Prof Dr Md Abu Saleh Alamgir Disability & Rehabilitation Specialist

Prof  Dr  Md  Abu Saleh Alamgir Disability & Rehabilitation  Specialist A Modern center of Physiotherapy, Orthopedic, Neurology, Sport's Injury & Speech Therapy care Depart

দৈহিক ওজন ওউচ্চতা সম্পর্কে জানুন এবং সচেতন হউন ও সতর্ক থাকুনদৈহিক ওজন হলো মানুষের শরীরের মোট ভর বা পরিমাণ। উচ্চতা অনুযায়...
04/08/2026

দৈহিক ওজন ওউচ্চতা সম্পর্কে জানুন এবং সচেতন হউন ও সতর্ক থাকুন

দৈহিক ওজন হলো মানুষের শরীরের মোট ভর বা পরিমাণ। উচ্চতা অনুযায়ী সঠিক ওজন হিসাব করতে বিএমআই (BMI) পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়, যেখানে সুস্থ ও আদর্শ ওজন বলতে ১৮.৫ থেকে ২৪.৯ পর্যন্ত বিএমআই স্কোর বোঝায়। যেমন—৫ ফুট ৪ ইঞ্চি উচ্চতার জন্য আদর্শ ওজন ৫০ থেকে ৬৩ কেজি এবং ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি উচ্চতার জন্য ৫৪ থেকে ৬৭ কেজি হওয়া ভালো।

উচ্চতা ও আদর্শ ওজনের তালিকা
৪ ফুট ১০ ইঞ্চি: ৪১ থেকে ৫২ কেজি
৫ ফুট ০ ইঞ্চি: ৪৩ থেকে ৫৫ কেজি
৫ ফুট ২ ইঞ্চি: ৪৭ থেকে ৫৯ কেজি
৫ ফুট ৪ ইঞ্চি: ৫০ থেকে ৬৩ কেজি
৫ ফুট ৬ ইঞ্চি: ৫৪ থেকে ৬৭ কেজি

# ওজন বাড়লে যে সমস্যা হয়

 উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
 টাইপ-২ ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।
 হাঁটু ও কোমরে তীব্র ব্যথা এবং বাত বা আর্থ্রাইটিস হতে পারে।
 ফ্যাটি লিভার ও রক্তে অতিরিক্ত চর্বি জমে।
 অল্পতেই হাঁপিয়ে ওঠা ও ঘুমের মধ্যে শ্বাসকষ্ট (স্লিপ অ্যাপনিয়া) দেখা দেয়

# ওজন কমলে যে সমস্যা হয়

 রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, ফলে বারবার সর্দি-কাশি ও infections হয়।
 রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়া (অরক্ততা) দেখা দেয়।
 হাড় দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে পড়ে (অস্টিওপোরোসিস)।
 মেয়েদের ক্ষেত্রে মাসিক নিয়মিত হয় না বা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
 দুর্বলতা, মাথা ঘোরা ও অতিরিক্ত ক্লান্তি কাজ করে।

দৈহিক ওজন ও উচ্চতা বজায় রাখতে সুষম খাবার খাওয়া, নিয়মিত ব্যায়াম করা এবং পর্যাপ্ত ঘুমানো প্রয়োজন। নির্দিষ্ট বয়স ও বৃদ্ধির পর উচ্চতা সাধারণত স্থির হয়ে যায়, তবে সঠিক জীবনযাত্রার মাধ্যমে শরীর সুস্থ ও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব

# ওজন নিয়ন্ত্রণের উপায়

 সুষম খাদ্য: প্রতিদিনের খাবারে শাকসবজি, ফলমূল, প্রোটিন (মাছ, মাংস, ডাল) এবং পুষ্টিকর খাবার রাখুন। অতিরিক্ত চর্বি ও মিষ্টি খাবার এড়িয়ে চলুন।
 নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম: সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট হালকা ব্যায়াম বা হাঁটাচলা করুন।
 পর্যাপ্ত পানি পান: মিষ্টি পানীয়ের বদলে বেশি করে পানি পান করুন।
 ঘুম ও বিশ্রাম: প্রতিদিন রাতে ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা ঠিকমতো ঘুমান, যা শরীরের মেটাবলিজম ও ওজন ঠিক রাখতে সাহায্য করে

# উচ্চতা ও শারীরিক গঠন

 বৃদ্ধির বয়স: সাধারণত কৈশোর পার হওয়ার পর উচ্চতা বাড়ার প্রক্রিয়া প্রাকৃতিকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
 ভঙ্গি ঠিক রাখা: সোজা হয়ে দাঁড়ানো এবং বসার অভ্যাস মেরুদণ্ড ঠিক রাখে ও উচ্চতা সঠিক দেখাতে সাহায্য করে।
 স্ট্রেচিং বা যোগব্যায়াম: নিয়মিত ইয়োগা বা ঝুলন জাতীয় ব্যায়াম শরীরের পেশি নমনীয় ও হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখে

প্রফেসর ডাঃ মোঃ আবু সালেহ আলমগীর
বি পি টি (মেডিসিন ফ্যাকাল্টি – ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়)
এম ডি (ফিজিওথেরাপি মেডিসিন – ইন্ডিয়া)
এম পি এইচ ( পাবলিক হেল্থ এন্ড নিউট্রিশন – এ আই ইউ বি)
এম ডি এম আর ( ডিজএ্যাবিলিটি এন্ড রিহ্যাবিলিটেশন – ইউ এন আই সি)
পি এইচ ডি (ব্যাক পেইন এন্ড স্পাইন কেয়ার – আমেরিকা)

কনসালটেন্ট ও বিভাগীয় প্রধান
ফিজিওথেরাপি এন্ড রি-হ্যাবিলিটেশন বিভাগ
এ ওয়ান হাসপাতাল লিমিটেড, মালিবাগ মোড়, ঢাকা
তথ্য ও পরামর্শ এবং রোগীর সিরিয়ালঃ ০১৬৪১৫৭৬৭৮৭, ০১৭৩৮৩৯৪৩০৯

ডিজএ্যাবিলিটি এন্ড রিহ্যাবিলিটেশন সম্পর্কে জানুন, সচেতন হউন এবং সতর্ক থাকুন ডিজএ্যাবিলিটি কি?ডিজএ্যাবিলিটি বা প্রতিবন্ধি...
04/08/2026

ডিজএ্যাবিলিটি এন্ড রিহ্যাবিলিটেশন সম্পর্কে জানুন, সচেতন হউন এবং সতর্ক থাকুন

ডিজএ্যাবিলিটি কি?
ডিজএ্যাবিলিটি বা প্রতিবন্ধিতা হলো এমন একটি শারীরিক বা মানসিক অবস্থা যা কোনো ব্যক্তির স্বাভাবিক চলাফেরা, সংবেদন, বা দৈনন্দিন কাজ করার ক্ষমতাকে সীমিত করে। এটি মূলত শারীরিক, মানসিক, ও বুদ্ধিবৃত্তিক—এই প্রধান ধরনগুলোতে বিভক্ত।

ডিজএ্যাবিলিটির প্রধান প্রকারভেদঃ
 শারীরিক প্রতিবন্ধিতা (Physical Disability): চলাফেরা, হাত-পায়ের ব্যবহার বা অঙ্গহানির কারণে শারীরিক কার্যক্ষমতায় সীমাবদ্ধতা।
 সংবেদনশীল প্রতিবন্ধিতা (Sensory Disability): দৃষ্টিশক্তি বা শ্রবণশক্তির সম্পূর্ণ বা আংশিক ঘাটতি।
 বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতিবন্ধিতা (Intellectual Disability): শেখার ক্ষমতা, স্মৃতিশক্তি এবং চিন্তা প্রক্রিয়ার ধীরগতি বা বাধা।
 মানসিক স্বাস্থ্যগত সমস্যা (Mental Health Disability): দীর্ঘস্থায়ী মানসিক অসুস্থতা যা আচরণ ও চিন্তাকে প্রভাবিত করে।
 স্নায়বিক বা বহুমুখী প্রতিবন্ধিতা (Neurological and Multiple Disability): মস্তিষ্ক বা স্নায়ুতন্ত্রের সমস্যার কারণে একাধিক কার্যক্ষমতার সমন্বিত ক্ষতি
ডিজএ্যাবিলিটি বা প্রতিবন্ধকতা জন্মগত বা জীবনের যেকোনো পর্যায়ে হতে পারে। এর প্রধান কারণগুলো হলো জন্মগত ত্রুটি, দুর্ঘটনা এবং বিভিন্ন দীর্ঘস্থায়ী রোগ

জন্মগত ও বংশগত কারণঃ-
 জিনগত সমস্যা বা ক্রোমোজোমের ত্রুটি
 গর্ভাবস্থায় মায়ের পুষ্টিহীনতা ও ইনফেকশন
 গর্ভাবস্থায় ক্ষতিকর ওষুধ, মদ বা ধূমপানের প্রভাব
দুর্ঘটনা ও আঘাতজনিত কারণঃ-
 সড়ক দুর্ঘটনা বা কর্মক্ষেত্রে বড় আঘাত
 মাথায় বা মেরুদণ্ডে গুরুতর আঘাত লাগা
 ভুল চিকিৎসা বা সার্জারির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
রোগবালাই ও অন্যান্য কারণঃ-
 হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ফলে পক্ষাঘাত
 ডায়াবেটিস ও বাত বা আর্থ্রাইটিস
 চরম দারিদ্র্য ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ

রি-হ্যাবিলিটেশন কি?
রিহ্যাবিলিটেশন (Rehabilitation) বা পুনর্বাসন হলো এমন একটি সুনির্দিষ্ট চিকিৎসাপদ্ধতি ও প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে কোনো আঘাত, রোগ, সার্জারি বা আসক্তির পর হারিয়ে যাওয়া শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক সক্ষমতা ফিরিয়ে আনা হয়। প্রধান প্রকারভেদগুলো হলো ফিজিক্যাল বা শারীরিক থেরাপি, নিউরোলজিক্যাল রিহ্যাবিলিটেশন এবং আসক্তি বা এডিকশন রিহ্যাবিলিটেশন।
রিহ্যাবিলিটেশনের অর্থ কোনো বড় রোগ, দুর্ঘটনা বা সমস্যার কারণে মানুষ যখন তার স্বাভাবিক কাজ করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে, তখন তাকে আগের অবস্থায় বা স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া হলো রিহ্যাবিলিটেশন। এটি রোগীর আত্মানির্ভরশীলতা বাড়াতে কাজ করে।

রিহ্যাবিলিটেশনের প্রধান প্রকারভেদ
 ফিজিওথেরাপি মেডিসিন এন্ড রিহ্যাবিলিটেশন (Physical Rehabilitation): পেশী ও হাড়ের শক্তি এবং চলাফেরার ক্ষমতা বাড়াতে এটি ব্যবহৃত হয়।
 নিউরোলজিক্যাল রিহ্যাবিলিটেশন (Neurological Rehabilitation): স্ট্রোক বা মস্তিষ্কে আঘাতজনিত সমস্যার পর স্নায়ুর কার্যক্ষমতা ফেরাতে কাজ করে।
 অকুপেশনাল থেরাপি রিহ্যাবিলিটেশন (Occupational Therapy): দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ কাজগুলো একা করার দক্ষতা উন্নত করে।
 স্পিচ এন্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপি রিহ্যাবিলিটেশন (Speech Therapy): কথা বলা, ভাষা এবং গিলতে পারার সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।
 ভোকেশনাল রিহ্যাবিলিটেশন (Vocational Rehabilitation): প্রতিবন্ধকতা বা অসুস্থতার পর কাউকে পুনরায় কাজে বা পেশাগত জীবনে ফিরতে সাহায্য করে।
 এডিকশন রিহ্যাবিলিটেশন (Addiction Rehabilitation): মাদক বা নেশা থেকে আসক্ত ব্যক্তিকে মুক্ত করে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনে।
 কার্ডিয়াক ও পালমোনারি রিহ্যাবিলিটেশন (Cardiac & Pulmonary Rehabilitation): হৃদরোগ ও ফুসফুসের দীর্ঘমেয়াদী সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের সুস্থ ও সক্রিয় রাখে।
 মাসকিউলো-স্কেলিটাল রিহ্যাবিলিটেশন: মাংশপেশী এবং হাড় ও জয়েন্টের দীর্ঘমেয়াদী সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের সুস্থ ও সক্রিয় রাখে।

কোনো বড় রোগ, আঘাত বা সার্জারির পর শরীরের হারানো কার্যক্ষমতা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরে আসার জন্য রিহ্যাবিলিটেশন বা পুন,বাসন দরকার হয়; যেমন স্ট্রোক, বড় আঘাত বা মস্তিষ্কে ক্ষতি এবং দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক দুর্বলতা

প্রধান শারীরিক ও স্বাস্থ্যগত কারণ
 স্ট্রোক বা প্যারালাইসিস: স্ট্রোকের পর রোগীর কথা বলা বা চলাচলের ক্ষমতা ফিরে পেতে যত দ্রুত সম্ভব (সাধারণত প্রথম ৪০ দিনের মধ্যে) রিহ্যাব শুরু করা দরকার।
 দুর্ঘটনা ও আঘাত: হাত-পা ভেঙে গেলে, মাথায় বা মেরুদণ্ডে গুরুতর আঘাত পেলে এবং স্পাইনাল কর্ডের ইনজুরি হলে।
 বড় সার্জারি: জয়েন্ট রিপ্লেসমেন্ট (যেমন হাঁটু বা হিপ সার্জারি) বা হার্ট সার্জারি ও হার্ট অ্যাটাকের পরে।
 দীর্ঘস্থায়ী রোগ: স্নায়ুর রোগ (যেমন পারকিনসন্স), তীব্র কোমর বা ঘাড়ের ব্যথা এবং জয়েন্টের বাত বা আর্থ্রাইটিস থাকলে
মানসিক ও অন্যান্য সমস্যা
 মাদকাসক্তি: কোনো ব্যক্তি মাদক বা নেশায় আসক্ত হয়ে পড়লে তাকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে রিহ্যাব সেন্টারের সাহায্য নেওয়া হয়।
 জন্মগত বা বিকাশগত সমস্যা: জন্মগত ত্রুটি বা শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশজনিত প্রতিবন্ধকতা দূর করতে।

প্রফেসর ডাঃ মোঃ আবু সালেহ আলমগীর
বি পি টি (মেডিসিন ফ্যাকাল্টি – ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়)
এম ডি (ফিজিওথেরাপি মেডিসিন – ইন্ডিয়া)
এম পি এইচ ( পাবলিক হেল্থ এন্ড নিউট্রিশন – এ আই ইউ বি)
এম ডি এম আর ( ডিজএ্যাবিলিটি এন্ড রিহ্যাবিলিটেশন – ইউ এন আই সি)
পি এইচ ডি (ব্যাক পেইন এন্ড স্পাইন কেয়ার – আমেরিকা)

কনসালটেন্ট ও বিভাগীয় প্রধান
ফিজিওথেরাপি এন্ড রি-হ্যাবিলিটেশন বিভাগ
এ ওয়ান হাসপাতাল লিমিটেড, মালিবাগ মোড়, ঢাকা
তথ্য ও পরামর্শ এবং রোগীর সিরিয়ালঃ ০১৬৪১৫৭৬৭৮৭, ০১৭৩৮৩৯৪৩০৯

দৈনন্দিন কাজে কোন কোন অবস্থায় আমাদের মেরুদন্ডে কতটুকু প্রেশার বা চাপ পড়ে আসুন জেনে নেইমানব মেরুদণ্ড মানবদেহের খুবই গুরুত...
03/08/2026

দৈনন্দিন কাজে কোন কোন অবস্থায় আমাদের মেরুদন্ডে কতটুকু প্রেশার বা চাপ পড়ে আসুন জেনে নেই

মানব মেরুদণ্ড মানবদেহের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। পুরো শরীরের নিয়ন্ত্রণ এই মেরুদণ্ডের সুস্থতার উপরে নির্ভর করে। মেরুদণ্ড আমাদের পুরো শরীরের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ করে। মেরুদণ্ডের কোন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলে আমাদের পুরো শরীরের স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যথাগ্রস্থ হয় এবং স্বাভাবিক নড়াচড়া এবং চলাফেরা কষ্টদায়ক হয়। মেরুদণ্ড সমস্যাগ্রস্ত হলে যে বিষয়টি প্রথমেই পরিলক্ষিত হয় সেটি হচ্ছে ব্যাকপেইন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে অনির্দিষ্ট ব্যাকপেইন শিল্পোন্নত দেশগুলোতে প্রায় ৭০ থেকে ৭৫ ভাগ লোকের হয়ে থাকে। এই ব্যাকপেইনের অন্যতম প্রধান কারণ মেরুদণ্ডের সমস্যা। আবার এই মেরুদণ্ডের মধ্যে দিয়েই আমাদের শরীরকে নিয়ন্ত্রণকারী স্নায়ু সারা শরীরে ছড়িয়ে থাকে। মেরুদণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত হলে এই স্নায়ুর উপরেও চাপ পড়ে যার কারণে আমাদের দেহে ব্যথাসহ অন্যান্য অনেক সমস্যা হতে পারে। তাই মেরুদণ্ডের যত্ন নেয়া এবং যে সকল কাজ করলে মেরুদণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয় সেগুলো থেকে বেঁচে থাকা আমাদের জন্য অত্যন্ত দরকারি।

যেসব কারণে মেরুদণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে-

# আঘাতজনিত কারণে মেরুদণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে
# মেরুদণ্ডে কোনো টিউমার হলে বা অন্য জায়গার কোনো টিউমার মেরুদণ্ডে আসলে মেরুদণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
# ডিজেনারেটিভ ডিস্ক ডিজিজ হলে মেরুদণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
# জন্মগত অথবা অন্য কোনো কারণে মেরুদণ্ড অস্বাভাবিক বাঁকা হয়ে গেলে।
# মেরুদণ্ডের কশেরুকা হাড় একটির ওপর আরেকটি উঠে গেলে মেরুদণ্ড মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
# রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিস বা অন্য কোন কারণে মেরুদণ্ডের স্বাভাবিক বাঁক নষ্ট হয়ে যেতে পারে যেটাকে বলা হয়
স্পনডাইলোসিস।
# যারা দীর্ঘদিন যাবৎ অতিরিক্ত ভার বহনের কাজ করেন তাদের ক্ষেত্রে মেরুদণ্ড ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।
# যারা দীর্ঘদিন যাবত ধূমপান করেন তাদের ক্ষেত্রে মেরুদণ্ডের ডিস্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যা পরবর্তীতে তার স্বাভাবিক জায়গা
থেকে বের হয়ে এসে আমাদের শরীর নিয়ন্ত্রণকারি স্নায়ু কে চাপ দিয়ে মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে।
# যারা অস্টিওপোরোসিস এর সমস্যায় ভুগে থাকেন তাদের ক্ষেত্রে মেরুদন্ড যেকোনো সময় সূক্ষ্ম ভাঙ্গার সম্ভাবনা
থাকে।

দৈনন্দিন জীবনযাপনের তাগিদে এবং জীবিকার সন্ধানে মানুষ প্রতিনিয়ত মুভমেন্ট করে যাচ্ছে। ফলে তাকে বিভিন্ন পজিশন মেইনটেন করতে হয়। এগুলো সম্পর্কে আমরা সচেতন নই। ফলে এগুলো আমাদের মেরুদন্ডে বিভিন্নভাবে বিভিন্ন মাত্রার চাপ বা প্রেশার তৈরি করে। ফলে আমরা ব্যাক পেইনে আক্রান্ত হই। আসুন, এ সম্পর্কে জেনে নিই-

* যখন আমরা চিত হয়ে শুয়ে থাকি, তখন আমাদের মেরুদন্ডে সবচেয়ে কম প্রেশার পড়ে। এর পরিমাণ ২৫ কেজি।

* যখন আমরা কাত হয়ে শুই, তখন আমাদের মেরুদন্ডে প্রেশারের পরিমাণ ৭৫ কেজি।

* যখন আমরা সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকি, তখন আমাদের মেরুদন্ডে চাপ পড়ে ১০০ কেজি।

* যখন আমরা সোজা হয়ে দাঁড়াই এবং সামনের দিকে ঝুঁকি, তখন আমাদের মেরুদন্ডে প্রেশারের পরিমাণ ১৫০ কেজি।

* যখন কোনো বস্তু সামনের দিকে ঝুঁকে দাঁড়ানো অবস্থায় তোলার চেষ্টা করি, তখন মেরুদন্ডে প্রেশারের পরিমাণ ২২০ কেজি।

* যখন আমরা চেয়ারে সোজা হয়ে বসে থাকি, তখন আমাদের মেরুদন্ডে প্রেশারের পরিমাণ ১৪০ কেজি।

* যখন আমরা চেয়ারে বসে থাকা অবস্থায় সামনের দিকে ঝুঁকি, তখন আমাদের মেরুদন্ডে ১৮৫ কেজি প্রেশার পড়ে।

* আমাদের মেরুদন্ডে সবচেয়ে বেশি প্রেশার পড়ে, যখন আমরা চেয়ারে বসে থাকা অবস্থায় ২০ ডিগ্রি সামনে ঝুঁকে ২০ কেজি ওজনের কোনো বস্তু হাত দিয়ে টেনে তুলি, তখন মেরুদন্ডে প্রেশারের পরিমাণ ২৭৫ কেজি।
আসুন আমরা দৈনন্দিন কাজকর্মে ব্যাক পেইনমুক্ত জীবনযাপনের জন্য দাঁড়ানো, বসা, শোয়া এবং কোনো বস্তু বহন করার ক্ষেত্রে সাবধান হই এবং সতর্কতা অবলম্বন করি। সঠিকভাবে ওজন তুলি এবং তা বহন করি। তবেই পরিপূর্ণ সুস্থ থাকা সম্ভব।

প্রফেসর ডাঃ মোঃ আবু সালেহ আলমগীর
বি পি টি (মেডিসিন ফ্যাকাল্টি – ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়)
এম ডি (ফিজিওথেরাপি মেডিসিন – ইন্ডিয়া)
এম পি এইচ ( পাবলিক হেল্থ এন্ড নিউট্রিশন – এ আই ইউ বি)
এম ডি এম আর ( ডিজএ্যাবিলিটি এন্ড রিহ্যাবিলিটেশন – ইউ এন আই সি)
পি এইচ ডি (ব্যাক পেইন এন্ড স্পাইন কেয়ার – আমেরিকা)

কনসালটেন্ট ও বিভাগীয় প্রধান
ফিজিওথেরাপি এন্ড রি-হ্যাবিলিটেশন ডিপার্টমেন্ট
ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল, রাজারবাগ মোড়, মতিঝিল, ঢাকা
এ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্যঃ ০১৬৪১৫৭৬৭৮৭, ০১৭৩৮৩৯৪৩০৯

Address

260/6 Dhaka Biggan College Building, 3rd Bhaban, 4th Floor, Malibagh More
Dhaka
1217

Opening Hours

Monday 16:00 - 22:00
Tuesday 16:00 - 22:00
Wednesday 16:00 - 22:00
Thursday 16:00 - 22:00
Friday 19:00 - 22:00
Saturday 16:00 - 22:00
Sunday 16:00 - 22:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Prof Dr Md Abu Saleh Alamgir Disability & Rehabilitation Specialist posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share