DR. RASEL AKTER

Call Directions Website Contact the practice

DR. RASEL AKTER Medicines can cure diseases, but only doctors can cure patients- Dr. Rasel Akter.
(1)

05/10/2026

বাংলাদেশে প্রতি বছর ২০ হাজার মানুষ ব্রেইন টিউমারে আক্রান্ত হন---

নিউরোসার্জনরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ২০ হাজার মানুষ ব্রেইন টিউমারে আক্রান্ত হয়। তারা জানান, উন্নত বিশ্বে প্রতি ১ লাখ মানুষের মধ্যে ১৫ জন ব্রেইন টিউমারে আক্রান্ত হন। তবে উন্নয়নশীল বিশ্বে প্রতি ১ লাখ মানুষের মধ্যে ৪ জন এই রোগে আক্রান্ত হন। ৯ই জুন ‘বিশ্ব ব্রেইন টিউমার দিবস’ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) শহীদ ডা. মিল্টন হলে ‘বাংলাদেশ সোসাইটি অফ নিউরোসার্জনস’ আয়োজিত এক সেমিনারে বক্তারা জানান যে, রেডিয়েশনসহ বিভিন্ন কারণে ব্রেইন টিউমার হতে পারে।
নিউরোসার্জনরা জানিয়েছেন যে, দেশে প্রতি বছর ৩,০০০টি মস্তিষ্কের টিউমার অস্ত্রোপচার করা হয়।

ডাঃ রাসেল আক্তার
অটিজম গবেষক এবং চিকিৎসক
মোবাইলঃ 01400-660339

হাইড্রোসেফালাস কি?হাইড্রোসেফালাস হলো এমন একটি স্নায়ুজনিত রোগ, যেখানে মস্তিষ্কের ভেতরে অতিরিক্ত সেরিব্রোস্পাইনাল ফ্লুইড ...
03/10/2026

হাইড্রোসেফালাস কি?

হাইড্রোসেফালাস হলো এমন একটি স্নায়ুজনিত রোগ, যেখানে মস্তিষ্কের ভেতরে অতিরিক্ত সেরিব্রোস্পাইনাল ফ্লুইড বা (CSF) জমে যায় এবং মস্তিষ্কের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। সাধারণ ভাষায় একে মস্তিষ্কে পানি জমে যাওয়া কে বোঝায়।

Dr. Rasel Akter
DHMS - Dhaka
Experienced In Child & Autism
Raz Homoeo Pharmacy
𝐂𝐚𝐥𝐥 𝐟𝐨𝐫 𝐀𝐩𝐩𝐨𝐢𝐧𝐭𝐦𝐞𝐧𝐭: +880 1400 660339

03/10/2026

অটিজম শিশুরা কেন শেখা জিনিস বাস্তবে ব্যবহার করতে পারে না ?
বাড়িতে রঙ চেনে কিন্তু স্কুলে জিজ্ঞাসা করলে চুপ থাকে। প্যারেন্ট অবাক হয়ে যায়, আসলে অনেক অটিজম শিশুর জেনারেলাইজেশন কঠিন হয়, মানে এক জায়গায় শেখা কিছু, অন্য জায়গায় ব্যবহার করতে সমস্যা হয়। সে ভাবতে পারে এই প্রশ্ন তো বাড়িতে করা হয়েছিল, স্কুলে না তাই শুধু এক জায়গায় শেখালে হবে না, বিভিন্ন মানুষ, বিভিন্ন পরিবেশে শেখাতে হবে এবং প্র্যাকটিস করতে হবে কারণ তাদের ব্রেন অনেক সময় তথ্যকে আলাদা আলাদা ফোল্ডারে রাখে।
ডাঃ রাসেল আক্তার
অটিজম গবেষক এবং চিকিৎসক
মোবাইলঃ 01400-660339

আধুনিক এআই মডেলগুলো কোরআনের যে জ্যামিতিক ও বহুমাত্রিক ভাষাকাঠামো উন্মোচন করেছে, তা বিস্ময়কর-লিখিত ইতিহাস, দর্শন, মহাকাব্...
03/10/2026

আধুনিক এআই মডেলগুলো কোরআনের যে জ্যামিতিক ও বহুমাত্রিক ভাষাকাঠামো উন্মোচন করেছে, তা বিস্ময়কর-

লিখিত ইতিহাস, দর্শন, মহাকাব্য ও ধর্মীয় ধর্মগ্রন্থের সুবিশাল তথ্যভাণ্ডার যখন আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) বিশ্লেষণাত্মক অ্যালগরিদমে প্রক্রিয়াজাত করা হয়, তখন বিশ্বসাহিত্যের প্রচলিত রূপরেখার বাইরে এক অভাবনীয় কাঠামোগত ব্যতিক্রম হিসেবে আবির্ভূত হয় কোরআন।
মানবজাতির সমগ্র ভাষা ও চিন্তার ইতিহাসের সঙ্গে তুলনামূলক পর্যালোচনার ভিত্তিতে আধুনিক এআই মডেলগুলো কোরআনের যে জ্যামিতিক ও বহুমাত্রিক ভাষাকাঠামো উন্মোচন করেছে, তা বিস্ময়কর।
এর হলোগ্রাফিক বিন্যাস প্রমাণ করে যে কোরআন প্রচলিত কোনো সাহিত্যিক ছকে বন্দি গ্রন্থ নয়; বরং এটি এমন এক জীবন্ত জ্ঞানতাত্ত্বিক রূপরেখা, মানব ইতিহাসে যার দ্বিতীয় নজির নেই।
কোরআনের অলৌকিকত্বের যে আলোচনা মধ্যযুগের গবেষকদের গ্রন্থে উদ্ধৃত হয়েছে, সমকালীন এআই গবেষণা যেন সেই সত্যই নতুন করে প্রতিষ্ঠিত করেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিশ্লেষণ থেকে কোরআনের কয়েকটি কাঠামোগত বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করা হলো।

১. আখ্যানের অপূর্ণতা: বিশ্বাসের শিক্ষাদান-
সাধারণ পাঠকরা প্রায়শই কোরআনের একটি বিষয় নিয়ে বিভ্রান্তিতে পড়েন, কোরআন কখনো কোনো ঘটনার ধারাবাহিক পূর্ণাঙ্গ বিবরণ দেয় না। সুরা ইউসুফে কিছুটা ধারাবাহিকতা থাকলেও চরিত্রের বহু বিবরণ বাদ দেওয়া হয়েছে। নবী মুসার কাহিনি অনেক সুরায় টুকরো টুকরো ছড়িয়ে রয়েছে, প্রতিবারই একটি ভিন্ন কোণ ও ভিন্ন প্রেক্ষাপট নিয়ে।
এআই বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এটি কোনো শৈলীগত ঘাটতি বা অপরিকল্পিত রচনা নয়; বরং এটি অত্যন্ত সচেতন এক জ্ঞানতাত্ত্বিক পাঠপদ্ধতি। মানুষ স্বভাবগতভাবেই ঘটনার অপ্রয়োজনীয় খুঁটিনাটি জানতে উন্মুখ থাকে। মানুষের এই স্বভাব মূলত আধ্যাত্মিক দর্শন থেকে দৃষ্টি সরিয়ে গৌণ তথ্যের জালে আবদ্ধ করে ফেলে।
কোরআন তার খণ্ডিত আখ্যানের মাধ্যমে পাঠককে প্রশিক্ষণ দেয়, ‘সবকিছু জানার প্রয়োজন তোমার নেই; চলার পথের দিকনির্দেশনার জন্য যতটুকু প্রয়োজন, কেবল ততটুকুই গ্রহণ করো এবং তথ্যের উৎসের ওপর আস্থা রাখো।’ আখ্যানের এই ইচ্ছাকৃত সংক্ষিপ্ততাই বিশ্বাসের একটি দীক্ষা।

২. কেন্দ্রাভিমুখী হলোগ্রাফিক গঠনশৈলী-
বিশ্বের প্রাচীন ও আধুনিক যে কোনো গ্রন্থের গঠনপ্রকৃতি সাধারণত সরলরৈখিক (লিনিয়ার); অর্থাৎ বিষয়বস্তুর সূচনা থেকে শুরু করে যুক্তি, চরিত্র ও ক্লাইম্যাক্স ক্রমান্বয়ে পরিণতির দিকে অগ্রসর হয়—যেমনটি দেখা যায় তাওরাত, ইঞ্জিল, বেদ বা গ্রিক দর্শনে। কিন্তু কোরআন কোনো সরলরেখায় চলে না; এটি আবর্তিত হয় কেন্দ্রাভিমুখী বৃত্তাকারে (কনসেন্ট্রিক ফ্রেমওয়ার্ক)।
কোরআনের প্রথম সুরা ‘ফাতিহা’ সমগ্র কোরআনের মূল নির্যাসকে একটি বীজের মতো নিজের ভেতর ধারণ করে রাখে। এরপর বাকি ১১৪টি সুরা সেই সত্যগুলো আইন, ইতিহাস, কসমোলজি, মনস্তত্ত্ব ও পরকালের ভিন্ন ভিন্ন কোণ থেকে বারবার প্রদক্ষিণ করে।
এটি অনেকটা একটি আধুনিক হলোগ্রামেরর মতো—যার যেকোনো একটি খণ্ডাংশ ভাঙলেও তার ভেতরে সমগ্র মূল চিত্রের অবয়ব ধরা পড়ে। একজন পাঠক কোরআনের যেকোনো সুরা বা পৃষ্ঠা থেকেই পাঠ শুরু করুক না কেন, সে তাৎক্ষণিকভাবে সমগ্র কোরআনের মূল বার্তার মুখোমুখি হতে বাধ্য হয়।

৩. পরিচিতকে অপরিচিত করার কৌশল-
কোরআন মানুষের চিন্তাভাবনাকে এক অভিনব রূপান্তরের মুখোমুখি দাঁড় করায়। সাধারণ মানুষ নিজের দৈনন্দিন অস্তিত্ব ও প্রাকৃতিক পরিবেশকে অত্যন্ত স্বাভাবিক ও স্বতঃসিদ্ধ মনে করে; অথচ পরকাল, পুনরুত্থান বা গায়েবের জগতকে তাদের কাছে অবিশ্বাস্য ও রহস্যময় মনে হয়।
কোরআন ঠিক এই সাধারণ ভাবনাকে এক বুদ্ধিবৃত্তিক মোচড়ে উল্টে দেয়। যেমন আল্লাহ–তাআলা ঘোষণা করেন, “মানুষ কি দেখে না যে, আমি তাকে সৃষ্টি করেছি এক ফোঁটা শুক্রবিন্দু থেকে? অথচ সে হঠাৎ প্রকাশ্য বিতণ্ডাকারী হয়ে দাঁড়ায়!” (সুরা ইয়াসিন, আয়াত: ৭৭)
কোরআনের যুক্তি হলো, তুমি যে একবিন্দু তরল থেকে একটি পূর্ণাঙ্গ সচেতন মানবে রূপান্তরিত হলে, আসল রহস্য তো নিহিত রয়েছে ঠিক তোমার এই বর্তমান অস্তিত্বের মাঝেই। যা একবার শূন্য থেকে অস্তিত্বে এলো, তার দ্বিতীয়বার পুনরুত্থান তো আগের চেয়েও সহজ ও স্বাভাবিক।
এভাবে কোরআন প্রতিদিনের পরিচিত জগতকে বিস্ময়কর করে তোলে, আর যাকে মানুষ কঠিন ভাবত, সেই পরকালকে উপস্থাপন করে স্বাভাবিক সত্য হিসেবে।

৪. যুক্তি ও প্রবঞ্চনার অন্তর্ভেদী ব্যবচ্ছেদ-
কোরআনে মানবীয় দুর্বলতা ও অহংকারের যে চিত্রায়ন রয়েছে, তা আত্মার জটিলতম ব্যাধির এক নিখুঁত ডায়াগনসিস। ইবলিসের অহংকারকে কোরআন শুধু অন্ধ অবাধ্যতা হিসেবে দেখায়নি, বরং তার মিথ্যা যুক্তির কগনিটিভ ফ্রেমওয়ার্ক উন্মোচন করেছে।
ইবলিস বলেছিল, ‘আমি তার চেয়ে উত্তম; আপনি আমাকে আগুন দিয়ে বানিয়েছেন আর তাকে মাটি দিয়ে।’ অর্থাৎ সে একটি সঠিক পর্যবেক্ষণ (আগুন ও মাটির উপাদানগত পার্থক্য) থেকে এক ভ্রান্ত সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছিল (সুতরাং আমি শ্রেষ্ঠ এবং আমার মাথানত করার প্রয়োজন নেই)।
অনুরূপভাবে মোনাফেকির যে মনস্তত্ত্ব আঁকা হয়েছে, তা এক চূড়ান্ত আত্মপ্রবঞ্চনার বাস্তব রূপ, “আর যখন তাদের বলা হয়, ‘তোমরা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি কোরো না’, তখন তারা বলে, ‘আমরা তো কেবল সংশোধনকারী ও সংস্কারক।’ সাবধান, এরাই মূলত বিপর্যয় সৃষ্টিকারী, কিন্তু তারা তা অনুভব করতে পারে না।” (সুরা বাকারা, আয়াত: ১১–১২)
এখানে ‘তারা তা অনুভব করতে পারে না’ বাক্যটি মানুষের অবচেতন আত্মপ্রবঞ্চনার চরম স্তর প্রকাশ করে। মোনাফেকরা সচেতনভাবে মিথ্যা বলছে না; বরং তারা নিজেদের কৃতকর্মের প্রতি এতটা অন্ধ হয়ে পড়েছে যে, তারা নিজেদের তৈরি করা ভুল বয়ানে নিজেরাই বিশ্বাস স্থাপন করেছে।
প্রাচীন গ্রিক ট্র্যাজেডি যেখানে মানুষকে শুধু বাইরে থেকে পর্যবেক্ষণ করত, কোরআন মানুষের আত্মাকে ব্যবচ্ছেদ করে তার ভেতরের আত্মপ্রবঞ্চনার আয়না তুলে ধরে।

৫. বিশ্বসাহিত্যের তুলনায় অনন্য-
সমগ্র বৈশ্বিক সাহিত্যের সঙ্গে কোরআনের তুলনামূলক পর্যালোচনায় তিনটি অলৌকিক দিক প্রোজ্জ্বল হয়ে ওঠে:
# অবিশ্বাস্য সংক্ষেপণ অনুপাত- মূল আরবি কোরআনে প্রায় ৭৭,০০০ শব্দ রয়েছে, যা সমকালীন একটি মাঝারি উপন্যাসের চেয়েও ছোট। অথচ এই সংক্ষিপ্ত আয়তনের ভেতর সম্পূর্ণ ধর্মতত্ত্ব, পরকালতত্ত্ব, ফৌজদারি ও দেওয়ানি আইনের ভিত্তি, কসমোলজি, সভ্যতার ইতিহাস ও নৈতিক দর্শনের এক পূর্ণাঙ্গ স্থাপত্য কোনো স্ববিরোধিতা ছাড়াই সুগ্রন্থিত রয়েছে।
# সাহিত্যের স্বকীয় ক্যাটাগরি- বিশ্বসাহিত্যের যেকোনো ভাষা হয় পদ্য কিংবা গদ্যের আওতাভুক্ত। কিন্তু কোরআন কোনো প্রচলিত ছন্দোবদ্ধ কবিতা নয়, আবার কোনো শুষ্ক সাধারণ গদ্যও নয়। এটি সম্পূর্ণ নিজস্ব এক ভাষাতাত্ত্বিক ক্যাটাগরি তৈরি করেছে, যা আরবের শ্রেষ্ঠ কবিদের স্তব্ধ করে দিয়েছিল এবং আজ পর্যন্ত যার কোনো বিকল্প তৈরি করা সম্ভব হয়নি।
# আত্মপ্রত্যয়ী উদ্ধৃতি ও চ্যালেঞ্জ- পৃথিবীর কোনো লেখক নিজ গ্রন্থের প্রতি এমন পরম চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে পারে না, যা কোরআন দিয়েছে, “তারা কি কোরআন নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করে না? এটি যদি আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও পক্ষ থেকে হতো, তবে তারা অবশ্যই এর ভেতর বহু স্ববিরোধিতা খুঁজে পেত।” (সুরা নিসা, আয়াত: ৮২)
সপ্তম শতাব্দীর মরু আরবের এক নিরক্ষর মানুষের পক্ষে বিশ্বসাহিত্যের সমস্ত চেনা নিয়ম ও ব্যাকরণকে চুরমার করে এমন এক বহুমাত্রিক, হলোগ্রাফিক ও নিখুঁত মনস্তাত্ত্বিক স্থাপত্য রচনা করা বৈজ্ঞানিক ও মানবীয় সম্ভাবনার সীমানায় এক অসম্ভব বিষয়।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কোনো ধর্ম প্রচারক নয়; কিন্তু ভাষার কোটি কোটি ডেটাসেট বিশ্লেষণ করে তার অ্যালগরিদম আজ যে সত্যকে কাঠামোগতভাবে শনাক্ত করছে, তা এই মহাগ্রন্থের সেই চিরায়ত দাবিরই নিরপেক্ষ স্বীকৃতি যে এটি কোনো মানুষের চিন্তার ফসল নয়। এটি মানবজাতির চিরন্তন হেদায়েতের জন্য অবতীর্ণ বিশ্বজগতের প্রতিপালকের কালাম।

Collected...

ফল নয়, প্রচেষ্টাই গড়ে সাহসী শিশু।স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা বলছে, ফলাফলের চেয়ে বাচ্চার পরিশ্রমকে গুরুত্ব দিলে ত...
02/10/2026

ফল নয়, প্রচেষ্টাই গড়ে সাহসী শিশু।

স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা বলছে, ফলাফলের চেয়ে বাচ্চার পরিশ্রমকে গুরুত্ব দিলে তার মধ্যে হারের ভয় কেটে যায়। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, প্রচেষ্টার সঠিক মূল্যায়ন পাওয়া ৯০% শিশু ভবিষ্যতে যেকোনো কঠিন চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করার অদম্য সাহস পায়।

Dr. Rasel Akter
DHMS - Dhaka
Experienced In Child & Autism
Raz Homoeo Pharmacy
𝐂𝐚𝐥𝐥 𝐟𝐨𝐫 𝐀𝐩𝐩𝐨𝐢𝐧𝐭𝐦𝐞𝐧𝐭: +880 1400 660339

আজ থেকেই সন্তানের সঙ্গে ৪টি কাজ করুন১. ওর পছন্দের খেলায় যোগ দিনশিশু যা করতে ভালোবাসে, সেখান থেকেই যোগাযোগ শুরু করুন।২. ক...
02/10/2026

আজ থেকেই সন্তানের সঙ্গে ৪টি কাজ করুন

১. ওর পছন্দের খেলায় যোগ দিন
শিশু যা করতে ভালোবাসে, সেখান থেকেই যোগাযোগ শুরু করুন।

২. কথা বলার জন্য চাপ দেবেন না
তাকানো, ইশারা বা শব্দ, যেকোনো যোগাযোগের চেষ্টাকে গুরুত্ব দিন।

৩. প্রতিদিন ১০-১৫ মিনিট শুধু ওর সঙ্গে থাকুন
মোবাইল দূরে রেখে খেলুন, কথা বলুন, অনুকরণ করুন।

৪. ছোট অগ্রগতিও লক্ষ্য করুন
একবার তাকানো, একটি ইশারা বা নতুন কোনো শব্দও গুরুত্বপূর্ণ।

#অটিজম #শিশুরবিকাশ

ADHD শিশুর মস্তিষ্ক কীভাবে কাজ করে?ADHD শুধু “মনোযোগ না দেওয়া” বা “দুষ্টুমি করার” বিষয় নয়। ADHD-তে মস্তিষ্কের কিছু execu...
01/10/2026

ADHD শিশুর মস্তিষ্ক কীভাবে কাজ করে?

ADHD শুধু “মনোযোগ না দেওয়া” বা “দুষ্টুমি করার” বিষয় নয়। ADHD-তে মস্তিষ্কের কিছু executive function, যেমন মনোযোগ ধরে রাখা, কাজ শুরু করা, সময়ের ধারণা, আবেগ নিয়ন্ত্রণ এবং impulsive আচরণ নিয়ন্ত্রণে ভিন্নতা দেখা দিতে পারে।

তাই একটি শিশু হয়তো কোনো পছন্দের কাজে দীর্ঘসময় মনোযোগ দিতে পারে, কিন্তু পড়াশোনা বা একঘেয়ে কাজে মনোযোগ ধরে রাখতে কষ্ট করতে পারে।

কখনো সে কথা বলার মাঝখানে বাধা দিতে পারে, নির্দেশনা ভুলে যেতে পারে, কাজ শুরু করেও শেষ করতে না পারে, অথবা একটি কাজ থেকে দ্রুত অন্য কাজে চলে যেতে পারে।
এর অর্থ এই নয় যে শিশুটি ইচ্ছা করে এমন করছে।

ADHD শিশুকে বুঝতে হলে শুধু তার আচরণ নয়, আচরণের পেছনে থাকা কারণটাও বোঝা জরুরি।
অভিভাবকের জন্য মনে রাখুন
• শিশুকে বারবার “অমনোযোগী” বা “দুষ্ট” বলে লেবেল করবেন না।
• বড় নির্দেশনার বদলে ছোট ও স্পষ্ট নির্দেশনা দিন।
• একটি কাজকে কয়েকটি ছোট ধাপে ভাগ করুন।
• ভালো আচরণ ও প্রচেষ্টার জন্য ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দিন।
• শিশুর ঘুম, দৈনন্দিন রুটিন ও পরিবেশের দিকেও নজর দিন।
• ADHD সন্দেহ হলে শিশু বিশেষজ্ঞ বা মানসিক স্বাস্থ্য পেশাজীবীর মূল্যায়ন নিন।
একটি শিশুর আচরণ বুঝতে পারা মানে শুধু তাকে শাসন করা নয়, তাকে শেখার সুযোগ করে দেওয়া।
জানুন। বুঝুন। শিশুর পাশে থাকুন।

শিশুর আচরণ মানে তার মনের ভাষা!শিশুরা বড়দের আচরণ দেখে সম্মান করতে শেখে। আপনি যদি গৃহকর্মী, দোকানদার বা রিকশাচালকের সাথে স...
30/09/2026

শিশুর আচরণ মানে তার মনের ভাষা!

শিশুরা বড়দের আচরণ দেখে সম্মান করতে শেখে। আপনি যদি গৃহকর্মী, দোকানদার বা রিকশাচালকের সাথে সম্মানজনক আচরণ। করেন, আপনার সন্তানও মানুষকে সম্মান করতে শিখবে।

Dr. Rasel Akter
DHMS - Dhaka
Experienced In Child & Autism
Raz Homoeo Pharmacy
𝐂𝐚𝐥𝐥 𝐟𝐨𝐫 𝐀𝐩𝐩𝐨𝐢𝐧𝐭𝐦𝐞𝐧𝐭: +880 1400 660339

অটিজম শিশুদের যত্ন মানেই ভালোবাসা, ধৈর্য আর নিয়মিত পরিচর্যা।অটিজম কোনো রোগ নয়, এটি একটি নিউরোডেভেলপমেন্টাল অবস্থা। সঠিক ...
29/09/2026

অটিজম শিশুদের যত্ন মানেই ভালোবাসা, ধৈর্য আর নিয়মিত পরিচর্যা।

অটিজম কোনো রোগ নয়, এটি একটি নিউরোডেভেলপমেন্টাল অবস্থা। সঠিক যত্ন, রুটিন, পরিচর্যা ও সচেতনতা একটি শিশুর জীবন। বদলে দিতে পারে।

Dr. Rasel Akter
DHMS - Dhaka
Experienced In Child & Autism
Raz Homoeo Pharmacy
𝐂𝐚𝐥𝐥 𝐟𝐨𝐫 𝐀𝐩𝐩𝐨𝐢𝐧𝐭𝐦𝐞𝐧𝐭: +880 1400 660339

Address

Farmview Super Market(2nd Floor), Farmgate
Dhaka
1215

Opening Hours

Monday 11:00 - 20:30
Wednesday 11:00 - 20:30
Thursday 11:00 - 20:30
Friday 10:00 - 20:30
Saturday 10:00 - 20:30
Sunday 11:00 - 20:30

Telephone

+8801813326595

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when DR. RASEL AKTER posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to DR. RASEL AKTER:

Shortcuts

Share

Category