CareConnect Clinical Physiotherapy & Neuro Rehab

CareConnect Clinical Physiotherapy & Neuro Rehab বিশেষজ্ঞ ফিজিওথেরাপিস্ট দ্বারা পরিচালিত একটি অত্যাধুনিক ফিজিওথেরাপি এবং রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার।

স্ট্রোকের পর একজন রোগীর দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার পেছনে ওষুধের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো তার দৈনন্দিন যত্ন এবং সঠিক ফিজিওথে...
31/03/2026

স্ট্রোকের পর একজন রোগীর দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার পেছনে ওষুধের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো তার দৈনন্দিন যত্ন এবং সঠিক ফিজিওথেরাপি ম্যানেজমেন্ট।অনেক সময় দেখা যায়, সঠিক নিয়মে শোয়া বা বসার অভাবে রোগীর আক্রান্ত হাত-পা শক্ত হয়ে যায় (Spasticity) অথবা কাঁধের হাড় সরে গিয়ে (Subluxation) প্রচণ্ড ব্যথার সৃষ্টি হয়।

​নিচের ছবিতে স্ট্রোক পরবর্তী রোগীদের জন্য ৪টি আদর্শ পজিশন দেখানো হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক রিহ্যাবিলিটেশন প্রোটোকল অনুযায়ী অত্যন্ত কার্যকর:

১. বসে থাকা অবস্থায় (Sitting):
• রোগীর পিঠ চেয়ারের পেছনের অংশে পুরোপুরি সাপোর্ট দিয়ে সোজা হয়ে বসতে হবে।
• আক্রান্ত হাতটি একটি বালিশের ওপর রেখে টেবিল বা উঁচু স্ট্যান্ডের ওপর সাপোর্ট দিয়ে রাখতে হবে।
• বসার সময় শরীরের ওজন যেন দুই নিতম্বে সমানভাবে পড়ে এবং দুই পা মেঝের ওপর সমানভাবে থাকে।

​২. সুস্থ পাশে কাত হয়ে শোয়া (Lying on unaffected side):
• মাথা ও শরীরের মাঝখানের অংশ সোজা রাখতে হবে।
• আক্রান্ত হাতটি সামনের দিকে এনে একটি বালিশের ওপর রাখতে হবে। খেয়াল রাখবেন যেন কাঁধ এবং কোমরের হাড় সামনের দিকে ঝোঁকানো থাকে।
• আক্রান্ত পা-টি ভাঁজ করে সামনের দিকে একটি বালিশের ওপর সাপোর্ট দিয়ে রাখতে হবে। ভারসাম্য বজায় রাখতে পিঠের পেছনে একটি বালিশ দেওয়া যেতে পারে।

​৩. আক্রান্ত পাশে কাত হয়ে শোয়া (Lying on affected side):
• এই পজিশনে শোয়া রক্ত সঞ্চালনের জন্য ভালো। তবে সতর্ক থাকতে হবে।
• সতর্কবার্তা: আক্রান্ত পাশের কাঁধের হাড়টি সাবধানে একটু সামনের দিকে টেনে রাখতে হবে, যেন শরীরের ওজন সরাসরি কাঁধের জয়েন্টের ওপর না পড়ে।
• আক্রান্ত হাতটি বিছানার ওপর সোজা করে, হাতের তালু ওপরের দিকে মুখ করে রাখতে হবে। এটি হাত শক্ত হয়ে যাওয়া কমাতে সাহায্য করে।
• ভালো পা-টি ভাঁজ করে সামনের দিকে একটি বালিশের ওপর সাপোর্ট দিয়ে রাখতে হবে।

​৪. বিছানায় সোজা হয়ে শোয়া (Lying in bed):
• মাথা ও ঘাড়ের নিচে আরামদায়ক বালিশ দিয়ে সোজা হয়ে শুতে হবে।
• আক্রান্ত হাতটি শরীরের পাশে একটি বালিশের ওপর সাপোর্ট দিয়ে রাখতে হবে যাতে এটি ঝুলে না যায়।
• পা দুটো সোজা থাকবে। যদি হাঁটুতে টান লাগে, তবে হাঁটুর নিচে হালকা একটি পাতলা বালিশ দেওয়া যেতে পারে।

​বিশেষ পরামর্শ:
দীর্ঘক্ষণ একভাবে শুয়ে থাকলে 'বেড সোর' বা পিঠে ক্ষত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই প্রতি ২ ঘণ্টা অন্তর রোগীর পজিশন পরিবর্তন করে দেওয়া উচিত। সঠিক পজিশনিং এবং নিয়মিত ফিজিওথেরাপিই পারে একজন স্ট্রোক রোগীকে পুনরায় স্বাবলম্বী করে তুলতে।

21/03/2026
আপনার পরিবারের স্বাস্থ্য সুরক্ষায়, আমরা আছি আপনার পাশেই​এখন উন্নত ও বিশ্বস্ত মেডিকেল সেবা পৌঁছে যাবে সরাসরি আপনার ড্রয়িং...
20/02/2026

আপনার পরিবারের স্বাস্থ্য সুরক্ষায়, আমরা আছি আপনার পাশেই

​এখন উন্নত ও বিশ্বস্ত মেডিকেল সেবা পৌঁছে যাবে সরাসরি আপনার ড্রয়িংরুমে। CareConnect BD-র দক্ষ টিম আপনার ও আপনার প্রিয়জনের সেবায় নিয়োজিত ২৪/৭।

​কেন আমাদের ওপর ভরসা করবেন?

​দক্ষ হোম নার্সিং: অসুস্থ বা বয়স্কদের জন্য অভিজ্ঞ নার্স দ্বারা মমতাভরা সেবা।

​বাসায় ডাক্তার ভিজিট: বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এখন আপনার নিজের ঘরেই পরামর্শ দেবেন।

​প্রফেশনাল ফিজিওথেরাপি: হাড় বা মাংসপেশির ব্যথায়,স্ট্রোক পরবর্তী জটিলতা, প্যারালাইসিস এবং দীর্ঘমেয়াদী বাতের ব্যথার আধুনিক ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা এখন আপনার বাড়িতেই।

​ল্যাব স্যাম্পল কালেকশন: ঘর থেকেই রক্ত বা অন্যান্য পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহের সুবিধা।

​মেডিসিন হোম ডেলিভারি: জরুরি ঔষধ দ্রুত পৌঁছে যাবে আপনার ঠিকানায়।

​জরুরি অ্যাম্বুলেন্স সাপোর্ট: যেকোনো ইমারজেন্সিতে দ্রুত ও নিরাপদ যাতায়াত।

​আপনার প্রিয়জনের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে আমরা আপোষহীন। আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং অভিজ্ঞ কর্মী নিয়ে আমরা আছি আপনার অপেক্ষায়।

​✨ সেবা পেতে বা বিস্তারিত জানতে এখনই কল করুন:
📞 হটলাইন: +৮৮০ ১৭১২-৮৬৮৪৬৭
💬 অথবা আমাদের ইনবক্স করুন।

​CareConnect BD – ঘরে ঘরে সঠিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেয়াই আমাদের লক্ষ্য
https://www.facebook.com/share/p/1CYpZaL3U

চলুন, আজ স্ট্রোক সম্পর্কে কিছু জরুরি তথ্য জেনে নিই, যা আপনাকে এবং আপনার প্রিয়জনদের সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করবে।১. স্ট্র...
13/06/2025

চলুন, আজ স্ট্রোক সম্পর্কে কিছু জরুরি তথ্য জেনে নিই, যা আপনাকে এবং আপনার প্রিয়জনদের সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করবে।

১. স্ট্রোক কী?

সহজ কথায়, স্ট্রোক হলো মস্তিষ্কের রক্ত সরবরাহে আকস্মিক ব্যাঘাত। আমাদের মস্তিষ্ক প্রতিনিয়ত রক্ত ​​থেকে অক্সিজেন ও পুষ্টি গ্রহণ করে কাজ করে।যখন এই রক্ত ​​প্রবাহে কোনো কারণে বাধা পড়ে,তখন মস্তিষ্কের কোষগুলো প্রয়োজনীয় অক্সিজেন ও পুষ্টির অভাবে মরতে শুরু করে। এর ফলে মস্তিষ্কের যে অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, সেই অংশের নিয়ন্ত্রণাধীন শরীরের কার্যক্ষমতা (যেমন – কথা বলা, নড়াচড়া করা, চিন্তা করা) হঠাৎ করেই হারিয়ে যায়।

* ইস্কিমিক স্ট্রোক:-প্রায় ৮৭% স্ট্রোক এই ধরনের হয়। মস্তিষ্কের রক্তনালীতে রক্ত জমাট বাঁধার কারণে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

* হেমোরেজিক স্ট্রোক:-রক্তনালী ফেটে গিয়ে মস্তিষ্কের অভ্যন্তরে রক্তক্ষরণ হয়। এটি কম হলেও, বেশি মারাত্মক হতে পারে।

২. কেন হয় এই নীরব ঘাতক?🩸
স্ট্রোকের পেছনে কিছু নিয়ন্ত্রনযোগ্য এবং কিছু অনিয়ন্ত্রনযোগ্য কারণ থাকে। তবে বেশিরভাগই প্রতিরোধযোগ্য:

* উচ্চ রক্তচাপ (High Blood Pressure):- স্ট্রোকের এক নম্বর কারণ।
* ডায়াবেটিস (Diabetes):- রক্তনালীকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
* উচ্চ কোলেস্টেরল (High Cholesterol):- রক্তনালীতে চর্বি জমিয়ে দেয়।
* ধূমপান ও মদ্যপান:- রক্তনালীকে সংকীর্ণ ও শক্ত করে তোলে।
* স্থূলতা (Obesity):-অন্যান্য রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
* হৃদরোগ (Heart Disease):-বিশেষ করে অনিয়মিত হৃদস্পন্দন (Atrial Fibrillation) রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি বাড়ায়।
* শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা ও অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন:- অপর্যাপ্ত ব্যায়াম ও ফাস্ট ফুড।
* পারিবারিক ইতিহাস:- বংশগত প্রভাব থাকতে পারে।

৩. কীভাবে বুঝবেন স্ট্রোক হয়েছে? (F.A.S.T. পদ্ধতি) ⏰
এই পদ্ধতিটি স্ট্রোকের লক্ষণ দ্রুত চেনার জন্য আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত:-

* F – Face Drooping (মুখ বাঁকা):- রোগীকে হাসতে বলুন। মুখের এক পাশ ঝুলে যাচ্ছে বা বাঁকা হয়ে যাচ্ছে কি না খেয়াল করুন।
* A – Arm Weakness (হাত দুর্বল):- রোগীকে একসাথে দু'হাত উপরে তুলতে বলুন। একটি হাত নিচে নেমে যাচ্ছে বা তুলতে পারছে না কি না দেখুন।
* S – Speech Difficulty (কথা জড়ানো):- রোগীকে সহজ কোনো বাক্য বলতে বলুন। কথা জড়িয়ে যাচ্ছে, অস্পষ্ট লাগছে বা বলতে পারছে না কি না শুনুন।
* T – Time to call emergency (সময় নষ্ট না করে জরুরি বিভাগে যোগাযোগ):- উপরের লক্ষণগুলোর যেকোনো একটি দেখা গেলে তাৎক্ষণিকভাবে দেরি না করে ৯৯৯ এ কল করুন বা রোগীকে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যান। প্রতিটা মিনিট এখানে মূল্যবান!

৪. রোগ নির্ণয় (Diagnosis) 🔬
হাসপাতালে পৌঁছানোর পর ডাক্তাররা দ্রুত কিছু পরীক্ষা করেন:

* শারীরিক পরীক্ষা:- রোগীর অবস্থা পর্যবেক্ষণ।

* সিটি স্ক্যান (CT Scan) বা এমআরআই (MRI):- মস্তিষ্কের ভেতরের ছবি দেখে স্ট্রোকের ধরন (ইস্কিমিক নাকি হেমোরেজিক) এবং ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা হয়। এটি চিকিৎসার ধরন নির্ধারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

* রক্ত পরীক্ষা ও অন্যান্য পরীক্ষা:- রক্তে সুগার, কোলেস্টেরল, রক্ত জমাট বাঁধার ক্ষমতা ইত্যাদি যাচাই করা হয়।

৫. মেডিকেল ম্যানেজমেন্ট ও চিকিৎসা পদ্ধতি 💊
হাসপাতালে স্ট্রোক নিশ্চিত হওয়ার পর দ্রুত চিকিৎসা শুরু হয়। এর মধ্যে রয়েছে:-

* প্রাথমিক জরুরি চিকিৎসা:- রক্তচাপ, শ্বাস-প্রশ্বাস, অক্সিজেনের মাত্রা স্থিতিশীল রাখা।

* ঔষধ প্রয়োগ:- ইস্কিমিক স্ট্রোকের ক্ষেত্রে রক্ত জমাট বাঁধা রোধকারী ঔষধ (যেমন টিপিএ - tPA) নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দেওয়া হয়। হেমোরেজিক স্ট্রোকের ক্ষেত্রে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ ও রক্তক্ষরণ বন্ধের চেষ্টা করা হয়।

* প্রয়োজনে অস্ত্রোপচার:- রক্ত জমাট অপসারণ বা রক্তক্ষরণ বন্ধ করার জন্য কিছু ক্ষেত্রে সার্জারির প্রয়োজন হতে পারে।

৬. স্ট্রোক পরবর্তী ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা:-🚶‍♀️

একজন ফিজিওথেরাপিস্ট হিসেবে আমি জোর দিয়ে বলতে চাই, স্ট্রোকের পর পুনর্বাসন প্রক্রিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মস্তিষ্কের ক্ষতি হলেও, এর কিছু অংশ পুনরায় নিজেকে মানিয়ে নিতে পারে। একে আমরা 'নিউরোপ্লাস্টিসিটি' বলি। ফিজিওথেরাপি এই প্রক্রিয়ায় সহায়ক হয়।

লক্ষ্য:- রোগীর হারানো ক্ষমতাগুলো ফিরিয়ে আনা, দৈনন্দিন কাজ করার স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনা এবং জীবনযাত্রার মান উন্নত করা।

চিকিৎসা পদ্ধতি:-

* পেশী শক্তি বৃদ্ধি ও টোন নিয়ন্ত্রণ:- স্ট্রোকের কারণে দুর্বল বা শক্ত হয়ে যাওয়া পেশীগুলোর জন্য বিশেষ ব্যায়াম।
* ভারসাম্য ও সমন্বয় ফিরিয়ে আনা:- হাঁটাচলা ও অন্যান্য কাজে ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করা।
* হাঁটাচলার ক্ষমতা বৃদ্ধি:- রোগীর অবস্থা অনুযায়ী সাহায্য নিয়ে বা স্বাধীনভাবে হাঁটার প্রশিক্ষণ।
* দৈনন্দিন কাজের দক্ষতা অর্জন:- খাওয়া, পোশাক পরা, ব্যক্তিগত পরিচর্যার মতো সাধারণ কাজগুলো করতে সহায়তা।
* ব্যথা ব্যবস্থাপনা:- স্ট্রোক পরবর্তী ব্যথা কমাতে সাহায্য।
* স্পিচ থেরাপি ও অকুপেশনাল থেরাপি:- কথার জড়তা কাটানো এবং দৈনন্দিন কাজের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী সরঞ্জাম ব্যবহারে সহায়তা (অন্যান্য স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সাথে সমন্বয় করে)।

মনে রাখবেন:- স্ট্রোকের প্রথম দিন থেকেই (রোগীর অবস্থা স্থিতিশীল হলে) ফিজিওথেরাপি শুরু করা গেলে সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যায়। এটি রোগীর মনোবল চাঙ্গা রাখতেও সহায়ক হয়।

৭. স্ট্রোক থেকে বাঁচার উপায় (প্রতিরোধ) 🌱
প্রতিরোধই শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা। আপনার জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তন এনে স্ট্রোকের ঝুঁকি কমানো সম্ভব:-

* নিয়মিত রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করুন।
* ধূমপান ও মদ্যপান চিরতরে পরিহার করুন।
* নিয়মিত ব্যায়াম করুন:- প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা বা হালকা ব্যায়াম।
* সুষম ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করুন:- ফল, শাক-সবজি, ফাইবারযুক্ত খাবার বেশি খান। তেল, চর্বি ও অতিরিক্ত লবণ পরিহার করুন।
* স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখুন।
* মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করুন।
* নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান:- বিশেষ করে ৪০ বছর বয়সের পর বছরে অন্তত একবার ফুল বডি চেকআপ।

স্ট্রোক একটি মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা হলেও সঠিক তথ্য, দ্রুত পদক্ষেপ এবং নিবিড় পুনর্বাসন এর ক্ষতিকর প্রভাব অনেকাংশে কমিয়ে আনতে পারে। সচেতন হোন, সতর্ক থাকুন এবং আপনার আশেপাশের মানুষগুলোকে সচেতন করুন। আপনার সুস্থতা আপনার হাতে।

কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানাতে পারেন। স্বাস্থ্যকর জীবন কামনা করছি!

03/11/2024

✨ জেজি হেলথ কেয়ারে নতুন সংযোজন - জেজি ফিজিওথেরাপি সেন্টার! ✨
বিশেষজ্ঞ ফিজিওথেরাপিস্টদের তত্ত্বাবধানে স্পিচ থেরাপি ও সকল প্রকার ফিজিওথেরাপি সেবা নিতে আজই আসুন।

🩺আপনার স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আমাদের বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও ডায়াগনস্টিক সেবা প্রস্তুত রয়েছে।
📞যে কোনো স্বাস্থ্য পরামর্শ ও টেস্টের জন্য কল করুন: 01818 775522, 01818 775544
🌐 Visit Us: https://www.jghealthcare.com/
📍 আমাদের ঠিকানা: জেজি হেলথ কেয়ার, ট্রপিকাল ক্যান্ট ভিউ, প্লট # ১৬৭/৪, মাটিকাটা বাজার মেইন রোড (ইসিবি চত্বর সংলগ্ন) ঢাকা 1206

পেন্ডুলাম এক্সারসাইজ সাধারণত কাঁধের ব্যথা বা অস্ত্রোপচারের পর ফিজিওথেরাপি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এটি একটি হালকা ব্যায়াম...
30/10/2024

পেন্ডুলাম এক্সারসাইজ সাধারণত কাঁধের ব্যথা বা অস্ত্রোপচারের পর ফিজিওথেরাপি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এটি একটি হালকা ব্যায়াম যা কাঁধের জয়েন্টের মুভমেন্ট বাড়াতে এবং পেশির জড়তা কমাতে সাহায্য করে।

পেন্ডুলাম এক্সারসাইজ করার পদ্ধতি -

ব্যায়াম শুরু করার পদ্ধতি: একটি চেয়ারের বা টেবিলের পাশে দাঁড়ান। টেবিল বা চেয়ার সুস্থ হাত দিয়ে ধরে সামনের দিকে এমন ভাবে ঝুকে দাঁড়ান যেন ব্যথাযুক্ত হাতটি শিথিল অবস্থায় ঝুলতে থাকে।

ব্যায়ামের ধাপ:

ধীরে ধীরে আপনার ব্যথাযুক্ত ঝুলন্ত হাতটি সামান্য সামনে-পেছনে দোলান।এবার বৃত্তাকারে ঘোরান (ক্লকওয়াইজ এবং অ্যান্টি-ক্লকওয়াইজ)।

প্রাথমিকভাবে ছোট বৃত্ত দিয়ে শুরু করুন, এরপর আপনার লক্ষণগুলির উন্নতির সাথে সাথে ধীরে ধীরে বড় বৃত্তের দিকে এগিয়ে যান।আপনার ব্যথা যখন আরো কমে আসবে, তখন ঝুলন্ত হাতে হালকা ওজন (২-৩ কেজি) ধরে উপরোক্ত ব্যায়ামগুলো করুন।

সময়:প্রতিটি ব্যায়াম ৩০ সেকেন্ড থেকে ১ মিনিট পর্যন্ত করুন।দিনে ২-৩ বার এই প্রক্রিয়াটি পুনরাবৃত্তি করুন।

সতর্কতা:

ব্যথা বেশি অনুভূত হলে সাথে সাথেই ব্যায়াম বন্ধ করুন এবং ফিজিওথেরাপিস্ট এর পরামর্শ নিন।

পেন্ডুলাম এক্সারসাইজ এর উপকারিতা: কাঁধের জয়েন্টের মুভমেন্ট উন্নত করে,পেশি শিথিল করতে সহায়তা করে,
রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং জয়েন্টের জড়তা কমায়।

এই ব্যায়ামটি বিশেষ করে রোটেটর কাফ ইনজুরি, ফ্রোজেন শোল্ডার, বা কাঁধের অস্ত্রোপচারের পর দ্রুত আরোগ্য লাভে সাহায্য করে।

জেজি ফিজিওথেরাপি সেন্টার
বিশেষজ্ঞ ফিজিওথেরাপিস্ট দ্বারা পরিচালিত একটি অত্যাধুনিক ফিজিওথেরাপি সেন্টার।
📞 যে কোনো পরামর্শের জন্য এখনই কল করুন:০১৭১২৮৬৮৪৬৭, ০১৯১১৪৩৭১২৬
📍 আমাদের ঠিকানা: জেজি হেলথ কেয়ার, ট্রপিকাল ক্যান্ট ভিউ, প্লট # ১৬৭/৪, মাটিকাটা বাজার মেইন রোড (ফলপট্টির সামনে)

✨ জেজি হেলথ কেয়ারে নতুন সংযোজন - জেজি ফিজিওথেরাপি সেন্টার! ✨বিশেষজ্ঞ ফিজিওথেরাপিস্টদের তত্ত্বাবধানে ফিজিওথেরাপি সেবা নিত...
26/10/2024

✨ জেজি হেলথ কেয়ারে নতুন সংযোজন - জেজি ফিজিওথেরাপি সেন্টার! ✨
বিশেষজ্ঞ ফিজিওথেরাপিস্টদের তত্ত্বাবধানে ফিজিওথেরাপি সেবা নিতে আজই আসুন।

🩺আপনার স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আমাদের বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও ডায়াগনস্টিক সেবা প্রস্তুত রয়েছে।
📞যে কোনো স্বাস্থ্য পরামর্শ ও টেস্টের জন্য কল করুন:01911437126 ,01712868467
🌐 Visit Us: https://www.jghealthcare.com/
📍 আমাদের ঠিকানা: জেজি হেলথ কেয়ার, ট্রপিকাল ক্যান্ট ভিউ, প্লট # ১৬৭/৪, মাটিকাটা বাজার মেইন রোড (ইসিবি চত্বর সংলগ্ন) ঢাকা 1206

26/10/2024

✨ জেজি হেলথ কেয়ারে নতুন সংযোজন - জেজি ফিজিওথেরাপি সেন্টার! ✨
বিশেষজ্ঞ ফিজিওথেরাপিস্টদের তত্ত্বাবধানে ফিজিওথেরাপি সেবা নিতে আজই আসুন।

🩺আপনার স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আমাদের বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও ডায়াগনস্টিক সেবা প্রস্তুত রয়েছে।
📞যে কোনো স্বাস্থ্য পরামর্শ ও টেস্টের জন্য কল করুন: 01818 775522, 01818 775544
🌐 Visit Us: https://www.jghealthcare.com/
📍 আমাদের ঠিকানা: জেজি হেলথ কেয়ার, ট্রপিকাল ক্যান্ট ভিউ, প্লট # ১৬৭/৪, মাটিকাটা বাজার মেইন রোড (ইসিবি চত্বর সংলগ্ন) ঢাকা 1206

Address

Dhaka
1206

Opening Hours

Monday 10:00 - 21:00
Tuesday 10:00 - 21:00
Wednesday 10:00 - 21:00
Thursday 10:00 - 21:00
Saturday 10:00 - 21:00
Sunday 10:00 - 21:00

Telephone

+8801712868467

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when CareConnect Clinical Physiotherapy & Neuro Rehab posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to CareConnect Clinical Physiotherapy & Neuro Rehab:

Shortcuts

Share