Pharma Spell

Pharma Spell সুস্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং জ্ঞানকে কেন্?

26/02/2019

#চিকেন_পক্সের_উপসর্গ_প্রতিরোধ_প্রতিকার:
চিকেন পক্স খুব দ্রুত ছড়াতে পারে এমন ধরনের সংক্রামক ব্যাধি। ভেরিসেলা জোস্টার নামের ভাইরাসের কারণে রোগটি হয়। সাধারণত বাচ্চাদের, বিশেষ করে ১২ বছরের নিচের বয়সীদের এই রোগ বেশি হয় এবং আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে এলে রোগটি হতে পারে। যাদের এ রোগটি কখনোই হয়নি তারা সহজেই সংক্রমিত হতে পারে। সাধারণত রোগটিতে একবার আক্রান্ত হলে বাকি জীবন এই রোগটির বিরুদ্ধে শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠে অর্থাৎ তার এ রোগটি আর হবে না বলে ধরে নেওয়া যায়।
#উপসর্গ:
জীবাণু শরীরে প্রবেশের ১০ থেকে ২১ দিনের মধ্যে লক্ষণ প্রকাশ শুরু হয়।
♦ সাধারণত জ্বর দিয়ে রোগটির শুরু হয়। সঙ্গে গলাব্যথা, মাথাব্যথা ও পেটব্যথাও থাকতে পারে। এই লক্ষণগুলো এক-দুই দিন স্থায়ী হয়। জ্বর সাধারণত ১০১ থেকে ১০২ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত ওঠানামা করে।
♦ কারো কারো ক্ষেত্রে খাবারে অরুচি হয়। শরীর ব্যথা হয়।
♦ দুই-চার দিনের মধ্যে পানিভর্তি ছোট ছোট দানার মতো ত্বকে ওঠে। প্রথমে লালচে বর্ণের হয়, কিছুটা চুলকায়। পেটে, পিঠে বা মুখে দানা আগে ওঠে। পরে ছড়িয়ে যায় মাথা, মুখ, হাত-পা, জননাঙ্গে।
♦ দানাগুলো প্রথম দিকে দেখতে পিম্পল বা পোকার কামড়ের মতো দেখা যায়।
♦ সাধারণত মুখে, পিঠে, বুকে এই দানাগুলো বেশি দেখা যায়। দুই-চার দিনের মধ্যে দানাগুলো পানির মতো তরল দিয়ে ভর্তি হয় এবং কিছুটা তামাটে বর্ণের হয়ে দ্রুতই সাদা পুঁজভর্তি হয়ে ওঠে
♦ কয়েক দিনের মধ্যে তরলভর্তি দানাগুলো ফেটে যায়। ব্যথা হয়। শুকিয়ে কালো বাদামি হয়ে আসে। এ সময় চুলকানি অত্যধিক হয়। ঠাণ্ডা পানি দিয়ে গোসল করলে বা ক্যালামিন লোশন ক্ষতস্থানে দিলে চুলকানি নিয়ন্ত্রণে থাকে।
♦ এর দুই-চার দিনের মধ্যে দানাগুলো শরীর থেকে ঝরে পড়ে কিন্তু দাগ রেখে যায়।
♦ চিকেন পক্সে আক্রান্ত হওয়ার কয়েক দিন পর একই সঙ্গে শরীরে লালচে, তরলভর্তি ও কালচে হয়ে যাওয়া তিন ধরনের ক্ষতের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। এটা দেখেই নিশ্চিত হওয়া যায় রোগটির উপস্থিতি সম্পর্কে।
♦ সাধারণত সাত থেকে ১০ দিন স্থায়ী হয়।
♦ মারাত্মক ধরনের জটিলতাও হতে পারে। যেমন—ফুসফুস, অস্থিসন্ধি ও মস্তিষ্কের প্রদাহ।
♦ অনেক সময় চিকেন পক্সে আক্রান্ত রোগীদের একই সঙ্গে ব্যাকটেরিয়াঘটিত রোগেও আক্রান্ত হতে দেখা যায়।
#প্রতিরোধ:
চিকেন পক্স প্রতিরোধের জন্য এক বছর বয়স থেকে ১৫ মাস বয়সের মধ্যে বাচ্চাদের ভ্যাকসিন (প্রথম ডোজ) দিতে হবে এবং পরবর্তী সময়ে চার থেকে ছয় বছরের মধ্যে ভ্যাকসিন (দ্বিতীয় ডোজ) দিতে হবে।
যাদের বয়স ১৩ বা এর বেশি এবং যারা কোনো দিন চিকেন পক্সে আক্রান্ত হয়নি তারাও ভ্যাকসিন বা টিকা নিতে পারে। এ ক্ষেত্রে প্রথম ডোজ নেওয়ার ২৮ দিন পর দ্বিতীয় ডোজ নিতে হবে।
#প্রতিকার:
♦ আক্রান্ত ব্যক্তিকে যতটুকু সম্ভব বিশ্রামে ও আলাদা থাকতে হবে। লেখাপড়া করা ছাত্রছাত্রীদের কিংবা কর্মস্থলে কর্মরত ব্যক্তিদের ছুটি নিতে হবে।
♦ চিকেন পক্সে আক্রান্ত হলে প্রতিকারের জন্য ভাইরাসবিরোধী ওষুধ বা অ্যান্টিভাইরাল, যেমন—অ্যাসাইক্লোভির ওষুধ ব্যবহার করা যেতে পারে। ওষুধটি প্রতি পাঁচ ঘণ্টা অন্তর সেবন করতে হয়।
♦ জ্বর নিরাময়ের জন্য প্যারাসিটামল জাতীয় ব্যথানাশক ওষুধ সেবন করতে হবে। চুলকানি কমানোর জন্য অ্যান্টিহিস্টামিন জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করতে হবে। ক্যালামিন লোশন ব্যবহার করলে চুলকানি অনেক কম হয়। ত্বকে দাগও কম থাকে। তবে ক্যালামিন লোশন মুখের ভেতরে বা জননাঙ্গে দেওয়া উচিত নয়। চোখের আশপাশেও ক্যালামিন লোশন লাগাবেন না।
♦ সাধারণত চিকেন পক্সে অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগের দরকার হয় না। তবে ক্ষতস্থানে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হলে বা চুলকানোর ফলে ক্ষত হয়ে অন্য জীবাণু দ্বারা জটিলতার সৃষ্টি হলে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করতে হবে।
♦ চিকেন পক্স আক্রান্ত রোগী খেতে পারে না। তাই সুপাচ্য তরল খাবারসহ সব খাবারই খেতে দিতে হবে। অধিক ঝাল বা মসলাযুক্ত খাবার, অধিক লবণযুক্ত খাবার, এসিডিক খাবার (যেমন-লেবু, কমলা) কম দিন। গরম খাবারের পরিবর্তে স্বাভাবিক তাপমাত্রার খাবার খেতে হবে।
♦ মুখের ভেতরের ক্ষত পরিষ্কার রাখতে হালকা গরম পানিতে সামান্য লবণ মিশিয়ে কুলকুচি করতে হবে।
♦ আক্রান্ত স্থান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। বেশি গরম পানি ব্যবহার না করে ঠাণ্ডা পানি বা স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি দিয়ে গোসল করুন। ঠাণ্ডা পানিতে ভেজানো কাপড় দিয়ে ক্ষতস্থান প্রতি তিন-চার ঘণ্টা অন্তর পরিষ্কার করুন। অনেকে মনে করেন, গোসল করলে শরীরের অন্য অংশেও পক্স ছড়ায়। আসলে তা হয় না।
♦ অনেকে নিমপাতা ভেজানো পানি দিয়ে গোসল করে। এতে চুলকানি কম হয়। তবে নিমপাতা ভালো করে পরিষ্কার করে নিতে হবে।
♦ কতস্থান খুঁটবেন না। শুকিয়ে আপনা-আপনি ঝরে না যাওয়া পর্যন্ত টেনে তুলবেন না।
♦ অনেকে ব্যথা ও জ্বর কমাতে অ্যাসপিরিন ব্যবহার করেন। এটি ব্যবহার করা উচিত নয়। কারণ চিকেন পক্সে অ্যাসপিরিন ব্যবহার করা হলে রে সিনড্রোমের মতো মারাত্মক অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে।
♦ যদি চার দিনের বেশি জ্বর থাকে এবং জ্বরের মাত্রা ১০২ ডিগ্রির চেয়ে বেশি হয়, শ্বাস-প্রশ্বাসে অসুবিধা হয়, তীব্র মাথাব্যথা হয়, অতিমাত্রায় ঝিমুনিভাব হয়, হাঁটতে অসুবিধা হয়, বারবার বমি হয়, ঘাড় শক্ত হয়ে আসে, তবে দেরি না করে হাসপাতালে নিতে হবে বা ডাক্তার দেখাতে হবে।

01/02/2019

খড় জ্বর:
খড় জ্বর (এলার্জি রাইনাইটিস) একটি সাধারণ এলার্জি অবস্থা। খড় জ্বরের লক্ষণগুলি দীর্ঘস্থায়ী ঠান্ডা এবং এর অন্তর্ভুক্ত। চটচটে বা ঝাপসা নাক, তেজস্ক্রিয় এবং চোখ জল, এবং হাঁচি।

খড়জ্বর সংক্রমণ:
ঘাস, গাছ এবং আগাছা থেকে পরাগ হিসাবে বহিরঙ্গন এলার্জি, অভ্যন্তরীণ এলার্জি, যেমন পোষা চুল, ধুলো মাইট এবং ছাঁচ। যে কোন বয়সে এই জ্বর হতে পারে, যদিও এটি সাধারণত শৈশব বা কিশোর বছরগুলিতে শুরু হয়। মেয়েদের চেয়ে ছেলেদের মধ্যে এটা বেশি সাধারণ। প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে, পুরুষ এবং মহিলাদের সমানভাবে প্রভাবিত হয়। আপনার অ্যালার্জি, বিশেষত হাঁপানি বা চর্মরোগের পারিবারিক ইতিহাস থাকলে আপনি হেই জ্বর বিকাশের সম্ভাবনা বেশি।ঋতু এলার্জি রাইনাইটিস বসন্ত, গ্রীষ্ম, এবং প্রারম্ভিক পতনের ক্ষেত্রে বেশি সাধারণ। লক্ষণ সাধারণত গাছ, ঘাস, বা আগাছা, বা বায়ুবাহিত ছাঁচ স্প্রে থেকে পরাগ এলার্জি সংবেদনশীলতা দ্বারা সৃষ্ট হয়।

খড়জ্বর উপসর্গ বা লক্ষণ:
• ফুসকুড়ি নাক এবং স্নায়বিক সংহতি (অস্থিতিশীলতা )
• তেজস্ক্রিয়, খিটখিটে, লাল চোখ
• হাঁচিও যে
• কাশি
• খিটখিটে নাক, মুখ বা গলা ছাদ
• শুষ্ক, নীল রঙের চামড়া চোখের নিচে
• পোস্ট অনুনাসিক ড্রিপ
• ক্লান্তি

খড়জ্বর চিকিৎসা :
এটি একটি ভাইরাস, এবং একটি ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ না, কারণ, অ্যান্টিবায়োটিক সাহায্য করবে না। আমরা লক্ষণগুলি পরিচালনা করতে পারি এবং যদি আমরা প্রচুর বিশ্রাম পাই, প্রচুর পরিমাণে তরল পান করি এবং আমাদের জ্বরকে কমাতে এবং আমাদের উপসর্গগুলি সহজ করতে সহায়তা করার জন্য ওভার-অফ-কাউন্টার ঠান্ডা এবং ফ্লু ওষুধ গ্রহণ করি তবে দ্রুততর বোধ করতে পারে। তবে যদি আমাদের লক্ষণগুলি দশ দিনের বেশি বা খারাপ হয় তবে সম্ভবত এটি ডাক্তারের কাছে সময়।
খড় জ্বর যদিও এটি নিরাময় করা যায় না, এটি সহজেই অ্যান্টিহাইস্টামাইনস দ্বারা চিকিত্সা করা যেতে পারে। এই ঔষধগুলি আপনার শরীরের হিস্টামাইনগুলির প্রভাবগুলি (এলার্জি প্রতিক্রিয়ার জন্য দায়ী রাসায়নিক) লক্ষণ করে, লক্ষণগুলি মুক্ত করে। ফাস্ট-অ্যাক্টিভিং (দ্রুত কার্যকরী ট্যাবলেট) ট্যাবলেট এবং ক্যাপসুলগুলি থেকে, অনেকগুলি পণ্য পাওয়া যায়, যা স্নায়ু স্প্রে এবং চোখের ড্রপস থেকে লক্ষ্যমাত্রায় ত্রাণ সরবরাহ করতে পারে-এবং তারা সবাই দ্রুত ভাল অনুভব করার জন্য দ্রুত কাজ করে।

খড়জ্বর প্রতিরোধ:
• পেষণকারী ফাঁদ নাসারন্ধ্র কাছাকাছি ভ্যাসলিন রাখুন
• চোখের মধ্যে পেয়ে পরাগ বন্ধ করতে সানগ্লাস প্রায় মোড়ানো পরেন
• ঝরনা এবং পরাগ বন্ধ ধোয়ার বাইরে থেকে পরে কাপড় পরিবর্তন
• যখনই সম্ভব গৃহমধ্যে থাকুন
• দরজা যতটা সম্ভব বন্ধ রাখুন
• নিয়মিত ভ্যাকুয়াম এবং একটি স্যাঁতসেঁতে কাপড় দিয়ে ধুলো
• আপনার গাড়ির বাতাসের ভেন্ট এবং একটি বিশেষ HEPA ফিল্টারের সাথে একটি ভ্যাকুয়াম ক্লিনারের জন্য একটি পরাগ ফিল্টার কিনুন

24/08/2018

টাইফয়েড জ্বর:
টাইফয়েড জ্বর হল এক ধরনের ব্যাক্টেরিয়া ঘটিত রোগ যা স্যালমোনেলা টাইফি নামক ব্যাক্টেরিয়ার কারনে হয়।

সংক্রমণ:
• টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তি এবং স্যালমোনেলা টাইফি ব্যাকটেরিয়া বহনকারী উভয় ধরনের ব্যক্তিরাই মলত্যাগের মাধ্যমে এই ব্যাকটেরিয়ার বিস্তার ঘটিয়ে থাকে,
• পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা যথাযথ না হলে,
• টাইফয়েড রোগীর মলত্যাগের পর এই ব্যাকটেরিয়া পানির সংস্পর্শে আসলে,
• টাইফয়েড জ্বরের ব্যাকটেরিয়া বহন করছে এমন কোন ব্যক্তির স্পর্শকৃত বা হাতে বানানো খাবার গ্রহণ থেকেও টাইফয়েড জ্বর সংক্রমিত হতে পারে।

টাইফয়েড জ্বরের লক্ষণ:
• ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত টানা জ্বর।
• ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, পেটে ব্যথা অনুভূত হওয়া, মাথাব্যাথা করা।
• গা ম্যাজ ম্যাজ করা, কফ বা কাশি হওয়া, হার্ট রেট বা হৃদস্পন্দন কমে যাওয়া, ক্ষুধামন্দা।
• পেটের ওপরের দিকে বা পিঠে লালচে দাগ হতে পারে।
• রোগী প্রলাপ বকতে পারে, এমনকি অচেতনও হতে পারে।

টাইফয়েড জ্বরের চিকিৎসা:
এন্টিবায়োটিকের মাধ্যমে টাইফয়েড জ্বরের চিকিৎসা করা হয়ে থাকে। নির্দিষ্ট এন্টিবায়োটিক শুরুর পর জ্বর কমতে পাঁচদিনও লেগে যেতে পারে ।এছাড়া সহায়ক চিকিৎসা হিসেবে নিম্নোক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে :
• অধিক পরিমাণে তরল খাবার গ্রহণে দীর্ঘস্থায়ী জ্বর এবং ডায়রিয়ার কারণে সৃষ্ট পানি স্বল্পতা দূরীভূত হয়। এছাড়া তীব্র আকারে পানি শূন্যতা দেখা দিলে শিরাপথে ওষুধ প্রদানের মাধ্যমেও তরলজাতীয় খাবার প্রদান করা যেতে পারে,
• স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণে অসুস্থতাকালীন সময়ে হারানো পুষ্টি পুনরুদ্ধারে উচ্চ ক্যালরি সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করা উচিত,
• যতদিন পর্যন্ত চিকিৎসক এন্টিবায়োটিক গ্রহণের পরামর্শ দিবেন ততদিন পর্যন্ত তা গ্রহণ করতে হবে,
• প্রতিবার বাথরুম ব্যবহারের পর আপনার হাত পানি ও সাবান দিয়ে ভাল করে ধুয়ে ফেলুন,
• খাবার তৈরি করা বা খাবার পরিবেশন করা থেকে বিরত থাকুন।

টাইফয়েড জ্বর প্রতিরোধ :
• শাকসবজি, ফলমূল এবং রান্নার বাসনপত্র পরিষ্কার পানিতে ধৌত করতে হবে,
• ভালভাবে রান্নাকৃত বা সিদ্ধকৃত খাবারই কেবলমাত্র পান করুন,
• খাবার গ্রহণ, প্রস্তত বা পরিবেশনের পূর্বে খুব ভালভাবে হাত ধৌত করুন,
• ভালভাবে ফুটানো, পরিশোধিত বা বোতলজাত বিশুদ্ধ পানিই কেবলমাত্র পান করুন। পর্যাপ্ত পরিমাণে ফুটানো পানি বা পরিশোধিত পানি সংরক্ষণ করুন এবং পানি যাতে দূষিত হতে না পারে সে জন্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সংরক্ষণকৃত সেই পানি পান করুন,
• বোতলজাত, পরিশোধিত বা ফুটানো পানি হতে বরফ তৈরি করা না হলে সেই বরফ মিশিয়ে পানি বা অন্য কোন পানীয় পান করা হতে বিরত থাকুন,
• যে সমস্ত সবজি বা ফলমূলের খোসা উঠানো যায় না সেগুলো এড়িয়ে চলুন। আর যে সমস্ত ফলমূলের খোসা উঠানো যায় সেগুলোর ক্ষেত্রে আগে ভালভাবে সাবান দিয়ে হাত পরিষ্কার করে তারপর খোসা উঠানো উচিত এবং সেই খোসা খাওয়া উচিত নয়,
• রাস্তার পার্শ্বস্থ দোকানের খাবার গ্রহণ এবং পানি পান করা থেকে বিরত থাকা উচিত,
• টয়লেট ব্যবহারের পর ভালভাবে হাত পরিষ্কার করুন, এছাড়া টয়লেট সব সময় পরিষ্কার রাখুন।

সদস্য
ফার্মা ল্যাবরেটরি এনালাইসিস এবং মেডিক্যাল এক্সোসেরিস বিভাগ

ম্যালেরিয়া জ্বরসংঙ্গাঃ ম্যালেরিয়া বিশ্বের প্রাচীনতম রোগগুলোর  অন্যতম। ম্যালেরিয়া হচ্ছে Anopheles মশকীবাহিত এক ধরনের জ্বর...
21/08/2018

ম্যালেরিয়া জ্বর
সংঙ্গাঃ
ম্যালেরিয়া বিশ্বের প্রাচীনতম রোগগুলোর অন্যতম। ম্যালেরিয়া হচ্ছে Anopheles মশকীবাহিত এক ধরনের জ্বর রোগ।এ রোগে রক্তের লোহিত কনিকা ধ্বংস হয়।তাই রক্তসল্পতাসহ বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়।উপযুক্ত চিকিৎসা না পেলে রোগীর মৃত্যুও হতে পারে। Plasmodium গনের প্রায় ৬০টি প্রজাতি মানুষসহ বিভিন্ন মেরুদন্ড প্রানীতে এ রোগ সৃষ্টি করে।মানবদেহে এ পর্যন্ত রোগ সৃষ্টিকারী ৪টি প্রজাতির পাওয়া গেছে।

সংক্রমনঃ
স্ত্রী Anopheles মশকী ম্যালেরিয়া রোগের বিস্তার ঘটানোর একমাত্র মাধ্যম।পৃথিবীতে প্রায় দু 'শত প্রজাতির Anopheles মশকী থাকলেও মূলত ৬টি প্রজাতিই এ রোগের বিস্তার ঘটায়। মানবদেহে ম্যালেরিয়ার জীবাণু প্রবেশের পর বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করে একসময় গ্যামিটোসাইট গঠন করে। Plasmodium Vivax হতে সৃষ্ট গ্যামিটোসাইটগুলো মানুষের রক্তে ৭ দিন,কিন্তু P.falciparum হতে সৃষ্ট গ্যামিটোসাইটগুলো ৩০-৬০ দিন,এমনকি ১২০ দিন পর্যন্ত বেচেঁ থাকে।এ সময়ের মধ্যে রোগীর দেহ হতে এরা মশকীর দেহে প্রবেশের সুযোগ পেলে পরবর্তী চক্র সম্পন্ন করতে শুরু করে।মশকীর প্রতিবার দংশনে P.vivax এর অন্তত ৬টি,কিন্তু P.falciparum এর অন্তত ১২টি গ্যামিটোসাইট মশকীর দেহে প্রবেশ করে। রক্তপান করার সময় মশকীর দেহে বিভিন্ন দশার জীবাণু প্রবেশ করলেও একমাত্র গ্যামিটোসাইটগুলো বেঁচে থাকে।অন্যান্য দশায় জীবাণুগুলো মশকীর এনজাইমের ক্রিয়ায় নষ্ট হয়ে যায়।গ্যামিটোসাইটগুলো #গ্যামিটোন ও #স্পোরোগনি ধাপের মাধ্যমে অবশেষে #স্পোরোজয়েট উৎপন্ন করে মশকীর লালাগ্রন্থিতে অবস্থান করে।এ মশকী কোন মানুষকে দংশন করলে মানুষ এ জীবানু দ্বারা সংক্রমিত হয়।

লক্ষনঃ
ম্যালেরিয়ার সাধারণ লক্ষণ হল শীত লাগা এবং কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসা। এটা বড়দের মধ্যেই অধিকহারে দেখা যায়। বাচ্চাদের অনেক সময় জ্বরের সঙ্গে পেটের গোলমাল, শ্বাসজনিত অসুবিধা ইত্যাদি দেখা যায়।
• ছয় মাস থেকে পাঁচ বছরের বাচ্চাদের মধ্যে কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসা ভাবটি লক্ষ্য করা যায় না। এর পরিবর্তে খিটখিটে ভাব, ঝিমুনি, খাওয়ার অনীহা, বমি, মাথাব্যথা, খুব বেশী জ্বর প্রভৃতি দেখা দিয়ে থাকে।
• পাঁচ বছরের বেশী বয়সীরা ম্যালেরিয়াতে আক্রান্ত হলে প্রথমে শীত ও কাঁপুনি অনুভব করে, তারপর জ্বর ক্রমেই বৃদ্ধি পেয়ে ১০৫ ফারেনহাইট পর্যন্ত উঠতে পারে। সেই সঙ্গে প্রচন্ড মাথাব্যথা ও তারপর ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়লে রোগী খুব দুর্বল বোধ করে।
• ফ্যালসিপেরাম ম্যালেরিয়া ভয়াবহ আর জটিল আকার ধারণ করতে পারে শুরু থেকেই।খিঁচুনি, শ্বাসকষ্ট, রক্তস্বল্পতা, প্রস্রাব কমে যাওয়া, প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া, কোমায় আচ্ছন্ন হওয়া ইত্যাদি জটিলতার লক্ষণ।

এছাড়াও পানি অথবা খাবারের প্রতি খুব বেশী অনীহা, ঘন ঘন বমি হওয়া, খিঁচুনি ও ঝিমুনিভাব দেখা দিলে বা অজ্ঞান হয়ে পড়লে এবং রোগীর মাঝে অত্যধিক ক্লান্তি দেখা দিলে। এসব লহ্মন দেখা দিলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
চিকিৎসাঃ
ম্যালেরিয়া রোগের চিকিৎসার প্রধান লক্ষ্য রোগ দ্রুত শনাক্তকরণ ও আরোগ্য লাভ। চিকিৎসা নির্ভর করে রোগী কী ধরনের ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে, ভাইভ্যাক্স না ফ্যালসিপেরামে। ম্যালেরিয়ার জন্য #ক্লোরোকুইন সবচেয়ে কার্যকরী ওষুধ। “এছাড়াও রয়েছে নিভাকুইন,কেমোকুইন,অ্যাভলোক্লোর,প্যালাড্রিন ইত্যাদিসহ ম্যালেরিয়া পরজীবী নষ্ট করার আরও ভালো মানের ঔষধ।“ ম্যালেরিয়ার জটিলতা দেখা দিলে সত্বর চিকিৎসা শুরু করতে হবে। ঔষধ এর সম্পুর্ণ কোর্স শেষ করতে হবে এবং সব রকম সুব্যবস্থা আছে এমন হাসপাতালে রোগীর চিকিৎসা করা উচিত।

ম্যালেরিয়ার প্রতিকার ও প্রতিরোধঃ
ম্যালেরিয়া মশকী বাহিত একটি রোগ। ম্যালেরিয়ার প্রতিকার ৩ ভাবে হতে পারে। যথা-
১.মশকী নিধন
২.মশকী হতে আত্মরহ্মা
৩.চিকিৎসা
মশকী নিধনের জন্যে আমাদের মশকীর প্রজননহ্মেএ নষ্ট করতে হবে,লার্ভা ও পিউপা ধবংস করতে হবে,এবং পূর্নাঙ মশককুল নিধন করতে হবে।বলা হয়ে থাকে প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ ভাল। কিছু সতর্কতা অবলম্বন করে সহজেই ম্যালেরিয়া প্রতিরোধ করা যায়। যেমন:
• মশারী ব্যবহার করা এবং ঘরের দেয়ালে কীটনাশক ঔষধ ছিটানো।
• বাড়ির আশেপাশে কোন ঝোপ জঙ্গল থাকলে তা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা।
• ম্যালেরিয়া প্রবণ এলাকায় বেড়াতে যাওয়ার দুই-তিন মাস আগে ডাক্তারের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজন হলে ঔষধ খেতে হবে।
• সেখান থেকে ফেরার চার সপ্তার পর ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী প্রতিষেধক ঔষধ সেবন করতে হবে।
কিছু ঔষধ গ্রহণ করে ম্যালেরিয়ার চিকিৎসা করা যায়। তবে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শে ঔষধ গ্রহণ করতে হবে। মুখে বা শিরাপথে ঔষধ গ্রহণ, যেমন-ক্লোরোকুইন, কুইনিন সালফেট, হাইড্রোক্সি ক্লোরোকুইন, মেফ্লোকুইন, সালফাডক্সিন এবং পাইরিমেথামাইন এর যে কোন একটি অথবা কয়েকটি ঔষধ সেবন করে ম্যালেরিয়ার চিকিৎসা করা হয়ে থাকে।

সদস্য
ফার্মা ল্যাবরেটরি এনালাইসিস এবং মেডিক্যাল এক্সোসেরিস বিভাগ

PHARMASPELL is now on YOUTUBE. Stay tuned for new video. Like share and subscribe. Link is in the below
10/08/2018

PHARMASPELL is now on YOUTUBE. Stay tuned for new video. Like share and subscribe. Link is in the below

ফার্মা স্পেল = ফার্মাসির যাদু। আর যাদুকর হলেন ফার্মাসিস্ট। ডাক্তার ব্যাতিত প্রেস্ক্রিপশন যেমন অসম্ভব কল্পনা ঠি.....

Informative note
09/08/2018

Informative note

03/08/2018

শাকসবজির গুনাগুন

02/08/2018
জেনে নিন ফল এবং সবজির উপকারিতা ও গুনাগুন
02/08/2018

জেনে নিন ফল এবং সবজির উপকারিতা ও গুনাগুন

02/08/2018

টিপস জেনে নিন

Address

Banani
Dhaka
1213

Telephone

+8801973082544

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Pharma Spell posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Pharma Spell:

Share

Category