Dr. Debashish Biswas Shuvo

Dr. Debashish Biswas Shuvo Dr. Debashish Biswas Shuvo
MBBS (DU); DMU (DIU)
CCD (BIRDEM); CCCD (NHF&RI)
General Physician

সচেতনতামূলক পোস্ট::সাম্প্রতিক সময়ে হাম (Measles) রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যাচ্ছে, যা অত্যন্ত সংক্রামক এবং উদ্বেগজনক। ইতোমধ...
29/03/2026

সচেতনতামূলক পোস্ট::

সাম্প্রতিক সময়ে হাম (Measles) রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যাচ্ছে, যা অত্যন্ত সংক্রামক এবং উদ্বেগজনক। ইতোমধ্যে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। এমনকি যেসব দেশে টিকাদানের হার বেশি, সেখানেও এই ধরনের প্রাদুর্ভাব হতে পারে—বিশেষ করে COVID-19 সময়কালে টিকাদান কমে যাওয়ার কারণে। উন্নত দেশগুলোতেও, যেমন যুক্তরাষ্ট্রে, যেখানে ২০০০ সালে হাম নির্মূল ঘোষণা করা হয়েছিল, সেখানেও আবার সংক্রমণ দেখা গেছে।
হাম অত্যন্ত সংক্রামক একটি রোগ। একজন আক্রান্ত ব্যক্তি গড়ে ১২ থেকে ১৮ জনকে সংক্রমিত করতে পারে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—র‍্যাশ ওঠার আগেই রোগটি সংক্রমণ ছড়াতে পারে। প্রড্রোমাল পর্যায়ে (জ্বরের সময়) রোগী কাশি বা শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে সহজেই অন্যদের সংক্রমিত করতে পারে, বিশেষ করে ভিড় বা বন্ধ জায়গায়।
চিকিৎসকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণগুলো হলো—জ্বর এবং “3 C”: Coryza (নাক দিয়ে পানি পড়া), Conjunctivitis (চোখ লাল হওয়া), Cough (কাশি)। মুখের ভেতরে Koplik spot দেখা গেলে তা হাম রোগের জন্য বিশেষ লক্ষণ (pathognomonic)। র‍্যাশ সাধারণত মুখ থেকে শুরু হয়ে ধীরে ধীরে শরীরের নিচের দিকে (ট্রাঙ্ক ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গ) ছড়িয়ে পড়ে।
প্রায় ৩০% ক্ষেত্রে জটিলতা দেখা দিতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে—নিউমোনিয়া, চোখের সমস্যা, অপুষ্টি ইত্যাদি। এছাড়া post-infectious encephalitis, inclusion body encephalitis দ্রুত ঘটতে পারে এবং মৃত্যুর ঝুঁকি থাকে। আর SSPE (Subacute Sclerosing Panencephalitis) দেরিতে হলেও মারাত্মক স্নায়বিক জটিলতা সৃষ্টি করে।
এই রোগের কোনো নির্দিষ্ট অ্যান্টিভাইরাল চিকিৎসা নেই—চিকিৎসা মূলত supportive। শুধুমাত্র secondary bacterial infection (যেমন নিউমোনিয়া বা এনসেফালাইটিস) হলে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়।
প্রাদুর্ভাবের সময় রোগটি কর্তৃপক্ষকে জানানো বাধ্যতামূলক এবং outbreak investigation জরুরি। যেসব শিশু টিকা নেয়নি বা অসম্পূর্ণ টিকাপ্রাপ্ত—তাদের দ্রুত টিকাদান করতে হবে। রোগীকে আইসোলেশনে রাখতে হবে এবং হাসপাতালে কঠোর infection prevention and control (IPC) ব্যবস্থা নিতে হবে—contact ও droplet precaution সহ।
হাসপাতালে রোগীর সংস্পর্শে গেলে অবশ্যই মাস্ক ও গ্লাভস ব্যবহার করতে হবে। রোগী যে বেড বা সরঞ্জাম ব্যবহার করেছে, তা ১–২ ঘণ্টা সময় নিয়ে ভালোভাবে জীবাণুমুক্ত করতে হবে।
প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য এক ডোজ ভ্যাকসিন প্রয়োজন, আর যাদের ইমিউন সিস্টেম দুর্বল তাদের অতিরিক্ত বুস্টার ডোজ লাগতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে Vitamin A দেওয়া উপকারী, কারণ এর অভাব হামজনিত জটিলতা বাড়ায়।
এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য সমস্যা। তাই বিশেষ করে হাসপাতালে সবার জন্য IPC মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি। গণমাধ্যমকেও সচেতন থাকতে হবে—হাসপাতালে রোগী বা স্বজনদের কাছে গেলে তারাও সংক্রমিত হতে পারে।
বাংলাদেশে প্রায় ৯৫% মানুষের মধ্যে ইমিউনিটি থাকলেও এখনো অনেক ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী রয়েছে—যেমন গর্ভবতী নারী, ক্যান্সার রোগী, কেমোথেরাপি গ্রহণকারী, স্টেরয়েড বা বায়োলজিক থেরাপি গ্রহণকারী এবং অটোইমিউন রোগী।
যেহেতু কোনো নির্দিষ্ট অ্যান্টিভাইরাল চিকিৎসা নেই, তাই টিকাই সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধ ব্যবস্থা। বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত যে, হাম ভ্যাকসিন নিরাপদ এবং এটি অটিজম বা অটোইমিউন রোগ সৃষ্টি করে না।
সবার প্রতি আহ্বান—হাম অত্যন্ত সংক্রামক রোগ, তাই সতর্ক থাকুন। রোগীর সংস্পর্শে গেলে এবং হাসপাতালে থাকলে অবশ্যই মাস্ক ও গ্লাভস ব্যবহার করুন।

-প্রফেসর ডা. রোবেদ আমিন স্যার

প্রফেসর ( ডা. ) ফজলে রাব্বির হাতে লেখা একটি প্রেসক্রিপশন। আজ থেকে ৫৫ বছর আগে এত স্মার্ট একটা প্রেসক্রিপশন প্যাড ভাবা যায়...
14/12/2025

প্রফেসর ( ডা. ) ফজলে রাব্বির হাতে লেখা একটি প্রেসক্রিপশন। আজ থেকে ৫৫ বছর আগে এত স্মার্ট একটা প্রেসক্রিপশন প্যাড ভাবা যায় (!!!!!)

ডা. ফজলে রাব্বি ১৯৫৫ সালে সমগ্র পাকিস্তানের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেন, অর্জন করেন গোল্ড মেডেল। ১৯৬২ সালে যুক্তরাজ্যের এডিনবরার রয়াল কলেজের রেকর্ড ভেঙে একই সাথে ইনটার্নাল মেডিসিন ও কার্ডিওলজিতে এমআরসিপি ডিগ্রী অর্জন করেন।

কার্ডিওলজিস্ট ডা. ফজলে রাব্বীর লাশটা তখনও তাজা, জল্লাদ বাহিনী বুকের ভিতর থেকে কলিজাটা তুলে নিয়েছিল। জানোয়ারের দল জানত,তিনি হার্টের চিকিৎসক,তাই জানোয়ারেরা তাঁর হৃৎপিন্ড টাই ছিঁড়ে ফেলেছিলো। তার অভাগা পরিবার চোখ বাঁধা অবস্থায় ক্ষত বিক্ষত দেহটা পেয়েছিল।

পাড় থেকে ধাক্কা দিয়ে কুলাংগাররা গর্তের মধ্যে ফেলে দিয়েছিল। রাব্বী সাহেবের পা দুখানা তখনও জ্বলজ্বল করে তাজা মানুষের সাক্ষ্য দিচ্ছিল। নাক, মুখ কিছুই অক্ষত ছিল না। দস্যু হায়েনার নখের আঘাতে ক্ষত-বিক্ষত।

১৯৭১ এর এই দিনে আমরা হারিয়েছিলাম ডা. ফজলে রাব্বির মত জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের। একটি জাতিকে হাজার বছর পিছিয়ে দেয়ার জন্য এটায় যথেষ্ট । ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবসে দেশের সকল সূর্য সন্তানদের জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা ।

Courtesy- Dr. Mohammad Arafat

প্রতি বছর প্রায় ৭০০ কোটি টাকার বেশি বৈদেশিক মুদ্রা চলে যাচ্ছে ভারতে! স্থাপন হচ্ছে না নতুন সাবমেরিন কেবল, দেশের ইন্টারনেট...
31/10/2025

প্রতি বছর প্রায় ৭০০ কোটি টাকার বেশি বৈদেশিক মুদ্রা চলে যাচ্ছে ভারতে! স্থাপন হচ্ছে না নতুন সাবমেরিন কেবল, দেশের ইন্টারনেট ভারতের হাতের মুঠোয়! কোটি কোটি ডলার চলে যাচ্ছে ভারতে!
দেশের প্রায় ৫০ % ব্যান্ডউইথ আমদানি করতে হয় যার বড় অংশ ভারত থেকে আসে।

গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই বাবদ ২০ কোটি ডলারের বেশি বৈদেশিক মুদ্রা গেছে, ভারতের ব্যাবসায়ীদের পকেটে।

বর্তমানে রাষ্ট্রায়ত্ত দুই সাবমেরিন ক্যাবলের সক্ষমতা, ৭হাজার ২০০ জিবিপিএস।২০২৭ সালে বাংলাদেশ ব্যান্ডউইথের চাহিদা বেড়ে দাঁড়াবে, ২৫০০০ জিবিপিএসের কাছাকাছি।

এর মধ্যে বাংলাদেশের প্রথম সাবমেরিন ক্যাবলের জীবন কাল শেষ। আর এই ক্যাবল থেকে প্রাপ্ত ৪২০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথের সরবরাহ, যেকোনো সময় বন্ধ হবে।

আর এই ঝুঁকি বাদেও ২০২৬-২৭ সালে ব্যান্ডউইথের ঘাটতি হবে ১৮ হাজার জিবিপিএস প্রায়।

আর এই ঘাটতি পূরন করতে আমদানি করতে হলে, ২০২৭ এর ডিসেম্বর পর্যন্ত, ভারত কে আমরা দেবো ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার!

আর এর অর্ধেকের কম দামে, নতুন একটি সাবমেরিন ক্যাবল নির্মান সম্ভব। সুযোগ থাকা স্বত্বেও, নিজস্ব সাবমেরিন ক্যাবলের পূর্ন সক্ষমতা অর্জন করতে না পারলে, চড়া মাসূল দিতে হবে। আর নিশ্চিত করা যাবেনা নিরাপদ ইন্টারনেট।

একজন প্রযুক্তিবিদ জানান আমরা যে পরিমাণ টাকা ভারত কে দিয়েছি, তা দিয়ে ৮-১০ টি সাবমেরিন ক্যাবল হতো বাংলাদেশের।

এদিকে আইসিটির অপারেটর এর মাধ্যমে ব্যান্ডউইথ আমদানি করা হয়। আইসিটির এক প্রান্তের একটিভ ডিভাইস বাংলাদেশে থাকলেও, অপরপ্রান্তের ডিভাইস ভারতে যার উপর বাংলাদেশের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।

আর এটি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য চরম ঝুঁকি, এই প্রক্রিয়ায় ই-মেইল হেডার,বডি ও অন্যান্য অনেক কিছু ট্র্যাক করা সম্ভব।

ভারতের আইন অনুযায়ী, ভারত থেকে ব্যান্ডউইথ এলে তারা ১০০ শতাংশ ইন্টারসেপ্ট করার ক্ষমতা রাখে, আইন তাদের সহায়তা দেয়। জাতীয় নিরাপত্তার কথা চিন্তা করলে দেশ একটি বড় হুমকির সম্মুখীন।

আর ব্যান্ডউইথের ঘাটতি পূরন করতে চায় সরকার, নিজস্ব সাবমেরিন ক্যাবলের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে চায়।

এ লক্ষ্যে, বেসরকারি খাতের উদ্যোগে ২০২৬-এর জুনের মধ্যে, দেশে তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল সংযুক্ত হওয়ার কাজ চলমান। সিঙ্গাপুর থেকে মিয়ানমার পর্যন্ত জলসীমায় ক্যাবল স্থাপনের কাজ শেষ হলেও, রহস্যজনক কারনে বাংলাদেশের জলসীমায় ক্যাবল স্থাপনের জন্য জাহাজ প্রবেশের অনুমতি মিলছে না অনেক আগ থেকে!

উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আবেদন করা হলেও, এখন ও মিলছে না সে অনুমতি। কোস্টগার্ড ও এনএসআই নো অবজেকশন নিয়ে কাজ করতে হয়। অনুমতি পেয়ে গেলে ২০২৬ এর এপ্রিলের মধ্যে ক্যাবলটি ইন সার্ভিসে চলে আসবে।

আর বাংলাদেশের নিরাপত্তায় নিজস্ব সাবমেরিন ক্যাবলের উপর নির্ভরতা জরুরি হয়ে পড়েছে। দেশের ইন্টারনেট অন্য কারো হাতে দেয়া মানে, তৃতীয় পক্ষ দেশকে নিয়ে ছেলেখেলা করা।
(Collected)

01/08/2025

MBBS itself is enough prestigious...
Post graduation can glorify it..
এই ছোট্ট ব্যাপারটা বেশিরভাগ মানুষেরই মাথায় ঢোকে না।।।
কেউ ছোট করে দেখাতে ব্যবহার করে কেউবা না বুঝেই।।।
ডাক্তারসমাজের ডিপ্রেশন,সুইসাইডাল টেনডেন্সি বাড়ার অন্যতম কারণ।।।

*এমবিবিএস!! পুরো মিনিংটাই অনেকে জানে না।।
(ব্যাচেলর অফ মেডিসিন এন্ড
ব্যাচেলর অফ সার্জারী)
ডাবল ব্যাচেলর ডিগ্রী!
একইসাথে দুইটি অনার্স সমমান হলে সারা বিশ্বে তাকে মাস্টার্স সমমান ধরা হয়।
পুরো ওয়ার্ল্ড র‍্যাংকিং এ
সবচেয়ে কঠিন ব্যাচেলর ডিগ্রী।
যারা বলেন গ্লোরিফাই করার কিছু নাই তাদের বলি অবশ্যই আছে।
প্রথমত যেকোনো পেশার যেকোনো মানুষ যতবড় ভুলই করুক,
হোক সেটা হাজার কোটি টাকার সেটারও ক্ষতিপূরণ হয়।
কিন্তু জীবন অমূল্য তাই সৃষ্টিকর্তা নিশ্চয়ই সবাইকে ডাক্তার হওয়ার সুযোগ দেননা।
এরচেয়ে সেন্সিটিভ,রিস্কি,অনারেবল পেশা আর নাই, হতে পারেনা।
তাই দিনরাত ডাক্তারকে গালি দিয়ে,
ও তো শুধু এমবিবিএস বলার আগে
এই "শুধু এমবিবিএস" টুকুর ওজন আগে বুঝে নিয়েন।

ধন্যবাদ।

# copied

এবার আমার কিছু কথা বলি
আমি যত জায়গায় কাজ করেছি মেক্সিমাম মানুষের মেন্টালিটি এমন, ফফ্যাক্টরির বড় কর্মকর্তা থেকে শুরু করে হাস্পাতালের ওটি বয় ইভেন আমি অবাক হয়েছি আমাদের সিনিয়র ডাক্তার রাও এমন মনভাব পোষন করেন।
যেখানে নিজেদের পেশার লোকজন রাই এমন মন ভাব রাখেন সেখানে বাইরে কি ভাবলোতা নিয়ে মাথাব্যথা রাখা নিছক বোকামি।
আমাদের এই এমবিবিএস ডিগ্রির ওজন কমানোর পেছনে কাজ করছে বিভিন্ন মানহীন মেডিকেল কলেজ যারা প্রতিবছর প্রচুর অর্থের বিনিময়ে ছাত্র ছাত্রী ভর্তি নিচ্ছে।
দিনশেষে এইটাই দুঃখ যেখানে বাইরের উন্নত বিশ্বে ৬ মাসেও একটা জুনিয়র লেভেলের ডাক্তারের এপয়েন্টমেন্ট নেয়া কস্ট সাধ্য সেখানে এইদেশের জনগন চাওয়া মাত্রই নিজেদের ইচ্ছামত ডাক্তার দেখাতে পারছে and it's not about money! টাকা কমবেশি সবদেশের মানুষেরই আছে its about how country treat our profession and treat us! It's about availability! Same MBBS is not available in foreign country and they are honoured by country and people but the scene is different and opposite here!

End of the day Junior doctors mostly are trying to locate their goals in foreign countries now a days.

(Collected Post)

৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশুদের বিনামূল্যে টাইফয়েড ভ্যাক্সিন দিতে vaxepi.gov.bd ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন করুন।তথ্যটি ছড়িয়ে ...
31/07/2025

৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশুদের বিনামূল্যে টাইফয়েড ভ্যাক্সিন দিতে vaxepi.gov.bd ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন করুন।

তথ্যটি ছড়িয়ে দিন🌍🌐

আজ সারাদিন সোসাল মিডিয়ায় এই ছবিটি ঘুরে বেড়াচ্ছে আর নিচে হাজারো মনোরোম, সুন্দর মতামত🤣🤣 এতে একসময় মনে হয়েছে সকল মানবতার স্...
12/05/2025

আজ সারাদিন সোসাল মিডিয়ায় এই ছবিটি ঘুরে বেড়াচ্ছে আর নিচে হাজারো মনোরোম, সুন্দর মতামত🤣🤣 এতে একসময় মনে হয়েছে সকল মানবতার স্টেক হোল্ডার হল ডাক্তার সাহেবগণ 😬

আপনার পকেটে যদি ১০ টাকা থাকে তবে চা খাওয়ার জন্য রাস্তার পাশের হোটেলে যাবেন, হোটেল শেরাটনে গিয়ে নিশ্চই চায়ের দাম কেনো ৫০০ টাকা বলে গালাগালি করবেন না।

যার সামর্থ্য নাই, সে ১০ টাকা টিকেটে সরকারি হাসপাতালে দেখাবে। সরকারি হাসপাতাল তো সবার জন্যই সেটা ধনী বা গরীব যেই হোক।

প্রাইভেট সার্ভিস এ মূল্য কত হবে তা সার্ভিস হোল্ডার এর বিষয়। ভাল না লাগলে অন্যদিকে চলে যাবেন।

(সংগৃহীত)

ছেলেটা এনাল ওয়ার্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি। বয়স আর কত হবে,এই ২২-২৩ বছর।এনাল ওয়ার্ট কি যারা জানেন না তাদের জন্য বলি,এটা পায়খ...
26/04/2025

ছেলেটা এনাল ওয়ার্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি। বয়স আর কত হবে,এই ২২-২৩ বছর।

এনাল ওয়ার্ট কি যারা জানেন না তাদের জন্য বলি,এটা পায়খানার রাস্তায় ফুলকপির মতো দেখতে একটা গ্রোথ বা টিউমার। হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাসের সংক্রমণে এই রোগ হয়। মেডিকেল সাইন্স বলে,সবার এই রোগ হয় না। পায়ুপথকে যারা মিলনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে, তাদের এই রোগ হয়।

তাই সন্দেহ থেকেই ছেলেটার হিস্ট্রি নেয়া শুরু হয়। কি করে না করে ইত্যাদি! প্রথমে ইতস্তত করলেও চিকিৎসার খাতিরে সে স্বীকার করে যে,সে একজন গে! তাদের চারজনের একটা গ্রুপ আছে। তারা পরস্পর এই পায়ুপথে মিলিত হয়। এই ছেলে গুলোর একজনের পেনিসে একটা গোটা আছে! (সম্ভবত হিউম্যান প্যাপিলোমা থেকেই হবে)। পরবর্তীতে জানা গেল ছেলেটা HIV পজিটিভ। স্বভাবতই তার সকল পার্টনার HIV পজিটিভই হবে।

ছেলেটার বাসা ঢাকার পাশের এক জেলায়। প্রাইভেসির খাতিরেই এলাকার নামটা গোপন রাখলাম। সাময়িক আলাপনে যা দেখলাম, ছেলেটার বাবা একজন দাড়ি-টুপি ওয়ালা সহজ-সরল আধাশিক্ষিত মানুষ,মাও তাই। কিন্তু ছেলের এই বিষয়ে তারা জানতেন না,এখনো জানেন না। রিপোর্ট দেখে শুধু জেনেছেন ছেলে HIV পজিটিভ।

মাঝে একটা পোস্ট ভাইরাল হয়েছিল রমনা পার্ক ও এই এলজিটিভিদের দৌরাত্য নিয়ে। একটা জেলা শহরের যদি এই অবস্থা হয়,তবে ঢাকা বা বিভাগীয় শহর গুলোর কি অবস্থা!!!

এসব এলজিটিভিদের বিষয়ে পোস্ট দেয়ার কারণে আগেও আমার কয়েকজন এলজিটিভিদের সাথে কথা হয়েছে। আমি তাদের কাউন্সেলিং করার চেষ্টা করেছি। তবে দুঃখজনক বিষয়,এদের অধিকাংশ মানুষের মধ্যেই আমি কোনো অনুশোচনা দেখতে পাই নি।

নীরবে নিভৃতে এই এলজিটিভির বিষ আমাদের সমাজে ছড়িয়ে পড়ছে। কথায়,গানে,নাটকে,সিনেমায় আমরা এদের স্বীকৃতি দিচ্ছি। এসব দেখে বড় হতে থাকা আমাদের আগামী প্রজন্ম ভাবছে, আরে এটা তো স্বাভাবিক ঘটনা,ভূল কিছু নয়!! ধীরে ধীরে গড়ে উঠছে কওমে লুতের মতো একটা প্রজন্ম।

কেউ এই বিষের বিষাক্ততা থেকে মুক্ত নয়। তাই আজই নিজের পরিবারে খোজ নিন। ছেলের মাঝে মেয়েলিপনা বা এর উল্টোটা দেখতে পেলে খতিয়ে দেখুন। প্রয়োজনে ডাক্তারের শরনাপন্ন হোন। নিজের সন্তানকে ধর্মীয় মূল্যবোধ ও ধর্মীয় অনুশাসনের মধ্যে গড়ে তুলুন।

মনে রাখবেন- সময় গেলে কিন্তু সাধন হবে না.......💔

Courtesy-
Dr. Nazmush Shakib Bappi
SSMCMH.

মিডিয়ার অপপ্রচারের কারণে হুমকির মুখে পড়েছে দেশের বিভিন্ন প্রজাতির নির্বিষ ও মৃদু বিষধর সাপ যারা মানুষের আদৌ কোনো ক্ষতি ক...
28/06/2024

মিডিয়ার অপপ্রচারের কারণে হুমকির মুখে পড়েছে দেশের বিভিন্ন প্রজাতির নির্বিষ ও মৃদু বিষধর সাপ যারা মানুষের আদৌ কোনো ক্ষতি করে না। তাই আমরা এই সাপগুলো চিনে রাখি যেগুলো বিগত কয়েকদিনে বেশি মারা হয়েছে ।

খুনী রাসেল ভাইপার? নাকি আমরা?ইদানিং প্রায় সব মিডিয়ায় আলোচনা হচ্ছে রাসেল ভাইপার (চন্দ্রবোড়া) নিয়ে। গত ১০ বছর আগেও ধারণা ক...
22/06/2024

খুনী রাসেল ভাইপার? নাকি আমরা?

ইদানিং প্রায় সব মিডিয়ায় আলোচনা হচ্ছে রাসেল ভাইপার (চন্দ্রবোড়া) নিয়ে। গত ১০ বছর আগেও ধারণা করা হতো চন্দ্রবোড়া বাংলাদেশ থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। অনেকাংশে ঘটনা সত্য ছিল। তবে গত ১০ বছরে চিত্র পাল্টেছে। নদীর স্রোতে বা বন্যার পানিতে সারাদেশে চন্দ্রবোড়ার বিস্তার ঘটেছে। তবে ধারণা করা হয় গঙ্গার স্রোতে পদ্মা হয়ে সারা দেশে বিস্তৃত হয়েছে এই রাসেল ভাইপার।

তবে এই সাপ নিয়ে আমরা যে বিধ্বংসী মনোভাব রাখি তা ঠিক না। চন্দ্রবোড়া স্বভাবগতই কিছুটা তেজী। এটি মেটে কালারের হওয়ায় মাটির সাথে সহজে মিশে যায়। মানুষ খেয়াল করে না, কাছে চলে যায়। ফলে সাপটি বিপদ দেখে ভয়ে আক্রমণ করে। যেকোন প্রানীর স্বভাবগত বৈশিষ্ট্য এটি।

দংশনের পর কি হয় এতদিনে আমরা সবাই জানি। মাংস পচে যাওয়া, বিকলাঙ্গ হয়ে যাওয়া, এমনকি চিকিৎসার পরেও মৃত্যুর রেকর্ড আছে। গত কয়েক বছরে চন্দ্রবোড়া যত ক্ষতি করেছে, তার মূল কারণ মূলত আমরাই। আমরা প্রকৃতির ব্যালেন্স নষ্ট করে দিয়েছি। যার ফলে রাসেল ভাইপার অত্যধিক হারে প্রকৃতিতে বেড়ে গিয়েছে।

বাপেরও বাপ থাকে। রাসেল ভাইপারকে খেয়ে ফেলে বাংলাদেশে মূলত এমন ৪ ধরণের সাপ আছে।
১) অজগর (Python)
২) শঙ্খচূড় (King Cobra)
৩) কালাচ/কেউটে (Common krait)
৪) শঙ্খিনী (Banded krait)

অজগর ছাড়া সবগুলোই মারাত্মক বিষধর। তবে এর মধ্যে শঙ্খিনী যেন একটু অন্যরকম। শঙ্খিনী মারাত্মক বিষধর সাপ, কিন্তু লাজুক প্রকৃতির। মানুষকে তো আক্রমণ করেই না, বরং বিষধর সাপ এরা খেয়ে ফেলে। মানুষ মারার রেকর্ড এদের নেই বললেই চলে। আপনি কাছে গেলে বরং এরা দূরে সরে যাবে। গায়ে হলুদ কালারের ব্যান্ড থাকায় সহজে মানুষের চোখে পড়ে। অতঃপর মারা যায়। আজ থেকেই সতর্ক হই। অন্তত এই শঙ্খিনী নিরীহ সাপটাকে যেন ভুলেও না মারি।

এছাড়া মেছো বাঘ, বন বিড়াল, শিয়াল, ঘড়িয়াল ইত্যাদি দেখলেই আমাদের হাত-পা নিশপিশ করে মেরে ফেলার জন্য। আমরা প্রতিনিয়ত নিজেদের পায়ে নিজেরাই কুড়াল মেরে প্রকৃতির ব্যালেন্স নষ্ট করছি। বন্য প্রাণীর আবাসস্থল নষ্ট করছি। দোষ দিচ্ছি অন্য আরেক প্রানীর। এবার বলুন, খুনী রাসেল ভাইপার নাকি আমরা?

©️ কার্টেসী : Science Learn Hub
আরেকটা হচ্ছে--- গুইসাপ, আমাদের দৃষ্টিতে এটি কদাকার, আর মাছ চাষের যম, তাই দেখামাত্রই মেরে ফেলি। আল্লাহ তা'আলা ছোট সাপের জন্য রেখেছেন বেজী। বড় সাপের জন্য গুইসাপ।

(Collected Post)

For public concern
21/06/2024

For public concern

09/05/2024

জায়গাভেদে রুগী এবং রুগীর সাথে আসা লোকজনের চেহারা, চরিত্র এবং পয়সা খরচের মাত্রা পরিবর্তিত হয়।একই রুগী আপনি উপজেলায় বসে দেখলে,চিকিৎসা দিলে অর্ধেক ঔষধ কিনবে,বাকি অর্ধেক কিনবেনা।আংশিক টেস্ট করাবে এবং গালিও দিবে ডাক্তার কমিশন খায়।

সেই একই রুগী জেলা শহরে বড় হাসপাতালে দেখালে ঔষধ সব কিনবে সব পরীক্ষা ও করাবে।পাশাপাশি বলবে ডাক্তার সালা কসাই, কত্তোগুলি টাকা নিলো😭

সেই রুগী ঢাকায় কোন বড় হাসপাতালে ডাক্তার দেখালে সব ঔষধ খাবে,হাজার টাকার টেস্ট করাবে,পাশাপাশি ডাক্তারের সিরিয়াল পাবার জন্য ঘুষও দিবে।ডাক্তার দেখিয়ে বলবে এতো টাকা ভিজিট নিলো আর একটু সময় দেখলো😴

সেই একই রুগী দেশের বাহিরে কোন উপজেলা বা জেলা লেভেলের বড় হাসপাতালে গিয়ে ডাক্তার দেখাবে,হাজার টাকার ঔষধ কিনে আনবে,হাজার হাজার টাকার টেস্ট করাবে।আর বলবে ডাক্তার তিনি তো ফেরেশতা😁

সব টাকা শেষ করে যখন আর দেশের বাহিরে বারবার যেতে পারবে না, সেই উপজেলার ডাক্তারের কাছেই শেষ নি:শাস ত্যাগ করে সেই একই রুগী।

এতো কথা বলার মাজেদা একটাই -এখানে কারো দোষ নেই, সিস্টেম টাই এখন এমন।রুগীর চিকিৎসার পাশাপাশি সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট এবং মেইনটেনেনস সত্যিই জরুরি।
Courtesy- Dr. Shovon Mahmud

Address

Mohakhali
Dhaka
1213

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Debashish Biswas Shuvo posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Debashish Biswas Shuvo:

Shortcuts

Share

Category