপজ বা বয়সজনিত পরিবর্তন,
৯. যোনিপথে শুষ্কতা,
১০. যৌনমিলনের সময় ব্যথা বা অস্বস্তি,
১১. কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া,
১২. নিজের শরীর বা চেহারা নিয়ে আত্মবিশ্বাসের অভাব,
১৩. থাইরয়েডসহ কিছু শারীরিক সমস্যা,
১৪. দীর্ঘদিনের কোনো অসুস্থতা,

অতএব, যৌন আগ্রহ কমে যাওয়া মানেই স্ত্রী স্বামীকে ভালোবাসেন না—এমন ধারণা অনেক সময় সম্পূর্ণ ভুল।

স্বামীর প্রথম করণীয়—চাপ নয়, বোঝাপড়া।

স্ত্রী ঘনিষ্ঠ হতে না চাইলে জোর করা, রাগ দেখানো, অপমান করা কিংবা বারবার চাপ দেওয়া উচিত নয়।

বরং শান্তভাবে জানতে পারেন—

“তুমি কি কোনো শারীরিক অস্বস্তিতে আছো?”

“কোনো বিষয় নিয়ে কি মানসিক চাপ অনুভব করছো?”

“আমি কীভাবে তোমাকে সহযোগিতা করতে পারি?”

স্ত্রীর সম্মতি ও স্বাচ্ছন্দ্যকে সবসময় গুরুত্ব দিতে হবে।

শুধু যৌন সম্পর্ক নয়, সম্পর্কের যত্ন নিন।

দাম্পত্য জীবনে মানসিক নিরাপত্তা ও পারস্পরিক ভালোবাসা গুরুত্বপূর্ণ।

তাই—

১. স্ত্রীর সঙ্গে সময় কাটান।
২. তার কথা মন দিয়ে শুনুন।
৩. সংসারের কাজে সহযোগিতা করুন।
৪. প্রশংসা ও ইতিবাচক আচরণ করুন।
৫. অযথা সমালোচনা ও তুলনা এড়িয়ে চলুন।
৬. তাকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও ব্যক্তিগত সময় দিন।
৭. স্নেহ, সম্মান ও ভালোবাসা প্রকাশ করুন।
৮. যৌন সম্পর্কের ক্ষেত্রে তার সম্মতি ও স্বাচ্ছন্দ্যকে প্রাধান্য দিন।

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা-

যৌন আগ্রহ কমে যাওয়ার জন্য কোনো একটি নির্দিষ্ট হোমিওপ্যাথিক ওষুধ সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। রোগীর শারীরিক ও মানসিক লক্ষণ, হরমোনাল অবস্থা, মাসিকের ইতিহাস, ঘুম, মানসিক চাপ, যৌনমিলনে ব্যথা বা শুষ্কতা, প্রসব বা মেনোপজের ইতিহাসসহ সম্পূর্ণ কেস বিবেচনা করে চিকিৎসা নির্বাচন করা উচিত।

হোমিওপ্যাথিক Materia Medica-তে লক্ষণভেদে যে রেমেডিগুলো বিবেচনায় আসতে পারে, তার মধ্যে রয়েছে—

১. Sepia — যৌন আগ্রহ কমে যাওয়া, দাম্পত্য সম্পর্কে অনীহা, মানসিক বিরক্তি ও ক্লান্তির নির্দিষ্ট সমষ্টিতে বিবেচ্য।
২. Natrum muriaticum — মানসিক কষ্ট, অভিমান, একাকীত্ব ও আবেগগত দূরত্বের সঙ্গে যৌন আগ্রহ কমে গেলে কেস অনুযায়ী বিবেচনা করা হয়।
৩. Pulsatilla — হরমোনাল পরিবর্তন ও আবেগগত বৈশিষ্ট্যের নির্দিষ্ট সমষ্টিতে বিবেচ্য।
৪. Ignatia — মানসিক আঘাত, দুঃখ, উদ্বেগ বা আবেগগত পরিবর্তনের সঙ্গে সমস্যা দেখা দিলে কেস অনুযায়ী বিবেচনা করা হয়।
৫. Lachesis — মেনোপজ-সংক্রান্ত পরিবর্তন ও নির্দিষ্ট শারীরিক-মানসিক লক্ষণের সমষ্টিতে বিবেচ্য।
৬. Phosphorus — নির্দিষ্ট মানসিক ও শারীরিক বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে যৌন দুর্বলতা বা আগ্রহের পরিবর্তন থাকলে কেস অনুযায়ী বিবেচনা করা হয়।

তবে শুধু “যৌন আগ্রহ কম” এই একটি লক্ষণের ভিত্তিতে কোনো রেমেডি নির্বাচন বা নিজে থেকে উচ্চ potency গ্রহণ করা উচিত নয়।

কখন চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি?

যদি যৌন আগ্রহ দীর্ঘদিন ধরে কম থাকে, যৌনমিলনে ব্যথা বা অতিরিক্ত শুষ্কতা থাকে, মাসিক অনিয়মিত হয়, মেনোপজের সমস্যা থাকে, অতিরিক্ত ক্লান্তি বা মন খারাপ থাকে অথবা অন্য কোনো শারীরিক সমস্যা থাকে—তাহলে গাইনি চিকিৎসক বা সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

প্রয়োজনে থাইরয়েড, রক্তস্বল্পতা, হরমোনাল সমস্যা, মানসিক স্বাস্থ্য বা ব্যবহৃত ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও মূল্যায়ন করা হতে পারে।

মনে রাখবেন—

“স্ত্রীর যৌন আগ্রহ কমে গেছে” মানেই “ভালোবাসা কমে গেছে”—এমন নয়।

ভালোবাসা, সম্মান, পারস্পরিক বোঝাপড়া, নিরাপত্তা এবং সম্মতিই একটি সুস্থ দাম্পত্য সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।

ডা. জিয়াউল হক
মাহিন হোমিও মেডিকেল
৮৮ কাঞ্চন টাওয়ার
কাঁঠাল বাগান বাজার,
কলাবাগান, ঢাকা- ১২০৫
01707-956015


Address

88 Kanchan Tower, KathalBagan Bazar, Kalabagan
Dhaka
1205

Opening Hours

Monday 09:00 - 23:00
Tuesday 09:00 - 23:00
Wednesday 09:00 - 23:00
Thursday 09:00 - 23:00
Friday 09:00 - 23:00
Saturday 09:00 - 23:00
Sunday 09:00 - 23:00

Telephone

+8801977956015

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mahin Homoeo Medical posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Mahin Homoeo Medical:

Shortcuts

Share