IHOM Diagnostic Center

IHOM Diagnostic Center Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from IHOM Diagnostic Center, Hospital, 51/c Asad Avenue, Mohammadpur BRTC Busstand, Dhaka.

গ্যাস্ট্রিক আলসার থেকে বেঁচে থাকার উপায়গ্যাস্ট্রিক আলসার রোগটির সাথে আমরা সবাই কমবেশি পরিচিত। ডাক্তারি ভাষায় এটাকে পেপটি...
11/07/2018

গ্যাস্ট্রিক আলসার থেকে বেঁচে থাকার উপায়

গ্যাস্ট্রিক আলসার রোগটির সাথে আমরা সবাই কমবেশি পরিচিত। ডাক্তারি ভাষায় এটাকে পেপটিক আলসার ডিজিজ কিংবা গ্যাস্ট্রিক আলসার ডিজিজ বলা হয়। তবে সাধারন মানুষের কাছে এই রোগটি গ্যাস্ট্রিকের ব্যাথা, গ্যাসের ব্যাথা, পেটের আলসার, খাদ্যনালীর ঘা ইত্যাদি নামে পরিচিত। ডাক্তারের কাছে এসে রোগীরা সাধারণত এই নামেই সমস্যা উপস্থাপন করে। অগোছালো জীবন-যাপন, অনিয়মিত খাবার গ্রহণ, খাবার বাছাইয়ে অসতর্কতা ও অজ্ঞতা এ রোগের পিছনে বড় কারন।

গ্যাস্ট্রিক আলসার রোগের লক্ষণ

১. বুক ও পেটের উপরের অংশে ব্যাথা (পাকস্থলীর আলসারের ক্ষেত্রে খাবার খেলে এ ব্যাথা কমে যায়, কিন্তু অন্ত্রের আলসারের ক্ষেত্রে খাবার খেলে এ ব্যাথা সাধারণত বাড়ে),
২. বুক জ্বালাপোড়া করা,
৩. টক বা তিক্ত স্বাদের ঢেকুর তোলা,
৪. মাত্রাতিরিক্ত হেচকি ওঠা,
৫. বুকের পেছনের অংশে বা মেরুদণ্ডে ব্যথা,
৬. পেটের উপরের অংশে গরম অনুভূত যাওয়া,
৭. ক্ষুধামন্দা,
৮. বমি বমি ভাব ও বমি হওয়া।

প্রতিকারের উপায়
ডাক্তারি পরামর্শ মোতাবেক ওষুধ সেবন ও খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন এনে সহজেই এ রোগ থেকে মুক্তি পেতে পারেন। চলুন প্রতিকারের কয়েকটি সহজ উপায় জেনে নেই-

১. ভাজাপোড়া ও মশলাযুক্ত খাবার কম খাওয়া।
২. এলকোহল ও ক্যাফেইন যুক্ত খাবার (যেমন: চা, কফি ইত্যাদি) বর্জন করা।
৩. ভাতের সাথে অতিরিক্ত লবন (কাঁচা লবন) না খাওয়া। কারন খাবার লবনে যে অতিরিক্ত সোডিয়াম থাকে তা আলসার তৈরিতে সহায়তা করে।
৪. সামুদ্রিক তৈলাক্ত মাছ বেশি করে খাওয়া। কারন এ ধরনের মাছে ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি এসিড থাকে যা প্রোস্টাগ্লাণ্ডিন তৈরিতে সাহায্য করে। এই প্রোস্টাগ্লাণ্ডিন আলসার শুকাতে সাহায্য করে।
৫. এসপিরিন ও ব্যাথানাশক ওষুধ এড়িয়ে চলা। এগুলো প্রোস্টাগ্লাণ্ডিনকে বাধা দেয়। ফলে নতুন করে আলসার তৈরি হয়।
৬. ভিটামিন-এ, সি ও ই যুক্ত ফল-মূল ও শাক-সবজি বেশি পরিমানে খাওয়া। এ সকল ভিটামিন আলসারের ঘা শুকাতে
সাহায্য করে।
৭. প্রচুর পরিমাণ পানি পান করা। এতে অতিরিক্ত এসিড নিষ্ক্রিয় (নিউট্রালাইজ) হয়ে যাওয়ায় আলসারের ঝুঁকি কমে।

যেভাবে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখবেন :উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে খাবার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সাম্প্রতিক গবেষণাগুলো...
11/07/2018

যেভাবে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখবেন :

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে খাবার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সাম্প্রতিক গবেষণাগুলোয় দেখা গেছে, উচ্চ রক্তচাপ কমাতে প্রক্রিয়াজাত খাবারের পরিমাণ কমালে ভালো ফল পাওয়া যায়। অনেক সময় খাবারের ধরন পাল্টানো মুশকিল বলে অনেকে এ পথে হাঁটতে চান না। তবে নতুন কিছু খাবার গ্রহণের মাধ্যমে প্রক্রিয়াটিতে ধীরে ধীরে অভ্যস্ত হতে পারলে উচ্চ রক্তচাপ কমাতে পারবেন। যেভাবে প্রক্রিয়াটি সহজ করতে পারেন, তা দেখে নিন :

১. বেশি করে ডায়েটারি ফাইবার খান : পূর্ণশস্য বা হোলগ্রেইন হিসেবে গম ও বাদামি চাল খান। আঁশযুক্ত অন্যান্য খাবারও খেতে পারেন। রাস্পবেরি, অ্যাপল, শিমজাতীয় খাবার, বাদাম ও বীজ, সবজি ও ব্রকোলি খেতে পারেন।

২. মাখন ও চর্বি এড়িয়ে যান : সেদ্ধ ব্রকোলির ওপর অলিভ অয়েল বা জলপাইয়ের তেল ছিটাতে পারেন বা টুনা মাছে ক্যানোলা অয়েল। মাখন ও চর্বির মতো সম্পৃক্ত চর্বি এড়িয়ে যান।

৩. মাংস এড়িয়ে মাছ খান : প্রতি সপ্তাহে দু-তিনটি মাছ, মুরগির মাংস ও শিমজাতীয় খাবার খান। অন্যান্য মাংস খাওয়া কিছুটা কমান।

৪. মদজাতীয় পানীয় কমান : যাঁরা মদজাতীয় পানীয় পান করেন, তাঁদের ক্ষেত্রে ধীরে ধীরে এর মাত্রা কমাতে হবে।

৫. পানোৎসবে বেশি খাবার নয় : নিজের ওজনের বিষয়টি মাথায় রেখে ক্যালরি হিসেব করে খেতে হবে। কোনো উৎসবে একসঙ্গে অনেক খাবার খাওয়া উচিত হবে না।

৬. ওষুধ : সম্পূরক ওষুধ হিসেবে অতিরিক্ত পটাশিয়াম গ্রহণ থেকে সতর্ক থাকুন। ওষুধ গ্রহণের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

যে লক্ষণ দেখে স্ট্রোক চিনবেনস্ট্রোক আমাদের সবার কাছেই খুব পরিচিত স্বাস্থ্য সমস্যা। আধুনিক জীবন-যাপন ও অনিয়ন্ত্রিত খ্যাদ্...
11/07/2018

যে লক্ষণ দেখে স্ট্রোক চিনবেন

স্ট্রোক আমাদের সবার কাছেই খুব পরিচিত স্বাস্থ্য সমস্যা। আধুনিক জীবন-যাপন ও অনিয়ন্ত্রিত খ্যাদ্যাভ্যাসের কারনে দিনকেদিন এর প্রবণতা বাড়ছে। সাধারণত মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহের ক্ষেত্রে কোন ধরনের বাধার সৃষ্টি হলে স্ট্রোক হয়। স্ট্রোক হলেই ভয় পাওয়ার কিছু নেই। দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করলে স্ট্রোকজনিত মৃত্যুর ঝুঁকি যেমন কমে, তেমনি স্বভাবিক কর্মক্ষমতা ফিরিয়ে আনা ও পুনরায় স্ট্রোকের ঝুঁকি এড়ানোও সম্ভব হয়। এ কারনে স্ট্রোকের লক্ষণগুলো বুঝতে পারাটা খুব জরুরি। কিভাবে বুঝবেন স্ট্রোক হয়েছে? নিচে স্ট্রোক চেনার পাঁচটি উপায় দেয়া হল-

১) মুখ বেঁকে যাওয়াঃ ব্রেইন স্ট্রোকের প্রধান লক্ষণ হচ্ছে মুখ বেঁকে যাওয়া। রোগীর মুখের এক পাশ বেঁকে গেলে বা অসাড়তা অনুভব করলে তাকে হাসতে বলুন। যদি রোগী হাসতে না পারে তবে স্ট্রোক হয়েছে বলে ধরে নিতে পারেন। এক্ষেত্রে তাকে দ্রুত হাসাপাতালে নেয়ার ব্যবস্থা করুন।

২) হাত ও পা অবশ বা দুর্বল অনুভূত হওয়াঃ স্ট্রোক হলে এক পাশের হাত অথবা পা কিংবা উভয় পাশের হাত ও পা অবশ বা দুর্বল অনুভূত হতে পারে। এক্ষেত্রে রোগীকে হাত অথবা পা উপরের দিকে তুলতে বলুন। স্ট্রোকের রোগী হলে হাত বা পা উপরে উঠাতে পারবে না।

৩) কথা বলতে অসুবিধা হওয়াঃ স্ট্রোকের রোগীকে প্রশ্ন করলে সে ঠিকমত উত্তর দিতে পারবে না। রোগীকে একই প্রশ্ন বারবার করলে এটা বোঝা যাবে। দেখা যাবে, প্রশ্নের উত্তরে রোগী ঠিকমত কথা বলতে পারছে না।

৪) শরীরের ভারসাম্য ঠিক না থাকাঃ স্ট্রোকের রোগীর শরীরের ভারসাম্য ঠিক থাকে না। হাঁটার সময় চলাচলে সমন্বয়হীনতা দেখা যায়। রোগীকে হাঁটতে বললে দেখা যাবে সে ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছে। তবে এ সময় রোগীর পাশে অবশ্যই কাউকে থাকতে হবে। তা না হলে রোগী ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যেত পারে।

৫) মাথায় প্রচণ্ড ব্যথা অনুভূত হওয়াঃ স্ট্রোকের রোগীর কোন কারন ছাড়াই মাথায় প্রচণ্ড ব্যথা অনুভূত হতে পারে। সাধারণত মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত স্ট্রোক হলে এ ধরনের তীব্র মাথাব্যথা অনুভূত হয়।

স্ট্রোক বিশ্বব্যাপী মানব মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারন। অনিয়ন্ত্রিত জীবন-যাপন, উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসই স্ট্রোকের জন্য প্রধানত দায়ী। প্রতিরোধের জন্য সচেতনতা অত্যাবশ্যক। রক্তের কোলেস্টেরল, রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও ওজন নিয়ন্ত্রণ, ধূমপান বর্জন, নিয়মিত শরীর চর্চা এবং পর্যাপ্ত সবুজ শাক-সবজি ও সতেজ ফলমূল খাওয়ার মাধ্যমে ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব। পাশাপাশি স্ট্রোক হওয়ার পরে তা বুঝতে পারা এবং সে অনুসারে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার মাধ্যমে মৃত্যুঝুঁকি ও জটিলতা অনেকটাই কমিয়ে আনা যেতে পারে।

কখন একজনকে ডায়াবেটিক রোগী বলা যাবে?প্রশ্ন : একজন মানুষকে আমরা কখন ডায়াবেটিক বলব?উত্তর : ডায়াবেটিস আসলে একটি মেটাবলিক রোগ...
11/07/2018

কখন একজনকে ডায়াবেটিক রোগী বলা যাবে?

প্রশ্ন : একজন মানুষকে আমরা কখন ডায়াবেটিক বলব?

উত্তর : ডায়াবেটিস আসলে একটি মেটাবলিক রোগ। যদি রক্তে ইনসুলিনের পরিমাণ কম থাকে অথবা ইনসুলিন যদি ঠিকমতো কাজ না করতে পারে, তখন রক্ত থেকে ইনসুলিনটা দেহকোষে প্রবেশ করে না এবং সুগার পোড়ে না।

ইনসুলিনের কাজ হলো সুগার ব্লাড থেকে কোষের ভেতর প্রবেশ করানো, যেখানে সুগার পোড়ে। যদি সুগার কোষের ভেতর না প্রবেশ করে, তাহলে দিন দিন সুগারটা রক্তের মধ্যে বাড়তে থাকে।

প্রশ্ন : এই বৃদ্ধি কখন হলে কোন পর্যায়ে বলবেন যে রোগীটি ডায়াবেটিক?

উত্তর : যখন রক্তের পরীক্ষা করে আমরা বলি ওরাল গ্লুকোজ টলারেন্স টেস্ট। ওজিটিটি বলে সংক্ষেপে। এখানে রোগীকে প্রথমে ফাস্টিং (খালি পেটে) রক্তের সুগার দিতে হয়, ৮ থেকে ১৪ ঘণ্টা না খেয়ে। এর পর রক্ত দিয়ে ৭৫ গ্রাম গ্লুকোজ খাওয়ার পর রক্ত দিতে হয়। আমরা রিডিংটা দেখি। এখানে যদি দেখি ব্লাড সুগার ৬ দশমিক ১-এর নিচে, তাহলে সে স্বাভাবিক। আর রক্তের সুগার যদি ৬ দশমিক ১ থেকে ৭-এর নিচে থাকে, তখন আমরা তাকে প্রি-ডায়াবেটিক বলি। আর ৭-এর ওপর যদি যায় ফাস্টিং রক্তের গ্লুকোজ, তখন আমরা ডায়াবেটিস বলি। আর গ্লুকোজ খাওয়ার দুই ঘণ্টা পর যে রক্তটা দেওয়া হবে, সেটা যদি ৭ দশমিক ৮-এর নিচে আসে, তাহলে আমরা বলি স্বাভাবিক। ৭ দশমিক ৮ থেকে যদি ১১ দশমিক ১ পর্যন্ত হয়, তখন আমরা বলি ইমপেয়ার গ্লুকোজ টলারেন্স। এটাও প্রি-ডায়াবেটিক, ডায়াবেটিসের আগের পর্যায়। ১১ দশমিক একের ওপরে যদি যায়, তখন আমরা ডায়াবেটিস বলি।

রক্তস্বল্পতা পূরণ করবে যেসব ফল ও সবজি :আমাদের দেশে রক্তস্বল্পতাকে তেমন একটা গুরুত্বের সাথে দেখা হয় না। যদিও রক্তস্বল্পতা...
11/07/2018

রক্তস্বল্পতা পূরণ করবে যেসব ফল ও সবজি :

আমাদের দেশে রক্তস্বল্পতাকে তেমন একটা গুরুত্বের সাথে দেখা হয় না। যদিও রক্তস্বল্পতা আপাত দৃষ্টিতে তেমন বড় কোন ক্ষতিকর রোগ না, কিন্তু রক্ত সল্পতার কারণে হৃদপিন্ডরে সমস্যা, নার্ভ সিস্টেম নষ্ট হয়ে যাওয়া এবং স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়ার সম্ভাবনা হয়ে থাকে।

দৈনিক খাদ্য তালিকায় কিছু খাবার রাখতে পারলে রক্তস্বল্পতার সমস্যায় উপকার পাওয়া যায়।

* ডালিম :
এই ফলে থাকা ভিটামিন সি শরীরের লৌহ শোষণ ক্ষমতা বাড়ায়। এ কারণে রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়ে। প্রতিদিন সকালের নাস্তায় মধু ও দারু চিনির গুঁড়া মিশিয়ে এক কাপ পরিমাণ ডালিমের রস খাওয়া এনিমিয়ার চিকিৎসায় বেশ উপকারী।

২. কলা :
রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরির পরিমাণ বাড়ায় এই ফল। কারণ এতেও থাকে লৌহ। ভালো ফলাফল পেতে প্রতিদিন দুবার মধুর সঙ্গে পাকাকলা খেতে পারেন।

৩. খেজুর :
এতে থাকা ভিটামিন সি শরীরের লৌহ শোষণ ক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এক কাপ সিদ্ধ দুধে দুটি খেজুর সারারাত ডুবিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে খেতে পারেন।

৪. সবুজ শাকসবজি :
পালংশাক, মেথি, লেটুস পাতা, ব্রকলি ইত্যাদি লৌহের আদর্শ উৎস। এছাড়াও ভিটামিন বি টুয়েলভ, ফোলিন অ্যাসিড ইত্যাদিও প্রচুর পরিমাণে থাকে এই সবজিগুলোতে। যা রক্তশূন্যতা সারাতে সাহায্য করে।

৫. বিট :
প্রচুর পরিমাণে আয়রন বা লৌহ থাকে এই সবজিতে। পাশাপাশি ভেতর থেকে শরীর পরিষ্কার করতেও সহায়ক। প্রতিদিন বিটের শরবত খেলে শরীরে অক্সিজেন সরবরাহ বাড়ে। ফলে লোহিত রক্ত কণিকার পরিমাণও বাড়ে।

07/07/2018

Address

51/c Asad Avenue, Mohammadpur BRTC Busstand
Dhaka
1207

Telephone

+8801970001207

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when IHOM Diagnostic Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category