Maternal Care By Dr.Ruhi

Maternal Care By Dr.Ruhi I am Bangladesh Based Physician , helping mother during pregnancy , child birth and postnatal period

 #জন্মগত জরায়ুর অসঙ্গতি :ভ্রূণাবস্থায় মুলেরিয়ান নালী (Mullerian ducts) ঠিকমতো মিলিত না হওয়ার কারণে সৃষ্ট জরায়ুর গঠন...
25/04/2026

#জন্মগত জরায়ুর অসঙ্গতি :

ভ্রূণাবস্থায় মুলেরিয়ান নালী (Mullerian ducts) ঠিকমতো মিলিত না হওয়ার কারণে সৃষ্ট জরায়ুর গঠনগত অস্বাভাবিকতা ।
এটি সাধারণত নারীদের বন্ধ্যাত্ব, বারবার গর্ভপাত, অকাল প্রসব বা ঋতুস্রাবের সমস্যার কারণ হতে পারে।
সাধারণ প্রকারের মধ্যে রয়েছে:
১/ দ্বিকর্ণ (Bicornuate)।
২/সেপ্টেট (Septate)।
৩/ডাবল জরায়ু (Didelphys)।

জন্মগত জরায়ুর অসঙ্গতির মূল বিষয়সমূহ:
মায়ের গর্ভে থাকা অবস্থায় মেয়ে শিশুর জরায়ু দুটি আলাদা অংশ হিসেবে গঠিত হয়, যা পরে মিশে একটি জরায়ু তৈরি করে। এই প্রক্রিয়ায় ত্রুটি হলে অসঙ্গতি দেখা দেয়।

প্রকারভেদ:
*সেপ্টেট জরায়ু (Septate): জরায়ুর মাঝখানে একটি দেয়াল বা পর্দা থাকে (সবচেয়ে সাধারণ)।
*বাইকর্নুট বা দ্বিকর্ণ জরায়ু (Bicornuate): জরায়ুর উপরিভাগ হৃদপিণ্ডের মতো আকৃতির (দুটি শিং বিশিষ্ট)।
*ডিডেলফিস জরায়ু (Uterus Didelphys): দুটি সম্পূর্ণ আলাদা জরায়ু এবং কখনো দুটি জরায়ুমুখ (Cervix) থাকে।
*ইউনিকর্নুয়েট জরায়ু (Unicornuate): জরায়ুর একটি মাত্র অংশ বা শিং গঠিত হয়।
*অ্যাজেনেসিস বা অ্যাপ্লাসিয়া: জরায়ু তৈরিই হয় না।

লক্ষণ:
অধিকাংশ ক্ষেত্রে কোনো লক্ষণ থাকে না। তবে কারো ক্ষেত্রে তীব্র মাসিক ব্যথা (dysmenorrhea), বন্ধ্যাত্ব, বা বারবার গর্ভপাত হতে পারে।

রোগ নির্ণয়:
আল্ট্রাসাউন্ড, ৩ডি আল্ট্রাসাউন্ড, MRI বা হিস্টেরোসালপিনোগোগ্রাফি (HSG) পরীক্ষার মাধ্যমে এটি নিশ্চিত হওয়া যায়।

চিকিৎসা: সবসময় চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। তবে গর্ভধারণে সমস্যা হলে হিস্টেরোস্কোপিক সার্জারির (Hysteroscopic surgery) মাধ্যমে পর্দা বা দেয়াল অপসারণ করা যেতে পারে।

I've just reached 500 followers! Thank you for continuing support. I could never have made it without each and every one...
25/04/2026

I've just reached 500 followers! Thank you for continuing support. I could never have made it without each and every one of you. 🙏🤗🎉

22/04/2026

#নারী স্ব্যাস্থ্য।

আমাদের পরিবার এবং সমাজে একজন নারীকে ছোটবেলা থেকেই শেখানো হয় যে, একজন 'আদর্শ নারী' বা 'ভালো মেয়ে' মানেই হলো সে সবার আগে অন্যদের প্রয়োজন মেটাবে, নিজের কষ্ট বা ক্লান্তি লুকিয়ে রেখে হাসিমুখে সবার আবদার রক্ষা করবে এবং কখনোই কাউকে 'না' বলবে না। মনোবিজ্ঞানের ভাষায় এই প্রবৃত্তিটিকে 'পিপল-প্লিজিং' (People-Pleasing) বা নিরন্তর অন্যদের খুশি করার চেষ্টা বলা হয়। কিন্তু ফাংশনাল এন্ডোক্রাইনোলজির দৃষ্টিতে, এই পিপল-প্লিজিং কোনো মহৎ গুণ নয়; এটি আক্ষরিক অর্থেই আপনার ওভারি এবং অ্যাড্রেনাল গ্ল্যান্ডের জন্য একটি ভয়াবহ মেটাবলিক অপরাধ।

আপনি যখন প্রচণ্ড ক্লান্ত বা অসুস্থ থাকার পরও কেবল অন্যদের খুশি করার জন্য অফিসের অতিরিক্ত কাজের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন, অথবা নিজের ঘুমের সময় নষ্ট করে পরিবারের সবার অযৌক্তিক আবদার মেটান, তখন আপনার শরীর এবং মস্তিষ্কের মধ্যে একটি চরম দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। আপনার শরীর চিৎকার করে বিশ্রাম চাইছে, কিন্তু আপনি জোর করে তাকে দিয়ে কাজ করাচ্ছেন। মস্তিষ্ক এই অবস্থাকে একটি 'অভ্যন্তরীণ চরম বিপদ' বা ইন্টারনাল থ্রেট (Internal threat) হিসেবে গ্রহণ করে। নিজেকে কাজ করার শক্তি দেওয়ার জন্য মস্তিষ্ক তখন বাধ্য হয়ে অ্যাড্রেনাল গ্ল্যান্ড থেকে বিপুল পরিমাণ কর্টিসল (Cortisol) এবং অ্যাড্রেনালিন হরমোন নিঃসরণ করতে শুরু করে।

আপনি অন্যদেরকে 'হ্যাঁ' বলতে গিয়ে মূলত নিজের শরীরের নিরাময় প্রক্রিয়াকে 'না' বলে দিচ্ছেন। এই অবদমিত ক্ষোভ, বিরক্তি এবং নিজের প্রতি করা অবিচার আপনার শরীরের ভেতরে একটি নীরব প্রদাহ বা ইনফ্ল্যামেশন তৈরি করে। বছরের পর বছর ধরে যখন আপনি এই পিপল-প্লিজিং চালিয়ে যান, তখন আপনার স্নায়ুতন্ত্র সারাক্ষণ 'সিমপ্যাথেটিক মোডে' বা যুদ্ধাবস্থায় আটকে থাকে। শরীর যখন যুদ্ধাবস্থায় থাকে, তখন সে ওভারির কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় এবং প্রজেস্টেরন হরমোন চুরি করে স্ট্রেস হরমোন তৈরি করে। তাই পিসিওএস থেকে চিরতরে মুক্তি পাওয়ার প্রথম মনস্তাত্ত্বিক ধাপই হলো—সবাইকে খুশি করার এই মেটাবলিক আত্মহত্যার পথ থেকে বেরিয়ে আসা।

#কালেক্টেড।

 #হামের প্রাদুর্ভাব।
20/04/2026

#হামের প্রাদুর্ভাব।

 # বন্ধ্যাত্ব বা ইনফার্টিলিটি (Infertility):প্রজননতন্ত্রের এমন একটি অবস্থা যেখানে কোনো দম্পতি কোনো ধরনের জন্মনিয়ন্ত্রণ প...
11/04/2026

# বন্ধ্যাত্ব বা ইনফার্টিলিটি (Infertility):

প্রজননতন্ত্রের এমন একটি অবস্থা যেখানে কোনো দম্পতি কোনো ধরনের জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার না করে দীর্ঘ এক বছর বা তার বেশি সময় ধরে নিয়মিত চেষ্টা করার পরেও গর্ভধারণে ব্যর্থ হন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) মতে, এটি নারী বা পুরুষ উভয়ের প্রজননতন্ত্রের সমস্যার কারণে হতে পারে।

বন্ধ্যাত্ব মূলত দুই প্রকারের হয়ে থাকে:

১/প্রাইমারি বন্ধ্যাত্ব: যখন কোনো নারী আগে কখনও গর্ভধারণ করতে পারেননি।

২/সেকেন্ডারি বন্ধ্যাত্ব: যখন অতীতে অন্তত একবার গর্ভধারণের রেকর্ড থাকা সত্ত্বেও পরবর্তীতে আর গর্ভধারণ সম্ভব হচ্ছে না।

বন্ধ্যাত্বের প্রধান কারণসমূহ:
বন্ধ্যাত্বের কারণ নারী, পুরুষ বা উভয়ের ক্ষেত্রেই থাকতে পারে:

#নারীদের ক্ষেত্রে:
ডিম্বস্ফোটন বা ওভুলেশন সমস্যা (সবচেয়ে সাধারণ কারণ)।
ফ্যালোপিয়ান টিউবে ব্লক বা সমস্যা।
জরায়ুর কোনো রোগ যেমন এন্ডোমেট্রিওসিস বা টিউমার।
হরমোনের ভারসাম্যহীনতা।
বয়স (সাধারণত ৩৫ বছরের পর গর্ভধারণের ক্ষমতা কমে যায়)।
#পুরুষদের ক্ষেত্রে:
শুক্রাণুর স্বল্পতা (Oligospermia) বা অনুপস্থিতি (Azoospermia)।
শুক্রাণুর গঠনগত বা চলন ক্ষমতা সংক্রান্ত ত্রুটি।
হরমোনের সমস্যা বা জিনগত ব্যাধি।
লাইফস্টাইল ফ্যাক্টর যেমন ধূমপান বা অতিরিক্ত মদ্যপান।

প্রতিকার ও চিকিৎসা:
বর্তমানে উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে বেশিরভাগ বন্ধ্যাত্বের সমস্যা সমাধান করা সম্ভব।

চিকিৎসার মধ্যে রয়েছে:
১/ওষুধ: হরমোন নিয়ন্ত্রণ বা ডিম্বাণু উৎপাদনে সহায়তাকারী ওষুধ।
২/সার্জারি: জরায়ু বা অণ্ডকোষের গঠনগত ত্রুটি দূর করতে।
৩/অ্যাসিস্টেড রিপ্রোডাক্টিভ টেকনোলজি (ART):
যেমন IVF (ইন-ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন) বা
IUI (ইন্ট্রা-ইউটেরাইন ইনসেমিনেশন)।

04/04/2026

Collected।

হাম বা মিজেলস ভ্যাকসিন নিয়ে প্রশ্নের উত্তর দেয়ার একটি চেষ্টা করলাম!

অনেক কঠিন সত্য ও বাস্তবতার মুখোমুখি হলাম!

টিকা না দেয়ার ফলে কমপ্লিকেশন নিয়ে শিশুদের ব্যাপকভাবে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া! আর বিশাল অংশ ভ্যাকসিন বিরোধীদের কথায় অনুপ্রেরিত হয়ে শিশুদের ভ্যাকসিন না দেয়া এবং বিগত বছরে ইন্টারিমের সময় ন্যাশনাল ক্যাম্পেইন বাদ দেয়ার ফলাফল এই আউটব্রেক!

শিশুরা মায়ের পেটে থেকে এবং পরবর্তীতে বুকের দুধের মাধ্যমে ইম্যুনিটি পেয়ে থাকেন। ফর্মূলা মিল্ক কতটা দেয়া হচ্ছে সঠিক পরিসংখ্যান বা ডেটা নেই!

এই মিজেলস আউটব্রেকের সাথে অন্যান্য ভাইরাল ডিসিস এর আউটব্রেক চলছে কি না সেটিই কনফার্ম না!

এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কমন প্রশ্ন ও উত্তরগুলো দিলাম এখানে -

১) কবে থেকে শুরু হবে ক্যাম্পেইন?

-আগামী ৫ এপ্রিল রোববার থেকে ।

২) ভ্যাকসিন কোন শিশুরা পাবে?

-আগে টিকা দেয়া, না দেয়া বা এক ডোজ দেয়া ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সের সব শিশু এই টিকার আওতায় আসবে।

৩) বাচ্চার বয়স ৫ মাস .. দিন টিকা পাবে?

-ছয় মাস পূর্ণ না হলে পাবে না। অপেক্ষা করুন। শিশুর যত্ম নিন পুষ্টিকর খাবার দিন।

৪) বাচ্চার বয়স ১৫ মাসের উর্ধ্বে (১৬-২৪.মাস থেকে ১০ বছর ) টিকা পাবে?

-এই প্রশ্ন করা হচ্ছে কারণ বাবা-মা কনফিউজড। দেখুন একটি টিকা দিলে ৯৫% এবং ২টি ডোজ দেয়ার পর ৯৭% ইম্যুনিটি ডেভেলপড হয়!
আমার মতামত টিকা দিন বুস্টার হিসাবে কাজে আসবে। ক্ষতির তো সম্ভবনা নেই ( immunocompromised হলে ভিন্ন কথা)।

৫) MR এর এক ডোজের পর MMR দিয়েছি এখন কি করবো? বয়স ১৫ মাসের উর্ধ্বে?

-টিকা দিন।

৬) দুই ডোজ ইপিআই দেয়ার যারা টিকা দেয়া লাগবে কেন?

-আপনি আসলে বাচ্চাকে টিকা দিতে চাচ্ছেন না। আপনার বাচ্চার Measles IgG titre করুন এবং সিদ্ধান্তে নিন।

৭) বাচ্চা ৯ মাসের ইপিআই ডোজ পেয়েছে. ... দিন আগে মানে ২৮ দিন এখনো (টিকা দেওয়ার দিন পর্যন্ত) হয় নি কি করবো?

ইপিআই ফলো করুন।

৮) ইপিআই এর প্রথম ডোজ দেয়া হয়েছে এবং সেকেন্ড ডোজ দেয়ার ডেট দিয়েছে ( ২৮ দিনের মধ্যে) কি করবো?

এক্ষেত্রে আপনি ক্যাম্পেইন এর টিকা দিন। ইপিআই দিতে চাইলে ক্যাম্পেইনের টিকা দেয়ার পর কমপক্ষে ২৮ দিন পর দিবেন। না দিলেও সমস্যা নেই!

৯) ভ্যাকসিন এতো তাড়াতাড়ি কোথা থেকে আসছে কার্যকরী হবে তো?

সরকার গাভী জ্বি গরু নয় GAVI থেকে ধার নিচ্ছে। পরে কিনে ধার শোধ করবে। কাজেই কার্যকর নয় এমন তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্ত করবেন না।

১০) বাচ্চার‌ একটিভ ইনফেকশন জ্বর ঠান্ডা কাশি আছে টিকা দিবো কি?

এ মুহূর্তে না। আগে শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

Compassionate Care in a Digital World.  day.
30/03/2026

Compassionate Care in a Digital World.
day.

08/03/2026
 #গর্ভকালীন সময়ে শারীরিক ও মানসিক  পরিবর্তন :গর্ভকালীন সময় এ উভয় ক্ষেত্রেই ব্যাপক পরিবর্তন আসে, যার মধ্যে রয়েছে হরমোন...
26/01/2026

#গর্ভকালীন সময়ে শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন :

গর্ভকালীন সময় এ উভয় ক্ষেত্রেই ব্যাপক পরিবর্তন আসে, যার মধ্যে রয়েছে হরমোনের প্রভাবে ক্লান্তি, বমি বমি ভাব (মর্নিং সিকনেস), স্তনের সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি, ঘন ঘন প্রস্রাব, পেটের আকার বৃদ্ধি, ওজন বৃদ্ধি, মেজাজের ওঠানামা, উদ্বেগ, এবং বিষণ্ণতা; এই পরিবর্তনগুলো স্বাভাবিক হলেও, তীব্রতা বা অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

১/শারীরিক পরিবর্তন:

প্রাথমিক লক্ষণ:
পিরিয়ড বন্ধ হওয়া, স্তন ফোলা ও ব্যথা, হালকা রক্তপাত (ইমপ্লান্টেশন ব্লিডিং)।
বমি ও বমি ভাব (Morning Sickness): এইচসিজি হরমোনের কারণে বমি বমি ভাব, যা সকালে বেশি হয়, কিন্তু সারাদিনও থাকতে পারে।
ক্লান্তি ও অবসাদ: হরমোনের পরিবর্তন ও শরীরের অতিরিক্ত কাজের কারণে প্রচণ্ড ক্লান্তি লাগে।
ঘন ঘন প্রস্রাব: জরায়ু বড় হওয়ায় মূত্রথলির ওপর চাপ পড়ে, ফলে ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ আসে।
স্তন ও শরীরের পরিবর্তন: স্তন ভারী, বড় ও সংবেদনশীল হয়; ত্বকে স্ট্রেচ মার্ক দেখা দিতে পারে।
ওজন বৃদ্ধি: প্লাসেন্টা, স্তন, জরায়ু ও অতিরিক্ত রক্তের কারণে ওজন বাড়ে, যা স্বাভাবিক।
হৃদস্পন্দন ও শ্বাস-প্রশ্বাসের হার: দ্রুত হয়।

অন্যান্য:
মুখে বা শরীরে ব্রণ, গন্ধের প্রতি সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি, কোষ্ঠকাঠিন্য বা হজমের সমস্যা।

২/মানসিক পরিবর্তন:

মেজাজের ওঠানামা (Mood Swings): হরমোনের কারণে আনন্দ, উদ্বেগ, বিরক্তি ও বিষণ্ণতার মতো অনুভূতির মিশ্রণ ঘটে।
উদ্বেগ ও ভয়: শিশুর স্বাস্থ্য, মাতৃত্ব, আর্থিক অবস্থা বা সম্পর্কের পরিবর্তন নিয়ে দুশ্চিন্তা হয়।
বিষণ্ণতা (Depression): প্রায় ২০% গর্ভবতী নারী গর্ভাবস্থায় বিষণ্ণতা বা উদ্বেগের শিকার হন।
চাপ (Stress): নতুন দায়িত্ব ও শারীরিক অস্বস্তির কারণে চাপ বাড়ে।
নতুন অনুভূতি: মা হওয়ার অনুভূতি, বা কেমন অনুভব করবেন তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।

কখন চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি:
তীব্র বমি যা খাবার বা পানি গ্রহণে বাধা দেয়।
অনিয়মিত রক্তপাত।
দীর্ঘস্থায়ী হতাশা বা তীব্র উদ্বেগ।
শারীরিক অস্বস্তি বা ব্যথা

 #গর্ভকালীন থাইরয়েড। গর্ভবতী অবস্থায় থাইরয়েড হরমোনের চাহিদা বাড়ে, ফলে হাইপোথাইরয়েডিজম (হরমোন কম) বা হাইপারথাইরয়েডিজ...
26/12/2025

#গর্ভকালীন থাইরয়েড।

গর্ভবতী অবস্থায় থাইরয়েড হরমোনের চাহিদা বাড়ে, ফলে হাইপোথাইরয়েডিজম (হরমোন কম) বা হাইপারথাইরয়েডিজম (হরমোন বেশি) হতে পারে।

যা মা ও শিশুর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ (গর্ভপাত, প্রিম্যাচিউর ডেলিভারি, শিশুর মানসিক বিকাশ বাধা)। গর্ভধারণের আগে ও গর্ভাবস্থায় থাইরয়েড পরীক্ষা (TSH, Free T3, Free T4) করানো জরুরি, এবং প্রয়োজনে আয়োডিনযুক্ত খাবার ও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করা উচিত, তবে থাইরয়েডের ওষুধ প্রসবের আগে ও পরে নিয়মিত পরীক্ষা ও ডোজ সমন্বয় করা আবশ্যক।

গর্ভাবস্থায় থাইরয়েডের সমস্যা ও লক্ষণ:

হাইপোথাইরয়েডিজম (কম হরমোন):
১/ক্লান্তি।
২/ওজন বৃদ্ধি।
৩/কোষ্ঠকাঠিন্য।
৪/ঠান্ডা লাগা।
৫/শুষ্ক ত্বক ও চুল।

হাইপারথাইরয়েডিজম (বেশি হরমোন):
Graves' disease (অটোইমিউন) গর্ভাবস্থায় শুরু হতে পারে।
১/ ওজন হ্রাস।
২/দ্রুত হৃদস্পন্দন ও বমি বমি ভাব (Hyperemesis gravidarum) সৃষ্টি করতে পারে।

সাধারণ লক্ষণ:
এই লক্ষণগুলো গর্ভাবস্থার স্বাভাবিক লক্ষণের সাথে মিলে যাওয়ায় অনেকেই পার্থক্য করতে পারেন না, তাই পরীক্ষা জরুরি।

ঝুঁকি ও জটিলতা:

গর্ভপাত ও প্রিম্যাচিউর ডেলিভারির ঝুঁকি বাড়ে।
শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হতে পারে (বিশেষত আয়োডিনের অভাবে)।
প্রিক্ল্যাম্পসিয়া (উচ্চ রক্তচাপ) এবং অন্যান্য জটিলতা।
করণীয়।

পরীক্ষা:
TSH, Free T3, Free T4 পরীক্ষা করানো।

খাবার:আয়োডিন: পর্যাপ্ত আয়োডিনযুক্ত খাবার (আয়োডিনযুক্ত লবণ, মাছ, ডিম, দুগ্ধজাত খাবার) গ্রহণ করা।

ওষুধ: যদি ওষুধ লাগে, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত সেবন করা।

ডোজ সমন্বয়: গর্ভাবস্থায় থাইরয়েডের মাত্রা পরিবর্তিত হয়, তাই প্রতি ৪-৬ সপ্তাহে TSH পরীক্ষা করে ওষুধের ডোজ সমন্বয় করা গুরুত্বপূর্ণ।
সতর্কতা: প্রসবের পর আবার থাইরয়েডের মাত্রা পরিবর্তিত হতে পারে, তাই চিকিৎসকের ফলোআপে থাকা আবশ্যক।
গুরুত্বপূর্ণ: গর্ভাবস্থায়

 #গর্ভকালীন ডায়াবেটিস। # (Gestational Diabetes Mellitus - GDM) এটা  এক ধরনের ডায়াবেটিস যা শুধুমাত্র গর্ভাবস্থায় প্রথম...
25/12/2025

#গর্ভকালীন ডায়াবেটিস।
# (Gestational Diabetes Mellitus - GDM)

এটা এক ধরনের ডায়াবেটিস যা শুধুমাত্র গর্ভাবস্থায় প্রথমবার দেখা দেয়। সাধারণত গর্ভাবস্থার দ্বিতীয়ার্ধে এটি নির্ণয় করা হয়।
গর্ভাবস্থায় শরীরের হরমোনগত পরিবর্তনের কারণে শরীরের ইনসুলিন সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না, ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যায়।

প্রধান লক্ষণসমূহ:

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই গর্ভকালীন ডায়াবেটিসের উল্লেখযোগ্য কোনো লক্ষণ থাকে না। তবে কিছু সাধারণ লক্ষণ দেখা দিতে পারে।
১/স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি তৃষ্ণা অনুভব করা।
২/ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া।
৩/সবসময় ক্লান্ত বোধ করা।
৪/ওজন কমে যাওয়া (যদিও গর্ভাবস্থায় ওজন বাড়াই স্বাভাবিক)।

ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়সমূহ :

কিছু কারণ গর্ভকালীন ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে:
১/অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা।
২/আগের গর্ভাবস্থায় গর্ভকালীন ডায়াবেটিস হয়ে থাকলে।
৩/পরিবারে ডায়াবেটিসের ইতিহাস (বাবা-মা, ভাই-বোন)।
৪/আগের কোনো শিশুর জন্মকালীন ওজন ৪ কেজির বেশি হলে।
৫/৩০ বছরের বেশি বয়সে গর্ভধারণ করলে।
৬/পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম (PCOS) থাকলে।

চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনা:

সঠিক ব্যবস্থাপনা মা ও শিশু উভয়ের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত জীবনযাত্রার পরিবর্তন এবং খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমেই এটি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

স্বাস্থ্যকর খাদ্যতালিকা:

সুষম ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করা উচিত।
শর্করা ও মিষ্টিজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।

নিয়মিত ব্যায়াম:

চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হালকা শারীরিক পরিশ্রম বা হাঁটাচলা করা উপকারী।

রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা:

নিয়মিতভাবে বাড়িতে গ্লুকোমিটারের সাহায্যে রক্তে শর্করার মাত্রা পরিমাপ করতে হবে।

ওষুধ:

যদি খাদ্য নিয়ন্ত্রণ ও ব্যায়ামের মাধ্যমে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে না আসে, তবে চিকিৎসক ইনসুলিন বা অন্যান্য ওষুধ গ্রহণের পরামর্শ দিতে পারেন।

জটিলতা এবং পরবর্তী প্রভাব:

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই প্রসবের পর গর্ভকালীন ডায়াবেটিস সেরে যায়। তবে এটি মা এবং শিশুর জন্য কিছু তাৎক্ষণিক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
যেমন:
১/শিশুর জন্মকালীন ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি হওয়া (ম্যাক্রোসোমিয়া), যার ফলে প্রসবকালীন জটিলতা দেখা দিতে পারে।
২/শিশুর জন্মের পরপরই রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যাওয়া (হাইপোগ্লাইসেমিয়া)।
৩/এছাড়াও, গর্ভকালীন ডায়াবেটিস আক্রান্ত মহিলাদের ভবিষ্যতে টাইপ ২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।

গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস ধরা পড়লে আতঙ্কিত না হয়ে, একজন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ এবং পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী চললে মা ও শিশু দুজনেই সুস্থ থাকতে পারেন।

Big thanks to Likhon Tabassumfor all of your support! Congrats for being top fans on a streak 🔥!
30/10/2025

Big thanks to Likhon Tabassum

for all of your support! Congrats for being top fans on a streak 🔥!

Address

Dhaka

Telephone

+8801815672711

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Maternal Care By Dr.Ruhi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Maternal Care By Dr.Ruhi:

Shortcuts

Share