Bangladesh central diagnostic & consultation centre

Bangladesh central diagnostic & consultation centre Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Bangladesh central diagnostic & consultation centre, Hospital, hemaitpur, Dhaka.

পিরি’য়ড চলাকালীন সময়ে নিচের চারটি কাজ অবশ্যই ব’র্জন করুন ? ( লজ্জা নয়, বাঁচতে হলে জানতে হবে )১। পি’রিয়ড চলা’কালীন সময়ে ...
20/11/2021

পিরি’য়ড চলাকালীন সময়ে নিচের চারটি কাজ অবশ্যই ব’র্জন করুন ? ( লজ্জা নয়, বাঁচতে হলে জানতে হবে )

১। পি’রিয়ড চলা’কালীন সময়ে ঠান্ডাপানি, কোমল পানীয় এবং নারিকেল খাবেন না।

২। এইসময় মাথায় শ্যাম্পু ব্যাবহার করবেন না। কারণ পি’রিয়ডের সময় চুলের গোড়া আলগা হয় ফলে লোমকূপ উন্মুক্ত হয়ে পড়ে।
শ্যাম্পু ব্যবহার এসময় অত্যন্ত ঝুঁ’কিপূর্ণ এবং দীর্ঘস্থায়ী মাথাব্যথার কারণ হতে পারে।

৩। এইসময় শশা খাবেন না। কারণ শশার মধ্যে থাকারস পি’রিয়ডের রক্ত’কে জ’রায়ু প্রাচীরে আটকে দিতে পারে। যার ফলে আপনার বন্ধ্যা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

৪। এছাড়াও লক্ষ্য রাখবেন, পি’রিয়ডের সময় যেন শরীরে শক্ত কিছুর আঘাত না লাগে, বিশেষত পেটে। পিরিয়ডের সময়টায় জ’রায়ু খুব নাজুক থাকে ফলে অল্প আঘা’তেই মা/মারাত্মক ক্ষ’তিগ্রস্থ হতে পারে। যার ফলে পরবর্তীতে জরায়ু ক্যান্সার, জ’রায়ুতে ঘাঁ কিংবা বন্ধ্যাত্যের ঝুঁকি থাকে।

গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে ঠান্ডা জল পান করার ফলে পিরিয়ডের রক্ত বের না হয়ে জরায়ু প্রাচীরে জ’মাট বাঁধতে পারে। যা পরবর্তী ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যে জ’রায়ু টিউ’মার বা ক্যা’ন্সারের আকার ধারণ করতে পারে। তাই কুসুম কুসুম গরম পানি খাবেন।

দয়াকরে এই তথ্যটুকু আপনার স্ত্রী, , বোন, কন্যা সকলের কাছে পৌঁছে দিন যেকোন কিংবা কারো মাধ্যমে। আপনার মাধ্যমে যদি একজন নারীও উপকৃত হয় সেটাও পরম পাওয়া।

সচেতনতাঃ Blood Fighter For Humanity ❣️

আক্রান্তের সর্বোচ্চ রেকর্ড...😭
29/05/2020

আক্রান্তের সর্বোচ্চ রেকর্ড...😭

আসুন এখনই সচেতন হই।
29/05/2020

আসুন এখনই সচেতন হই।

খুবই জরুরী কিছু তথ্য..
27/05/2020

খুবই জরুরী কিছু তথ্য..

মোবাইলে ডাক্তার!
17/05/2020

মোবাইলে ডাক্তার!

শরীরটা রাখতে তাজা, চনমনে,খাদ্যতালিকায় যুক্ত করুন সেসব খাবার, যা সমৃদ্ধ পুষ্টিগুণে।
17/05/2020

শরীরটা রাখতে তাজা, চনমনে,
খাদ্যতালিকায় যুক্ত করুন
সেসব খাবার, যা সমৃদ্ধ পুষ্টিগুণে।

মাথাব্যথার কারণ ও মুক্তির উপায়মাথাব্যথার কারণ ও মুক্তির উপায়মাথাব্যথার ধরন বুঝে নির্ণয় করা সম্ভব কেন ও কী কারণে এ সমস্যা...
15/05/2020

মাথাব্যথার কারণ ও মুক্তির উপায়

মাথাব্যথার কারণ ও মুক্তির উপায়
মাথাব্যথার ধরন বুঝে নির্ণয় করা সম্ভব কেন ও কী কারণে এ সমস্যা হচ্ছে। খুব পরিচিত দুটি কারণ হলো মাইগ্রেন আর টেনশন। এর মধ্যে ৭০ শতাংশই টেনশন টাইপ হেডেক। ১১ শতাংশের জন্য দায়ী মাইগ্রেন। ধূমপান, মদ্যপান, মাদকাসক্তি, অনিয়মিত ও অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ সেবন, রোদ বা অতিরিক্ত গরম আবহাওয়া, অতিরিক্ত শারীরিক-মানসিক পরিশ্রম, ক্ষুধার্ত থাকা, মানসিক চাপ ইত্যাদি মাথাব্যথার কারণ। কাজেই এ সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে সবার আগে এসব অভ্যাসে পরিবর্তন আনতে হবে।

মাইগ্রেন

নারীরাই মাইগ্রেনে বেশি ভোগেন। সাধারণত ১৫ থেকে ১৬ বছর বয়স থেকে মাইগ্রেনের লক্ষণ দেখা দেয়। স্থায়ী হয় ৪০ থেকে ৫০ বছর বয়স পর্যন্ত। মাইগ্রেনে মাথাব্যথার লক্ষণগুলো হলো:

• মাথার যেকোনো একপাশে ব্যথা হয়। একবার একপাশে ব্যথা হলে পরের বার অন্য পাশেও ব্যথা হতে পারে।

• চার ঘণ্টা থেকে ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত ব্যথা স্থায়ী হতে পারে।

• মাথার দুই পাশের রক্তনালি বা রগ টনটন করছে বলে মনে হওয়া।

• ব্যথার তীব্রতায় কোনো কাজই ঠিকভাবে করা যায় না।

• আলো বা শব্দে ব্যথার তীব্রতা বেড়ে যায়।

• ব্যথার সঙ্গে বমিভাব বা বমি হতে পারে।

• ব্যথা শুরুর আগে চোখের সামনে আলোর নাচানাচি, আঁকাবাঁকা লাইন ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

• অন্ধকারে শুয়ে থাকলে ব্যথার তীব্রতা কমে।

টেনশন টাইপ হেডেক

মাথার মাংসপেশির সংকোচনের কারণে এ মাথাব্যথা হয়। এ ধরনের ব্যথার উপসর্গগুলো হলো:

• মাথাজুড়ে ব্যথা হয়।

• মাথা চেপে ধরে আছে—এমন অনুভূতি হওয়া।

• মাইগ্রেনের মতো ততটা তীব্র ব্যথা হয় না।

• এ ধরনের মাথাব্যথা কয়েক ঘণ্টা থেকে কয়েক দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

• দুশ্চিন্তা, পারিবারিক বা পেশাগত কিংবা মানসিক চাপের সঙ্গে এই ব্যথার সম্পর্ক আছে।

কী করবেন

মাথাব্যথা থেকে তাৎক্ষণিক পরিত্রাণ পেতে বিভিন্ন ব্যথানাশক ওষুধ, যেমন প্যারাসিটামল ইত্যাদি সেবন করা যেতে পারে। ব্যথানাশক ওষুধের সঙ্গে অবশ্যই পেপটিক আলসাররোধী ওষুধ খেতে হবে। অতিরিক্ত ব্যথানাশক ওষুধ সেবনেও মাথাব্যথা হতে পারে। এ সমস্যাকে বলে মেডিসিন ওভার ইউজ হেডেক। তাই খুব প্রয়োজন না হলে ঘন ঘন ব্যথানাশক ওষুধ না খাওয়াই ভালো। চিকিৎসকের পরামর্শে দীর্ঘমেয়াদি কিছু ওষুধ সেবনে এ সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব।

আগামীকাল পড়ুন: দীর্ঘযাত্রায় সুস্থ থাকতে হলে

অধ্যাপক, ক্লিনিক্যাল নিউরোলজি, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস ও হাসপাতাল

আপনার করোনা পজিটিভ?নিয়ম গুলো জেনে নিন,সুস্থ হবেন দুই দিনের মধ্যে--সর্দি জ্বর, গলা ব্যথা, বা কাশি হউক নিয়ে নিন ঘরোয়া পদ্ধ...
13/05/2020

আপনার করোনা পজিটিভ?নিয়ম গুলো জেনে নিন,সুস্থ হবেন দুই দিনের মধ্যে--

সর্দি জ্বর, গলা ব্যথা, বা কাশি হউক নিয়ে নিন ঘরোয়া পদ্ধতিতে চিকিৎসাঃ
১) আদা, তেজপাতা, এলাচি, লং, দাড়চিনি একটি পরিস্কার পাত্রে পানিতে ১৫ মিনিট ফুটাতে থাকুন। সাথে আস্তা লেবু ২টা।
২) ফুটানো চলাকালে নিরাপদ দূরত্বে থেকে কমপক্ষে ৫ মিনিট গরম বাষ্পনাক দিয়ে লম্বা টেনে মুখ দিয়ে বের করতে হবে। দৈনিক এভাবে ৪ থেকে ৫ বার গ্রহন করুন।
৩) তারপর এই ফুটন্ত আদা, লেবু, তেজপাতা ইত্যাদির মিক্স গরম পানি চায়ের মতো করে ১ ঘন্টা পরপর পান করতে থাকুন।
৪) সাথে খেতে পারেন নাপা এক্সটেন্ড জাতীয় ঔষধ।
৫) ফুসফুসকে ভাল রাখার জন্য বাসায় বা বাসার বারান্দায় বসে মুক্ত বাতাসে শ্বাস প্রশ্বাসের ব্যয়াম করুন কমপক্ষে দৈনিক দুবার। নাক দিয়ে লম্বা নিশ্বাস গ্রহন করুন যতোবেশী নিতে পারেন নিন তারপর যতোক্ষণ আটকিয়ে রাখতে পারেন রাখুন। তারপর আস্তে আস্তে মুখ দিয়ে দম ছাড়ুন। এভাবে ১০ বার করুন।
৬) প্লেটে আদা কেটে সামান্য লবন দিয়ে রাখুন। মুখে দিন একটু পরপর।
৭) আধা ঘন্টা পর পর গরম চা, গরম দুধ, কফি, গ্রিন টি পান করুন। গলা কোনভাবেই শুষ্ক রাখা যাবেনা।
আপনি বাঁচবেন কি বাঁচবেননা, আপনার ‘কী রোগ হলো’ ভুলেও এসব ভাবনা মাথায় প্রশ্রয় দিবেন না। মনে রাখবেন, আসল কথা হচ্ছে মনোবল। বনের বাঘে খায়না মনের বাঘে খায়। মনোবল হারালে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, তাই আপনার যা ভালো লাগে তাই করবেন মনোবল চাংগা রাখার জন্যে।
উপরোক্ত পদ্ধতিতে আপনি ২ দিন চিকিৎসা নিলে এটা পরীক্ষিত সত্য যে তৃতীয় দিনের দিন আপনার করোনাভাইরাস নেগেটিভ হতে বাধ্য। ইনশাআল্লাহ। আপনি সুস্থ হয়ে অবশ্যই এটি শেয়ার করে অন্যকে সুস্থ হতে সহযোগিতা করুন। আল্লাহ আপনার আমার সবার সহায় হোন। আমিন।

আপনার পছন্দের প্রেসক্রিপসন টি নিয়ে নিন। ডক্টরদের উপর চাপ কমবে।আল্লাহ তায়ালা আমাদের সহায় হোন।
10/05/2020

আপনার পছন্দের প্রেসক্রিপসন টি নিয়ে নিন। ডক্টরদের উপর চাপ কমবে।

আল্লাহ তায়ালা আমাদের সহায় হোন।

করোনা ভাইরাসের লক্ষনঃ-----         করোনা ভাইরাস এ আক্রান্ত রোগীরা নিজেরাই         অনুভব করতে পারেন:-------০১।  নাক দিয়ে...
07/05/2020

করোনা ভাইরাসের লক্ষনঃ-----
করোনা ভাইরাস এ আক্রান্ত রোগীরা নিজেরাই
অনুভব করতে পারেন:-------
০১। নাক দিয়ে জল পরা ।
০২। হাচি এবং কাশি ।
০৩। গলা ব্যাথা ।
০৪। শুকনা কাশি ।
০৫। শ্বাসকষ্ট ।
০৬। জ্বর(১০০ ডিগ্রি বা বেশি) ।
০৭। শ্বাস কষ্ট (গুরুতর ক্ষেত্রে) ।
০৮। পাতলা পায়খানা ( severity বেশি হলে) ।

তাই উপরোক্ত লক্ষন যদি থাকে আপনার
প্রথম কাজ ঘরেই থাকুন ।
জ্বর, ঠান্ডা, কাশি হলে ডাক্তারের কাছে আগেই আসার দরকার নেই । নিম্নোক্ত প্রেসক্রিপশনে সাতদিন ঔষধ খেতে থাকুন ।

Tab. Napa rapid 500mg/Renova XR/ 665mg ( ভরা পেটে) ।
১+১+১-------------------- ৭দিন ।

Tab. Deslor / Tab. Fixal (120/180)
১+0+১-----------৭ দিন ।

Tab. Monas/Trilock/Lumona10mg
০+০+১----------৭দিন ।

Syp.Boxol/ Dexpofen/Tuska plus
২ চামচ করে ৩ বেলা----------- ৭দিন
(কাশি বের হলে) ।

Tab.Finix 20mg
১+০+১------------- ৭ দিন
( খাবার আগে) ।

যদি শ্বাসকস্ট হয় :------
Inhaler Bexitrol F
১ কাফ ১২ ঘন্টা পর পর ।
হাপানি রোগীরা বাড়িতে আগে থেকে অবশ্যই
নেবুলাইজার মেশিন রাখবেন এবং windal plus দিয়ে নেবুলাইজ করবেন ।
#অন্যান্যঃ----
প্রচুর পরিমান পানি খাবেন ।
গরম পানি খাবেন, গরম পানির কুলকুচি করবেন ।
৭ দিন ঘরে অবস্থান করবেন ।
মাস্ক পরিধান করবেন ।
হাত হ্যান্ড স্যানিটাইজার অথবা হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে
পরিস্কার করুন ।
হাচি কাশির সময় টিস্যু ব্যবহার করুন ।

#দোয়াপড়ুন:---- বেশি বেশি (মুসলিমদের জন্য)ঃ
০১। আল্লাহুমা ইন্নি আউযুবিকা মিনাল বারাসি,ওয়াল জুনুনি,ওয়াল জুযামি, ওয়া মিন শাইয়্যিল আসক্বম ।
০২। সুরা ফাতিহা প্রতিদিন ০৭ বার ।
০৩। সুরা ইখলাস ০৩ বার, সুরা ফালাক ০৩ বার, এবং সুরা নাস ০৩ বার করে পড়ুন ।
০৭ দিন পরও সুস্থ না হলে করোনা ভাইরাস চিকিৎসার নির্দিষ্ট হাসপাতাল গুলোতে যোগাযোগ করুন এবং আইডিসিআর এ ফোন দিয়ে তাদের আপনার অবস্থা বিষয়ে অবহিত করুন ।

আর করোনার লক্ষন গুলো আপনাদের মাঝে থাকলে আইইডিসিআর( IEDCR) খবর দিন ।
যোগাযোগ ঃ 16263,
# 01550064901-05
# 01401184551,
# 01401184554-56,
# 01401184559-60
# 01401184559-60
# 01401184563,
# 01401184568
# 01927711784-85
# 01937000011
# 01937110011
In sha Allah will save us from this disaster...

এটি শেয়ার করে সকলকে অবহিত করুন,
আপনার একটি শেয়ার হয়তো কারো জীবন বাঁচিয়ে দিতে পারে ।

05/05/2020

কি???
শপিং মলে যাবেন???
তাহলে নীচের লেখাটুকু____ প্লিজ একটু মনোযোগ দিয়ে পড়িয়েন।

কোভিড ১৯ সংক্রমিত হয়ে মারাত্মক অবস্থা থেকে ফিরে আসা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেজর ডাঃ মাহবুব।
যিনি নিজেই সব সময় রোগীদের আই,সি,ইউ সেবা দিতেন। তার এক বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতা, তার নিজের বর্ণনায় শুনুনঃ

“শুরুটা ছিল হাল্কা কাশি আর রানিং নোজ নিয়ে। উপরন্ত কয়দিন ধরে কেমন যেন টায়ার্ড লাগছিল। মাংসপেশীতে এবং হাড্ডিতে ব্যথা হচ্ছিল। দেরি না করে প্যারাসিটামল আর অ্যান্টিহিস্টামিন খাওয়া শুরু করলাম। সম্প্রতি সারাদিন রোগীদের নিয়ে অনেক ব্যস্ততায় থাকতে হত, তাই ভাবছিলাম, হয়তো এরই জন্য বেশি দুর্বল লাগছে। প্যারাসিটামল খাওয়ার পর মাংসপেশির ব্যথা কমে গেল, আর এন্টিহিস্টামিনের জন্য নাকের পানিও কিছুটা কমে গেল। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে যে, একটু হাটাহাটি করলেই খুব দুর্বল লাগছে। হালকা কাশিও আবার শুরু হল।

সেদিন অফিস থেকে ফেরার পর শরীরটা একটু গরম গরম লাগছিল। থার্মোমিটার দিয়ে মেপে দেখি জ্বর ১০২ ডিগ্রি। কি করবো কিছুই বুঝতে পারছিলাম না। এক সিনিয়র স্যারকে জানালাম। স্যার সাথে সাথে বললেন হসপিটালে চলে আসতে এবং টেস্ট করাতে। সেদিন রাতেই হাসপাতালে চলে আসি। পরের দিন স্যাম্পল দেই টেস্ট করতে। সবাই আশ্বস্ত করছিল যে এটা নরমাল ভাইরাল ফিভার হবে এবং রিপোর্ট নেগেটিভ আসবে। কিন্তু সন্ধ্যায় জানতে পারলাম, রিপোর্ট পজিটিভ। এটা শোনার পর বেশ কিছুক্ষণ মাথার বোধশক্তি হারিয়ে ফেলেছিলাম। মাথা কাজ করছিল না। কি করবো কিছু বুঝতে পারতেছিলাম না। পুরো বাকরুদ্ধ অবস্থা। নিজেকে আল্লাহর কাছে সমর্পণ করলাম।

গল্পটা বলার উদ্দেশ্য হলো সবাইকে এই ভাইরাসের আক্রমন এবং এর কষ্টদায়ক অবস্থা সম্পর্কে সাবধান করা এবং করোনার লক্ষণ ও ট্রিটমেন্ট সম্পর্কে সবাইকে জানানো। এটা পড়ে যেন বাকিরা ট্রিটমেন্ট সম্পর্কে একটা গাইডলাইন পান।

প্রথমেই বলে রাখা ভাল যে, এই রোগে ৮০% সংক্রমিতরাই থাকে Asymptomatic, মানে ৮০% রোগির কোন Symptoms ই থাকে না। তারা বুঝতে পারে না যে, তারা করোনা রোগে আক্রান্ত হয়েছে। অথবা হাল্কা কাশি আর জ্বর দিয়েই এরা সেরে যায়। এই রোগীরা হচ্ছে খুব ভয়াবহ, কারণ এরা কখন কাকে infected করে দেয় বোঝা মুশকিল। বাকি ২০% রোগীর হয় complication, এদের multiorgan failure হবার চান্স বেশি। এর মধ্যে ৫% এর ICU support লাগে।

এখন Symptomatic ট্রিটমেন্ট সম্পর্কে বলি:
1. Tab Paracetamol 500mg for Fever
2. Tab. Fexo 120mg 1+0+1 as a antihistamine
3. Tab. Montair 10mg 0+0+1
4. ORS and water as much as can drink to maintain hematocrit level normal
5. Tab. Vitamin C 1+1+1 to increase immunity
6. Tab. Zinc 1+0+1 to increase immunity

রিপোর্ট পজিটিভ আসার পর আরও কিছু ট্রিটমেন্ট শুরু করা হলো। এগুলো symptomatic ট্রিটমেন্ট এর বাইরে:
1. Tab. Reconil 200mg 2+0+2 on first day and then 1+1+1 on subsequent day for 10 days
2. Tab Faviparvir 8+0+8 on first day then 3+3+3 on subsequent days.
3. Cap Doxicap 100mg 1+0+1 for preventing atypical Pneumonia

পরের দিন HRCT করা হলো চেস্টের। সেখানে ARDS with ground glass appearance with নিউমোনিয়া আবিস্কার হোল। এরপর যুক্ত হল আরো নতুন কিছু ওষুধ
1. Inj Meropenam 1 gm IV TDS
2. Inj Moxaquine 400mg OD

জ্বর তাতেও কমেনি। এখনো 102 থেকে 104 পর্যন্ত জ্বর থাকছে। প্যারাসিটামল সাপোজিটরি, ইঞ্জেকশন, ট্যাবলেট কোন কিছুতেই জ্বর কমছে না। প্যারাসিটামল দিনে চারবার করে নিয়েও জ্বর কমে না। একটানা ৭ দিন জ্বর ছিল। এর মধ্যে একবারও জ্বর বেজলাইনে নামেনি। তাই একান্ত বাধ্য না হলে প্যারাসিটামল যত কম খাওয়া যায়, ততই ভালো। না হলে লিভার ড্যামেজ হবে, লিভার এনজাইম গুলো বেড়ে যাবে।

এরপর আসা যাক অন্য ইনভেস্টিগেশন এর কথা। Liver function test সহ বাকি test গুলো abnormal হওয়া শুরু করল।
* ALT বাড়তে শুরু করল।
* LDH বাড়তে শুরু করল।
* Serum Ferritine বাড়তে বাড়তে 9000 এর উপরে চলে গেল।
* Hematocrit 49%
* D-dimer : Negetive
* WBC count : 18000
* Neutrophil: 90%
* Hb%: 19
* S.creatinine 0.9
* CRP : Negetive
* S. Procalcitonin : Normal

উপায়ন্তর না দেখে এরপর নতুন নতুন ওষুধ যোগ হতে থাকলো:
* Inj Hepacline
* Tab Ursocal 300mg 1+1+1
* Tab Mucomist DT 600mg 1+1+1
* Inj Clexane 40 mg
* Ferritine load কমানোর জন্যে Inj Desferioxime add করা হলো।
* Lung এ ARDS এর জন্যে Tab Methylprednisolone 40mg 1+0+1 add করা হলো।

পরের দিন শরীরের দুর্বলতা আরো বেড়ে গেল। একটু নড়াচড়া করতেই breathlessness শুরু হলো। আমি বুঝতে পারছিলাম না এটা কি শ্বাসকষ্ট নাকি breathlessness? লক্ষণ দেখে মনে হইতেছিল না যে এটা এজমা জাতীয় শ্বাসকষ্ট। Pulseoxymeter এনে অক্সিজেন Saturation দেখার চেষ্টা করলাম। দেখি Oxygen saturation 83-84% show করছে। প্রথমে ভাবলাম মেশিন নষ্ট তাই আরেকটা মেশিন নিয়ে আসলাম, কিন্তু তাতেও দেখি একই রিডিং দিচ্ছে।

পালমোনোলজিস্টকে জানালাম। ঊনি সাথে সাথে অক্সিজেন শুরু করলেন। অক্সিজেন দেয়ার পর দেখি কিছুটা আরাম লাগছে। পরে বোঝা গেল যে, আমি হাইপোক্সিয়াতে চলে যাচ্ছিলাম। অক্সিজেন সেচুরেশন ফল করছিল। High flow(4-6lt) অক্সিজেন দেয়ার পর অক্সিজেন saturation আস্তে আস্তে বাড়তে শুরু করলো। অগত্যা এইসময় আমাকে ICUতে শিফট করা হলো।

এদিকে হঠাৎ করে lung-এর crepitation বেড়ে গেল। থেকে থেকে Lung-এর alveoli collapse করতে শুরু করেছে। High flow oxygen দিয়েও saturation 90-92% রয়ে যাচ্ছে। বুক ফুলিয়ে শ্বাস নিতেও কষ্ট হচ্ছিলো। মনে হচ্ছিলো যে বুকটা চেপে আসছে। মনে এক অজানা ভয় কাজ করতে শুরু করে দিল। বুঝতে পারলাম এরপরে ভেন্টিলেটর ছাড়া উপায় নাই। সে এক ভয়ঙ্কর অনুভূতি। শুরু হলো Prone Ventilation. এটা ভালই response করল। এতে Oxygen saturation improve করা শুরু করল।

প্রতিদিন ২ ঘন্টা পর পর posture চেঞ্জ করতে থাকলাম। নেগেটিভ fluid ব্যালেন্স করার জন্য IV infusion বন্ধ করে দেয়া হল। সাথে পানি খাওয়া কিছুটা কমিয়ে দিলাম। Hematocrit ঠিক রাখার জন্যে যতোটুকু দরকার ততটুকুই fluid খাচ্ছিলাম। oxygen support সবসময়ই লাগতো।

Oxygen দিয়ে রাখতাম অন্যথায় Hypoxia র জন্ন্যে Hb% বেড়ে যেত। যেটা raised ferritine আর raised Hb% মিলে multi organ damage করে দিতে পারত। ধারনা করা হয় যে COVID-19 এ raised ferritine er toxic oxygen support নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে চলছিল। অন্যথায় Hypoxia-র জন্যে Hb% বেড়ে যেত। যেটা raised ferritine আর raised Hb% মিলে multi organ damage করত। ধারনা করা হয় যে, COVID-19 এ raised ferritine -এর toxic iron level lung damage এর জন্যে দায়ি।

Rasied ferritine এর জন্যে Inj Desferoxime দেয়া হল যা এখানে chelating agent হিসেবে কাজ করবে। সাথে Inj Clexane 40mg দেয়া হল যেন Micro-embolism formation prevent হয়। ধারনা করা হয় যে COVID-19 এ sudden death হয় Micro-embolism formation অথবা stroke এর জন্য দায়ী ।

৩-৪ দিন পর থেকে Lung এর কিছুটা উন্নতি হওয়া শুরু করল। এরপর শুরু করা হলো Breathing exercise. এ Breath hold exerciseটা খুব ভালো। সেই সাথে Spirometer দিয়েও exercise শুরু করলাম। এর সাথে Prone ventilation, lateral ventilationও খুব ভালো কাজে দিল। এতদিন একদম বিছানা থেকে উঠতে পারতাম না। এখন একটু একটু করে হাটাহাটি শুরু করলাম। আস্তে আস্তে oxygen saturation বাড়তে শুরু করল। এর সাথে oxygen এর flow টাও কমিয়ে নিয়ে আসা হলো। এখন মোটমুটি ২ লিটার flow দিয়ে ৯৫-৯৬% saturation maintain করা হয়।

এতক্ষণ যা বল্লাম, গল্পের মতন মনে হলেও পথটা এতোটা সহজ ছিলনা। এক দিকে মানসিক দুঃচিন্তা এবং অন্যদিকে শারীরিক দুর্বলতা সব মিলিয়ে হতভম্বের মত ছিলাম। নিজে ICU Doctor হয়েও patient হয়ে আইসিইউ বেডে শুয়ে নিরব দর্শকের ভূমিকা ছাড়া কিছুই করার ছিলনা আমার। আল্লাহর অশেষ মেহেরবানি যে আল্লাহ আমাকে রোগ থেকে শেফা দিয়েছেন। সেই সাথে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে হয় আমার Treating Physicianদের প্রতি বিশেষ করে Consultant Physician General Major General Aziz, Chief Physician Brig Asif, Pulmonologist Brig Aziz, Lt. Col Faiz Emon এবং Intensivist Col Masudul Alam Mazumder, Lt. Col Amin, Lt Col Sadat Bin Siraj, Major Ariful Haque Shaon সবার- যাদের সময়োপযোগী Treatment, decision, close monitoring এবং যথাসময়ে সকল প্রকার Drug available করা আমার জন্যে। এ ছাড়া হয়তো আমার অবস্থার উন্নতি সম্ভব ছিলনা। কর্তব্যরত সকল মেডিকেল এসিস্ট্যান্টরাও আপ্রাণ চেস্টা করেছে আমার জন্যে। CMH-এর Commandant , Deputy Commandant এবং MOIC Corona Ward সবসময় আমার খোঁজখবর রেখেছেন এবং আমার ব্যাকুল এবং হতাশায় ভেঙ্গে পড়া পরিবারের পাশে এসে দাড়িয়েছেন।

তবে সব চিকিৎসার মূলে হলো মনোবল শক্ত রাখা এবং আল্লাহর উপর অগাধ আস্থা রাখা। ICU তে থেকে মনোবল শক্ত রাখা আসলেই খুব দুরুহ ব্যাপার। তারপরও চেষ্টা করেছি মনোবল শক্ত রাখার। পরিবারের কথা চিন্তা করলেই মনটা ভেঙ্গে আসতো।”
===========

ইনি সিএমএইচের আইসিইউর ডাক্তার ছিলেন। সেনাবাহিনীর হাসপাতালের সর্বোচ্চ চিকিৎসা এবং সাপোর্ট নিয়ে আল্লাহর রহমতে সুস্থ হয়েছেন। কি আপনার এই অবস্থা হলে পারবেন এমন ব্যবস্থা, ট্রিটমেন্ট বা কেয়ার? যদি মনে করেন পাবেন, তবে করোনা বাধিয়ে ট্রাই করে দেখুন না! নাকি সতর্ক থাকবেন, সাবধানে থাকবেন, বাসায় থাকবেন?

কালেক্টেড

করোনাভাইরাস বা COVID 19 নিয়ে ভারতে দেবি শেঠি বলেছেন #প্রথম দিন শুধু ক্লান্তি আসবে। #তৃতীয় ও  #চতুর্থ দিন হালকা জ্বর অনুভ...
19/03/2020

করোনাভাইরাস বা COVID 19 নিয়ে ভারতে দেবি শেঠি বলেছেন

#প্রথম দিন শুধু ক্লান্তি আসবে।

#তৃতীয় ও #চতুর্থ দিন হালকা জ্বর অনুভব হবে, সঙ্গে কাশি ও গলায় সমস্যা।

#পঞ্চম দিন পর্যন্ত মাথাব্যথা। পেটের সমস্যাও হতে পারে।

#ষষ্ঠ বা #সপ্তম দিনে শরীরে ব্যথা বাড়বে এবং মাথা যন্ত্রণা কমতে থাকবে। তবে ডায়রিয়ার লক্ষণ দেখা দিতে পারে। পেটের সমস্যা থেকে যাবে। এবার খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

#অষ্টম ও #নবম দিনে সব লক্ষণই চলে যাবে। তবে সর্দির প্রভাব বাড়তে থাকে। এর অর্থ আপনার প্রতিরোধক্ষমতা বেড়েছে এবং আপনার করোনা-আশঙ্কার প্রয়োজন নেই।

করোনা-পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে দেবী শেঠি বলেন, এমন সময় আপনার করোনা পরীক্ষার প্রয়োজন নেই। কারণ আপনার শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। যদি অষ্টম বা নবম দিনে আপনার শরীর আরও খারাপ হয়, করোনা হেল্পলাইনে ফোন করে অবশ্যই পরীক্ষা করিয়ে নিন

Address

Hemaitpur
Dhaka

Telephone

01914472850

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh central diagnostic & consultation centre posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Bangladesh central diagnostic & consultation centre:

Shortcuts

Share

Category