মিলনতত্ত্ব - Sisters Only

মিলনতত্ত্ব - Sisters Only This is the official page of the Bangladeshi Facebook community Group- "মিলনতত্ত্ব (Sex Education & Solution)"

বিয়ের পর অনেকেই তাড়াহুড়া করে সন্তান নেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু বেশিরভাগ সময়েই বুঝতে পারেন না, আসলে কোন সময়টায় গর্ভধারণের...
16/08/2026

বিয়ের পর অনেকেই তাড়াহুড়া করে সন্তান নেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু বেশিরভাগ সময়েই বুঝতে পারেন না, আসলে কোন সময়টায় গর্ভধারণের সুযোগ সবচেয়ে বেশি থাকে, আর কতদিন পর্যন্ত প্রাকৃতিকভাবে চেষ্টা করা উচিত।

যদি মেয়েদের বয়স ৩৫ বছরের নিচে হয় এবং দম্পতির কারো কোনো জটিল স্বাস্থ্য সমস্যা না থাকে, সাধারণত ছয় মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত নিয়মিত ও সুরক্ষাহীন দাম্পত্য জীবনের মাধ্যমেই গর্ভধারণ সম্ভব হওয়ার কথা। বিশেষ করে ওভ্যুলেশনের সময় সম্পর্ক স্থাপন করলে সফল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।

কিন্তু এক বছরের বেশি চেষ্টা করেও যদি ফল না আসে, তাহলে দেরি না করে একজন ফার্টিলিটি বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া দরকার। আর যাদের বয়স ৩৫ পার হয়ে গেছে, তাদের জন্য অপেক্ষার সময় আরও কম—মাত্র ছয় মাস বা তার কম চেষ্টা করেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। সব থেকে ভালো হয় যদি প্রফেশনাল এর পরামর্শ নিয়েই শুরু করেন।

কারো যদি পলিসিস্টিক ওভারি (PCOS), এন্ডোমেট্রিওসিস, ফাইব্রয়েডের মতো সমস্যা থাকে, কিংবা পার্টনারের স্পার্ম কাউন্ট কম হয়, অথবা একাধিকবার গর্ভপাতের/মিসক্যারেজ অভিজ্ঞতা থাকে, তাহলে শুরু থেকেই বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া ভালো।একজন ভালো ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিষ্ট এর পরামর্শ নেয়া। মনে রাখতে হবে, ডাক্তার/নিউট্রিশনিষ্ট দেখানো মানেই যে অনেক টাকার চিকিৎসা নিতে হবে তা কিন্ত্য নয়—বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কিছু বেইসিক টেস্ট আর লাইফস্টাইল পরিবর্তনই সমাধান এনে দেয়।

আরেকটা বড় বিষয় হলো খাবার। আমরা অনেক সময় বুঝিই না আমাদের প্লেটে থাকা কিছু সাধারণ খাবার ফার্টিলিটি বাড়াতে দারুণ কাজ করে। যারা দ্রুত কনসিভ করতে চান, তাদের ডায়েটে কিছু স্পেশাল ফুড রাখা জরুরি –

ডিম – প্রতিদিন ২–৩টা, হাঁসের ডিম হলে সবচেয়ে ভালো। এতে ফার্টিলিটি’র জন্য দরকারি প্রায় সব নিউট্রিয়েন্ট থাকে।
ইলিশ মাছ – ভিটামিন ডি, কে আর ডিএইচএ এর দারুণ সোর্স, এক কথায় বাংলার স্যামন।
শাকসবজি – পালং, সরিষা, ব্রকোলি, বাঁধাকপি; প্রতিদিন অন্তত ২০০ গ্রাম খেতে হবে।
গরুর মাংস ও কলিজা – গ্রাস-ফেড গরু হলে নিউট্রিয়েন্ট বেশি থাকে এবং হরমোন ব্যালান্সে সাহায্য করে।
নারকেল – মিডিয়াম চেইন ফ্যাটি এসিড ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ, ফার্টিলিটি বুস্ট করে। নারকেলের বদলে এভোকাডো খাওয়া যাবে।
কিনোয়া – ডি-কাইরো ইনোসিটল এর ভালো উৎস, হরমোন ব্যালান্স করে।
বাকহুইট (ঢেমশি) – ন্যাচারালি ডি-কাইরো ইনোসিটল পাওয়া যায়; ইনসুলিন ও টেস্টোস্টেরন কমায়, প্রজেস্টেরন বাড়ায়।
সানফ্লাওয়ার সিড – ইস্ট্রোজেন-প্রজেস্টেরন ব্যালান্স রাখতে সাহায্য করে।
বুটের ডাল – ভিটামিন বি-৬ সমৃদ্ধ, স্পার্ম কাউন্ট আর এগ কোয়ালিটি বাড়ায়।
দারুচিনি – ব্লাড সুগার কন্ট্রোল করে, ডাইজেশন ভালো করে, ব্যাকটেরিয়া কমায়।
হলুদ – কারকিউমিন সমৃদ্ধ অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি; নারকেল তেল ও গোলমরিচের সাথে খেলে বেশি ইফেক্টিভ।

মনে রাখবেন আল্লাহ তায়ালা আমাদের খাদ্যের মধ্যে সব ধরনের নেয়ামত দিয়ে দিয়েছেন। আপনাকে শুধু তার দেয়া নেয়ামত ব্যাবহার করতে জানতে হবে।

Sumya Shila
Nutritionist
Child and Reproductive Health Consultant
Thyrocare Consultation Centre, Banani, Dhaka

03/08/2026

সতর্কতা রিকশাওয়ালার সামনে কখনও বলবেননা আপনার ফোনে চার্জ নাই বা ফোন বন্ধ হয়ে যাবে।
মনের মধ্যে অশান্তি লাগছে আপুরা তাই এই সামান্য বিষয় নিয়ে লিখছি।

আজকে ভার্সিটি থেকে রিকশা করে বাসায় আসছিলাম। ফোনে ১% চার্জ ছিল কলে ছিলাম আমার পার্টনারকে বললাম চার্জ নাই ফোনে আমার। এটা বলার পর মনে হলো রিকশার সামনে এটা বলা ঠিক হয়নি বিপদ হতে পারে যেই বলা সেই কাজ।

যাব হাতিরপুল কিন্তু হাতিরপুল যাওয়ার রাস্তাটা এখন বন্ধ করে দিয়েছে তাই বাটা সিগনাল হয়েই সব রিকশা যায় অনেকে জানেনা তাই আমিই বলে দিই বাটা সিগনাল হয়ে যাবেন। এখন এই ব্যাটা বাটা সিগনালে এসে রিকশা থামিয়ে দিল থামিয়ে বলছে আপনি আমাকে ঘুরায় নিলেন কেন হাতিরপুল ওদিক দিয়ে আসতাম এদিক দিয়ে আনলেন কেন আমি বললাম মামা সবসময় তো এদিক দিয়েই আসি এটাই রাস্তা।

সে ঝগড়া করার চেষ্টা করল আরও অনেক কথা বলল। আমি বুঝে গেলাম এর উদ্দেশ্য রাস্তায় ঝগড়া করে মব করবে একটা ঝামেলা করবে এটা ছাড়া আর কোন উদ্দেশ্য নাই এর। সে জানে আমার ফোনে চার্জ নাই তাই কাউকে কল দিতে পারব না আর ওর কোন ভিডিও বানাতে পারবো না এই জন্যই ইচ্ছা করেই সুযোগ নিয়ে এরকম করার চেষ্টা করল।

ভয় পেয়ে ৫০টাকা ভাড়া দিয়ে একদম কথা না বলে নেমে গেলাম তারপরও ভাড়া দেওয়ার পরে সে অনেক আবোল তাবোল কথা বলছিল আমার মনে হল সে আমাকে ফলো করে আরো ঝামেলা করবে (এটা মনে হলো কারণ এটা অলরেডি একবার হয়েছে) আমাকে এত সহজে ছেড়ে দেবে না তাই আমি জুতার মার্কেটের ভিতর ঢুকে গেলাম কিছুক্ষণ পরে দেখলাম সে ওই জায়গাতে ঘুরঘুর করছে।

সে হয়তো অন্য রিক্সাওয়ালাদের জড়ো করে মানুষ জড়ো করে বলতো যে আমি তাকে ভাড়া দেইনি। কিছু সময় পরে চলে গেল আর আমি বাকি রাস্তা কষ্ট করে হেঁটে আসলাম। বিচার কাকে দিব? আল্লাহর কাছেই দিলাম। আর মনে মনে ভাবলাম কেন আছি এই দেশে? কেন যাচ্ছি না। আমার দুই ননদ অলরেডি আমেরিকাতে থাকে দেশে ব্যবসা করব বলে আছি।

কিন্তু রোজ রোজ এই রিকশাওয়ালার হয়রানি আর সয়ছেনা আমার। এরা এত ছোটলোক কেন? এরা এত খারাপ কেন? কেন যাত্রীদের সাথে এসব করে।

©Yas meen

এক থালা ভাতের দাম কত এই মেয়েটা জানে। অকর্মা অপদার্থ স্বামীর জন্য ঠিক কতটুকু সয়ে নিজের মাথার উপর একটু ছাদ ধরে রাখতে হয় ওর...
15/07/2026

এক থালা ভাতের দাম কত এই মেয়েটা জানে। অকর্মা অপদার্থ স্বামীর জন্য ঠিক কতটুকু সয়ে নিজের মাথার উপর একটু ছাদ ধরে রাখতে হয় ওর চেয়ে ভালো কেউ বুঝবে না!

সামার ভ্যাকেশন শুরু হয়েছে,অফিস ছুটি।সকালে ঘুম থেকে উঠে নতুন কেনা একটা কফি বানালাম। নিজেই কিনেছি,ভালোই দাম।কফি তে চুমুক দিতে দিতে এই মেয়েটার ভিডিও আসলো। কাল থেকে ঘটনা দেখেছি কিন্তু বাচ্চার মায়ের ভিডিও আসেনি। মেয়েটা কাপাকাপা গলায় বলছিলো - আমার বাচ্চা ২১ দিন NICU তে ছিলো সব খরচ আমার ভাসুর দিছে,আমার ব্যক্তিগত সব খরচ আমার ভাসুর দেয়। বলতে বলতে কয়েকবার হাসবেন্ডের দিকে,আশেপাশে তাকালো। আবার টেনে কথা টা শুনলাম,গলা টা কেপে উঠলো নাতো?

আচ্ছা আজকে যদি ওর নিজের সামর্থ্য থাকতো ও কি এটা মেনে নিতো? আমার বাচ্চাকে কেউ গোপনে এসে পা মুচড়ে দিয়ে যাবে আমি এটা ঠিক কতটুকু বাধ্য হলে দেখবো? এই মেয়েটা কে কি কেউ বলেছে যে তোর জামাইর কামাই নাই,কেন এই অত্যাচার সহ্য করে থাকবি চলে আয়? মনে হয় না

পাশ থেকে কয়েকজন মহিলা কথা বলছিলো।ভিডিও তে দেখেই আমার গা শিরশির করে উঠেছে। একেকজন বিরাট ক্ষমাশীল,জামাইটাও বিশাল মহত্ত্ব দেখালো।

বাংলাদেশের অধিকাংশ পরিবারগুলোর রিয়েলিটি এটাই।এখানে জাস্ট মনে হচ্ছে লোক টার ইনকাম নাই দেখে মনে হয় মেরুদণ্ডহীন। না।ইনকাম থাকলেও মেরুদণ্ডহীনই হতো।এরা ঘরের বউ এর বেলায় দুনিয়ার সকল জ্ঞান,উদারতা পশরা সাজিয়ে বসে। বউ টাও কি করবে? কোথায় যাবে? বাপ মা তো বলে দিয়েছে : এমন একটু আধটু সব সংসারেই হয়।এইসব মেনে নিয়েই সংসার করতে হয়। একটু রাগী না হইলে কিসের ব্যাডা মানুষ?

দিনশেষে মেয়েটা জানে ওর যাওয়ার জায়গা নেই। এই বাচ্চাটা নিয়ে ওর এখানেই থাকতে হবে। এজন্য বারবার পাশ থেকে বলে দেওয়ার পরেও অনেক কষ্টে মুখ থেকে বের হয়েছে মাফ করে দিয়েছি!

আহারে উদারতা,আহারে মাফ!!

আমার মাঝে মাঝে মেয়ে হয়ে দুঃখ লাগে। এক প্লেট ভাতের জন্য,মাথার উপর ছাদের জন্য কতকিছু ভাতের সাথে গিলে ফেলতে হয়!

আমি যতবার বলেছি মেয়েরা সয়ে যায় ততবার মানুষ আমাকে ধুয়ে দিয়েছে যে এখনও এই যুগ আছে নাকি,এখনও মেয়েরা এভাবে সহ্য করে নাকি?

আপনি আমি এই কথা বলার জন্য উপযুক্ত না।প্রিভিলেজড বাবলে বসে হাসাহাসি করা অনেক সহজ কারণ আমি জানি আমার বাচ্চার গায়ে টোকা দিলে ওই হাত আমি আংগুল সহ উপড়ে ফেলতে পারবো,এর জন্য একবারও আমার কারো মুখের দিকে তাকানো লাগবে না।

কিন্তু রিয়েলিটি হলো মেয়েরা মার খায়। বাচ্চার দিকে তাকিয়ে মার খায়,কোথায় যাবো এই ভয়ে মার খায়। শুধুমাত্র ভাত কাপড়ের জন্য মার খায়!

একটা মানুষ শুধু ভাত কাপড়ের বিনিময়ে মার খায়!

জীবন!

©Renew Me

মিলনে স্ত্রীর আগ্রহ কম। কি করলে সে নিজে থেকেই আমার কাছে এসে থাকতে চাইবে?এটি বিভিন্ন কারণে হতে পারে, শারীরিক মানসিক উভয় অ...
12/07/2026

মিলনে স্ত্রীর আগ্রহ কম। কি করলে সে নিজে থেকেই আমার কাছে এসে থাকতে চাইবে?

এটি বিভিন্ন কারণে হতে পারে, শারীরিক মানসিক উভয় অবস্থা পর্যালোচনা করতে হবে, অনেক সময় নারীর অর্গাজম না হলে ধীরে ধীরে যৌন আগ্রহ হারিয়ে ফেলে, এ ক্ষেত্রে তার কাছে এটি আরামদায়ক হয় না বরং কষ্টকর হয় তাই পরবর্তীতে সময়ে আগ্রহ প্রকাশ করে না।

এ ছাড়াও কঠিন কোন রোগের পর, ডেলিভারি জার্নির পরে, মানসিক কোনো আঘাতের পর অথবা স্বামীর সাথে সুসম্পর্ক না থাকলে এমনটা বেশি হয়।

স্ত্রীর জরুরতে খেয়াল রাখা বিশেষ করে মি-লনে তার অসুবিধা হচ্ছে কিনা জেনে নেওয়া জোর জবরদস্তি না করা। স্ত্রীর দোষ না দেখে গুনের আর রুপের প্রসংশা করা। স্ত্রীর আরাম আয়েশের প্রতি খেয়াল রাখা । স্ত্রীর কাজে যথাসম্ভব সহায়তা করা। মাঝে মধ্যে উপহার দেওয়া, ঘুরতে নিয়ে যাওয়া। উনাকে পুষ্টিকর খাবার খাওয়াবেন।

স্ত্রী থেকে সর্বোচ্চ যৌন তৃপ্তি পেতে চাইলেও উভয়ের মাঝে গভীর প্রেম বন্ধন থাকতে হবে। স্ত্রীর সাথে উত্তম ভাষায় কথা বলুন, দয়া ও ভদ্রতা দেখান, স্ত্রী আপনার অনুরাগী হয়ে থাকবে। নিজেকে আপনার সেবায় উৎসর্গ করবে। মনের গভির থেকে আপনাকে উপলব্ধি না করলে তার থেকে প্রশান্তি পাবেন না।

Note: কোনো পুরুষ বিয়ের আগে নিজের যৌবনকে যত বেশি হেফাজত করেছে, তার দাম্পত্য জীবন তত বেশি সুন্দর হয়।

28/06/2026

কুশল আর সুষমার জীবন থেকে কি শিখলেন?

অন্যের জীবন আলোকিত করার চেয়ে, নিজের জীবন গড়া অনেক কঠিন ‼️

জীবনের এমন এক পর্যায়ে আছি, এখন আর প্রিয় জিনিস বলতে কিছুই নাই।  শখ নাই, আনন্দ নাই দুই মিনিট কিছু নিয়ে  ভাবার মতো ফুরসত না...
28/06/2026

জীবনের এমন এক পর্যায়ে আছি, এখন আর প্রিয় জিনিস বলতে কিছুই নাই। শখ নাই, আনন্দ নাই দুই মিনিট কিছু নিয়ে ভাবার মতো ফুরসত নাই। আমি এখন একটা কাজের ভিতরে আরও দশটা কাজ করি। আমার ব্রেইন এখন এক জায়গায় স্থির থাকে না। একই সময়ে কয়েকটা কাজের কথা মনে করিয়ে দেয়। আর আমিও সেভাবে চক্রাকারে ঘুরে ঘুরে কাজ করি।

আমার মেন্টাল হেলথের অবস্থা খুব ভয়াবহ। ছোট্ট একটা উদাহরণ দেই;
আজকে সকালে ফালাক্বের সব এলোমেলো খেলনা গুছিয়ে রাখার জন্য প্রথমে একটা ব্যাগ নিলাম। তারপর কিছু খেলনা ঢুকানোর পর মনে হলো হঠাৎ মনে হলো ফালাক্বের বাবা ঘুম থেকে উঠার আগে ঘরটা ঝাড়ু দিয়ে দেই। ঘর ঝাড়ু দেয়ার মধ্যেই মনে হলো আগে ডায়নিং টা ক্লীন করে নেই। এ-র মধ্যেই চলে গেলাম ডায়নিং থেকে সকালের নাস্তা খাওয়ার পর কয়েকটা অপরিষ্কার থালা বাটি নিয়ে বেসিনে।

কল ছেড়ে পরিস্কার করার মধ্যেই ফালাক্ব কান্না করছে কিছু একটার জন্য। আমিও কল ছেড়েই ওকে থামাতে গেলাম।কান্না থামানোর পর হঠাৎ আবার চোখে পড়ল অর্ধেক খেলনা ফ্লোরে পড়ে আছে। সেগুলো আবার ঘুছাইতে শুরু করলাম।
এর মধ্যে আবার দেখা যাচ্ছে ঘর ঝাড়ু দিতে গিয়ে অন্য কাজে চলে গেছিলাম সেকারনে ঝাড়ু ময়লার উপরে পড়ে আছে। ঝাড়ুটা নিয়ে আবার ঝাড়ু দেওয়া শুরু করলাম।
কিন্তু ঝাড়ু দিয়ে একটু ঝাড়ু দেয়ার পরেই কানে বাজতেছে বেসিনের কল ছাড়া। আবার ঝাড়ু অফ রেখে বেসিনে গেলাম কল অফ করতে। কল অফ করতে গিয়ে দেখি কিছু থালা বাসন ভীম দিয়ে ঘষাঘষি হয়েছে আর কিছু অপরিষ্কার অবস্থায় পড়ে আছে। সেগুলো আবার মাজতে লাগলাম। এর মধ্যে ফালাক্বের বাবা বাইরে যাবে তাই চা দিতে বলল।

আমিও চা বসাতে চলে গেলাম। চা বসিয়ে আবার গেলাম ঘর ঝাড়ু দিতে। এদিকে থালা বাসন মাজার পড়ে আবারও ক্লীন না করেই চলে গেলাম। ঘর ঝাড়ু দিতে দিতে মনে হলো চা টা পুড়ে যাচ্ছে। আবারও গেলাম ঝাড়ু রেখে চায়ে দুধ চিনি মিশাতে। এর মধ্যে ফালাক্ব রেকের মধ্যে ঝুলে আছে আম্মা ঢেকে বলতেছে। কাপে শুধু চিনি দিয়েই দৌড়ে আসলাম ফালাক্ব কে নামাতে। নামিয়ে গেলাম আবার চা বানাতে। কাপে শুধু দুধ দিতে দিতে ফালাক্ব আবার রেকে ঝুলে আছে।

আবার নামিয়ে এখন দিয়ে আসলাম তার বাবার কাছে। এখন চা টা কাপে ঢালতে ঢালতে শুনি ফালাক্বের কান্না। আবার দৌড়ে গেলাম ফালাক্বের কাছে। গিয়ে শুনি ফালাক্ব তার বাবার মোবাইল জানালা দিয়ে ফেলতে নিছিল তাই মাইর দিয়েছে।
পরে ছেলে কে কোলে করে নিয়ে এসে চায়ে দুধ চিনি নাড়া দিয়ে মিশালাম আর ঘরের বাকি অংশ ঝাড়ু দিয়ে শেষ করলাম। তবে এখনও থালা বাসন ক্লীন করিনি।

এভাবে চক্রাকারে ঘুরে ঘুরে কাজ করার পর আমার মাথা প্রচন্ড ঘুরাতে থাকে। প্রতিদিন একই অবস্থা। এটা শুধু আমার একার গল্প নয়। যাদের ঘরে ছোট্ট একটা দুষ্টু ছানা আছে, যেই মায়ের একাই সব কিছু সামলাতে হয় সে সকল মায়েদের মেন্টাল অবস্থা মনে হয় আমার মতই।
আমি জানি অনেকে এই লেখাটা পড়ে বলবে এগুলো আদিখ্যেতা, নয়তো আমি বেশি তাড়াহুড়ো করি। আবার কেউ হাসতেও পারে।

বিলিভ মি, সত্যি কথা বলতে সকাল থেকে আমি রাত বারোটা অবধি এভাবেই দৌড়াতে থাকি। জাস্ট সবকিছু সুন্দর করে পরিপাটি, ঘুছিয়ে রাখার জন্য। তবুও দিন শেষে আমি অনেক কিছুই পারি না। অনেক কিছুই কারোর মনঃপুত হয় না। এখানে অনেক ওয়ার্ড ই ব্যবহার করতে পারতাম থাক ব্যবহার করলাম না।

Author- Sabina Yeasmin

গতকাল সময় বাড়ানোর একটা ট্রিকস শেয়ার করেছিলাম। আপনার কমেন্ট আর ধৈর্য দেখে অবাক হলাম। আপনাদের সেক্সুয়াল লাইফের করুন অবস্থ...
27/06/2026

গতকাল সময় বাড়ানোর একটা ট্রিকস শেয়ার করেছিলাম। আপনার কমেন্ট আর ধৈর্য দেখে অবাক হলাম। আপনাদের সেক্সুয়াল লাইফের করুন অবস্থার জন্য সমবেদনা।

প্রথমত এই ট্রিকস তাদের যাদের টাইম একদমই কম। হালকা পেনিট্রেশন করলেই ইজাকুলেশন হয়ে যায়। এখানে আপনি পেনিট্রশন স্টপ হয়ে ফোরপ্লে, কিসিং, শরিরে স্পর্শ করতে থাকলেন ।

অথবা একদম স্টপ না থেকে স্লো পেনিট্রেশন করেও ফোরপ্লে করতে থাকলেন। এটা আপনাদের কন্ট্রোলের উপর।

সহবাস শুধু ইজাকুলেশনের জন্য না। ফোরপ্লে -ড্রেস রিমোভ - ফোরপ্লে - ইন্টিমেট -রোমান্টিক আলাপ- ফোরপ্লে - ইন্টিমেট - এই ভাবে সময় নিয়ে করবেন, সময়টা ইনজয় করবেন।

১/২ ঘন্টা হাতে সময় নিয়ে ইন্টিমেট হবেন। তাড়াহুড়ো করে ২/৩ অথবা ৮/১০ মিনিট পেনিট্রেশন করে ইজাকুলেশন করার মাইন্ডসেট থেকে বের হয়ে আসুন।

হাসবেন্ড ওয়াইফ একসাথে কোয়ালিটি টাইম স্পেন্ড করার মাইন্ডসেট তৈরি করেন।

আপনাদের বৈবাহিক জীবনে যে কোন রোমান্টিকতা, প্রেম নেই তা আপনাদের কমেন্ট দেখলেই বোঝা যায়।

- মিলনতত্ত্ব Admin

হাজবেন্ড, বাবা হিসেবে পুরুষদের কাছ থেকে আমাদের সমাজের একপেক্টেশন জিরো। উদাহরণ দেই: প্রথম বারের ভুল আমি এবার করিনি। প্রথম...
27/06/2026

হাজবেন্ড, বাবা হিসেবে পুরুষদের কাছ থেকে আমাদের সমাজের একপেক্টেশন জিরো। উদাহরণ দেই: প্রথম বারের ভুল আমি এবার করিনি। প্রথম ডেলিভারির সময় আমার কেবিনে, যেখানে একটা বেড আর আমার সাথে থাকার জন্য একজনের বেড ছিল৷ সেখানে রুমে থেকেছে আমি আর বাবু ছাড়াও তিনজন। একজন আমার বর obviously, আর বাকি দুজন আমার মা আর শ্বাশুড়ি। জীবনে প্রথম এতো বড় অপারেশন। মাকে ছাড়া থাকার কথা তো চিন্তাও করি নাই। হাজবেন্ডকে দুধভাত রেখেছি। শ্বাশুড়ি ছিলেন আন্তরিকতা থেকে কিন্তু তার কাছে সাহায্য চাইতে তো আমি কম্ফোর্টেবল না। তো পেশেন্ট বেডে আমি শুয়েছি, আর ঐ ছোট্ট কোনমতে একজনের জায়গা হওয়া বেডে আমার মা আর শাশুড়ি সাপের মতো দলা পাকিয়ে শুয়েছেন, আর আমার হাজবেন্ড ফ্লোরে।

আমার বিয়ের বয়স পাঁচ বছর। আমার হাজবেন্ডকে এখন আমি বাবা হিসেবে, বর হিসেবে ভালোভাবে চিনি। সেকারণেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবার কেবিনে ও ছাড়া আর কেউ রাতে থাকবে না। না মানে না। সবার আগে আমার আম্মা আকাশ থেকে পড়লো। আমি নিশ্চিত সে ভেবেছিল আমি হরমোনের আবেগে বলে ফেলেছি। তাই "দেখা যাবে" বলে ইগ্নোর করেছে। কিন্তু যখন দেখেছে আমি আমার কথায় অনড়, তাকে বাধ্য হয়ে মানতে হয়েছে। আমরা যে কেবিন নিয়েছিলাম, সেখানে হাসপাতালের কিছু ঝামেলার কারণে আমাদেরকে একটা VIP কেবিনে শিফট করা হল, একই ভাড়ায়। সেই কেবিনের ভিতর আবার আরেক রুম, শুধু আমাদের মায়েরা না, পুরো পরিবার সেখানে থাকতে পারতো। আমি এলাও করিনি।

আমরা এই ডিসিশন কেন নিয়েছি? কারণ, প্রথমবার সব আমাদের মায়েরা করেছে। আমি তো বেডে, বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানো আর নিজে সার্ভাইভ করা ছাড়া কোন কাজ করার ক্ষমতা নেই। উল্টো আমাকেই ধরে ধরে বসানো, ওঠানো, হাঁটানো, টয়লেট করানো, আবার শোয়ানো, কাপড় পরানো, খাওয়ানো লাগছিল কিছুক্ষণ পরপর। বেশিরভাগ আমাদের মায়েরাই করেছেন। আবার নিউবর্নের সেবাও তারাই করলেন। আমার হাজবেন্ড করতে চায় নি তা না, ওর কাছে কোন এক্সপেকটেশনই রাখা হয় নি, ওও মাতবরি করে নি। ওকে হাসপাতালে না থেকে বাসায় রেস্ট করতেও বলা হয়, ও যায় নি।

এবার আমরা দুজনেই চেয়েছি শুধু নিজেরা নিজেদের সাথে থাকতে, অন্তত রাতটুকু। এতে যেটা হয়েছে, আমার হাজবেন্ড আমার কষ্ট যেমন নিজের চোখে দেখেছে, ফিল করেছে, আমিও এই কঠিন সময়ে ওর ওপর ডিপেন্ডেন্ট, ভালনারেবল হওয়া শিখেছি, যেটা আমার কম্ফোর্ট জোনের বাইরে, আমি না পার‍তে হেল্প চাইতে পারিনা। কষ্টের সময় পাশে থাকা এবং কাছে পাওয়া সম্পর্ককে স্ট্রং বানায়। সে এদিকে আমাকে সামলেছে, আবার রাত জেগে নিউবর্নের খোঁজ রেখেছে, দুধ খাওয়ানোর জন্য আমাকে ডেকে তুলেছে। বাসার বাকিদের দিনের বেলা আনাগোনা ছিল। তখন আমার হাজবেন্ড ঘুমিয়ে নিয়েছে যতটুকু সম্ভব। শুধু রাতটুকু এলাও করিনাই। এইটুকু সময়েই হাসপাতালে রাতে ডিউটিরত যত নার্স, স্টাফ, এমনকি একজন ডাক্তারও এসে আমার হাজবেন্ড ছাড়া আমার সাথে আর কাউকে না দেখে নিম্নোক্ত কমেন্ট গুলো করেছে-
"আর কেউ নাই? আপনি একা?"
"শুধু ভাইয়া? উনি ছেলে মানুষ উনি কী বুঝবেন?"
"এগুলো কি ছেলে মানুষের কাজ?"
"উনি বাচ্চা সামলাবেন কীভাবে?"
"আপনার মা কোথায়? রাতে কেউ না থাকলে কীভাবে সামলাবেন?"

এবং এগুলো বলেছে আমার হাজবেন্ডের সামনে! যেন এসব কথা তার জন্য অপমানজনক না। যেন সে সেখানে exist ই করে না! এবং যারা কথাগুলো বলেছে সবাই মেয়ে!

শুধু হস্পিটালে না, এই যে আমি ঢাকা ছেড়ে মাস খানেকের বাচ্চা নিয়ে হাজবেন্ডের সাথে ঢাকার বাইরে থেকেছি, তখনও সব ভয়ে অস্থির, "একা" কীভাবে সামলাবো? অপদার্থ হাজবেন্ড গুলোর চাইতে আমার ক্ষোভটা বেশি এই হাজবেন্ডকে দুধভাত বানানো সমাজের ওপর। হাজবেন্ড থাকা সত্ত্বেও একটা মেয়েকে "একা" বলা হয়। বেয়ার মিনিমাম টুকুও তাদের কাছে এক্সপেক্ট করা হয় না! এবং এগুলো করে মেয়েরাই! আমরা মেয়েরাই এভাবে নিজেদের পায়ে কুড়াল মেরে সমাজটাকে পঙ্গু করে রাখি। তারপর এক পায়ে খুঁড়িয়ে হেঁটে জীবন পার করি। আরেক পা ব্যবহারের কথা মাথায়ই আনি না। আমাদের মেয়েদেরকে নিজেদের চিন্তা বদলাতে হবে, প্রচলিত প্রথার বাইরে চিন্তা করতে জানতে হবে।

© Fariha Rashid

গতকাল একটি অদ্ভুত লেখা পড়লাম। লেখাটি ছিল একজন মায়ের গল্প, আবার একই সঙ্গে একজন মেয়ের গল্পও। পড়তে পড়তে বারবার মনে হচ্ছিল, ...
09/06/2026

গতকাল একটি অদ্ভুত লেখা পড়লাম। লেখাটি ছিল একজন মায়ের গল্প, আবার একই সঙ্গে একজন মেয়ের গল্পও। পড়তে পড়তে বারবার মনে হচ্ছিল, মানুষের সম্পর্কগুলো আসলে কত জটিল, আর অপত্য স্নেহ কতটা অসহায় হতে পারে কখনো কখনো।

লেখাটিতে একজন চিকিৎসক মায়ের কথা বলা হয়েছে, যিনি একটি মেডিকেল কলেজের গাইনি অধ্যাপক। তিনি বহু বছর আগে একটি হত দরিদ্র শিশুকন্যাকে দত্তক নিয়ে নিজের সন্তানের মতো বড় করেছিলেন। তখন প্রতিদিন তার ফেসবুকজুড়ে থাকত শুধু মেয়ের ছবি, মেয়েকে নিয়ে গর্ব, আনন্দ, আদর, স্নেহ, স্বপ্ন দেখা, মেয়েকে নিয়ে মায়ের চোখে থাকত অপার মমতা। এই নাম পরিচয়হীন মেয়েকে তিনি মাতৃস্নেহে স্নান করিয়েছেন, বিলাসিতায় ভাসিয়েছেন, নিয়মিত বিদেশ ভ্রমণ থেকে শুরু করে এমন কিছু নেই যা করেননি। তার নামে অঢেল সম্পত্তি কিনেছেন কোনো দ্বিধা ছাড়াই। বাইরে থেকে দেখলেও মনে হতো, এ এক নিখুঁত মা-মেয়ের সম্পর্ক।

কয়েকদিন ধরে ফেসবুকে দেখা যাচ্ছে সেই মা নাকি তার আদরের মেয়ে পায়েলকে মাতৃ ও পিতৃ পরিচয় থেকে বঞ্চিত করেছেন বলে নিউজ হয়েছে। এটা কীভাবে সম্ভব? এত ভালোবাসার পরও এমন ঘটনা?

লেখাটিতে যে বিষয়টি বিশেষভাবে উঠে এসেছে, তা হলো কেন সেই মা শেষ পর্যন্ত মেয়ের সঙ্গে আইনগত দূরত্ব তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে মেয়ের বিভিন্ন রোমান্টিক সম্পর্ক, এবং পরবর্তীতে পরিবারকে না জানিয়ে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে এবং সম্পত্তি বিক্রি করবার ঘটনায় মা কষ্ট পান। অনেক বুঝিয়ে, শাসন করেও নাকি কোন কাজ হয়নি। ইতোমধ্যে মেয়ে তার নামে থাকা কিছু সম্পত্তি বিক্রি করে ফেলার পর মা আশঙ্কা করতে শুরু করেন, ভবিষ্যতে আরও সম্পদসংক্রান্ত জটিলতা তৈরি হতে পারে। সেই ভয়, হতাশা এবং বিশ্বাসভঙ্গের অনুভূতি থেকেই তিনি আইনি পথে গিয়ে অবশিষ্ট সম্পত্তির নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নেন এবং কন্যার আইনগত পরিচয় থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেন।

এটি শুধু সম্পত্তির নয়, বরং ভেঙে যাওয়া বিশ্বাস ও গভীর মানসিক আঘাতেরও একটি গল্প। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই সম্পর্ক ভেঙে গেছে। কেন ভেঙেছে, কার ভুল বেশি, কার কম, সেসবের বিচার না করি। প্রতিটি গল্পেরই একাধিক দিক থাকে।

দত্তক নেওয়া কোনো শিশুকে নিজের সন্তানের মতো মানুষ করা নিঃসন্দেহে বড় হৃদয়ের কাজ। আবার এটাও সত্য, সন্তান রক্তের হোক বা দত্তক, বড় হয়ে ওঠার পর তার নিজস্ব সিদ্ধান্ত, ভুল-ত্রুটি করার প্রবণতা, আবেগ এবং বিদ্রোহী মনোভাব তৈরি হয়। তখন সম্পর্ক শুধু ভালোবাসায় নয়, পারস্পরিক বিশ্বাসে ও আস্থায়ও টিকে থাকে।

শেষ পর্যন্ত এখানে কেউ সত্যিকার অর্থে জয়ী নয়। একজন হয়তো তার সন্তানের ওপর আস্থা হারিয়েছেন, আরেকজন হয়তো এমন একটি আশ্রয় হারিয়েছে, যা একসময় তার পুরো পৃথিবী ছিল।

পালিয়ে বিয়ে করার আজ তিন বছর পর এখন সেই দত্তক মেয়ে অধ্যাপক মায়ের নাম জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর খবর ছড়াচ্ছে। শোনা যাচ্ছে, সম্পদের আশায় সেই মেয়েটি আবার ফিরে আসতে চাইছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, বাংলাদেশের আইনে পালিত সন্তান স্বয়ংক্রিয়ভাবে উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তির অধিকারী হয় না। তবুও কিছু মানুষ সম্মানিত ও প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিদের আবেগ, সুনাম কিংবা সামাজিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে কিছু আদায় করার চেষ্টা করে।

উল্লেখ্য মেয়েটির জৈবিক বাবা পরিচয় স্বীকার করলেও জন্মদাত্রী মা এখনও তাকে অস্বীকার করছে। অথচ ম্যাডাম তাকে মাতৃপরিচয় দিয়েছেন, মাতৃস্নেহ দিয়েছেন, নিজের সন্তানের মতো করে প্রায় ১৫ বছর লালন-পালন করেছেন।

জীবনে অনেকেই ভালোবাসা পায় না, নিরাপত্তা পায় না, সুযোগ পায় না। অথচ সে সব পেয়েছিল। ভালোবাসা, পরিচয়, শিক্ষা, সম্মান এবং একটি সুন্দর ভবিষ্যতের সম্ভাবনা। কিন্তু কখনো কখনো মানুষ নিজের সিদ্ধান্তের কারণেই নিজের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদগুলো হারিয়ে ফেলে।

যেহেতু সে নিজেই এই পথ বেছে নিয়েছে, তাই তার পিতৃপরিচয়ের বিষয়টি দ্রুত ও আইনসম্মতভাবে নিষ্পত্তি হওয়াই ভালো। ভালোবাসা জোর করে পাওয়া যায় না, আর কৃতজ্ঞতাও কোনো আইনের মাধ্যমে আদায় করা যায় না।
বরং যে অপার মমতা, স্নেহ আর ভালোবাসা ম্যাডামের ভেতরে এখনও রয়ে গেছে, তা হয়তো এমন শিশুদের জন্য ব্যয় করা আরও অর্থবহ হবে, যারা সত্যিই স্নেহ ও আশ্রয়ের অভাবে বড় হচ্ছে। পৃথিবীতে অনেক শিশু আছে, যারা একবেলা আদর আর একবেলা ভালোবাসার জন্যও অপেক্ষা করে। কখনো কখনো তাদের মুখের একটি হাসিই হৃদয়ের অনেকটা জায়গা ভরে দিতে পারে।

ফেসবুকে এখনও সেই অধ্যাপক মায়ের প্রোফাইলে দত্তক মেয়ের পুরোনো ছবিগুলো রয়ে গেছে। তিনি সেগুলো মুছে ফেলেননি। হয়তো সেই স্মৃতিগুলোই এখন তাঁর মাতৃত্বের শেষ আশ্রয়। অনেক সময় মানুষ রাগে অথবা ভয়ে সম্পর্ক ছিন্ন করতে পারে, কিন্তু স্মৃতি থেকে কাউকে মুছে ফেলতে পারে না। জীবনের সবচেয়ে বেদনাদায়ক ট্র্যাজেডিগুলোর একটি সম্ভবত এটাই, যখন ভালোবাসা থেকে যায়, অথচ একসঙ্গে থাকার পথটা হারিয়ে ফেলে মানুষ।

©Farida Akhter

Address

Bir Uttam Qazi Nuruzzaman Sarak West, Panthapath
Dhaka
1205

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মিলনতত্ত্ব - Sisters Only posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category