Nutritionist Mahfida Dina Rubiya

Directions Contact the practice

Nutritionist Mahfida Dina Rubiya I am Mahfida Dina Rubiya , working at Dhaka Ahsania Mission as Project Manager & Nutritonist under Health and Nutrition Sector.

29/09/2026

❤️ আজ World Heart Day।
এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় “Don’t Miss a Beat”—হৃদ্‌যন্ত্রের কোনো সতর্ক সংকেত উপেক্ষা করবেন না।

হৃদ্‌রোগের অনেক লক্ষণ সবসময় দেখা যায় না , যেমন উচ্চ রক্তচাপ ও উচ্চ কোলেস্টেরল, দীর্ঘদিন কোনো স্পষ্ট উপসর্গ ছাড়াই থাকতে পারে। তাই অসুস্থ বোধ করার অপেক্ষা না করে আজ থেকেই হৃদ্‌যন্ত্রের যত্ন নেওয়া জরুরি।

❤️হৃদ্‌যন্ত্র ভালো রাখতে যা করবেন-
# খাবারে রাখুন—বেশি শাকসবজি, ফল, ডাল, পূর্ণশস্য, বাদাম ও বীজ এবং স্বাস্থ্যকর আমিষ।
# লবণ কমান—কম লবণ গ্রহণ করুন, পাতে আলাদা লবনের ব্যবহার বন্ধ করুন।
# চানাচুর, চিপস, অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার, অতিরিক্ত ভাজাপোড়া এবং ট্রান্স ফ্যাটযুক্ত খাবার কমিয়ে দিন।
# অতিরিক্ত চিনি ও মিষ্টি পানীয় এড়িয়ে চলুন।
🚭ধূমপান ও তামাক বর্জন করুন।
# নিয়মিত শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকুন—সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি মাত্রার শারীরিক কার্যক্রমের লক্ষ্য রাখতে পারেন।
# স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখুন।
# পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের দিকে নজর দিন।
# নিয়মিত রক্তচাপ, রক্তে শর্করা ও কোলেস্টেরল। পরীক্ষা করুন এবং অস্বাভাবিক হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
# বুকে চাপ বা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, অস্বাভাবিক ঘাম, মাথা ঘোরা অথবা ব্যথা হাত, পিঠ কিংবা চোয়ালে ছড়িয়ে পড়লে দ্রুত জরুরি চিকিৎসা নিন। হার্ট অ্যাটাকের ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

❤️ হৃদ্‌যন্ত্রের যত্ন কোনো একদিনের বিষয় নয়।
প্রতিদিনের ছোট ছোট স্বাস্থ্যকর অভ্যাসই হতে পারে দীর্ঘদিন সুস্থ হৃদ্‌যন্ত্রের জন্য বড় পদক্ষেপ।❤️

✍️মাহ্ফিদা দীনা রূবাইয়া
প্রকল্প ব্যবস্থাপক ও পুষ্টিবিদ
ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন

ডিম কি কখনও মিম হয়!ছোট থেকেই আমার ছেলে ডিম খেতে খুব পছন্দ করতো। ছোটতে সে ডিম দেখলেই মিম খাবো, মিম খাবো বলা শুরু করতো। ডি...
28/09/2026

ডিম কি কখনও মিম হয়!

ছোট থেকেই আমার ছেলে ডিম খেতে খুব পছন্দ করতো। ছোটতে সে ডিম দেখলেই মিম খাবো, মিম খাবো বলা শুরু করতো। ডিম বলতে পারতো না। সন্তানের মুখের অস্পষ্ট কথা শুনতেও আমার খুব ভালো লাগতো। আমার ছেলে ও আমার পছন্দের তালিকায় এখনও ডিম আছে। আমাদের মত যারা ডিম এর পুষ্টিগুন না জেনেই ডিম ছোটবেলা থেকেই পছন্দ করি তাদের জন্য - ডিমের উপকারী দিক তুলে ধরলাম।

একটি মুরগির ডিমে প্রায় ৬–৭ গ্রাম উচ্চমানের প্রোটিন থাকে। ডিমে শরীরের প্রয়োজনীয় essential amino acid ছাড়াও রয়েছে ভিটামিন A, D, B12, রিবোফ্লাভিন, কোলিন, সেলেনিয়াম, ফসফরাস ও আয়রন। কুসুমে থাকে চোখের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিন।ডিমের প্রোটিনকে উচ্চমানের প্রোটিন বলা হয়, কারণ এতে প্রয়োজনীয় সব essential amino acid ভালো অনুপাতে থাকে।

প্রতিদিন কয়টি ডিম খাওয়া যাবে?
সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি প্রতিদিন ১টি বা ২টি ডিম খেতে পারেন। তবে সাড়াদিনের খাবার এ যদি মাছ, মাংস, বাদাম ইত্যাদি উৎস হতে দৈনিক চাহিদা সমন্বয় করে পূরন করেন তাহলে একটি ডিম খাওয়াই যথেষ্ট। তবে কারও ডায়াবেটিস, উচ্চরক্ত চাপ, কোলেস্টেরল বা হৃদ্‌রোগ থাকলে ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা,ব্যক্তিগত খাদ্যাভ্যাস ও চিকিৎসক বা ডায়টেশিয়ান এর পরামর্শ অনুযায়ী পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে।

ডিম সিদ্ধ, পোচ বা অল্প তেলে অমলেট করেও খেতে পারেন।
রান্না করা ডিমের প্রোটিন শরীর সহজে হজম করতে পারে।
আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—শুধু সাদা অংশ নয়, কুসুমসহ পুরো ডিম খেলে প্রোটিনের পাশাপাশি কোলিন, ভিটামিন ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টিও পাওয়া যায়।
তাই সামর্থ অনুয়ায়ী প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় ডিম রাখতে পারেন।

✍️মাহফিদা দীনা রূবাইয়া ২৮/৯/২৬
প্রকল্প ব্যবস্থাপক ও পুষ্টিবিদ
ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন

সন্ধ্যা ৭টার মধ্যেই রাতের খাবার শেষ করি—বহু বছর ধরে এটাই আমার অভ্যাস। কিন্তু ইদানীং নিজেই একটু অবাক হচ্ছি। যখন টিভি দেখত...
23/09/2026

সন্ধ্যা ৭টার মধ্যেই রাতের খাবার শেষ করি—বহু বছর ধরে এটাই আমার অভ্যাস। কিন্তু ইদানীং নিজেই একটু অবাক হচ্ছি। যখন টিভি দেখতে বসি, তখন কখন যে হাতটা চানাচুর বা সলটেড বাদামের প্যাকেটের দিকে চলে যায়, বুঝতেই পারি না! 😄 ক্ষুধা নেই, তবুও খেতে থাকি…

অতিরিক্ত লবণ, চর্বি ও অতিরিক্ত ক্যালরি যে শরীরের জন্য ভালো নয়, সেটা জানি; তবুও সুপারশপে গেলে খাবারগুলো কিনে থাকি। অভ্যাসটা হয়ে গেছে। তাই এবার নিজের সঙ্গে নিজের একটা ছোট্ট চুক্তি করেছি—টিভির সামনে বসলে খাবারের প্যাকেট নয়, থাকবে এক গ্লাস পানি।

প্রিয়জনের আত্মোপলব্ধি❤️

প্যাকেটজাত খাবার: সহজলভ্যতার সঙ্গে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা
22/09/2026

প্যাকেটজাত খাবার: সহজলভ্যতার সঙ্গে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা

প্যাকেটজাত খাবারের প্রচার, প্রসার ও সহজলভ্যতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে শুরু করে শহরের আনাচে-কান...

মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতা থেকে :  "ভিটামিন-এ " নিয়ে কতটা সচেতন হয়েছি আমরা১৯৯৭-৯৮ সালে একটি সার্ভের কাজে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চ...
19/09/2026

মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতা থেকে : "ভিটামিন-এ " নিয়ে কতটা সচেতন হয়েছি আমরা

১৯৯৭-৯৮ সালে একটি সার্ভের কাজে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে তথ্য সংগ্রহ করেছিলাম। যতদূর মনে পড়ছে, সেখানে একটি প্রশ্ন ছিল ' রাতকানা রোগ কিভাবে হয় এবং এর চিকিৎসা কি?' তখন মা' দের কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের তথ্য পেয়েছিলাম। কেউ বলেছিল, 'রাতকানা বা যে বাচ্চারা রাতে দেখতে পায়না তাদেরকে মুরগী সাথে একই ঘরে রাখলে এই রোগ ভালো হয়ে যাবে, কেউ বলতো যেহেতু সন্ধ্যায় দেখত পায় না তাই সন্ধ্যাতেই ঘরে তুলতে হবে।' এরকম অনেক ভ্রান্ত ধারনা শুনেছিলাম। আসলে তাঁদের ভিটামিন এ, রাতকানা রোগ এ বিষয়ে সঠিক কোন ধারনায়ই ছিলনা।

বর্তমান সময়ে সারা দেশে সফলভাবে ভিটামিন 'এ'+ ক্যাম্পেইন হচ্ছে। ক্যাম্পেইনের সফলতাও ভালো। তারপরও কিছু কিছু অভিভাবক পাই যারা ক্যাম্পেইন এর দিন শিশুকে ভিটামিন এ খাওয়ান না। খাওয়ানোর বিষয়ে আগ্রহও কম থাকে আবার জানেও না।
জাতীয় মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট সার্ভে ও আইসিডিডিআর,বি-র আঞ্চলিক উপাত্ত অনুযায়ী, শিশুদের চোখে দৃশ্যমান রাতকানা রোগের হার ১%-এর নিচে (০.৬%) নামেছে। রক্তে ভিটামিন-এ এর অভ্যন্তরীণ ঘাটতি এখনও দেশের প্রায় ২০.৫% শিশুর মধ্যে রয়ে গেছে । ভৌগোলিক বৈচিত্র্য অনুযায়ী, পুষ্টিহীনতা ও অসচেতনতার কারণে দেশের উপকূলীয় অঞ্চল ও দুর্গম চর জেলাগুলোতে এই ঘাটতির ঝুঁকি সবচেয়ে বেশী। এই ঝুঁকি দূর করতে সরকারি উদ্যোগে বছরে দুই বার দেশব্যাপী ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ৬–১১ মাস বয়সী শিশুদের ১টি নীল রঙের ক্যাপসুল এবং ১২–৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ১টি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন লাল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়।
পাশাপাশি, পরিবার সহজেই দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় প্রাণিজ উৎস যেমন—কলিজা, ডিমের কুসুম, মলা ও ঢেলা মাছ এবং উদ্ভিদ উৎস যেমন—গাজর, মিষ্টি কুমড়া, মিস্টি আলু, পালং শাক,
লাল শাক, সবজি ভোজ্য তেল দিয়ে রান্না করে খাওনোর মাধ্যমে শিশুদের ভিটামিন-এ এর চাহিদা পূরণ করা যায়। ফলের মধ্যে পাকা পেঁপে, পাকা আম, পাকা কাঠাল ইত্যাদি ভিটামিন এ পাওয়া যায় । এছাড়া জন্ম থেকে ৬ মাস পর্যন্ত শিশুরা মায়ের বুকের দুধ থেকে ভিটামিন এ পেয়ে থাকে। মায়ের ডেলিভারি পরবর্তী চেকআপে মা কে চিকিৎক একটি ভিটামিন-এ ক্যাপসূল খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। স্তন্যদাত্রী মাকে এ সময় পুষ্টিকর খাবার খেতে হয়।

ভিটামিন এ-এর ঘাটতিতে শিশুদের রাতকানা, চোখের শুষ্কতা ও দৃষ্টিশক্তির সমস্যা হতে পারে। পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়তে পারে।তাই তাই পরিবারের ছোট সদস্যের খাবারে ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ খাবার প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় থাকছে কিনা তা নিশ্চিত করুন।

✍️মাহ্ফিদা দীনা রূবাইয়া
প্রকল্প ব্যবস্থাপক ও পুষ্টিবিদ
ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন

অফিস থেকে ফিরে ভারী নাস্তা নয়, আগেই সেরে নিন রাতের খাবার—বদলে দেখতে পারেন অভ্যাসটিঅফিস থেকে ফিরে সন্ধ্যায় অনেকেই প্রথমে ...
17/09/2026

অফিস থেকে ফিরে ভারী নাস্তা নয়, আগেই সেরে নিন রাতের খাবার—বদলে দেখতে পারেন অভ্যাসটি

অফিস থেকে ফিরে সন্ধ্যায় অনেকেই প্রথমে নাস্তা করেন—তেলে ভাজা খাবার, তান্দুরি, মুড়ি মাখা, নুডলস, পাস্তা, সুজি বা সেমাই ইত্যাদি খাবার খেয়ে থাকে। এরপর কয়েক ঘণ্টা পর আবার রাতের খাবার খেয়ে থাকেন। সন্ধ্যার নাস্তা ও রাতের খাবার—দুই সময়েই খাবারেই অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণ হতে পারে।

তাই অফিস থেকে ফিরে নাস্তার পরিবর্তে পরিমিত ডিনার সেরে নিতে পারেন।
ডিনারে রাখতে পারেন পরিমিত ভাত বা রুটি, মাছ/ডিম/মুরগি/ডাল এবং পর্যাপ্ত সবজি। বা পরিমিত পরিমানে অন্য খাবার।
⏰ রাতের খাবার আগে খাওয়ার সুবিধা:
১. হজমে আরাম:
সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে রাতের খাবার খেয়ে নিতে পারলে খাবার হজমের জন্য শরীর পর্যাপ্ত সময় পায়। এতে রাতে হজমজনিত অস্বস্তি কম হয়।
২. রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ:
রাতের খাবার তুলনামূলকভাবে আগে খাওয়ার অভ্যাস রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক হতে পারে। রাতে দেরিতে খাবার খাওয়া বা বারবার টুকটাক খাবার খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে পারে। তাই রাতে অপ্রয়োজনীয় খাবার এড়িয়ে চলা ভালো।

৩. বিপাকক্রিয়া ও ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ:
নিয়মিত সময়ে রাতের খাবার খাওয়ার অভ্যাস সময়ের সঙ্গে ক্ষুধার অনুভূতিও একটি নির্দিষ্ট ছন্দে আসতে পারে। রাতের খাবার ও পরদিনের প্রথম খাবারের মধ্যে সময় বেশি হওয়ায় বিপাক বৃদ্ধি পায়।

✍️মাহ্ফিদা দীনা রূবাইয়া
প্রজেক্ট ম্যানেজার ও পুষ্টিবিদ
ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন

16/09/2026

ডেঙ্গু হলে কী খাবেন?

বর্তমান সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। ডেঙ্গু হলে চিকিৎসা নেওয়ার পাশাপাশি রোগীর শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও তরলের চাহিদা পূরণে সঠিক খাদ্য গ্রহণও গুরুত্বপূর্ণ। তাই ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর জন্য কী ধরনের খাবার প্রয়োজন, তা জানা থাকা জরুরি।
ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীকে

১)পর্যাপ্ত তরল খাবার দিন
ডেঙ্গুতে পানিশূন্যতার ঝুঁকি থাকে। তাই রোগীর অবস্থা ও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পর্যাপ্ত তরল দিন। পানি, ORS, ডাবের পানি, ভাতের মাড়, লেবুর শরবত, পরিমিত ফলের রস এবং পাতলা মুরগি বা সবজির স্যুপ দেওয়া যেতে পারে। অল্প অল্প করে বারবার তরল দেওয়া ভালো।
তবে রোগের তীব্রতা ও রোগীর অবস্থা বিবেচনা করে তরলের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে।
অতিরিক্ত তরলও ক্ষতিকর হতে পারে। তাই রোগীর প্রয়োজন অনুযায়ী তরলের পরিমাণ চিকিৎসকের পরামর্শে নির্ধারণ করতে হবে।

২) খাবারে ফল ও সবজি রাখুন
লেবু, কমলা, মাল্টা, পেয়ারা, কলা ও পাকা পেঁপের মতো ফল রোগীর রুচি ও সহনীয়তা অনুযায়ী দেওয়া যেতে পারে। এসব ফল পানি, ভিটামিন ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহে সহায়তা করে।

৩) শক্তি ও পুষ্টির জন্য
ডাল, সেদ্ধ ডিম, মাছ ও মুরগির মাংসের মতো পুষ্টিকর ও প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার দিন। এগুলো রোগীর শক্তি ও প্রোটিনের চাহিদা পূরণে সহায়তা করবে। রোগীর রুচি ও সহনীয়তা অনুযায়ী দইও দেওয়া যেতে পারে।

৪) সহজপাচ্য খাবার দিন
রোগীকে সহজপাচ্য খাবার দিন। তাই নরম ভাত বা জাউ ভাত, পাতলা সুজি, পাতলা খিচুড়ি ও স্যুপ দেওয়া যেতে পারে।
সবজি হিসেবে পেঁপে, গাজর, পটল, লাউ ও ঝিঙা রাখা যেতে পারে।

৫) যেসব খাবার এড়িয়ে চলতে হবে
অতিরিক্ত তেল-মসলাযুক্ত ও ভাজাপোড়া খাবার দেয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। অতিরিক্ত চা, কফি ও কোমল পানীয়ের পরিবর্তে পানি, ও অন্যান্য পুষ্টিকর তরলকে অগ্রাধিকার দিন।

৬) অল্প অল্প করে বারবার খাওয়ান
ক্ষুধা কম থাকলে একবারে বেশি খাবার না দিয়ে অল্প অল্প করে বারবার খাবার দিন।

আসুন সবাই মিলে ডেঙ্গু প্রতিরোধে এগিয়ে আসি:

ডেঙ্গু প্রতিরোধ শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়—পরিবার ও সমাজের প্রত্যেকের ভূমিকা রয়েছে।
বাড়ি, ছাদ, বারান্দা, আঙিনা ও আশপাশে জমে থাকা পানি নিয়মিত অপসারণ করুন। পানির পাত্র পরিষ্কার ও ঢেকে রাখুন এবং যেসব পাত্রে পানি জমতে পারে সেগুলো খালি করুন বা যথাযথভাবে ঢেকে রাখুন।

ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীকেও মশার কামড় থেকে রক্ষা করুন। বিশেষ করে অসুস্থতার সময় মশারি ব্যবহার করুন।

🌿  রান্নায় মায়ের সহজ বুদ্ধি—যার মধ্যে ছিল পুষ্টি ও সাশ্রয় দুটোইআমার শৈশব কেটেছে গ্রামে। মনে পড়ে, মা যখন শাক, আলু, পটল, ঢ...
14/09/2026

🌿 রান্নায় মায়ের সহজ বুদ্ধি—যার মধ্যে ছিল পুষ্টি ও সাশ্রয় দুটোই

আমার শৈশব কেটেছে গ্রামে। মনে পড়ে, মা যখন শাক, আলু, পটল, ঢেঁড়স বা অন্য কোনো সবজির ভর্তা করতেন, সেগুলো আলাদা করে সিদ্ধ করতেন না। ভাতের হাঁড়িতেই দিয়ে দিতেন।
যে সবজি দ্রুত সিদ্ধ হতো, চাল আধা-সিদ্ধ হলে সেগুলো ভাতের ওপর দিয়ে দিতেন। অনেক সময় দেখেছি ভাতের হাড়ি চুলায় দিয়ে লাউ গাছ থেকে পাতা উঠাতে। তারপর পাতা ধুঁয়ে চাল আধা সিদ্ধ হলে তার উপর দিয়ে দিতে।ভাত রান্না হতে হতে ভাপে শাক-সবজিও সিদ্ধ হয়ে যেত। তারপর গরম ভাতের সঙ্গে সেই ভর্তা—আহা! কী অসাধারণ স্বাদ! ❤️
তখন বুঝতাম না, কিন্তু আজ পুষ্টিবিজ্ঞানের আলোকে দেখলে এই পদ্ধতির কিছু ভালো দিক ছিল।

ভাতের মাড় ফেলে দেওয়া হতো না—তাই চালের গুরুত্বপূর্ন পুষ্টি উপাদান ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স (থায়ামিন, নায়াসিন) কম নষ্ট হয়। এছাড়া প্রয়োজনীয় খনিজ যেমন আয়রন, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম এবং জিঙ্কের মতো খনিজ উপাদানগুলো ভাতের ভেতরেই অক্ষুণ্ণ থাকে।

শাক-সবজি কম পানিতে ও ভাপে সিদ্ধ হতো এবং অতিরিক্ত সিদ্ধ করা হতো না। এতে ভিটামিন কম নস্ট হয় ও অতিরিক্ত রান্নার কারণে কিছু পুষ্টি ক্ষয় রোধ হতো। এছাড়া শাক-সব্জির রং ও স্বাদ বজায় থাকে।

এক হাঁড়িতেই ভাত ও সবজি রান্না—ফলে সময়, পানি ও জ্বালানি—সবই বাঁচত।

গ্রামের মায়েরা হয়তো পুষ্টিবিজ্ঞানের এসব হিসাব জানতেন না। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল সহজ—সময় বাঁচানো, জ্বালানি বাঁচানো এবং পরিবারের জন্য সুস্বাদু খাবার তৈরি করা।

'মা' তোমাকে খুব মিস করি❤️

🥛 দুধ বনাম 🥣 দই—পুষ্টির দিকে কোনটি এগিয়ে?দুধ—প্রতিদিনের পুষ্টির ভালো উৎস। দুধে উচ্চমানের প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও অন্যান্য ...
13/09/2026

🥛 দুধ বনাম 🥣 দই—পুষ্টির দিকে কোনটি এগিয়ে?

দুধ—প্রতিদিনের পুষ্টির ভালো উৎস।
দুধে উচ্চমানের প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান রয়েছে। গরুর দুধে ( পূর্ণননীযুক্ত) প্রতি ১০০ গ্রামে প্রায় ৬৩ কিলোক্যালরি শক্তি, ৩.১ গ্রাম প্রোটিন, ৩.৭ গ্রাম চর্বি, ৪.৩ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট এবং ১০৩ মি.গ্রা. ক্যালসিয়াম থাকে।

মিষ্টি দই—স্বাদে মজার, তবে পরিমাণে সংযম হতে হয়।
প্রতি ১০০ গ্রাম মিষ্টি দইয়ে প্রায় ৯৪ কিলোক্যালরি শক্তি, ৩.২ গ্রাম প্রোটিন, ৪ গ্রাম চর্বি ও ১১.৪ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট থাকে। মিষ্টি দই চিনির কারণে ক্যালরী বেশি থাকে। নিয়মিত বেশি পরিমাণে না খাওয়াই ভালো।

টক দই—
টক দইয়ে দুধের অনেক পুষ্টি উপাদান থাকে। বাংলাদেশে পরিচালিত একটি গবেষণায় টক দইয়ের নমুনাগুলোতে মিষ্টি দইয়ের তুলনায় পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেশিয়ামের পরিমাণ গড়ে বেশি পাওয়া গেছে। তবে ব্র্যান্ড ও তৈরির পদ্ধতি অনুযায়ী পুষ্টিমান পরিবর্তিত হতে পারে। টক দই প্রোবায়োটিকের ভালো উৎস
টক দই গাঁজনের মাধ্যমে তৈরি হয় এবং এতে জীবন্ত অণুজীব থাকে। তাই টক দই অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাতকরণ বা পাস্তুরায়ন (Heat treatment) করার ফলে অনেক সময় টক দইয়ের ভেতরের লাইভ প্রোবায়োটিক নষ্ট হয়ে যেতে পারে। সবচেয়ে ভালো হয় ঘরে পাতা বা প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি টকদই খেলে।

👉 দৈনন্দিন পুষ্টির জন্য: দুধ
👉 অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য: টক দই
👉 মিষ্টি দই: স্বাদের জন্য, তবে ব্যক্তি বিশেষে পরিমিত পরিমানে
👉 ওজন ও রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে: চিনি ছাড়া দুধ/টক দই

✍️মাহ্ফিদা দীনা রূবাইয়া
প্রকল্প ব্যবস্থাপক ও পুষ্টিবিদ
ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন
১৩ সেপ্টেমম্বর ২০২৬

Address

Mohammadpur
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nutritionist Mahfida Dina Rubiya posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Nutritionist Mahfida Dina Rubiya:

Shortcuts

Share

Category