Iqra Early Learning Center & Daycare

Iqra Early Learning Center & Daycare Urmi Bhuiyan

29/07/2026
27/07/2026
বাচ্চাকে স্কুলে দেওয়ার সঠিক বয়স কোনটা? ৬–৭ বছর।কেন?✅ এই বয়সে শিশুর সামাজিক দক্ষতা তৈরি হয়। বাবা–মায়ের গণ্ডির বাইরে থেকেও...
26/07/2026

বাচ্চাকে স্কুলে দেওয়ার সঠিক বয়স কোনটা?
৬–৭ বছর।

কেন?
✅ এই বয়সে শিশুর সামাজিক দক্ষতা তৈরি হয়। বাবা–মায়ের গণ্ডির বাইরে থেকেও নিজেকে নিরাপদ ভাবতে শেখে।
✅ নিজে খাওয়া, নিজে শৌচকার্য— অর্থাৎ বেসিক সেলফ-হেল্প স্কিলগুলো আয়ত্তে আসে।
✅ মনোযোগ দেওয়ার ক্ষমতা (attention span) বাড়ে। চেয়ার–টেবিলে কিছুক্ষণ বসে থাকা তখন তার পক্ষে সম্ভব হয়।

তাহলে আমার বাচ্চা ৩ বছরে কেন যায়?

📌 এটা “স্কুল” না। এটা প্রিস্কুল।
বেঞ্চে বসে পড়াশোনা নেই।
এমিলের রুটিন হলো—
খেলা, রং করা, ক্রাফটস, নাচ–গান, আর ইয়োগা (ব্যায়াম)।

📌 প্রিস্কুল কী?

৪–৫ বছরে যে ধাপে শিশুরা স্কুলের আগে যায়— সেটাই প্রিস্কুল।

📌 দরকার কী?

একেবারেই বাধ্যতামূলক না।
প্রিস্কুলে না গেলে কেউ পিছিয়ে পড়ে— এমন বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।
এমিল প্রিস্কুলে যাওয়ার আগেই বাংলা ও ইংরেজিতে পড়তে–লিখতে পারে, গণিতও পারে। সব বাসায় শিখেছে।

🤔 তাহলে দিলাম কেন?

কারণ সে সমবয়সী শিশুদের খুব কম দেখে।
তার দিন কাটে বড়দের সাথে।

সামারে বাইরে দেখা হয়, কিন্তু উইন্টারে সেই সুযোগ কমে যায়।
তাই তিন মাসের জন্য দিয়েছি। বাসা বদলের সময়টাও সেখানে রাখবো।

আর সত্যি বলতে সেখানে গিয়ে
সে অন্য শিশুদের সাথে মিশে খেলা শিখেছে। যেটা আগে একদমই করতো না।

এটাই আমার উদ্দেশ্য ছিল।

📌 উন্নত বিশ্বে তাহলে ছোট বয়সে স্কুল কেন?

ওগুলো বেশিরভাগই “স্কুল” না, ডে-কেয়ার।
ডে-কেয়ার মানে শিশু যত্ন কেন্দ্র।

যখন বাবা–মা কাজ করেন এবং শিশুর দেখভালের জন্য পরিবারে কেউ থাকেন না, তখন নিরাপদ যত্ন নিশ্চিত করার জায়গা হিসেবে ডে-কেয়ার।

আমাদের সংস্কৃতিতে অনেক সময় এই দায়িত্ব পরিবারই নেয়।

📌 ডে-কেয়ার ভালো না পরিবার ভালো?

এটা পুরোপুরি নির্ভর করে আপনার পরিবার কেমন তার ওপর।

কখনো ডে-কেয়ার বেশি নিরাপদ হতে পারে।
কখনো পরিবার।

এক জায়গায় প্রশিক্ষিত পেশাদার অর্থের বিনিময়ে কাজ করেন।
আরেক জায়গায় ভালোবাসা দিয়ে পরিবারের সদস‍্যরা দেখেন।

দুটো ব্যবস্থারই ভালো দিক যেমন আছে, সীমাবদ্ধতাও আছে।
সিদ্ধান্ত আপনার।

📌 শিশুকে স্কুলে কখন দেবো?

যখন আপনার ও আপনার শিশুর প্রস্তুতি মিলবে।

সামর্থ্য, মূল্যবোধ, শিশুর মানসিক প্রস্তুতি— সবকিছু বিবেচনায় নিন।
কোনো সামাজিক চাপের জন্য নয়।

📌 স্কুল বাছাইয়ের সময় কী দেখি?

আমি দেখি—

🤝 শিক্ষকদের মানসিকতা আমার সাথে মেলে কি না
🤝 স্কুলের দর্শন (philosophy) আমার মূল্যবোধের সাথে যায় কি না
🤝 একই ধাঁচের পরিবার থেকে আসা শিশুরা পড়ে কি না

যেমন— ধর্মীয় স্কুলে সাধারণত একই বিশ্বাসের পরিবারগুলো থাকে।

📌 কেন প্রাইমারি স্কুলকে আমি সবচেয়ে গুরুত্ব দেই?

কারণ এটাকে আমি “গোড়াপত্তন” মনে করি।
বেসিক যদি শক্ত হয়, পরের শেখাগুলি সহজ হয়।
বেসিক দুর্বল হলে সারাজীবন সেই ঘাটতি পুষিয়ে নিতে হয়।
আমি রোগের ওষুধ খাওয়ার চেয়ে রোগ প্রতিরোধে বিশ্বাসী।
তাই ভালো প্রাইমারি স্কুলের জন্য বরফ পার হয়ে, ট্রেনে ঠাসাঠাসি করে কিংবা আরো দূরের ভ্রমণ করতে আমি রাজি আছি।
অনেকে বলেন—
“এখন এত খরচ করো না, জমাও। পরে আইভি লীগে পড়াবে।”

আমি হাসি।
আসলে আমার সন্তান কলেজে না পড়লেও কিছু হবে না।
কিন্তু তার ভিত্তিটা যদি সুস্থ, নিরাপদ, শক্ত হয়— সেটাই আমার কাছে বড়।
গাছকে কচি অবস্থায় কাঠি দিয়ে সাপোর্ট দিয়ে সহজে সোজা করা যায়।
বড় গাছকেও বদলানো যায়— কিন্তু তাতে অনেক বেশি শ্রম লাগে। সেটা আর কাঠি বেঁধে হয় না।
আর একটা কথা, যত ভালো স্কুলই হোক, পরিবারের চেয়ে বড় স্কুল শিশুর জীবনে আর কিছু নেই।

এটা ক্লিশে শোনাতে পারে।
কিন্তু শিশুর ক্ষেত্রে এটাই চূড়ান্ত সত্য।

#স্কুল
#স্কুলেরবয়স
#পারমিতার_প্রতিদিন


"স্পিচ ডিলে নিয়ে মায়েরা যেভাবে সময় দিবেন শিশুকে।আপ নারা নিজের মতো করে সাজিয়ে নিবেন। এভাবে প্রতিদিন কিছু না কিছু করার চেষ...
16/07/2026

"স্পিচ ডিলে নিয়ে মায়েরা যেভাবে সময় দিবেন শিশুকে।আপ নারা নিজের মতো করে সাজিয়ে নিবেন।
এভাবে প্রতিদিন কিছু না কিছু করার চেষ্টা করবেন।
🌸 স্পিচ ডিলে হোম প্ল্যান ফর মমস
৩০ দিনের ঘরোয়া গাইড (প্রতিদিন ১০-২০ মিনিট)
অনেক মা ভাবেন, "স্পিচ থেরাপি শুরু হওয়ার আগে বা থেরাপির পাশাপাশি আমি বাসায় কী করতে পারি?"
তাই এই ৩০ দিনের হোম প্ল্যান। এটি থেরাপির বিকল্প নয়, তবে নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে শিশুর ভাষা ও যোগাযোগের দক্ষতা গড়ে তুলতে সহায়ক হতে পারে।

👉: শিশুর সঙ্গে সংযোগ তৈরি
করণীয়: ১০-১৫ মিনিট শিশুর পছন্দের খেলায় তার সঙ্গে মেঝেতে বসে খেলুন। শিশুকে নেতৃত্ব দিতে দিন।
👉: সারাদিন কথা বলুন
করণীয়: যা করছেন তা সহজ ভাষায় বলুন। যেমন: "চলো খাই", "পানি খাই", "বল ছুঁড়ি"।
👉: চোখে চোখ রেখে যোগাযোগ
করণীয়: খেলার সময় মুখোমুখি বসুন এবং শিশুর চোখে চোখ রেখে হাসুন, কথা বলুন।
👉 নাম ধরে ডাকলে সাড়া দেওয়া
করণীয়: একবার নাম ধরে ডাকুন। তাকালে সঙ্গে সঙ্গে হাসুন, প্রশংসা করুন বা পছন্দের খেলনা দিন।
👉: ইশারা শেখানো
করণীয়: "বাই-বাই", "তালি", "এদিকে আসো", "দাও" ইত্যাদি ইশারা প্রতিদিন অনুশীলন করুন।
👉: অনুকরণ খেলা
করণীয়: হাততালি, মুখভঙ্গি, "আ", "ও", "ম্" শব্দ করে শিশুকে অনুকরণ করতে উৎসাহ দিন।
👉: কথা বলার সুযোগ তৈরি করুন
করণীয়: প্রয়োজনীয় জিনিস সঙ্গে সঙ্গে না দিয়ে কয়েক সেকেন্ড অপেক্ষা করুন, যেন শিশু ইশারা, শব্দ বা চোখের যোগাযোগের মাধ্যমে কিছু চাইতে পারে।
👉: খাওয়ার সময় ভাষা শেখান
করণীয়: খাবারের নাম বারবার বলুন। যেমন: "ভাত", "ডিম", "পানি"।
👉: গোসলের সময় শেখান
করণীয়: "পানি", "সাবান", "মাথা", "হাত", "পা" শব্দ ব্যবহার করুন।
👉: পোশাক পরার সময়
করণীয়: "জামা", "প্যান্ট", "লাল", "নীল" ইত্যাদি শব্দ বলুন।
👉 বাইরে হাঁটার সময়
করণীয়: গাছ, পাখি, গাড়ি, বিড়াল দেখিয়ে নাম বলুন।
👉 ছবি দেখে শেখান
করণীয়: ছবির বই দেখে এক পাতায় ১-২টি শব্দ বলুন।
👉: গান ও ছড়া
করণীয়: হাতের অঙ্গভঙ্গি দিয়ে ছড়া গাইুন এবং শিশুকে অংশ নিতে উৎসাহ দিন।
👉 দৈনন্দিন রুটিন ব্যবহার করুন
করণীয়: প্রতিটি কাজের সময় সহজ ও ছোট বাক্যে কথা বলুন।
👉: সঠিক খেলনা বেছে নিন
করণীয়: ব্লক, বল, পাজল, রান্নাবাটি, গাড়ির মতো ওপেন-এন্ডেড খেলনা ব্যবহার করুন।
👉: একসঙ্গে খেলুন
করণীয়: শিশুকে একা খেলতে না দিয়ে খেলায় অংশ নিন।
👉 বাবার অংশগ্রহণ
করণীয়: বাবা প্রতিদিন অন্তত ১০ মিনিট গল্প বা খেলায় সময় দিন।
👉: ভাইবোনের ভূমিকা
করণীয়: পালা করে খেলা ও ছোট ছোট কথোপকথনের সুযোগ তৈরি করুন।
👉: পরিবারের সবাই একইভাবে কথা বলুন
করণীয়: সহজ ও ছোট বাক্য ব্যবহার করুন।
👉: শিশুর আগ্রহ অনুসরণ করুন
করণীয়: সে যে খেলায় আগ্রহী, সেই খেলার মধ্যেই ভাষা শেখান।
👉: স্ক্রিন টাইম কমান
করণীয়: মোবাইল ও টিভির পরিবর্তে বাস্তব খেলাধুলা ও কথোপকথনের সময় বাড়ান।
👉: কম শব্দ, বেশি পুনরাবৃত্তি
করণীয়: একই শব্দ বিভিন্ন পরিস্থিতিতে বারবার ব্যবহার করুন।
👉: ভুল উচ্চারণে বকা দেবেন না
করণীয়: শিশুর বলা শব্দের সঠিক উচ্চারণটি স্বাভাবিকভাবে আবার বলুন।
👉: অপেক্ষা করতে শিখুন
করণীয়: প্রশ্ন করার পর ৫-১০ সেকেন্ড অপেক্ষা করুন।
👉: এক শব্দ থেকে দুই শব্দ
করণীয়: শিশু যদি "বল" বলে, আপনি বলুন "লাল বল" বা "বল দাও"।
👉: যোগাযোগের সুযোগ বাড়ান
করণীয়: পছন্দের খেলনা চোখের সামনে রেখে শিশুকে কিছু চাওয়ার সুযোগ দিন।
👉: সাধারণ ভুল এড়িয়ে চলুন
করণীয়: বারবার "বলো", "বলো তো" বলে চাপ দেবেন না।
👉: অগ্রগতি লিখে রাখুন
করণীয়: নতুন শব্দ, ইশারা বা যোগাযোগের পরিবর্তন নোট করুন।
👉: কখন বিশেষজ্ঞের কাছে যাবেন
করণীয়: উন্নতি কম মনে হলে শিশু বিশেষজ্ঞ বা স্পিচ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপিস্টের সঙ্গে পরামর্শ করুন।
👉: পুরো মাসের মূল্যায়ন
করণীয়: কী কী পরিবর্তন হয়েছে তা লিখুন এবং পরবর্তী মাসের জন্য নতুন লক্ষ্য নির্ধারণ করুন।
💙 মনে রাখবেন: প্রতিটি শিশুর শেখার গতি আলাদা। নিয়মিত অনুশীলন, খেলার মাধ্যমে শেখানো এবং পরিবারের সক্রিয় অংশগ্রহণ শিশুর ভাষা ও যোগাযোগের দক্ষতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ইনশাআল্লাহ আমরা আরো ডেভেলপমেন্ট করবো ❤️
13/07/2026

ইনশাআল্লাহ আমরা আরো ডেভেলপমেন্ট করবো ❤️

🎉 জুন/জুলাই সেশনের ভর্তি চলছে! 🎉👶 আপনার শিশুর সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য নিরাপদ, যত্নশীল ও আনন্দময় পরিবেশ।📚 প্রি-স্কুল সুবিধা...
10/07/2026

🎉 জুন/জুলাই সেশনের ভর্তি চলছে! 🎉
👶 আপনার শিশুর সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য নিরাপদ, যত্নশীল ও আনন্দময় পরিবেশ।
📚 প্রি-স্কুল সুবিধাসমূহ:
✅ অ্যাক্টিভিটি বেইসড লার্নিং
✅ সিটিং হ্যাবিট নেই এমন শিশুদের জন্য বিশেষ সহায়তা
✅ স্পিচ ডিলে শিশুদের জন্য বিশেষ প্রি-স্কুল সুবিধা
✅ শিশুদের ব্যক্তিগত বিকাশে বিশেষ গুরুত্ব
🏡 ডে-কেয়ার ও প্রি-স্কুল সেবা উপলব্ধ
🏫 ইকরা আর্লি লার্নিং সেন্টার অ্যান্ড ডে-কেয়ার
📍 আয়েশা প্যালেস, ২১/৭, ৩য় লেন, গোপীবাগ, ঢাকা-১২০৩
📞 ০১৬৭৭২১৫৭৩৯
📞 ০১৭৬৮৬০০১৫৫
📢 সীমিত আসন! আজই যোগাযোগ করুন।

Address

Aysha Palace
Dhaka
1203

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Iqra Early Learning Center & Daycare posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Iqra Early Learning Center & Daycare:

Shortcuts

Share