Johirul Islam ishaki

Johirul Islam ishaki Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Johirul Islam ishaki, Medical Center, Dhaka.
(1)

আসুন আমল করি জীবন গড়ি,তদবির ও আমল হলো জীবনের সমস্যা ও দুঃখ দূর করার জন্য কুরআন-হাদীস ভিত্তিক উপায়। আমাদের পেজে পাবেন পরীক্ষিত আমল ও দোয়া,ইনশাআল্লাহ উপকার পাবেন।
সমস্যা যত বড়ই হোক,কুরআন-হাদীসের আমলেই আছে সহজ সমাধান,পেইজে সকলেই যুক্ত থাকুন। 01955482466

09/06/2026

সোনাপাতা ও রুকইয়াহর মেলবন্ধন: পেট থেকে জাদুর বিষাক্ত টক্সিন দূর করার প্রাকৃতিক দাওয়া।
রুকইয়াহ সম্পন্ন করা হয়।

১. সূরা সাফফাত (আয়াত: ৬৬)
﴿فَإِنَّهُمْ لَآكِلُونَ مِنْهَا فَمَالِئُونَ مِنْهَا الْبُطُونَ﴾
২. সূরা দুখান (আয়াত: ৪৫)﴿كَالْمُهْلِ يَغْلِي فِي الْبُطُونِ
৩. সূরা ওয়াকিয়াহ (আয়াত: ৫৩)﴿فَمَالِئُونَ مِنْهَا الْبُطُونَ
৪. সূরা বাকারা (আয়াত: ১৭৪)
﴿إِنَّ الَّذِينَ يَكْتُمُونَ مَا أَنْزَلَ اللَّهُ مِنَ الْكِتَابِ وَيَشْتَرُونَ بِهِ ثَمَنًا قَلِيلًا أُولَٰئِكَ مَا يَأْكُلُونَ فِي بُطُونِهِمْ إِلَّا النَّارَ وَلَا يُكَلِّمُهُمُ اللَّهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَلَا يُزَكِّيهِمْ ۖ وَلَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ﴾
৫. সূরা আলে ইমরান (আয়াত: ৩৫)
﴿إِذْ قَالَتِ امْرَأَتُ عِمْرَانَ رَبِّ إِنِّي نَذَرْتُ لَكَ مَا فِي بَطْنِي مُحَرَّرًا فَتَقَبَّلْ مِنِّي ۖ إِنَّكَ أَنْتَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ﴾
৬. সূরা নিসা (আয়াত: ১০)
﴿إِنَّ الَّذِينَ يَأْكُلُونَ أَمْوَالَ الْيَتَامَىٰ ظُلْمًا إِنَّمَا يَأْكُلُونَ فِي بُطُونِهِمْ نَارًا ۖ وَسَيَصْلَوْنَ سَعِيرًا﴾
৭. সূরা আনআম (আয়াত: ১৩৯)
﴿وَقَالُوا مَا فِي بُطُونِ هَٰذِهِ الْأَنْعَامِ خَالِصَةٌ لِذُكُورِنَا وَمُحَرَّمٌ عَلَىٰ أَزْوَاجِنَا ۖ وَإِنْ يَكُنْ مَيْتَةً فَهُمْ فِيهِ شُرَكَاءُ ۚ سَيَجْزِيهِمْ وَصْفَهُمْ ۚ إِنَّهُ حَكِيمٌ عَلِيمٌ﴾
৮. সূরা নাহল (আয়াত: ৬৬)
﴿وَإِنَّ لَكُمْ فِي الْأَنْعَامِ لَعِبْرَةً ۖ نُسْقِيكُمْ مِمَّا فِي بُطُونِهِ مِنْ بَيْنِ فَرْثٍ وَدَمٍ لَبَنًا خَالِصًا سَائِغًا لِلشَّارِبِينَ﴾
৯. সূরা নাহল (আয়াত: ৬৯)
﴿ثُمَّ كُلِي مِنْ كُلِّ الثَّمَرَاتِ فَاسْلُكِي سُبُلَ رَبِّكِ ذُلُلًا ۚ يَخْرُجُ مِنْ بُطُونِهَا شَرَابٌ مُخْتَلِفٌ أَلْوَانُهُ فِيهِ شِفَاءٌ لِلنَّاسِ ۗ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَةً لِقَوْمٍ يَتَفَكَّرُونَ﴾
১০. সূরা নাহল (আয়াত: ৭৮)

﴿وَاللَّهُ أَخْرَجَكُمْ مِنْ بُطُونِ أُمَّهَاتِكُمْ لَا تَعْلَمُونَ شَيْئًا وَجَعَلَ لَكُمُ السَّمْعَ وَالْأَبْصَارَ وَالْأَفْئِدَةَ ۙ لَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ﴾
১১. সূরা হাজ্জ (আয়াত: ২০)
﴿يُصْهَرُ بِهِ مَا فِي بُطُونِهِمْ وَالْجُلُودُ﴾
১২. সূরা মুমিনুন (আয়াত: ২১)
﴿وَإِنَّ لَكُمْ فِي الْأَنْعَامِ لَعِبْرَةً ۖ نُسْقِيكُمْ مِمَّا فِي بُطُونِهَا وَلَكُمْ فِيهَا مَنَافِعُ كَثِيرَةٌ وَمِنْهَا تَأْكُلُونَ﴾
১৩. সূরা নূর (আয়াত: ৪৫)
﴿وَاللَّهُ خَلَقَ كُلَّ دَابَّةٍ مِنْ مَاءٍ ۖ فَمِنْهُمْ مَنْ يَمْشِي عَلَىٰ بَطْنِهِ وَمِنْهُمْ مَنْ يَمْشِي عَلَىٰ رِجْلَيْنِ وَمِنْهُمْ مَنْ يَمْشِي عَلَىٰ أَرْبَعٍ ۚ يَخْلُقُ اللَّهُ مَا يَشَاءُ ۚ إِنَّ اللَّهَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ﴾
১৪. সূরা লুকমান (আয়াত: ২০)
﴿أَلَمْ تَرَوْا أَنَّ اللَّهَ سَخَّرَ لَكُمْ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ وَأَسْبَغَ عَلَيْكُمْ نِعَمَهُ ظَاهِرَةً وَبَاطِنَةً ۗ وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يُجَادِلُ فِي اللَّهِ بِغَيْرِ عِلْمٍ وَلَا هُدًى وَلَا كِتَابٍ مُنِيرٍ﴾
১৫. সূরা সাফফাত (আয়াত: ১৪৪)
﴿لَلَبِثَ فِي بَطْنِهِ إِلَىٰ يَوْمِ يُبْعَثُونَ﴾
১৬. সূরা যুমার (আয়াত: ৬)
﴿يَخْلُقُكُمْ فِي بُطُونِ أُمَّهَاتِكُمْ خَلْقًا مِنْ بَعْدِ خَلْقٍ فِي ظُلُمَاتٍ ثَلَاثٍ ۚ ذَٰلِكُمُ اللَّهُ رَبُّكُمْ لَهُ الْمُلْكُ ۖ لَا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ۖ فَأَنَّىٰ تُصْرَفُونَ﴾
১৭. সূরা নাজম (আয়াত: ৩২)
﴿هُوَ أَعْلَمُ بِكُمْ إِذْ أَنْشَأَكُمْ مِنَ الْأَرْضِ وَإِذْ أَنْتُمْ أَجِنَّةٌ فِي بُطُونِ أُمَّهَاتِكُمْ ۖ فَلَا تُزَكُّوا أَنْفُسَكُمْ ۖ هُوَ أَعْلَمُ بِمَنِ اتَّقَىٰ﴾
১৮. সূরা হাদীদ (আয়াত: ৩)
﴿هُوَ الْأَوَّلُ وَالْآخِرُ وَالظَّاهِرُ وَالْبَاطِنُ ۖ وَهُوَ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمٌ﴾
১৯. সূরা হাদীদ (আয়াত: ১৩)
﴿يَوْمَ يَقُولُ الْمُنَافِقُونَ وَالْمُنَافِقَاتُ لِلَّذِينَ آمَنُوا انْظُرُونَا نَقْتَبِسْ مِنْ نُورِكُمْ قِيلَ ارْجِعُوا وَرَاءَكُمْ فَالْتَمِسُوا نُورًا ۖ فَضُرِبَ بَيْنَهُمْ بِسُورٍ لَّهُ بَابٌ ۖ بَاطِنُهُ فِيهِ الرَّحْمَةُ وَظَاهِرُهُ مِنْ قِبَلِهِ الْعَذَابُ﴾
آيات الشرب (পান করা সম্পর্কিত আয়াতসমূহ)
১. সূরা বাকারা (আয়াত: ২৪৯)
﴿فَمَنْ شَرِبَ مِنْهُ فَلَيْسَ مِنِّي ۖ وَمَنْ لَمْ يَطْعَمْهُ فَإِنَّهُ مِنِّي إِلَّا مَنِ اغْتَرَفَ غُرْفَةً بِيَدِهِ﴾
২. সূরা শুআরা (আয়াত: ১৫৫)
﴿قَالَ هَٰذِهِ نَاقَةٌ لَهَا شِرْبٌ وَلَكُمْ شِرْبُ يَوْمٍ مَعْلُومٍ﴾
৩. সূরা কামার (আয়াত: ২৮)
﴿وَنَبِّئْهُمْ أَنَّ الْمَاءَ قِسْمَةٌ بَيْنَهُمْ ۖ كُلُّ شِرْبٍ مُحْتَضَرٌ﴾
৪. সূরা ওয়াকিয়াহ (আয়াত: ৫৫)﴿فَشَارِبُونَ شُرْبَ الْهِيمِ
৫. সূরা বাকারা (আয়াত: ৬০)
﴿كُلُوا وَاشْرَبُوا مِنْ رِزْقِ اللَّهِ وَلَا تَعْثَوْا فِي الْأَرْضِ مُفْسِدِينَ﴾
৬. সূরা বাকারা (আয়াত: ১৮৭)
﴿وَكُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّىٰ يَتَبَيَّنَ لَكُمُ الْخَيْطُ الْأَبْيَضُ مِنَ الْخَيْطِ الْأَسْوَدِ مِنَ الْفَجْرِ﴾
৭. সূরা বাকারা (আয়াত: ২৫৯)
﴿فَانْظُرْ إِلَىٰ طَعَامِكَ وَشَرَابِكَ لَمْ يَتَسَنَّهْ﴾
৮. সূরা আনআম (আয়াত: ৭০)
﴿لَهُمْ شَرَابٌ مِنْ حَمِيمٍ وَعَذَابٌ أَلِيمٌ بِمَا كَانُوا يَكْفُرُونَ﴾
৯. সূরা আরাফ (আয়াত: ৩১)
﴿وَكُلُوا وَاشْرَبُوا وَلَا تُسْرِفُوا ۚ إِنَّهُ لَا يُحِبُّ الْمُسْرِفِينَ﴾
১০. সূরা আরাফ (আয়াত: ১৬০)
﴿كُلُوا وَاشْرَبُوا مِنْ رِزْقِ اللَّهِ وَلَا تَعْثَوْا فِي الْأَرْضِ مُفْسِدِينَ﴾
১১. সূরা ইউনুস (আয়াত: ৪)
﴿إِلَيْهِ مَرْجِعُكُمْ جَمِيعًا ۖ وَعْدَ اللَّهِ حَقًّا ۚ إِنَّهُ يَبْدَأُ الْخَلْقَ ثُمَّ يُعِيدُهُ لِيَجْزِيَ الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ بِالْقِسْطِ ۚ وَالَّذِينَ كَفَرُوا لَهُمْ شَرَابٌ مِنْ حَمِيمٍ وَعَذَابٌ أَلِيمٌ بِمَا كَانُوا يَكْفُرُونَ﴾
১২. সূরা নাহল (আয়াত: ১০)
﴿هُوَ الَّذِي أَنْزَلَ مِنَ السَّمَاءِ مَاءً ۖ لَكُمْ مِنْهُ شَرَابٌ وَمِنْهُ شَجَرٌ فِيهِ تُسِيمُونَ﴾
১৩. সূরা নাহল (আয়াত: ৬৬)
﴿وَإِنَّ لَكُمْ فِي الْأَنْعَامِ لَعِبْرَةً ۖ نُسْقِيكُمْ مِمَّا فِي بُطُونِهِ مِنْ بَيْنِ فَرْثٍ وَدَمٍ لَبَنًا خَالِصًا سَائِغًا لِلشَّارِبِينَ﴾
১৪. সূরা কাহফ (আয়াত: ২৯)
﴿وَإِنْ يَسْتَغِيثُوا يُغَاثُوا بِمَاءٍ كَالْمُهْلِ يَشْوِي الْوُجُوهَ ۚ بِئْسَ الشَّرَابُ وَسَاءَتْ مُرْتَفَقًا﴾
১৫. সূরা মারইয়াম (আয়াত: ২৬)﴿فَكُلِي وَاشْرَبِي وَقَرِّي عَيْنًا
১৬. সূরা মুমিনুন (আয়াত: ৩৩)
﴿وَقَالَ الْمَلَأُ مِنْ قَوْمِهِ الَّذِينَ كَفَرُوا وَكَذَّبُوا بِلِقَاءِ الْآخِرَةِ وَأَتْرَفْنَاهُمْ فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا مَا هَٰذَا إِلَّا بَشَرٌ مِثْلُكُمْ يَأْكُلُ مِمَّا تَأْكُلُونَ مِنْهُ وَيَشْرَبُ مِمَّا تَشْرَبُونَ﴾
১৭. সূরা ফাতির (আয়াত: ১২)
﴿وَمَا يَسْتَوِي الْبَحْرَانِ هَٰذَا عَذْبٌ فُرَاتٌ سَائِغٌ شَرَابُهُ وَهَٰذَا مِلْحٌ أُجَاجٌ﴾
১৮. সূরা ইয়াসীন (আয়াত: ৭৩)
﴿وَلَهُمْ فِيهَا مَنَافِعُ وَمَشَارِبُ ۖ أَفَلَا يَشْكُرُونَ﴾
آيات إبطال السحر (জাদু বিনষ্টকারী আয়াতসমূহ)
সূরা বাকারা (আয়াত: ১০২)
﴿وَاتَّبَعُوا مَا تَتْلُو الشَّيَاطِينُ عَلَىٰ مُلْكِ سُلَيْمَانَ ۖ وَمَا كَفَرَ سُلَيْمَانُ وَلَٰكِنَّ الشَّيَاطِينَ كَفَرُوا يُعَلِّمُونَ النَّاسَ السِّحْرَ...﴾
(ফেসবুক পোস্টে সাধারণত এখানে সম্পূর্ণ আয়াতটি কুরআন থেকে কপি করে যুক্ত করা হয়, কারণ এটি দীর্ঘ আয়াত।)
সূরা আরাফ (আয়াত: ১১৭-১২২)
﴿وَأَوْحَيْنَا إِلَىٰ مُوسَىٰ أَنْ أَلْقِ عَصَاكَ ۖ فَإِذَا هِيَ تَلْقَفُ مَا يَأْفِكُونَ﴾
﴿فَوَقَعَ الْحَقُّ وَبَطَلَ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ﴾
﴿فَغُلِبُوا هُنَالِكَ وَانْقَلَبُوا صَاغِرِينَ﴾
﴿وَأُلْقِيَ السَّحَرَةُ سَاجِدِينَ﴾
﴿قَالُوا آمَنَّا بِرَبِّ الْعَالَمِينَ﴾
﴿رَبِّ مُوسَىٰ وَهَارُونَ﴾
সূরা ইউনুস (আয়াত: ৮১-৮২)
﴿فَلَمَّا أَلْقَوْا قَالَ مُوسَىٰ مَا جِئْتُمْ بِهِ السِّحْرُ ۖ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ ۖ إِنَّ اللَّهَ لَا يُصْلِحُ عَمَلَ الْمُفْسِدِينَ﴾
﴿وَيُحِقُّ اللَّهُ الْحَقَّ بِكَلِمَاتِهِ وَلَوْ كَرِهَ الْمُجْرِمُونَ﴾
সূরা ত্ব-হা (আয়াত: ৬৭-৭০)
﴿فَأَوْجَسَ فِي نَفْسِهِ خِيفَةً مُوسَىٰ﴾
﴿قُلْنَا لَا تَخَفْ إِنَّكَ أَنْتَ الْأَعْلَىٰ﴾
﴿وَأَلْقِ مَا فِي يَمِينِكَ تَلْقَفْ مَا صَنَعُوا ۖ إِنَّمَا صَنَعُوا كَيْدُ سَاحِرٍ ۖ وَلَا يُفْلِحُ السَّاحِرُ حَيْثُ أَتَىٰ﴾
﴿فَأُلْقِيَ السَّحَرَةُ سُجَّدًا قَالُوا آمَنَّا بِرَبِّ هَارُونَ وَمُوسَىٰ﴾
🔹 মোনাজাত ও আরোগ্য কামনার বিশেষ দোয়া
নিচের দোয়াগুলো ৭ বার করে পড়তে পারেন:
১. খাবার ও পানীয়ের মাধ্যমে প্রবেশ করা জাদু বাতিলের দোয়া
اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ مَشْرُوبٍ، وَكُلَّ سِحْرٍ مَأْكُولٍ، وَكُلَّ سِحْرٍ فِي الْبُطُونِ، اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ عُقْدَةِ سِحْرٍ فِي الْبُطُونِ، اللَّهُمَّ أَسْأَلُكَ بِجَلَالِكَ وَعَظَمَتِكَ وَقُدْرَتِكَ أَنْ تُبْطِلَ عَنَّا كُلَّ سِحْرٍ مَأْكُولٍ، اللَّهُمَّ أَبْطِلْ كُلَّ سِحْرٍ وُضِعَ فِي الطَّعَامِ وَالشَّرَابِ، اللَّهُمَّ أَبْطِلْ وَفُكَّ الْأَسْحَارَ الَّتِي فِي الْبُطُونِ وَالْأَسْحَارَ الْمَأْكُولَةَ وَالْمَشْرُوبَةَ.
উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা আবতিল কুল্লা সিহরিন মাশরূবিন, ওয়া কুল্লা সিহরিন মা'কূলিন, ওয়া কুল্লা সিহরিন ফিল বুতূন। আল্লাহুম্মা আবতিল কুল্লা উকদাতি সিহরিন ফিল বুতূন। আল্লাহুম্মা আসআলুকা বিজালালিকা ওয়া আযামাতিকা ওয়া কুদরাতিকা আন তুবতিলা আন্না কুল্লা সিহরিন মা'কূলিন। আল্লাহুম্মা আবতিল কুল্লা সিহরিন উদিয়া ফিত তা'আমি ওয়াশ শারাব। আল্লাহুম্মা আবতিল ওয়া ফুক্কাল আসহারা আল্লাতি ফিল বুতূনি ওয়াল আসহারাল মা'কূলাতি ওয়াল মাশরূবাহ।
২. সূরা আরাফের দোয়া (৭ বার)

وَبَطَلَ مَا كَانُوا يَعْمَلُونَ
৩. সূরা ইউনুসের দোয়া (৭ বার)
আরবি:
مَا جِئْتُمْ بِهِ السِّحْرُ إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ
৪. সূরা ফুরকানের দোয়া (৭ বার)
আরবি:
وَقَدِمْنَا إِلَىٰ مَا عَمِلُوا مِنْ عَمَلٍ فَجَعَلْنَاهُ هَبَاءً مَنْثُورًا
🔹 সমাপনী দোয়া
আরবি
اللَّهُمَّ اكْفِنَا وَاحْفَظْنَا مِنْ شَرِّ الْأَسْحَارِ وَالْعُقَدِ وَالْعُيُونِ وَالنُّفُوسِ وَالْحُسَّادِ وَالسَّاحِرِينَ وَالسَّاحِرَاتِ، يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ، إِنَّكَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ.
উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মাকফিনা ওয়াহফাযনা মিন শাররিল আসহারি ওয়াল উকাদি ওয়াল উয়ূনি ওয়ান নুফূসি ওয়াল হুস্সাদি ওয়াস সাহিরীনা ওয়াস সাহিরাত। ইয়া রাব্বাল আলামীন, ইন্নাকা আলা কুল্লি শাই'ইন কাদীর।

​​🔹 কিভাবে খাবেন এবং কি সতর্কতা অবলম্বন করবেন

​এই বিশেষ পানীয়টি খাওয়ার একটা নির্দিষ্ট নিয়ম আছে। খালি পেটে দুই থেকে তিন দিন সকাল এবং সন্ধ্যা এই পানীয়টি খেতে হবে। প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে খাবার খাওয়ার অন্তত তিন ঘন্টা আগে এটি খেতে হবে। দুপুরে খাবার খাওয়ার দুই ঘন্টা আগে এবং রাতে খাবার খাওয়ার দুই ঘন্টা আগে এটি খেতে হবে।

​একটি বিষয় মনে রাখতে হবে-এই পানীয়টির একটা তীব্র প্রভাব আছে যার কারণে পেটে কিছুটা মোচড় এবং মৃদু ব্যথা এবং ডায়রিয়া হতে পারে। এতে কোন ভয় নেই। এটা মূলত অন্ত্রে জমে থাকা ক্ষতিকর পদার্থগুলোকে বের করে দেওয়ার একটা প্রাকৃতিক নিয়ম। এই সময় শরীরে পানি এবং তরল খাবার বেশি খেয়ে শরীরের ভারসাম্য ঠিক রাখতে হবে।

09/06/2026

আগামীকাল বোধবার সকাল আটটা থেকে বিকেল তিনটা পর্যন্ত রুগী দেখবো ইনশাল্লাহ দক্ষিণ গাঁও বাজার বাসাবো সবুজবাগ ঢাকা 01955-482466

৪০ দিনের বাঁধা কাটার আমল (পরিক্ষিত)🔹 নিয়ত (প্রথম দিন)নিয়ত করুন—“হে আল্লাহ, আমি এই ৪০ দিনের আমল করছিআমার বিয়ের পথে থাকা স...
08/06/2026

৪০ দিনের বাঁধা কাটার আমল (পরিক্ষিত)
🔹 নিয়ত (প্রথম দিন)
নিয়ত করুন—
“হে আল্লাহ, আমি এই ৪০ দিনের আমল করছি
আমার বিয়ের পথে থাকা সব দৃশ্য ও অদৃশ্য বাঁধা দূর করার জন্য।”
🕌 প্রতিদিনের আমল (৪০ দিন একটানা)
✅ ১️⃣ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ
👉 সম্ভব হলে সময়ে ও জামাতে আদায় করুন
✅ ২️⃣ ফজরের পর (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ)
১️⃣ সূরা ইয়াসিন — ১ বার
২️⃣ সূরা দুখান — ১ বার
৩️⃣ সূরা ওয়াকিয়া — ১ বার
এরপর ১১ বার পড়ুন:
اللَّهُمَّ يَا جَامِعَ النَّاسِ لِيَوْمٍ لَا رَيْبَ فِيهِ
اجْمَعْ بَيْنِي وَبَيْنَ زَوْجٍ صَالِحٍ بِحَلَالِكَ
📌 নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী স্বামী/স্ত্রী শব্দ বদলাতে পারবেন।
✅ ৩️⃣ যোহর বা আসরের পর
👉 ইস্তেগফার ১০০ বার
أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ الْعَظِيمَ الَّذِي لَا إِلٰهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ
✅ ৪️⃣ মাগরিবের পর (বাঁধা কাটার মূল আমল)
১️⃣ সূরা আল-ইনশিরাহ (আলাম নাশরাহ) — ৭ বার
২️⃣ সূরা আল-ফাতহা ৩ বার
এরপর ৭ বার:
يَا فَتَّاحُ يَا عَلِيمُ افْتَحْ لِي بَابَ الْحَلَالِ
✅ ৫️⃣ ইশার পর / ঘুমের আগে
👉 দরুদ শরীফ — ১১ বার
👉 আয়াতুল কুরসি — ১ বার
👉 তিন কুল — ৩ বার করে
🌸 শুক্রবারের বিশেষ তদবির (৪০ দিনের মধ্যে যত শুক্রবার আসে)
🕰️ আসরের পর (সূর্য ডোবার আগে)
👉 ৭০ বার:
يَا فَتَّاحُ يَا رَزَّاقُ
👉 এরপর চোখ বন্ধ করে শুধু বলুন:
“হে আল্লাহ, আপনি যদি কল্যাণ জানেন—দ্রুত করে দিন।”
⚠️ আমল চলাকালীন শর্ত
❌ হারাম সম্পর্ক
❌ গীবত
❌ নামাজে গাফিলতি
❌ হতাশা
✔️ হালাল রিজিক
✔️ ধৈর্য
✔️ আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা
🌿 ফলাফলের আলামত (অনেকে দেখেছেন)
🔹 হঠাৎ প্রস্তাব আসা
🔹 কথা এগোনো
🔹 বাধা ভেঙে যাওয়া
🔹 মনের ভার হালকা হওয়া
01955-482466
কল দেন

07/06/2026
জাদুগ্রস্ত ব্যক্তির দশটি লক্ষণ মিলিয়ে নিন আপনার সাথে মিলে কিনা।১. হঠাৎ অতিরিক্ত মাথাব্যথা বা শরীর ব্যথা অনুভব করা।২. না...
07/06/2026

জাদুগ্রস্ত ব্যক্তির দশটি লক্ষণ মিলিয়ে নিন আপনার সাথে মিলে কিনা।

১. হঠাৎ অতিরিক্ত মাথাব্যথা বা শরীর ব্যথা অনুভব করা।

২. নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত বা যিকিরে অস্বাভাবিক অনীহা সৃষ্টি হওয়া।

৩. স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অকারণে ঝগড়া, ভুল বোঝাবুঝি ও দূরত্ব বেড়ে যাওয়া।

৪. ভয়ঙ্কর বা অস্বাভাবিক স্বপ্ন বারবার দেখা।

৫. ঘুমের মধ্যে চিৎকার করা, হাঁটা বা অস্থিরতা অনুভব করা।

৬. চিকিৎসার পরও কিছু সমস্যার কারণ খুঁজে না পাওয়া।

৭. হঠাৎ রাগ, বিষণ্ণতা বা মানসিক অস্থিরতা বেড়ে যাওয়া।

৮. একাকীত্ব পছন্দ করা এবং মানুষের সাথে মিশতে অনীহা অনুভব করা।

৯. কুরআন তিলাওয়াত বা রুকইয়াহ শুনলে অস্বাভাবিক অস্বস্তি অনুভব করা।

১০. অকারণে ভয়, দুশ্চিন্তা বা মনে হওয়া যে কেউ ক্ষতি করছে।
তদবিরের জন্য যোগাযোগ করুন মাদ্রাসায় 01955-482466

জীবনে অনেক সময় এমন হয় যে, আমরা দিনরাত পরিশ্রম করছি, চাকরির জন্য দৌড়াদৌড়ি করছি, কিন্তু সঠিক সুযোগ যেন আসতেই চায় না। ...
07/06/2026

জীবনে অনেক সময় এমন হয় যে, আমরা দিনরাত পরিশ্রম করছি, চাকরির জন্য দৌড়াদৌড়ি করছি, কিন্তু সঠিক সুযোগ যেন আসতেই চায় না। মনে হয় সব দরজা বন্ধ হয়ে গেছে, রিজিকের পথ আটকে আছে। কিন্তু আল্লাহ তা'আলা তো বলেছেন, “যে ব্যক্তি আমার উপর পূর্ণ ভরসা রাখে, আমি তার জন্য যথেষ্ট।” (তাওয়াক্কুলের সুন্দর উদাহরণ হলো পাখির মতো—সকালে খালি পেটে বের হয়, আর সন্ধ্যায় ভরা পেটে ফিরে আসে।)

আমি আজ আপনাদের সাথে কিছু সহজ, কিন্তু খুবই কার্যকরী আমল শেয়ার করতে চাই। এগুলো কুরআন ও হাদিসের আলোকে, আলেম-ওলামাদের পরামর্শ অনুসারে। অনেক ভাই-বোন এগুলো নিয়মিত করে আল্লাহর রহমতে উপকার পেয়েছেন। আশা করি, আপনারাও এগুলো আমল করে দেখুন—ইনশাআল্লাহ দরজা খুলে যাবে।

১. বেশি বেশি ইস্তেগফার করুন
হাদিস শরীফে এসেছে, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “যে ব্যক্তি নিয়মিত ইস্তেগফার করে, আল্লাহ তার প্রত্যেক দুশ্চিন্তা দূর করে দেন, প্রত্যেক সংকট থেকে উত্তরণের পথ বের করে দেন এবং অকল্পনীয় উৎস থেকে রিজিক দান করেন।” (আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ)

তাই উঠতে-বসতে, চলতে-ফিরতে যতবার পারেন বলুন:
*আসতাগফিরুল্লাহ ওয়া আতুবু ইলাইহি*
(অর্থ: আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই এবং তাঁর দিকে ফিরে আসি।)
প্রতিদিন অন্তত ১০০ বার পড়ার চেষ্টা করুন। গুনাহ মাফ হলে রিজিকের পথ সহজ হয়ে যায়।

২. প্রতি রাতে সূরা ওয়াকিয়াহ পড়ুন
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেছেন: “যে ব্যক্তি প্রতি রাতে সূরা ওয়াকিয়াহ তিলাওয়াত করবে, সে কখনো দারিদ্র্যের শিকার হবে না।” (শু'আবুল ঈমান)

এ সূরাটি রাতে (মাগরিব বা এশার পর যেকোনো সময়) পড়ুন। রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর সুন্নাহ অনুসারে এতে রিজিকের বরকত আসে, দারিদ্র্য দূর হয়।

৩. দোয়া-ই-ইউনুস (আ.) পড়ুন
হজরত ইউনুস (আ.) মাছের পেটে থেকে এই দোয়া করেছিলেন, আর আল্লাহ তাঁকে মুক্তি দিয়েছিলেন। এ দোয়া সমস্যা থেকে মুক্তির চাবিকাঠি। প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর বা যখনই মনে পড়ে পড়ুন:

لَا إِلَٰهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِينَ

উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনাজ জালিমীন।
অর্থ: তুমি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তুমি পবিত্র, নিশ্চয় আমি জালিমদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম।

৪. তাহাজ্জুদের সময় দোয়া করুন
রাতের শেষ প্রহরে উঠে দুই রাকাত নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে মন খুলে বলুন:
“ইয়া আল্লাহ! আমাকে হালাল, উত্তম ও বরকতময় রিজিক দান করুন। আমার জন্য সঠিক চাকরি/কাজের ব্যবস্থা করে দিন।”
এ সময় দোয়া কবুলের শ্রেষ্ঠ সময়।

৫. নিয়মিত সদকা দিন
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: “সদকা বালা-মুসিবত দূর করে।” (তিরমিযি)
প্রতিদিন অল্প হলেও সদকা দিন—একটা রুটি, একটা ফল, কোনো গরিবকে সাহায্য। সদকা রিজিককে টেনে আনে।

৬. হালাল চেষ্টা চালিয়ে যান
দোয়া ও আমলের সাথে সিভি পাঠানো, ইন্টারভিউ দেওয়া, নেটওয়ার্কিং—এগুলো চেষ্টা চালিয়ে যান।

৭. নজর-বদ নজর থেকে রক্ষা পান
প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যা সূরা ফালাক ও নাস পড়ে নিজের উপর ফুঁ দিন। অনেক সময় নজরের কারণে রিজিক আটকে যায়।

ভাই-বোনেরা, এ আমলগুলো মন থেকে, ভালোবাসা নিয়ে করুন। আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রাখুন। তিনি যখন চান, তখন অসম্ভবকেও সম্ভব করে দেন। ইনশাআল্লাহ আপনার জন্য দ্রুত হালাল রিজিকের দরজা খুলে যাবে।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে হালাল রিজিকে বরকত দান করুন, চাকরি-বাকরিতে সফলতা দান করুন। আমীন, ইয়া রাব্বাল আলামীন।

এ পোস্টটি শেয়ার করে অন্য ভাই-বোনদেরও উপকার করুন। আল্লাহ আপনাদের আমল কবুল করুন।

☞ ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে ইসলামিক অনুপ্রেরণা কে ফলো দিয়ে রাখুন!

06/06/2026

বিয়ে করলে রিজিক খুলে যায়, বিয়ে করলে বরকত হয়,

দ্রুত বিয়ে এবং বিয়ের জন্য উত্তম জীবনসঙ্গী পাওয়ার কিছু আমল!১/ বেশি বেশি দরুদ শরীফ পাঠ করা২/ তাহাজ্জুদ ও সালাতুল হাজতের...
06/06/2026

দ্রুত বিয়ে এবং বিয়ের জন্য উত্তম জীবনসঙ্গী পাওয়ার কিছু আমল!

১/ বেশি বেশি দরুদ শরীফ পাঠ করা
২/ তাহাজ্জুদ ও সালাতুল হাজতের নামাজ পড়বেন।( রেগুলার)
৩/ বেশি বেশি এস্তেগফার পড়া । ( استغفر الله) উচ্চারণ আস্তাগফিরুল্লাহ৪/ বেশি বেশি এই আয়াত টি পড়বেন
সূরা আল-কাসাস আয়াত ২৪
َ رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنْزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ
রাব্বি ইন্নী লিমাআনঝালতা ইলাইইয়া মিন খাইরিন ফাকীর।
এবং বললেন, হে আমার পালনকর্তা, তুমি আমার প্রতি যে অনুগ্রহ নাযিল করবে, আমি তার মুখাপেক্ষী।
৪/ এই আয়াত টি বেশি বেশি পড়বেন।
সূরা আল-ফুরকান আয়াত ৭৪
رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا
রাব্বানা-হাবলানা-মিন­ আঝওয়া-জিনা-ওয়া যুররিইইয়া-তিনা কুররাতা আ‘ইউনিওঁ ওয়াজ‘আলনা-লিলমুত্তাকীনা ইমা-মা-।

৫/. প্রতিদিন ফজরের নামাযে পর يافتاح (ইয়া ফাত্তাহু) বাম হাতের উপর ডাম হাত রেখে আল্লাহর এই নামটি ৪০ বার পড়বেন। এভাবে ৪০ দিন পড়লে ইনশাআল্লাহ ফল পাওয়া যাবে। (পিরিয়ড থাকলেও এই আমল করবেন ফজরের সময় ঘুম থেকে উঠে )

৬/. বেশি বেশি তিলাওয়াতের অভ্যাস করুন।
৭/. আইয়ামে বীযসহ প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার সিয়াম পালন করুন।
৮/. এই দুয়াটা বেশি বেশি পড়ুন-
اللَّهمَّ اكْفِني بحلالِكَ عَن حَرَامِكَ، وَاغْنِني بِفَضلِكَ عَمَّن سِوَاكَ
আল্লাহুম্মাকফিনি বিহালালিকা আন হারামিক ওয়া আগনিনি বিফাদলিকা আম্মান সিওয়াক।

ইনশা আল্লাহ দ্রুত আল্লাহ
উত্তম সঙ্গী মিলিয়ে দিবেন।

এমনকি বিবাহিত বোনেরাও এই দোয়া/আমল গুলো করতে পারেন। দাম্পত্য জীবন হবে আরও প্রশান্তির হবে ইন শা আল্লাহ।

"হে আমার প্রতিপালক ,
নিশ্চয়ই তুমি অসীম দয়ালু , পরম করুনাময়।
মহান রব সবাইকে উওম জীবনসঙ্গী দান করুক।

❏ মেয়েদের বেশি জ্বীনে ধরার কারন:আমাদের সমাজে যাদের জ্বীনে ধরে, খেয়াল করলে দেখা যাবে তাদের অধিকাংশই মহিলা। কিন্তু কেন! মহ...
06/06/2026

❏ মেয়েদের বেশি জ্বীনে ধরার কারন:

আমাদের সমাজে যাদের জ্বীনে ধরে, খেয়াল করলে দেখা যাবে তাদের অধিকাংশই মহিলা। কিন্তু কেন! মহিলাদের এত বেশি জ্বীনে ধরে কেন! এর কারন হচ্ছে ; অধিকাংশ মহিলারাই বেশিরভাগ সময় অপবিএ থাকে( শুধু পিড়িয়ডের অপবিএ নয়) এবং ইসলামিক অনুশাসন, ইসলামিক বিধি-বিধান মেনে জীবনযাপন করে না বা অবহেলা করে চলে যার কারনে তারা বেশি জ্বীনের আক্রমনের শিকার হয়। একটা ছেলে একটা মেয়ের প্রতি যেমন জৈবিক চাহিদার আকর্ষন রয়েছে। এরকম দুষ্ট জ্বীনেরাও মানুষের (মেয়েদের) প্রতি সেই আকর্ষন রাখে। যার কারনে সুযোগ পেলেই জ্বীনেরা (ছেলেদের চেয়ে তুলনামূলক) মেয়েদেরকে বেশি আক্রমন করে থাকে তাদের খারাপ ইচ্ছা পূরনের জন্য। আর দ্বীতিয়ত, ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা বিভিন্ন শত্রুর দ্বারা জাদুটোনারও শিকার হয় বেশি। এইসমস্ত কারনেই মেয়েরা বেশি জ্বীনদের আক্রমনের শিকার হয়।
❏ জাদু ও জ্বীনের আক্রমন থেকে বাঁচার উপায়:

প্রতিদিন সকালে এবং বিকালে সূরা ইখলাস,সূরা ফ্বালাক,সূরা নাস তিনবার করে পাঠ করা। রাসূল (ﷺ) বলেছেন, "যে ব্যক্তি সকালে এবং বিকালে এই সূরাগুলো তিনবার করে পাঠ করবে এটাই তার সবকিছুর জন্য যথেষ্ট হবে।" [তিরমিজি: ৩৫৭৫]

নিম্নোক্ত দোআ'টি সকাল এবং বিকালে তিনবার করে পাঠ করা;
بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لاَ يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلاَ فِي السّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ».
'বিস্‌মিল্লা-হিল্লাযী লা ইয়াদ্বুররু মা‘আ ইস্‌মিহী শাইউন ফিল্ আরদ্বি ওয়ালা ফিস্ সামা-ই, ওয়াহুয়াস্ সামী‘উল ‘আলীম (আরবি দেখে শিখে নিলে ভালো হয়)।'
রাসূল (ﷺ) বলেছেন, "যে ব্যক্তি সকালে তিনবার এবং সন্ধ্যায় তিনবার উপরোক্ত দোআটি পাঠ করবে তাহলে কোন কিছুই তাকে ক্ষতি করতে পারবে না।" [আবু দাউদ: ৫০৮৮]

৭: বাড়ি থেকে কোথাও যাওয়ার জন্য বের হলে দোআ পড়ে বের হওয়া। নিম্নোক্ত দোআ পড়ে বাড়ি থেকে বের হলে বাড়ির বাহিরে ওত পেতে থাকা জ্বীন শয়তানগুলো কোন ক্ষতি করতে পারে না।
দোআ'টি হলো---
بِسْمِ اللّٰهِ، تَوَكَّلْتُ عَلَى اللّٰهِ، وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلاَّ بِاللّٰهِ
"বিসমিল্লাহি, তাওয়াককালতু ‘আলাল্লা-হি, ওয়ালা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ্।"
[তিরমিজি: ৩৪২৬]

তদবিরের জন্য যোগাযোগ করুন মাদ্রাসায়
01955-482466

06/06/2026

শুক্রবার আসে কত ভাই বোনদের বিয়ে হয়, ও বড় ভাই বোন আপনার বিয়ে কবে।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Johirul Islam ishaki posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category